somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ফ্রিল্যান্সিং এ কয়েকটি গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয় (টাকা আয় করুন অনলাইনে)
রেটিং (Rating) - একটি কাজ সম্পন্ন হবার পর ক্লায়েন্ট কাজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রোভাইডারকে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে রেটিং দেয়। এখানে সর্বোত্তকৃষ্ট রেটিং হচ্ছে ১০ এবং সর্বনিম্ন রেটিং হচ্ছে ১। নতুন কাজ পাবার ক্ষেত্রে এই রেটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই সবসময় ১০ রেটিং পাওয়ার জন্য প্রজেক্টের রিকোয়ারমেন্ট পরিপূর্ণভাবে এবং দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা উচিত।

রেংকিং (Ranking) - একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইটে রেজিষ্ট্রেশনকৃত সকল প্রোভাইডারের মধ্যে একজন নির্দিষ্ট প্রোভাইডারের অবস্থান কত তা জানা যায় রেংকিং এর মাধ্যমে। সাধারণত একজন প্রোভাইডারের গড় রেটিং এবং সে কত বেশি ডলারের কাজ করেছে তার উপর ভিত্তি করে রেংকিং নির্ধারণ করা হয়। রেটিং এর মত রেংকিংও নতুন কাজ পাবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যার রেংকিং যত সামনের দিকে তার কাজ পাবার সম্ভাবনা অন্যদের চাইতে বেশি।

ডেডলাইন (Deadline) - প্রত্যেক প্রজেক্ট শেষ করার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন সময় থাকে। এই সময়ের পূর্বে অবশ্যই কাজ শেষ করতে হয়। কোন প্রোভাইডার যদি ডেডলাইনের পূর্বে কাজ শেষ করতে না পারে তাহলে বায়ার ইচ্ছে করলে তাকে কোন মূল্য পরিশোধ না করে সম্পন্ন কাজটি নিয়ে যেতে পারে। উপরন্তু ক্লায়েন্ট সেই প্রোভাইডারকে একটি নিম্নমানের রেটিং দিয়ে দিতে পারে। তাই কোন প্রজেক্টের ডেডলাইন সময় প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে কাজ শুরুর পূর্বেই বায়ারকে অনুরোধ করে বাড়িয়ে নেয়া উচিত।

মেডিএশন/আর্বিট্রেশন (Mediation/Arbitration) - একটি প্রজেক্ট চলাকালীন সময় বায়ার এবং প্রোভাইডারের মধ্যে কোন সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য মেডিএশন এর ব্যবস্থা রয়েছে। এই পদ্ধতিতে সাইটের যথাযথ কতৃপক্ষ উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে এবং সমাধানের কার্যকরী পদক্ষেপ

(Escrow) - কাজ শুরু করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ অর্থ ওই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে জমা রাখে। এই জমা রাখাকে বলা হয় এসক্রো যা কাজ সম্পন্ন হবার পর কোডারের টাকা পাবার সম্ভাবনা নিশ্চিত করে। ক্লায়েন্ট টাকা এসক্রোতে জমা রাখা পূর্বে কাজ শুরু করা উচিত নয়।
অর্থ উত্তোলনের উপায়সমূহ কাজ সম্পন্ন হবার পর প্রোভাইডারের পাওনা অর্থ ফ্রিল্যান্সিং সাইটের একাউন্টে জমা থাকে। মাসের শেষে বা মাসের মাঝামাঝি সময়ে সর্বমোট অর্থ বিভিন্ন উপায়ে দেশে নিয়ে আসা যায়। এখানে টাকা উত্তোলনের কয়েকটি কার্যকর পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

Snail Mail Checkএই পদ্ধতিতে খরচ তুলনামূলকভাবে কম কিন্তু এটি সময়সাপেক্ষ পদ্ধতি। মোট আয় যদি ১০০ ডলারের এর উপর হয় তাহলে চিঠির মাধ্যমে একটি চেক পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রতিবার টাকা উত্তোলনে খরচ পড়ে মাত্র ১০ ডলার। তবে চিঠি আসতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। আর চেকটি আসবে ডলার-এ, তাই এটিকে টাকাতে রূপান্তর করতে হলে ব্যাংকের সাহায্য নিতে হবে।

Bank to Bank Wire Transfer টাকা উত্তোলনের একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ উপায় হচ্ছে ওয়্যার ট্রান্সফার। এই পদ্ধতিতে মাস শেষে ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ টাকা সরাসরি প্রোভাইডারের ব্যাংক একাউন্টে এসে জমা হয়ে যায়। তবে এই পদ্ধতিতে চার্জ একটু বেশি - প্রতিবার টাকা উত্তোলনে ৪৫ থেকে ৫৫ ডলার খরচ পড়বে। এই পদ্ধতিতে টাকা উত্তোলন করতে হলে নিম্নে উল্লেখিত তথ্যগুলো ফ্রিল্যান্সিং সাইটে প্রদান করতে হবে:
প্রোভাইডারের ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার, ব্যাংক এর ঠিকানা এবং ব্যাংকের

SWIFT Code
ফ্রিল্যান্সিং সাইটি যে দেশে অবস্থিত সেই দেশের একটি ব্যাংকের নাম যা অর্থ প্রেরণের জন্য মধ্যবর্তী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এজন্য আপনি আপনার ব্যাংক এ গিয়ে জেনে নিতে পারেন তারা ওই দেশের কোন কোন ব্যাংক এর মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদান করে থাকে।
এরপর মধ্যবর্তী ওই ব্যংক এর Routing নাম্বার সংগ্রহ করতে হবে যা ব্যাংকটির ওয়েবসাইট এ পাওয়া যেতে পারে। ব্যাংক এর সাইটে না পাওয়া গেলে Google এ সার্চ করে দেখতে পারেন অথবা আপনার ব্যাংক থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই নাম্বারকে বলা হয় ABA Routing Number ।Payoneer Debit Cardউপরের দুটি পদ্ধতি থেকে সবচাইতে দ্রুত পদ্ধতি হচ্ছে

Payoneer Debit Card । সম্প্রতি প্রায় সকল ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলো এই MasterCard সার্ভিসটি চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে মাস শেষে আপনি টাকা খুবই দ্রুত পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে ATM এর মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারেন। এজন্য এককালীন খরচ পড়বে ২০ ডলার আর সাইটির মাসিক ব্যবস্থাপনা ফি ৩ ডলার। ATM থেকে প্রতিবার টাকা উত্তোলনের জন্য খরচ পড়বে ২.১৫ ডলার + উত্তোলনকৃত অর্থের ৩%। এই কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটাও করতে পারবেন। এমনকি এর মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত আপনার কোন আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব তাদের মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থেকে আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবে। পেওনার সাইট থেকে সরাসরি এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যায় না। এটি পেতে হলে ফ্রিল্যান্সিং যে কোন একটি সাইট (রেন্ট-এ-কোডার, গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার বা ওডেস্ক) থেকে আবেদন করলে ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে এই কার্ডটি হাতে পাওয়া যায়।
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আরো তথ্য:ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত আরো জানতে "ফ্রিল্যান্সার হওয়ার গল্প" নামক একটি বাংলা ব্লগ সাইট ভিজিট করতে পারেন। এই সাইটে নিয়মিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বিভিন্ন আর্টিকেল লেখা হয়। পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের খবরও এই সাইটে পাওয়া যায়। সাইটির ঠিকানা হচ্ছে - Click This Link হচ্ছে "ফ্রিল্যান্স ফেস্ট" নামে একটি অনলাইন ফোরাম। ফোরামটি গঠন এবং পরিচালনা করছেন আমাদের দেশী কয়েকজন সফল ফ্রিল্যান্সার। ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এ আগ্রহী যে কেউ এই ফোরামে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন এবং ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে যেকোন ধরনের সমস্যা ও তার সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ফোরামটির ঠিকানা হচ্ছে - Click This Link আপনি ইচ্ছে করলে "বিডিওএসএন আউটসোর্সিং" নামক গুগল গ্রুপে যোগদান করতে পারেন। এই গ্রুপের মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সারদের সাথে সরাসরি ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারেন। গ্রুপটির ঠিকানা হচ্ছে - Click This Link
শেষকথা:বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং হতে পারে অর্থনৈতিক মুক্তির উপায়। দেশের দক্ষ ও বেকার জনগোষ্ঠিকে জনশক্তিতে পরিণত করতে এটি হতে পারে একটি প্রধান নিয়ামক। তবে খেয়াল রাখতে হবে, প্রাথমিক অবস্থায় অনলাইনে কাজ পাওয়াটা সহজ নয়। প্রয়োজন ধৈর্য ও পরিশ্রম করার মানসিকতা। কারণ এখানে আপনাকে বিভিন্ন দেশের দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের সাথে প্রতিযোগীতা করে কাজ আনতে হবে। তাই ফ্রিল্যান্সিং যারা শুরু করতে চান তাদের হতে হবে আত্মবিশ্বাসী, প্রত্যয়ী ও সমসাময়িক তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগত। সর্বোপরি নিজ কর্মক্ষেত্রে দক্ষ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29474081 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29474081 2011-10-29 00:54:33
মার্কিন বিজ্ঞানীর দাবি : মহাবিশ্বে আমরা একা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. হাওয়ার্ড স্মিথের মতে, অসংখ্য গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতো অসংখ্য গ্রহ থাকলেও সেগুলো প্রাণবিকাশের অনুপযোগী। তাই আমরা যে ইটি বা এক্সট্রা টেরিস্ট্রিয়াল (মহাজাগতিক) প্রাণীর কথা কল্পনা করে থাকি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছি, তার কোনো মানে নেই। এমনকি আমাদের সৌরজগতের বাইরে লক্ষকোটি আলোকবর্ষ দূরে তাদের অস্তিত্বের ক্ষীণতম সম্ভাবনাও থাকে, তবু তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনো সুদূরতম সম্ভাবনাও নেই।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের বাইরে দূরতম সৌরজগতে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। মহাজাগতিক ওসব গ্রহে তারা প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে দৃঢ় আশা প্রকাশ করছেন, তবু সেসব কথায় কান না দিয়ে ড. হাওয়ার্ড স্মিথ বলেছেন, ‘এর কোনো সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে না’।
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত গ্রহগুলোর অবস্থান তাদের নিজ নিজ সূর্য থেকে এত বেশি কাছে কিংবা এত বেশি দূরে যে, যেখানে উষ্ণতা কিংবা শীতলতার চরম তাপমাত্রায় প্রাণের বিকাশের কোনো সূত্রই কাজ করতে পারবে না।’
আবার কিছু কিছু গ্রহের কক্ষপথের অস্বাভাবিকতার কথাও বলেছেন ড. স্মিথ। এই অস্বাভাবিক অবস্থায়ও সেসব গ্রহে জীবনধারণের প্রধান শর্ত পানির তরলতা সম্পূর্ণই অসম্ভব। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, সেসব গ্রহ-নক্ষত্র এবং তাদের সৌরব্যবস্থা বা পদ্ধতি আমাদের সৌরপদ্ধতির চেয়ে এত বেশি অন্যরকম যে, ওখানে আমাদের মতো বুদ্ধিমান বা কমবুদ্ধিমান কিংবা নির্বোধ প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব বিকশিত হওয়ার কোনোই অবকাশ নেই।’
সুতরাং নতুন এই তথ্যের আলোকে নির্ভর করে ড. স্মিথ বলেছেন, ‘এই মহাবিশ্বে আমরা একদমই নিঃসঙ্গ।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মতো খুব কমই সৌরজগত এবং গ্রহ আছে। তার অর্থ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার মতো অন্য গ্রহে বুদ্ধিমান প্রাণী থাকার সম্ভাবনা একেবারেই কম।’
মাত্র গত মাসেই বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, আরও লক্ষ কোটি গ্যালাক্সি থাকার কারণে এটা অনুমান অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত যে, মহাবিশ্বের অন্য কোথায় প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের গবেষকরাও বলেন, প্রায় ৪০ হাজার গ্রহে এলিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে। কিন্তু ড. স্মিথ সে সব কথাকে নিরেট সত্য নয়, স্রেফ আশাবাদ হিসেবেই নাকচ করে দেন।
ড. স্মিথের এ দাবির ফলে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব সম্পর্কিত এলিয়েন (ভিনগ্রহের প্রাণী) তত্ত্বে ফাটল ধরল। সূত্র : দ্য মেইল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29314860 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29314860 2011-01-26 17:06:51
টেন্ডার নিয়ে ঢাবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্র মহড়া http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126938 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126938 2010-03-31 23:17:31 টেন্ডার নিয়ে ঢাবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্র মহড়া http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126936 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126936 2010-03-31 23:16:41 ছাত্রী মুন্নির প্রেমের বলি সিলেটের অধ্যাপক হারুন মুন্নি ও লিপির দেয়া তথ্যমতে র্যাব গতকাল ওই কিলিং মিশনে অংশ নেয়া ২ দুর্বৃত্ত রাসেল আহমদ ও আলিমুলকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে নিহতের মোবাইল ফোনও উদ্ধার করে র্যাব। খুনি আলিমুলের আশ্রয়দাতা নগরীর দরগা গেট এলাকার হোটেল আজমীরীর ম্যানেজার লোকমান মিয়াও আটক হয়েছে র্যাবের হাতে। তবে কিলিং মিশনের ৩ দুর্বৃত্তের মধ্যে অন্যতম কাওসার এখনও রয়েছে পলাতক। এ মামলায় এর আগে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক হারুন মজুমদার তিন ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আটক ৩ ছাত্রদল কর্মী এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও মিডিয়ায় বক্তব্য দেন এসআই হারুন।
২২ মার্চ বেলা ৩টায় কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে নগরীর চৌহাট্টার নিজ বাসার সামনে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে খুন হন অধ্যাপক হারুন।
বৃহস্পতিবার সিলেট সফরকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারে স্থানীয় প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়ে যান। এ অবস্থায় গত রোববার রাত থেকে এই মামলা তদন্তে মাঠে নামে র্যাব-৯ একটি চৌকস দল। র্যাব সূত্র জানায়, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে ওইদিন রাতেই র্যাব কিলিং মিশনের অন্যতম নায়ক রাসেল আহমদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। নগরীর পাঠানটুলার পল্লবী আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে নিহতের মোবাইল ফোনসহ রাসেলকে আটক করে র্যাব। এরপর ঘটনার মূল নায়িকা কলেজ ছাত্রী মুন্নিকে রাসেলের মাধ্যমে ফোন দিয়ে তার অবস্থান জেনে নেয় র্যাব। এর কিছুক্ষণ পর নগরীর সুবিদবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এরপর একে একে মুন্নির বান্ধবী লিপিকে বাগবাড়ি এবং অপর খুনি কাওসারের আশ্রয়দাতা নগরীর দরগা গেটের আজমীরী হোটেলের ম্যানেজার মোঃ লোকমান মিয়াকে আটক করা হয়। খুনি কাওসার এই হোটেলের একটি কক্ষে নাম রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই সাতদিন ধরে অবস্থান করছিল। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়।
আটককৃতদের দেয়া তথ্যমতে, সরকারি মহিলা কলেজের দর্শন অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী সুজিনা আক্তার মুন্নি তার পুরনো প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে সম্প্রতি খুনি কাওসারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। মুন্নি ও লিপি দু’জনই অধ্যাপক হারুনের প্রাইভেট ব্যাচের শিক্ষার্থী। এর সূত্র ধরে মুন্নির সাবেক প্রেমিক বিষয়টি নিয়ে নালিশ করে অধ্যাপক হারুনের কাছে। অধ্যাপক হারুন বিষয়টির সালিশ প্রক্রিয়া নিয়ে মুন্নি, লিপি এবং কাওসারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে যান। এক পর্যায়ে লিপি ও মুন্নি তাকে শিক্ষা দেয়ার কথা বলে প্রাইভেট ব্যাচ ছেড়ে চলে যায়। ২২ মার্চ তারাই খুন করায় অধ্যাপক হারুনকে।
র্যাব জানায়, ঘটনার দিন সকাল থেকে লিপি ও মুন্নি কলেজে অবস্থান করে অধ্যাপক হারুনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। বিকাল পৌনে ৩টায় তিনি বাসায় ফেরার জন্য কলেজ থেকে রওয়ানা দিলে তথ্যটি তাত্ক্ষণিক মোবাইল ফোনে খুনিদের জানিয়ে দেয় মুন্নি। এ সময় অধ্যাপক হারুনের বাসার সামনে ওঁত্ পেতে অপেক্ষা করছিল তিন খুনি কাওসার, আলিমুল ও রাসেল। মুন্নির বান্ধবী লিপিও ছিল তাদের সঙ্গে। ঘটনার ৫ মিনিট আগে লিপি অধ্যাপক হারুনকে ফোন করে তার বাসায় ফেরার তথ্যটি নিশ্চিত করে। বিকাল ৩টায় নিজ বাসার সামনে পৌঁছামাত্র খুনিরা ঝাঁপিয়ে পড়ে অধ্যাপক হারুনের ওপর। এ সময় তিনি লিপি ও মুন্নির হাত ধরে অনুনয় বিনয় করে প্রাণভিক্ষা চান বলেও জানতে পেরেছে র্যাব। কিন্তু পাষণ্ডরা তাকে প্রথমে কাঠের টুকরো দিয়ে পেটায়। পরে ছুরিকাঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126355 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29126355 2010-03-30 23:54:52
ইডেন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ সদরুলের
রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের সদরুল বলেন, "ইডেন কলেজে ছাত্রী নিপীড়নের প্রতিবাদে মানববন্ধন করায় এ হুমকি দেন কলেজটির অধ্যক্ষ।"

মাহফুজা মানববন্ধন নিয়ে সদরুলকে ফোন করার কথা স্বীকার করলেও হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ছাত্রী নিপীড়নের ভিত্তিহীন অভিযোগে মানববন্ধন করার ঘটনায় আমি তাকে নিন্দা জানিয়েছি মাত্র।"

ইডেন ও বদরুন্নেসা কলেজে ছাত্রী নিপীড়নসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্যাতন ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রতিবাদে সাদা দল গত বৃহস্পতিবার দুপুরে অপারাজেয় বাংলার সামনে মানববন্ধন করে।

রোববার সদরুল অভিযোগ করেন, শনিবার দুপুর দুইটার দিকে বাসার ল্যান্ডফোনে ফোন করে মাহফুজা তাকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন। হিযবুত তাহরীরের দালাল আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করারও হুমকি দেন তিনি।

এ সময় মাহফুজা চৌধুরী তার স্বামীর পরিচয় দিয়ে তাকে ভবিষ্যতে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলেও দাবি করেন সদরুল।

এ প্রসঙ্গে মাহফুজা বলেন, "আমি সরকারি চাকরিজীবী। চাকরিবিধির কারণেই এ সব বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।"

সদরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থি শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক। মাহফুজার স্বামী ইসমত কাদের গামা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাধারণ সম্পাদক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29123158 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29123158 2010-03-25 16:53:54
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : বরাদ্দ ১০ কোটি টাকার ৫ কোটিই গেছে চুনকামে আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিষ্পত্তির জন্য সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার পর প্রথমে ১৪ আবদুল গণি রোডের আপিল ট্রাইব্যুনাল ভবনটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংস্থার দাবির প্রেক্ষিতে এটি পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে করার সিদ্ধান্ত হয়। পুরাতন হাইকোর্ট ভবনের কয়েকটি কক্ষ সংস্কার করে আদালত গঠনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিমকোর্টের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। মূলত এ কমিটির তদারকিতেই আদালতের চুনকাম, এজলাস স্থাপন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু করা হয়। সম্প্রতি ওই কমিটি ওইসব কাজ বাবদ ৫ কোটি টাকা চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে একটি বিল পেশ করেছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা। এ বিল মাননীয় মন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করার পর ৫ কোটি টাকা খরচের কথা শুনে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রীর নির্দেশে এ বিল আদালত সংস্কার কমিটির কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং বিলের সঙ্গে কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ চাওয়া হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য মোট বরাদ্দই হচ্ছে ১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আদালতের সংস্কারের জন্যই যদি ৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়, তাহলে বিচার হবে কী দিয়ে। তাছাড়া আদালত সংস্কার কমিটি কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করেছে তার বিস্তারিত বিবরণ দেয়নি। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোড পরিপন্থী। এ কারণেই কমিটির কাছে তাদের বিল ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোড পূরণ করে সেই অনুযায়ী খাতওয়ারি বিল পেশ করতে বলা হয়েছে।
সংস্কার কমিটির একজন সদস্য বলেন, আমরা যে বিলটি দিয়েছি সেটাই সঠিক। এর মধ্যে বেশিরভাগ কাজই আমরা সম্পন্ন করেছি। এখনো কিছু কাজ বাকি রয়েছে। আদালত ভবন ও কক্ষগুলো আগে নির্মিত হলেও এতে অত্যাধুনিক ডেকোরেশন করা হচ্ছে। ফলে অর্থ ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের কোনো সুযোগ নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29123152 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29123152 2010-03-25 16:42:24
বাঙালিদের আরও ৬ ঘর পুড়ে ছাই ফায়ার সার্ভিসের সুজন চাকমা জানান, আগুনের সূত্রপাত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29115531 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29115531 2010-03-13 16:14:59 দুঃখিত ঃ নীতিমালা ভঙ্গ করার পর নীতিমালা জানতে পেরেছি. (ভবিষৎতে এমন হবে না) আমি মডারেটর মহাদয়ের নিকট আকুল আবেদন করছি। আমাকে সেফ মুডে রাখার জন্য। ভবিষতে আমার দ্বারা কোন নীতিমালা ভঙ্গ হবে না। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29103966 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29103966 2010-02-23 16:33:27 জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে শহীদ মিনার
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে এটি করা হয়েছে বলে শনিবার এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, জাতিসংঘের ছয় দাপ্তরিক ভাষার ওয়েবসাইটে শহীদ মিনারের ছবি দেখা যাবে।

ছবিটির পরিচিতি অংশে বলা হয়েছে, শহীদ মিনার বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের দুঃখবহ ও সম্মানের প্রতীকি স্থাপনা।
বাঙ্গালীজাতি হিসাবে এটা আমাদের অনেক বড় পাওনা, অনেক বেশি সম্মানের।
কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন দীর্ঘদিনথেকে ঃ বাঙ্গালী জাতি হিসাবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যাই করা হয়েছে, কিন্তু ভাষা শহীদদের জন্য কি করা হয়েছে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29102312 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29102312 2010-02-21 11:27:13
ফেসবুক থেকে এসএমএস পাঠান একদম ফ্রি! এই লিংক থেকে । আপনার কাছে ফেসবুক ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। রেফারেন্স কোড চাইবে। দেওয়ার দরকার নাই। পরের স্টেপে গিয়ে যত্ত খুশি এসএমএস পাঠান। আপনি এসএমএস পেতে হলে কনফিগারেশনে গিয়ে আপনার নম্বর সেভ করুন এবং প্রোফাইল বক্সে এপ্লিকেশনটি সেট করুন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101836 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101836 2010-02-20 20:01:04 একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের যে কোন জায়গায় ফোন করুন একদম ফ্রি !
আপনি আগেই আপনার ঐ বন্ধু বা আত্মীয়টিকে বলে দিবেন ঐ রকম কোন ম্যাসেজ আসলে যেন আপনাকে সেন্ড করে দেয়। তারপর আপনি mig33 তে ঢুকে ঐ পাসওয়ার্ড, ইউজার নেম ও কোডটি দিয়ে লগিন করুন। ব্যাস এখন আপনি যেকোন নাম্বারে কল দিয়ে দেখুন মনে রাখা দরকার আপনি কল দেওয়ার আগে অবশ্যই+৮৮ অথবা country code দিয়ে দিবেন। এখন আপনি আপনার ঐ আইডি থেকে আপনার দেশের বন্ধুদের ইনভাইট করুন। এবং আপনি রেজিষ্ট্রেশন করে দেন একেত্রে আপনি যে বন্ধুটিকে ইনভাইট করেছেন উনি যদি রেজিষ্ট্রেশন করেন তাহলে আপনি ১১.৪৬ ডলার পাবেন। যা দিয়ে আপনি কল দিতে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101824 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101824 2010-02-20 19:48:53
প্রধানমন্ত্রীকে 'শিক্ষা' নিতে বললেন মোশাররফ
নামবদল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়ার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ আহবান জানান।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ''আমাদের শিক্ষা দিতে প্রধানমন্ত্রী নাম বদল করেছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বিনয়ের সঙ্গে বলছি, আমাদের নয়, আপনি আওয়ামী লীগের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ পরিচালনা করুন। নইলে ভবিষ্যতেও আপনাদের জনগন প্রত্যাখান করবে, শিক্ষা দেবে।''

বিএনপির উদ্যোগে রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে মহান শহীদ ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগ 'ভয় পেয়ে' বিভিন্ন স্থাপনার নাম বদল করছে বলে দাবি করেন মোশাররফ। তিনি বলেন, "জনগনের দৃষ্টি আন্দোলনের থেকে সরিয়ে নিতে সরকার এভাবে নাম বদলের রাজনীতিতে নেমেছে।''

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিয়া আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ''শিক্ষা দিতেই নাম বদল করা হয়েছে।"

আলোচনার শুরুতে ভাষা আন্দোলনে নিহত ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করে।

মোশাররফ বলেন, ''আপনার বাবা যখন সরকারের ছিলেন, রক্ষীবাহিনী দিয়ে ভিন্ন মতের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে শিক্ষা দিয়েছিলেন। লালবাহিনী সৃষ্টি করেছিলেন। কালো আইন করে যখন বিরুদ্ধ মতকে রুখতে পারেননি, তখন একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জনগন তার শিক্ষা আওয়ামী লীগকে দিয়েছে।''

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।

দলের সহসভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সাংবাদিক সাদেক খান, আর্ন্তজাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুব উল্লাহ, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য শামসুজ্জামান দুদু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্র্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দপ্তর সম্পাদক মো. রুহুল কবীর রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জাফরুল হাসান, মহিলা দলের মহানগর সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু প্রমুখ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101809 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101809 2010-02-20 19:20:50
মার্চে জোরদার আন্দোলনে যাবে বিএনপি
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনের বিক্ষোভ-সমাবেশে এ ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে মহাসমাবেশের দিনক্ষণ জানাননি তিনি।

বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে বিএনপির মাসব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে আছে, আগামী ২৩ ফেব্র"য়ারি সারাদেশের উপজেলা ও পৌরসভায় বিক্ষোভ-সমাবেশ, এরপর ছয়টি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ এবং পরবর্তী একমাস সারাদেশে গণসংযোগ।

ফখরুল ইসলাম বলেন, "পল্টন ময়দানের মহাসমাবেশ থেকে খালেদা জিয়া পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা দেবেন।"

সমাবেশের পর একটি মিছিল বিজয়নগর হয়ে নয়াপল্টনের দিকে যায়। পথে মিছিলের শেষ দিক থেকে কিছু কর্মী কয়েকটি গাড়িতে ইট নিক্ষেপ করে। এ সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে মিছিলকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দেশব্যাপী ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে মুক্তাঙ্গনে বৃহস্পতিবার বিকালে এই বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়।

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা সেখানে আসেন।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দর রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে নিহত হওয়ার পর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, "সরকার জিয়াউর রহমানকে ভয় পায় বলে তার নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। দেশের মানুষ সরকারের এই কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে।"

তিনি আরো বলেন, "১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দেশে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলো। জিয়া ক্ষমতায় এসে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আর এজন্যই জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের কাছে একটি ভয়ের কারণ। নাম বদল করে জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলা যাবে না।"
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।
সভাপতির বক্তব্যে সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে খোকা বলেন, "জিয়াকে মুছে ফেলা যাবে না। বিএনপিকে রাজপথে নামানোর জন্য এই সরকারই দায়ী। মার্চে খালেদা জিয়া পল্টন ময়দান থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।"
সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সহসভাপতি সেলিমা রহমান, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহানও বক্তব্য রাখেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101756 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101756 2010-02-20 17:58:02
সংঘাত, আগুন; ১৪৪ ধারা বাঘাইছড়িতে
বাঘাইছড়ির কয়েকটি এলাকায় শুক্রবার রাত থেকে অন্তত ৫০টি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে নিরাপত্তা রক্ষীরা গেছে।

পাহাড়িরা অভিযোগ করেছে, সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছে। এর প্রতিবাদে আগামী সোমবার রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ ডেকেছে পাহাড়ি সংগঠন জনসংহতি সমিতি ও ইউনাইটেড পিললস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম হুমায়ূন কবীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ দুই সংগঠনই দুপুরে বাঘাইহাট উপজেলা সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছিলো। তবে ১৪৪ ধারা জারি করায় সে কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।

ভূমি বিরোধ নিয়ে গত একমাস ধরে বাঘাইছড়িগতে পাহাড়ি-বাঙালি উত্তেজনা চলছিলো। এর মধ্যেই শুক্রবার রাতে বাঙালি ছাত্র পরিষদের একটি মিছিলের সময় বাঘাইছড়ি বাজারে এক পাহাড়িকে মারধর করা হয়।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানায়, এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাহাড়িরাও জোট বেঁধে বাঙালিদের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হয়। ওই সময় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় গঙ্গারামমুখ ও এসএসএফ পাড়া এলাকায় ৩২টি ঘরে, যার বেশিরভাগই পাহাড়িদের।

শনিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে আবার সংঘাত বাঁধলে হাজাছড়া, গুচ্ছগ্রাম, বালুঘাট, সীমানাছড়া, বাইপাইছড়া, সুরঙনালা, কেরেককাবা এলাকায়ও অন্তত ২০টি ঘরে আগুন দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে নিরাপত্তা রক্ষীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলি চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক বোধিসত্ত্ব চাকমা দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত চারজন পাহাড়ি নিহত হয়েছে।

বাঘাইছড়ির উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমাও চারজন নিহত হওয়ার কথা জানান।

তবে সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা রক্ষীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে একদল পাহাড়ি সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ করে গুলি ছোড়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।

বাঙালিরাও অভিযোগ করেছেন, পাহাড়িরা তাদের লক্ষ করে গুলি চালিয়েছে।

পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. ইয়াকুব বলেন, পাহাড়িদের গুলিতে দুজন সেনা কর্মকর্তা আহতও হয়েছেন।

সংঘর্ষের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে কিছু বলছেন না।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও রাঙামাটির জেলা প্রশাসক সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী উভয়ই সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সংঘর্ষের পর থেকে দীঘিনালা থেকে বাঘাইছড়ি-সাজেক রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ভূমি নিয়ে বিরোধে গত জানুয়ারি মাসের শেষ ভাগে বাঘাইছড়িতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকদিন পাহাড়ি ও বাঙালিরা পাল্টাপাল্টি অবরোধ কর্মসূচিও পালন করে।

পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে বিভিন্ন পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদের পুনর্বাসন করা হয়, যা নিয়ে পাহাড়িরা আপত্তি জানিয়ে আসছিলো। এক পর্যায়ে শান্তি বাহিনী গঠন করে সশস্ত্র সংগ্রামের পথও বেছে নেয় পাহাড়িরা। সমস্যার সমাধানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর তারা অস্ত্র ত্যাগ করে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101724 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101724 2010-02-20 17:20:57
জাতীয় সংসদের হুইপ ও যুবলীগ নেতা মির্জা আজমের সমালোচনা করে হান্নান শাহ বলেন, তার পিতাই ছিলেন একজন রাজাকার এবং আপন... নজরুল ইসলাম খান বলেন, জিয়াউর রহমান না থাকলে দেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হতো না। বর্তমান সরকার দেশে নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের নামে আবার বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা করছে। এজন্য তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে ভয় পায়। এ কারণে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলছে। আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিল। আর এসব ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি দলের সব নেতাকর্মীকে দলাদলির ঊর্ধ্বে উঠে এই জালিম সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার আহ্বান জানান।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101652 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101652 2010-02-20 15:25:53 আবারও বোরকাপরা মেয়েদের হয়রানীঃ বোরকা পরা ছাত্রীদের হয়রানির ঘটনায় আলেমদের নিন্দা ওলামা মাশায়েখ কমিটির আলেমরা এক বিবৃতিতে বলেন, মুসলিমপ্রধান এ দেশে পর্দানসীন ছাত্রীদের হয়রানির ঘটনায় আমরা অত্যন্ত বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। ঈমান ও আকিদাবিরোধী সরকারের ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশাসনের এ অবস্থান সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করছে। বিবৃতিদাতারা হলেন হজরত মাওলানা আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ, মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুস সুবহান, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা মুহাম্মাদ আবু তাহের, মাওলানা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মাওলানা আবদুস শহীদ নাসিম, মাওলানা এটিএম মাসুম, ড. মাওলানা আবুবকর রফিক আহমদ, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মুফতি আবদুস সাত্তার, মাওলানা মুফতি আবু সাঈদ, মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা এমদাদুল হক, মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী, মাওলানা মুহাম্মদ শফীকুল্লাহ মাদানী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, মাওলানা লুত্ফুর রহমান, মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, মাওলানা আবদুল খালেক, মাওলানা আজিজুর রহমান চৌধুরী, ড. মাওলানা হাসান মঈনুদ্দীন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা কারী মুহাম্মদ ইলিয়াস, মাওলানা মুহাম্মদ শামসুদ্দীন, মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী, মাওলানা রহমত উল্লাহ, মাওলানা নূরুল ইসলাম কাতলাসেন, মাওলানা কামালুদ্দীন খান, মাওলানা একেএম আবদুর রশীদ মাদানী প্রমুখ।
অপর এক বিবৃতিতে জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের নেতারা বলেন, পর্দা করা ফরজ। ইসলামের এ ফরজ বিধান নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে কোরআন-হাদিস ইসলামী সাহিত্যকে জিহাদি বই নাম দিয়ে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করবে তারা মহান আল্লাহতায়ালার নিশ্চিত গজবে পড়বে। ৯৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত স্বাধীন সার্বভৌম এদেশে ইসলামের সব বিধান মেনে চলার পূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ার জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101647 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101647 2010-02-20 15:15:41
হাইকোর্টের উপরে অ্যাটর্নি জেনারেল এর স্থান, হাইকোর্টের প্রয়োজন আছে কি? চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ আদর্শ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী মাসুম ও আল জাবের ইনস্টিটিউটের এসএসসি পরীক্ষার্থী লুত্ফুল কবিরকে জামিন মঞ্জুর করেছিলেন বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিয়া ও বিচারপতি আবদুর রাজ্জাক সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ। তাদের পক্ষে দায়ের করা জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে এই বেঞ্চ পরীক্ষার সুযোগ দিতে ৩০ মার্চ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। জামিনের আবেদনের শুনানিকালে আদালত বলেছিলেন, ‘সরাসরি জামিন দেব না, তবে পরীক্ষা চলাকালে যাতে তারা মুক্ত থাকতে পারে এজন্য ৩০ মার্চ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী জামিন দেব।’ পরীক্ষা শেষে ৩০ মার্চ আবার তাদের সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়। পরীক্ষার্থী হওয়ার কারণে তারা যাতে দ্রুত মুক্তি পায় এজন্য আদালত চলাকালেই বিশেষ ব্যবস্থায় আদেশের কপিতে স্বাক্ষর করেন দুই বিচারপতি। পরীক্ষার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি জামিনের আদেশসহ বেলবন্ডের কপি ডিসি অফিস ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে চট্টগ্রাম কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো হয়। হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার পরও কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তি দেয়নি দুই ছাত্রকে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর থেকে বলা হয়েছে তাদের জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। হাইকোর্ট বিভাগের লিখিত নির্দেশকে গুরুত্ব না দিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরের টেলিফোনে আটকে দেয় পরীক্ষার্থীদের মুক্তি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101642 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29101642 2010-02-20 15:10:31 বর্তমান পেক্ষাপটে জামাত-শিবির কি আরো শক্তি শালী হচ্ছে? বর্তমান পেক্ষপটে তার মনোভাবঃ
১। আমরা ইসলামী আন্দোলন করি আল্লার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, ছাত্রলীগের মত প্রভাব বিস্তার করে চাঁদাবাজি, টেনন্ডারবাজি, ভর্তি বাণ্যিজ্য করার জন্য নয়।
২। ছাত্রশিবিররের কোন নেতা চাঁদাবাজি, টেনন্ডারবাজির সাথে জড়িত নেই। কেউ প্রমান দিতে পারবে না।
৩। ইসলামী আন্দোলন ফরজ, ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ একটি কুফরি মতবাদ, যা আওয়ামীলীগ ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদে বিশ্বাসী।
৪। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইসলামী আন্দোলন করি। আল্লাহ তার সৈনিকদের অবশ্যই হেফাজত করবে।
৫। নিশ্চই আল্লাহ ধয্যধারনকারীকে পছন্দ করেন।
৬। বর্তমান পেক্ষাপটে জামাত শিবিরের নেতা কর্মীরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি কোরআন তেলোয়াত, হাদীস পাঠ, জামায়াতে নামাজ আদায়, তাহাজ্জাত নামাজ আদায় করে।
৭। সাহাবীদের যুগে বহুবার অনেক যালিম সাহাবীদের উপর জুলুম করেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100419 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100419 2010-02-18 16:40:23
আওয়ামী লীগ সরকার হঠাত্ ইসলামী ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ায় সরকারের উদ্দেশ্য শিবিরের বিরুদ্ধে এই মারমুখী কর্মকাণ্ড শুধু নয়, ছাত্রলীগের প্রতি সরকারের মনোভাবও মানুষকে স্তম্ভিত করেছে। কারণ, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে দৈনিক প্রথম আলোর ভাষায় ‘প্রতিপক্ষহীন’ ছাত্রলীগ সারাদেশে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল (৮ ফেব্রুয়ারির সম্পাদকীয়)। ভর্তি বাণিজ্যেও ছাত্রলীগ রেকর্ডের পর রেকর্ড সৃষ্টি করেছে, নষ্ট করেছে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জের ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসের শেলের আঘাতে ২ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু ঘটে মেধাবী ছাত্র আবু বকর সিদ্দিকের। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল যে, সরকার সমর্থক দৈনিকগুলোও ‘ছাত্রলীগকে সামলান’ শিরোনামে প্রধানমন্ত্রীকে তাগিদ না দিয়ে পারেনি। টেলিভিশনের টকশোতেও ছাত্রলীগের অপকর্মই প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু সরকারের এতদিন টনক নড়েনি। এমনকি ছাত্রদল কর্মীর মৃত্যুর পরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন নিষ্ঠুর মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, এটা একটা ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’, ‘এমনটা ঘটতেই পারে’ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিকই’ রয়েছে! সে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুতে একেবারে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠেছেন। অর্থাত্ অন্য কোনো সংগঠনের কর্মী বা সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে ক্ষমতাসীনদের কিছু যায়-আসে না। তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় শুধু ছাত্রলীগের কেউ মারা গেলে। এ যে শুধু কথার কথা নয়, বাস্তবেও তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100190 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100190 2010-02-18 09:47:00 জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী গ্রেফতার ও নির্যাতনঃ দেশব্যাপী নিন্দা অব্যাহত চিরুনি অভিযানের নামে সারাদেশে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের হামলা এবং তিনজনকে আটকের ঘটনা ঘটে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে আটক সিন্ডিকেট সদস্যকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। রংপুরের হারাগাছ পৌরসভা জামায়াতের আমিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাতক্ষীরায় আটক করা হয়েছে জামায়াত-শিবিরের আরও দুই কর্মী। এদিকে যশোরে আটক শিবিরের তিন নেতাকর্মী গতকাল জামিন পেয়েছেন।
রাজশাহীতে জামায়াত সেক্রেটারিসহ ৭ জন গ্রেফতার : সিন্ডিকেট সদস্য ৫ দিনের রিমান্ডে : রাজশাহী অফিস জানায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে গতকাল রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদসহ আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে গ্রেফতারকৃত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ সিদ্দিক হোসাইনকে মতিহার থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। গতকাল দুপুরে তাকে রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক রুহুল আমিন ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালত থেকে মতিহার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ নিয়ে রাবির ঘটনায় কয়েক দফায় রাজশাহীর পুলিশ মোট ৪৮ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে। মতিহার থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন জানান, ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় অধ্যক্ষ সিদ্দিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া রাবিতে শিবিরের হামলার ঘটনায় জড়িত হিসেবেও শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হবে। রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সিদ্দিক হোসাইনকে নগরীর রাজপাড়া এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করে। রাতে গোয়েন্দা অফিসে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল সকাল ১০টার দিকে তাকে মতিহার থানায় সোপর্দ করা হয়।
এদিকে পুলিশ জানায়, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গতকাল নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জামায়াত নেতা আজাদ এবং সৈয়দ আমীর আলী হল ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান থেকে শিবির সন্দেহে আরও ৬ শিক্ষার্থীকে মতিহার থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। জানা যায়, গতকাল দুপুর একটার দিকে সৈয়দ আমীর আলী হলের ৩২৬ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র খাদেমুল ইসলাম হলে গেলে শিবির কর্মী সন্দেহে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে মতিহার থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। খাদেমুল ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শিবিরের হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ছাত্রলীগ কর্মীরা দাবি করলেও তিনি কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিবির কর্মী সন্দেহে আরও পাঁচ ছাত্রকে আটক করে পুলিশ। এরা হলো মিজানুর, আশিক, ইমাম হোসেন, আলতাফ এবং তৌহিদুল। আটকদের ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মতিহার থানার এসআই আশরাফুল আলমের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন গ্রেফতারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটকদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
রংপুরে আবারও ঘরে ঘরে পুলিশের তল্লাশি : রংপুর প্রতিনিধি জানান, শিবির ধরতে গতকাল ফের কারমাইকেল কলেজ ও পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন ছাত্রাবাস ও বাসাবাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানকালে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
রংপুর পুলিশের এএসপি নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে গতকাল বেলা সাড়ে তিনটায় অর্ধশতাধিক পুলিশ ও ডিবি পুলিশ প্রথমে কারমাইকেল কলেজ সংলগ্ন দর্শনা ও আক্কেলপুর এলাকার ছাত্রাবাস ও বাসাবাড়িতে অভিযান চালায়। এরপর তারা কলেজপাড়া, শহরের আদর্শপাড়া, কামারপাড়া, রংপুর সরকারি কলেজের মোসলেম উদ্দিন ছাত্রাবাসে সাঁড়াশি তল্লাশি চালায়। অভিযানকালে তারা ছাত্রাবাসের রুমে রুমে ঢুকে বিছানাপত্র, খাট, টেবিল উল্টেপাল্টে অস্ত্র ও শিবির নেতাকর্মীদের খোঁজে তল্লাশি চালায়। আক্কেলপুর এলাকার বাসাবাড়ির মহিলারা জানিয়েছেন, আদর্শ ছাত্রাবাসের পাশের বাড়িতেও পুলিশ তল্লাশি চালায়। এ সময় তারা বলে, ‘শালাদের পেলে চ্যাপ্টা করে দিতাম।’ প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযানকালে পুরো শহরের সব ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ সময় কোনো অস্ত্র উদ্ধার কিংবা কাউকে আটক করেনি পুলিশ। রংপুরের পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভির জানান, রাজশাহীর ঘটনায় মোস্টওয়ান্টেড শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি জানান, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় আঃ কুদ্দুস নামের বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আহত করার ঘটনায় হারাগাছ পৌরসভা জামায়াতের আমির মোঃ আমিনুল ইসলামকে আটক করেছ কাউনিয়া থানা পুলিশ। কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাফিউল আলম জামায়াতের আমিরকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। এএসপি তৌহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
শ্যামনগরে আরও দুই কর্মী গ্রেফতার : শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, গতকাল শ্যামনগর থানা পুলিশ জামায়াত-শিবির করার অপরাধে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে মঙ্গলবার জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় এক দিনমজুরসহ দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100164 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29100164 2010-02-18 08:20:31
আওয়ামী লীগও কি জিয়াকে ভয় পায়? দুর্ভাগ্যজনক যে এই অপ্রাসঙ্গিক ও অহেতুক বিতর্কের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেত্রী নিজেই। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কবরে তাঁর লাশ নেই, সেখানে শুধু বাক্স রাখা আছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। তাঁকে প্রথমে রাঙ্গুনিয়ায় , পরে ঢাকায় নিয়ে এসে সংসদ ভবন এলাকায় কবর দেওয়া হয়। সেখানে লাশ থাকল কী না থাকল না তা নিয়ে দেশের মানুষ ভাবিত নয়। প্রধানমন্ত্রীর জানা থাকার কথা, ৩০ বছর পর কারও মৃতদেহের কোন চিহ্ন থাকে না, হাড় ছাড়া। দেশের মানুষের বহু সমস্যা আছে, ৪০ শতাংশ মানুষএখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, তাদেরএকাংশ মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দলের সাংসদেরা জিয়ার লাশ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করে সেই সময়টি দরিদ্র জনগণের কল্যাণে ব্যয় করলে তারা উপকৃত হতো। জিয়াউর রহমান মারা গেছেন তিন দশক আগে। তার পরও যদি তাঁকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি করতে হয়, সেটি আওয়ামী লীগের দেউলিয়াত্বেরই বহিঃপ্রকাশ। এতদিন বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা ছিল বিএনপির রাজনীতির উপজীব্য। একই কাজ এখন আওয়ামী লীগ করছে। আওয়ামী লীগের চোখে জিয়া যত খারাপই হোন না কেন, মৃত্যুর পর নিশ্চয়ই কবর দেওয়ায় তাঁর (জিয়ায়) কোনো ভূমিকা ছিল না।
২৮ বছর পর ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসন থেকে জিয়াউর রহমানের কবরে লাশ আছে কী নেই, সেই বিতর্ক তোলার কী যুক্তি থাকতে পারে? আমরা মনে করি, এর একটিই উদ্দেশ্য, বিএনপিকে আবার সংসদ বর্জনের দিকে ঠেলে দেওয়া। আবার রাজপথে হরতাল-অবরোধের যুগ ফিরিয়ে আনা। তাতে সরকারের কী লাভ হবে জানি না, তবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা যে বাড়বে তাতে সন্দেহ নেই। বিরোধী দলের সংসদে আসাকে সরকারি দল এভাবে ‘স্বাগত’ না জানালেও পারত। সরকারি দল ভাবতে পারে, সংসদে তাঁদের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। বিরোধী দলের সদস্যসংখ্যা মাত্র ৩৬-৩৭ জন। তাঁরা সংসদে এলেন কী গেলেন তাতে কিছু আসে-যায় না। এ ধরনের মানসিকতা শুধু গণতন্ত্রের জন্যই হুমকি নয়, ক্ষমতাসীনদের জন্যও আত্মঘাতি। বিএনপিকে এখন দুর্বল মনে হতে পারে। কিন্তু আমরা হলফ করে বলতে পারি, সরকার যেভাবে চারদিকে ‘যুদ্ধফ্রন্ট’ খুলে বসেছে, তাতে এই দুর্বলতা বেশি দিন থাকবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099791 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099791 2010-02-17 17:29:07
মানবাধিকার লঙ্ঘনে রেকর্ড (মানবাধিকার সংগঠনগুলো এখন কি আঙ্গুল ছুসে !!!) কো-অর্ডিনেটিং কাউন্সিল ফর হিউম্যান রাইটস্ ইন বাংলাদেশের (সিসিএইচআরবি) হিসাব অনুযায়ী দেশে ১৫০টি মানবাধিকার সংগঠন রয়েছে। কিন্তু হাতেগোনা চার থেকে ৫টি ছাড়া বাকি সবই নামসর্বস্ব সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে অধিকার ছাড়া বাকি সব মানবাধিকার সংগঠন বর্তমান সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নূর খান লিটনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টেলিফোনে আমি মানবাধিকার নিয়ে কোনো কথা বলি না। তিনি সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ফোনে কথা বলতে রাজি হননি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সেক্রেটারি জেডআই খান পান্নার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আদিলুর রহমান খান বলেন, মইন উ আহমদের নিয়ন্ত্রিত জরুরি অবস্থার সরকারের পরবর্তী সময়ে বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এক কঠিন অবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আদালতের এখতিয়ারে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ব্যাপকভাবে নারী নির্যাতন এবং সর্বোপরি শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা-দুর্বৃত্তায়ন বাংলাদেশের জনসাধারণের মানবাধিকারকে এক শাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, দুর্বল মানবাধিকার কমিশন, আইনত অকার্যকর তথ্য কমিশন এবং ন্যায়বিচারের দুষ্প্রাপ্যতা এই পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে। ২৯ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের পর দেশের মানুষ মনে করেছিল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, সেই পরিস্থিতি দেখছি না। ক্রসফায়ার, গুপ্তহত্যা, রিমান্ডে নিয়ে বিচার বিভাগের আওতায় নির্যাতন, অসহায় মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব পরিস্থিতিকে প্রকট করে তুলছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মানবাধিকার পরিস্থিতি এক ভয়ঙ্কর অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। মানবাধিকার ইস্যুগুলোকে সমন্বয় করে এখন জোরালো প্রতিবাদ না হলে বিভিন্ন রকমের স্বৈরাচারী উপাদান আরও ভয়ঙ্কররূপে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে বলে অধিকার সেক্রেটারি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।
নারীনেত্রী ও নারী গ্রন্থ প্রবর্তনার নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দেশে এখন অনেক রকমের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনায়ও মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। কোনো কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে বিচার ও তদন্তের প্রক্রিয়া সমানভাবে দেখা যায় না। কোনো কোনোটা নিয়ে অতিবাড়াবাড়ির দৃশ্য দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি বেশি হচ্ছে। এছাড়া রিমান্ডের নামে যা হচ্ছে, তার পুরোটাই নাগরিকের সাংবিধানিক ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এর জন্য প্রতিবাদ হওয়া উচিত।
কেস স্টাডি-১ : গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলায় ১০ সাংবাদিকসহ এক প্রক্টর আহত হন। ছাত্রলীগ বেপরোয়াভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়।
কেস স্টাডি-২ : ৩০ জানুয়ারি ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের শতবর্ষ পালন অনুষ্ঠানের সমাপনীতে ছাত্রী ও মহিলাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চলে। নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে তরুণরা ঢুকে তাণ্ডব চালায়। এতে শতাধিক তরুণী আহত হন। উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের আচরণে ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন অনেক তরুণী।
কেস স্টাডি-৩ : ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির সন্দেহে ৮৬ জনকে গ্রেফতারের পর নেয়া হয় রিমান্ডে। বিডিআর ঘটনা ছাড়া কোনো মামলায় একসঙ্গে এতজনের রিমান্ডের ঘটনা অতীতে কখনও ঘটেনি। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরকর্মী সন্দেহে গ্রেফতারের পর মামলা ছাড়াই তাদের রিমান্ডে নেয়া হয়। চট্টগ্রামে গুলিতে নিহত এক ছাত্রশিবিরকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের নামে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালায় পুলিশ।
কেস স্টাডি-৪ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকর্মী ফারুক হত্যার জের ধরে ১১ ফেবু্রয়ারি রাজশাহীর শিবিরনেতা হাফিজুর রহমান শাহিনকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইসলামী ছাত্রশিবিরকর্মী মহিউদ্দিন মাসুমকে ষোলশহরে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
কেস স্টাডি-৫ : ৯ ফেবু্রয়ারি ঢাকার ৭০ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আহমদ হোসেনসহ তিন ব্যবসায়ীকে পৃথকভাবে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
কেস স্টাডি-৬ : ১১ ফেবু্রয়ারি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরকে সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলায় নতুন করে ৬ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। একই দিনে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) রেজাকুল হায়দার চৌধুরীকে আবারও দু’দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তাদের পুলিশ রিমান্ডে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদের নামে ঢাকায় আনা হয়। তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে জানা গেছে।
কেস স্টাডি-৭ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মহিউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সন্দেহে মোহাইমিন নামক একজনকে গ্রেফতার করে ১৫ ফেব্রুয়ারি রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। কারও সামনে কোনো ঘটনা ঘটলে তাকে রিমান্ডে নেয়ার কাহিনী এটাই প্রথম। পুলিশের দাবি অনুযায়ী প্রত্যক্ষদর্শীকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
দেশব্যাপী এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। প্রতিনিয়ত সরকার ও সরকারনিয়ন্ত্রিত পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099776 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099776 2010-02-17 16:50:56
আবার লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াত-শিবির উত্খাত করা হবে : মেয়র লিটন (কত বড় বেয়াদপ হলে এই কথা বলতে পারে) http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099770 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099770 2010-02-17 16:43:26 ঢাবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রম্নপের রাতভর সংঘর্ষ, গোলাগুলি (সোনার ছেলেরা / নাকি কুকুর গুলো)
সন্ধ্যা ছয়টায় রিপোর্ট লেখাকালে সংঘর্ষের সময় মারাত্মক আহত ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বক্কর ছিদ্দিকের নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ঘোষণা দেয়া হয়নি। ডাক্তাররা কেবল বলেছেন, অবস'া ভাল নয়। যে কোন সময় মারা যেতে পারে। সংঘর্ষের সময় এক গ্রম্নপের কর্মীরা অপর কর্মীদের হকিস্টিক, চাপাতি, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, কিরিচ, রড, ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আঘাত করে। এ সময় দু’গ্রম্নপের মধ্যে আট থেকে ১০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাদের দ্বন্দ্ব এবং হলে আধিপত্য বিসত্মারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় অর্ধশত রাউন্ড টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিড়্গেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। রাত সাড়ে চারটা পর্যনত্ম থেমে থেমে চলে এ সংঘর্ষ। সংঘর্ষের পর হল শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারম্নকসহ নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। হলের সাধারণ সম্পাদক আহত হওয়ায় তার গ্রম্নপের কর্মীরা সভাপতির দখলে থাকা একটি দোকান পুড়ে দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কেএম সাইফুল ইসলাম খান বলেছেন, আমি খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমি নিজেও ঘটনাস'লে গেছি। পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা বলেছেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের নির্দেশে হল সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারম্নক পরিকল্পনা নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ জন্যই তিনি সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের নিয়ন্ত্রণে থাকা কড়্গগুলোতে তার কর্মীদের ওঠানোর ঘোষণা দেন। এক রাতেই ফারম্নক হলের ৩১১, ৩২২, ৩০৮, ৩০৭, ৪১১ এবং ৫১১ নম্বর কড়্গে ৩০ জনকে হলে ওঠান। সেই সঙ্গে হলের সাধারণ সম্পাদককে হল থেকে বের করে দেয়ার ঘোষণা দেন। সাধারণ সম্পাদক বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশাকে জানান। তারা প্রধানমন্ত্রীর বাংলা একাডেমী এলাকায় আগমন উপলড়্গে অনত্মত ফারম্নককে শানত্ম থাকতে বলেন। রাত ১২টার দিকে দু’গ্রম্নপের কর্মীরাই সশস্ত্র অবস'ায় অবস'ান নেয়। সাড়ে ১২টার দিকে দু’গ্রম্নপের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। প্রথমে সভাপতি ফারম্নক গ্রম্নপের কর্মীরা সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের মাথায় হকিস্টিক দিয়ে আঘাত করে। এর পরই দু’গ্রম্নপের মধ্যে সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয়। এ সময় দু’গ্রম্নপের কর্মীদের হাতেই হকিস্টিক, চাপাতি, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, কিরিচ, রড, ক্রিক্রেট স্ট্যাম্প দেখা যায়। ঘটনার একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কেএম সাইফুল ইসলাম খান ও শতাধিক পুলিশ উপসি'ত হলেও সংঘর্ষ চলতে থাকে। প্রক্টরের সামনেই সাধারণ সম্পাদককে কোপানো হয়। পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পুলিশকে যে কোন উপায়ে পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে পুলিশ দু’গ্রম্নপের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল গ্যাস নিড়্গেপ ও রাবার বুলেট নিড়্গেপ করে। এ সময় কয়েকটি কড়্গেও টিয়ারশেল নিড়্গেপ করে। রমনা জোনের এডিসি নুরম্নল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা নির্দেশ পাওয়ার পরপরই পরিসি'তি নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা করেছেন।

পরিসি'তি এত ভয়াবহ রূপ নেয় যে চারতলা থেকে চারজন সাধারণ শিড়্গার্থী নিচে লাফিয়ে পড়ে। এর মধ্যে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের আবু বক্কর ছিদ্দিকের অবস'া আশঙ্কাজনক। তার মাথায় রাবার বুলেটের আঘাতে ড়্গতের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাত থেকেই আবু বক্কর ছিদ্দিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার সেন্টারে ভর্তি আছে। তার অবস'া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ডাক্তাররাও। গুরম্নতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন হলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বক্কর ছিদ্দিক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র উজ্জ্বল, আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র শুভ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র শাওন, আনত্মর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র শাকিল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হাফিজ, আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ফারম্নক, সমাজকল্যাণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র রহুল, ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র তপু, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আমিরম্নল, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন'াগার ব্যবস'াপনা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র জাহিদ, একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বক্কর, আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ওমর ফারম্নক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সালেহীন। ওই ঘটনায় ফারম্নককে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরম্নদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099093 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099093 2010-02-16 17:04:56
ছাত্রলীগ-যুবলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১০ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে গতকাল সোমবার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়। ক্যাম্পাসে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আধিপত্য বিস্তার ও ভর্তি-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে। তবে দুই সংগঠনের নেতারাই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের এনামুল-সাইফুল পক্ষের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে ছিলেন। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহর যুবলীগের হান্নান-জাহিদ পক্ষের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে ঢোকেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এলে হান্নানের পক্ষ কলেজের পূর্ব পাশে ও সাইফুলের পক্ষের নেতা-কর্মীরা পশ্চিম পাশে অবস্থান নেন। আধা ঘণ্টা পর ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে রামদা, হাঁসুয়া, লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষ আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পুলিশের সামনেই দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা পাল্টাপাল্টি লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় পুলিশ টিয়ার গ্যাসের কয়েকটি শেল ছুড়ে নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। তাঁদের মধ্যে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন (৩২) ও কচিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যুবলীগের কর্মী কাশেম (৩০) স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিত্সাধীন। সরোয়ার হোসেনসহ (৩০) আহত অন্য সাতজন প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়েছেন।
কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে সনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মচারী বলেন, সংঘর্ষের সময় তিনি এক ছাত্রকে কলেজের মধ্যে ককটেল নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। তখন তিনি দুটি গুলির শব্দও শুনতে পান।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ কলেজের খেলার মাঠ থেকে সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব ওরফে বাদশাকে আটক করেছে।
ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক আহত আবদুল্লাহ আল মামুন মোবাইল ফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তি-বাণিজ্যের অভিযোগ সত্য নয়। তাঁদের পক্ষের নেতা-কর্মীরা কলেজে মিছিল করছিলেন। এ সময় হান্নানের পক্ষের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালান।
শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হান্নান বিশ্বাস গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘রোববার সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে আমরা একটি মিছিল বের করি। কলেজের সামনে গেলে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করেন।’
কলেজের অধ্যক্ষ হাসানুজ্জামান বলেন, কলেজে তিনি দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা শুনেছেন। তবে তাতে প্রথম বর্ষে ভর্তির মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণসহ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত হয়নি।
কুষ্টিয়া পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের আটটি শেল নিক্ষেপ করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারটি বড় হাঁসুয়া, একটি রামদা, চারটি হকিস্টিক ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এর আগে গত রোববার সকালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির মৌখিক পরীক্ষা বন্ধ করে দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের মারধরের শিকার হন প্রথম আলো ও দেশ টিভির কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি। সাংবাদিকদের রক্ষা করতে গিয়ে এক শিক্ষকও আহত হন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099085 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099085 2010-02-16 16:51:51
এসএসসি পরীক্ষার্থীর জামিন স্থগিত করলেন চেম্বার জজ চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ আদর্শ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী মাসুম ও আল জাবের ইনস্টিটিউটের এসএসসি পরীক্ষার্থী লুত্ফুল কবিরকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জামিন মঞ্জুর করেছিলেন বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিয়া ও বিচারপতি আবদুর রাজ্জাক সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ। তাদের পক্ষে দায়ের করা জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে এই বেঞ্চ পরীক্ষার সুযোগ দিতে ৩০ মার্চ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছিল। জামিনের আবেদনের শুনানিকালে আদালত বলেছিলেন, সরাসরি জামিন দেব না, তবে পরীক্ষা চলাকালীন যাতে তারা মুক্ত থাকতে পারে এজন্য ৩০ মার্চ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী জামিন দেব। পরীক্ষা শেষে ৩০ মার্চ আবার তাদের সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়। পরীক্ষার্থী হওয়ার কারণে তারা যাতে দ্রুত মুক্তি পায় এজন্য আদালত চলাকালেই বিশেষ ব্যবস্থায় আদেশের কপিতে স্বাক্ষর করেন বিচারপতিদ্বয়। পরীক্ষার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি আদেশের কপি চট্টগ্রাম কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো হয়। হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার পরও কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তি দেয়নি দুই ছাত্রকে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর থেকে বলা হয়েছে, তাদের জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। হাইকোর্ট বিভাগের লিখিত নির্দেশকে গুরুত্ব না দিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরের টেলিফোনে আটকে দেয় পরীক্ষার্থীদের মুক্তি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থী দুই ছাত্র চট্টগ্রামের একটি বাড়িতে মেসে থাকত। গত ১৮ জানুয়ারি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দেয়া হয়। গ্রেফতারের সময় সঙ্গে বা রুমে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। গ্রেফতারের পর তারা যে বাড়িতে থাকে সেই বাড়িতে অস্ত্র পাওয়ার অভিযোগে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম কারাগারে আটক রয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099076 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099076 2010-02-16 16:33:17
‘শিবির পালাচ্ছে’ এবং ‘শিবিরের তাণ্ডব’ ক’দিন আগে টেলিভিশনের টকশো’তে বাংলাদেশের অপর এক প্রখ্যাত সম্পাদকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে মন্তব্য শুনে বিস্মিত হয়েছি। ভদ্রলোকের রাজনৈতিক আদর্শ যাই হোক না কেন, তাকে এতদিন মানবাধিকারের পক্ষশক্তি হিসেবেই বিবেচনা করতাম। তিনি বললেন, শিবিরের মানসিকতায় ঐতিহ্যগতভাবে যে মধ্যযুগীয় বর্বরতা রয়েছে তারই বহিঃপ্রকাশ নাকি ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির কর্তৃক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যার মধ্য দিয়ে। তিনি সম্ভবত হতভাগ্য ছাত্রটিকে কেবল হত্যা করেই ক্ষান্ত না হয়ে তার মৃতদেহ ম্যানহোলে ফেলে দেয়ার নির্মমতা লক্ষ্য করেই মন্তব্যটি করেছেন। কিন্তু, আমার বিবেচনায় সব হত্যাকাণ্ডই বর্বরতা। শিবির কাউকে হত্যা করলে সেই ঘটনাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা বলব, আর ছাত্রলীগ অথবা ছাত্রদল একই নির্মমতা প্রদর্শন করলে সেটি ডিজিটাল অথবা আধুনিক হত্যাকাণ্ড হয়ে যাবে—এমন সরলীকরণের পক্ষে যুক্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন। রাজশাহীর একজন ছাত্রের হত্যাকাণ্ডকে যদি আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতা আখ্যা দেই, তাহলে ২৮ অক্টোবর দিনে-দুপুরে টেলিভিশন ক্যামেরা এবং শত শত পুলিশের সামনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করে তাদের মৃতদেহের ওপর উল্লসিত আওয়ামী লীগ কর্মীদের লাফালাফিকে সম্পাদক মহোদয় কী বিশেষণ দেবেন তা আমার জানা নেই। অথবা ইঙ্গ-মার্কিন জল্লাদ বাহিনী প্রায় এক দশক ধরে ইরাক এবং আফগানিস্তানে যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, তাকে আমরা কী বলব? ইসরাইলি সামরিক বাহিনী প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতাকামী জনগোষ্ঠীকে যে প্রক্রিয়ায় বিগত ষাট বছর ধরে হত্যা করছে, তাকেই বা কোন বিশেষণে অভিহিত করা হবে? ভারতীয় বাহিনী আমাদের সীমান্তে বছরের পর বছর ধরে যেভাবে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে, তাকে মধ্যযুগীয় বলব নাকি আধুনিক পদ্ধতিতে গুলি করে অথবা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা অভিহিত করে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাজনিত কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ করব? ফ্যাসিবাদ নিয়ে যতটুকু পড়াশোনা করেছি তাতে জনপ্রিয় সম্পাদকের সেদিনের বক্তব্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি ফ্যাসিবাদেরই গন্ধ পেয়েছি। একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো এবং রাষ্ট্রযন্ত্র কর্তৃক তাদের ওপর নির্যাতনের পর সেটিকে বৈধতার প্রলেপ দেয়ার অপচেষ্টা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞাতেই পড়ে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099062 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29099062 2010-02-16 16:05:45 ফটো দিয়ে তৈরী করুন 3D Album
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করবেন এই লিংক থেকে । হাতের কাছে রাখুন আপনার ছবি গুলি। ডাউনলোড শেষে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। ওপেন করলেই উপরে দেখতে পাবেন অনেক গুলি অপশন। ওখান থেকে design এ গিয়ে design সিলেক্ট করুন। তারপর add এ গিয়ে ছবি add করুন। preview তে ক্লিক করুন এবং যে কোন নামে সেভ করুন। এখন দেখতে থাকুন মজা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29098434 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29098434 2010-02-15 18:52:21
বাঙালিয়ানা ডিকশনারি এখান থেকে ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29098430 http://www.somewhereinblog.net/blog/CITbest/29098430 2010-02-15 18:42:18