৪ বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে
কিম উং-ইয়ং নামের কোরীয় এ প্রতিভাবানের জন্ম ১৯৬২ সালে এবং বর্তমানে এ গ্রহের সবচেয়ে মেধাবী মানুষ হিসেবে তিনি গিনেস বুক অব ওয়াল্ডে জায়গা করে নিয়েছেন । কারণ মাত্র ৪ বছর বয়সেই তিনি জাপানি, কোরীয়, জার্মান এবং ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন । আর পাঁচ বছর বয়সে এসে কঠিন কঠিন সব অঙ্কের জট নিমিষেই সমাধানের যোগ্যতাও অর্জ করেন এব বিস্ময় ব্যক্তি । গিনেস রেকর্ড বুকে তার আইকিউ ২১০ এরও বেশী বলে উল্লেখ করা হয় । তিন বছর বয়স থেকে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কম হানইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের অতিথি শিক্ষার্থী ছিলেন । সাত বছর বয়সে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ মহাকাশ গবেষনা সংস্থা নাসা থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয় । আর ১৫ বছর আগেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে পিএইডি ডিগ্রি লাভ করেন । বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় ১৯৭৪ সালে তিনি নাসায় তার গবেষনা কাজ শুরু করেন । ১৯৭৮ সালে তিনি কোরিয়ায় ফিরে যান ।
হকিংয়ের চেয়েও বেশী বুদ্ধি
মাত্র ১১ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া কাউয়ি সমবয়সী অন্য সব ছেলেমেয়েদের চেয়ে আলাদা । তার রয়েছে অসাধারণ মেধাশক্তি । আইকিউ পরীক্ষায় ১৬২ নম্বর পেয়ে ভিক্টোরিয়া মেধার দিক দিয়ে আলবার্ট আইনষ্টাইন, স্টিফেন হকিং ও বিল গেটসকে ছাড়িয়ে গেছে । তাদের আইকিউ ১৬০ এর বেশী নয় বলে ধারণা করা হয় । যুক্তরাজ্যে যে ১ শতাংশ নাগরিককে সবচেয়ে মেধাবী বলে গণ্য করা হয়, তাদের মধ্যে ভিক্টোরিয়ার অবস্থান এখন শীর্ষে ।
৭ বছর বয়সী সার্জন
ভারতীয় বালক আকরিজাসওয়াল বিশ্বের সবচেয়ে বা চটপটে শিশু হিসেবে পরিচিত । ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া শিশুটি সাত বছর বয়সেই নিজেকে শল্যচিকিৎসকবিদ্যায় প্রতিষ্ঠিত করেছে । ২০০০ সালে আকরিত যখন তার বাড়িতে বসে ৮ বছর বয়সী মেয়ের পোড়া হাত অস্ত্রোপচার করে দেখায় তখনই প্রথম সবার নজরে আসে । এ খবর পেয়ে মার্কিন টিভি তারকা অপরাহ্ন উইনফ্রে আকরিতকে তার অনুষ্ঠানে অতিথি করেন । বিষ্ময়কর প্রতিভার এ বালকটি এখন পাঞ্জাবের চণ্ডিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে । সেই ভারতীয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে কমবয়সী ছাত্র ।
রেকর্ড
বিশ্বের খর্বকায় পুরুষ
উচ্চতায় মাত্র ৫৬ সেন্টিমিটার (১.১০ ইঞ্চি) । অথচ আগামী জুনে ১৮ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে তার । তখন একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকার পুরুষ হিসেবে রেকর্ড গড়বেন তিনি । ১৭ বছর বয়সী এ খর্বকায় ফিলিপিনো তরুণের নাম জুনরি বালাউইং । ফিলিপাইনের জামবোয়াঙ্গা দেল নোর্তে প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে জুনরি বালাউইংয়ের বাস । বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় পুরুষ হিসেবে রেকর্ডের অধিকারী হলেন নেপালের খগেন্দ্র থাপা মাগার । তার বয়সে ১৮ বছর । উচ্চতা ৬৭ সেন্টিমিটার (দুই ফুট ৩ ইঞ্চি) । উচ্চতায় খগেন্দ্রর চেয়ে বালাউইং ১১ সেন্টিমিটার খাটো ।
সবচেয়ে লোমশ মানবী
থাইল্যান্ডে ১১ বছর বয়সী ছোট্ট বালিকা সুপাত্রা সাসুফানের মুখমন্ডল, কান, হাত-পাসহ পুরো শরীর ঘন দীর্ঘ লোমে আবৃত । এ কারণে সবাই তাকে নেকড়ে মানবী, বানরমুখো ইত্যাদি বলে । গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তাকে বিশ্বের সবচেয়ে লোমশ মানুষের স্বীকৃতি দিয়েছে । নতুন এ খেতাবে তাকে বিদ্যালয় ও এলাকায় রাতারাতি বিখ্যাত ও সবার প্রিয় মানুষে পরিণত করেছে ।
সবচেয়ে দামি হাতব্যাগ
বিশ্বের সবচেয়ে দামি হাতব্যাগটির নাম হচ্ছে ১০০১ নাইটস ডায়মন্ড পার্স । ৪,৫১৭টি হীরা দিয়ে মোড়া ৩৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের ব্যাগটিকে গিনেজ বুক অব ওয়াল্ড রেকর্ডস সবচেয়ে দামী ব্যাগ হিসাবে আখ্যা দেয় । ব্যাগটিতে ব্যবহার করা হীরার মধ্যে ১০৫টি হলুদ, ৫৬টি গোলাপী এবং ৪,৩৫৬টি বর্ণহীন । ১০ গহনারশিল্পীর ৩৮১ ক্যারাটেরও বেশী হীরার ব্যাগটি তৈরী করতে সময় লেগেছে চার মাস । এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগ ছিল ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের হার্মেস বারকিন ব্যাগ
সবোর্চ্চ টাওয়ার
জাপানের রাজধানী টোকিওতে টোকিও স্কাই ট্রি নামে নতুন টাওয়ারের নির্মান কাজ চলছে । ডিসেম্বর ২০১১ নাগাদ এর কাজ শেষ হবে । তখন এর উচ্চতা হবে ৬৩৪ মিটার । তবে তার আগে ১ মার্চ ২০১১ নতুন রেকর্ড গড়েছে টাওয়ারটি । এ দিন এর উচ্চতা ৬০০ মিটার ছাড়িয়েছে । এখন এটাই বিশ্বের সবোর্চ্চ টাওয়ার । এতদিন চিনের ক্যান্টন টাওয়ারের (৬০০ মিটার) দখলে ছিল এ রেকর্ড ।

সুপাত্রা

জুনরি বালাউইং

টোকিও স্কাই ট্রি

টোকিও স্কাই ট্রি

টোকিও স্কাই ট্রি

খগেন্দ্র থাপা মাগার

ক্যান্টন টাওয়ার, গুয়াংজু, চায়না।

ক্যান্টন টাওয়ার, গুয়াংজু, চায়না।

ক্যান্টন টাওয়ার, গুয়াংজু, চায়না।

ক্যান্টন টাওয়ার, গুয়াংজু, চায়না।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



