আমার প্রিয় পোস্ট

মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা কিংবা অক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত। তা হলো নিজের উপর নিয়ন্ত্রন

বৃত্তবন্দী (ছবি ব্লগ)

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

শেয়ারঃ
0 1 0

ইদানিং অনেক বেশি ঘুরে বেড়ানো হয় এখানে সেখানে। সাথে অনেকের মতন থাকে আমার সবচেয়ে কাছের আর প্রিয় সঙ্গী ক্যামেরা। প্রকৃতি আমার অনেক ভালো লাগে। তাই ল্যান্ডস্কেপ তোলার ঝোক বেশি। ভালো লাগে মানুষের জীবন যাত্রা। মানুষের চাল চলন। ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন যাত্রা। এজন্য ভালো লাগে লাইফ স্টাইলের ছবি তুলতে। অবশ্য আমি অনেক বেশি বেশি নবিশ এই ধরনের ছবি তোলার জন্য। আর একটা জিনিষ আমাকে অনেক বেশি টানে। শিশুদের নিষ্পাপ মুখ। পোর্ট্রেট তুলতে আমার তেমন একটা ভাল লাগে না। তবে শিশুদের নিষ্পাপ এক্সপ্রেশন গুলো কেমন যেন বুকের মধ্যে বিধে। যত জায়গায় গিয়েছি, সব শিশুরা এক। এরা যুদ্ধ করছে ভাল ভাবে বেঁচে থাকার। তারপরেও মিষ্টি হাসিটা ছেয়ে আছে কোথাও না কোথাও। চেষ্টা করি আনন্দময় মুহুর্তের ছবি তুলতে। মানুষের কষ্টকে ফ্রেম বন্দী করতে ভাল লাগে না। মানুষের দুর্বলতাকে আড়াল করে রাখাই শ্রেয় মনে হয়। সবসময় সম্ভব হয় না। তাই চলে আসে তাদের অসহায়ত্বের কিছু মুহুর্ত। যে সব জায়গায় ঘুড়ে বেড়ানো হয়, শহরের আভিজাত্য ও কাঠিন্য থেকে অনেক দূরে। তাই অনেক বেশি সরল তাদের জীবনযাপন। এই সারল্য খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। আর এই সারল্য এবং সংগ্রামের বৃত্তেই বন্দী এরা সবাই। আমার অসাধারন শৈশব, অনেক সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠা আর ওদের এই সুবিধা বঞ্চনা ওই সব মুহুর্তে আমাকে ভাবায়। তাদেরকে নিয়েই এই পোষ্ট। আমার খুব প্রিয় একটা নিক বৃত্তবন্দী। তাকে বলেছিলাম তার নিকটা কোনো একদিন ধার নিব। আজ নিলাম।

এটাই আমার প্রথম ছবি ব্লগ পোষ্ট। এই পোষ্ট উৎসর্গ করলাম বৃত্তবন্দী আর অপসরা আপু কে।

বিঃদ্রঃ ছবিগুলো ফটোসপে খানিকটা (কালার,এক্সপোজার,কন্ট্রাস্ট) এডিট করা। হয়তো অনেকেই এটা ভাল চোখে দেখেন না। তাই যাদের ভাল লাগবে না তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থি। প্রথম ছবিটা বিজয় দিবসের দিন শহীদ মিনারের সামনে থেকে তোলা। বিজয় দিবসের দিনে শহীদ মিনারের সামনে বাদাম বিক্রি করছিল ছেলেটা। বিজয়ের উৎসবে বিজয়ের সাজে পতাকা মাথায়।



ফুটফুটে মেয়েটির নাম জিজ্ঞেস করেছি দুবার। জবাব দেয়নি। জিজ্ঞেস করলাম তার একটা ছবি তুলতে পারি কিনা। বললো নাহ। আমি খুব আফসোস করতে লাগলাম, কারন তার সাজ পোশাক আর এক্সপ্রেশনটা খুব ভালো লাগছিল। পরে আবার কি মনে করে সে নিজে এসে আমাকে বললো তার একটা ছবি তুলে দিতে। ছবিটা তুলেছি নিঝুম দ্বীপে। বাংলোর সামনে।



নিঝুম দ্বীপ যাবার সময় আমাদের লঞ্চ মনপুরা স্টেশনে দাড়ালো এসে। দেখলাম ছোট একটা স্টেশনে ভোরের অসাধারন আবহ। লঞ্চ ঘাটে কিছু শিশু অপেক্ষা করছে, যদি কারো কোনো কুলি লাগে, যদি ক'টা টাকা পাওয়া যায়। আমি লঞ্চের তৃতীয়তলায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। ক্যামেরা ভিউ ফাইন্ডারের মধ্য দিয়ে। অপেক্ষা করছিলাম যদি একবার উপরের দিকে তাকায়। দেরি করিনি সুযোগ পাবার সাথে সাথে।



ঘাস কেটে নিয়ে যাচ্ছিল ছেলেটা। সন্ধ্যে হয়ে আসছিল প্রায়। নিঝুম দ্বীপ বিচ থেকে ফিরছিলাম। ঝুপিটা মাথায় নিতেই দেখলাম একটা অন্যরকম আবহ হয়ে গেল সিল্যুট হিসেবে। সাথে সাথেই ক্লিক।



মেয়েটাকে দেখতে অদ্ভুত লাগছিল। মাথায় চুবিয়ে তেল দিয়ে এত সুন্দর করে চুল আচড়ে এসেছে। ছোট্ট ঝুটিতে একটা লাল ব্যান্ড বাধা। জামা পরেনি কোনো। মেয়েটার চেহারায় কিযে অদ্ভুত একটা মায়া ঠিক বলে বোঝাতে পারবো না।



এই বাচ্চাটার ছবি তুলবনা তুলবনা করেও তুলে ফেললাম। এই বয়সের শিশুদের ছবি তুলতে গেলেই এরা কান্না শুরু করে দেয়। কারন মা থাকে না আসে পাশে। নিঝুম দ্বীপের মানুষদেরকে একটু বেশি রক্ষনশীল মনে হয়েছে। মা শিশুর ছবি আগেও অনেক তুলেছি। বেশিরভাগ সময় বেশ আগ্রহ নিয়ে ছবি তোলে সবাই। তবে ওখানে সবাই ক্যামেরা দেখেই দৌড়ে ঘরে ঢুকে যায়।



এটাও নিঝুমদ্বীপে তোলা। মেয়েটার বিমর্ষ চেহারা দেখে খুব খারাপ লাগছিল। মেয়েটার সাথে ওর বাবা আর ভাইও ছিল। সবার মাথায় অনেক কাঠ বোঝাই করা। ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিল রাস্তার পাশে বসে। অনেকক্ষন কথা হয়েছিল ওদের সাথে।



এটা দূর্গাপুরে তোলা। পাহাড়ের কোল ঘেষে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটির নাম দিয়েছি আমি পাহাড়ি ছেলে। কি সাবলীল ভাবে এবড়ো থেবড়ো রাস্তা দিতে হেটে চলে। খালি পায়ে পাথর কণার উপর দিয়ে দৌড়ে বেড়ায়। ছেলেটির নাম শাহানুর। বয়স আট।



মেঠো পথ ধরে দুটি শিশু হেটে চলে বিকেলের সূর্যস্নানের মধ্য দিয়ে। খুবই অন্তরঙ্গ চলাচল। মনে পরে যায় শৈশবের কথা। বন্ধুর কাধে হাত রেখে চলা সেই দিনগুলো।



এটা নিঝুম দ্বীপে তোলা। ওদের কাচা ঘর গুলোতে এমনই গাছের শুকনো পাতা দিয়ে আড়াল করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে আমাদের হেটে যেতে দেখে আড়াল থেকে উকি দিয়েছিল নিষ্পাপ চেহারার এই ছেলেটি। ক্লিক।



এই ড্যাসিং কিউট বাচ্চাটার ছবি তুলেছি দূর্গাপুরে। মুড়ির মোয়া কিনে দিয়েছিলাম। সেটা খেতে খেতে আমার নাম জিজ্ঞেশ করছিল। কি যে কিউট বাচ্চাটা।



সমেস্বরী নদীতে নৌকায় চরে যাচ্ছিলাম। দেখলাম মেয়েটি নদীর কিনার ঘেষে কি যেনো করছে। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো। আমার মা এখনো মাঝে মাঝে আমি কোথাও যাচ্ছি শুনলে ভয় পায়। বিশেষ করে নদী, সমুদ্র, হাওড়। আরো স্পেসিফাই করলে পানি। আর এই ছোট্ট মেয়েটা ভাঙ্গতে থাকা নদীর কূল ঘেষে খেলছে। অদ্ভুত।



কাউকে নিশ্চয় বলে দিতে হবে না যে এই ছেলেটি তার চেয়ে বড় সাইজের কোদালটা নিয়ে মাটি কাটতে যাচ্ছে। কাধে নেয়া কোদালটা দেখেই আমার মনে হলো এটা নিয়ে মাটিতে কোপ দিতে আমারই অনেক পরিশ্রম করতে হবে।



মৃত প্রায় সমেস্বরীর ব্রিজে তোলা এই ছবিটি। শিশু দুটো কাজের সন্ধানে বের হলো বোধহয় সাত সকালে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছবি ব্লগ ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনসুর।

২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ। আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে দ্বিতীয় ছবিটা।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হামা।

৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
রোহান বলেছেন: অনেকদিন ধইরা ভাবতাছিলাম তুমারে কমু যে মিয়া তুমি ফটু ব্লগ পোষ্টাওনা কেন...

এইরাম পোষ্ট এখন থিকা নিয়মিত পোষ্টাইও...
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: ছবি ব্লগ দিতে ক্লান্ত লাগে। :(

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: ধইন্যা

৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: লা জওয়াব রে....চরম...
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ধইন্যা বিলাই ভাই। দেহি একগাদা বিলাইয়ের ছবি তুইলা পোষ্টামুনে একবার। :)

৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
ভাঙ্গন বলেছেন: অসাধারণ,অনবদ্য কিছু ছবি।
সংগ্রহে রাখছি।


....
বৃত্তবন্দীকে অনেক অনেক মিস করছি।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: হ বৃত্তরে মিস্করি। কমেন্টের লাইগা ধইন্যা।

৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
যীশূ বলেছেন: ছবিগুলো অনেক ভালো হয়েছে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশুদা।

৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
চতুষ্কোণ বলেছেন: অনেকগুলোই আগে দেখেছি। কয়েকটা নতুন। ভাল লাগল।

ব্রজের উপর ভ্যান টানার ছবিটা কোথায়?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: আছে, দিমুনি পরে কুনু একসময়।

৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: আমারে তুমার ছাত্র কইরা লও।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি নিজে গুরু খুজতাছি। আগে কিছু শিখি।

১০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
পারভেজ বলেছেন: পোট্টেটগুলো বেশ ভালো লাগলো।
ছবির এডিটিং পছন্দ না :|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ছবি এডিটিং না ঠিক, এটাকে আমি বলি এনহেন্স করা। কারেকশন করা। এডিটিং হইল ইলিয়াস কান্চনের মাথা শোয়েজনাগারের বডির উপরে বসানো। :) এই ব্যাপারে অনেকেরই আপত্তি আছে কোনো সন্দেহ নাই।

১১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
কাঠের খাঁচা বলেছেন: ভাল লাগল খুব।

খুব ইচ্ছা ফটোগ্রাফি শেখার। আপাতত ডিএসএলআর কেনার পয়সা নেই :( :(
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ব্যাপারনা। ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে একদিন।

১২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
ফয়সাল আকরাম বলেছেন: ভালইসে রাকিব :) পোস্ট প্রসেসিংটা আরেট্টু ভালমতো শিক্ষালাও....তোমার কম্পো গেটিং বেটার দিনে দিনে.... কয়েকটা তো সেইরম হইসে.... এইখানে কিছু ভাল ছবি আসে যে গুলারে কিসু দূর্বল ছবি ম্লান কইরা দিতাসে.... পোস্ট প্রসেসিং এর লগে লগে তাই নিজের ছবি এডিটিংটাও চর্চা করো...পাঠশালায় এই একটা জিনিস শিখসি....সব ছবি পাবলিশ করতে হয় না :)

তুমারে লইয়া গর্বিত.....লাগে রাহো :)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: তুমার লগে কি কথা আছিল মিয়া? আমারে প্রসেসিংটা শিখানোর কথা। তুমি ফাকিবাজী করছ। নইলে এতদিনে অনেক দূর আগাইয়া যাইতাম। :) পাঠশালায় ভর্তি হমু দেখি। মাথায় যখন ঢুকছে, তখন আর পিছনে তাকাইয়া লাভ নাই। :)

১৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
বড় বিলাই বলেছেন: খুব খুব সুন্দর।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চমৎকার রাকিব...। এই পোষ্টে কমেন্ট করার জন্যই লগইন করলাম।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
শ।মসীর বলেছেন: স্বাগতম :):)

ভাল হইছে, ফয়সাল সব কথা কইয়া দিছে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হ ফয়সাল মিয়া একজন বিশিষ্ট ফাকিবাজ। নইলে এতদিনে আরো অনেক ভালো হইত সব কিছু। স্বাগতম দেয়ার লাইগা ধইন্যা।

১৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
পুরাতন বলেছেন: খুব সুন্দর হয়েছে :)

আমি থাকবোনা তাই আর দাওয়াত দিলাম না ;)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আপ্নেও ফাকিবাজী করতাছেন। থাকেবন না তো কি হইছে? আইসা খাওয়াইবেন। এমন সুন্দর উপলক্ষ্য আর আছে নাকি? এট্টু কষ্ট করলে কি হয়রে ভাই? :) ধইন্যা।

১৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
অপ্‌সরা বলেছেন: এটাই আমার প্রথম ছবি ব্লগ পোষ্ট। এই পোষ্ট উৎসর্গ করলাম বৃত্তবন্দী আর অপসরা আপু কে।



আমাকে এত বড় উপ হার !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

কেনো ভাইয়া ?????????????????????????

এ মনিহার আমায় নাহি সাজে !!!!!!!!!!!!!!!!!!


অনেক অনেক ধন্যবাদ!!!!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: বৃত্তবন্দীকে উৎসর্গ করেছি তার নিক ধার নেয়ায়। আর আপনাকে উৎসর্গ করলাম শিশুদের নিয়ে আপনার অকৃত্রিম ভালো বাসার সুন্দর বহিঃপ্রকাশকে সন্মান করে। :)

১৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ছবির ব্যাপারে আমি মুর্খ মানব- কী আর বলব?
ভাল লেগেছে।
এগুলোর পেছনে আমার সরবরাহকৃত বইগুলোর কোন অবদান থাকলে ভাল লাগবে!
:#)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: তোমাকে একশ হাজার ধইন্যা বই গুলার জন্য।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: বাউলদা, অনেক ধইন্যা।

২০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
পাথুরে বলেছেন:
কয়েকটা ছবি অসাধারণ হৈসে মিয়া। এক্কেরে ফাটায়ালাইসো।

কাঠ মাথায় শিশুর ছবিটারে সবার উপ্রে রাখলাম।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: ধইন্যা পাথুরে।

২১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
রোহান বলেছেন: ইথার মিয়া আমারে বাদ দিয়া রাকু রে পিপি শিখাইলে মাইর আছে...

রাকু পিপি নিয়া আমার অনেক কিছু শিখনের আছে, একদিন কুচিং কেলাস করাইবা?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: আমি পিপি পারিনা। পারলে আমার বেশ কিছু ছবি অনেক ভালো হইয়া যাইতো।

২২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: অদ্ভুত জীবন্ত!

২য় ছবিটার শানে নুজুল কি?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: একটা কমেন্টে সব ছবির শানে নুযুল দিয়া দিতাছি। ওয়েট।

২৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ছবিগুলা জব্বর হইছে... আর সাবজেক্ট টাও জটিল... মেঠোপথটা কেন জানি পরিচিত মনে হচ্ছে... নষ্টালজিক হয়ে যাচ্ছি ... খুবই চমৎকার
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: মেঠো পথ দেখলেই কেন জানি মনে হয় খুব চেনা চেনারে। তোরে ধইন্যা কমেন্টের জন্য।

২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
রথে চেপে এলাম বলেছেন: অনেক সুন্দর লেগেছে। ++

ছবির ব্যাপারে কিছুই বুঝি না... তাই এতটুকুতেই চুপ। :)
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: ধইন্যা।

২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: দুর্দান্ত!!

আরো ছবিপোস্টের আশায় থাকলাম রাকিব ভাই।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: দেখা যাক, আলসেমি কাটিয়ে দেয়া হয় কিনা।

২৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৪
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আসলেই ভাল ।
silhouette টা বেশি ভাল লাগছে ।
কিন্তু এডিটিং করার কারণে দুই একটা অতটা ভাল লাগছে না ।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
নীরজন বলেছেন: অদ্ভুত রকমের সুন্দর.........



+
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: ধইন্যা

২৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন:

কয়েকটা ছবি দেখে স্রেফ মুগ্ধ হইলাম।
একটা কথা। ছবির প্রেক্ষাপট না বলে ছবির মানুষগুলোর কথা গল্পের মতো করে বর্ননা থাকলে আরো ভালো লাগতো।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: ছবি ভাল লাগল শুনে ভাল লাগলো। আসলে সব ছবির মানুষগুলোর কথা বলতে শুরু করলে প্রতিটা ছবি এক একটা পোষ্ট হয়ে যাবে। এত কথা কি আর বলে শেষ করা যায়? তাই দুয়েক লাইনে প্রেক্ষাপট বলার চেষ্টা করেছি মাত্র। পরের বার থেকে আরেকটু ডিটেইলস লেখার চেষ্টা করব।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাইফুর।

৩১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
দ্বিধা বলেছেন: মাথাডা আবার গরম হইসে!!...
তোর লগে কথা আসে...।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: তোর আবার মাথা গরম হইল কেলা? হাবীব মহাজনের পোষ্ট পরলি নাকি? ;)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: হুমাও ক্যা?

৩৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮
ভাঙ্গন বলেছেন: ঝাতি জান্তে চায় রাকু ভাইডি ভালা নি?
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আছিগো রুকু, চইলা যায় দিন। ভালা মন্দের কুনু বালাই নাই।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: :) আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।

৩৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭
দীপান্বিতা বলেছেন: অপূর্ব! আপনি তো দারুন ছবি তোলেন! শিশুদের ছবি! খুব সুন্দর!
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দীপাদি। এখনো শিখছি ছবি তোলা।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

৩৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
মনপুরা বলেছেন: সবগুলো ছবি অসাধারন।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মনপুরা।

৩৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: অনেকবার চুপিচুপি ঘুরে গেছি...

নীচের থেকে ১০ নংটা আমার সবচে পছন্দ হয়েছে...
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বৃত্ত। আমি ভেবেছিলাম আপনার চোখে পড়েনি।

৪০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: হেপি নিঊ ঈয়ার জেডা :)
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: :)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: চাইপা রাখিস না। টিস্যু লাগলে খবর দিস।

৪২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭
ভাঙ্গন বলেছেন: রাকু ভাইরে মিসাই।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: রাকু ভাই নাই। :(

৪৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৮
আনহা বলেছেন: অসাধারণ ছবি।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আনহা

৪৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৪
ভাঙ্গন বলেছেন: হট নিউজ!! ভাঙ্গনকে ব্যান করা হয়েছে!


.....
বড় করে দেখতে..
Click This Link
........
আজিব তামশা!!
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: তামশাই তামশা

৪৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৯
মেহবুবা বলেছেন: খুব সুন্দর ছবি ।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
মমমম১২ বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর
তবে আপনার এভাবে ঘোরা আর ছবি তোলার মজা দেখে আফসুস খাচ্ছি
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আফসুস খেয়ে আর কতদিন। ঘোরাঘুরি শুরু করেদিন । মিষ্টি মেয়েটাকে সাথে নিয়ে। :)

৪৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯
নীল-দর্পণ বলেছেন: অনেক সুন্দর ছবিগুলো :)
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। :)

৪৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪১
রাজসোহান বলেছেন: সুন্দর

ভাল লাগছে
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
ভাঙ্গন বলেছেন: এভাবেও ভুলে থাকা যায়:(:(:(
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: আছিরে বেভুল। যন্ত্রণা শেষ কইরাই আইসা পরব।

৫০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২২
কঁাকন বলেছেন: সুন্দর ছবি

একবার এক ফটোগ্রাফারের সাক্ষাৎকারে শুনছিলাম শিশুদের ছবি তোলা নাকি সবচেয়ে কঠিন তবে আমার নিজের মনে হয় এটাই একটু সোজা এদের যেভাবেই তুলেন ভালো লাগবে :)

আপনার এবারের প্রোফাইল পিক টা বেশ সুন্দর আপনার তোলা নাকি?
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যা কঁাকন। এই কথাটা ঠিক বলছেন। যেভাবেই তোলা হোক বাচ্চাদের সুন্দর লাগে। এত নিষ্পাপ ওরা। তবে চাইল্ড ফটোগ্রাফী অনেক কঠিন এটা ওই সেন্স এ, যে আপনি যেভাবে চাইছেন ওদের কাছ থেকে সেভাবে এক্সপ্রেশন আনাটা কঠিন। কিন্ত ওদের ন্যাচারাল এক্সপ্রেশন অনেক সুন্দর।

হমম। আমার সব প্রোপিকের ছবিই আমার তোলা। :)

৫১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৩
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: রাকু তুই কি বাঁইচা আছোস??
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: নাহ। মইরা গেছিরে। :(

৫২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
প্রতীক্ষা বলেছেন: ছবির চাইতে লেখাগুলো বেশি ভাল লাগছে, মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা!

ছবি একেবারেই ভাল লাগে নি, সব ছবির মধ্যে কেমন একটা কষ্ট কষ্ট!
কোন হাসি নেই, বিষন্ন!
আর কিছু ছবিতে কোন জামা নেই, এগুলো কেটে দিয়ে শুধু মুখ দিলে ভাল হত!
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রতীক্ষা। সব সময় কি আর হাসি খুশি থাকা যায়? আমরা তাও অনেক সুন্দর প্রানবন্ত জীবন যাপন করি। ওদেরটা কাছ থেকে দেখলেই বুঝতে পারবেন, আমি আপনি, আমরা কতটা ভাল আছি। জামা নেই এটাও আসলে ছবির একটা অংশ। ওরা যেমন ওরা তেমনি। ওদের থেকে কিছু বাদ দিয়ে ওদের আসল স্মরূপ বোঝা সম্ভব না। তাই শুধু হাসিমাখা মুখ নয়, উঠে আসে ওদের জীবন তরঙ্গ।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আবারো।

৫৩. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: কি সুন্দর, কি সুন্দর, কি সুন্দর..................
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রেজোওয়ানা।

৫৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
প্রতীক্ষা বলেছেন: ইশ ছবি তোলার আগে বাবু গুলোকে একটু চকলেট দিলেও ওরা অনেক খুশি হত! এরকম একটা ছবি তুলতেন!
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: চকলেটতো দেয়া হয়নি, তবে বিস্কিট দিয়েছিলাম। যা পাওয়া যায় আর কি ওখানে। তবে ওরা হুট করে অপিরিচিত কারো কাছ থেকে কিছু নেয় না। ওদের মা-বাবারা নিতে স্মমতি দিলেই শুধু মাত্র নেয়। এটা একটা বেশ অদ্ভুত ব্যাপার মনে হয়েছে আমার কাছে।

৫৫. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২১
প্রতীক্ষা বলেছেন: আপনাকে না একটা কথা বলা হয়নি! এখানে একটা মেয়ের ছবি আছে যে মাথায় তেল চুবিয়ে সুন্দর করে লাল ব্যন্ড দিয়ে ঝুঁটি করছে!
'মেয়েটাকে দেখতে অদ্ভুত লাগছিল। মাথায় চুবিয়ে তেল দিয়ে এত সুন্দর করে চুল আচড়ে এসেছে। ছোট্ট ঝুটিতে একটা লাল ব্যান্ড বাধা। জামা পরেনি কোনো। মেয়েটার চেহারায় কিযে অদ্ভুত একটা মায়া ঠিক বলে বোঝাতে পারবো না।'
আপনার বর্ণনা পড়ে না সেদিন আমি মেয়েটার দিকে তাকিয়ে অদ্ভূত মায়াটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিলাম! জ্যাস্ট এমনিতেই কোন কারণ ছিল না! কিন্তু অদ্ভূত ব্যাপার হচ্ছে ছবিটা কি করে যেন আমার মাথায় একদম ঢুকে গেছে!
এরপর থেকে সারাদিনই কিছুক্ষণ পর পর মেয়েটির ছবি দেখতে পাই আর সাথে আপনার লিখাগুলোও ভেসে উঠতে থাকে! এ ছবিটি মনে হয় সারাজীবন আমার মনে গেঁথে থাকবে! :)
০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটা মোটামুটি বাধিয়ে রাখার মতন দারুন কমেন্ট হয়েছে। ভাবছি, কিভাবে এটাকে বাধিয়ে রাখা যায়। :)

ওরা যে কতটা মায়াবতী, এটা আসলে লিখে প্রকাশ করার মতন ভাষা আমার নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যন্ত্র মানবে পরিনত হতে খুব বেশি দেরি নেই। কষ্টের অনুভূতিগুলো আগের মতন ধারালো নাই আর। অযাচিত আঘাতে হৃদয়ে আগের মতন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই