আমার প্রিয় পোস্ট

২য় বিশ্বযুদ্ধ, ব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদ- পাভলভ হাউজ এবং পাভলভ বাহিনীর বীরত্বগাথা

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫১

শেয়ারঃ
0 2 0


ব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদ- কোন সন্দেহ নেই, যে কয়টি যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের ভাগ্য নিধা'রন করে দিয়েছিল তার মধ্য এই ব্যাটল শী'ষ তিনে থাকবে(আরও দুটি গুরত্বপূ’ণ যুদ্ব ব্যাটল অফ মস্কো এবংব্যাটল অফ ব্রিটেন) অথবা প্রথমেই থাকবে। ব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদে বেশ কিছু সোভিয়েত সৈনিকের নাম রুপকথার মত এখনো ছড়িয়ে আছে। যেমন-একজন স্নাইপার(একাই শতাধিক মতান্তরে ৫০০ জা'মানকে হত্যা করে), হোয়াইট অফ রোজ( এক সোভিয়েত মহিলা পাইলট একাধিক জা'মান বিমান ভূপাতিত করেছিল)। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে একটি চার জনের বাহিনী এবং তার সংলগ্ন চারতলা বাড়ি( যে বাড়ি ইতিহাসের পাতায় এই বাহিনীর অধিনায়কের নামে প্রসিদ্ব-পাভলভ হাউজ) সোভিয়েত প্রতিরোধের রুপকচিত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

পাভলভ হাউজের পটভূমিঃব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদের এক পযা'য়ে দখলদার জা'মানরা শহরের ৯০% মত জায়গা দখল করে নিয়েছ। সোভিয়েতদের হাতে শুধু আছে শহরতলীর কিছু ফ্যাক্টরি এবং ভলগা নদীর কাছাকাছি এক চিলতে জায়গা। বা'লিনের জা'মান পেপার স্পেশাল এডিশন প্রস্তত করে রেখেছে(স্ট্যালিনগ্রাদ জা'মানদের দখলে) অপেক্ষা কেবল গোয়েবলসের অনুমতি, তাহলেই এই স্পেশাল এডিশন পাবলিশড হবে। তখন ব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদের সোভিয়েত জেনারেল চিকুভ(Chuikov) সময়ক্ষয়ী কৌশল গ্রহন করে সৈনিক এবং সিভিলিয়ানদের রক্তের বিনিময়ে,অপেক্ষা আবার সোভিয়েত সামরিক সমাবেশ ও রাশিয়ান প্রাকৃতিক ডিফেন্স শীত। এই সময়ক্ষয়ী কৌশল ছিল রাস্তায় রাস্তায়, ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে যুদ্ব যা কিনা জা'মানদের ইতিহাস বিখ্যাত Blitzkrieg tactics কে অকেজো করে দেয়।সেই রাস্তায়-রাস্তায় ছুরি-চাকু এবং বেয়নেট যুদ্বের একপ'যায়ে ভলগা নদীর তীরব'তী একটি কৌশলগত বিল্ডিং জা'মানদের দখলে চলে যায়।সোভিয়েত রসদ সাপ্লাইয়ের অধিকাংশ আসত এই ভলগা নদী দিয়ে, তাই নদী পথে জা'মান আক্রমন ধার কিছু কম রাখার জন্য এই বিল্ডিং এর কিছু ট্যাকটিক্যাল ভ্যালু ছিল। চিকুভের অ'ডারে রেড আ'মির (সোভিয়েত সেনাবাহিনীর নাম)
লেফটন্যান্ট আফানশেভের নেতৃতে একটি ২৫-৩০ জনের ডিভিশন জা'মান অধিকৃত এই বিল্ডিং আক্রমন করে এবং জা'মানদের পিছু হটতে বাধ্য করে। কিন্তু বিল্ডিং অধিগ্রহন শেষে লেফটন্যান্ট নিজেই অন্ধ হয়ে পড়ে এবং কেবল চারজন সৈনিক অক্ষত থাকে।
চারজনের এই ডিভিশনের দায়িত্ব ব'তায় নন-কমিশন সা'জেন্ট ইয়াকভ পাভলভের উপর।

ছবিতে: পাভলভ
পাভলভ হাউজের প্রতিরোধঃ বিল্ডিং এর বেসমেন্টে পাভলভ অনেক সিভিলিয়ান খুজে পায় যারা এই বিল্ডিং হতে প্রতিরোধে সাহায্য করেছিল যার মধ্য মারিয়া উলায়নোভা সরাসরি অংশগ্রহন করেছিল ডিফেন্স যুদ্বে। পাভলভ বিল্ডিং অধিগ্রহনের পরেই আবিস্কার করে ছাদের উপর থেকে অ্যান্টি ট্যাংক রাইফেল থেকে সরাসরি জা'মান ট্যাংকে আক্রমনের উপযোগিতা। নিজেদের মধ্য যোগাযোগের জন্য ফ্ল্যাটের রুমের পাশের,উপরের এবং নিচের দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙ্গে নেয়,যাতে জা'মান আক্রমনে সহজেই নিজেরা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা থেকে মুভ করতে পারে সুবিধামত। প্রতিটি জানালায় সেট করা হয় মেশিনগান। বিল্ডিংএর চারিদিকে চার লেয়ারের তার এবং মাইন দিয়ে ঘিরে ফেলে পাভলভ বাহিনী।
যখনই কোন জা'মান বাহিনী বিল্ডিং এর কাছাকাছি উপনীত হয়েছে তখনই শুরু হয়েছে ছাদের উপর থেকে জা’মান ট্যাংকের উপর অ্যান্টি ট্যাংক মেশিনগানের আক্রমন। জানালার আড়াল থেকে মেশিনগানের একটানা গুলি জা’মান পদাতিক বাহিনীর উপর। যেহেতু জা'মান ট্যাংকের গোলার রেঞ্জ এত উচু প'যন্ত ছিল না তাই পালটা আক্রমমে ব্যথ' জামানীদের সৈন্যক্ষয়সহ প্রতিবার পালিয়ে যেতে বাধ্য হত। পাভলভ একাই ধবংস করেছিল এক ডজনের বেশি জা'মান অত্যাধুনিক ট্যাংক।

পাভলভদের রসদ আসত বিল্ডিং এর মধ্য দিয়ে খোড়া ট্রেঞ্চ দিয়ে কিংবা পাশ্বব'তী ভলগা নদী দিয়ে। প'যায়ক্রমে এই বিল্ডিংয়ে সৈন্যবল বাড়িয়ে ২৫ জন করা হয়। খাবার, পানির অভাব নিত্যসঙ্গী ছিল এই দী'ঘ দিনের ডিফেন্সে। বিছানার অভাবে সৈনিকরা বিল্ডিংস্থ মোটা পানির পাইপের ইনসুল্যাশেন ছিড়ে তার উপরে ঘুমাত। তার উপর জা'মানরা এই বিল্ডিং এর স্ট্র্যাটেজিক ভূমিকার কারনে প্রতি দিনে-রাতে বেশ কয়েকবার করে আক্রমন করত যার কারনে পালাক্রমে পাহাড়া দিতে হত পাভলভ বাহিনী।
জা'মানদের যুদ্ব মানচিত্রে এই বিল্ডিং এর পরিচিত ছিল ফো'ট হিসেবে।
স'বশেষে নভেম্বরের দিকে সোভিয়েত কাউন্টার অফেন্সিভ অপারেশন উরান যখন শুরু হল তখন দায়িত্ব শেষ হয় পাভলভ বাহিনীর। ২৩ শে সেপ্টম্ভর থেকে ২৫ শে নভেম্বর প'যন্ত এই দীঘ’ সময় পাভলভ বাহিনী সুচারু রুপে দায়িত্ব পালন করে।
পাভলভ বিল্ডিং এর রুপক অ'থঃ জা'মান অ্যাটাকের অল্প কিছু সপ্তাহে সোভিয়েত হারায় তার বিশাল পশ্চিম দিকের ভূমি, সেই সাথে হারায় গুরত্বপূ'ন কিছু শহর । কিন্তু দুই মাসের দী'ঘ চেস্টার পরেও জা’মানীরা দখলে ব্য’থ হয় একটি ক্ষয়ে যাওয়া বিল্ডিং যা কিনা অধিকাংশ সময় মুস্টিকয়েক সোভিয়েত সৈন্য দ্বারা রক্ষিত হত। এ যেন সোভিয়েতদের ২য় মহাযুদ্বে নিজেদের ভূমি রক্ষার প্রানান্তকরী এক চেস্টার জলজ্যান্ত উদাহরন। যেন জা'মান বাহিনীকে বলা- তোমরা আমাদের দেশ দখল করতে পার কিন্তু আমাদের মনোবল দখল করতে
পারবে না, ক্ষয়ে যাওয়া বিল্ডিং ,রাস্তার মোড় ,ধ্বংস হয়ে যাওয়া ফ্যাক্টরী থেকে আমরা যুদ্ব চালিয়ে যাব।
জেনারেল চিকভ পরব'তীতে পাভলভ বাহিনীর বীরত্ব ব'ননা করতে গিয়ে বলেছেনঃ জা'মানরা প্যারিস দখল করতে গিয়ে যত না সৈন্য হারিয়েছে তার থেকে বেশি সৈন্য হারিয়েছে এই পাভলভ বাহিনীর কাছে।

ছবিতে: পাভলভ হাউস ব'তমানে।
কে এই পাভলভঃ পাভলভের জন্ম ১৯১৭ সালে। ১৯৩৭ সালে রেড আ'মিতে আ'টিলারি বিভাগে জয়েন করে। যুদ্বে তার অংশগ্রহন শুরু হয় স্ট্যালিনগ্রাদ থেকে। পাভলভ তার নামে বিখ্যাত এই বিল্ডিং রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয় ১৯৪২ এই। ১৯৪৪ সালে পুনরায় ব্যাটালিয়নে জয়েনের পর এক লাফে জুনিয়র সা'জেন্ট থেকে সিনিয়র লেফটন্যান্ট পোস্টে প্রমোশন পায়। যুদ্ব শেষে সোভিয়েত হিরোর ম'যাদায় ভূষিত করা হয়। কথিত আছে, পাভলভ তার নামে বিখ্যাত এই হাউজের ধ্বংসযজ্ব, মৃত্যর মধ্য সৃস্টিক'তার দেখা পায়। তাই যুদ্ব পরব'তী জীবনে পাদ্রীর দীক্ষা গ্রহন করে এবং আর কোন মানুষ হত্যার নিকৃস্ট কাজ থেকে বিরত থাকার শপথ গ্রহণ করে। পরব'তীতে ১৯৮১ সালে পাদ্রী থাকা অবস্থায় মৃত্যবরণ করে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের এই বীর।

পরিশেষে,পাভলভ এবং তার বাহিনীর বীরত্ব যেন আমাদের বলে দেয় বিপদে ও হাল ছেড়ে দিও না, নিজের মাথা খাটাও, যতক্ষন এই দেহে প্রাণ আছে ততক্ষন নিজের টা'গেটের পিছনে স্থির থাক। এই যেন সুমনের গানের প্রতিধ্বনি-হাল ছেড়ো না বন্ধু। আসুন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের এই বীর সেনানিকে আমরা আমাদের শ্রদ্বা-ভালবাসা জানাই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ২য় বিশ্বযুদ্ব ;
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল লেগেছে!
পাভলভকে নিয়ে একটা মুভী হয়েছিল না? জুড ল আর র‌্যাচেল ওয়াইচেজ অভিনীত, সম্ভবতঃ At The Enemy Gate নামে।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: মুভি দেখা হয় নাই, তবে পাভলভ বাহিনীর বীরত্ব এবং ঐ বাড়ি ঘিরে কম্পিউটার গেমস আছে। তবে নাম যেহেতু বলেছেন-দেখি নেটে
সা'চ দিয়ে পাই কিনা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: তায়েফ ভাই, "Enemy_at_the_Gates" মুভিটা পাভলভের উপর না- আমি উপরে যে সোভিয়েত যে স্নাইপারের কথা বলেছি তার সাথে এক জা'মান বন্দুকবাজের ডুয়েলের উপর নি'ভর করে এই মুভি। আমি উইকিপিডিয়া থেকে কেবল এই মুভির প্লট পড়লাম। তবে পাভলভের উপর বেস করে মুভির নাম যদি মনে করতে পারেন তবে জানাইয়েন।
আমেরিকানরা সোভিয়েত বীরত্ব কিভাবে দেখেছে দেখার আগ্রহ রইল আর দেখি এই মুভি "Enemy_at_the_Gate" নামাইতে পারি কিনা নেট থেকে।

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: চেস্টা করব এই টাইপের আরো পোস্ট দেওয়ার জন্য। পাভলভ বাহিনীর বাকি সৈনিকদের কিছু ছবি এই লিংকে পাওয়া যাবে।
Click This Link
পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪০
শয়তান বলেছেন: তায়েফ আহমাদ সিনেমাটা আমিও দেখেছি ।তবে নামটা এমুহুর্তে মনে নেই ।
৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: রুশ দেশের উপকথায় প্রথম পড়ছিলাম ব্যাটল অব স্টালিনগ্রাদ নিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এক এল-আমিন ছাড়া এমন ভয়াবহ এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ খুব বেশী নাই
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ব্যাটল অফ আল আমিন থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বে আরো রক্তক্ষয়ী যুদ্ব হয়েছে। ব্যাটল অফ স্ট্যালিনগ্রাদ,সিজ অফ লেনিনগ্রাদ, ব্যাটল
অফ ফ্রান্স ইত্যাদির কাছে ব্যাটল অফ আল আমিন এই তেমন বেশি রক্তক্ষয় হয় নাই। তবে পশ্চিমাদের প্রথম ভূমি যুদ্ব জয় জা'মানদের
উপর, তাই হয়ত এই যুদ্বকে ব্রিটিশরা বড় করে দেখে।পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: অমি ভাই, আপনার দেওয়া ক্লিপসগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে। অসংখ্যা ধন্যবাদ আপনাকে ভিডিও শেয়ার করার জন্য।

৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: দারুণ লেখা। এনিমি অ্যাট দ্য গেটস বানানো হয়েছিল সোভিয়েত স্নাইপার ভাসিলি জাইতসেভের উপর।
বানান গুলি একটু রিভিশন দিলে ভাল হয় ব্রাদার, হোঁচট কম খাওয়া লাগে।
সবশেষে, বিশ্বের সব মুক্তিকামী মানুষের জন্য শ্রদ্ধা।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ভাইজান, আমি বাংলা বানানে খুব দূ'বল। তবে পরব'তী কোন পোস্টে থিক করে নেওয়ার চেস্টা থাকবে। এনিমি দি গেট মুভি খান "ভাসিলি জাইতসেভের" উপর বানানো হইছে। ইনি সোভিয়েট বাহিনীর একজন বিখ্যাত স্নাইপার। পাভলভের মত উনি যুদ্বের পর সোভিয়েত হিরোর ম'যাদা পায়।

পড়ার জন্য অসংখ্যা ধন্যবাদ। "এনিমি দি গেটের" যদি ফ্রি ডাউনলোড লিংক দেন খুব খুশি হব।

৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫১
আশিক হাসান বলেছেন: ফাইটিং ইন দি বিল্ট আপ এরিয়া একটি সামরিক কৌশল যেখানে একটি পেশাদার সৈন্য বাহিনীকে গেরিলা কায়দায় একটি শহর কেন্দ্রিক যুদ্ধে আক্রমন করে পর্যদুস্ত করা হয় এবং স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ এই কৌশলের একটি চমকপ্রদ বাস্তব উদাহারন ।

পোস্ট টি প্রিয়তে স্হান দিলাম । এবং লেখক কে ধন্যবাদ রাশিয়ান বীর পাভলভ কে ইতিহাসের পাতা থেকে তুলে আনার জন্য ।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য এবং সেই সাথে প্রিয়তে নেওয়ার জন্য।

৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
আসফাকুল আমিন বলেছেন: টরেণ্ট লিন্ক
http://www.mininova.org/tor/1851601

Direct link

http://d01.megashares.com/?d01=9bddb17

Direct link অবশ্যই আই ডি এম দিয়ে ডাউনলোড করবেন
Direct link ডাউনলোড করার আগে Reactivate passport কৈরা নেন
সাব টাইটেল
Click This Link

এইখানে যেয়ে FXM এর টা ডাউনলোদান

আপনের পুষ্টে +++++++++++
৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪০
ভিজামন বলেছেন: ভাই,
একটু আমার ব্লগে আসো..................
ওটা রাজাকারে ভরে গেছে...................
কিছু একটা কর ...
আপনার মন্তব্য লিখুন
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ভাই, যাচ্ছি।

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
গোয়েবলস বলেছেন: রাশান জাতিটাকে আসলেই শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা হয়। যুদ্ধে যদি রাশিয়া হেরে যেত তবে হয়ত ইতিহাস ভিন্ন ভাবে লেখা হত।
আমারতো মনে হয় এখন নতুন করে যুদ্ধ হলে যুক্তরাষ্ট্রও রাশিয়াকে হারাতে পারবেনা।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: প্রথমেই, আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।
আর রাশান,জা'মান জাতিকে শ্রদ্বা করি। কারন ইউরোপিয়ানদের মধ্য এরাই কম শঠতার আশ্রয় নিয়েছে আমাদের মত জাতির সাথে। ঘৃণা করি বৃটিশ এবং স্প্যানিয়া'ডদেরকে। ফ্রান্স কিছুটা মন্দের ভাল। পুতিনের রাশিয়াকে এখন সবাই একটু সমীহ করে, রাশিয়া ভৌগলিক ভাবে দখল অসম্ভবপর একটা কাজ। তবে যাই হোক যুদ্ব চাই না, ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ব বিশ্বকে অনেক শিক্ষা দিয়েছে।

১১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট ।

প্রিয়তে । এনিমি এ্যাট দি গেটস দেখা ছিলো তাই আরো ভালো লাগলো ।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: আমি দেখি নাই মুভিটা। নেট,দোস্তদের কাছে সা'চ লাগাতে হবে।
পড়ার এবং প্রিয়তে রাখার জন্য ধন্যবাদ।

১২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪
অ্যামাটার বলেছেন: ওয়াও! সংগ্রহে রাখার মত একটা পোষ্ট। শোকেসে রাখলাম:)
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: শোকসে রাখার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
আসফাকুল আমিন বলেছেন: ভাই একটু জার্মানদের বীরত্বগাথা নিয়া কিছু লেখেন :-B
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: হেহে আশা করি ভবিষ্যতে লেখমু। তবে এখন ফিনিশ এবং পোলান্ডের উপর দুইটা ঘটনা মাথায় ঘুরছে।লেখমু কিনা জানি না।:(

১৪. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: দারুন লেখা। এমন সৈনিকদের জন্যেই রাশিয়া জার্মানীকে ঠেকাতে সক্ষম হয়েছিল।
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: রাশিয়ানদের ত্যাগের জন্য হিটলারকে হারানো গিয়েছে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ, আমার ব্লগে স্বাগতম।

১৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২
সাধারণমানুষ বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট ...:) এই ধরনের আরও কিছু পোষ্টের দাবী রইল
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: আশা করি ভবিষ্যতে এইরকম আরো কিছু পোস্ট দিতে পারব। পরার জন্য ধন্যবাদ :D

১৬. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:১৫
আহ্‌সান হাবীব আকন্দ বলেছেন: এই পোস্টটা বড়ই কাজের তাই প্রিয়তে.............. সাথে++++++++++++
১৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:৪৫
অ্যাডলফ বলেছেন: ভাই জার্মানদের নিয়ে কিছু জানা থাকলে জানাবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"একুশ আমাদের বিশ্বাস, বাংলা আমাদের প্রাণ,পদ্মা-মেঘনা-যমুনা আমাদের প্রেম, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া আমাদের চারণভূমি।"-প্রতিটি বাঙ্গালীর হয়ত আত্নার স্লোগান।
সেই আত্নার স্লোগান কেবল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই