আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একটা ছাগু ম্যাজিক !!!!!!!!!!!!! ( Animation ) - শান্তির দেবদূত
- পবিত্র আশুরা পালিত হলো (লেখাটা দয়া করে পরুন) - রাজপথ_থেকে_বলছি
- হলদে ডানাকে ব্যান করে মডুরা প্রমান করুক যে তারা রাজাকার লালন করেন না!! - রাজপথ_থেকে_বলছি
পবিত্র আশুরা পালিত হলো (লেখাটা দয়া করে পরুন)
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২০
গতকাল ছিলো পবিত্র আশুরা। আমাদের দেশের শিয়া সম্প্রদায় প্রতি বছর তাজিয়া মিছিল বের করে। গতকাল গেলাম তাদের মিছিল দেখতে। গিয়ে চক্ষু চরক গাছ। তারা হযরত ইমাম (রা
এর কাল্পনিক ঘোড়া বানিয়ে তার পা ধরে সালাম করছে, দুধ দিয়ে পা ধুয়ে দিচ্ছে, আবার সেই দুধ মাথা, কপাল, এমনকি বুকে ঘষছে। একটা ভিডিও লিংক দিলাম, বিশ্বাস না হলে দেখবেন।
তাজিয়া মিছিলটি ধনামন্ডি লেকের পাশে এসে দারালো, তাজিয়া বিষর্জন দেওয়া হলো লেকের পানিতে। মনে হলো হিন্দু ধর্মের পুজা প্রতিমা বিষর্জন দেওয়ারই নকল, বিষর্জনের সময় উলু ধ্বনিও হচছিলো। আমাকে এক ছেলে এসে চবি ৌলতে বাধা দিলো, এগুলো নাকি তুলা নিষেধ। ২০০৮ সালেও তারা রাস্তা ঘাটে এগুলো করবে এর মানুষ ছবি তোলবে না, তা কি হয়?
রাজপথ_থেকে_বলছি বলেছেন:
http://www.youtube.com/watch?v=Kx-7Gsb_K5E
পান্জেরী বলেছেন:
ভিডিও দেখালম। খুব খারাপ লাগছে। যে আমলের কোন অথেনটিসিটি নাই (হাদিস-কোরআনের রেফারেন্স নাই), মুসলমান তা কমনে করে?
চন্দন বলেছেন:
শিয়া আর কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনার দাবী এদেশের মুসলমানরা অনেক দিন থেকে করে আসছে
লেখক বলেছেন: http://www.youtube.com/watch?v=JdP05bPom80
বকলম বলেছেন:
দেখুন আমি নিজে সুন্নী, আর যা আপনি দেখেছেন ইসলামের দৃষ্টিতে তার কোন যুক্তিকতা নেই, কিন্তু তারপরও বলব এসব একদল আবেগি লোকদের কাজ যারা ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখেন না (তাদের শিয়া মত অনুসারেও)। দেশের শিয়া ধর্ম পন্ডিতদের উচিৎ এসব অপসংস্কৃতি থেকে শিয়াপন্থীদের বিরত রাখা এবং সঠিক ভ্রান্ত সম্পর্কে তাদের সচেতন করা। উপযুক্ত ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব মানুষকে ধর্মান্ধ করে তোলে সে শিয়া বা সুন্নী বা আমাদের রবীন্দ্র কাতর সুশীল সমাজ যেই হোকনা কেন।তবে বটম লাইন হলো তারা যা করছে তার বিরুদ্ধে আপনার পোষ্ট ধর্মীয় রেষারেষি তৈরি করবে। আমরা চাইনা আমদের দেশে শিয়া সুন্নী বিভেদ ও মারামারিতে লিপ্ত হোক।
আপনি যদি শিয়া সম্প্রদায়ের ভুল ধর্মীয় সংস্কৃতিকে দূর করতে চান। আপনার উচিৎ হবে তাদের হেয় বা অবজ্ঞা না করে তাদের ধর্মীয় মতের দৃষ্টিকোন থেকে এর পর্যলোচনা করা। তবে এর জন্য আপনাকেও জ্ঞান অর্জন করতে হবে যেই বিষয়ে আপনি পরামর্শ দিতে চাইছেন।
আশাকরি আপনার এই পোষ্টের নেগেটিভ ইফেক্টটা আপনাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি।
লেখক বলেছেন: ভাই বকলম, আমি আপনার লেখে গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে এবং গুরুত্বের সাথে পরি। আপনার মুল্যবান কমেন্তর জন্য ধন্যবাদ। তবে আমি মনে করি আমার এই সামান্য লেখে কোনো দাংগা তৈরি করবে না। আমি মনে করি দেশের মানুষের কুসংস্কার গুলো সবার জানা থাকা উচিত। বিদেশ থেকে সাংবাদিক এসে ছবিগোলো তুলে নিয়ে যাচ্ছে, তআরা যখন উস্কে ডেবে তখন কে কাকে ঠেকাবে। তাই আমাদের াগে থেকেই সচেইন হইয়া উচিত।
েবহাগ বলেছেন:
বকলম ভাল বলেছেন!!
শিয়ারা যদি সুন্নীদের মাজার সংস্কৃতির ভিডিও তুলে ধরে বলে "ওদেরকে নিষিদ্ধ করতে হবে" তাহলে? যে লাউ সেই কদু।
আলমগীর আহসান বলেছেন:
আমি আরো দুই দিন আগে পল্টন থেকে বাংলাবাজারে যেতে এরকম একটি মিছিল দেখেছিলাম। হাতে চুড়ি, পায়ে-কোমরে ঝনঝনি(এটাকে কি বলে আমি জানিনা), কানে ইয়া বড় দুল । বেশির ভাগ লোকের চেহারা দেখে আমি সন্দিহান!! আর কাল্পনিক ঘোড়াকে দেখে মিছিলের লোকদের দেখা দেখি সাধারন অনেক মানুষ ও হাতে পায়ে ধরে সালাম করা শুরু করেছে। আর গোলাপশাহ মাজারের অবস্থা দেখেতো চক্ষু চড়কগাছ। সেই আদিম মানুষের মুতিপূজার মতো মাজারের চারপাশে কতগুলো নারীপুরুষ দৌড়াদোড়ি করছে। ভাবতে অবাক লাগে, এই আধুনিক শতাব্দীতে মানুষের এহেন বোকার মত কর্মকান্ড!! আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।
মাতব্বর বলেছেন:
@বকলম, কিছুটা সহমত...তবে শিয়া দের উৎপত্তির সময় টা খেয়াল করলেই তাদের মুসলমান সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়...
রাসুল(সা
আর একটা কথা..
সুন্নি হলেই যে সব হয়ে গেল টা কিন্তু মোটেই নয়..
আসল হলো আমল
েবহাগ বলেছেন:
এই আধুনিক যুগে এসব খুব খারাপ লাগছে??
তাহলে শয়তানের স্তম্ভে পাথর ছোড়া, পাথরে চুমু খাওয়া, জমজমের পানি খাওয়া.... এসব আধুনিক যুগে কেমন লাগে? খুব ফিট করে?
দুরন্ত পিথক বলেছেন:
বকলমের সাথে পুরো পুরি ভাবে একমত।
শয়তান বলেছেন:
চন্দন বলেছেন: শিয়া আর কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনার দাবী এদেশের মুসলমানরা অনেক দিন থেকে করে আসছে গাজা খাইয়া ব্লগাইতে বসচেন নি ? কই পান এমুন আজগুবি কতাবার্তা ??
কম্পোজিশান বলেছেন:
দেখা যাইতাছে ইসলাম সম্পর্কিত কোন কিছু লিখলেই কিছু পাবলিক জাইনা না জাইনা ফালাইতে থাকে.... অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী, কথায় কথায় িডকশনারী....
শান্ত বলেছেন:
বেহাগ না বুঝে কমেন্ট করা ঠিক নয়। তুমি যে ঊদাহরণ দিয়েছ, সেটা আর তাজিয়া মিছিল এক নয়। শয়তানকে পাথর ছোঁড়া হলো শয়তান যে মানুষের প্রকাশ্য শত্রু, তা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য হজ্বের একটি প্রতীকী রোকন হলো পাথর ছোঁড়া। জমজমের পানি হলো পবিত্র পানি যার প্রবাহ শুরু হয়েছিলো ইসমাঈল (আআর, মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য শিয়া-কাদীয়ানিসহ যত মতবাদ বের হয়েছে, সে সবের অন্ধকাররূপ তুলে ধরতে গেলেই বিধর্মী ও নাস্তিকরা তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন। অপরদিকে আল্লাহ ও রাসুলের সমালোচনা করলে এই সব নরকের কীটগুলো খুব খুশী হয়। কাদীয়ানীদের সমাবেশে শাহরীয়ার কবীর গংদের দেখা যায়, কোন ইসলামী জলসায় এদের দেখা যায়না। আপনাদের এইসব কর্মকান্ড থেকে বুঝা যায়, কারা ইসলামের সঠিক অনুসারী।
চন্দন বলেছেন:
@gonder বলেছেন: চোদন (চনদন) সাহেব নয়া ফতোয়া দিলেন যে শিয়ারা অমুসলিম!
আপনি প্রমান করলেন আপনি একটা গন্ডার, মানুষের বাচ্চা না।
@শয়তান ভালো করে খোঁজ করলেই পাবেন।
শয়তান বলেছেন:
খোঁজ টা আপনেই না হয় দেন@ চন্দন
বকলম বলেছেন:
@ মাতব্বর,দেখুন শিয়া সুন্নীর মতের ভিন্নতা এবং তার যুক্তিতর্ক এখানে আলোচ্য হওয়া উচিৎ নয়। এ কারনে নয় যে যার যার বিশ্বাসের স্থান থেকে ধর্ম ও বর্ণ প্রতিপালন করা হয়। পৃথিবীর জনসংখ্যার বড় অংশটি খ্রীষ্টান যদিও আমরা মুসলিম হিসেবে তাদের বিশ্বাসটি সঠিক নয় বলে মনে করি। কিন্তু তাই বলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা যুদ্ধ করতে পারি না। যা পারি তা হলো আমাদের বিশ্বাসকে সবার কাছে তুলে ধরতে। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার বিদায় হজ্জের ভাষনে "ধর্মের নামে হানাহানি, মারামারি কাটাকাটি নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছেন"। সূতরাং আমাদের উচিৎ "যার যার ধর্ম (বিশ্বাস) তার কাছে" নীতি অবলম্বন করে শান্তিপূর্ণ সহবস্থান করা এবং দেশকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করা।
এ কথা অনস্বীকার্য যে আমাদের দেশে ধর্মীয় কুসংস্কার আছে এবং সেটা শিয়া সুন্নী সব মতেই। বিদেশীরা কি করলো বা আমাদের কি বললো সেটা নিয়ে হায়হুতাশ না করে আমাদের উচিৎ আমাদের অনগ্রসর জনগনকে শিক্ষিত করে তোলা যাতে তারা সঠিক ও ভ্রান্তকে আলাদা করতে পারে। যেই বিদেশীরা আমাদের সম্পর্কে বলে তাদের নিজের পাছায় অনেক গু লেগে আছে যা তারা দেখতে পায় না (সরি ফর দ্যা ব্যাড ল্যাংঙ্গুয়েজ)।
সুতরাং আমাদের অপসংস্কৃতি আমাদেরই দূর করতে হবে তবে তা কাউকে অবগগা বা হেয় করে নয় তাদের বিনয়ের সাথে বৃঝিয়ে, তাদের শিক্ষিত করে।
লেখক বলেছেন: ভাই বকলম , এই ফাল্তু পোস্টাকে আপনি যথিস্ট গুরুত্ব দিছেন বলে মনে হয়। আসলে ভিডিওতে যা আছে তা সত্যি দেশের কিছু মানুষের অশিক্ষারই প্রতিফলন।
রাস্তা থেকে ঘোরার হিসু মেশনো পানি কোমল শিশুদের গায় মেখে তারা মোটেও ভালো কাজ করছেন না। যদি তারা তাদের নিজ বাড়িতে করতেন তাহলে একটা কথা ছিলো, তারা তা করছে রাজপথে, সবার সামনে।
আচ্ছা বলোনতো তাজিয়া মিছিল শেষে পানিতে বিস্রজন দেওয়াটা আপনি আগে যানতেন? ভিডিও গুলার লিংক আমি দিয়েছি, যেনো আপনি আমার কথা বিশ্বাস করেন যা আপনাকে বা াপনাদের তাদের সম্পর্কে সছেতন করবে। এই পোস্টে কোনো দাঙ্গ লাগানোর ইচ্ছায় করা হয় নাই।
আমার মনে হয় এই ব্লগের মাধ্যমে াপনিও পারেন, যেখানে অনিয়ম, তা জংনের সামনে তুলে ধরতে।
বকলম বলেছেন:
এই ফালতু ইস্যুটাকে (আপনার নিজের বক্তব্য মতে) ব্লগে পোষ্ট করার মতো গুরুত্বপূর্ন কেন মনে হল তা আমার বোঝার বাইরে। এবং এই পোষ্টের কমেন্টে কিছু সন্মানিত ব্লগার শিয়াদের অমুসলিম ঘোষনা করার মন্তব্যটিও আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে যাইনি আশাকরি।আপনাকে হতাশ করে বলতে হচ্ছে 'পানিতে বিসর্জনের' ব্যাপারটি আমি আগেই দেখেছি এবং অবগত আছি।
আমার আপত্তি হচ্ছে আপনার পোষ্টে একটা অবজ্ঞা, হেয় ও তাচ্ছিল্য ভাব ফুটে উঠেছে যা কাম্য নয়। তবে আপনি যখন নিজেই নিজের পোষ্টটিকে "ফালতু" বললেন তখন আমার আর কিছুই বলার থাকে না।
তবে কাউজে তাচ্ছিল্য করে যদি বলা হয় আমি সিরিয়াসলি বলি নি তবে তাতেকি নিজেকে ছোট করা হয় না?!
বুঝতে পারছি আপনি যা লিখেছেন সেটা আনইনটেনশনালি। এর অর্থ যা বোঝাচ্ছে আপনি তা মিন করেননি। আপনাকে ধন্যবাদ।
এই "ফালতু" বিষয়ে নিজেকে সম্পৃক্ত করা আমার বোকামী হয়েছে স্বীকার করছি।
গালির জন্য গন্ডারের ব্যান দাবী করছি। ঐডা গালি ছাড়া কথাই করতে পারেনা।
ঘোড়ার পেশাবে সবার শরীর অপবিত্র হইছে...সন্দেহ নাই।
যারা যারা ঐ মিছিলে ছিলেন.. ভালো মতো গোছল কইরেন।
রাজপথ_থেকে_বলছি বলেছেন:
সহমত@সাম্প্রতিক, আমি বাসায় আইসাই গরম পানি দিয়া গোসোল করসি।


















