আমার প্রিয় পোস্ট

মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা কিংবা অক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত। তা হলো নিজের উপর নিয়ন্ত্রন

ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৬

শেয়ারঃ
0 9 0

গুঁটি গুঁটি পায়ে এগিয়ে যায় সে। তার পা আর আগের মতন গুঁটি গুঁটি নেই। চাইলেও অনেক ছোট ছোট করে পা ফেলে খুব ধীরে ধীরে এগোনো যায় না। সেই ছোট বেলায় ঘরের মেঝের ছোট ছোট চারকোনা ঘর গুলোতে পা ফেলে এক্কা দোক্কা খেলার মতন করে হেঁটে যাওয়ার খেলাটাই সবচেয়ে প্রিয় ছিল। নিঃশব্দে বিড়ালের মতন করে ভর দুপুরে পায়ের গোড়ালী মাটিতে না ফেলে হাঁটতে গিয়ে ভারসম্য হারিয়ে ফেলে কত যে মন খারাপ হয়েছিল। এসব হাবিজাবি ভাবতে ভাবতেই খুব কাছাকাছি পৌছে যায় ছেলেটি। ঐ যে ঐ তো দেখা যায়। বহু কষ্টেসৃষ্টে ঠায় দাঁড়িয়ে, শুধু অবহেলার ছাপ গায়ে নিয়ে।



ঠিক এইখানে বসে কেটেছে কত সন্ধ্যেকাল। কত কত মুহুর্ত, হাসি ঠাট্টা আর গান। ঐ ছোট ছোট পায়ের ছাপ গুলো আমার নয়। ভাবতেই বড় কষ্ট হয়। শিশু হাতের ছোয়ায় দেয়ালে আঁকা শিল্প কর্মগুলো কি আমার? মনে নেই আজ আর। সে যে অনেক অনেক দিন আগের কথা। আমার ভুবন, হারিয়ে যাওয়া সময়।



অসাধারন কারুকার্যের এখনো আছে কিছু অবশিষ্ট। প্রভাব প্রতিপত্তির ছোঁয়া ম্লান হয় না। হাতের স্পর্শেই যেন জেগে উঠে মনোহর আর দাম্ভিকতার সোনালী অতীত।









একরাশ নীরবতা। আর আছে শুধু কোলাহল শূন্য করিডর। কোথাও কেউ নেই।



ছেলেটি এগিয়ে যায়। আর তার সাথে সাথে অনেকদিন পর হয়তো দিনান্তের আলোক রাশি প্রাণ ছড়িয়ে দেয়ার আপ্রাণ প্রয়াসে লিপ্ত হয়।









টিউবওয়েলটা দেখেই যেন তৃষ্ণা পেয়ে গেল। পানিটা কি সেই আগের মতন আছে? বরফ শীতল আর সাথে প্রাণ জুড়ানো মিষ্টি স্বাদ। পানি পড়ে পরে জায়গা অনেক পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল। পড়ে গিয়া হাত মচকে গিয়েছিল একবার। নাহ ব্যাথাটা আর অনুভূত হয় না আজ। পুকুরে পানি প্রায় নেই। এটা অবশ্য সময়ের প্রভাব নয়। শুষ্ক মৌসুমের কারনেই। চারপাশে বাধানো ঘাট গুলো দূর থেকে দেখতে ঠিক আগের মতই সৌন্দর্য মন্ডিত।





ঐ হ্যাঙ্গার গুলোতেই যেন ঝুলে আছে তার সব স্মৃতি। আর ঐ অবশিষ্ট প্রাণের মাঝে নতুনত্বের আহবান তাকে আর ভাবিত করে না।



বেঞ্চটা-সিড়িটা, কিছুই নেই আর। এই বেঞ্চটা ছিল খেলার সিংহাসন। বেঞ্চের উপরে উঠে লড়াই হতো। যে শেষ পর্যন্ত বেঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে পারত সেই সম্রাট। সিড়ি গুলো ছিল নানান নতুন ধরনের উদ্ভব খেলার জায়গা। সবচেয়ে মজার খেলা ছিল সিড়ির রেলিং এর উপরে বসে চড়চড়ি খেয়ে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নেমে যাওয়া। একবারো মাটিতে পা লাগানো চলবে না। মনে পড়তেই হাসি পেয়ে গেল ছেলেটির। ভাবছে একবার চেষ্টা করে দেখবে কিনা এখন। নাহ, সময়টা আগের মতন নেই। বয়স বেড়েছে, তারও, রেলিং এরও।







সব শূণ্য মনে হয়। মনের ভেতর, প্রাণের ভেতর। এরি মাঝে লুকিয়ে আছে কত হাসি কান্না অভিমান। ধুলোয় ঢেকে গেছে তার বেশ কিছু। এখনো কিছু অবশিষ্ট আছে। দেয়ালে কান পেতে শুনে ছেলেটি। চাপা কান্নার আঁওয়াজ? ওটা কি তার মা? নাকি সুলতা? হয়তো অন্য কেউ। হয়তো কেউ নয়। হয়তো এটা সময়। রঙিন চোখে সাদাকালো সময়ের কান্না।





অবাক তাকিয়ে রয় নবীন চোখ। ইতিহাস সে শুধুই সাক্ষী। মিতপ্রায় নগরী এখনো জীবন্ত দলিল। আর কৌতুহলি নবীন চোখ খোঁজে কত শত প্রশ্নের উত্তর।



হাওয়া বদলের সময়ের শেষ। ফিরে যেতেই হয় সেই কাঠিন্য ভরা শহরে। পেছনে ফেলে রেখে যাই জীবন্ত কিছু সময়। নাহ, আসলে মৃত কিছু সময়। আর স্মৃতি, সে শুধুই ক্ষনিকের বেদনা।



(উফ ভয়াবহ কষ্ট হলো এই পোষ্ট দিতে। এমন কষ্টের কাজ আর করব না। :( ছবিগুলো তোলা হয়েছে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি আর পাকুটিয়া রাজবাড়িতে। ইতিমধ্যে সাইফাই সিজার এইটা নিয়া একটা পোষ্ট দিছেন। আমার ইচ্ছে ছিল ইতিহাস নিয়া ঘাটাঘটি কইরা কিছু লেখমু। কিন্ত প্রথম আলো ব্লগের ব্লগার নোমান ভাইয়ের (আমি চিনি না ওনারে) একটা পোষ্ট পাইলাম। আর রেজোওয়ানা আপুর একটা পোষ্ট ফ্রী। বিশাল পোষ্টের জন্য দুঃখিত। :( )

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: এই কমেন্টের কি জবাব দেব ঠিক বুঝি না। প্লাসের জন্য কাউওকে ধন্যবাদ দিতে ভালো লাগে না। তবে তোমারে দেখলে ভালো লাগে। :)

২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৫
রাজসোহান বলেছেন: ছবিগুলো কেমন যেন উদাস করে দিল

দীর্ঘশ্বাস
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: হমম। জায়গাটাও বেশ ভালোই উদাস করা। অনেক অনেক সুন্দর। সময় করে ঘুরে এসো। ভালো লাগবে।

৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৯
প্রতীক্ষা বলেছেন: মাই গড!!! অসাধারণ সব ছবি!!! :-* :-*



++++++++++++
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: আসলে ছবি অসাধারন নয়। জায়গাটা অসাধারন। স্থাপত্যটা অসাধারন। ইতিহাসটা অসাধারন। আবেগ অনুভূতিটা অসাধারন। এই অসাধারনত্ব বোধের, আমদের এই মনটাই আসলে অসাধারন। অনেক ধন্যবাদ প্রতীক্ষা।

৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বার বার মনে হচ্ছে মিস করেছি সেদিন....:(

শেষ অনুচ্ছেদের ** ছাড়া বাকি থার্ড ব্রাকেটগুলোকে ফার্ষ্ট ব্রাকেটে পরিবর্তন করে দাও....
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: আসলেই বিরাট মিস করছ। তবে তোমারে কথা দিলাম। সময় সুযোগ মতন ঢাকা আসলেই তোমারে নিয়া আবার যাব ঐখানে। বার বার যাব। অসাধারন একটা জায়গা।

ধন্যবাদ। ঠিক করছি।

৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১৭
মানবী বলেছেন: চমৎকার!!


প্রথম থেকে ১০ নং ছবিটির নাম দিলাম "অন্ধকারের গান" :-)

ছবিটিতে চোখ পড়লে আলোআঁধারির মাঝে কেমন যেন সুরের মুর্চ্ছনা ভেসে আসছে!!


সুন্দর ছবিগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আহমেদ রাকিব।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।

নামটা সাদরে গৃহিত হইল। পছন্দ হইছে। 'অন্ধকারের গান' আমার একতা গল্পের শিরোনামের অংশ বিশেষ। :)

৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৩
ফারা তন্বী বলেছেন: এগুলো কোথাকার ছবি?আমি যেতে চাই :(
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: এইগুলা মানিকগঞ্জ বালিয়াটি আর পাকুটিয়া রাজবাড়ির ছবি। যাওয়াতো কোনো কাহিনি না। দিনে গিয়া দিনে ফেরত আসা যায়। কিভাবে যাইতে হয় নিচে যেই লিঙ্ক দিছি ওইখানে গিয়া দেইখা আসো। :)

৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: মার্ভেলাস! ছবির সাথে একটু গদ্যচর্চাও কর্লেন। দারুন লাগলো।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ হামা। একঢিলে দুই পাখী মারার অপপ্রয়াস আর কি। :)

৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৪
প্রতীক্ষা বলেছেন: জ্বি আপনার মন টা যে অসাধারণ তা আপনার উত্তর দেখে বুঝতে পারলাম ;) ;)

আপনার আবেগ অনুভূতিও অসাধারণ! ;)

=p~ =p~ =p~
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: হ অসাধারন মন আমার। এত্ত বড় বিশাল। নইলে কি আর এত বিশাল পোষ্ট দিতে পারি।

আবেগ অনুভূতি আসলে অসাধারন হয় না। আবেগ অনুভূতি হয় স্বচ্ছ। যার আবেগ, অনুভূতি যত স্বচ্ছ সে তত অসাধারন।

৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৭
শ।মসীর বলেছেন: অসাধারন.............। লেখা ছবি দুটাই.....
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ শামসীর ভাই।

১০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫০
সায়েম মুন বলেছেন: আসলেই পোষ্টটা বিশাল। ওপেন হতে বেশ সময় লাগে। তবে ওপেনের পর কষ্টটা দূর হয়। ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। কোথাকার/ কিসের ছবি এগুলো। সাথে কথনটাও ভাল লাগল।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: দুঃখিত বিশাল বড় পোষ্ট দেয়ার জন্য। শেষ প্যারাতে লিখে দিয়েছি। মানিকগঞ্জের বালিয়াটি আর পাকুটিয়া জমিদার বাড়িতে তোলা। অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পোষ্ট পড়ার জন্য।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: হমম। আপনার পানে চুন সুপারী আর মসল্লা পরিমান মতনই ছিল। সেইটা আপনার জিবলা দেইখা বোঝা যাইতেছে।

১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:০৭
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: খুবই খুবই খুবই সুন্দর। জায়গাটা সুন্দরতো অবশ্যই। আপনার ছবিগুলো আর তারসাথে গল্পটা..............

উদাস হয়ে গেলাম।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সমুদ্র কন্যা। ছবি দেখেই উদাস হলেন? ঘুরে আসেন। জায়গাটা অনেক অনেক সুন্দর।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাহা। ভাল থাকবেন।

১৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০০
রোহান বলেছেন: তোমার পোষ্ট দেইখা ঢুকলাম... কি যে হইছে পেইজে খালি এরর দেখায়, রেটিং মেটিং সব গায়েব হয়ে গেছে গা :(

ফটুকগুলান আগেও দেখছি তয় লেখা জোস হইছে... আর কি কমু... এই লোকেশনটা সিলেক্ট করার জন্য তুমারে কেজি খানেক ধইন্যা :)
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আরে ব্যাপার না। রেটিং দিয়া আর কি হইব?

হ। লোকেশনটা মেলা পছন্দ হইছে। আবার যামু ভাবতাছি। :)

১৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
প্রতীক্ষা বলেছেন: ইশশশ এখনো ঘুমাচ্ছেন!! আমি কত সকালে উঠছি!! :-* কত কাজ করে ফেলছি!

খুব তো বললেন ছুটির দিন ইউটিলাইজ করা উচিত! এভাবে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ইউটিলাইজ
করছেন! খুব ভালো,খুব ভালো :P


২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ছুটির দিন ইউটিলাইজ করতে হয় ব্লগে না এসে। আর আপনার কি ধারনা যতক্ষন জেগে থাকি আমি ব্লগে বইসা থাকি? আমার কি আর কাম কাজ নাই? :P :P :P

ইশশিরে হুদাই সময় গুলান নষ্ট করতে কেন যে আসলাম। যাই ইউটিলাইজেশন বাড়াই।

১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
প্রতীক্ষা বলেছেন: প্রোফাইলের লেখাটা চেনজ করেন প্লীজ! /:)
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: কি লিখমু কইয়া দেন।

১৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
করবি বলেছেন:
অ-সা-ধা-র-ন .............
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ করবি

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সম্রাট জী।

১৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৯
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: বন্ধু, তোমারে আমি বলি শোনো ...

ইদানিং তোমার ছবি দেখে আমি মুগ্ধ হইতেসি ...একটু একটু হিংসা করাও শুরু করতেসি ...

আমিও এইরকম ছবি তুলতে চাই, দেও আমারে এক্ষান ক্যম্রা কিন্না দেও ...:পঃপ
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: হিংসা কইর না বন্ধু। হিংসা করন ভালা না।

ছবি তোলা কোনো কাহিনী না। লাইগা থাকন লাগবো। লাইগা থাকলে দেখবা তুমি আমার চেয়েও ভালা ছবি তুলতাছ। ক্যামেরা কিনবা ভাইবা চিন্তা, সময় নিয়া। হুট কইরা না। সাক্ষাতে আলাপ হইব এইটা নিয়া।

২০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২১
প্রতীক্ষা বলেছেন: ব্লগে ইউটিলাইজ করতে কে বলছে! যান এখন!! আর যেন না দেখি!! X(
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: একটু ধৈর্য্য ধরেন। আপনার প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে। নামাযের সময় হইয়া এলো বইলা। :) আমি ফুট দিব এখনি।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: কেডায় খাইছে? কেন খাইছে? কেম্নে খাইছে? চাবাইয়া খাইছেনি?

২২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: ছবি গুলা জোস! লেখাটাও ভাল্লাগলো।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: লেখাটা ভালো হয় নাই। খুব বেশি তাড়াহুড়া করে লেখা। ভাবতেছি লেখাটা ঠিক করব। আজকে রাতে বসে গুছিয়ে লিখব আবার।

২৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সিম্পলি গ্রেট। ++
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।

২৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০১
প্রতীক্ষা বলেছেন: লেখা ভাল হইছে অনেক!! আবার লেখার প্রয়োজন নেই!

আজকে খিচুড়ি রেঁধেছি! :) :)
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: লেখাটা আসলে আমার নিজের তেমন একটা ভালো লাগতেছে না। তাই এডিট করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি।

খিচুড়ি রেধে একাই খাইলেন? আমাগো কাউরে একটু কইলেনও না? ভাল করছেন অবশ্য। যেই গরম পরছে।

২৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১১
বড় বিলাই বলেছেন: যেমন সুন্দর ছবি, তেমন সুন্দর লেখা।

সব নিঃসঙ্গতার ছবির মধ্যে সবার একসাথে হিরো পোজের ছবিটাও ভালোই লাগছে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ বিলাইপু।

২৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
পুরাতন বলেছেন: হেডিং খুব ভালো হইছে :`> :``>>
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা। ঠিকই পুরাতনের কথায় পিলাস।

২৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: ছবি ভালো হৈছে অনেক। লেখাও। (তোমারে এই সব কথা কইতে কইতে আমি টায়ার্ড :( )

নেক্সট ট্যুরের আয়োজন করো ম্যানেজার।

অট. এই পোস্টে সন্দেজনক ভাব বিনিময় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সন্দেহ জনক.... খুব সন্দেহজনক।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: টায়ার্ড হইয়া গেছেন? তো এখন কি করমু? ভালো না লেখা লেখমু? ভালো না ছবি তুলুম? :P

আমি আবার একটু ঝামেলায় পড়ছি। অফিসের ঝামেলা। দেখি ঝামেলা শেষ কইরা আবার ট্যুর হবেনে।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: ভাব বিনিময়ের আবার সন্দেহ কি? লুকাইয়া লুকাইয়াতো আর ভাব বিনিময় হয় নাই যে সন্দেহ করবেন? সবার সামনে ভাব বিনিময় করলেও সন্দেহ? আজব। :) :)

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাঙ্গন।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৩০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: তোর ছবি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই... তবে ছবিগুলোকে তুই সেই হারানো স্মৃতি খুঁজে ফেরা ছেলেটির বয়ানে যেভাবে ব্যাখা করলি তা এক কথায় অসাধারণ.... তোর ছবি ভাল কিন্তু তোর এই বর্ণনার স্টাইল প্রতিটি ছবিকে জীবন্ত করে তুলেছে... সুতরাং বলতেই হচ্ছে 'হ্যাটস অফ'
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধইন্যা প্রসূন।

৩১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
পাথুরে বলেছেন: অনেকদিন থেকে যাওয়ার কথা। ব্যাটে-বলে হচ্ছে না। মাঝে তোমরা ঘুরে আসলে!!


আর পোস্ট? সিম্পলি ও'সাম!!
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ঘুইরা আসো। চরম জায়গা। আমার মেলা পছন্দ হইছে। আর তোমারেও ধইন্যা। :)

৩২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: হায় অতীত!

ভালো লাগল ।

ফটুক পোস্ট দেয়া আসলেই বিশাল কষ্ট!
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: হ বিশাল কষ্ট। আর এই পোষ্টে ছবিও অনেক বেশি। তাই কষ্টটাও বেশি হইছে। বোহমিয়ানরে অনেক ধইন্যা।

৩৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৯
নীল ঘুর্ণি বলেছেন: ছবিগুলো আগেই দেখেছি যদিও, তবে গল্পের সাথে ছবিগুলো আরোও চমৎকার লাগলো.।। অসাধারণ।।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নীল ঘুর্ণি। :)

৩৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২৯
লবঙ্গলতিকা বলেছেন: ইস, আমি কেন এত সুন্দর ছবি তুলতে পারি না.........

অ ট: সামুতেও একটা লেখা আছে কিন্তু রেজোওয়ানা আপুর বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আমি রেজোওয়ানা আপুর এই পোষ্টটাই খুজছিলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পুটে। :)

৩৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪০
রেজোওয়ানা বলেছেন: ইশ, এটা দেখে আমার পোষ্টের জন্য লজ্জা লাগছে...............
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: আরে কি বলেন? আপনার পোষ্টের লেখাগুলো বরং অনেক জরুরী। এটা হইল একটা যেন তেন পোষ্ট। নিজের মধ্যে বুদ হয়ে থাকা পোষ্ট। কারো কোনো কাজে আসবে না। :) আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
যীশূ বলেছেন: দারুন!!! লেখা আর ছবি সব মিলিয়ে। :)
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ যীশূদা। :) :)

৩৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫২
কায়কোবাদ বলেছেন: ছবিগুলো সত্যিই চমৎকার।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কায়কোবাদ।

৩৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:০৫
দীপান্বিতা বলেছেন: দারুন...দারুন! ছবিগুলো অপূর্ব তুলেছেন! এর মাধ্যমে আগেকারদিনের বনেদীয়ানার একটা আভাস পেয়ে গেলাম! :)
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ দীপাদি। ভাল থাকবেন।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাঁদা ভোঁদা।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোমহেপি। ভাল থাকুন।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আনহা। ভাল থাকুন।

৪২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৫
সিনসিয়ার বলেছেন: কি ভয়ানক! আর কিছুই বলার নেই
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ভয়ানক? তাই বুঝি? :) পোষ্ট পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০০
সকাল রয় বলেছেন:

দারুন রকমের সুন্দর !!!!!!!!
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৪৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
প্রতীক্ষা বলেছেন: কোথায় হারায় থাকেন! X(
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: কোথাও হারায় থাকা মানা নাকি? রবী ঠাকুর শোনো নাই? কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা? ;)

৪৫. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
পারভেজ বলেছেন: ওরিব্বাস!!!
ফটোগ্রাফির কিছুই তো এখনো শেখা হলোনা :|
এমন সব রঙ, ছবি আসলো কিভাবে?!!
কড়া! কড়া!!!
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: ভাইয়া নতুন ক্যামেরা কিনছিতো। :) ডি৯০ ঐটার ক্যারিশমা। :)

৪৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: ফটুগ্রাফি আর গইদ্য দুইটাই সেইরাম হৈচে :)





আছু কিরাম?
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: তুমারে মাইনাস। X( X( X( X( X( একটা পোষ্টও নাই। খুব খারাপ। টোকা দিতেওতো একটা পোষ্ট লাগে নাকি? একটা পোষ্ট দাও জলদি।

আর আমি আছি আর কি কুনু রকমে।

৪৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৯
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: অসাধারণ ছবিগুলো, শোকেসে রাখলাম.........
২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: :) :) :)

৪৯. ০১ লা মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫০
নীল-দর্পণ বলেছেন: অসাধারন সুন্দর।
আর ভাইয়াতো ছবিগুলো দেখে পাগল হয়ে গেছে
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নীলু। :)

৫০. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:৩৯
ফুল পরী বলেছেন: এত সুন্দর একটা জায়গা। এখানে ফুল পরীদের থাকতে হয় :P
০২ রা মে, ২০১০ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: ফুলপরীকে স্বাগতম সুন্দর জায়গায়। আর অনেক ধন্যবাদ।

০২ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: ????

৫২. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ১:০৭
শায়মা বলেছেন: একরাশ নীরবতা। আর আছে শুধু কোলাহল শূন্য করিডর। কোথাও কেউ নেই।


ঠিক এমনি মনে হয়েছে আমার বার বার একদিন কলকাকলী মুখর অজস্র নরনারীদের কোলহলে মুখরিত থাকতো জে প্রাঙ্গন আজ সেই খানে একরাশ নীরবতা। শুধু ইট কাঠ পাথর গুলো বক্ষে ধারন করে আছে সে সব স্মৃতি। ওরা যদি কথা বলতে পারতো তবে গল্পকার ইতিহাসবিদ অবলীলায় লিখে যেতে পারতো সেসব অমূল্য কথা।


পোস্ট টা প্রিয়তে নিলাম ভাই। অনেক ভালো লেগেছে। অনেক কথা মনে পড়ে গেলো।
০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: 'ওরা যদি কথা বলতে পারতো তবে গল্পকার ইতিহাসবিদ অবলীলায় লিখে যেতে পারতো সেসব অমূল্য কথা। '

ঠিক বলেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ শায়মা। ভাল থাকুন সবসময়।

৫৩. ০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ১:২৯
রাজসোহান বলেছেন: আম্মো পুপাইল পিক চেঞ্জ করছি, কিমুন লাগে আমারে ? :D :D
০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: ভালোইতো লাগে সোহান। :)

০৩ রা মে, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা, শেষের থেইকা ধইরা নিলাম।

০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিরীষ। ভালো থাকবেন।

৫৬. ০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
ঘাসফুল বলেছেন: দারুন লাগলো রাকিব ভাই... চমৎকার ছবি আর ক্যাপশনও দূর্দান্ত!
০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ঘাসফুল। ভাল থাকবেন।

৫৭. ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০২
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: প্রত্যেকটা ফডু অসাম....বিশেষত ফ্রেমিং টা, মানে প্রতিটা ছবির ফ্রেমে যতটুকু আসা দরকার ঠিক ততটুকুই, পারফেকশনের নমুনা আরকি....শাব্বাস বেটা, চালাইয়া যা-------
১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিলাই ভাই। :)

৫৮. ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২২
অগ্নিলা বলেছেন: ১। অনেক অনেক সরি আগে দেখি নাই তাই।
২। ছবি আমি আগে দেখেছি, লেখাও ভাল হয়েছে।
৩। আমি একটা জমিদার বাড়ি'র মত বাড়িতে বড় হয়েছি। একটা সত্যিকার জমিদারবাড়িতে খেলাধুলা করতাম, আপনি আমাকে ঠিক আমার স্মৃতিগুলো বলেছেন।

২টা বাড়িই এখন ভেঙ্গে ফেলেছে। আমি শুধু সশরীরে সেখানে যেতে পারি না। তাই ওইদিকে যাইই খুব কম। স্মৃতিগুলো আমলিন থাকুক।

শুভ ব্লগিং
১১ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অগ্নিলা। সরি হবার কিছু নাই। সময় মতন পোষ্ট পড়া বলে কিছু নাই। যখন চোখে পড়বে তখনি পড়বেন। এইটাই নিয়ম। :) আপনার শৈশবের কথা শুনে ভালো লাগলো। আবার বাড়ি গুলো ভেঙে ফেলেছে শুনে কিছুটা খারাপও লাগলো।

ভাল থাকুন সবসময়।

৫৯. ১২ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:০৮
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ছবির সিথে উপস্থাপনাটা দারুণ ....
১২ ই মে, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান ভাই।

৬০. ১২ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:২৮
মে ঘ দূ ত বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর সব ছবি! আর কি অনন্য সাধারণ উপস্থাপন!

এক রাশ মুগ্ধতাকে শব্দে বেধে এখানে রেখে গেলাম।

অসাধারণ রাকিব! অনবদ্য!
১২ ই মে, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মে ঘ দূ ত। ভাল থাকো। :)

৬১. ১২ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৪০
যীশূ বলেছেন: আচ্ছা, রাকিব ভাই, এখানের সব ছবিই কি ঐ জমিদার বাড়ির কম্পাউন্ডের মধ্যে তোলা? এখানে কয়েকটা ছবি দেখে মনেহলো জায়গা অচেনা।
১২ ই মে, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: শুধু ছবি দেখলেই হবে? পোষ্ট পড়তে হবে না? :) শেষ প্যারায় লিখা আছে। বালিয়াটি আর পাকুটিয়া রাজ বাড়ির ছবি। পাকুটিয়া বালিয়াটির খুব কাছেই। সাত আট কিলো দূরত্ব। ওখানে ৩টা রাজবাড়ি আছে এমন। ওগুলোই আপনার কাছে অচেনা মনে হচ্ছে।

৬২. ১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১০
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আরে কি আশ্চর্য! আপনার ফটোগ্রাফিক সেন্স তো খুব-ই ভাল! লাইর এন্ড শ্যাডো আর কম্পজিশন দেখে আমি চরম অবাক! একটানে প্রিয়তে নিয়ে গেলাম! অ-সা-ধা-র-ণ একেকটা পিস! বিশেষ করে শ্যাডো বেইজের গুলা তো এতো চরম!!! #:-S #:-S #:-S

আপনার ফ্লিকার এ্যকাউন্টের লিংক দেন সমস্যা না থাকলে! আমি আপনার সব কাজ দেখতে চাই! কি গিয়ার ব্যবহার করেন ভাইয়া ??
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়েতো হাসি পেয়ে গেল আপু। এত ভালো হয়নি কিন্ত। :) আসলে আমি এখনো শিখছি। খুব বেশিদিন হয়নি ডিএসএলর ব্যবহার করছি। এক বছরের মতন হবে। গিয়ার কয়েকদিন আগেই আপগ্রেড করে ডি৯০ নিলাম। এর আগে ডি৪০ ব্যবহার করতাম। দেখার মতন খুব বেশি কাজ আসলে নাই ফ্লিকারে। তাও চাইলেন বলে দিলাম। :) বেশির ভাগ ছবিই ছবি ব্লগ আকারে এখানে দেয়া আছে। ভাল থাকবেন।

http://www.flickr.com/photos/rakiiiiiiib

১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: :)

৬৪. ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩
শিরীষ বলেছেন:
লোভ সামলাতে পারলাম না। আপনার ফ্লিকার এ্যকাউন্ট ঘুরে এলাম। মুগ্ধ হয়ে গেলাম! অসাধারণ সব ছবি! নিঝুম দ্বীপটা জুড়ে দেই কেমন?

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আসলে আমি এখনো ছবি তোলার চেষ্টা করছি মাত্র। শিরীষ, অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬৫. ২১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: বৃত্তবন্দী ভাই-ই আপনার এই লিংক-টা দেখতে দিয়েছিল, তারপর আপনার ফ্লিকার এ্যকাউন্ট দিলো তখন এ্যাড করেছিলাম। আমি পয়েন্ট এ্যন্ড শুট দিয়ে ক্লিকাই। আপনার গিয়ার তো অসাধারণ! আর আপনার চোখ-ও আছে। গিয়ার, আউট অফ দ্য বক্স সাইট আর লাইট-শ্যাডো সেন্স... ফাটানোর দেরী নাই বেশি দেখি! বেস্ট ও' লাক ভাই!

শিরীষ ভাইয়ের ছবির কম্পো-টাও পছন্দ হলো! :)
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা হা দেখা যাক, কতদূর যাওয়া যায়। :)

৬৬. ২১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩
প্রতীক্ষা বলেছেন: মাত্রতো দু'দিন হল! কিন্তু মনে হচ্ছে কতগুলো দিন আপনাকে ব্লগে দেখিনি! :(

এসেই কিন্তু লেখাটা শেষ করে ফেলবেন! লিখার মুড নাই এসব বাহানা চলবে না! /:)
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: এই সপ্তাহে পারব বলে মনে হয় না। দেখা যাক। নেক্সট উইকে হয় কিনা। :)

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সমুদ্র কন্যা। ভাল থাকবেন।

৬৮. ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৫০
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: চমৎকার সব ছবি।
শুভ জন্মদিন ভাইয়া।
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইসতিয়াক। ভাল থাকবেন।

৬৯. ২৩ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪৮
মেহেরুবা বলেছেন: অসাধারণ সব ছবি!
শুভ জন্মদিন ভাইয়া!!
২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: মেহরুবাপুকে অনেক ধন্যবাদ। :)

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুরুন নেসা বেগম। ভাল থাকবেন।

৭১. ২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:২২
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: আপনার পোস্টে এটাই আমার প্রথম কমেন্ট এবং আগমন মনে হয়। তায়েফ আহমদের পোস্টে আপনার কথা শুনে আসা।

চমৎকার ছবি ও বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ এবং + তো অবশ্যই। সাথে

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নীলুকে।

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নীলু। :)

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। :)

২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিলাইপু। :)

৭৬. ২৪ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
শিরীষ বলেছেন:
আরো একটা দূর্দান্ত ছবি ব্লগের অপেক্ষায় আছি। আরো একবার শুভ জন্মদিন জানালাম গল্পকার-ছবিকারকে :) :)
২৪ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৭৭. ২৬ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪১
রেজোওয়ানা বলেছেন: শুভ জন্মদিন ভাইয়া...........
০২ রা জুন, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: এই কমেন্টটা মিস্করে ফেলেছি কেম্নে বুঝলাম না। অনেক দেরীতে ধন্যবাদ আপু।

৭৮. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৪০
জেরী বলেছেন: অফলাইনে পোস্ট টা পড়েছিলাম বলে কমেন্টস করা হয়নি। ছবিগুলো সুন্দর আসছে.... এফবিতে দেখেছিলাম:)

(অফটপিক: আপ্নারে আমি এতদিন আমার জুনিয়র ভাবতাম।বাড্ডে পোস্ট পড়তে গিয়ে দেখি আপ্নেই কয়েকমাসের সিনিয়র):-*
৩০ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: মু হা হা হা হা। আমারে দেইখা অনেকেই জুনিয়র ভাবে। পরে পার্ট নিতে গিয়া কট খায়। ওই কট খাওয়া চেহারা দেইখা আমি ব্যাপক বিনুদিত হই। এই ঘটনা গুলা নিয়া একটা পোষ্ট দিমু ভাবতাছি। তয় আপ্নের ( পার্ট নিয়া তুমি কমু কিনা সেইটা ভাবার ইমো হবে) চেহারার একটা কপি স্কেন কইরা পাডাইয়া দিলে ভালা হয়। ঐটাও এডাইতে পারতাম। :)

৩০ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৮০. ২৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
প্রতীক্ষা বলেছেন: X( X( X( X(
X( X( X( X( X( X(

মন্তব্য মুছলে ( গলায় চাকুর ইমো)


০২ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: খুব ঝামেলার মধ্যে আছি বুঝলা? তুমি একবার বলছিলা না যে আমি ভুলে গেছি কি লিখব, এবার সত্যি সত্যি মনে হচ্ছে আমি আসলেই কি লিখ সেটা ভুলে গেছি। কিছুতেই মনে করতে পারছি না। আর একটু সময় করে যে মনে করতে বসবো সেই সময়টাও পারছি না। :( :( কবে যে আবার লেখতে পারব? :( :(

৮১. ২৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
প্রতীক্ষা বলেছেন: X( X( X( X(
X( X( X( X( X( X(

মন্তব্য মুছলে ( গলায় চাকুর ইমো)

হুমম দুইটা মন্তব্যই থাকুক! X(
০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: :( ওকে। থাকুক। ইমো যখন পাওয়া যাবেই না, আমি না হয় গলায় চাকু ধরে বসে একটা ছবি তুলে আপলোড করে দিব। :P

০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: সোহানের আবার কি হইল? :)

৮৩. ০১ লা জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২
শায়মা বলেছেন: Click This Link


আপনার ৬ নং ছবিটা চুরি করেছি আপনার বিনা অনুমতিতেই আমার কবিতার রাজবাড়িটার ছাঁদে মেয়েটাকে বসাতে।
যেকোনো শাস্তি গৃহীত হইবেক। এই অনিচ্ছাকৃত ভালো লাগার জন্য। :(
০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: :) এই যে বললেন। তাতেই চলবে। :)

০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: :)

৮৫. ০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪০
নৈশচারী বলেছেন: অসাধারণ কিছু ছবি দেখলাম! জায়গাটা গিয়ে দেখতে পারলে বোধহয় আরো ভালো হত!
০২ রা জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৮৬. ০২ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
প্রতীক্ষা বলেছেন: অনেক কষ্ট করছেন আর করতে হবে না যা আছে তাই থাক! /:)
০২ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: :( তাও ধন্যবাদ দিয়া গেলাম। উঠছি। আবার কথা হবে।

৮৭. ০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
তারার হাসি বলেছেন:
এই জমিদার বাড়ির অনেক অনেক ছবি দেখে ফেলেছি ফ্লিকার এ। তাই শুধু বলি ছবির সাথে কথামালা চমৎকার !!

আপনার সিলেটের ছবিগুলি অসাধারণ !!
০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: সিলেটের ছবিও দেখে ফেলেছেন? :) অনেক ধন্যবাদ।

৮৮. ০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
তারার হাসি বলেছেন:
আপনার ছবি POD হলে আমি কি করতে পারি !!!
শুভকামনা।
০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: :) :) :)

৮৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৭
আহাদিল বলেছেন: নাহ! না গেলে দেখি আর চলছেই না!
ভালো লাগল ছবিগুলো।
৯০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০৫
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: কতদিন পর জমিনদার বাড়িটি দেখলাম... !!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যন্ত্র মানবে পরিনত হতে খুব বেশি দেরি নেই। কষ্টের অনুভূতিগুলো আগের মতন ধারালো নাই আর। অযাচিত আঘাতে হৃদয়ে আগের মতন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই