somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমাকে শেষ পর্যন্ত বলতেই হলো জাতেমাতাল পোস্টটা পড়ার পর জানলাম পর্নসাইটের জঘণ্যতা সম্পর্কে। পোস্টটা পড়ে চোখে পানি এসেছে, পোস্টের কমেন্টস পড়ে আরো কষ্ট পেয়েছি।

এরপর যাই আইরিন আপুর পোস্টে । ৭১ এ পাকিস্তানী, রাজাকার, আলবদররা এদেশের নারীদের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে নারকীয় বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল তারই কয়েকটি উদাহরণ পোস্টটিতে আছে। এই পোস্টটা পড়েও কেঁদেছি।

৭১এ নির্যাতিত ঐ নারীরা ছিল অসহায় কারণ দেশটা তখন স্বাধীন ছিল না আর তাই তাদেরকে পাকিস্তানী, রাজাকার, আলবদররা ধর্ষণ করতে পেরেছে, হত্যা করতে পেরেছে।

আর এখন স্বাধীনতার ৩৭ বছর পর যৌবনযাত্রায় হিডেন ক্যামেরা দিয়ে, ব্ল্যাকমেইল করে নারীদের ভিডিও দেখানো হয় তা কি ৭১ এর চেয়ে কম? স্বাধীন দেশে এই নারীরাও কি কম অসহায়? এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই হলো বাংলার স্বাধীনতা!

অনেক বিবেকবান ব্লগারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনেক বড় ব্যাপার তাই তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় তা যেখানেই হোক না কেন। তাই যৌবনযাত্রায় নারীদের নিয়ে কি হলো তাদের তাতে কিছুই যায় আসেনা। অনেকে আবার যৌবনযাত্রার রেঙ্কিং দিয়ে গর্ব বোধ করেন দেখলাম কিছু কমেন্ট পড়ে।

নাহ। আমি বলছি না যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইবার জন্য কোনো বৈধতার দরকার আছে। ৭১ এ রাজাকার কর্তৃক নারীকে ধর্ষণ করা আর হিডেন ক্যামেরা দিয়ে, ব্ল্যাকমেইল করে নারীর ভিডিও দেখানো দুইটাই আমার কাছে সমপর্যায়ের অপরাধ আর স্বাধীনতা বিরোধী মনে হয়। আর তাই মনে করি স্বাধীনতা বিরোধী কোনো প্ল্যাটফর্মে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কোনো উদ্যোগ নিলে মনে হয় প্ল্যাটফর্মটিকে হালাল করার চেষ্টা আর বাকীটা বৃথা।


আমি জানিনা বিবেকবান ঐ ব্লগাররা যাদের যৌবনযাত্রায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে কোনো আপত্তি নাই তারা আসলে স্বাধীনতা বলতে কি বুঝেন! তাদের কাছে স্বাধীনতা কি ব্যক্তি মুক্তি না জাতির মুক্তি! তারা কি বোঝেন না যে তারা স্বাধীনতা বিরোধী আরেকটা কাজকে সমর্থন করতে যাচ্ছেন!

আমার ব্যর্থতা যে আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য কিছুই করতে পারিনা। কয়েকদিন ধরে এই ইস্যু নিয়ে চরম মনোকষ্টে থেকে পোস্টটি লিখলাম। ভেবেছিলাম চুপ করে থাকবো, পারলাম না। আরো অনেক কিছুই বলার ছিল। অনেক মানুষেরই বিবেক আজ মরে গেছে। ভাল মন্দ বোঝেনা।<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28885792 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28885792 2008-12-21 17:42:08
ব্লগের অনুষ্ঠান তো টিভিতে দেখলাম না<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

১টা নাটক দেখলাম এনটিভিতে বিজয় দিবস নিয়ে "গগন আজ দেশে ফিরছে"। সত্যি ঘটনা অবলম্বনে। গগন নামের একজন ১৯৯৭ সালে বেলজিয়ামে পড়তে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানি ছাত্ররা বাংলাদেশকে নিয়ে তাচ্ছিল্য করায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন যার ফলশ্রুতিতে তাকে বেলজিয়ামের রাস্তায় নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি ওই ছাত্ররা। নাটকটা সবারই দেখা উচিত বলে মনে হয় বিশেষ করে যারা পাকিস্তানের আফ্রিদি কিংবা সোয়েবের ফ্যান, ফিউজন, জুনুনের গান না শুনলে যাদের ভালো লাগেনা তাদের জন্য। কিন্ত নাটকটার ডায়ালগ ততটা জোরালো মনে হয় নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28883330 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28883330 2008-12-16 17:44:39
মনটা বড়ই খারাপ আজকে<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

আমাদের ঈদের গরু এখনও কেনা হয় নাই।/<img src=" style="border:0;" /> হাটে গেছে দুই কাজিন। একটু আগে ফোন করে জানলাম, গরু তো কেনা হয়ই নি সাথে এক কাজিন হারিয়ে গেছে হাটে....মাইকিং করে তাকে খোঁজা হচ্ছে। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28880197 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28880197 2008-12-08 20:01:02
আমার চোখে দেখা হত্যাকান্ড (জেলিদিকে ডিস্টার্ব করার জন্য কাক ভূষুন্ডির জন্য শিক্ষামূলক পোস্ট<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />)

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28878118 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28878118 2008-12-04 13:42:24
যে কথাগুলো না বলে পারছি না


কলেজে ভর্তি করার আগে প্রতিটা কলেজই একটা ন্যূনতম জিপিএ দিয়ে দেয় যেই জিপিএ অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে জিপিএ'র ভিত্তিতে বাছাই করে ভর্তি করা হয়।



এই নিয়ম শুধু আমাদের এসএসসি পাশদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্পা "ও" লেভেল পাশ করে এইচএসসিতে ভর্তি হয়েছিল। আর “ও” লেভেলদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫টা বিষয় থাকতে হয়। কিন্তু অর্পার ছিল ৪টা। কলেজে যখন সে ভর্তি হয়েছিল তখন শুধু ওর ইকুয়িভ্যালেন্ট সার্টিফিকেট আর ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্রেডশিটটা জমা নিয়ে ওকে ভর্তি করেছিল। ওর রেজাল্ট ভালোই ছিল কিন্তু খুলনায় যেহেতু “এ” লেভেল করা যায় না তাই ও এইচএসসির জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছিল সময় বেশি লাগা সত্ত্বেও। কিন্তু এই নির্বাচনী পরীক্ষার সময় সে জানতে পারলো তার সমস্যা হতে পারে তাই তাকে যশোর বোর্ডে যেতে হবে। যশোর বোর্ড থেকে আবার তাকে ঢাকা বোর্ডে পাঠালো। আর ঢাকা বোর্ড থেকে সে জানতে পারলো, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবিধানেই নাকি আছে ন্যূনতম ৫টা বিষয় থাকা লাগবে নতুবা সে এইচএসসি দিতে পারবে না। আর এই সরকারের আমলে অবৈধভাবে সেটা করাও যাবেনা।



আমরা কলেজে ভর্তি হই বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য। আর কেউ যদি বোর্ড পরীক্ষার যোগ্য না হয় তাহলে তাকে কলেজে ভর্তি করা কেন? একটা কলেজের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে যে অধ্যক্ষ নিয়োজিত থাকেন তার অবশ্যই জানা উচিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবিধান। সংবিধান না জেনে তিনি কিভাবে অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন? আর তাকে নিয়োগ যারা দেন তারাই বা সেটা করেন কিভাবে?



আমাদের অধ্যক্ষ স্যার যদি আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবিধান একবার হলেও পড়ে থাকতেন তাহলে এই মেয়েটার দুইটা বছর নষ্ট হতো না। তার কষ্ট হলেও সে “এ” লেভেল এর জন্যই ট্রাই করতো।



আমার এই প্যানপ্যানানিতে বোর্ডের চেয়ারম্যানেরও কিছু যায় আসবে না, আমাদের কলেজের অধ্যক্ষেরও কিছু যায় আসবে না আর শিক্ষা উপদেষ্টারও কিছু যায় আসবেনা। যার গেছে তারই যাবে আসবে।



একসময় ও স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে ওর চিরকাল মনে থাকবে আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার খামখেয়ালীপোনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28876300 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28876300 2008-11-30 15:05:18
বুঝিনা মানুষ মাঝে মাঝে এত নিষ্ঠুর কিভাবে হয়





হয়ত, অঞ্জন নিজ থেকেই বলবে, আমাদের মনিটর কোন কাজের না, তোমরা একটা কাজ করো একটা অ্যাপ্লিকেশন লিখে ফেল। অর্পা আমাকে রিকোয়েস্ট করার পর লিখতাম আমি। সেই অ্যাপ্লিকেশনটা নিয়ে আবার অঞ্জন ভুল ধরতে যেতো মেজাজ দেখিয়ে, এইটার ভাষাটা এভাবে দিলে ভালো হতো, হাতের লেখা একটু ভালো করার চেষ্টা করো। আমি বলতাম, এত পারো নিজে লিখতে পারো না! মাঝে মাঝে কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যেতো। শেষে অর্পাকে ঝাড়তাম, তুমি আমাকে এটা কেন লিখতে বললা? ও বলতো ঠিকই আছে, আর ঠিক না থাকলেও ও সেটাকে দিয়েই কাজ চালানোর চেষ্টা চালাতো।<img src=" style="border:0;" />






প্রথম প্রথম আমার ধারণা ছিল অর্পা অঞ্জন টাইপড। পরে আস্তে আস্তে আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো। দেখলাম ও অনেক হেল্পফুল অন্তত আমার ক্ষেত্রে। অর্পা আর আমি পড়াশোনাও একসাথে করতাম। একটা বিষয় পড়ার আগে কে কিভাবে পড়েছে, কিভাবে পড়লে ভালো মনে থাকবে সবকিছুই একসাথে করতাম। টিউটোরিয়াল আর ক্লাস টেস্টের সময় এক সাথে বসার জন্য দুইজন পাগল হয়ে যেতাম। তখন নিয়ম ছিল একটা বেঞ্চে ৩ জনের বেশি বসা যাবেনা। আর আমাদের টার্গেট ছিল ফ্যানের নিচে বসবো আর একসাথে বসবো।<img src=" style="border:0;" /> আমি, সনিয়া আর অর্পা ৩ জন একসাথে না বসতে পারলে একবারে পেছনের বেঞ্চে গিয়ে বসতাম।<img src=" style="border:0;" />






টেস্টের পর প্ল্যান ছিল যশোরে আর সুন্দরবনে যাবো বেড়াতে। আমরা ক্লাসের ১০টা মেয়েকে এই ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছিলাম যে আমরা নিজেরা নিজেরা মেয়েরা মেয়েরা বেড়াতে যাবো।<img src=" style="border:0;" />এতদিন একসাথে খুব ভালোই কাটছিল কিন্তু সমস্যা শুরু হলো টেস্টের পরীক্ষার সময় অর্পার রেজিস্ট্রেশন নিয়ে। যেই মেয়ে পরীক্ষা নিয়ে এত সিরিয়াস সেই মেয়েকে পরীক্ষা বাদ দিয়ে ঢাকা বোর্ডে যেতে হলো। কিন্তু ফলাফল হল জিরো। আজকে ওকে ফোন করেছিলাম ও তখন কান্নাকাটি করছিলো। বললো ওর কাজ হয় নি তাই ইন্টার দিতে পারবে না, আজকে খুলনায় চলে আসতে হবে ওকে।






এরপর ওকে আমার এসএসসির সময়কার গল্প বললাম। আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ছিল ৭১৬৫৬২ আর অ্যাডমিট কার্ডে রেজিস্ট্রশন নাম্বার ছিল ৭১৬৫৮২। এসএসসির ২ দিন আগে এই ভুল ধরা পড়ে। অনেক কান্নাকাটি আমিও করেছিলাম তখন। তখন এমন একটা সময় ছিল যে বোর্ড থেকে যে ওইটা কারেকশন করতে হবে সেরকমও টাইম ছিল না। স্কুল থেকে বলেছিল ওইটুকুতে কোন সমস্যাই হবেনা আর সেই নাম্বার দুইটাকে হাইলাইট করে দিয়েছিল। এরপর ঠিকই যেইদিন প্রথম পরীক্ষা ছিল ওইদিনই এক ম্যাডাম ঝামেলা শুরু করলো। তখন সৌভাগ্যবশত আমাদের অ্যাসিসট্যান্ট হেডস্যার ওই সেন্টারে ওই টাইমে বলে দেবার পর আমি পরীক্ষা দিতে পারি। পরে বোর্ড থেকে কারেকশন করে দিয়েছিল। আমি জানি ওর সমস্যার কাছে আমার সমস্যা কিছুই না তারপরেও বললাম। এছাড়া আমার আর সান্ত্বণা দেয়ার ভাষা ছিল না তখন।






স্বপ্ন আমাদের সবার চোখেই। কিন্তু একজনের স্বপ্ন ভেঙ্গে যেতে দেখলে কেমন লাগে! একজন শিক্ষার্থী যখন দেড় বছর পড়াশোনা করার পর জানতে পারে সে যেই জিনিসের জন্য এতদিন ছুটেছে তার সবটাই বৃথা তখন তার কেমন লাগে? বোর্ডের লোকেরা কি এইটুকু জিনিস বোঝেনা? যেই ওর ব্যাপারটা শোনে বলে যে টাকা দিলেই সব হবে, এই দেশে টাকা দিলে নাকি সব হয়। একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে সেই টাকা দিয়ে তারা কত বড়লোক হবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875528 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875528 2008-11-28 22:16:53
পুতুল প্রীতি " style="border:0;" /> এমনকি আমার বোনরাও তাদের খেলনা আমাকে কখনও খেলতে দেয়নি। তারা শো-কেসে তাদের খেলনা সাজিয়ে রাখতো কিন্তু দিতো না।<img src=" style="border:0;" /> আর নতুন কোনো খেলনা কেউ দিলে তাও দিতো না আমাকে। <img src=" style="border:0;" />আমার বড়বোনের দুইটা ভাল্লুক ছিল, যার একটাও আমাকে ও দেয়নি। দুইটাই পেয়েছিল আমার খালাত দুই ভাইবোন।/<img src=" style="border:0;" /> আমার খালাত ভাই অবশ্য ভাল্লুকটা দেখে ভয় পেতো।<img src=" style="border:0;" />





আমার খেলনার মধ্যে ছিল একটা টেলিফোন, একটা টেলিভিশন, দুইটা পুতুল। আর একটা পুতুল পুরোপুরি ঠিক ছিল কিন্তু আরেকটা পুতুল ছিল ইয়া লম্বা আর পায়ে হিল ছিল না। তাই পা টা কেমন উঁচু হয়ে থাকতো। হিল হারিয়ে গেছিল দেখেই আমার বোনরা সেটা আমাকে খেলতে দিয়েছিল।/<img src=" style="border:0;" />টেলিফোনটার আবার চাকা ছিল চারটা। নম্বর ঘুরালে ক্যারক্যার আওয়াজ হতো, টেলিভিশনটাতে বিভিন্ন জীবজন্তুর ছবি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসতো আর মিউজিক হতো। এইসব খেলনা নিয়েই আমি আমার শৈশব পাড় করেছি। আমার কাছে এখন শুধু টিভিটা আর চাকাওয়ালা টেলিফোনটাই আছে।<img src=" style="border:0;" />





একবার বালিশ দিয়ে আমার শৈল্পিক হাত দিয়ে একটা পুতুল বানিয়েছিলাম। চারকোণা বালিশের দুইকোণে দুইটা রাবার ব্যান্ড দিয়ে ঝুঁটির মত বেঁধে দিয়ে দিয়েছিলাম। আর বালিশের মাঝখানের চেয়ে একটু উপরে পলিথিনের দড়ি দিয়ে বেঁধে মাথার আকৃতি করেছিলাম, এরপর আমার ওয়াটার কালার আর ফেব্রিকসের কালার দিয়ে চোখ মুখ এঁকে এটা ফ্রক পড়িয়ে দিয়েছিলাম। পুতুলটার চেহারা হাস্যকর হলেও অনেকেই এটার প্রশংসা করেছিল আর আমারও খুব প্রিয় ছিল পুতুলটা। <img src=" style="border:0;" /> কিন্তু আম্মু এই পুতুলাকে একদম দেখতে পারতো না।<img src=" style="border:0;" />




এরপর আমার মামাতো দুইবোন আমাকে একটা বড় পুতুল বানিয়ে দিল যা আমার অত্যন্ত পছন্দের ছিল। সবাই পুতুলের বিয়ে দিতো। আমি দিতাম জন্মদিনের পার্টি। কেক কিনে বাচ্চাদের ডাকতাম, এরপর পার্ট শেষে সবগুলোকে নাচাতাম।<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু এই পুতুলটা আমার চাচাতো বোনের(ছোট) পছন্দ হলো। তাই দিয়ে দিলাম।<img src=" style="border:0;" />
এরপর যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন ছোটমামী একটা পুতুল দিল আমাকে মাথায় মুকুট দেয়া মিস ইউনিভার্স খুব্বই সুন্দর।<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু আমার কি আর বয়স আছে খেলার!!/<img src=" style="border:0;" />তাও আমি রেখে দিলাম।<img src=" style="border:0;" />




কিন্তু আম্মু তখন বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়ে জানলো ঘরে পুতুল রাখা ঠিক না। তাই সব পুতুলগুলো আবার খালাত বোন দুইটাকে দিয়ে দেয়া হল। কিন্তু ওর মধ্যে একটা পুতুল ফিডার ছিল সাথে, সেটাকে আমি রেখে দিলাম।<img src=" style="border:0;" />



এরপর একদিন আমার এক ভাগ্নেকে আমার মিস ইউনিভার্স আর ঐ ছোট পুতুলটাকে খেলতে দেয়া হল। সে সেগুলোর হাত-পা-মাথা খুলে যে কোথায় কোথায় ফেলল তা আমি আর মিলাতে পারলাম না।<img src=" style="border:0;" />



এখন ভাবতেই অবাক লাগে কত ছোট্ট ছোট্ট জিনিসে কত খুশিই না হতাম!!
সেদিন ডল লিখে সার্চ দিলাম গুগলে এরকম অনেক ডলের ছবি আসলো তা দেখে আমি আমার অতীতে ফিরে গেলাম। সেদিন পোস্টে নিলা আপু বলছিল, ইশ! এই সব পুতুলগুলো যদি আমার হতো!!<img src=" style="border:0;" />


(এটা পূর্বে প্রকাশিত সামহয়্যার ইন ব্লগে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875361 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875361 2008-11-28 13:59:12
ব্লগার এত কম কেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875357 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/28875357 2008-11-28 13:41:08