আমার প্রিয় পোস্ট
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- বিবর্তনের সহজ পাঠ ১: জৈব-বিবর্তন পরিচিতি। - ওয়াহিদ০০১
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- গার্মেন্ট নামক বয়লারে ৩১ জন শ্রমিকের মৃত্যু এবং এই মৃত্যুবিভিষিকা আর মৃত্যুভেট এর অব্যক্ত কথা - মনজুরুল হক
- সত্যের সন্ধান (লৌকিক দর্শন) - ০০ - নিশাচর প্রাণ
- আর দেখতে চাই না রোমান হরফে বাংলা - জাওয়াদ হাসান
- আচ্ছা হঠাৎ করে কোনওদিন গণভবন ,বংগভবন, হাওয়াভবন, সুধাসদন এসব জায়গায় আগুন লাগেনা কেন? - প্রলেতারিয়েত
- আহারে মানুষ পোড়ে তবু মন পোড়ে না, কত পাষাণ আমরা এখন! - অরিত্র রহমান
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- ব্রেকিং নিউজ: চট্টগ্রাম সিইপিডেজে কী হচ্ছে? প্রথাগত 'গণমাধ্যম'র বাইরে একটি ব্লগ প্রচেষ্টা - দিনমজুর
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: দিন বদলের দিচ্ছে হাওয়া, বেতন ফি বৃদ্ধি পাওয়া! - দিনমজুর
- ডানহাত/বামহাত------বাঁহাতিদের দুনিয়া - দি ফিউরিয়াস ওয়ান
- ডাউনলোড করুন: The History of Medicine ... - ইমন জুবায়ের
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভারত-পাকিস্তানের সামরিক নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা (প্রথম পর্ব) - মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
- ভাষা আন্দোলনের “বাঙাল” বয়ান - নয়া উপনিবেশ বিরোধিতার “পবিত্র দিবস” আর “আধ্যাত্মিক” উৎস সন্ধান (পর্ব-১) - পারভেজ আলম
- নিউটন ও সেই আপেলের দলিল এখন অনলাইনে! - মাসউদ জাজিরা
- কোপেনহেগেনের লড়াই - জয়_জয়
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- সেইভ দা নেচার, সেইভ ইউরসেল্ফ - কালের সাক্ষী
- ড. ইউনুসের সামাজিক ব্যাবসার ব্যাবসা - দিনমজুর
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- কেন লিখি? কেন ছবি আঁকি? কেন গান গাই? একই প্রশ্ন? - শারমিন রহমান
- দিচ্ছি না গ্যাস-কয়লা-বন্দর - শারমিন রহমান
- কেন লিখি? কেন ছবি আঁকি? কেন গান গাই? একই প্রশ্ন? - শারমিন রহমান


- আবদুল্লাহ আল মনসুর
- আমরা তো তোমার বানর নই ( অনুদিত কবিতা) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- গতকালের রিক্সাওয়ালা.......... আর আমার অব্যক্ত অনুভূতিগুলো - সত্যাশ্রয়ী
- গণতন্ত্র : ক্ষেপণযোগ্যতা, রপ্তানিযোগ্যতা / রহমান হেনরী - পোয়েট ট্রি
- প্রবাসীদের ঘামের টাকা, সচল রাখে দেশের চাকা। কাজেই বন্ধ হোক তাদের নিয়ে সব প্রতারণা। খবরের অপেক্ষায় রইলাম - হাসান শরিফ
- ওবামা পেল মালা, বুশ কেন জুতো :একজন প্যালেস্টাইনীর চোখে - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- তেল-গ্যাস বুঝো না, স্বাধীনতা বুঝো? - বাঙ্গাল
- বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে .... - দিনমজুর
- বিদেশিদের কাছে বঙ্গোপসাগরে ব্লক ইজারার প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশি নির্যাতনের চিত্র - অণৃণ্য
- জীবনে যা পড়েছি-৫ (মানিকের পুতুল নাচের ইতিকথা) - তায়েফ আহমাদ
- ’৭৫ সালের ঘাত -সংঘাতময় সময়ে গুজব রটনা আর মিথ্যা প্রচারনার প্রধান ভাষ্যকারের কথা - নুরুজ্জামান মানিক
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- চেরোকিদের সেই কান্নাভেজা পথ এবং বিস্ময়কর সেই শ্বেতগোলাপের উপাখ্যান ... - ইমন জুবায়ের
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ৫/শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার -৪ - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার -৩ - আবু নাঈম
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ২ - আবু নাঈম
- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে কিছু ভাবনা- সৈয়দ টিপু সুলতান - কিরিটি রায়
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার (যেখানে আমাদের প্রগতিশীল বুদ্বিজীবীরাও ব্যর্থ) (যেখানে আমাদের প্রগতিশীল বুদ্বিজীবীরাও ব্যর্থ) - আবু নাঈম
- বিদ্যুৎ সমস্যা ও মন্দা মোকাবেলায় নতুন বাজেটে যা চাই এবং যা চাইনা - দূরন্ত
- ...অভাগা জনশক্তি... - আরিফুর রহমান
- মানব প্রকৃতরি ভ্রান্ত ধারনার ইিতহাস এবং এর প্রকৃত সরূপ - রাইয়ানশুভ
- ৮ জুন: সন্ত্রাস-বিরোধী দিবস - অনুপম সৈকত শান্ত
- আমার মেঘনা...... - নাজনীন১
- একাদশ শ্রেণীতে পড়তে খরচ মাসে ১৮৫০০ টাকা মাত্র। - মুছাব্বির
- শিশু খাদ্য ও ভিটামিন এ-প্লাস কেম্পেইনে আসুস্থ শিশুরা এবং কিছু কথা - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- মে মাস চলে গেল: শিশু শ্রম: মন খারাপ করা কিছু ছবি - মাহবুবুল আলম লীংকন
- মরে যাওয়ায় ধন্যবাদ শহীদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- ধর্মগ্রন্থের মতো রবীন্দ্রনাথের জঠর থেকে বিজ্ঞান বের না করলে চলে না? - অনিশ্চিত
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন - ৮ - আবু নাঈম
বন্ধুবর 'আবু নাইম' : এর "ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার'' এর রাষ্ট্র চরিত্র বিশ্লেষন প্রসঙ্গে।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১০
ক
বন্ধুবর 'আবু নাঈম' তাঁর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ''টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার ।'' শীর্ষক ধারাবাহিক লেখাটির ২য় কিস্তি আজ ২৮ জুলাই ২০০৯ সকাল ৮:৩৫ মিনিটে ব্লগে প্রকাশ করেছেন।
বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁ র ২ য় কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ভাল কিছুর জন্য ধৈর্য ধারন একান্ত প্রয়োজন। আমার মত গুটি কযেক পাঠকের ধৈর্যের যথার্থ পুরস্কার ' আবু নাঈম ' কদিয়েচেন , তাঁ সংক্ষিপ্ত অথচ অসাধারণ ২ য কিস্তিতে।
খ
আবু নাঈম নিঃসন্দেহে সেরা ব্লগারদের একজন । কিন্তু তাঁর পাঠক খুবই সীমিত। এটা তিনি তার এবার লেখার অবতারণিকায় বলেছেন।''ব্লগে আমার লেখার পাঠক হাতে গোনা ৮/১০ জন।''
কেন পাঠক কম। !?
প্রথম কারণ, বোধ হয় সিরিয়াস লেখার পাঠক কম।
দ্বিতীয় কারণ, ব্লগে তার লেখা পোস্টের সময় কাল। তিনি পোস্ট কলেন মাঝ রাতে কিংবা খুব সকালে। সকালে অফিসে এসে অনেক ব্লগার দৈনিক পত্রিকা পড়ে , যেনতেন ভাবে খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কিছু পোস্ট করেন।বরাবরই সে গুলোর ঠেলা ধাক্কায় 'আবু নাইম' এ অসাধারন লেখগুলো অনেক পিছনে চলে যায়।
গ
বিষয় বস্তু ভারতের রাষ্ট্র চরিত্র বিশ্লেষণ। বিষয় টি এদেশের প্রগতিশীল আন্দোরনের কর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে আবু নাঈম যা বলেছেন তার সাতে দ্বিমত করার কোন কারন নাই।
''ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার করে টিপাইবাঁধ নিয়ে ভারতের অবস্থান পরিস্কার হবে কিনা, সেটা আমার কাছে যতটা জরুরি তার চেয়ে জরুরি আন্দোলনকারীদের অবস্থান পরিস্কার করা। আপনি যে শত্রুর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন তার চরিত্র আপনার কাছে স্পষ্ট না হলে আপনি লড়াই করবেন কিসের ভিত্তিতে? সেই সঙ্গে এও তো সত্য যে শত্রুকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করার ওপর যুদ্ধের ফল অনেকটাই নির্ভর করে। শত্রু নির্ধারণ সঠিক হলে মিত্র নির্ধারণও সহজ হয়ে যায়।''
ঘ
২ য় কিস্তিতে 'আবু নাঈম' ভারতীয় রাষ্ট্র তথা ভারতী পুজির ঊন্মেষ কালকে তুরে ধরেছেন, ইতিহাসের সহজ সাধারন প্রসঙ্গ টেনে। পড়ুন ' আবু নাঈম' এর
''টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ২''
Click This Link
আমি তাঁর লেখা ধরে একটু বিশ্লেষণ করতে চাই এবং শেষে তাঁর একটি বিশ্রেষনের সাথে আমার দ্বিমতের কারণ তুলে ধরবো।
ঙ
আবু নাঈমের লেখা থেকে
"এমনিতে আমরা সাধারণভাবে জানি যে ভারতের সাথে আরবদের বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল। সেটা সমুদ্র পথে এবং খাইবারপাস হয়ে স্থল পথেও। আরব বণিকদের হাত হয়ে ভারতের পণ্য, বিশেষত মসলিন, তাঁতসহ বিভিন্ন বস্ত্রসামগ্রী, মশলা ইত্যাদি ইউরোপ পর্যন্ত যেত। এসব পণ্যের খুব কদর ছিল ইউরোপে। যে কারণে ইউরোপ ভারতে আসার সমুদ্রপথ আবিষ্কারের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এর বাইরে জাভা, সুমাত্রা ইত্যাদি অঞ্চলের সাথেও সমুদ্রপথে ভারতের সওদাগরি বা বাণিজ্য চলত। এসব অনেক আগের কথা। কিন্তু এসব তথ্য থেকে যে বিষয়টি বেরিয়ে আসে তাহল ভারতের বুকে বণিক (merchent capital) পুঁজির বিকাশ ঘটেছিল।"
এখানে ভারতের বুকে বণিকী পুজির বিকাশ সময়কাল টাকে একটু স্পেশিফিক করা দরকার। যদিও উপনিবেশিবক শাসনের ঊষা লগ্নের যে সকল (মূলতঃ ব্যাকিং) ভারতীয় পুজির কেন্দ্রগুলো (ব্যক্তি) উল্লেখ করেছেন সকলই সনাতন ধর্মালম্বি সম্প্রদায় ভুক্ত ।তবে ভারত বর্ষে বণিকী পুজি বিকাশত (সংগঠিত বিকাশ অর্থ) ঘটে মুসলমানদের হাত ধরে।
প্রায় বাঁধাহীন ভাবেই ভারত বর্ষে আরব বণিকরা ইসলামের আগমনের পূর্ব থেকে বাণিজ্য করে এসেছে।সুমদ্র পথে জাভা- সুমাত্রা পর্যন্ত ভারত বর্ষের যে বাণিজ্যিক সংযোগের ইতিহাস পাওয়া যায় তা কিন্তু আরব বণিকদের .......... ভারতীয় বণিক নয়।
ভারত বর্ষের সনাতন ধর্মালম্বীরা সংগঠিত বাণিজ্যে আগ্রহী হযে উঠে মুসলমানদের হাতে রাজশক্তি হারানোর পর। অপর দিকে সরাসরি রাজদন্ড হাতে পাওয়ার পর পশ্চিম হতে আসা মুসলমান শাসকরা প্রত্যক্ষ বাণিজ্যিক কর্মকান্ডে পিছিয়ে পরে বা আগ্রহ হারায়।
এখানে এই পিছিয়ে পরার একটা অন্যতম কারণ না বললেই না। এ সময় পশ্চিম এক আন্তৎসংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মুসলিম শাসন কেন্দ্রে পরিবর্তন ঘটে এবং ভারতীয় মুসলমান শাসকরা আরবীয় কেন্দ্রিয় মুসলমান শাসন বা খিলাফতের সাথে সম্পর্ক ছেদ করে স্থায়ী ভাবে ভারতীয় হয়ে যায়।উক্ত পরিপেক্ষিত ভারতীয় মুসলমানদের বণিকী চরিত্র হারানোর প্রক্রিয়াকে ত্বারান্বিত কের।
অর্থাৎ আমরা যদি বণিকী পুজি কে শিল্পপুজি বিকাশের পথে সেতু বন্ধন হিসাবে বিবেচনা করি তবে মুসলমানরা রাজশক্তি হাতে পাওয়ার পর এক পর্যায়ে ভারত বর্ষে পিছনে হাটতে শুরু করে। এটাই শ্রেনী বিভক্ত সমাজের ইতিহাসের সাদারন সমীকরণ।
ঙ
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব প্রসঙ্গে আবু নাঈম বলেছেন
"১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের পর একদিকে ভারত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে খোদ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের করতলে চলে গেল, অন্যদিকে সিপাহী বিপ্লবে দিল্লীর মুসলমান নবাব ও তার অনুসারী ছোট ছোট মুসলমান রাজা-বাদশাদের সম্পৃক্তা ব্রিটিশদের সাথে মুসলমানদের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। ব্রিটিশরা মুসলমানদের সন্দেহের চোখে দেখত, তাদের প্রতি অধিক বিমাতাসূলভ হয়ে উঠল, যার প্রভাব পড়েছে মুসলমান বণিকদের ভাগ্যে।"
১৮৫৭-১৮৫৮ সাল ব্যাপী 'সিপাহী বিদ্রোহ' সম্পর্কে লেখকের বক্তবের সাথে এক মত হতে পারলাম না।
সিপাহী বিদ্রোহ মধ্য দিয়ে এক দিকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটে , অপর দিকে লক্ষনৌরের নবাব কিংবা দিল্লীর বাদশাহের জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী সিপাহীদের সাথে একাত্ময় হতে ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে ভারত বর্ষে সামান্ত ব্যবস্থার যবনিকাপতন ঘটে।
সিপাহী বিদ্রোহ শুধু মাত্র মুসলমান সিপাহীদের বিদ্রোহ ছিল না। যুগ যুগ ধরে 'সিপাহী বিদ্রোহ' কে একটা সাম্প্রদায়িক চরিত্র দেওয়া চেষ্টা চলে আসছে। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ সম্পর্কে কার্ল মার্কসের উক্তি টা লক্ষণীয় (৩০ জুন ১৮৫৭)
''এর আগেও ভারতীয় সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহ হয়েছে, কিন্তু বর্তমান বিদ্রোহে কতগুলো বৈশিষ্টসূচক এবং মারাত্মক লক্ষণে চিহ্নিত।এই প্রথম সিপাহী বাহিনী হত্যা করল তাদের ইউরোপিয় অফিসারদের। মুসলমান ও হিন্দুরা তাদের তাদের পারস্পরিক বিদ্বেষ পরিহার করে মিলিত হয়েছে সাধারণ মনিবের বিরুদ্ধে ,' হিন্দুদের মধ্য থেকে তা শুরু হয়ে আসলে তা শেষ হয়েছে দিল্লির সিংহাসনে এক মুসলমান সম্রাটকে বসিয়ে;'।
১৮৫৮ সালে সিপাহী বিদ্রোহের অবসানের পর ''ব্রিটিশরা মুসলমানদের সন্দেহের চোখে দেখত, তাদের প্রতি অধিক বিমাতাসূলভ হয়ে উঠল, যার প্রভাব পড়েছে মুসলমান বণিকদের ভাগ্যে।'' এ উক্তির সাথে একমত হতে পারছি না।ভারতের মুসলমানরা যে ইংরেজ আগমনের আগেই তাদের বণিকী উৎকর্ষতা হারাতে শুরু করেছিল , আমি তা আগের মন্তবে বলেছি।
বরং ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলালে আমরা দেখি......................
সিপাহী বিদ্রোহে ইংরেজদের আশ্রয় দাতা হওয়ায় ঢাকার বর্তমানে নবাব পরিচয ধারীরা ইংরেজদের সুনজরে আসে এবং নবাব উপাধি পায়। সিপাহী যুদ্ধোত্তর কালে সারা ভারতবর্ষে এ রকম সুনজর পাওয়া মুসলমান অভিজাত শ্রেনী একে বারে কম নয়।মনে রাখতে হবে, দীর্ঘ মুসলমান শাসন কাল স্বত্ত্বেও ভারত বর্ষে মুসলমানরা সংখ্যা লঘু এবং সমাজের নিন্মবর্গেই ছিল সিংহ ভাগ মুসলমানদের অবস্থান।
চ
১৮৫৮ সালে ভারত বর্ষে সিপাহী বিদ্রোহের ঘটনা চক্রের মধ্য দিয়ে খোদ ব্রিটেনে ক্ষমতার ভার কেন্দ্রের এক মৌলিক পরিবর্তন সূচিত হয়। যদি কার্ল মাকর্সের ভাষা বলি (১৮৫৩).....
'' ভারতের প্রগতিতে এতো দিন পর্যন্ত গ্রেট ব্রিটেনের শাসক গোষ্ঠিগুলোর যে স্বার্থ ছিল সেটা নিতান্ত আকস্মিক , অস্থায়ী ও ব্যতিরেকমূলক।অভিজাত শ্রেনী চেয়েছিল জয় করতে,ধনপতিরা ( বণিকী পুজি মালিক) চেয়ে ছিল লুন্ঠন আর মিল-তন্ত্রীরা (শিল্প পুজি মালিক ) চেযেছিল শস্তায় বেঁচে বাজার দখল।এখন দান উল্টে গেছে।মিল-তন্ত্রীরা আবিষ্কার করেছে যে উৎপাদনশীল দেশরূপে ভারতের বূপান্তর তাদের কাছে একান্ত জরুরী............''।
আবু নাঈম বলেছেন ''ব্রিটিশের হিন্দু-মুসলমান বিভাজন নীতির ফলে শিকে ছিঁড়ল হিন্দু ব্যবসায়ীদের ভাগ্যে । আর এ সময় থেকেই শুরু হয় টাটা-বিড়লা প্রমুখ পুঁজিপতিদের উত্থান।''...........................
শিকে ছিঁড়া দৃষ্টি ভঙ্গি টাকে আমার কাছে অবৈজ্ঞানিক মনে হয়। পুজির ধর্ম -বর্ণ-জাত-পাত বিচার নেই।য়েখানে , যে শর্তে তার বিকাশের সম্ভাবনা সেখানেই পুজি হাজির হয় ........ যে পুজির স্বার্থ রক্ষায় উপযুক্ত তার সাথেই তার হৃদতা।
প্রায় ২০০ বছরের ইংরেজ শাসনের মহা সূত্র নিৎসন্দেহে হিন্দু-মুসলমান বিভাজন নীতি ( কার্ল মার্কস যাকে রোমানদের divide et impera নীতির সাথে তুরনা করেছেন)। আমরা মোটা দাগে ইংরেজদের ইই নীতি কে হিন্দু মুসলমান বিবাজন রূপে দেখি। কিন্তু ইংরেজের বিভাজন নীতি ছিল আরও গভীরে বিস্তৃত। আর্য্য-অনার্য্য , বর্ণ, আঞ্চলিকতা নানা ভাবে তাঁরা বিভাজন নীতি প্রয়োগ করেছে।
তবে প্রশ্ন ১৮৫৭ সার উত্তোর ভারত বর্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ে াভিজাত শ্রেনীর হাতে ধনপিত মহাশয়ে কৃপা মিরার কারন কি? কারণ, ব্রটিশ মিল-তন্ত্যী বা শিল্প পুজির সাথে তড়িৎ গতিতে গাঁট ছাড়া বাঁধার যোগ্যতা থাকা বা প্রাক্ক প্রস্তুতি থাকা।
পড়ুন পৃষ্ঠা ১৬ হতে ১৯
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
আপনার লেখা আমার লাগে = আপনার লেখা আমার ভাল লাগে
আবু নাঈম বলেছেন:
আমার লেখা নিয়ে আলোচনা চলছে ... ... খুব ভয়ে আছি।ভিন্ন চিন্তা আমার লেখার কোন কোন ত্রুটি-দুর্বলতা চিহ্নিত করেন, সেটা নিয়ে হয়ত তার সাথে বিতর্ক চলবে .. কিন্তু আগামী এক সপ্তাহ আমি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকব .. ফলে আলোচনায় পিছিয়ে পড়ব ...
ভিন্ন চিন্তাকে বিতর্ক চালু করার জন্য ধন্যবাদ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আপাতত প্রিয়তে।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আপনার কিছু মতামত নিয়ে নাঈম ভাইয়রে পোস্টে আলোচনা করেছি। এখানে বেশি আলোচনার প্রয়োজন নেই। প্রথমত ভারত বলতে এখানে যে চিত্র ফুটে উঠছে তাতে ভারত মানেই হিন্দু-মুসলমানের দেশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু ভারতে আরো অসংখ্য জাতিগোষ্ঠি আছে। তাদের ইতিহাস কই যাবে। ভারত ইংরেজ যাদের পুঁজি-ই হোক না কেন প্রান্তিকের মানুষদের সাথে এর দ্বন্দ সম্পর্কের ইতিহাস কোথায়।আর মুসলমানরাই প্রথম বণিকী পুঁজির জন্ম দেয়নি-তারো আগে বাণিজ্য ছিলো। আড়াই তিন হাজার বছর আগে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আপনার লেখা আমার লাগে লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়, তবে এক্ষেত্রেও লম্বা লেখার কারনে সময়ের অভাবে এড়িয়ে যেতে হয় অনেক সময়।
গতকাল একটা প্যারোডী পোষ্ট দিয়েছিলাম, মন্তব্যও এসেছে কিছু। কিন্তু লক্ষ করলাম সবাই কমেডীটুকু নিল মুল বিষয়টা নিয়ে কেউ কোন মন্তব্য করেনি। অবশ্য বিষয় গুলো নিয়ে ানেক আলোচনা হয়েছে বিভিন্ন সময়, এটাও কারন হতে পারে। তবে সামুর পাঠকরা যে মজা করতেই বেশী পছন্দ করে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই।