আমার প্রিয় পোস্ট
- টিভি দেখুন অনলাইনে - মইন
- হেমন্তের গান! - এস্কিমো
- আদম এখনো আদমকেই সিজদা করে - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- অনলাইনে রবীন্দ্রনাথের গীতবিতান। বাংলায় - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- বাংলাদেশ ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড(!), PayPal ও হতভাগা আমরা...
- আদনান™
- বলিষ্ঠ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশে জামায়াতে ইসলামী প্রশ্নের যেরকম মীমাংসা প্রয়োজন - ধারাভাষ্য
বলিষ্ঠ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশে জামায়াতে ইসলামী প্রশ্নের যেরকম মীমাংসা প্রয়োজন
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭
জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ টেনে যত কথা আনতে পারি পোস্টে শেষতক রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমাদের ন্যায্য অবস্থান কি সেটা নির্ণয় করেছি।
সেই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন বা দ্বিমত থাকলে তার প্রশ্ন ও উত্তর কেবলমাত্র ওই পোস্টে।
এখানে শুধুমাত্র থাকবে পূর্বোল্লেখিত অবস্থানের প্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে বাংলাদেশের নাগরিকের অবস্থান কি হওয়া স্বাভাবিক তা নিয়ে।
নাগরিক হিসেবে নির্ণীত অবস্থান মেনে নিলে বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে তার নাগরিকের মনোভাব থাকবে দৃঢ়। যে যুদ্ধজয় দিয়ে দেশের অভ্যুদয়, তা তার কাছে অবিসংবাদিত, অস্তিত্বের প্রশ্নে অবিচ্ছেদ্য। সে জয়ের গর্ব ও গরিমা তাদের অবস্থান। যুদ্ধজয়ের চিহ্নের তারা দাবীদার। তার বিরুদ্ধ বা দ্বিধান্বিত অবস্থান কোনভাবে তার দেশের পক্ষের অবস্থান নয়। রাষ্ট্র সে অবস্থান অনুযায়ী পদক্ষেপ নিশ্চিত না করলেও নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না।
আগেই উল্লেখ করেছি, যুদ্ধজয়ের পর নীতি বা প্রাপ্য, যেকোন বিচারে একটি জাতি কতগুলো চিহ্নের দাবীদার। এই চিহ্নসমূহে ছাড় দেয়া বিতর্কিত। আদায়ের পদক্ষেপ নেয়া স্বাভাবিক।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান স্ব-স্বীকৃত। তাদের দাবী, তারা সে সময়ে একটি অবস্থান নিয়েছিল। এখন বাংলাদেশের রাজনীতিরই তারা একটি অংশ। আরেকটি প্রশ্ন যুদ্ধাপরাধের। তারা সেসময়ে তাদের অবস্থান স্বীকারের পাশাপাশি তদানুযায়ী স্বজাতঘাতী কর্মকাণ্ড অস্বীকার করে।
এটা স্ববিরোধিতাপূর্ণ। যুদ্ধে স্বজাতঘাতী কর্মকাণ্ড ঘটেছে। আর আমরা তাদের অবস্থান তাদের কাছ থেকেই জানি। কার্যকারণ ও ক্রিয়ার সংযোগ এখানে না ঘটানোর কোন কারণ নেই। এখানে তারা দুই ভাবে বিচার্য।
প্রথমটি, ব্যাক্তিগত পর্যায়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচার। এটি একটি বিজয়ের চিহ্ন ও বিজয় পরবর্তী অবধারিত কাজ। দ্বিতীয়টি হল, ৭১ এ দলের স্বজাতিবিরোধী অবস্থানের জন্য জবাবদিহি। এটাকে বিজয়ের চিহ্ন হিসেবে দেখলে কেবল হবে না। দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য এটি অবশ্য পালনীয়। দেশের স্বার্থের বিরোধী একটি অবস্থান একসময়ে নিয়েছিল বিধায়ই এখন বাংলাদেশের অবস্থানের প্রেক্ষিতে তাদের সার্বিক যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। সেটা কেবল তাদের নিজস্ব ক্ষমাপ্রার্থনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে না। এখানে প্রয়োজন রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পদক্ষেপের মাধ্যমে আগা গোড়া পরিশোধন।
দেশটির জন্য আরও বেশি জরুরি যুদ্ধের বিতর্ক নিয়ে রাজনীতির অবসান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি কেবল নাৎসী দল নিষিদ্ধ করে নি। নাৎসী আদর্শ নিষিদ্ধ করেছে। অর্থাৎ আদর্শ বা নীতিটার বিলোপ বেশি জরুরি। আমি আগের পর্বে বলেছি, যুদ্ধরতদের নীতি প্রতিষ্ঠার একমাত্র ইতিহাসসিদ্ধ মাপকাঠি যুদ্ধজয়। যুদ্ধজয়ের অর্থ যুদ্ধজয়ীর নীতির প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধপরাস্তের নীতির বিলোপ। এটা নিশ্চিত না করার অর্থ বিজয়টা ফিরিয়ে দেয়া। বাংলাদেশের অভ্যুদয় যেহেতু একটি যুদ্ধ ও তার বিজয় দিয়ে, এখানে যুদ্ধপরাস্ত-নীতির বিকাশের সুযোগ দেয়াটা বাংলাদেশের জন্য শুধু বিজয় ফিরিয়ে দেয়া নয়, বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্কের সুযোগ রেখে দেয়া।
অভ্যুদয়ের ব্যাপারে অবস্থান দৃঢ় করা উন্নত ও শক্তিশালী জাতি হিসেবে প্রকাশের জন্য জরুরি। বলিষ্ঠ জাতি হিসেবে প্রকাশের অভিলাষ থাকলে বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র হিসেবে এসকল অবস্থান ও পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে। না থাকলে বিতর্ক বিকাশের সুযোগ অব্যাহত রাখবে এবং তার নাগরিককে জাতিগতভাবে দুর্বল থেকে দুর্বলতর করবে। ফলাফল আমি ইতিহাসের প্রেক্ষিতে দেখতে পছন্দ করি। কালের প্রেক্ষিতে দেখলে এমন দুর্বল অবস্থানের ফলাফল বাংলাদেশ নামক দেশটির বলিষ্ঠভাবে এগিয়ে যাবার জন্য ঋণাত্মকভাবে কাজ করবে।
তথাপি, রাষ্ট্র সে অবস্থান নিশ্চিত না করলেও নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না। দেশের প্রতি দেশের নাগরিক একাত্ম ও দায়িত্বপূর্ণ থাকবে। তার দেশের জন্য এটা তার বাধ্যতামূলক দেয় কর। আমরা যদি মানি, ১৯৭১ সালে একটি যুদ্ধজয়ের মাধ্যমে যে দেশের অভ্যুদয়, সে দেশ ও আমরা যে দেশে বসবাস করি, সে দেশ একই দেশ, তবে নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের এই অবস্থান ও তদানুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের বিকল্প নাই।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইমুম বলেছেন:
গুড পোস্ট। ৫।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@ধারাভাষ্য"তদানুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের বিকল্প নাই।"
খুবই যুক্তিপূর্ণ কথা।
আলোচনার মূল ভাবের সাথে এই পর্যন্ত একমত। পারিপার্শ্বিকের বিচারে মনে হচ্ছে এখনই উপযুক্ত সময় এই ব্যাপারে ফয়সালা করার। শুধু রাজনৈতিক দল নয়, আমাদের জাতীয় নীতিতেও সংস্কার এখন জরুরী।
অতীতে, আমাদের অভ্যুদয়ের সময় বিরোধীতা করেছিল এবং বর্তমানে আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের প্রতি যারা আনুগত্য দেখচ্ছে না, তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
যথেষ্ট কালক্ষেপণ হয়েছে, আর নয়। শুধু ঐ গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধই নয়, তাদের আদর্শও সমূলে বিনাশ করতে হবে। বাঁচাতে হবে তরুণ প্রজন্মকেও ঐ করাল থাবা থেকে।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পরের পোষ্টের জন্য অপেক্ষা করছি।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
ঐভপঠভ পৎভহমঃ
দেশপ্রেমিক বলেছেন:
ওই মিয়া, এত সংক্ষেপে কইলেতো হইবোনা! নাগরিক কিভাবে তার দায়িত্ব পালন করবো সেই তরিকা দেন। ২৮ অক্টোবরের মতো লগি-বৈঠা নিয়া "নাগরিক দায়িত্ব" পালন করতে কন নাকি? তাইলেতো আপনেরে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার জন্য শূলে চড়ানো উচিৎ ;-)নাগরিক দায়িত্ব বলতে আসলে পাবলিকরে একজ্যাক্টলি কি করতে কন? সরকারী মদদ না থাকলে দুই পয়সার পাবলিক কি করতে পারে? অবশ্যই আপনে যা বলবেন সেইটা আইনের শাসনের পরিপন্থী হইলে রাজাকারগো বদলে নব্য মুক্তিযোদ্ধা দিয়া জেলখানা ভরতে হইবো। খিয়াল কইরা।
কিন্তু একটি মাত্র যে পথ আপনার মাথা থেকে বের হল, সেটা সন্ত্রাসমূলক। আইনের শাসনের পরিপন্থী চিন্তা করাটাই আপনার ঠিক হয় নি। গঠনমূলক চিন্তা করুন। সুচিন্তাপূর্ণ মাথা থেকে সন্ত্রাসমূলক আইডিয়া আশা করছি না। আপনি নাগরিক হলে দায়িত্বটা আপনারও, আমার একার না। গঠনমূলক পথ বাতলাতে আপনার সাহায্য করা উচিত।
বাংলা আমার বলেছেন:
জামাত রাজনীতি করে বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত। তাকে রাজনৈতিক পন্থা ছাড়া বাংলার মাটি থেকে উচ্ছেদ প্রকল্প রাষ্ট্রদ্রোহীতার পরিচয়।
তবে একটি বলিষ্ঠ জাতি এটা এতো ঘুরিয়ে করবে না। করবে সরকারের মাধ্যমে, জাতীয়ভাবে। জাতি সংহত হলে তার সরকার অবশ্যই সেটা করে। কিন্তু আগে প্রয়োজন অবস্থান ও করণীয়কে সনাক্তকরণ।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@বাংলা আমার"জামাত রাজনীতি করে বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত।"
কথাটা কি ভেবে বললেন?
জামাত শুধুমাত্র ছলচাতুরী আর ষড়যন্ত্র করে এখনো টিকে আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, ক্ষমা ওদের নেই। কোন প্রকল্প রাষ্ট্রদ্রোহীতা সেটা সময়ই বলে দেবে।
বীর বলেছেন:
জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে না বর্তমানসরকার, তাই এ সময় এই ধরনের দাবী করা মানে হইলো ধান্দাবাজী রাজনীতির নতুন পর্ব শুরু করা।একমাত্র নির্বাচিত সংসদই পারে জামাত কে নিষিদ্ধ করতে।দুঃখের বিষয় হইলো গত ১৫ বছর যারা দেশ শাসন করেছে মুক্তিযুদ্ধর চেতনার কথা
বলে ভোট নিয়েছে তারা কেউ এই দাবী করেনি।
আজকের দাবীর মধ্য অন্য কিছু আছে চেতনা নাই!
৫
প্রশ্ন কত বলেছেন:
একটি দেশের অধিকাংশ মানুষ কখনো ভুল সিদ্বান্ত নেয় না।জামাত যদি দেশের জন্য,দেশের মানুষের জন্য খারাপ হয়ে থাকে,তাহলে জনগনের ভোটে ওরা কখনো ক্ষমতায় যাইতে পারবে না ।আর মুক্তিযোদ্দারাআকাম করতে করতে (যেমন জাহানগীর নগর ভাসিটিতে সেন্চুরী করছিল,৭১'এও মনে হয় কেউ সেন্চুরী করে নাই) জামাতীগো পিছন ফালাইয়া দেয়,তয় যতই ফাল পারেন,জামাতি গো আটকাইতে পারবেন না ।মানুষ মন্দের ভালো জামাতিগোর পিছনেই যাইব ।তখন মুক্তিযোদ্দারাই নিষিদ্দ হই যাইব।তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে ।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ধৈর্য ধরুন, দেখুন! অপরাধীকে জামাত বা স্বাধীনতা পক্ষ বলে কেউই বাঁচাতে পারবে না। সময় ফুরিয়ে এল বলে। এই দেশটা কোটি মানুশের; কিছু যুদ্ধাপরাধীদের নয়, যেমন নয় কিছু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
প্রথমেই বলে নেই, আমার মতো অল্পশিক্ষিতের পক্ষে আপনার এই পোষ্টটি বোঝা বেশ মুশকিল। তাই ভূল বুঝলে মাফ করে দিবেন।আপনি আগের পোষ্টটিতে বলেছেন -
"যুদ্ধ যেমন নীতির সংগ্রাম নয়, যুদ্ধ জয়ের পরের ঘটনা বিচারও কোন আদর্শ দিয়ে করা হয় না।"
এখানে যা বলেছেন -"অর্থাৎ আদর্শ বা নীতিটার বিলোপ বেশি জরুরি। আমি আগের পর্বে বলেছি, যুদ্ধরতদের নীতি প্রতিষ্ঠার একমাত্র ইতিহাসসিদ্ধ মাপকাঠি যুদ্ধজয়। যুদ্ধজয়ের অর্থ যুদ্ধজয়ীর নীতির প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধপরাস্তের নীতির বিলোপ।" দুটোকি এক হলো?
আমি এখানে যা দেখছি "জোর যার মুল্লুক তার" নীতির সাফাই। অর্থাৎ ভালো মন্দ যাই হোক 'উইনার্স টেকস অল'। তাই ৭১ -এ যদি পাকিস্থানীরা জিততো তবে আপনি বলতেন বাংগালীর সকল চিহ্ন মুছে দিতে কিংবা আপনার মতানুযায়ী আমেরিকানরা বাগদাদের যাদুঘগুলি লুটতে দিয়ে সঠিক কাজটিই করেছে এবং তাদের উচিৎ ইরাকীদের জাতিয়তার পরিচয় মুছে দেয়া। বড়ই সুবিধাবাদি রাজনীতি আপনার।
যুদ্ধজয় ভালো বা মন্দের নির্নায়ক নয় । কখোনো কখোনো মন্দও ভালোর উপরে চেপে বসে। কিন্তু সৎ ব্যাক্তি মাত্রই ভালোর পক্ষে থাকতে দৃড় প্রতিজ্ঞ তা সে অন্যায় সয়ে হলেউ।
রাজনৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে ব্যার্থশক্তি অন্যকে জোর প্রয়োগে নির্মূলের স্বপ্ন দেখে যে টি করেছিল পাকিস্থানীরা আমাদের বুদ্ধিজীবেদের হত্যার মাধ্যমে ।
"বাংলাদেশের অভ্যুদয় যেহেতু একটি যুদ্ধ ও তার বিজয় দিয়ে, এখানে যুদ্ধপরাস্ত-নীতির বিকাশের সুযোগ দেয়াটা বাংলাদেশের জন্য শুধু বিজয় ফিরিয়ে দেয়া নয়, বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্কের সুযোগ রেখে দেয়া" - বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গোড়া এতটাই ঠুনকো নয় সামান্য কয়েকজন দেশবিরোধীদের বিতর্কের কারনে উড়ে যাবে। আপনি বরংচ এমন একটি ডিক্টেটরশিপের রাস্তা উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন যেখানে ভিন্নামতাবলম্বদের দেশদ্রোহি বানিয়ে সহজেই নির্মূল করা হবে (তার কিছুটা নমুনা আমরা অলরেডি দেখেছি , সামরিক ও বেসামরিক দুই শাষনামলেই) আপনার কাছে যদি উন্নত যুক্তি থাকে তবে তার মাধ্যমে বিরোধিতার মোকাবেলা করুন।
পাশ্চাত্য সকল সময়েই আমাদের উদাহরন নয়। তাই উদের নীতিতে বিভ্রান্ত হবেন না। ওরা জোর যার মুল্লুক তার নীতির প্রকৃষ্ঠ উদাহরন। এরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তির পালক ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ।
এই পোস্টে বলেছি যুদ্ধজয়ী দেশ হিসেবে যুদ্ধপরাস্তের নীতি লোপ করা আমাদের কর্তব্য।
"পাকিস্থানীরা জিততো তবে আপনি বলতেন বাংগালীর সকল চিহ্ন মুছে দিতে" দুর্বল ও আংশিক যুক্তি। আমি বাঙালি। তাই আমার পক্ষ কি হবে এটা আপনার বোঝা উচিত। ইতিহাসের আলোকে বিষয়ের দেখার বাইরেও একটা জাতিগত দায়বদ্ধতা আমি বোধ করি।
"ডিক্টেটরশীপ"। পাশ্চাত্য তাদের বিজিতদের নীতি বিলোপ করে। এটাকে আপনি ডিক্টেটরশীপ বলতে পারেন। কিন্তু এটি অস্তিত্বকে দৃঢ় করার জন্য একটি বিচক্ষণ দেশ করবে। এটি কার্যকর ও জরুরি। হাজার বছরের ইতিহাস তাই বলে। আপনি কি মনে করেন আমেরিকার অস্তিত্ব এতই ঠুনকো যে দু চারটি নব্য নাৎসী দলকে অধিকার দিলে তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে? তবুও সুদূর প্রসারী চিন্তা থেকে এই পদপক্ষেপ, আজকে সুযোগ দেয়া মানে ভবিষ্যতের বিকাশের সম্ভাবনা করে দেয়া।
"পাশ্চাত্য সকল সময়েই আমাদের উদাহরন নয়। তাই উদের নীতিতে বিভ্রান্ত হবেন না। ওরা জোর যার মুল্লুক তার নীতির প্রকৃষ্ঠ উদাহরন। এরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তির পালক ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ।" আপনার শেষ লাইনের প্রতি সম্পূর্ণ একমত। মনে রাখবেন, উদারনীতির যে কথা বলছেন, ওদের নিজস্ব নীতির বদলে গ্রহণ করতে, সেটাও কিন্তু তাদের তৈরি, দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে আরো দুর্বল করার জন্য। তারা নিজেদের দেশকে সংহত করে ও আমাদের দেশে নিজস্ব অনুচর প্রবেশ করিয়ে উদারনীতি গ্রহণের কথা বলে। তারা শক্তিশালী, আমরা দুর্বল। ব্যাপার দুটি তুলনা করলে বুঝতে পারবেন, কোনটা মোক্ষম নীতি।
"উন্নত যুক্তি"। এটা ইতিহাস ও রাজনীতিবিজ্ঞানগত ব্যাখ্যা। একেকটি সাম্রাজ্য কিভাবে টেকে, বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রসমূহ কিভাবে তাদের দেশের নীতি নির্ধারণ করে সেটা এখানে বাংলাদেশের জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যবহারিক মূল্য বিচারের মাপকাঠি ন্যায়বিচার নয়, ফলাফল। পশ্চিম থেকে বিজ্ঞান শিখি তাদেরটা অগ্রসর বলে। তাদেরটা রাষ্ট্রনীতিটাও শেখা প্রয়োজন, তাদের রাষ্ট্রনীতি অধিক কার্যকর বিধায়।
ভালো পোস্ট। এই পোস্টটিকে ভার্চুয়েল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নিকগুলো কেন রেটিং করে টপরেটেড পোস্টে নিয়ে গেলো না? এখানে টপ রেটেড হওয়ার অর্থ শুধু পিট চাপরানো না, পোস্টটি ১ সপ্তাহ প্রথম পৃষ্ঠায় থাকার সুযোগ পাওয়া, যাতে অধিক সংখ্যক পাঠক পড়ার সুযোগ পান।
আমার ব্যাখ্যাটা জটিল ও সহজবোধগম্য নয়। আমেরিকার যুদ্ধের ইতিহাস পড়ছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত আমেরিকার কোন সামরিক বিশ্লেষকও কিন্তু এই পন্থায় ভাবতে পারতো না। প্রথম যিনি আমেরিকায় এধরনের স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেন, তিনি সেই পাঠ শিখে এসেছিলেন জার্মানি থেকে। অতঃপর এখন পশ্চিমা বিশ্ব এটিকে গ্রহণ করেছে। আমরা এখনো ব্যাপারটি বুঝবো না এটাই স্বাভাবিক। সরকার নিজেকে দুর্বল ভাবে, এটাও বাংলাদেশের জন্য ঠিক অস্বাভাবিক নয়। করণীয় ও বাস্তবতা এখানে আলাদা।
আমাদের অগ্রগতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা আমি মনে করি, আমাদের সমাজ বাস্তবতায় এমন একটা প্রবণতা প্রাধান্য বিস্তার করে আছে যে, গতানুগতার বাইরে কোন কথা কেউ গ্রহণ করতে চায় না। কিংবা কেউ রাজনীতি বিষয়ে কিছু বললে, প্রথমেই ভাবেন কথাগুলো কার পক্ষে বলা হলো অথবা কার বিপক্ষে যাচ্ছে। ব্যাস, শুরু হয়ে গেলো না-বুঝেই বিরোধিতা। ফলে দেশপ্রেমিক জনতার অনেককে গত ছত্রিশ বছরে দেশপ্রেমিক জনতার অন্য অংশের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে দেখা গেছে। আমরাই দেশের জনতাকে বহুধা বিভক্ত করে রেখেছি।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
আপনার ব্যাখাটি ধীরে ধীরে একটু একটু বুঝতে শুরু করেছি। কিন্তু যতটুকু বুঝছি তাতে এটিকে বিপদজনক মতাদর্শ বলেই মনে হচ্ছে। যে মতাদর্শ যুক্তির চেয়ে গায়ের জোরকে প্রাধান্য দেয়, অধিকার চায় কিন্তু তা ন্যায্য না অন্যায্য তা বিচার করেনা। আপনি ঠিকই বলেছেন এই মতাদর্শের জন্ম জার্মানীতে এবং তা নাৎসীদের হাতে। বর্তমানে বুশপ্রাসশন এই নীতির প্রধান বাস্তবায়ক।এই নীতি একটি বিশ্বযুদ্ধের জন্ম দিয়েছে হয়তো আরো দেবে। বিশ্ব চেয়েছিল এই নীতির নির্মূল অথচ এই নীতির এখনো বহাল তবিয়তে চর্চা চলছে। আল-জাজিরাতে একটি ডকুমেন্টারীতে দেখলাম দক্ষিন আমেরিকাতে নিও-নাৎসীদের তৎপরতা। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ইকুয়েডর, চিলি ইত্যাদি দেশে তারা এখন অত্যন্ত সক্রিয়। তারা এখন প্রকাশ্যে সস্তিকা নিয়ে মিছিল করে হিটলারকে স্যালুট করে। ৫ সেপ্টেম্বর তাদের বিশেষ দিন। তারা বিদেশী, মাইনোরিটি বিশেষত ইহুদীদের দু-চোখে দেখতে পারেনা এবং গুপ্তভাবে আক্রমন করে। একজন স্ব-স্বীকৃত নাৎসী নেতা সাক্ষাৎকারে বললেন তার কর্মপরিধী ও কর্মসূচি। তারা ইন্টারনেটের সহায়তায় ধীরে ধীরে কর্মী সংগ্রহ করছে এবং টার্গেটে পৌছাতে ও সরকারকে চ্যালেঞ্জ করার দৃড় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছে সে।
এরা হলো সেই দল যারা জাতিগত পরিশুদ্ধিতায় বিশ্বাস করে। রাশিয়ায় গত বছর এদের হামলায় অনেক ব্যাক্তিই নিহত হয়েছে। একজন ভারতীয় নাগরীকের উপর হামলা ব্যাপক মিডিয়া কাভারেজ পেয়েছে। জার্মানীয়তে এদের তৎপরতা ভিষন ভয়ঙ্কর। কিছুদিন আগে কিছু তুর্কীদের আক্রমন করে আহত করে। তারা পালিয়ে বাচলেউ প্রথমে পুলিশ তাদের সাথে দুর্ব্যাবহার করে পরে ব্যাপক মিডিয়া কাভারেজের কারনে নিজেদের সাফাই গাইতে থাকে। বর্তমানে চরম দক্ষিন পন্থী ইউরোপিয়ান দলগুলো (যেমন ইংল্যান্ডের বি.এন.পি, বেলজিয়ামের ভ্লামস বেলাং) একটি বিশেষ মোর্চা গঠন করেছে যাতে করে তারা ইউরোপিয় পার্লামেন্ট কতৃক স্বীকৃত ও ফান্ড বরাদ্দ পাবে । এই সব ডানপন্থী দলের দাবী বিশুদ্ধ ইউরোপ। এরা উদার ইমিগ্রেশনের ঘোর বিরোধী - একমাত্র অডজব করার জন্যই বিদেশীদের সাময়িক ভাবে থাকার অনুমুতি দেয়া যেতে পারে। ইসলাম ও মুসলমান এদের কাছে আতংক। ইউরোপে কোন মসজিদের চিহ্ন রাখতে এরা রাজি নয়। এরা চায় ইউরোপিয় ইউনিয়ন হবে একতটি বিশুদ্ধ খৃষ্টান ক্লাব।
আমি স্বীকার করি চরম ডানপন্থী ধ্যান-ধারনা আবার পূনরুজ্জিবিত হচ্ছে। Either you r with us or with them; there is no in between -এটিই এখন মুল মন্ত্র। দেখুন তালেবানরা কিন্তু এটিই করতে চেয়েছিল আফগানিস্থানে। আপনার কি মনে পড়ে পর্বতের মাঝে বিশাল বিশাল বৌদ্ধ মুর্তি ভেঙ্গে কিন্তু তারা পুর্বতন সকল চিহ্ন মুছে তারা বিশুদ্ধ ইসলামী রাষ্ট্রই চেয়েছিল।
এই সব চরম দক্ষিন পন্থি ধারনা কিন্তু শুধু রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনা। এর চর্চা শুরু হয় গোত্রে গোত্রে। ইরাকের সহ বহু ভাতৃঘাতি যুদ্ধের মূল হলো অন্যের চিহ্ন মুছে ফেলার প্রয়াস। সাদ্দামের পতনের পর শিয়ারা চেষ্টা করছে সুন্নিদের সব চিহ্ন মুছে ফেলতে। আর সুন্নিরা করছে তার প্রতিরোধ। আরবরা চেষ্টা করেছে কুর্দীদের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য। তাই মুসলমান হওয়া স্বত্বেউ কুর্দিরা আরবদের জানি দুশমন।
অপরপক্ষে, ভারতবর্ষ সহ বহু স্থানে ইসলাম তার বিজয় অভিযানে শুধু আদর্শিক পরিবর্তনেই আগ্রহী ছিল সে আপন করে নিয়েছে স্থানীয় আচার আর কৃষ্টিকে। আপনি তাই দেখতে পাবেন ইন্দোনেশিয়ার বা মালয়শিয়ার মুসলমানের সাথে ভারতিয় বা আরব মুসলমানদের আচারগত কত অ-মিল। ইসলামী শাষকরা তার বিজিত এলাকার চিহ্ন ধ্বংস করেনি তাই আজো ভারতে মূঘলদের সম্মানের সাথে স্মরন করা হয়।
জার্মানির পদার্থবিজ্ঞান আর নাৎসীবাদ যেমন সমার্থক নয়, জার্মানির রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর নাৎসীবাদও তেমনি সমার্থক নয়। "এই মতাদর্শের জন্ম জার্মানীতে এবং তা নাৎসীদের হাতে।" জার্মানি আর নাৎসীও তেমনি সমার্থক নয়। বিভিন্ন ফ্যাকাল্টিতে জার্মানির উন্নতি আজকের কথা নয়। এটা বিজ্ঞানের মতই একটি টুল। অবজেকটিভ হচ্ছে যুদ্ধসংশ্লিষ্ট আদর্শের জয়কে প্রতিষ্ঠিত করা। আমেরিকা টুলটা নিয়েছে, অন্যান্য বিজ্ঞানের সূত্রের মত। নাৎসীবাদ কিন্তু নেয় নি। ব্যাপারটা এমন, ধরুন আপনি নিজের নীতিটাকে ন্যায্য মনে করেন। গায়ে পড়ে যুদ্ধেও যান না। কিন্তু অপনীতি এমন আগ্রাসী, যে আপনার নীতি হুমকির মুখে। এমতাবস্থায় সুনীতির প্রতিষ্ঠার জন্যও অপনীতির দমনের কথা বলে এই টুল। যেমনটা যেএমবির জন্য গ্রহণ করতে হয়েছিল। সেটা কি নাৎসীবাদ ছিল? আপনি কি সত্যিই ব্যাপারটা আস্তে আস্তে বুঝতে শুরু করেছেন।
নাৎসীবাদ বিপদজনক। পৃথিবীর জন্য, যে জাতি গ্রহণ করবে তার জন্য। আমি এ জাতির অগ্রসরতার উপায় বের করছি, বিপদে যাবার পথ নয়। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করবে বাংলাদেশকে দুর্বল করার জন্য। এটা হল আমার অনুমান। সে উদ্দেশ্যে আমেরিকা তাদেরকে সাথে নিয়েছে। আমেরিকার বিশ্বনীতি অনুযায়ী তারা হয়তো তাদের নিজের জন্য ঠিক কাজ করছে। ভবিষ্যতের বিচারে তাদের প্রাধান্য দৃঢ় করছে। আমাদেরকে আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য ঠিক কাজটা করতে হবে। প্রতিযোগী পক্ষের নীতিটা শিখতে হবে। নিজেদের কাজে লাগাতে হবে। নিজেদের ভালোটা বুঝতে হবে। বলিষ্ঠ হওয়া নাৎসীবাদ নয়, খুব স্বাভাবিক কিন্তু জরুরি বিষয়। ন্যায্যমতাদর্শের কথা বললে আমি প্রথমে দেশের সামরিক বাহিনী উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলতাম। যুদ্ধ তো নির্দ্বিধায় পরিহার্য। তবে সেটা কেন হাস্যকর শোনাতো? কেননা, সেই নীতি প্রতিযোগী পক্ষসমূহ বিশ্বাস করে না। আমি যে নীতির কথা বলছি, সেটাও সামরিক বাহিনী কে রাখা বা শক্তিশালী করার মত সমার্থক। বাস্তবতাসিদ্ধ। বলিষ্ঠ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশে আমাদের তাই মোহমুক্তি প্রয়োজন। কেননা, প্রকৃতি নিদারুণ মোহমুক্ত।
ইকারুস বলেছেন:
জামাত নিয়ে ব্লগে যে উত্তেজনা চলছে তার মধ্যে অপেক্ষাকৃত ভাল ও যুক্তিপূর্ণ মনে হল।কিন্তু পোষ্ট আর মন্তব্য পড়ে মর্মাহত হতে হল।
প্রাপ্ত যুক্তিগুলো যে সব পাওয়া গেল তা নিয়ে আমার মতামত:
১. নাৎসীবাদের সাথে জামাতবাদের তুলনা কেন জানি খাপ খায়না। কারণ, (ক) যুদ্ধপরিস্থিতিতে নাতসীরা ছিল মূল শক্তি। (খ) যুদ্ধে হারায় তাদের হার ছিল সুস্পষ্ট (গ) যুদ্ধাপরাধ তারা অস্বীকার করেনি।
আজ যদি কথা উঠত পাক-বাদ বা মুসলিম লীগ নিয়ে তাহলে হয়ত এগুলো প্রযোজ্য হত।
কিন্ত জামাতের ক্ষেত্রে নয়।
২.
শামীম আহেমদ বলেছেন:
@ ইকারুসজামাতের সাথে নাজিদের তুলনা আমি করিনি। আমি শুধু বলেছি জাতিগতভাবে শুদ্ধ হবার ধারনার প্রবক্তা হচ্ছে নাজিরা আর এই ধারনার প্রচারক হচ্ছে চরম ডানপন্থী দলগুলো। জোর করে চিহ্ন মুছার চেষ্টার জন্য বর্তমান কালে তালেবানরা ও ইরাকে আমেরিকানরা বিখ্যাত হয়েছে। কিন্তু এগুলি বিশ্ব শান্তির জন্য সহায়ক হয়নি। দক্ষিন আফ্রিকাতে কালোরা কিন্তু সাদাদের উপর প্রতিশোধ নিতে পারতো কিন্তু তারা তা করেনি বৃহত্তর কল্যানের স্বার্থে তারা ন্যাশনাল রিকোন্সিলেয়েশনের মাধ্যমে এগিয়ে এসেছে। আমরা বৃটিশদের চিহ্ন একেবারে উপরে ফেলিনি। আজকে যদি আমরা বৃটিশদের সব চিহ্ন উপরে ফেলার চেষ্টা করি তবে আমরা জাতি হিসাবে আমরা অনেক পিছিয়ে যাব। আমি আবার বলছি আমি যুদ্ধোপরাধীদের বিচার চাই কিন্তু জামাতের রাজনিতি বন্ধের সাথে এই দাবী গুলিয়ে ফেলার পক্ষপাতি নই। যুদ্ধপরাধীদের বিচার শুরু হলে জামাতের যুদ্ধাপরাধীরা এমনিতেই বাদ পড়ে যাবে। তারপর যুদ্ধাপরাধী মুক্ত জামাতকে যদি কেউ নতুন ফর্মে গড়তে চায় তবে তা করতে দেয়া উচিত। তাই জামাত বন্ধের সস্তা দাবী না করে আমাদের মুল দাবী হওয়া উচিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এবং এই প্রশ্নে আমাদের একমত হওয়া জরুরী।
যে দুটা জিনিস দরকার,
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর সেজন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের পৃষ্ঠপোষকতা ... যতদিন রাষ্ট্র পৃষ্ঠপোষকতা করা শুরু করবেনা, ততদিন নাগরিককে টেনে নিয়ে যেতে হবে ব্যাপারটা ... অবশ্যই সুকৌশলে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















হ, এই জন্যই জামাতসহ আর তাগো আদর্শ, নীতি নিষিদ্ধ করা জরুরী।