somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমার গাওয়া গান! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" />
কলেজে থাকাকালীন সময়ে একবার আমাকে চিপায় পড়ে একটা গান গাইতে হয়েছিল। আমি আমার মতো করেই গেয়েছিলাম। ঐ সময় আমার কাছের লোকগুলো সান্ত্বণা দিতে বলেছিল, না ভালোই হয়েছে! আরেকদল চুপ ছিল। আর কিছু লোক ভ্যাক করে হেসে উঠে বলেছিল, আল্লাহ এর কণ্ঠ এরকম! <img src=" style="border:0;" />

এরপর আমি ঐ গানটা রেকর্ড করে শুনে রীতিমত আঁতকে উঠেছিলাম! উহ কি বিচ্ছিরি! <img src=" style="border:0;" />

ছোটবেলায় ভালো ভালো ক্যাসেটগুলো নষ্ট করে ফেলতাম গান, কবিতা আর বকাবকানি রেকর্ড করে। তখন অবশ্য কণ্ঠস্বর শুনতে অতটা খারাপ লাগতো না।

একটা ফ্রেন্ড আমাকে খুব পামপট্টি দিয়ে শুধু গান গাইতে বলতো। তার পামে না, আমি একদিন এমনিই একটা গান গেয়ে শুনিয়েছিলাম তাকে। সেটা শুনে তার মন্তব্য ছিল, সত্যিই এতো খারাপ গান আমি জীবনে শুনিনি! তুমি যদি আরেকটু গাইতে আমি সত্যিই হেসে ফেলতাম! হেহেহে! কি কণ্ঠস্বর তোমার! হাহাহা! (এরপর হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাবার ভঙ্গি করেছিলো! <img src=" style="border:0;" />)

একদিন সন্ধ্যাবেলায় ক্যাম্পাসে আমরা ঘুরতে বের হয়েছিলাম কয়েকজন। সেদিন মনের সুখে সবাই এক সাথে গান গাইছিলাম। আমাদের পাশ দিয়ে রিকশা করে তিনটা ভাইয়া যাচ্ছিল তখন। গান শুনে বলছিল, আপুনিরা একটুও ভালো হচ্ছে না তো! <img src=" style="border:0;" />

আমি এরপর মনের দুঃখে আর একটা গানও গাইতে পারিনি। যদিও আমরা গাইছিলাম নিজেদের জন্য, কাউকে শোনাতে না। কিন্তু তারপরও মনটা উদাস হয়ে লজ্জায় একাকার হয়ে গেছিল! <img src=" style="border:0;" />


আমি বুঝিনা এরকম কাশি কাশি ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠস্বরের একটা মানুষকে কেন মানুষের গান গাইতে বলে লজ্জা দেয়া লাগে!<img src=" style="border:0;" />

কেউ যখন বলে, একটা রিকোয়েস্ট করি তোমাকে?
আমি আগেই বলে দেই, গান গাইতে বলবা না।

ঘুমের বড়ি নামক এক ব্লগার আছে। আমার ছোট ভাই, ছোট্ট বন্ধু। আমার রিকোয়েস্টে ব্লগে নিক নিয়েছিল। ওকে একসময় আমি অনেক গান শুনাতাম। সে কখনো বলতো না, ভালো হয়নি! মাঝে মাঝে আল্লাদ করে বলতো, আপু আমি কি একটি গান গাইতে পারি?:``>>
আমার খারাপ গান শুনে বোধহয় সে গান গাওয়ার অনুপ্রেরণা পেত! <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29530761 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29530761 2012-01-28 14:16:23
...............
তারপর দিন ছিল আমাদের ব্যাচের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান। ১ তারিখে ডিপার্টমেন্টে সবকিছুই সুন্দরভাবে উদযাপিত হয়েছিল। কিন্তু হলে একটু সমস্যা ছিল। বুঝতেই পারছিলাম না কি করা উচিত। কারণ মুরাদ ভাইয়ার বান্ধবী এবং ছোটবোন আমাদের হলেরই। তারপরও পার্মিশন দিয়েছিল। কিছু জিনিস আমাদের এমনভাবে তৈরি ছিল যে চাইলেও আমরা এড়িয়ে যেতে পারছিলাম না। ক্যাম্প ফায়ার হবে না আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম ঘরোয়া পরিবেশে নিজেদের মতো করে বর্ষপূর্তি উদযাপন করতে। কিন্তু নাটকের এক আপু ভাবলেন উনার অনুভূতিতে আঘাত করতে এসব হচ্ছে। তারপর উনার বান্ধবীকে নিয়ে বকাঝকা করলেন অনেক। এতে একজন অসুস্থ হয়ে পড়লো। অনেক কান্নাকাটি হলো। সবকিছুই বাতিল হলো।

জুবায়ের ভাইয়াকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিন আবার আমাদের আগের ব্যাচের বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান ছিল। উনারাও পালন করতে পারেননি। ১২ তারিখ ছিল ইউনিভার্সিটি দিবস। ক্লাস পড়ালেখা সবই করি নিয়মিত। কিন্তু কেমন যেন লাগে। ইউনিভার্সিটিকে যেন চেনাই যায় না। কবে ঠিক হবে সবকিছু কে জানে। প্রথম যখন আসি এখানে, তখন খুবই দু:খি ছিলাম এখানে আসার জন্য। আস্তে আস্তে কেমন করে যেন মায়া জন্মে গেছে। এখন জাহাঙ্গীরনগর সম্পর্কে খারাপ কিছু শুনলে বা খারাপ কিছু হলে খুবই খারাপ লাগে। চাই সবকিছু তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাক। ক্যাম্পাসকে আবার আগের মতো করে ফিরে পেতে চাই<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29521770 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29521770 2012-01-13 17:50:24
আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> আমার একটা ফ্রেন্ড আমাকে ২০১২ সাল থেকে বেহায়া হতে বলেছে। অথচ আমার সবসময়ই নিজেকে চরম বেহায়া মনেহয়। নিজের অজান্তেই আমি বেহায়া হয়ে যাই। পরে যখন সেটা নিয়ে ভাবি তখন ইশ ইশ করতে করতে স্মৃতি হারিয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। আমার বেহায়াপোনার ব্যাপারটা আমিই বুঝতে পারি <img src=" style="border:0;" />
আমার একটা ফ্রেন্ড দাবী করে আমার মাথা খারাপ। সে আমাকে নাকি অনেক খেয়াল করেছে এবং শেষে আমার মাথা পুরাই খারাপ এই সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছে। গত মাস ধরে সে আমাকে এটা বলেই যাচ্ছে। তার এই বক্তব্যের সাথে কয়েকজন আমার অনুপস্থিতিতে নাকি গলা মিলিয়ে বলেছে, হ্যাঁ হ্যাঁ আমরাও খেয়াল করেছি চানার মাথা খারাপ!
আমি তো বুঝিনা আমি মাথা খারাপের কি করি! কি বলি! আজকে আমি জিজ্ঞেস করলাম ওকে এ ব্যাপারে। যা বললো তাতে দেখা গেল আমার সাধারন দুষ্টামিকেও তারা আজকাল সিরিয়াসলি নিয়ে ফেলছে!
যা-ই হোক, আমাকে সবাই মাফ করে দিবেন। আর দোয়া করবেন আমি যেন একদম চুপ হয়ে যেতে পারি যেমনটা আগে ছিলাম <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29513164 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29513164 2011-12-31 01:57:21
উঠতে হতাশা, বসতে হতাশা, ঘুমাতে গেলে হতাশা<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" />
পড়ালেখায় ফাঁকি দিয়েও দেখেছি আমি। আমি একটু ফাঁকি দিলে সেটার জন্য অনেক মাশুল দিতে হয়। অথচ যারা ফাঁকি দিবে মন মতো তারা আমার তুলনায় ভালোই থাকবে।

আমি সব বিনোদন বিসর্জন দিয়ে পড়ালেখা করেও দেখেছি শেষ পর্যন্ত ভালো কিছুই হয়না আমার।

আজকাল আমার ইচ্ছে করে পড়ালেখা ছেড়ে দিতে। ছেড়েই দিতাম কিন্তু ছাড়তে পারিনা কারণ পড়ালেখা ছাড়া আমার কোনো কাজ নেই তাই। পড়ালেখা ছেড়ে দিলে তো করার কিছুই থাকবে না <img src=" style="border:0;" />

পড়ালেখার কথা ভাবলে বের হয়ে আসে শুধুই দীর্ঘশ্বাস। এতো টেনশন আর সহ্য হয়না <img src=" style="border:0;" />

নিজে বাঁচিনা নিজের জ্বালায়, এর মধ্যে আবার নতুন নতুন জ্বালা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29498341 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29498341 2011-12-07 20:29:50
আমি আর রোম্যান্টিক হতে পারলাম না!!! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
এর পরপরই কয়েকটা বাণী পড়ে আমি হাসতে হাসতে হাসিখুশি হয়ে গেছি<img src=" style="border:0;" />

#মেয়ে মানুষ চিনেছেন বলে বড়াই করবেন না। কেননা আপনি জানেন না, আর একটি মেয়ে আপনাকে কি শিক্ষা দেবে।
-জিলেন বাগেস


#প্রেম একটি লাল গোলাপ।
-রশীদ করীম

#জেলাস মেয়েরা খুব ভালো বউ আর মা হয়।
-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়


#একবার চলে গেলে
নারীরা আর ফেরে না।
-অরুনাভ সরকার

#মেয়েদের না এবং হ্যাঁ র মধ্যে কোনো তফাত্‍ নেই।
-সেরভেনাটস


#পলায়নেই প্রেমের বিজয়।
-নেপোলিয়ন


#বিবাহিত মানুষের যন্ত্রণা আর বেদনার শেষ নেই।
-রিচার্ড ডিউক

#প্রেমের জন্য যুগে যুগে মেয়েরা জীবন দিয়েছে।
-ইমদাদুল হক মিলন
________________]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29495743 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29495743 2011-12-03 23:08:03
একটি অত্যন্ত বোরিং পোস্ট লিখলাম এই তো সেদিন আমার একটা ফ্রেন্ড বললো ফোনে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কিছুক্ষণ ন্যাকামি করতে।প্রথমে রাজী ছিলাম না তারপরে রাজী হয়ে গেলাম কি মনে করে যেন।
ফোন করে প্রথমেই বললাম, পার্থ ভাইয়া বলছেন?
উনি বললেন, হ্যাঁ কিন্তু আপনি কে?
আমি বললাম, ভাইয়া আসলে আপনি আমাকে চিনবেন না। ভাইয়া আমার নাম নিশি। পুরো নাম ভাইয়া আমার সংগীতা দাস। ভাইয়া আমি সরকার ও রাজনীতিতে ভর্তি হয়েছি। আমি কি ভাইয়া মাইগ্রেট করে লোক প্রশাসনে আসতে পারবো?
সে খুবই কড়া ভাষায় উত্তর দিলো,তুমি ভর্তি হয়েছো, তুমি জানো! আমাকে জিজ্ঞেস করছো কেন!
তারপর আমাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ফোনটা কেটে দিলো /<img src=" style="border:0;" />


এর পরপরই বাংলা লিংকের একটা নাম্বার থেকে ফোন আসলো।
নিস্পাপ কণ্ঠে একটা ছেলে বললো, হ্যালো কে বলছেন?
আমি অত্যন্ত বাজেভাবে বললাম, আমি কে বলছি মানে? আপনি কে? আপনি জানেন না আপনি কাকে ফোন করেছেন?
সে একটু থতমত খেয়ে চুপ থাকলো কয়েক সেকেন্ড। তারপর অসম্ভব বিনয়ী কণ্ঠে বলে উঠলো, জ্বিনা! জানিনা বলেই তো জিজ্ঞেস করছি!
আমি অত্যন্ত তাচ্ছিল্য করে বললাম, মানে কি? আন্দাজে ফোন করেছেন?
সে বললো, হ্যাঁ আন্দাজেই!
আমি বললাম, ঠিক আছে তাহলে আন্দাজে আরো কয়েক জায়গায় ফোন করে নাম পরিচয় জিজ্ঞেস করেন গিয়ে! ভাগেন…
আরো কিছু বলার আগেই বেচারা ভয়ে ফোন কেটে দিলো <img src=" style="border:0;" />



এই ঘটনার পরই আমার ফ্রেন্ডের ফোনে ফোন করে পার্থ রাগন্বিত হয়ে বলতে লাগলো, নিজেকে খুব চালাক মনে করো, না?
আমার ফ্রেন্ড আকাশ থেকে পড়ার ভান করে বললো, মানে?
পার্থ বললো, তুমি কোন মেয়েকে দিয়ে আমাকে ফোন করিয়েছো?
ও বললো, আশ্চর্য আমি কি জানি! আমাকে এগুলো বলছো কেন? তুমিই তো বলেছো তোমার কাছে এ্যাডমিশন টেস্টের রেজাল্ট জানতে নাকি অনেক মেয়েরা ফোন করে! তাদের মধ্যেই কেউ করেছে হয়তোবা! তোমাকে একটা মেয়ে ফোন করলে, সেই দোষটাও তুমি আমাকে দিতে চাও?!

সেই একটা চিৎকার মেরে বললো, চুপ করো তুমি! আমি ঐ মেয়েকে এক্ষুণি অন্য নাম্বার থেকে ফোন করবো! তুমি ফোন ছাড়বে না। আমি জানি সে তোমার সাথেই আছে। আমার সাথে তোমার কথা বলা কালীন সময়ে তাকে ফোন দিয়ে দেখতে চাই আমি!

আমার ফ্রেন্ড আমাকে ইশারা করে দূরে সরে যেতে বললো। আমি একটা দৌড় দিয়ে সরে আসলাম। এর পরপরই বাংলা লিংকের সেই নাম্বারটা থেকেই ফোন আসলো<img src=" style="border:0;" />

সেই সহজ-সরল নিস্পাপ ভদ্রলোক আবার নিস্পাপভাবে জিজ্ঞেস করলো, আপনি কে? এই জায়গাটা কোথায়?
আমি অসম্ভব বিরক্তি নিয়ে বললাম, আপনি কে যে আপনাকে আমার নাম পরিচয় দিতে হবে?
সে বললো, আপনি দিবেন কারণ আপনার ব্যাপারে আমি জানতে চাই!
আমি বললাম, অচেনা একজনকে কেন আমি আমার নাম পরিচয় দিবো?
সে বললো, আপনি দিবেন কারণ আমি চাইছি!
আমি বললাম, বললেই হলো? আচ্ছা ঠিক আছে আমি এখন বরিশালে থাকি! আমার নাম সোনিয়া! এইবার হয়েছে?
সে বললো, আপনি এরকম করছেন কেন? সত্যি করে বলেন না আপনি কে!
আমি বললাম, আপনি কিভাবে বুঝলেন যে আমি সত্যি বলিনি? এর মানে আপনি আমাকে চেনেন?
সে বললো, নাহ আপনি কে আমি সত্যিই জানিনা।
আমি বললাম, তাহলে আমি যা বলবো তাই বিশ্বাস করতে হবে। আমি যদি এথন বলি আমি বরিশাল থাকি তাহলেও আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আবার যদি বলি আমি চট্টগ্রাম থাকি তাহলেও বিশ্বাস করতে হবে।
সে এইবার একটা পাপ করে ফেললো। তার পাপ আমাকে তুমি করে বলার পাপ। এই পাপকে আমি মহাপাপ হিসেবে গণ্য করি। আমাকে বললো, কেন তুমি অযথা আমাকে মিথ্যা বলবে?
আমি চিৎকার দিয়ে বললাম, আশ্চর্য ব্যাপার! আপনি আমাকে তুমি করে বলছেন কেন? আপনি জানেন না অপরিচিত একটা ভদ্রমহিলার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয়?
সে বোকার মতো বলে বসলো, তোমাকে তুমি বলছি কারণ তোমার আমি সিনিয়ার।
আমি অবাক হবার ভান করে বললাম, সিনিয়ার মানে…মানে…মানে কি আপনি কি পার্থ ভাইয়া যাকে আমি একটু আগে ফোন করেছিলাম?
সে এইবার কোনো উত্তর দিতে না পেরে খটাস করে লাইন দিলো কেটে! <img src=" style="border:0;" />


এই ফোনালাপ বিষয়ে বলতে বলতে আমি আর আমার ফ্রেন্ড যখন হাসতে হাসতে হাঁপিয়ে উঠেছি ঠিক সেই মুহূর্তে পার্থ আবার আমাকে ফোন দিয়ে জেরা শুরু করলো। প্রথমে নাম বললাম যে সংগীতা দাস (নিশি)!

তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার ভর্তি হতে কত টাকা লেগেছে?
এক এক ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হতে এক এক রকম টাকা লাগে। বিবিএরটা আমি জানি। আর্টসে কত লাগে এই বিষয়ে আমার ধারণা নাই তাই বোকার মতো মুখ ফসকে বলে বসলাম, ভাইয়া আমি ঠিক জানিনা। এগুলো আমার আব্বু জানে। আইমিন আমার বাবা জানে!
(হিন্দু হলে তো আব্বু বলা যাবে না, বলতে হবে বাবা তাই সাথে সাথে ঠিক করে নিয়েছিলাম।)
কিন্তু সে সে সাথে সাথে এটাই ধরে বসলো। বললো, তুমি না হিন্দু! তুমি তাহলে আব্বু বললা কেন?
আমি বললাম, আসলে ভাইয়া ফ্রেন্ডদের সাথে তাল দিতে দিতে ওদের মতো আব্বু বলাই অভ্যাস হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি যেহেতু আমাদের রিলিজিওনের তাই আবার ঠিক করে নিলাম!
সে বললো, তোমার ভর্তি হতে কত টাকা লেগেছে তুমি জানো না? মাইগ্রেশন যে করছো, এ্যাপ্লিকেশন করেছো?
আমি বললাম, জ্বি ভাইয়া।
উনি বললেন, কি লিখেছো এ্যাপ্লিকেশনে?
আমি এইবারও সমস্যায় পড়ে গেলাম কারণ মাইগ্রেশন করতে হলে এ্যাপ্লিকেশনে কি লিখতে হয় এ সম্পর্কে আমার ধারণাই নাই। আমি মাইগ্রেশনই করিনি কখনো। তাই আবার বললাম, ভাইয়া এটা তো আমার বাবা জানে।
সে বললো, বাহ্! পড়ালেখা কি তুমি করবে না তোমার বাবা করবে? তোমার ইউনিতে পড়ার কোনো যোগ্যতাই নেই।
আমি তখন নিস্পাপ কণ্ঠে হেসে বললাম, ভাইয়া এটা কি বললেন! আমি তো এডমিট হয়ে গেছি!<img src=" style="border:0;" />
সে বললো, এডমিট হয়েছো কিন্তু টিকে থাকার যোগ্যতা তোমার নেই!
এরপর জিজ্ঞেস করলো, তোমার বাড়ি কোথায়?
আমি বললাম, ভাইয়া টাঙ্গাইল।
সে বললো, ও! ঢাকাতে কোথায় থাকো? কলেজ কোনটা ছিল?
আমি বললাম, ভাইয়া মিরপুরে থাকি। আর কলেজ টাঙ্গাইলেই ছিল।
সে বললো, টাঙ্গাইলে কোন কলেজে?
আমি অত্যন্ত আত্নবিশ্বাসের সাথেই এবার বললাম “টাঙ্গাইল সরকারী মহিলা কলেজ”। এতো আত্নবিশ্বাসী হবার কারণ প্রতিটা জেলাতেই একটা করে সরকারী মহিলা কলেজ থাকে <img src=" style="border:0;" />
এবার জিজ্ঞেস করলো, টাঙ্গাইলে কোন উপজেলায় বাড়ি?
এইবার আমি আবার একটু সমস্যায় পড়লাম। কারণ টাঙ্গাইলের কোনো উপজেলার নামই আমি জানিনা। তাই পজ দিয়ে দিয়ে বলতে লাগলাম, ভাইয়া টাঙ্গাইল সিটি হসপিটালের উল্টা দিকে যেই বাড়িটা আছে না? ওইটা আমাদের বাড়ি।
সে বললো, তোমাকে আমি যা জিজ্ঞেস করেছি তার উত্তর দাও। বলো কোন উপজেলা? নাকি উপজেলার নামও তোমার বাবা জানে?
আমার তখন হঠাৎ মনে হলো প্রতিটা জেলাতেই একটা করে সদর থাকে। তাই সাথে সাথে অতি আনন্দের সাথে বললাম, টাঙ্গাইল সদরে ভাইয়া!
সে বললো, গুড। কিন্তু তুমি হাসতেছো কেন? তোমার আচার ব্যবহার কিন্তু ভালো না! সিনিয়ার ভাইয়াদের সাথে কি এভাবে হেসে হেসে কথা বলতে হয়?
আমি বললাম, ভাইয়া ঠান্ডা লাগছে তো। তাই কাশি আসছে বারবার। কাশি চেপে রাখতে গিয়ে গলা থেকে হাসির মতো ফ্যাসফ্যাসে শব্দ বের হয়ে যাচ্ছে <img src=" style="border:0;" />
সে বললো, আচ্ছা ঠিকআছে। কিন্তু আমার এই নাম্বারটা কোথায় পেয়েছো?
(আমাকে আগে থেকেই আমার ফ্রেন্ড বলে রেখেছিল এই প্রশ্ন করলে ‘আনহা’ নামের একটা মেয়ের কথা বলতে)
কিন্তু আমি মাঝখানে আরেকজনকে টেনে এনে বললাম, ভাইয়া আমার একটা ফ্রেন্ড মউ! মউ যেন আনহা না কার কাছ থেকে পেয়েছে। আমি পেয়েছি মউয়ের কাছ থেকে। আপনার নাম্বার দিয়ে মউ বলছে যে আপনার কাছে নাকি রেজাল্ট থাকে!

তারপর হাঁপিয়ে গিয়ে ফোন রাখবো বলে পাম দিতে বললাম, ভাইয়া খুব ভাল্লাগছে আপনি এতোক্ষণ আমার সাথে কথা বললেন তাই। অনেক কিছু শিখতে পারলাম আপনার কাছ থেকে<img src=" style="border:0;" />
সে অসম্ভব রোম্যান্টিক কণ্ঠে বললো, শুনো আমারও না তোমাকে অনেক ভাল্লাগছে। তুমি মাঝে মাঝে কিন্তু আমাকে ফোন দিও…

শেষেরটুকু যে আমার ফ্রেন্ডকে জেলাস করতে বলা সেটা বুঝতে আমাদের বাকী রইলো না। যা-ই হোক, ফ্রেন্ডের সাথে যখন আবার আলাপ করে রুমে চলে যাচ্ছিলাম ঠিক তখন আবার সে ফোন দিয়ে আমার ফ্রেন্ডকে শাসাতে লাগলো। এরপর আমার ফ্রেন্ড অতিষ্ট হওয়ার ভান করে বললো, কে সেই মেয়ে! নাম কি তার? তার নাম্বারটাও দাও! আমি ঐ মেয়েকে এক্ষুণি ঝাড়ি দিবো।
সে বললো, ঝাড়ি দিবা খুব ভাল কথা। কিন্তু কনফারেন্স ডেকে। আমি চুপচাপ বসে থাকবো। তুমি ওর সাথে কথা বলবা, ওকে?
ও রাজী হয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আমার রুমে এসে বলে গেল প্রস্তুত থাকতে।

এরপর ফোন আসলো।
আমি রিসিভ করে বললাম, হ্যালো কে বলছেন?
আমার ফ্রেন্ড তার পুরো নাম বলে বললো, আমি অমুক। জাহাঙ্গীরনগর ইউনি থেকে।
আমি প্রায়ই গদগদ হয়ে গিয়ে বললাম, ও আচ্ছা। আপনি কোন ইয়ারে?
সে বললো, তা না জানলেও তোমার চলবে! তা তুমি একটু আগে কি পার্থ নামে কাউকে ফোন দিয়েছিলে?
আমি বললাম, হ্যাঁ আপু। আসলে আপু আমি সরকার ও রাজনীতিতে ভর্তি হয়েছি কিন্তু পাবলিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশনে আসতে পারবো কিনা সেটা জানতে ভাইয়াকে ফোন দিয়েছিলাম।
এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার মেরিট পজিশন কত ছিল?
আমি বললাম, ১৪০!
সে বললো, সমস্যা নেই। তোমাকে রেজাল্ট আমি জানাবো।
আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, আপু আপনি কোন ডিপার্টমেন্টের?
সে বললো, বায়োকেমিস্ট্রি।
আমি বললাম, ওকে আপু। জানায়েন। ভালো থাকবেন আপু। স্লামালেকুম।

সারাদিনটা আমার মিথ্যার উপরে দিয়েই গেল। যদিও অনেক হাসছি। হাসার কারণ এই ছেলে আমার জুনিয়ার। এইবার সে আমার ডিপার্টমেন্টেই ভর্তি হয়েছে। গত বছর সে অন্য আর এক ডিপার্টমেন্টে ছিল। আমার ফ্রেন্ডের চেয়ে সে এক বছরের জুনিয়ার আরকি! সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো… ফোনে কনফারেন্স করার পর সে আমার ফ্রেন্ডকে গুল মেরেছে যে আমাকে নাকি সে অনেক বড় রেগ দিয়েছে এবং তাকেও বলেছে আমাকে রেগ দিতে। আমার ফ্রেন্ড তো একদিন না একদিন বলবেই যে ফোনের ঐ মেয়েটা আমি ছিলাম! তখন সে কি রকম ফিল করবে এটা ভাবলেই আমার হাসি পাচ্ছে। তার পায়ের তলায় মাটিই থাকবে না <img src=" style="border:0;" />
যা-ই হোক সারাদিন খামোখা মিথ্যা বলেছি সেদিন। আসলে একটা মিথ্যা বললে দশটা মিথ্যা বলতে হয় এটাই তার প্রমাণ <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29489930 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29489930 2011-11-25 00:20:41
বাবুর জন্মদিন আজ<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

ঐ বছরই কোরবানী ঈদে বাবুর কথা ভেবেই বাবুর সাথে মিলিয়ে আমাকে আর জারিনকে ছেলেদের মতো পোশাক কিনে দেয়া হয়েছিল। মেয়েরা ছেলেদের মতো কাপড় পরলে সমস্যা না কিন্তু ছেলেরা মেয়েদের মতো পরলে তো সমস্যা এটা ভেবেই<img src=" style="border:0;" />

আজকে বাবুর জন্মদিন। এখনকার বাবু আর আগের সেই বাবুর মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক। গতকালই কথা হলো। বারবার করে বলছিল, চানাআপু তুমি ভালো আছো তো?

আমার মাথায় একটা জায়গায় চুল ওঠে না। বাবু জামরুল পাড়তে ইট মারছিল, সেই ইটের একটা আমার মাথায় পড়েছিল। তারপর বেচারা ভয়ে কি কান্নাটাই না করেছিল সেদিন!<img src=" style="border:0;" />

খুব শক্তিশালী ছিল ও। ছোটবেলায় আমি ওকে খুব মারধর করতাম। অন্য কেউ মারলে সেও পাল্টা মার দিতো। কিন্তু আমাকে সে কিছুই বলতো না আর ভীষণ ভয় পেতো আমাকে। অবশ্য সব পোলাপানই ভয় পেতো তখন আমাকে! তবে এখন খারাপই লাগে কারণে অকারণে ধরে ধরে মারতাম ওকে<img src=" style="border:0;" />

আমি ছোটবেলায় বেশ লম্বা ছিলাম। কিন্তু বাবু ছিল গাট্টাগুট্টা। বাবুর মতো গাট্টাগুট্টা ছিল জনি। ওরা আমাকে খুব হিংসা করতো। বাবু খেতে চাইতো না। আর খালু ওকে জোর করে খাওয়াতো আর বলতো, দেখ চানা কিন্তু অনেক খায় এজন্যই কি সুন্দর লম্বা। বাবু কেঁদে কেঁদে বলতো, আমি দেখেছি ও কিচ্ছু খায় না। ও এমনি এমনিই লম্বা হচ্ছে!
কিন্তু আমার বয়স যখন তেরো হলো তারপরে আমি আর লম্বাই হলাম না। পাঁচ ফুট তিনেই থেমে গেলাম। পরে কিভাবে কিভাবে যেন আধ ইঞ্চি বেড়েছি। বাবু টেনেটুনে পাঁচ ফুট ছয় হয়েছে আর জনি আর পাঁচ ফুট চার! দেখা হলে এখনও ওরা দুইজন আমাকে নিয়ে এখন হাসাহাসি করে/<img src=" style="border:0;" />

বাবু খেলাধূলার প্রতি অনেক বেশি সিরিয়াস। ক্রিকেটার হয়েই ছাড়বে সে এমন মনোভাব ছোটবেলা থেকেই দেখতাম। অনেক ভালো খেলে আর অনেক কষ্টও করে। এই লাইনে সফল হওয়া খুব কঠিন। ওর স্বপ্ন পূরণ হওয়া অনিশ্চিতই বলা চলে কিন্তু তাও অনেক দোয়া করি ওর জন্য। সবাই দোয়া করবেন ওর জন্য<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29482244 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29482244 2011-11-13 04:59:06
হৃদয় খানের গান শুনছি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_39.gif" width="23" height="22" alt=":`" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_40.gif" width="23" height="22" alt=":``" style="border:0;" />
আমি ভুলে যেই গানটা সেট করে ফেলেছিলাম সেটা শুনতে যেমন ফালতু ছিল আর লিরিক ছিলও সেইরকম থার্ডক্লাস। লোকজন আমাকে ফোন দিতো আর হাহাহিহি করে হাসতো। আমি শুধু রাগে পকপকই করতাম কিন্তু ঐটা কিভাবে বন্ধ করতে হয় সেটাও তখন বুঝতাম না। মনের দু:খে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম যে সিম পরিবর্তন করে ফেলবো। আবার ভাবলাম কাস্টমার কেয়ারে একবার যাবো তারপর যাবো যাবো করে আর যাওয়া হয়নি। অনেকদিন পর কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধ করতে পেরে আমার যে সে কিইইই খুশিটা লেগেছিল! <img src=" style="border:0;" />

ঐ ঘটনার পর আমি হৃদয় খানের নামই শুনতে পারতাম না। নাম শুনলেই গালি দেয়া শুরু করতাম সমানতালে। আমার একটা ফ্রেন্ড বলতো হৃদয় খানের সব গানের মধ্যে নাকি “মেয়ে” শব্দটা আছেই। এজন্য সে পছন্দ করতো না। এগুলো শুনে আমি আরো অপছন্দ করতাম। চেহারা যেহেতু দেখিনি তাই সেটা নিয়ে অতটা মাথা ব্যথা ছিল না।



অথচ এই তো বেশিদিন আগের ঘটনা না। পূজার ছুটিতে বাড়িতে এসেছি ঠিক তখনকার ঘটনা। বাড়িতে আসলে আমি সবচেয়ে বেশি যেই কাজটা করি সেটা হলো 'হা' করে টিভির সামনে বসে থাকি। ঐদিন খুব সম্ভবত শুক্রবার ছিল। ফোনো লাইভ স্টুডিও কনসার্ট অথবা এই টাইপ নামের কোনো একটা ফোনো লাইভ আড্ডা শো হচ্ছিল। ঘুরতে ঘুরতে আমার ঐ চ্যানেলের চিকনা মতো ছেলেটাকে দেখে চোখ আটকে গেল। কত আর বয়স হবে! আমাদের মতোই অথবা একটু বড় হতে পারে ছেলেটা। যদিও এ ব্যাপারে মানুষের দ্বিমত, ত্রিমত আছে। একজন বললো সে ৩০+! আরেকজন বললো যে তার বয়স কমসে কম ২৭/২৮। আমার মনে হয়েছে আমার বয়সী!<img src=" style="border:0;" />

একটার পর একটা ফোন আসছিল ছেলেটার। একটা ফোনে একটা পুতুপুতু টাইপ ঢঙ্গি মেয়ে হ্যাংলার মতো বলতে লাগলো, ভাইয়া তুমি যদি অমুক গাও না তাহলে আমি অন্নেক খুশি হবো।
ছেলেটা অনেক কিউট করে হেসে বললো, এই গানটা গাইলে আপনি সত্যিই খুশি হবেন?! <img src=" style="border:0;" />
আমার ছেলেটাকে বেশ ভালোই লেগে গেল ঐসময়। পরে জানলাম এটাই হৃদয় খান। <img src=" style="border:0;" />

তারপর হাতড়াতে হাতড়াতে কিভাবে কিভাবে যেন দুইটা গান বেশ ভালো লাগিয়ে ফেললাম:`>
আগামীকাল সকাল ৭.৪৫ এ আমার বাস। এখন ঘুমাতে যাওয়া উচিত কিন্তু ইচ্ছে করছে না। গানই শুনে যাচ্ছি। আসলে যা দেখলাম হৃদয় খানের গান ততোটা খারাপ না <img src=" style="border:0;" /> অন্ততপক্ষে এই গান দুইটা8-)

একই ছোঁয়া
আড়ালে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29482202 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29482202 2011-11-13 01:32:52
ঈদ মানে খাওয়া আর ঘুম আমি বললাম, ওটা একটা গরুর ছবি। ধার করা।
ও বললো, ও আচ্ছা আচ্ছা ওটা গরু!<img src=" style="border:0;" />
আমি বললাম, হু! কি করিস এখন? কালকে কি কি রান্না করবি? <img src=" style="border:0;" />
সে বললো, আমি তো কিছুই করিনা রে!

এরপর ওর সাথে প্রায়ই দুই ঘণ্টা ধরে রান্না বিষয়ে বকরবকর করলাম। এক পর্যায়ে ও বললো, চানা তুই যেভাবে বলছিস...এখন তোর কথা শুনে আমারই না রান্না করতে ইচ্ছা করছে!<img src=" style="border:0;" />
আমি বললাম, ইচ্ছা হলে করবি! <img src=" style="border:0;" />

তারপর ঠিক করে দিলাম সে কি কি রান্না করবে। আমি ওকে বুদ্ধি দিলাম যেহেতু সে এই লাইনে একদম নতুন তাই যেন একটা ডিশই রাঁধে এবং ভালোভাবে রাঁধে কিন্তু সে বললো, নাহ আমি তিনটা ডিশ রাঁধবো! কাবাব, খাশির রেজালা আর গরুর কোরমা!
আমি বললাম, ঠিক আছে তাই করিস!<img src=" style="border:0;" />

আজকে ওকে আর ফোন করা হয়নি। তাই জানিনা ওর কি অবস্থা। তবে এটুকু জানি ও যেরকম ছুঁলুরি বুলুরি করে, নিশ্চিত রান্নার সময় আন্টির মাথা খারাপ করে দিয়েছে।

আর আমার অবস্থা আজকে অত্যন্ত করুণ। ঘুম থেকে উঠেছি সকাল দশটায়। তারপর দেখি ভালোই শীত। নিজ হাতে চা বানিয়ে খেলাম। একবার নিচতলায় গিয়ে খাওয়া দাওয়া করে ওষুধ খাওয়ার পর দেখি ঘুম আসছে। তারপরও জেগে থাকার আপ্র্রাণ চেষ্টা করলাম। আব্বুর পাশে বসে তার কর্মকান্ড বসে বসে দেখতে লাগলাম। আমাদের বাড়িতে যেই কাজের খালা আছেন, উনি আগামীকাল তার মেয়ের বাড়িতে বরিশালে চলে যেতে চাইছেন। আর উনার স্বামী যেতে দিবেন না। এটা নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক গন্ডগোল চলছে। আব্বু হচ্ছে তাদের জাজ!<img src=" style="border:0;" />

খালা চলে গেলে আমাদের অনেক সমস্যা হবে। কারণ আমার আম্মু এখন অনেক অসুস্থ। রান্নার কাছে সে যেতেই পারে না। সব কিছু আমাদেকেই করতে হবে। এই হিসেবে আব্বুর উচিত ছিল খালার বিপক্ষে কথা বলা। কিন্তু আব্বু করছিল উল্টা<img src=" style="border:0;" />

যাই হোক, আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। ঘুমিয়েই পড়লাম। কখন কোরবানি হয়েছে তাও জানিনা। বিকাল সাড়ে চারটায় আম্মু রাগন্বিত কণ্ঠে বলতে লাগলো, এরকম না খেয়ে থাকতে থাকতে যখন অসুখে পড়বে তখন বুঝবে! ঘুমাও ঠিক আছে! খেয়ে দেয়ে ঘুমাও!

এরপর ঘুম থেকে উঠলাম। খাওয়া দাওয়া করলাম। তারপর ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি বন্ধ! কখন বন্ধ করেছি মনেও নাই!
এজন্য আমাকে কিছু কথা শুনতে হতে পারে<img src=" style="border:0;" />

ছোটবেলায় এই ঈদের জন্য কত অপেক্ষা, কত উত্তেজনা ছিল ভাবলেই অবাক লাগে। ঈদ শেষে একেবারে মন খারাপ হয়ে যেত এটা ভেবে যে ঈদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। আর এখন ঈদ মানে বুঝি খাওয়া আর ঘুম! <img src=" style="border:0;" />

আজকে আমি চরম হতাশ নিজেকে নিয়ে! সারাদিন ঘুমানোর পর নিজেকে প্রচন্ড পরিমাণে দায়িত্বজ্ঞানহীন একটা মানুষ মনে হচ্ছে<img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29479430 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29479430 2011-11-07 20:47:28
দিনলিপি-২৪
কত কিছু যে সে মাথায় দিতো! আমার কাছে তা ঝাল মশলার মতোই লাগতো। ছুটির দিনে মেথি আর পেঁয়াজের গন্ধে তার আশেপাশে থাকা যেত না এমন অবস্থা ছিল।

মাঝে হোস্টেলে থাকবে বলে চরম পরিমাণে লম্ফ ঝম্ফ শুরু করেছিল। ওর হোস্টেল হলো মিরপুরে। ওর কিভাবে যেন ধারণা হয়েছিল তার চুল ঝরে পড়ার কারণ ব্লিচিং পাওডার মিশ্রিত পানি। ওর ধারণা মিরপুরের পানি খুব ভালো। মিরপুরে গেলে নিশ্চিত তার চুল গজাবে। ওদের ইন্সটিটিউটের হোস্টেলে আবার সহজে সিট দেয়না। প্রয়োজনে সে স্যারদের কাছে কেঁদে কেটে হলেও হোস্টেলে উঠবে বলে ঘোষণা দিলো। পরে এমনিতেই সিট পেয়ে গেল। কি যে খুশি ছিল সে! চোখে মুখে তার স্বপ্ন। হোস্টেলে থাকলে পড়ালেখা ভালো হবে, অতদূর জার্নি করতে হবে না, সকালটা আরাম করে ঘুমানো যাবে এই স্বপ্ন না! স্বপ্ন হলো তার চুল গজানোর স্বপ্ন!<img src=" style="border:0;" />

কিন্তু আমাদের সবাইকে অবাক করে দিয়ে সাত দিনের মাথায় হোস্টেল ছেড়ে দিলো। আমাকে লজ্জিত হয়ে বললো, এতো নিয়ম কানুন মেনে চলা আমার পক্ষে সম্ভব না রে:`>

হোস্টেল ছাড়ার পর তার প্যানপ্যানানি ভ্যানভ্যানানিতে রূপ নিলো। সকাল-বিকাল, উঠতে-বসতে, ফোনে কথা বলতে বলতে তার চুল বিষয়ক কান্নাকাটি শুনতে শুনতে আমি বিরক্ত ছিলাম। এই কান্নাকাটি আশেপাশে অন্যান্য অনেককে করতে দেখে আরও মেজাজ খারাপ হতো। আমার অবস্থা ছিল এমন যে চুল বিষয়ে কেউ বকবক করতে আসলেই আমি রীতিমতো তখন মিসবিহেভ করতাম লোকজনের সাথে<img src=" style="border:0;" />

এর কিছুদিন পর আমিই টেনশনে পড়ে গেলাম আমার চুল নিয়ে। অনেক চুল পড়ছিল তখন। প্রথমে মনকে বুঝ দিলাম এটা বলে যে বর্ষাকাল বলেই চুল পড়ছে। বর্ষাকালে তো এরকম তো হয় আমার। কিছুদিন পরে নিশ্চিত ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঠিক হলো না। হলো না আমার চুল পড়া বন্ধ। আমি ভাবলাম শ্যাম্পুর দোষ। শ্যাম্পু পাল্টিয়ে ফেললাম। কাজ হলো না। ভাবলাম চুলগুলো একবারে ছোট ছোট করে ফেলবো তাহলে হয়তো বা ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মায়া লাগছিল খুব <img src=" style="border:0;" />

তারপর আমার হলেরই একটা মেয়ে বললো, ভিটামিন ই খেতে আর সপ্তাহে দুইবার ভিটামিন ই মাথার তালুতে ঘষতে। ও যা বললো আমি তাই করা শুরু করলাম। আর আশেপাশে চুল নিয়ে চিন্তিত লোকজনকে বললাম, আমার বোনকেও বললাম। কেউই আমার কথা শুনলো না। এক মাস পরই টের পেলাম মাথার আশেপাশে অসংখ্য ছোট্ট ছোট্ট চুল গজাচ্ছে <img src=" style="border:0;" />

আমার চুল গজানো দেখে মুনিয়া আর আমার বোন খাওয়া শুরু করলো। তাদের চুল গজিয়েছে কিন্তু তারা আমাকে দোষারোপ করছে যে, চুল গজালে কি হবে! তারা মোটা হয়ে যাচ্ছে!
অথচ আমি তো যেমন ছিলাম, তেমনই আছি। ওরা মোটা হয়ে গেলে আমার কি দোষ!<img src=" style="border:0;" />

কয়েকদিন ধরে ঠান্ডা লেগেছে। মাঝে একবার সেরে গেল। আবার অবস্থা যা ছিল তাই হয়ে গেছে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গলা ব্যাথায় কথা বলতে পারিনা অনেকক্ষণ। তারপর দুই গ্লাস গরম পানি খাওয়ার পর স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। আমি খুবই সাবধানী একজন মানুষ। অথচ মাঝে মাঝে একটা দুইটা ছোট ভুলের জন্য কি মাশুলটাই না দিতে হয়, আল্লাহ্! <img src=" style="border:0;" />

গত পরশুদিন থেকে আইসক্রিম খেতে খুবই ইচ্ছা করছে। কিন্তু এই অবস্থায় আইসক্রিম খাওয়াটা তো দু:সাহস হয়ে যায়! তাই পানি, চিনি, কফি, কফিমেট আর আইসক্রিম একবারে গরম করে আইসক্রিমের স্বাদ মেটালাম… অনেক মজা পেয়েছি<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29477410 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29477410 2011-11-03 12:04:37
দিনলিপি-২২ সেদিন আমার কয়েকটা ফ্র্রেন্ডকে একটা বিরক্তিকর ঘটনার গল্প বলছিলাম। ঘটনা তেমন কিছুই না। আমি খুলনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। পাশে বসেছিল একটা চ্যাংড়া। সেই চ্যাংড়া আমাকে ‘তুমি তুমি’ করে কথা বলছিল। বয়স্ক একটা লোক ‘তুমি’ করে কথা বললে ঠিক আছে, কারো সাথে সুসম্পর্ক থাকলেও ‘তুমি’ বলা ঠিক আছে। কিন্তু অপরিচিত একটা চ্যাংড়া লোক কেন ‘তুমি’ করে কথা বলবে!

এটাকে তো মোটেও স্বাভাবিক ব্যাপার বলা যায় না। একবার ফেইসবুকে এক লোককে ‘তুমি’ বলার অপরাধে আমি কঠিন ভাষায় ঝাড়ি মেরেছিলাম। হঠাৎ কি মনে করে যেন একটু মুচকি হেসেছি, ঐ লোক জিজ্ঞেস করে বসেছে, কি হাসো কেন? ঐ চ্যাংড়া লোকের অতিরিক্ত গায়ে পড়া স্বভাবের জন্য আমি সারাটা পথ মুখ গোমড়া করে জার্নি করেছি। কিন্তু ওদের কাছে এ ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিক মনে হয়েছে। তাদের কথা, তোকে ছোট ভেবে তুমি বলেছে এটাকে এইভাবে দেখছিস কেন!
একজনের কাছে আবার ব্যাপারটা অসম্ভব সুইট লেগেছে<img src=" style="border:0;" />
ব্যাপারটায় তারা চরম পরিমাণে মজা নিয়ে বলতে লাগলো, তোকে ‘তুমি’ বললে তুই আবার রাগ করিস! তোকে এখন থেকে পিচ্চি ডাকবো।

অথচ আমাকে এখন মোটেও ছোট লাগে না। তাছাড়া আমি একা একা থাকলে যথেষ্ট পরিমাণে গম্ভীর থাকি। মাঝে মাঝে একটু হাসি কিন্তু তার মানে এই না যে কেলিয়ে থাকি! আর যেহেতু একা জার্নি করছিলাম, এই হিসেবে বাচ্চা মনে করে ‘তুমি’ বলার আগে তার ভাবা উচিত ছিল যে ছোটরা একা জার্নি করে না।

আমাকে ‘পিচ্চি পিচ্চি’ বলে খুব জ্বালিয়েছে তারা সেদিন। আমি জ্বালাতন মুখ বুজে সহ্য করছিলাম। ঐদিনই বিকালবেলায় যে আমাকে সবচেয়ে জ্বালিয়েছে তাকে নিয়ে বসেছিলাম। এমন সময়ে আমাদের ইউনিতে নতুন ভর্তি হবে এমন দুইটা মেয়ে এসে বললো, এ্যাই তোমরা কি ভাইবা দিতে এসছো?

আমি ভদ্রতাসূচক একটা হাসি দিয়ে উত্তর দিলাম, জ্বি না আপু। আমরা স্টুডেন্ট<img src=" style="border:0;" />

বলার ধরণ দেখে আমি ভাবলাম বোধহয় সিনিয়ার হবে তারা। সত্যি বলতে কি, মাঝে মাঝে আমার কমন সেন্স একেবারেই কাজ করে না। অবশ্য আমার দোষ যে দিবো, আমারও তো দোষ দেয়া যায় না। ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হতে আসা পোলাপান ভ্যাবলা ভ্যাবলাই থাকে! ভর্তি হওয়ার পরও ভ্যাবলাই থাকে টানা কয়েক মাস! আসলে আমরা কিন্তু এরকমই ছিলাম!

উত্তর শুনেই বোঝা উচিত ছিল আমরা স্টুডেন্ট মানে তাদের থেকে সিনিয়ার হবো কারণ ওদের ভর্তি এখনও হয়নি। কিন্তু দুইটা মেয়েই চরম বোকা। তারপরও তারা ‘তুমি’ বলা বন্ধ রাখলো না। তারা তাদের মেরিট পজিশন বলে জানতে চাইলো তারা ভালো সাবজেক্ট পাবে কিনা! তুমি বলা যে ঠিক হচ্ছে না এটা আমি তাদেরকে বোঝানোর জন্য ‘আপনি’ করেই বললাম, আপনারা যেই ইউনিটে টিকেছেন, ঐ ইউনিটের ব্যাপারে আসলে আইডিয়া নেই। তারপরও তারা আবার ‘তুমি’ করেই জিজ্ঞেস করলো কোন ডিপার্টমেন্টে পড়ছি আমরা!
বোকা দুইটার কান্ড দেখে আমার হাসি পেয়ে গেল। আমার ঐ ফ্রেন্ড তো রাগে তখন রীতিমতো ফুসছিল। সে একটা কথাও তাদের সাথে বলেনি। ওরা চলে যাবার পর বললো, দেখেছিস কি পরিমাণ বেয়াদব!
আমি কিছু বলার আগেই রাগে পকপকাতে সে তাদেরকে আবার ডাক দিয়ে বললো, এই ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় গালি কি জানো? তুমি জানো? ওই তুমি জানো?
তারা অত্যন্ত কনফিডেন্সের সাথে জানালো যে তারা জানেনা।
সে তোতলাতে তোতলাতে বলতে লাগলো, ইউনির সবচেয়ে বড় গালি হচ্ছে বেয়াদব। বেয়াদবী করলে টিকতে পারবা না। সিনিয়ার ভাইয়া/আপুদেরকে ‘আপনি’ করে বলতে হয় এটাও কি শিখিয়ে দিতে হবে?
আমার তখন আরো হাসি পেয়ে গেল। বাচ্চা দুইটার ভয়ার্ত মুখ দেখে বললাম, ক্যাম্পাসে কাউকেই হুট করে ‘তুমি’ বলতে হয় না। আমরা কিছু বললাম না। কারণ আমরা বলিনা তাই বেঁচে গেলা কিন্তু এটার জন্য ভয়াবহ ‌র‌্যাগ দিতে পারে অন্যরা! সবাইকে আপনি বলতে হবে, মনে থাকবে?
তারা মাথা নাড়িয়ে বললো, মনে থাকবে।
ও যেভাবে তাদের ভয় পাইয়ে দিয়েছে, আমি শিওর যে তারা তাদের ক্লাসমেটদেরকেও ‘তুমি’ বলার আগে ভাববে! <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

আমার ফ্রেন্ডটাকে জিজ্ঞেস করলাম, বল কেমন লাগে অপরিচিত কেউ ‘তুমি’ বললে?<img src=" style="border:0;" />
সে নীরব থাকলো।

আমি আর আমার এই ফ্রেন্ডটা ফার্স্ট ইয়ারের প্রথমদিকে আমাদের ব্যাচেরই বায়োকেমিস্ট্রির একটা মেয়েকে র‌্যাগ দিয়েছিলাম। বায়োকেমিস্ট্রির ঐ বেকুবটার সামনে যদি কারো কাছে সেইদিনের সেই কাহিনী উঠাতে যেতাম তখন সে চরম রেগে গিয়ে বলতো, এই জিনিস মুখ থেকে বের করলে তোদের দুইটাকে খুন করে ফেলবো বলে দিলাম<img src=" style="border:0;" />সে এতোটাই বিব্রতবোধ করে ঐদিনের ঐ ব্যাপারটাতে যে আমাকে একদিন সে প্রমিজ করিয়েছে যাতে এই করুণ কাহিনী কাউকে না বলি <img src=" style="border:0;" /> অথচ কাহিনী কিন্তু তেমন কিছুই না<img src=" style="border:0;" />

আমাকে ছোটবেলায় ‘তুই তোকারি’ করলে সাংঘাতিক বিরক্ত হতাম। ‘তুই’ করে কথা বললে উত্তর দিতেও ইচ্ছা করতো না এমন অবস্থা ছিল। যেসব পোলাপান একটু বেশি পোংটা সেগুলোকে আমি কখনোই ‘তুই’ বলিনা। ভুলে ‘তুই’ তে চলে গেলেও আবার ‘তুমি’তে ফিরে যাই। ‘তুমি’ শব্দটাতে মাঝে মাঝে পোংটাদের থেকে কিছুটা দুরত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই টিপসটা আমি আমার ছোট্ট একটা কাজিনকে দিয়েছিলাম। সে বেশ উপকৃত হয়েছিল<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29474540 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29474540 2011-10-29 20:18:10
এদেরকে নিয়ে আমি কোথায় যাবো?<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
এই রকম পকপকানি সে সারাদিনই করতে থাকে। পড়ালেখা সে আগে অনেক করতো কিন্তু এখন একেবারে গা ছাড়া। তার সবচেয়ে বড় প্রবলেম হলো সে ধরে বেঁধে সবাইকে তার রাকিব কত ভালো এই বিষয়ক পকপকানি করে মাথা ধরিয়ে দেয়। যখন ফাইন্যাল পরীক্ষা চলে তখন তো মানুষ ফাও চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে একটু পড়ালেখা করে কিন্তু তার অবস্থা এমনই খারাপ যে সে ফাইন্যাল পরীক্ষার সময়ও থেমে থাকেনা। মাঝে একদিন সে তার পরীক্ষার আগের দিন আমাকে বললো, বল তো কেমন লাগে? সে আমাকে আজ সারাদিন ফোনই করেনি! আমি কি করবো বলতো!

আমি একটু কঠিন হয়ে বললাম, এখন পড়তে বসো! সম্পর্ক সম্পর্কের জায়গায়, পড়ালেখা পড়ালেখার জায়গায় রাখো। আর এখন ফোন করছে না। পরে ঠিকই করবে।

এরপর সে চিল্লানি দিয়ে পড়া শুরু করলো। আমিও আমার কাজ করতে থাকলাম। ওমা! এর কিছুক্ষণ পরই সে আবার তাকে ফোন দিয়ে বলতে লাগল, তুমি আজকে ফোন দাওনি বলে চানা তোমাকে খুব পচা ভাবতেছে। নাও তো ওর সাথে তুমি কথা বলো।
এরপর আমি পুরো হতভম্ব। আমি তো শুধু পড়তে বসতে বলেছি তাকে। পচা ভাবাভাবির কিছুই তো বলিনি। জোর করে কথা বলালো। এখন আমি নিশ্চিত যে সে পাশ করবে না।<img src=" style="border:0;" />

এসব জ্বালা যন্ত্রণার কথা আমি আমার আরেকটা ফ্রেন্ডকে দুঃখ করে বললাম। আমাকে সান্ত্বণা দেয়া তো দূরে থাকুক, সেও আমাকে এখন পুরো জ্বালিয়ে মারছে। আমাকে জ্বালানো পুড়ানোর গল্প শুনে সে তার প্রেমে পড়ে গেছে। সে নাকি এরকম আল্লাদী মেয়ে জীবনে দেখেনি। তার এখন কথা একটাই আমার ঐ বান্ধবীকে বলতে হবে "রাকিব বাদ" আর সে তার জন্য আছে।
আমি বুঝতে পারিনি এতোটা ঝামেলায় পড়বো। গল্প বলার সময় সে জিজ্ঞেস করেছিল রাকিব দেখতে কেমন, হাইট কত, কি করে এসব। কি কারণে তখন বুঝিনি। মাঝে মনে হচ্ছিল ফাজলামো করছে আবার আজকে সে কাঁদার মতো হয়ে গেল। আমি মুখের উপর কয়েকবার বলেছি, আমি পারবো না।

কিন্তু সে একেবারে নাছোরবান্দার মতো আচরণ করছে। আমি এখন এদের নিয়ে কই যাবো?<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29467436 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29467436 2011-10-16 21:53:56
বড়ই অসহায় বোধ করছি!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />িন্তু তাতেও সমস্যা। কয়েকদিন ধরে বাড়িতে যেতে খুব ইচ্ছা করছে। কোনো কাজেও ভালো মতো মন বসাতে পারছি না তাই ভাবলাম শুক্র শনি যেহেতু ছুটি, এই দুইদিনেই ঘুরে আসি খুলনা। কিন্তু সামনের মাসে লম্বা একটা ছুটি পাবো। এজন্য সবাই নিরূত্‍সাহিত কয়ছিল না যেতে। আমিও ভাবছিলাম আসবো না। কিন্তু এতো অস্থির লাগছে যে না এসে পারলাম না। আজে সকালে যখন রওয়ানা দিবো বলে রেডি হয়েছি তখন মামা বারবার মানা করেছে এখন না যেতে। কিন্তু শুনিনি। শোনা উচিত ছিল আসলে। সেই সকাল সাড়ে নয়টায় বের হয়েছি। এখনও পৌঁছাতে পারলাম না বাড়ি। একা একা এটা আমার দ্বিতীয় জার্নি। কি যে খারাপ লাগছে! পরশুদিন আবার ফিরে আসতে হবে <img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29449299 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29449299 2011-09-16 20:08:50 খাবার দাবারএর পোস্ট: বিরিয়ানি " style="border:0;" />

আমি বললাম, কথা সত্য! তুই যেইরকম বিরিয়ানি বিরিয়ানি করিস তোর ঐ এলাকায় বিয়ে দেয়া দরকার!

সে আরো খুশি বললো সে রাজি আছে এবং ছেলে দেখতে।

ওর সাথে কথা বলার পরপরই আমি একটা ভাইয়ার সাথে পুরান ঢাকা আর বিরিয়ানি আর আমার ঐ বান্ধবীর বিয়ে বিষয়ক আলোচনা করে ফেললাম।

ভাইয়া পুরান ঢাকায় থাকে এমন একজনের আইডি আমাকে দিলেন কথা বলতে। আমিও কি মনে করে কথা বললাম।

আমি তাকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করেছিলাম, আজকে ইফতার করলেন কি দিয়ে?
উনি জবাব দিলেন, বিরিয়ানি।
আমি বললাম, সেহরিতেও কি বিরিয়ানি খেয়েছেন?
উনি বললেন, জ্বিনা। সেহরিতে মুরগী আর সাদা ভাত খেয়েছি।
আমি বললাম, দেশী মুরগী ভালো লাগে না বিদেশী মুরগী ভালো লাগে?
সে জানালো, বিদেশীটা।
আমি বললাম, কেন?
তখন সে বললো, বড় হয় সাইজে। মাংস বেশি এইজন্য ভাল্লাগে আমার <img src=" style="border:0;" />
আমি এরপর জিজ্ঞেস করলাম, মাসে কয়বার বিরিয়ানি খাওয়া হয়?
সে জানালো, মাসে কমসে কম ১৫ বার খাই।
আমি বললাম, ভালো<img src=" style="border:0;" />ভাইজান আপনার ওজন কত?
সে লজ্জিত হয়ে বললো, আফা আমার ওজন একটু বেশি!:`>
আমি বললাম, ব্যাপার না! ১৫ বার খেলে তো ওজন বেশি হবেই <img src=" style="border:0;" />
যেহেতু তার সাথে বিয়ে দিবো বান্ধবীর তাই বয়স জানতে চাইলাম। সে যা বললো তাতে সে হিসাবে আমাদের থেকে বয়সে একটু ছোট হয়। পরে অবশ্য শুনেছি সে এইচএসসি পাশ করেছে এবার!<img src=" style="border:0;" />

বান্ধবীকে বললাম এবং পাত্রের বয়স বলতেও ভুললাম না।
বান্ধবী খুবই খুশি বললো, বয়স কোনো ব্যাপারই না! সে বিরিয়ানি ভালবাসে এটাই বড় কথা! তাকে বলিস বিরিয়ানিও যেন রাঁধতে শেখে সে <img src=" style="border:0;" />
আমি বললাম, আচ্ছা।

আরেকদিন সেই ভদ্রলোক নক করে বললো, হাই
আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, আজকে ইফতারি কি বিরিয়ানি দিয়ে করেছেন?
সে বললো, নাহ।
আমি বললাম, তাহলে আপনার সাথে কথা বলবো না।
ভদ্রলোক বললেন, বিরিয়ানির এতো গুণ?
আমি বললাম, বিরিয়ানির থ্রুতে আপনার সাথে কথা হচ্ছে। সুতরাং বিরিয়ানি না খেয়ে আমার সাথে কথা বলবেন না।
উনি বললেন, আপু ভুল হয়ে গেছে।
আমি ছোট মানুষ ভেবে মাফ করে বললাম, আচ্ছা।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম, ইফতার করেছেন কি দিয়ে আজকে?
বললেন, আজকে তেমন কিছু খাইনি আপু <img src=" style="border:0;" />
আমি বললাম, শুনি না কি কি!
শুরু করলেন… খুরমা, জুস, হালিম, ছোলা, মুড়ি, বেগুনি, পেয়াজু, দুই ধরনের মিষ্টি, আপেল, মাল্টা, চিকেন ফ্রাই আর কিছুনা<img src=" style="border:0;" />
আমি একেবারে টাশকি <img src=|" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441876 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441876 2011-09-01 21:53:37
খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি আমার মনের ভিতরে কত রাত তাই তো জেগেছি বলব কী তোরে॥
প্রভাতে পথিক ডেকে যায়, অবসর পাই নে আমি হায়--
বাহিরের খেলায় ডাকে সে, যাব কী ক'রে॥
যা আমার সবার হেলাফেলা যাচ্ছে ছড়াছড়ি
পুরোনো ভাঙা দিনের ঢেলা,তাই দিয়ে ঘর গড়ি।
যে আমার নতুন খেলার জন তারি এই খেলার সিংহাসন,
ভাঙারে জোড়া দেবে সে কিসের মন্তরে॥

(রবীন্দ্রসঙ্গীত)

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441839 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441839 2011-09-01 20:13:53
কেন এ মন অকারণ
কেন এ মন অকারণ
আমায় কাঁদায় যখন তখন
ভালবেসে আমায়
ভুলে গেছে কখন

ভুলে গেছে কি করে জানে
আছে সে আমার গানে গানে
যদি ডাকে সে আমাকে
তারে খুঁজে এ মন

স্মৃতির কি যে যন্ত্রণা
সে তো বোঝে না
সে আমায় কেন কাঁদায়
হারিয়ে গেছে যে জন

কেন এ মন অকারণ
আমায় কাঁদায় যখন তখন
ভালবেসে আমায়
ভুলে গেছে কখন

(শ্রেয়া ঘোষাল)

http://www.mediafire.com/?gmmotwocjjy#2

এই পোস্টের জন্য একজন বিশেষভাবে দায়ী। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441536 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29441536 2011-08-31 23:18:22
বুঝিনা আমি, কিছুই বুঝিনা
সারা বছর নিজের মধ্যে গাম্ভীর্য আনার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।
এর মধ্যে একটা হলো লবঙ্গ পদ্ধতি। লবঙ্গ পদ্ধতিতে মুখের ভিতরে দুইটা তিনটার মতো লবঙ্গ রাখতে হবে। যখনই হাসি পাবে তখনই লবঙ্গে কামড় দিতে হবে। এতে করে ঝালের জন্য পুরো হাসিই যাবে উড়ে। চোখেও পানি এসে যেতে পারে। চোখে পানি আসলেও এখানে রিস্ক নাই বললেই চলে। এটা ক্লাস করার সময় করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। ক্লাসে হাসাহাসি সবচেয়ে অভদ্রতা।

হাসি বন্ধের আরেকটা পদ্ধতি আছে বেশ কমন। হাসি পেলে দুই হাতে মুখ চেপে আচ্ছা মতো কাশি মারতে হবে। ভাবটা হবে এমন যে কাশতে কাশতে শেষ হচ্ছি। সবসময় তো আর সাথে লবঙ্গ থাকেনা। সেক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটা বেশ ভালো।
কিন্তু এগুলোই চিরস্থায়ী সমাধান না। চিরস্থায়ী হাসি বন্ধের জন্য অনেক ভালো অভিনেত্রী হতে হবে। আমাকে দিয়ে দুইটা কাজ কখনোই সম্ভব না। একটা হলো নাচানাচি আরেকটা হলো অভিনয়! <img src=" style="border:0;" />

মন খারাপের সিজনটা খুব খারাপ যায়। এতোটাই খারাপ যে মরে যেতেও ইচ্ছা হয় মাঝেমাঝে। নিজেকে আমি ভীষণ ভালোবাসি নাহলে হয় তো কোনো এক মন খারাপের সিজনে মারা যেতাম! উপদেশ সহ্য হয়না। বকা ঝকা তো একেবারেই না। সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি। কথা বলতে বলতে বেলাইনে চলে যাই। কথা বলতে বলতে ভুলে যাই। পড়ালেখা টাইপ যেকোনো কাজের সময় অস্থির লাগে খুব। নিজেকে নিয়ে খুব হতাশ লাগে। এটা করতে পারতাম, ওটা করা যেত, কেন ঐটা হলো না, এটা কেন হচ্ছে না এই টাইপ আফসোস মনের মধ্যে বিরাজ করে। এই সময় আমি রেগে গেলে সেই রাগও হয় চিরস্থায়ী। যতোই ভালো লাগার সিজন আসুক না কেন সেই রাগ কিছুতেই যায় না। যার উপর রাগ লাগে তার যেন মুখোমুখি হতে না হয় সেরকম একটা পার্মানেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে ফেলি। অবশ্য যাকে গোণায় ধরি না তার ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা নেই না। এইগুলো শুধুমাত্র ফাউল লোকজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
তবে আজকাল মনেহয় আমার সহনশীলতা অনেক বেড়ে গেছে। আগে এতো সহনশীল ছিলাম না। এজন্য রাগ তাড়াতাড়ি পড়ে যায়। রাগ হলে ভীষণ অশান্তি লাগে বলে ফেলে দেই।

রাগ ফেলার আগে ভাবি আমার কি কি দোষ ছিল… আর সেই মানুষটার কি কি দোষ ছিল। আমার দোষ থাকলে তখন রাগটা উদাস হয়ে যায়। তখন উইকেন করার চেষ্টা করি আমার দোষটা। এরপরই কিভাবে কিভাবে যেন রাগটা একেবারে পালিয়ে যায়। তবে আমার লজ্জা লাগে তখন :`>

কিন্তু ইদানীং মনটাকে বুঝতে পারছি না। হঠাৎ করে মনেহয় এই কাজটা করলে আমার ভালো লাগবে কিন্তু করার পর দেখি না, ভালো লাগছে না। আবার অনিচ্ছা সত্ত্বেও একটা কাজ করার পর দেখি খারাপ লাগছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29437390 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29437390 2011-08-23 21:08:41
ভৌতিক অভিজ্ঞতাসমূহ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
চাপাবাজির কিছু নমুনা বলি:

একটা ছেলে একদিন একটা ভৌতিক ঘটনা বলছিল। তার দেশের বাড়ি ঠাকুরগায়ে একটা খুন হওয়া লাশ পাওয়া গেল। সেই লাশটা আবার একদিনের পুরানো এবং গন্ধ বের হচ্ছিল। ঐ গ্রামে শুধু একটা পুলিশই বাস করতো। লাশের ময়না তদন্তের জন্য ঐ গ্রামেরই ঐ পুলিশটা একটা সাহসী ভ্যানওয়ালাকে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলো। ঠাকুরগাও থেকে দিনাজপুরে যেতে আবার একদিনের মতো লাগে! ভ্যানওয়ালা রওয়ানা হওয়ার পরপরই ভৌতিক ঘটনাসমূহের সম্মুখীন হলো।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে,
.একটা খুন হওয়া লাশ মানে অনেক বড় ব্যাপার। যেমন তেমন এবং যে কেউ সেটা ছুঁতে পারে না। এরকম একটা লাশ কেন পুলিশ বেসরকারি একটা লোকের হাতে তুলে দিবে?
.একটা পচা লাশকে কেন পুলিশ আরো একদিন লাগে এমনভাবে পরিবহন করিয়ে ময়না তদন্তের জন্য পাঠাবে? লাশটাকে তো গাড়িতে নেয়ার কথা!
এই ভৌতিক ঘটনা শুনে ইচ্ছা করেছে থাপ্পড়টা মারি তার ঠিক কান বরাবর।

এই ঘটনা বলে শেষ করার পর আসলো দুইটা ডাক্তার। তারা স্বামী স্ত্রী। তারা যেসব ঘটনা বলছিল, সেসব শুনে মনে হচ্ছিল তারা সব জায়গাতেই ভূত দেখে। ভূত তাদের দরজা ধাক্কা দিয়ে ফান করে, তাদের বাচ্চাকে কাঁদায় ইত্যাদি।<img src=" style="border:0;" />

.ঐ লোক অনেকদিন ধরে ছায়া দেখে এবং সে ছায়া দেখলেই তার বাচ্চাটা কাঁদে।
.ঐ ভদ্রমহিলা বলছিলেন যে একদিন সে তার বাবার বাড়িতে নিজের রুমে বসেছিলেন। ঠিক তখন দরজা ধাক্কা দিয়ে তার বোন তাকে ডাকাডাকি করলো। দরজা খুলে দেখলেন সেখানে কেউ নেই! বোনের রুমে গিয়ে দেখলেন বোন বাথরুমে গোসলরত!
আমার নিজের বাড়িতে মাঝেমাঝে আম্মু আব্বু কোনো কারণ ডাক দিলে শুনতে পাই না। আবার মাঝেমাঝে আম্মু আব্বু না ডাকলেও মনেহয় ডাকছে। এখন এটাকে যদি ভৌতিক ঘটনা বলে আখ্যায়িত করি তাহলে তো হয়েছেই! তো এদের ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম। এরা একেবারে ভূত এফএমে চলে আসছে!<img src=" style="border:0;" />

এই শুক্রবারে আবার এমন একটা গুলবাজ আসছিল যে আমি তাকে সামনে পেলে সত্যি সত্যি ধরে মারতাম আর বলতাম, তোর কি সারা দুনিয়ার মানুষকে বেকুব মনেহয়? <img src=" style="border:0;" />
সেই গুলবাজ গুল মারছিল ভূত নাকি তার টিশার্ট পেইন্ট করে দিয়েছে এবং ভৌতিক সেই টিশার্টটা পরেই ঐদিন সে এফএমে সেসব কথা বলতে আসছে!

দুইদিন আগে ইউনিতে হিস্ট্রির এক আপু সুইসাইড করেছেন। শুনলাম উনি যেই ব্লকে থাকতেন, সেই A ব্লকের সবাই ভয়ে ঐদিনই ব্লক থেকে চলে গেছেন। আমাদের ব্যাচেরই পাবলিক এডের একটা মেয়ের কথা শুনলাম যে সে যেই শুনেছে যে সুইসাইডের কথা, ওমনি সে ফিট পড়েছে এবং ৪/৫ ঘণ্টা পর তার চেতনা হয়েছে।

এসব লোকজনের এসব কান্ডকারখানা শুনে মনে হলো, একটা মানুষ মারা যাবার পরপরই যদি ফিট পড়ি বা ব্লক ছেড়ে পালাই তাহলে তো আকাশে বাতাসে নদীতে ভূত দেখবোই! <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29430317 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29430317 2011-08-12 06:38:47
দিনলিপি-২১ ভাবছি একটা ইনসেক্ট কিলার বডি স্প্রে কিনবো। কিন্তু এতে আমার চোখ জ্বালা করে। জ্বালার মনেহয় শেষ নাই জীবনে। <img src=" style="border:0;" />

আমি বড়ই অভাগা একজন মানুষ। টানা কয়েকদিন ভাজাভুজি খেলেই মুখে এমন ব্রণ হয় যে সামলাতে হয় বেশ কষ্টে। কালকে থেকে আবার রোজা শুরু। রোজার মাসে এসব হাবিজাবি না চাইলেও খেতে হয়।
শেষবার ডাক্তার আমাকে গরু, বড় মাছ, মিষ্টি খেতে নিষেধ করেছিল! /<img src=" style="border:0;" />
আমি ছোটবেলা থেকে কোনোরকম বেঁচে থাকার মতো করে খাবার খাই। এখন যা অবস্থা দেখছি একেবারে না খেয়েই থাকতে হবে <img src=" style="border:0;" />

হলে থাকলে সকালে পরোটা খেতে হয়। এছাড়া কোনো অপশন নাই। মনের দু:খে আমি মাঝে দুইদিন নাশ্তাই করিনি। আমি দিনে ৪ কাপ চা খাই। চিন্তা ভাবনা করে দেখলাম ইফতারির পর ছাড়া আর চা খেতে পারবো না। সেহেরির সময় চা পাবো না। আর ঐ সময় চা না খেলে আমি শেষ হয়ে যাবো একেবারে। কিন্তু চা খেতে হলে নিজ দায়িত্বে তৈরি করে খেতে হবে। জীবনে মরেও শান্তি নাই।<img src=" style="border:0;" />

আমি জীবনেও ৩০টা রোজা রাখিনি। প্রতিবারই রোজার শুরুতে ভাবি এবার ৩০ টা রোজাই রাখবো। রাখা হয় না হাবিজাবি অজুহাতে। কিন্তু এইবার আমি রাখবোই রাখবো।

আমার এক ক্লাসমেট আছে যাকে সবসময়ই খুবই ব্যস্ত দেখা যায়। অধিকাংশ সময় সে পড়ালেখা বিষয়ক ঘ্যানড় ঘ্যান করে। যখন সে কাজের কোনো কিছুই পায় না তখন তাকে দেখা যায় তার আশপাশের ছেলেগুলোকে কিলিয়ে কিলিয়ে শেষ করছে। অবশ্য প্রচন্ড দুষ্টামী যেগুলো করে সেগুলোকেই ধরে কিলায়। কয়েকটা ছেলে ভুলেও ওর পাশে বসে ক্লাস করতে চায় না। ওর কথা হঠাৎ আজকে মনে হলো। রোজার মাসে ও কিলাকিলির জন্য ফুল এনার্জি পাবে কিনা কে জানে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29423851 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29423851 2011-08-01 15:31:45
It’s all... it’s all... it’s all...because of you<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> You’re my sunshine after the rain
You’re the cure against my fear and my pain
‘Cause I’m losing my mind
When you’re not around
It’s all... it’s all...
It’s all because of you

You’re my sunshine
Oh yeah...

Baby I really know by now
Since we met that day
You showed me the way
I felt it then you gave me love
I can’t describe
How much I feel for you

I said baby I should have known by now
Should have been right there
Whenever you needed love
And if only you were here
I’d tell you, yes I’d tell you
Oh yeah...

Chorus:
You’re my sunshine after the rain
You’re the cure against my fear and my pain
‘Cause I’m losing my mind
When you’re not around
It’s all... it’s all...
It’s all because of you

Honestly, could it be you and me
Like it was before
Neither less or more
'Cause when I close my eyes
At night I realize that no one else
Could ever take your place

I still can feel and it’s so unreal
When you’re touching me Kisses endlessly
It’s just a place in the sun
Where our love’s begun
I miss you... yes I miss you
(Chorus)

If I knew how to tell you
What’s on my mind
Make you understand
Then I’d always be there
Right by your side
(Chorus)

Click This Link


Title: Because Of You

Artist: 98 Degrees

অনেকদিনপর শুনলাম। অনেক ভালো লাগলো। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29423255 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29423255 2011-07-31 15:20:46
দীর্ঘশ্বাস আবারও!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
আমাকে কেউ ‘এই মেয়ে’ বলে সম্বোধন করলে তখনও বেশ মেজাজ খারাপ হয়। প্রতিটা মানুষের নিজস্ব নাম থাকে, সেই নামেই ডাকা উচিত। ‘এই মেয়ে’, ‘এই ছেলে’ বলে ডাকা কেমন ভদ্রতা! মানুষের নাম মনে রাখা কি এতো কষ্টের? বুঝিনা আমি, কিছুই বুঝিনা। আমার স্কুল জীবনের সবচেয়ে অপ্রিয় ম্যাডাম ছিলেন তোফা ম্যাডাম আর শামীমা ম্যাডাম। তোফা ম্যাডাম ‘এই মেয়ে’ বলে ডাক দিয়ে দাঁড়া করিয়ে পড়া ধরতেন। শামীমা ম্যাডাম অবশ্য তা করতেন না। উনি মেয়েদেরকে ভেঙ্গাতেন বলে বিরক্ত লাগতো।

আমি খেয়াল করেছি মেয়েদেরকে ‘মা’ ডাকলে মেয়েরা একেবারে খুশিতে গলে পড়ে। আমিও একসময় খুশি হতাম। এখন আর হই না। আমার একটা স্যার ছিল সারাক্ষণ ‘আম্মু আম্মু’ করে পড়াতেন। স্যার এতোটাই বোরিং মানুষ ছিলেন তা বলার মতো না। পড়াতে পড়াতে হঠাৎ হঠাৎ করে গল্প শুরু করে দিতেন। সেই গল্প থামার নামই থাকতো না। সেই গল্পও সেইরকম বোরিং! আমি এম্নিতেই অস্থির প্রকৃতির মানুষ। আর তখন বয়স কম থাকায় আরও অস্থির প্রকৃতির ছিলাম। আমার তো মাঝে মাঝে কান্নাই চলে আসতো। তবে মাঝে মাঝে মজাও লাগতো অনেক। আমার বোনদেরকে যখন ‘আম্মু আম্মু’ করে স্যার গল্প শোনাতেন তখন। নাশ্তা দিতে আসলে বা আমি যখন আসতে দেরী করতাম তখন ওরা ধরা থেতো। একটা সময় ছিল যখন ওরা স্যারকে দেখলেই পালাতো। নয়ত… আম্মু আম্মুউ উউউ! <img src=" style="border:0;" />

আব্বু সবসময়ই আম্মু বলে ডাকে। যখন আম্মু বলে তখন একেবারেই বকা খাই না। কিন্তু যখন নাম ধরে ডাকে তখন বুঝতে পারি, খবর আছে!

ইদানীং আব্বু আম্মুর কমন প্রবলেম হলো আমি। দুইজনই বেশ অসুস্থ। আমাকে নিয়ে তারা একটু বেশিই টেনশন করে। আমি বুঝিনা আমাকে নিয়ে এতো টেনশনের কি আছে। আমার বোনগুলোর সাথে কথা বলার সময় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আমার প্রসঙ্গে আসে আর বলতে থাকে, তোমাদের বোনকে দেখো! কি করছে!
এক মাস ছুটি পেয়ে খুলনায় গেলাম। বাসায় কেউ নাই, আমি আর কি করতে পারি? বাইরে যেতে গেলে আম্মু বলেছে, বেশিক্ষণ বাইরে থাকবা না। টেলিভিশন দেখতে বসেছি তখন একজন বারবার ডিরেকশন দিয়েছে, এইডা না ঐডা দ্যান!
এরপর আর কি করা যায়? উপায় না দেখে নিজের ঘরে বসে আমি ৩৫০০ ইংরেজি শব্দ মুখস্থ করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়েছি, গল্পের বই পড়েছি, ফোনে কথা বলে কাটিয়েছি। এভাবে চলতে চলতে রুটিন একেবারে পরিবর্তন হয়ে গেছিল। রাতে জেগে থাকতাম আর দিনে ঘুমাতাম। এতেই আম্মু টেনশনে অস্থির!
ঘুম বাদ দিয়ে যখন ফোনে কথা বলেছি তখনও আম্মু বিরক্ত। রাগে পকপক করতে করতে বলেছে, সারাদিন কানে ফোন লাগিয়ে বসে না থাকলে হয় না!
কথা বলবো না বলে যখন ফোন বন্ধ করেছি তখন আবার আব্বু বিরক্ত। বছরের সেরা ঝাড়িটা ফোন বন্ধ করার জন্য খাওয়া হয়ে গেছে।

‘তোমাদের বোনকে দেখ কি করে!
সে রুম থেকেই বের হয় না!
সারাটা রাত সে জেগে থাকে!
তার খাবারটা পর্যন্ত দিয়ে আসতে হয়!
সে নিচে নেমে একটু হাঁটাচলাও করে না!
দুনিয়ার কোনো ছেলে মেয়েকে তো দেখি নি এমন!
সে কেন ফোন বন্ধ করে বসে থাকে!
তাকে ফোন করে বলো বাড়িতে অমুকরা আসবে সে যেন তখন থাকে!
… এসব শুনতে শুনতে আমার বোনরাও বিরক্ত ছিল।
আমার দুই বোনের একজন হচ্ছে চরম ঠান্ডা, আরেকজন হলো চরম গরম।
একজন আমাকে ভদ্রভাষায় বুঝায় আর অন্যজন শুরুই করে ‘তোমার সম্পর্কে অভিযোগ শুনতে শুনতে আমি কাহিল’!

আমি মাঝে মাঝে আম্মু আব্বুর কথা চিন্তা করি। আমি ঠান্ডা প্রকৃতির মানুষ হিসেবে সমাজে বিশেষ নাম করা তাই তাদের এতো চিন্তা। আর আমি যদি পাংখা গজানো হতাম তাহলে তাদের কি অবস্থা হতো!

আমার ভাগ্নে একদিন মুখ চেপে চেপে হাসে আর বারবার বলে, আমি জানি ছোট খালামণি খুব দুষ্টু। আমি চিন্তা করলাম আমি কি দুষ্টামি করি যে এইটুকু বাচ্চা বলে। আমি ওকে চেপে ধরে বললাম, বল! কে বলেছে আমি দুষ্টু নাহলে গোসল করিয়ে দিবো।
অনেক চাপাচাপির পরও বের করতে পারলাম না যে কে বলেছে। কিন্তু আমি শিওর এটা বড়রা কেউ বলেছে। আর সেটাই সে শুনে বারবার রিপিট করেছে।
আম্মু বলে, যে উপদেশ মানেনা তাকে উপদেশ দেয়া বৃথা!
আমার ভাগ্নেকে দেখি একদিন আপন মনে এই কথা বলছে!

আজকাল নিজেকে কেমন যেন বখাটে বখাটে লাগে<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29417947 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29417947 2011-07-22 18:27:54
নিজের জন্য সমবেদনা তার গানের টাইটেল শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়…
. হুকুম দিলে
. আমায় তুমি শাসন করলে
. ভালোবেসে মরি
. বিশাল আকাশ হবো
. কিসে করি জোর
. সত্যি মরে যাবো…<img src=" style="border:0;" />
. আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে
আমার কলেজের একটা বান্ধবী আবার তার পাংখা ছিল।
একদিন সকালবেলায় খুবই মন খারাপ করে বললো, চানা খুবই দু:খজনক একটা ব্যাপার হয়েছে<img src=" style="border:0;" />
আমি ভাবলাম কি না জানি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বললাম, কি হয়েছে? কি হয়েছে?
সে বললো, মডেল চাঁদনীকে বাপ্পা মজুমদার বিয়ে করেছে!
আমি বললাম, তাতে তোমার কি?
সে অবাক হয়ে বললো, তুমি চিন্তা করতে পারো কিরকম একটা মেয়ে! বাপ্পা কি আর মেয়ে পেল না! তোমার একটুও খারাপ লাগছে না?
আমি বললাম, তার গান আমি শুনিনা। তাকে আমার ভালোও লাগে না আবার খারাপও লাগেনা। সেকি করলো না মরলো তা নিয়ে আমার কিছু যায় আসেনা।
কিন্তু সে ঘুরছিল ফিরছিল আর মন খারাপ করে বলছিল… ইশ! বাপ্পা কি কাজটা করলো!

‘আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে’ এই গানটা কলেজে পড়াকালীন সময়ে একটা ছেলে অন্য গান তুলনায় একটু ভালো গাইতে পারতো। ছেলেটা আবার লিকুইড ক্যারেক্টারের অধিকারী ছিল। প্রায়ই দেখা যেত সে মেয়েদেরকে এই গান শোনাচ্ছে। মনেহয় সে পপুলার হতে চাইতো এই গান গেয়ে! তার মেয়েদের কাছে বিখ্যাত একটা ডায়লগ ছিল…আরে তোমার তো আমার মতো অবস্থা! আমারও না…
একদিন সে আমাকে এসে বলে, এই তোমার কি মন খারাপ?
আমি তো বুঝছিলাম ঘটনা কি! বললাম, নাহ্ তো!
সে বললো, উহু তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তোমার মন খারাপ!
আমি বললাম, আমার মন খারাপ কেন হবে?!
সে বললো, কি হয়েছে বলো তো! (সে জোর করেই স্বীকার করাতে চাইছিল আমার মন খারাপ যাতে করে সে ঐ ন্যাকা গানটা শুনাতে পারে)
আমি্ চুপ থাকলাম।
সে বললো, গান শুনবা? আচ্ছা বাপ্পা মজুমদারের গান তোমার কেমন লাগে?
আমি বললাম, অসহ্য!
সে বললো, কি বলো! বুঝছি তোমার অর্ণব পছন্দ, তাইনা? আরে তোমার তো একবারেই আমার মতো অবস্থা!
আমি বললাম, ওকেও অসহ্য লাগে (অর্ণব অনেক পছন্দ ছিল। অর্ণবের ভাবনা আমার শিমুল ডালে ঐ ছেলে গাইতে পারতো কিন্তু তা শুনলে হাসতে হাসতে মরে যাওয়া লাগতো কারণ মনে হতো একটা গরু ভ্যা ভ্যা করছে)
সে খুবই অবাক হয়ে বললো, তুমি আসলে কার গান পছন্দ করো? এরপর সে কতগুলো শিল্পীর নাম বললো।
আমি সব বাদ দিয়ে বললাম, সলিমুল্লাহ্ তমালের গান ভালো লাগে।
সে একটা ম্লান হাসি দিয়ে বললো, আরে তোমার তো আমার মতো অবস্থা! আমারও না সলিমুল্লাহ্ তমালের গান খুব ভালো লাগে!
আমি বললাম, একটা শুনাও না!
সে ‘মুখস্থ নাই’ বলে উঠে গেল।
সলিমুল্লাহ তমাল ছিল আমাদেরই আরেকটা ক্লাসমেট যাকে সবাই তমাল নামে চিনতো! <img src=" style="border:0;" />

আমার হলে কিছু ফাজিল প্রকৃতির বিড়াল আছে।
বাংলাদেশে ক্যাটরিনার লাক্সের একটা এডে দেখলাম জিঙ্গেলটা বাপ্পা মজুমদারের করা। ভালোই লেগেছে। ক্যাটরিনাকে বাপ্পা মজুমদারের থেকেও অসহ্য লাগে। কিন্তু তারপরও ঐ গানটা শুনতেই ক্যাটরিনাকে দেখতে হয়। হলে একদিন এক আপুকে দেখি একটা বিড়ালকে ‘ক্যাটরিনা লুইচ্চা কোথাকার’ বলে গালি দিয়ে রাগ দেখাচ্ছে! আমার খুব ভালো লাগলো। আমার সাথে কারো পছন্দ মিলে গেলে যতোটা খুশি হই তার থেকে বেশি খুশি হই আমার সাথে কারও অপছন্দের ব্যাপার মিলে গেলে।

আমার এক ছোট ভাই আছে। বিড়ালের মতো করে কথা বলে। কিন্তু বিড়াল করে ম্যাও ম্যাও আর ও কথা বললে চ্যাঁও চ্যাঁও শব্দ বের হয়। তার সাথে দিনে অনেকবারই কথা হয়। আমি সবসময়ই বকবক করি আর থেমে গেলে ও বলে, আপু তারপর? আমি একদিন বললাম, বারবার তারপর তারপর করবি না! এরপর থেকে সে বলে, আপু এন্টি তারপর?
এই ফাজিলটা আবার কবিতা লেখে। ওকে আমি সামুব্লগের কথা অনেক বলেছি। আমার নিক চানাচুর এটা আমি একদিন মুখ ফসকে বলে ফেলেছি। তার ধারণা আমি অনেক ভালো লিখবো। এজন্য সে আমার লেখা পড়তে ব্লগে ঢুকবে। কিন্তু হতাশই হতে হবে। সে নিক নিবে, সিডাক্সিন বা ঘুমের বড়ি টাইপের কিছু!

আজকে মনটা ভয়াবহ ধরনের খারাপ। মন খারাপের কথা কাউকে বলা যায় না সে যেমন কারণই হোক। অনেকের ধারণা মন খারাপ তারাই বলে যারা অন্যদের কাছে সিমপ্যাথী পেতে চায়। আমি নিজেও ভাবি। আমার মনেহয় এটা এক ধরনের ন্যাকামি। কোনোভাবে এটা কারও কাছে প্রকাশ করে ফেললে পরে খুব পস্তানি লাগে। নিজেকে বহুত সমবেদনা দিলাম। দেয়ার পর পোস্টটা লিখলাম। কেমন হয়েছে? <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29385841 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29385841 2011-05-23 21:49:11
দিনলিপি-২১ আমি বললাম, আচ্ছা।

আব্বুর সাথে কথা বলার পরপরই চাচীর ফোন আসলো।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, চাচী আপনি কোথায়?
চাচী কেন তুমি আসবে? বলে এড্রেস বলা শুরু করল। বের হওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও বের হতে হলো। যদিও বেশি দূরে না। আমাদের ইউনির মধ্যেই আরকি। আমি শুধু একটা ভালো জামা পরেছি তাতেই আমার এক রুমমেট আরেক রুমমেটকে বলা শুরু করলো, চানা আমাদেরকে কিচ্ছু বলেনা! নিশ্চিত সে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে যাচ্ছে... দেখ ফোন আসলো আর ওমনি সে সাজগোজ করে বের হয়ে যাচ্ছে...
আমি বললাম, চুপ! বড়চাচীর সাথে দেখা করতে যাচ্ছি!
তারা বিশ্বাস করেনা। আমি চলে যেতে যেতে বললাম, যা মন চায় ভাবো তোমরা। ভাবতে ভাবতে না খেয়ে মরো। <img src=" style="border:0;" />তোমরা মরলে আমার সাথে সাথে তোমাদের ডেপ্টের স্যাররাও খুশি হবে!
ওরা বলে, আমরা মরলে তুমি খুশি হবা?:-*

চাচীর কাছে গিয়ে খাওয়া নিয়ে ব্যাপক চিপাচিপি সহ্য করতে হলো। আমি বলি, আমি খেয়ে আসছি। তারা বলে, একটু খাও...অল্প খাও...
আমাদের নবীজীরও খেতে ভালো না লাগলে খেতেন না। তাই আমিও সেটা ভেবে আর ভদ্রতা করলাম না। খাওয়া দাওয়া নিয়ে সাদাসাদি আমার খুব অপছন্দ। আমি নিজেও কাউকে কখনো খাওয়া নিয়ে কষ্ট দেইনা।
কিন্তু আমি অবাক হলাম আমার চাচীর আক্কেল দেখে। তিনি আমাকে একটা মেয়ের সাথে বকবক করতে বসিয়ে দিয়ে পাশের ঘরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন! <img src=" style="border:0;" />

আমি চাচীকে না বলে কীভাবে বের হই! ঐ মেয়েটার সাথে বকবকই করতে হলো আমাকে। বুড়া আমির খানের প্রশংসা শুনতে শুনতে কানটা খচখচ করতে লাগলো। কিন্তু চাচীর ওঠার নাম নেই। এরই মধ্যে আমাকে আবার খাও খাও বলে গেল।

যদিও অসুস্থ মানুষকে ঘুস থেকে ওঠানো ঠিক না তারপরও আমি চাচীকে ঐখানে গিয়ে ডাকাডাকি শুরু করলাম। তারপর বিদায় নিতে যাবো তখন বলে, মামণি তোমার হল এখান থেকে এইটুকু পথ। থাকো তুমি!
আমি বললাম, চাচী আমার পরশুদিন পরীক্ষা। না গেলে পড়া হবেনা।
(মনে মনে বললাম, আপনি তো ঘুমাবেন! আমি কি করবো!)
চাচীর কাছ থেকে ছুটি নিয়ে ঐ বাসা থেকে বের হয়ে একটা শান্তির নি:শ্বাস ফেললাম।<img src=" style="border:0;" />

আমার মাঝে মাঝে পড়ালেখা করতে একটুও ভাল লাগেনা। আর যতোসব আকাম আছে সেগুলো করতে মন চায়। গতকাল রাতে ফোনে ছিল ১৫০ টাকার বেশি। ফোনটা নিয়ে গুতাগুতি চরম পরিমাণে হওয়ায় আজকে বেলা ১০টায় দেখি ব্যালেন্স ২০ টাকার কমে! ফাইনাল পরীক্ষার সময় এই সমস্যায় বেশি ভুগি। এজন্য মোটামুটি গোছানো পড়াগুলোও নষ্ট হয়ে যায়।<img src=" style="border:0;" />
আসলেই...সব ভালো যার শেষ ভালো তার!<img src=" style="border:0;" />
১৫ তারিখ পরীক্ষা শেষ আর ১৮ তারিখ ভাইবা। তারপরে ছুটি। ভাবলেই খুশিতে চোখ ছলছল করে উঠছে <img src=" style="border:0;" /> এই খুশিতে ভাবছি আজ থেকে আর ফাঁকি দিবো না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29373213 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29373213 2011-05-01 17:39:31
একটি দু:খ কষ্টের পোস্ট <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
কোনো শোখ বা হারানোর কষ্টের কান্না এমন হয়না। ভ্যানভ্যানানি কিছুক্ষণ পর পর হতে থাকে। বারবার করে হয়। যদিও এই ধরনের কান্না তেমন করতে হয়নি কখনো। এজন্য আইডিয়া কম। কিন্তু রাগ-অভিমান-দু:খের অনেক কান্নাই ছোটবেলায় করেছি। এখন কান্নাকাটি করতে লজ্জা লাগে। এজন্য করা হয় না। আর আসেও না।

আজকে অনেকদিন পর সিরিয়াল দেখতে গিয়ে মনে পড়লো ছোটবেলার কথা। সিরিয়ালে নায়িকাগুলোকে দেখি সারাক্ষণই ভ্যানভ্যান করছে। খুব বিরক্ত লাগে এদের দেখে তাও দেখি মাঝে মাঝে সময় কাটানোর জন্য।

আমি লাস্ট কান্নাকাটি করেছি এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে। একদিন তাড়াহুড়া করতে গিয়ে এডমিট কার্ড ফেলে রেখে এসছিলাম বাসায়। আমার বাসাটাও বেশ দূরে। নিয়ে আসার উপায় ছিল না। সামনের বার আবার এইচএসসি দিতে আসতে হবে… এটা ভেবে কান্না আসছিল। একটা স্যার এসে বলেছিলেন, ভয় পেও না। রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আর রোল নাম্বার তো মনে আছে? না থাকলেও দেয়া যাবে। চুপচাপ পরীক্ষা দাও।
সেদিন যেই দয়া স্যারটা করেছিলেন… আমি তাঁর জায়গাতে হলে ওরকম দয়া করতাম কিনা সন্দেহ। অন্ততপক্ষে, একটা বড় ঝাড়ি তো ছাত্রটাকে দিতাম।<img src=" style="border:0;" />

এইচএসসির সময় এ্যাকাউন্টিং সেকেন্ড পেপার পরীক্ষার দিন ১৫ মার্কসের একটা অংক ছেড়ে আসতে হয়েছিল সময়ের অভাবে। আমি নার্ভাস হয়ে গেলে দ্রুত কিছু ভাবতে পারিনা। ঐদিন যশোর বোর্ডের প্রশ্ন হালকা ঘুরায় দেয়াতে নার্ভাস হয়ে গেছিলাম। ফার্স্ট পেপারে একেবারে উদার আর সেকেন্ড পেপারে হালকা ডলা। ১৫ মার্কস কি আর চারটি খানি কথা! তাও আবার অ্যাকুর মতো একটা বিষয়। কানা মামা একেবারে নাই হয়ে গেছিল। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়েছি। হঠাৎ দেখি চোখে পানি। শেষ পরীক্ষা ছিল সেদিন। তখন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টিতে ভিজলাম। বৃষ্টির পানি আর চোখের পানি এক হয়ে গেল/<img src=" style="border:0;" /> এখনও কষ্ট লাগে ভাবলে (দীর্ঘশ্বাস)

বুবুকে দেখতাম তার বিড়াল কুকুর মারা গেলে কেঁদে বুক ভাসাতো। আবার খুব খুশি হলে সে কেঁদে ফেলে। তেমন কোনো কিছু হলেই সে কান্না শুরু করে।

আব্বুকে ছোটবেলায় কখনো কাঁদতে দেখিনি। এমনকি দাদা মারা গেলেও কান্নাকাটি করেনি! অথচ একটা অল্প বয়সী কাজিন মারা গেলে তাকে নিজের ঘরে একা কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছিলাম সেই আমলে। এখন আর অবাক লাগে না।

মানুষের কান্না দেখে মাঝে মাঝে হাসি পেয়ে যায়। যদিও মানুষের দু:খ কষ্ট নিয়ে হাসা ঠিক না।

যেমন: আমার বড় ফুপুর কান্না দেখলে যে কারো হাসি পাবে। যেকোনো ইস্যুতে উনি গানের সুরে কাঁদেন!

আমার দুই রুমমেটের পরপর দুইদিন ব্যাগ ছিনতাই হয়ে গেল। একজন ভয় পেয়ে একেবারে চুপ হয়ে গেছিল। আরেকজন দেখলাম ছিনতাইয়ের পর কিছুক্ষণ পর কান্নাকাটি করছিল। মোবাইলের দু:খে ভ্যানভ্যানানিটা বেশি হচ্ছিল। আমি কাউকে সান্ত্বনা দিতে পারিনা। বললাম… জান বেঁচেছে আল্লাহ্‌র শুকরিয়া আদায় করো। কত কিছু হতে পারতো… সে তারপর চুপ থাকলো। কিন্তু গভীররাতে ঘুমের ঘোরে আমার ভালো মোবাইল…এ সপ্তাহও ব্যবহার করতে পারলাম না বলে কান্না!
হাসি পেয়ে গেল আমার। যদিও বুঝতে পারছিলাম কষ্টটা। কিন্তু ওকে চারটা ছেলে ঘিরে ধরে সব নিয়ে নিয়ে গেছে। এটা তো ভাবা উচিত কত বড় বিপদ হতে পারতো!<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29371202 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29371202 2011-04-28 18:30:52
চিঠি-২ আপনি চলে গেছেন অনেকদিন হলো। হিসাব রাখিনি আমি। জানিনা আপনি এখন কেমন আছেন। মাঝে মাঝে আপনার কথা খুব মনে পড়ে। বিশেষ করে যখন একা একা গান শুনি, কবিতা পড়ি তখন। আপনার জন্মদিনে সারাদিন আপনার গানই শুনি আমি। জীবনে আমি কবিতা খুব কমই পড়েছি। পরিচিত মুখ দুই একটা কবিতা লিখলে বুঝি আর না বুঝি পড়ে দেখি। আপনারটা এমনি এমনিই পড়ি। যেই কবিতাটা বুঝিনা সেটা বারবার পড়ি। এটা অবশ্য সব কবিতা পড়তে গেলেই করি। না বুঝলে বারবার পড়ি।

আমি খুব সাধারণ চিন্তাভাবনা করতে অভ্যস্ত। আপনার কবিতাগুলো যেন আমি যা বলতে চাই তাই বলে দেয়। আপনার রচিত ছোটগল্প একসময় পেলেই পড়ে ফেলা হতো। এখন পাঠ্যবই ছাড়া আর কিছু পড়িনা। এমনকি পেপারও না। তবে মাঝে মাঝে ব্লগ পড়ি। আপনার গানগুলোও যেন আমার। আপনার যা দেখি সব কিছুই আমার মনেহয়। আপনাকে আমারই মনেহয়। ভালবাসি!

এগুলো আসলে বলার কিছু নাই। আপনি তো শুনতে পাবেন না। এই চিঠিটা দেখলে অনেকেই ভীষণ বিরক্ত হবে। খুব রেগে যাবে। বলবে আমি বখে গেছি। আমার কিছু যায় আসে না তাতে। আপনি তো আর রাগ করতে পারবেন না, তাই না? আপনি বরং এই চিঠি পড়লে গদগদ হয়ে যেতেন। <img src=" style="border:0;" />

কোনোদিনও পড়া হবে না আপনার আমাকে লেখা এই চিঠিটা। অবশ্য এখানে যে অনেক কিছু বলেছি তাও তো না। খু্ব বেশি মিস আপনি করতেন না।

আপনার বাড়িতে একবার ঘুরে আসছিলাম। আপনি যেই নৌকাটায় বসে কবিতা লিখতেন, যেই নদীতে ভেসে বেড়াতেন, যেই চেয়ারে দোল খেতেন সব দেখে এসেছি। চিন্তা করতে পারেন কম্পিউটারে কবিতা লেখার কথা? এ যুগের কবিরা লেখে।
জানজটে বসে বসন্তের মৃদু হাওয়া খায় তারা। <img src=" style="border:0;" />

আপনার একটা! <img src=" style="border:0;" />

মেঘের পরে মেঘ জমেছে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মেঘের পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে- আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। কাজের দিনে নানা কাজে থাকি নানা লোকের মাঝে, আজ আমি যে বসে আছি তোমারই আশ্বাসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। তুমি যদি না দেখা দাও কর আমায় হেলা, কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা। দূরের পানে মেলে আঁখি কেবল আমি চেয়ে থাকি, পরাণ আমার কেঁদে বেড়ায় দুরন্ত বাতাসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে।



ভালো থাকুন!

ইতি
আপনারই একজন


Click This Link

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29365629 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29365629 2011-04-19 19:16:29
চিঠি-১ " style="border:0;" />... কিন্তু তারপরও একটু বোঝেন না আমাদের অসহায়ত্ব (দীর্ঘশ্বাস)

কখনোই বলা হবে না এই কথাগুলো আপনাকে। আপনি তাই জানতে পারবেন না আমাদের আর্তনাদ। আপনি জানলে আমরা আরও চিপায় পড়বো। সাদাসাদা দাঁতগুলো বের করে সফলতার হাসি হাসতেন আর বাড়িয়ে দিতেন অত্যাচারের মাত্রা। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29365511 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29365511 2011-04-19 14:27:33
দিনলিপি-২০
আররে আমার না প্রেম করার এত্তো শখ! অথচ কোনো ছেলে আমাকে মেয়েই মনে করেনা! আল্লাহ্ জানিস আমি তো ইংলিশ ডেপ্টের ডিনের উপর ক্রাশ খাইতেছি কিন্তু ও তো বোধহয় আমাকে মেয়ে ভাবে না! ও তো আমার দিকে ফিরেও তাকাইতেছে না! (ইংলিশ ডেপ্টের ডিন একজন বয়স্ক ভদ্রলোক)

অমুক না আমাকে আম্মু ডাকে। একদিন ওকে বললাম, আরে তুই তো একটা ড্যাস! তোর বাপ নাই! হ্যাহ্যাহ্যা (হ্যাহ্যাহ্যা হচ্ছে তার হাসির শব্দ)

এই সমস্ত বিরক্তিকর কুরুচিসম্পন্ন কথাবার্তা শোনা আজকাল আমার দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়েছে। শুনি আর দীর্ঘশ্বাস ফেলি। মাঝে মাঝে ভাবি একটু বুঝাবো। কিন্তু সবই মাথার উপর দিয়ে যাবে তাই চুপ থাকি। আর তাছাড়া এইগুলোই আধুনিকতা। সবাই স্বাভাবিকভাবেই নেয়। ভাবতে ভাবতে বিরক্তিতে চোখ বন্ধ হয়ে আসে।


একদিন ক্লাস করে বাসায় ফিরছিলাম তখন বাসে এক ভদ্রমহিলা আর তার মা ছিলেন আমার পাশে। হঠাৎ আমাকে নানান প্রশ্ন করতে লাগলেন… কি করি, বাসা কোথায়, আব্বু কি করে, আম্মু কি করে, কয় ভাই বোন, বোনেরা কি করে, বিবাহিত কিনা, এইচএসসি এসএসসির রেজাল্ট কি, কোচিং করেছি কোথায়, হলে থাকি কিনা, কোনো আত্নীয়র বাসায় থাকি কিনা, খুলনায় বাসা কোথায় ইত্যাদি। ব্যক্তিগত সব প্রশ্ন। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব। তার ভাব দেখে মনে হলো সে খুলনার কিংবা খুলনাতে কোনো আমলে ছিল। কিন্তু ভদ্রমহিলা আমার নামটাই জিজ্ঞেস করলেন না। বুঝলাম না কেন। আমার নামটা কি দোষ করলো। আর আমিও ভাবছিলাম তাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করবো। কিন্তু সেই সুযোগ আর হলো না। ফার্মগেটেই নেমে গেলেন। পরে মনে হলো এতকিছু কেন বললাম। আমাকে একজন প্রশ্ন করবে বলে আমাকে বলতে হবে? আমি তো না শোনারও ভাব করতে পারতাম। আর সে তো নিজের কিছু বললো না।



আমার হলে অনেকগুলো বিড়াল আছে। তারা নাকি ভীষণ বিরক্ত করে মেয়েদের। আমি অবশ্য বিড়ালগুলোর জ্বালাতন টের পাইনি। তবে একদিন রাতে একটা কালো কুচকুচে বিড়ালকে দেখে একটু চমকে গেছিলাম। আরেকদিন ঐ বিড়ালটার পিছু পিছু আমি দৌড় দিয়ে বিড়ালটাকে চমকে দিয়েছি। আজকে শুনলাম বিড়ালগুলোকে বস্তায় ভরে ফেলে দেয়া হয়েছে। তবে দুইটা বিড়ালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। সেই দুইজনের একজন আবার প্রতিশোধ নিতে রিডিং রুম নোংরা করে আসছে আর দুর্ভাগ্যবশত সেই নোংরা আমার পায়ে লেগে আমার মুড কিছুক্ষণের জন্য নষ্ট হয়ে গেছিল। যাকেই বলি সে হাসে আর ওটা বিড়ালের বমি ছিল নাকি পায়খানা ছিল এই বিষয়ক গবেষণায় বসে যায়। অধিকাংশ মানুষই আসলে সমস্যাটা ধরতে পারে না। সমস্যাটার আশেপাশে দিয়ে যায়। আমিও বুঝিনা আমার সমস্যাটা কি আসলে? :-*
আজকে ইউনি থেকে আসতে ইচ্ছা করছিল না কারণ কালকে খুব মজা হবে। আবার থাকতেও ইচ্ছা করছিল না কারণ ১৬ তারিখে একটা পরীক্ষা। পড়তে হবে। কিছু বইখাতা ফেলে রেখে আসছি তা নিতে হবে। এখন মনে হচ্ছে খামাখা মজাটা নষ্ট করলাম। কেন আসলাম? এখন আমি কি করবো?<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29362434 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29362434 2011-04-14 00:55:42
দিনলিপি-১৯
ওরা সময় পেলেই ফেইসবুক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। একজন আছে যে ফেইসবুক খুলে শুধু ছবি দেখায়। একদিন বললাম, তোকে আর দেখার কি আছে ফেইসবুকে। তোকে তো সারাদিনই দেখি! সে বলে, আরে এতো ভাব নিয়ে ছবি তুলেছি সেগুলো দেখবি না! আমার ছবি তোলা দেখে ওদের ধারণা হয়েছিল আমি ফেইসবুকে প্রচুর পরিমাণে ছবি আপলোড করি। সেই আশায় একদিন আমার ফেইসবুকে ছবি দেখতে আসলো। আমি সাধারণত ঠ্যাঁকায় না পড়লে ফেইসবুক খুলিনা। ওরা আমার ফেইসবুক খুলে দেখে ধু ধু মরুভূমি! খুবই বিরক্ত হয়ে ওরা ‘ক্যাক’ করলো। আর আমি তো হাসতে হাসতে শেষ।

নিজেকে যদিও আমি অনেক ভালবাসি কিন্তু আজকাল বিভিন্ন কারণে নিজের উপর আমি খুবই বিরক্ত যার কারণে নিজেকে আর দেখতে ইচ্ছা করেনা। অসহ্য লাগে এই বোকা চেহারাটা। এইজন্যই আগের মতো বারবার আর আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনা। আয়না দেখবো না বললেও হয় না। চোখের সামনে বিভিন্ন সময়ে কত যে আয়না পড়ে!

আমার নামের ভিতরে একটা নীল আছে। আর আমি অধিকাংশ কাপড়ই নীল পরি। ইচ্ছা করে পরি না। কীভাবে কীভাবে যেন আমার কপালে নীল জিনিসটাই জোটে। কেউ কোনো কিছু গিফট করলে সেটাও নীলই হয়। ইদানীং আমার ক্লাসমেটগুলো আমাকে নীল রঙের কিছু পরতে দেখলেই বলে, নামের মধ্যে নীল বলে সবই নীল পরিস?
একদিন আমার এক ক্লাসমেটকে একটা সুন্দর রঙের পোশাক পরে থাকায় বললাম, সুন্দর তো। সে বললো, নীল তো! তোমার তো ভালো লাগবেই!
এই দুঃখে আজকে একটা লাল জামা কিনলাম।

আমার বড় দুইটা মামাতো বোন শখ করে ছোটবেলায় আমাকে একবার শাড়ি পরিয়ে বউ সাজিয়ে ছবি তুলে দিয়েছিল। সাজানোর সময় আমি বেকুবের মতো বলেছিলাম, বর আসবে কখন?

ছোটবেলায় এই ব্যাপারটা নিয়ে আমাকে অনেক বিব্রত করা হয়েছে। সেই ঘটনার পর এই বয়সেও শাড়ি পরা হলো না। আগে যারা বিব্রত করতো তারাই এখন বিরক্ত হয় শাড়ি না পরলে। যেই পরিবেশে থাকি সেখানে দুইদিন থাকলেই শৌখিন হয়ে যায় মানুষ। আমিও বোধহয় সুখ দুঃখের মাঝে হয়ে গেছি। অনেকদিন ধরে শখ হচ্ছে একটা সবুজ শাড়ি পরবো। কিন্তু তার আগেই মায়ের দেশ ইন্ডিয়া থেকে একটা গিফট পেলাম সবুজ শাড়ি। তবে তেমন পছন্দ হয়নি কারণ শাড়িটা সিল্কের। পিসলা শাড়ি ছোটবেলায় বলতাম!

গত বছর শেষের দিকে এক কাজিনের বিয়েতে সবাই শাড়ি পরলো শুধু আমি বাদে। মা-চাচী-বোনেরা সবাই বিরক্ত হলো দেখলাম। আমাকে বিভিন্নভাবে বুঝানো হয়েছিল, শাড়ি না পরলে তোকে কেউ চিনবে না, পাত্তা দিবেনা দেখিস! আসলেই কেউ আমাকে চেনেনি। /<img src=" style="border:0;" />

আমার বড় বোনের বিয়েতেও এই কাহিনী হয়েছিল <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29360431 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29360431 2011-04-10 19:16:15
দিনলিপি-১৮
আজকে ইচ্ছা করে বারোটা পর্যন্ত পড়ে পড়ে ঘুমিয়েছি। তারপর নাশতা করলাম।
অনেকগুলো মানুষের উপর খুব রাগ লাগছে বিভিন্ন কারণে। কিন্তু রাগ ঝাড়া হয়ে যাচ্ছে তাদের উপর যারা নির্দোষ।

মাঝে মাঝে জীবনটা খুব সুখের মনেহয় যা দেখি তাই ভাল লাগে। আর মাঝে মাঝে মনেহয় এখনও কেন বেঁচে আছি? এত লোক মরে আমি কেন মরি না?<img src=" style="border:0;" />
যদিও এরকম চিন্তাভাবনা করা অস্বাভাবিক। কিন্তু তারপরও হয়।

টেলিভিশন দেখে মজা পাইনা। কত কিছু দেখতাম একসময় টেলিভিশনে। পেপারও পড়িনা। দুনিয়ায় কোথায় কি হচ্ছে কিছুই জানিনা। মানুষের সবসময়ই দুইটা কাজ নিয়ে থাকা উচিত। আমার কাজ হচ্ছে একটা। এই জন্যই এতো সমস্যা।

সেদিন হাতটা কেটে গেল। রিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে ভয়াবহ ধরনের কাটা কেটেছে। প্রথমে বুঝিনি। এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। অনেকদিন পর কাটলো হাতটা। ওড়নাটা সিনথেটিক হলে খবর ছিল। আমি ভেবে পাই না আমি এতো কেয়ারলেস কিভাবে হলাম। চার পাঁচ মিনিটের পথে যেতে এরকম গাধামী কি করে আমার দ্বারা সম্ভব! তাও ভাগ্য ভালো যা ক্ষতি হয়েছে নিজের ক্ষতি হয়েছে। অন্য কেউ আমার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি।

যাকে যখন দরকার হয় তাকে তখন পাইনা। দরকার শেষ হলে তাকে পাওয়া যায়। তখন মনেহয় তাকে বলি, দূরে গিয়া মরো।

আজ সবার রঙে রঙ মেশাতে হবে
ওগো আমার প্রিয় তোমার রঙিন উত্তরীয়

একটা ভদ্র ফ্লার্টিং রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনছি!

আমি বাঁচিনা আমার জ্বালায় আর এর মধ্যে আবার একজন আবদার করছে ক্লাসিক্যাল মিউজিক সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে তাকে জানাতে!

মানুষের সাথে যতক্ষণ পারা যায় সম্পর্ক ধরে রাখতে হয়। যখন একেবারেই পারা যায় না তার সাথে তখন সেটা শেষ করে ফেলতে হয়। এই বছরে এই জিনিসটা শিখেছিলাম বই পড়ে তবে অন্য সেন্সে শেখা আরকি। আজকে অফিশিয়ালি একজনের সাথে সম্পর্ক শেষ করে খুব ভালো লাগছে <img src=" style="border:0;" />


(দীর্ঘশ্বাস)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29359806 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29359806 2011-04-09 15:47:07
ক্যাটক্যাট " style="border:0;" />


রাস্তাঘাটেও দেখি লোকজন ব্যাপক ক্যাটক্যাট করে। বিশেষ করে রিকশাওয়ালাগুলো তো খুব। আজকে এক রিকশাওয়ালা আমার কাছ থেকে ৪০ টাকার ভাড়া ৭৫ টাকা নিয়ে রাস্তা পার করে দেয়নি। তার উপর ক্যাটক্যাটও করলো। <img src=" style="border:0;" />


আজকে এক ঘণ্টা ধরে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এক ঘণ্টা পর ছোটবোন দরজা খুলেছে। ক্যাটক্যাট করতে ইচ্ছা করছিল না কিন্তু ইচ্ছা করেই ক্যাটক্যাট করলাম।


আমিও চাই ক্যাটক্যাট করতে। কিন্তু আমি ক্যাটক্যাট করতে পারিনা। ক্যাটক্যাটানির সময় শুধু হাসি পায় নাহলে হাবার মতো তাকিয়ে থাকি। অথচ এক সময় কারণে অকারণে ক্যাটক্যাট করতে পারতাম। দুনিয়ায় শান্ত থেকে লাভ নাই। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29347663 http://www.somewhereinblog.net/blog/Chanchurblog/29347663 2011-03-19 21:19:38