বায়ু দূষণের কারণে হাঁপানি রোগীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট যে বাড়ে তা আগেই জানা ছিল। নতুন একটি গবেষণায় জানা গেছে, তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য তারা যে ইনহেলার নেন দূষণে তার কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে।
পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটির ডা. ফার্নান্দো হলগুইন এবং তার সহকর্মীরা হাঁপানিতে আক্রান্ত ৭ থেকে ১২ বছরের ৮৫টি শিশুর ওপর একটি গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন বাইরের দূষিত বাতাসে তাদের ইনহেলারের কার্যকারিতার কোনো তারতম্য হয় কিনা।
এসব শিশুরা মেক্সিকো শহরের বাসিন্দা। শহরটিতে বায়ু দূষণের মাত্রা অনেক বেশি। এদের মধ্যে ৫৩ জন স্বল্পমাত্রায়, ২০ জন অতিমাত্রায় এবং বাকি ১২ জন মাঝারি মাত্রার হাঁপানিতে আক্রান্ত।
হলগুইন ও তার সহকর্মীরা দেখতে পেয়েছেন যে, বায়ু দূষণের উচ্চমাত্রা বিশেষ করে নাইট্রোজেন অক্সাইড ও ওজোন শ্বাসকষ্টে আক্রান্তদের ইনহেলারের কার্যকারিতা অনেক কমিয়ে দেয়। এর মানে এই নয় যে ইনহেলার যন্ত্রটি কাজ করে না।
উদাহরণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, বাতাসে ১০ পার্টস-পার-বিলিয়ন নাইট্রোজেন অক্সাইডের উপসি'তি ইনহেলারের কার্যকারিতা ১৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের 'এনভায়োর্নমেন্ট প্রটেকশন এজেন্সি' এর তথ্য মতে যুক্তরাষ্ট্রের বাতাসে এখন নাইট্রোজেন অক্সাইডের উপসি'তির পরিমাণ গড়ে ১০ থেকে ২০ পার্টস পার বিলিয়ন।
অন্যান্য আরও গবেষণার সঙ্গে এ গবেষণাটি জানাচ্ছে, কিভাবে হাঁপানির সঙ্গে বায়ু দূষণের সম্পর্ক রয়েছে। 'জার্নাল চেস্ট' এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

