somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যাচেলর অফ দ্যা সিটি ঢাকা শামসীর এর জন্মদিন

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইউনিতে কেবল ভর্তি হয়েছি। প্রথম ক্লাস করতে গেলাম। সেটা ছিল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সি এর ক্লাস। টীচার হলেন মিঃ মাসুদ তারেক। ক্ষানিকটা আটকে আটকে কথা বলা মাসুদ তারেক স্যার আইসা হাবিজাবি পরিচয় দিল আর নিল। সেই গল্প অন্য কোনো দিন করবো। কেন তার কথা কওয়া লাগলো এই পোষ্টে সেইটা কই। ক্লাসের শেষ দিকে সে কইলো তোমরা সবাই আইজকাই বাজারে গিয়া শম সিরিজের প্রোগ্রামিং উইথ সি বইটা কিন্না ফালাবা। আমি সবসময় ক্লাসে একটু খামখেয়ালী। ঠিক মতন শুনি নাই। তার উপর সে আবার থাইমা থাইমা শব্দ উচ্চারন করে। ফলে ঘটনা যা ঘটল আমি শুনলাম শামসীরের প্রোগ্রামিং উইথ সি বই কিনতে হবে। আমিতো আসমান থেইকা পড়লাম। আয় হায়, শামসীর এর মইধ্যে বই লেইখা ফালাইছে। না জানি কি জিনিয়াস এই পোলা। কে এই শামসীর? আমাগো সিনিয়র। চাটগাইয়া পোলা। শুধু এই টুকু না। আমাগো ক্লাসের এক মাইয়ার লুকাল গার্জিয়ান। মাথা পুরা আউলা হইয়া গেল। এর পরে তার লগে দেখা হইল একদিন। দেইখা কোনো ভাবেই মাইনা নিতে পারলাম এই হালায় বই লেখছে। অবশ্য কয়েকদিন পর যখন বুঝতে পারলাম আমার শুনতে ভুল হইছে, বুকের উপ্রেত্তে একটা পাত্থর যেন নাইমা গেল। আমারতো মনে হয় এই কাহিনী সত্যি হইলে আমার আর পড়াশুনাই করা হইত না। B-) শামসীরের লগে এর পর অনেকদিন একসাথে কাটছে। বহু বহু কাহিনী। ভাল মন্দ, শ্লীল অশ্লীল। তবে সমস্ত ঘটনাই ছিল ব্যাপক মজার এইটাই আসল কথা। আইজকা আসলে খুব বেশি প্যাচাল পারার ইচ্ছা নাই। টাইমও নাই। আইজকা শুধু একখান ঘটনা কমু।

শামসীরের তখন গ্র্যাজুয়েশন প্রায় শেষ। সিলেট ছাইড়া চইলা যাবে যাবে আবহ। আমাদের সবারই মন কম বেশি খারাপ। কেমন জানি দুঃখ দুঃখ একটা ভাব আসছে সবার মইধ্যে। দেখা হইলেই দৌড়াইয়া গিয়া গলা জড়াইয়া ধইরা বইসা থাকা। মনে মনে কই শামসু তুমি আদু ভাই হইয়া আরো দুইটা বছর থাইকা যাও পিলিজ লাগে। বাইরে কই শামসু, ভাল থাইকো। তো বিদায়ের টাইমে শামসুর মনে হইল এইযে আমাগো মতন জিনিয়াস, অসাধারন, দুর্দান্ত কিছু মানুষের সাথে যে অসাধারন কিছু সময় কাটাইছে, এটার একটা স্মৃতি নিয়া যাওয়া দরকার। তাই সে বাজারে গিয়া একটা চকচকে নতুন ডায়রী কিনল। তারপর তার যারে যারে পছন্দ সবার অটোগ্রাফ নিবো প্ল্যান করল। আমরাও সবাই খুশি হইলাম। অনেক কথা আছে কওন যায় না মুখে। লেইখা দিমু। ;) সবই ঠিক ছিল। শামসু খুব সচেতন ভাবে সবার কাছে গিয়া দাড়াইয়া থাইকা অটোগ্রাফ নিতেছিল যাতে কইরা কিছুতেই কেউ আজে বাজে কুনু কথা লিখতে না পারে। কারন ওর নিশ্চিত ধারনা ছিল, বদ পুলাপানেরা ভালুবাসারে ত্যানা বানাইয়া বাম্বুতে লাগাইয়া আগুন জ্বালাইয়া দিপে। কিন্ত মানুষ মাত্রই ভুল। শামসুও ভুল করিল। ডায়রীটা আমাদের সুমনের হাতে ধরাইয়া দিয়া সে ডি বিল্ডিং এর এক মাইয়ার পেছনে দৌড়াতে গেল। ব্যস আর যায় কই? সুমন ডায়রী নিয়া সোজা বাসায়। আমার টেবিলের সামনে আইসা দেখি কুত্তা পাগল হাসি দিতাছে।

আমি কইলাম "কাহিনী কি"?
সে হু হু হু হা হা হা কইরা কয় "এই দেখ কি আনছি।"

আমি তাকাইয়া দেখি শামসীরের ডায়রী। তখন আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলে। তাতে কি? পরীক্ষা হইল পোংটামীর জন্য খুব উপযুক্ত সময়। কারন তখন ব্রেইন স্ট্রমিং খুব ভাল হয়। একটুও দেরী না কইরা সাথে সাথে ডায়রী নিয়া আমি সুমন আর শিবলী চইলা গেলাম শিহাবদের বাসায়। ওদেরো পরীক্ষা চলে। মাগার শামসীরের ডায়রী দেইখা বই টই ফালাইয়া সবাই দৌড়াইয়া আসলো। কি করা যায় কি করা যায়? আমি কইলাম দেখো মাইয়াগো নাম দিয়া কিছু কমেন্ট লেইখা দিই। সবাই কইলো সেইটা না হয় হইল মাগার এমন কোনো মাইয়াদের নাম দিতে হবে যারা তার ডায়রীতে লেখতে পারে এই ব্যাপারে শামসু কুনু দিনও কল্পনা করে নাই। ব্যস ঠিক হইয়া গেল। ০২ ব্যাচ হইল আদর্শ। কারন ঐ ব্যাচের লগে শামসীরতো দূরে থাক, আমাগোর লগে পর্যন্ত তেমন একটা কথা হইত না। কিন্ত ওই ব্যাচের মাইয়াদের নামতো ঠিক মতন জানি না। আরে এইডা কুনু সমস্যা হইল? সাইফুল আছে না? লগে লগে পট পট কইরা ডাটাবেস থেইকা নাম বাইর করল। :D B-) :D আর আমরা লেখতে শুরু করলাম। এইখানেও কাহিনী আছে। লেখাটা বিশ্বাসযোগ্য হইতে হবে। কারন আমাগো প্রায় সবার হাতের লেখা শামসু চিনে। এই জায়গায় আইসা আমরা মুগ্ধ হইয়া সাইফুলের লুলীয় ক্রেডিট দেখাম। ডান হাত বাম হাত মিল্লা সে কি লেখারে ভাই। আমরা নিজেদের চোখরেও বিশ্বাস করতে পারতেছিলাম না যে এইডা কুনু পোলার লেখা। সব কমেন্ট মনে নাই। কয়েকটা আছে। যেমনঃ

শামসীর ভাই,
আপনার লাল রঙের যেই টি শার্টটা আছে না, ওইটা পড়লে আপনাকে যে কি কিউট লাগে ভাইয়া, কি আর বলবো। কোনোদিন বলা হয় নাই। আজকে বলেই ফেললাম। কত যে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলাম।

ইতি ক

শামসীর ভাই,
আপনাকে আমাদের এত ভাল লাগে যে আমরা ঠিক করেছি আমাদের ছেলের নাম রাখব শামসীর।

ইতি অমুক জুটি।

শামসীর ভাই,

আপনাকে আমরা অনেকককককক ভালোবাসি।

ইতি ঙ,চ,জ

এই ধরনের আরো কিছু কমেন্ট। এখন একটা সুন্দর কাহিনী দাড় করানো হবে। যাতে করে শামসীর বুঝতে না পারে যে কাজটা আমদের। ঠিক হলো সুমন যেহেতু ডায়রী নিয়া আসছে তারই এটা শামসুরে দেয়া উচিত। সময় হইল সন্ধ্যায়, স্থান টং। কিন্ত যেহেতু রোমাঞ্চকর ঘটনা ঘটবে তাই সবাই আসবে। আর এখন পরীক্ষার সময় সবাই কোনো কারন ছাড়া হুট কইরা গেলে সন্দেহের উদ্রেগগঘটতে পারে। (যদিও আমরা জানি তেমন কিছু হবে না কারন মানুষটা শামসু, ও এত কিছু ভাবতে পারে না। B-) তাও আমরা রিস্ক নিই নাই)। টং এ শামসু থাকবে। ঠিক হইল আমি শিবলী আমার বাসা থেকে টং এ আসবো। আইসা শামসীরের সামনে শিহাবরে ফোন দিয়া বলবো টং এ আসতে সাইফুলরে নিয়া টং এ আসতে। আর সুমন টিউশনি শেষ করে একটু পরে আসবে। B-) (টিউশনিটা আমাগো বাসায় হইতেছিল।)। সব কিছু হইল পরিক্লপনা মাফিক, শামসীরের এটা বোঝার সাধ্য ছিল না। এত কিছু না করলেও সে বুঝত না আমি শিউর। ব্যস এখন উন্মোচনের পালা।

"দেখি শামসীর ভাই কে কি কমেন্ট দিল?" সুমন শামসীরকে দায়রী দিতে গেল এমন সময় ডায়রী টেনে নিয়ে আমার প্রশ্ন। ;) ধীরে ধীরে একটা একটা পেইজ পড়ে পড়ে আগাচ্ছি। (কমেন্ট যা ছিল সব মুখস্ত হইয়া গেছিল আগেই, হুদাই এক্টিং করতাছিলাম।) হঠাৎ কইরা আমার চিৎকার,

"আয় হায়রে এইডা কি কমেন্ট? ওরে দেখ কে কমেন্ট দিছেরে? কিরে সুমইন্ন্যা, এইডা কি তুই জুনিয়র মাইগোরে দিছিল নাকি?"

সুমন খুব নির্বিকার ভাবে জবাব দিল

"হ্যা, আমি লেখতাছিলাম, ওরা আইসা জিগাইলো এইডা কি। আমি কইলাম। আর ওরা লাফাইতে লাফাইতে নিয়া গেল, কইলো অটোগ্রাফ দিব।"

ইতিমধ্যে শ্যামলা শামসীর লালচে হইয়া, ভিতরে খুশিতে ডগমগ করতে করতে উত্তেজনা ধইরা রাখতে পারতেছিল না। আমরা তারে চাইপা ধরলাম। তলে তলে এতদূর। বেচারা কত চেষ্টা করল আমাগোরে বুঝাইতে। সেই সুযোগ তুই আর পাবেনে শয়তান। সবাই মিল্লা কইলো "খাওয়াও শামসু, তুমার মনের আশা পূর্ণ হইছে। মাইয়ারা তুমারে কত্ত ভালা পায় দেখছ? " এই বলে কয়ে টং এ প্রায় ২০০ টাকার মতন বিল তুল্লাম। টং হইল এমন জায়গা যেখানে সারাদিন খাইলেও ১০০ টাকা বিল আসে না। সেইদিন চরম হই চই কইরা কাটাইলাম। শামসুও বোধ করি এক অন্যরকম আনন্দ নিয়া সেই রাতে ঘুমাইছে। এর পরে যেইদিন শামসু সিলেট ছাইড়া চইলা যাবে, তারে সব কিছু গুছাইয়া দিয়া বাসে তুইলা দেয়া হইল। আমরা সবাই নিচে দাড়াইয়া আছি। শামসু বাসের জানালা দিয়া মাথা বাইর কইরা সবার সাথে হাত মিলাইতেছিল, তখন বোমাটা ফাটানো হইল। শামসু তখনো হাসতেছিল। আর এইটাই ওরে সবার থেইকা আলাদা কইরা রাখে। আর মনে করাইয়া দেয়, ভাল আসলে থাকতে জানতে হয়। পারতে হয়। জয়তু শামসু।

এরাম আরো হাজার খানেক কাহিনী আছে। যাই হোক অনেক প্যাঁচাল পারলাম। যেই কারনে এত কথা সেইডা হইল আইজকা আরো একটা জন্মদিন শামসু ব্যাচেলর হিসেবে কাটাইয়া দিল। বসন্তের হিসাব আর করতে ইচ্ছা করতাছে না। ক্যালকুলেটর লাগবে। এখন আপনাদের সবার পিলিজ লাগে হের লাইগা একটা মাইয়া খুইজা দেন। যেন আগামী জন্মদিন একা না কাটাইতে হয়। আগামী জন্মদিনে যেন আমরা তারে নিয়া এন্টারটেইনড হইতে না পারি। বন্ধু মানুষ, এইটুকু স্যাক্রিফাইস নির্দ্বিধায় করতে পারি। ;) ও হ্যা কেমন মেয়ে লাগবে?

সুন্দর হইলে উপরি, কিন্ত অবশ্যই ভালো মনের মানুষ হইতে হবে। সারাদিন খিটমিট করলে সমস্যা নাই, কিন্ত দিন শেষে অনেক ভালোবাসতে হবে। গম্ভীর না হওয়াই ভালো, হাসিখুশি হইলে বেশী ভালো। সেন্স অব হিউমার কম না হইলেই ভালো, বেশি হইলে বেশি ভালো। একটু অগোছালো হইলে খুব সমস্যা না, তবে গোছালো হইলে বেশ ভালো। শেম্পুর মডেল হইতে হবে এমন কোনো কথা নাই, তবে লম্বা চুল হইলে না নাই। আকর্ষনীয় ফিগার হইতে হবে এমন কোনো কথা নাই, তবে মোটা সাস্থ্য চিকন করুন বিজ্ঞাপনের মডেল না হওয়া উত্তম। গরুর চোখের মতন টানা টানা চোখ হইতে হবে এমন না, তবে মেয়ের গায়ের রঙ শ্যামলা হইলে অবশ্যই চোখ সুন্দর হইতে হবে। আর অতি অবশ্যই শামসুর বন্ধুবান্ধবে এলার্জি থাকলে সেই মেয়ে স্ট্রেইট বাদ।

হ্যাপি বাড্ডে শামসীর।

ইতি
দুনিয়ার সবচেয়ে বাজে ব্যাচ, ০১
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৮
৯৫টি মন্তব্য ৮৮টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×