somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বেঁচে আছি
বেঁচে আছি, ভোরের আশায়
মুক্তির ব্যকুলতায়
সংগ্রামী চেতনায়
আর- সীমাহীন আকাঙ্খায়-
জানি, একদিন মুক্তি আসবেই।

বেঁচে আছি, চরম হতাশায়
বঞ্চনার গ্লানিতে
ভীষণ বেদনায়
আর- অপ্রাপ্তির স্বাদে-
জানি, একদিন সফল হবোই।

বেঁচে আছি, কালো ঘামে
তপ্ত নিঃশ্বাসে
ঝড়ো বাতাসে
আর- ভীষণ উন্মত্ততায়-
জানি, একদিন বিজয়ী হবোই।

বেঁচে আছি, ভালবাসায়
মোহাবিষ্টতায়
স্বপ্নের ছায়ায়
আর- প্রচন্ড বিশ্বাসে-
জেনেছি- জীবনের মানে কত সুন্দর॥

চারণ কবি
৩রা মাঘ, ১৪০৫ বাং
১৬ই জানুয়ারী,১৯৯৯ ইং
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743755 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743755 2007-11-08 16:43:49
উপহাস
বহু যতনে তিল তিল করে গড়া-
অপরূপ ভাস্বর এক প্রতিমা,
প্রস্ফুটিত হয়ে যখন প্রায় উজ্জীবিত-
উদ্ধত তার যৌবনের মহিমা।
তখন প্রলয়ের মত অনাকাঙ্খিত-
নিয়তির দৃপ্ত হসতক্ষেপে,
শিল্পীর সমসত স্বপ্নকে করে উপেক্ষা-
ধ্বংস করে সব দোর্দন্ড প্রতাপে।
হয়ত: নিয়তি এভাবেই রচিত,
কিংবা শিল্পীর কোন নিদারুন ভুল,
যা এক প্রচন্ড নিষ্ঠুরতায়-
আঘাতে করে ধ্বংসলীলা বিপুল।
প্রতিমাকে ঘিরে আবর্তিত-
সব স্বপ্ন- সব ইচ্ছা- সব চেতনা
এক নিমেষের লহমায় তছনছ-
সঙ্গী শুধু নিদারুন যাতনা।

বিশাল সমুদ্রের কোলে একাকী-
অসহায় কোন নাবিকের মত,
সিদ্ধানতহীনতা আর সংশয়ে-
শিল্পীর মনও আন্দোলিত অবিরত।
হয়ত: সুদীর্ঘ প্রত্যাশায়-
চরম প্রাপ্তির পরম উতকন্ঠার পর,
স্বপ্নভঙ্গের নির্মম চাবুক-
বয়ে আনে অতৃপ্ততার ঝড়।
নিজেকে ভীষণ অবাঞ্চিত লাগে-
স্বপ্নহীন নির্মম বাসতবতায়-
ভেঙে যাওয়া প্রতিমার দেহাবশেষ
সেখানে উপহাসের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়॥

চারণ কবি
১১ই আশ্বিন, ১৪০৪ বাং
২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ ইং]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743752 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743752 2007-11-08 16:39:13
অপেক্ষা
সুনসান নিসতব্ধতার মাঝে
থমকে গেছে সময়ের স্রোত,
নিঃসঙ্গ নিশ্চুপ বসে থাকা
কল্পনার স্রোতকে সচল রাখা,
তারই মাঝে ঘড়ির কাঁটায় স্পন্দন,
যেন ব্যক্ত করতে চায়-
এই অচলতার মাঝেও-
আমিতো সচল।

জীবনের স্পন্দন এখানে সিতমিত-
তবুও বেঁচে থাকার প্রবল আকাঙ্খায়-
শয্যায় শায়িত শিশুটির মুষ্টিবদ্ধ হাত,
ডাগর দু’টি চোখে পৃথিবীর বিপুল বিস্ময়!
হয়ত এখানেই লুক্কায়িত আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম,
প্রচন্ড শক্তিতে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায়।।

চারণ কবি
২রা ভাদ্র, ১৪০৩ বাং
১৬ই আগষ্ট, ১৯৯৬ ইং

*** হাসপাতালে কোন এক অসুস' শিশুর শয্যাপাশে রচিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743745 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28743745 2007-11-08 16:30:30
সুখের পূর্বাভাস
কালের বিবর্তনে ক্ষয়ে যাওয়া আর
শ্যাওলা ধরা স্যাঁতস্যাঁতে প্রাচীরের মত
স্মৃতিগুলোও আজ জরাজীর্ণ!

তোমার হাসি- মনে হয় এক চিলতে রোদ;
বিবর্ণতার বিরূদ্ধে এ যেন
বিক্ষোভের আলোকোজ্জ্বল পূর্বাভাস!

চারণ কবি
২৭শে ভাদ্র, ১৪০৬ বাং
১১ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯ ইং।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741504 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741504 2007-10-31 13:23:11
ক্ষুদ্র গন্ডিতে
চারদেয়ালের ক্ষুদ্র সীমানায় বন্দী আমি-
পথ খুঁজি বেরিয়ে আসতে আলোয়,
নিরেট দেয়াল আগলে রাখে পথ-
স্পর্শ করে শিউরে উঠি তার শীতলতায়।
ক্ষুদ্র জানালার ফাঁক গলে একচিলতে আলো-
এসে জানায় নীল আকাশের আমন্ত্রণ,
সকল ক্ষুদ্রতা ঝেড়ে ফেলতে চাই-
আকাশের বিশালতায় করতে চাই অবগাহন।

প্রতিরোধ ভেঙে বেরোতে চাই বারবার,
কিন' বেরোবার সমস- পথ অবরুদ্ধ,
মহাকাল এই অসহায়ত্বকে করে উপহাস-
নির্মম চোখে অবলোকন করে সেই যুদ্ধ।
ছুটে বেরোতে যেয়ে বারবার ধাক্কা লাগে,
ব্যথায় কঁকিয়ে উঠে - পড়ি মুখ থুবড়ে।
তবুও ক্ষুদ্র গন্ডি থেকে মুক্তির অভিপ্রায়ে,
পুনরায় দেয়ালে আঘাত করি সজোরে।

নিষ্ফল ক্রোধে করে উঠা চিৎকার-
দেয়ালে ধ্বনিত হয়ে বিব্রত করে আমাকেই,
তবুও আশায় আশায় বুক বাঁধি,
জানি নিশ্চয়ই এ দেয়াল একদিন ভাঙবেই।
খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াবো সেদিন,
কান পেতে তাই সে মুক্তির গান শুনি।
ক্ষুদ্রতা ঝেড়ে আলিঙ্গন করবো বিশালতাকে,
বসে বসে তাই অপেক্ষার প্রহর গুনি।

চারণ কবি
৯ই চৈত্র, ১৪০৩ বাং
২৩শে মার্চ, ১৯৯৭ ইং।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741372 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741372 2007-10-30 23:46:30
জীবন

জীবনকে কখনও মনে হয় বিশাল সমুদ্র,
যেখানে ছোট্ট একটি ভেলায়,
শুধুই ভেসে যাওয়া -
কোন এক অজানা দ্বীপের সন্ধানে।
পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে,
বিশাল সমুদ্রের ফেনায়িত জলরাশি।
ফেলে আসা তীর বহুদূরে -
অস্পষ্ট রেখার মত,
ক্রমশঃ যেন ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হতে হতে -
একসময় হারিয়ে যায়,
দিগনে-র সীমাহীন বিশালতায়।

সামনে অজানা গন-ব্য;
অদৃশ্য হাতছানিতে কাছে ডাকে।
সে ডাককে উপেক্ষা করতে না পেরে,
শুধুই এগিয়ে চলা।
হয়ত: সে ডাক কাউকে নিয়ে যায়,
রোদ ঝলমল করা কোন সবুজ দ্বীপে,
আবার কাউকে হয়তবা নিয়ে যায়-
ভয়ংকর কোন ঘুর্নিপাকে,-
কিংবা দূরে কোথাও ঘাপটি মেরে থাকা -
প্রচন্ড ঝড়-ঝঞ্জা, বিক্ষুব্ধতায়।
যেখানে বিশাল সাগর ছোট্ট ভেলাটিকে
গ্রাস করে চরম নিষ্ঠুরতায়।
তার সমস- রূঢ়তা দিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেয়,
ক্ষুদ্র ভেলার সব চিহ্ন।

তবুও অজানা গন-ব্যের ডাককে অগ্রাহ্য করা যায়না,
হয়ত: রোদ ঝলমল করা সবুজ দ্বীপের আশায়,
কিংবা হয়ত: অদৃশ্য কোন মহাশক্তিধরের -
নির্ধারন করে দেয়া অমোঘ নিয়তির টানে।
ক্ষুদ্র ভেলার যাত্রীরা তাই হয়ত:,
জীবনের লক্ষ্য খুঁজে বেড়ায়-
বিক্ষুব্ধ সমুদ্রের বিশালতায়, আর-
অসীম আকাশের শূণ্যতায়॥

চারণ কবি
১১ই অগ্রহায়ন, ১৪০৩ বাং
২৪শে নভেম্বর, ১৯৯৬ ইং।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741369 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741369 2007-10-30 23:40:23
প্রতিদান
আর কি দেবো বলো, দেবার কি-ই বা আছে বাকী?
হৃদয়ের অন-ঃকূপ থেকে অজানে-ই অসাবধানে-
গড়িয়ে গেছে মিষ্টি, শীতল আর স্বচ্ছ জলের ধারা।
অতলান--গভীর সফেদ কোন প্রগাঢ় মায়ার টানে-
সযত্ন লালিত ব্যাকুল স্বপ্নগুলো হয়েছে বল্গা হারা।

আর কি দেবো বলো, দেবার কি-ই বা আছে বাকী?

কূয়াশাচ্ছন্ন গহীন কোন নিথর আঁধারের মাঝে-
সহমর্মিতার উত্তাপে গায়ের চাদর দিয়েছি খুলে।
আজ তবু এই বুকের ভেতর বড় বেশী বাজে-
আলেয়ার আলোয় ছুটেছি শুধু ভুল থেকে ভুলে।

আর কি দেবো বলো, দেবার কি-ই বা আছে বাকী?

হৃদয় সাগরে ঢেউয়ের মাতামাতি উপেক্ষা করে-
শক্ত হাতে হাল ধরে ঘাটে ভিড়িয়েছি তরী।
উন্মত্ত বাতাস আর ভয়ংকর কালবোশেখী ঝড়ে-
বিশ্বাসে আগলে রেখে পথ দিয়েছি পাড়ি।

আর কি দেবো বলো, দেবার কি-ই বা আছে বাকী?

চারণ কবি
২৮শে অগ্রহায়ন, ১৪০৮ বাং
১২ই ডিসেম্বর, ২০০১ ইং।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741367 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741367 2007-10-30 23:37:08
পিতামহ
স'ান, কাল, সময় বিস্মৃত আমি
এই ক্ষণে, বিদগ্ধ সময়ের সন্ধিক্ষণে
সুদূর কোন নষ্ট অতীতে
সুস্পষ্ট অবয়ব অবলোকন করে
অনুভব করি -
আমারই গহীন সত্ত্বায়
ভীষণ সফেদ, জ্যোতির্ময় তুমি
সি'র, বলিষ্ঠ রুপরেখায় দাঁড়িয়ে আছো -
প্রতিটি রক্তবিন্দুতে!
আমার অসি-ত্ত্বে তুমি ধ্রুব!

শেষ বিকেলের ভেজা বাতাসে
অজানে-ই শিউরে উঠি
আমার দীর্ঘশ্বাসের ভিতর বেজে উঠে
কার গম্ভীর দামামা?
তুমি আছ সুস্পষ্ট অনুভবে
প্রতিটি শিরা উপশিরায় তুমি
অদৃশ্য আলিঙ্গনে আবদ্ধ করেছ
আমাকে, আমার সমস- সত্ত্বাকে!

হে পিতামহ!
আবর্তিত সময়ের মসৃণ কালিতে
লিখেছ,- লিখে যাচ্ছ -
শতবর্ষের উপকথা, ক্ষোভ, বেদনা
আর শ্বাশ্বত প্রেম, ভালবাসা ও মমতা।
তুমি আছ, ঠিক টের পাই
যখন মধ্যরাতে দেয়াল ঘড়িটা
টিক টিক করে বয়ে চলে রক্তের স্রোতে,
তুমি আছ, ঠিক টের পাই
যখন গলে যাওয়া জোছনার শীতলতা
নরোম স্পর্শ ছড়িয়ে দেয় নশ্বর দেহতে।

তুমি আজো আছো,
ঠিক যেমনটি ছিলে
এলায়িত আরাম কেদারায়!
দেহের প্রতিটি কোষেই আজ তোমার
অভিমানী পদচারণা॥

চারণ কবি
৪ঠা শ্রাবণ, ১৪০৮ বাং
২২শে জুলাই, ২০০১ ইং]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741360 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741360 2007-10-30 23:25:28
সুখ
ম্যাচ বাক্সে কাঠিগুলোর মত
বুকের ভেতরকার দুঃখগুলি
গুনে গুনে দেখি
ভয়াবহ বারুদগুলি জ্বলে উঠে
একটির পর একটি ... ... ...।

আর তারপর?
নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে জ্বলে উঠে
একটি নির্বিকার সুখের আগুন!!

চারণ কবি
৮ই শ্রাবণ, ১৪০৮ বাং।
২৩শে জুলাই, ২০০১ ইং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741356 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28741356 2007-10-30 23:16:35
বিভ্রান্তি
বেলাশেষে সাগরতীরে দাঁড়িয়ে মৌন সন্নাসী
বিভ্রান্তি আর সত্যের মাঝে ঘুরপাক খায়,
ফেলে আসা পথ পানে ফিরে ফিরে দেখে,-
কোথাও কি ভুল ছিল? খুঁজে নাহি পায়!

পরনের গেরুয়া তার বড্ড ভারী লাগে;
মনে হয় যেন আষ্টেপৃষ্ঠে সে বাঁধা,
অস্থির সন্নাসী আপন মনে নিজেকে শুধায়-
“এতদিন পর আজ কেন মনে লাগে ধাঁধাঁ?”

শ্রান্ত সন্ন্যাসী একটানে খুলে ফেলে গেরুয়া;
উন্মত্ত বাতাসে তা উড়ে যায় বহুদূরে!
ভুলে যায় সে ললাটে যে আঁকা আছে তিলক;
বাতাসে তার দীর্ঘশ্বাস কাঁদে অপার্থিব কোন সুরে!


চারণ কবি
২০শে ভাদ্র, ১৪০৬ বাং
৪ঠা সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯ ইং।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28740966 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28740966 2007-10-29 15:10:22
বিষন্ন স্বাধীনতা
দাবার ছক,
সাদা বাহিনী, আর
শত্রু কালো- পৈশাচিক উল্লাসে মত্ত।
সাদা ঘোড়া এগিয়েছে
এক- দুই- আড়াই!
শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যুহ তছনছ-
অনেক সৈন্য ক্ষয়,-
কোনঠাসা কালো রাজার-
দেয়ালে ঠেকে যায় পৃষ্ঠদেশ;
চেক এবং কিস্তিমাত।

হানাদাররা পালিয়েছে,
বোমার আঘাতে ক্ষত মাঠে
আবার সবুজ রং।
ধূসর রোদ ফিরে পেয়েছে সোনালী আভা।
সবই আছে মুক্ত ভূমিতে!
রাজা আছেন, মন্ত্রী আছেন!
নেই শুধু কিছু হাতি, ঘোড়া, নৌকা
আর বীরের মত ঘোড়া ছোটানো মুফতিরা!!
স্বাধীনতা- স্বাধীনতা
কেবলই চারপাশে স্বাধীনতা!
তবুও বাতাস কেন এত ভারী?
কেন এত বিষন্নতা - আমাদের বুকে?
তোমার ¯স্বপ্নের স্বাধীনতার বাতাস আজ-
বড্ড জ্বালা ধরায় অন্তরে!
হয়ত: তুমি নেই বলে
মুফতি মুহাম্মদ কাসেদ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28740889 http://www.somewhereinblog.net/blog/Charon_Kobyblog/28740889 2007-10-29 09:49:09