সুইজারল্যান্ড কী তার সাত-শতাব্দীর গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য থেকে সরে এসেছে?
আদর্শ বিচ্যুত হয়েছে?
না-কী আমেরিকা, ফ্রান্স ও লন্ডনের ন্যায় অন্য সব কথিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতই ‘ইসলামী অনুষঙ্গের’ ক্ষেত্রে তাদের কথিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে অকার্যকর বলে প্রতিপন্ন করছে?
কথিত সব আন্তর্জাতিক সনদ, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কাছে কী কেবল ‘ইসলাম’ই অপাঙ্ক্তেয়?
তবে ভদ্রবেশী খোলসে না থেকে তারা ইসলাম বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রকাশ্যে স্বীকার করবে কী?
সনদ তথা কনভেনশনে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করবে কী?
আর ২৫৫ কোটি মুসলমান- ইসলাম সম্পর্কে ভদ্রবেশী অমুসলিম বিশ্বের প্রকৃত মনোভাব সম্পর্কে সচেতন হবে কী?
সুইজারল্যান্ড সমগ্র পৃথিবীতে বার্তা পৌঁছিয়েছে যে, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের যথেষ্ট মর্যাদা দেয়া হয়। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পীড়ন করার বিষয়টি সুইস মানসিকতায় অজ্ঞাত। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কারণে জাতীয় ঐক্য বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা কোন সুইস-ই করে না। পরধর্ম সহিষ্ণুতার মানসিকতা সুইজারল্যান্ডে সুপ্রতিষ্ঠিত। এখানে যে যার পছন্দ মত ধর্মমত অবলম্বনের অধিকারকে স্বীকার করা হয় এবং সম্মান দেয়া হয়। সুইজারল্যান্ডে উদার ও ঐতিহ্যবাহী গণতন্ত্র এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা সংবিধানে উচ্চকিতভাবে বর্ণিত থাকলেও মুসলমানদের জন্য মিনার বানানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বর্ণনা করায় তাই প্রমাণিত হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

