নারীর ইসলাম বা ইসলামের নারী
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৮
কুরআনের এবং আরব অঞ্চলের প্রধান ধর্মগুলোর পুরুষ থেকে নারীর সৃষ্টি এবং পুরুষের জন্যই তাদের সৃষ্টির যে গল্প, এটাই এসব ধর্মের মূল নারী বিষয়ক দর্শন হয়ে উঠেছে। সুতরাং কাঠমোল্লা থেকে মুসলিম মনীষি সবাই ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন যে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পরে এবং পুরুষের আনন্দের জন্য। এই মিথ বা গল্পকথাকে আরো বাড়ানো হয়েছে এবং এটাকে একটি পবিত্রতার কাপড় পড়ানো হয়েছে যাতে এই গল্পের কেউ কোনো সমালোচনা করলে তা হয়ে দাঁড়ায় ধর্মগ্রন্থের অবমাননা। 'নারী পুরুষের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে'-এ কথায় যদি কেউ অবমাননার বিষয় খুঁজে না পান তবে তাকে কী বলা যায়। সেক্ষেত্রে একটি হাদিস দেখুন: হাদিসে আছে:
নারীদের প্রতি বন্ধুত্বমূলক আচরণ করো কারণ তাদেরকে বুকের হাড় থেকে তৈরি করা হয়েছে, বুকের বাঁকা হাড়, যদি তুমি তাকে সোজা করতে চাও তবে তা ভেঙে যাবে; আর যদি তুমি কিছুই না করো, তবে সে বাঁকাই থেকে যাবে।
এ বাক্যটি নিশ্চয়ই অবমাননাকর। কিঞ্চিত আত্মসম্মানবোধ থাকলে কোনো নারীই তা অস্বীকার করতে পারবেন না। তাদের অনেকেই হয়তো নীচের আয়াতগুলোতেও নারীর প্রতি অবজ্ঞার বিষয়টি খুঁজে পান না:
O you who believe! Al-QisⳠ(the Law of Equality in punishment) is prescribed for you in case of murder: the free for the free, the slave for the slave, and the female for the female. (2.178)
And divorced women shall wait (as regards their marriage) for three menstrual periods, and it is not lawful for them to conceal what All⨠has created in their wombs, if they believe in All⨠and the Last Day. And their husbands have the better right to take them back in that period, if they wish for reconciliation. And they (women) have rights (over their husbands as regards living expenses, etc.) similar (to those of their husbands) over them (as regards obedience and respect, etc.) to what is reasonable, but men have a degree over them. (2.228)
And divorced women shall wait (as regards their marriage) for three menstrual periods, and it is not lawful for them to conceal what All⨠has created in their wombs, if they believe in All⨠and the Last Day. And their husbands have the better right to take them back in that period, if they wish for reconciliation. And they (women) have rights (over their husbands as regards living expenses, etc.) All⨠commands you as regards your children?s (inheritance); to the male, a portion equal to that of two females; (4.11)
তো সুরা বাক্বার ও নিসার আয়াতগুলো পড়ুন। নিসার তিন নাম্বার আয়াতে আছে পুরুষের বহুবিবাহের অধিকার আর 34 নাম্বার আয়াতে আছে প্রহারের অধিকার। সেগুলো এখানে পুনরুল্লেখ করলাম না। নিসার 11 নাম্বার আয়াতে পুরুষ সন্তান ও মেয়ে সন্তানের মধ্যে যে পার্থক্য করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীতে অনেক মুসলিম নারী সংগঠন আন্দোলন করছে। তাদের বক্তব্য একটাই পিতার কাছে সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় বড় হতে পারে না। কিন্তু কোরানে নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য আছে আরো অনেক আয়াতেই। হতে পারে এর একটি কারণ কুরাইশরা যে তিনটি দেবীর পূজা করতো সে তিনটি দেবী নারী ছিলেন। পুরুষের তুলনায় নারী যে নীচু তা বুঝা যায় অনেক আয়াতে (যেমন: 4.117, 43.15-19, 52.39, 37. 149-50, 53. 21-22, 53. 27)। তবে সেগুলো হয়তো সুক্ষম।
কোরআনে নবীর স্ত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু আয়াত আছে যা পরবর্তীতে সব মুসলিম নারীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য হাদিস আছে যেগুলোতে নারীর অবস্থানকে খাটো করা হয়েছে। হাদিসের সূত্র নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে এবং অনেক হাদিসকে পরবর্তীতে অশুদ্ধ বলে দাবী করা হয়েছে। এসব কারণে সেসব সূত্র উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। তবে হাদিসের সূত্র ধরে আমাদের সমাজে চলে আসা কিছু রীতি বা বক্তব্য আছে যা আমরা শুনি। যেমন: "স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রীর বেহেশত"। এধরনের আরো অজস্র নিয়ম-কানুন-রীতি ও আইন দিয়ে মুসলিম রমণীদের ভূমিকা ইসলামে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে যে ভূমিকা হলো বাড়িতে থাকা, পুরুষের ইশারায় ছুটে আসা, স্বামীকে মান্য করা তার ধর্মীয় দায়িত্ব। হাদিসে আরো বলা আছে একজন স্ত্রী কখনও তার স্বামীকে না করতে পারবে না যদি সে উটের উপরেও থাকে। বলা আছে, যেসব বিষয়ের মধ্যে খারাপ ও শয়তানি জিনিস লুকিয়ে থাকে তা হলো: বাড়ি, নারী ও ঘোড়া। নবী আরো বলেছেন সেই ব্যক্তি কোনোদিন উন্নতির মুখ দেখবে না যে নারীর কাছে তার গোপন কথাগুলো বলে।
কোরান ও হাদিস দিয়েই শুধু ইসলাম ধর্ম চলে না। ইসলামে খলিফা ও মুসলিম মনীষিদের বক্তব্যকেও গুরুত্ব দেয়া হয়। ইসলামী শিক্ষার ও নিয়ম-কানুনেরই এসব অংশ। তাছাড়া সামাজিকভাবে এসব শিক্ষা চলে আসছে মুসলিম সমাজের মধ্যে। তাই বিভিন্ন খলিফা, দার্শনিক ও ধর্মীয় চিন্তাবিদের নারীবিরোধী কথা-বার্তা ইসলামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অত্যন্ত জোরদার ভাবে। (যদিও ইসলাম দাবী করে তারা নারীকে দিয়েছে অধিক স্বাধীনতা। কিন্তু তারা একবারও ভাবে না যে নবী মুহাম্মদ একজন বিধবার ব্যবসায় কর্মচারি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সুতরাং ইসলামহীন সে পরিবেশেও নারী অনেক অগ্রসর ছিল।)
ইসলামের দ্্বিতীয় খলিফা ওমর আদেশ দিয়েছিলেন, লেখা শিখতে নারীদের বাধা দাও। আরেকবার তিনি বলেছিলেন, নারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, এতে অনেক সুবিধা। তার সবচেয়ে নিন্দার্হ বক্তব্য ছিলো যে, তিনি বলেছিলেন, দরকার হলে মেয়েদেরকে কাপড় ছাড়া রাখো। যাতে তারা ঘরের বাইরে যেতে না পারে, বিয়ের অনুষ্ঠানে না যায় এবং প্রকাশ্যে না আসতে পারে। বাইরে গেলেই তারা অপরিচিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং যা তাদের নাই তার প্রতি নারীরা আকর্ষিত হয়।
নারী বিরোধী বক্তব্য আরো বেশি পাওয়া যায় চতুর্থ খলিফা আলীর বক্তব্যে। তিনি বলেছিলেন, সমস্ত নারী জাতি হচ্ছে দুষ্ট প্রকৃতির এবং সবচে খারাপ দিক হচ্ছে এরা প্রয়োজনীয় দুষ্ট। আরেক জায়গায় তিনি বলেছেন, কখনও নারীর কাছে পরামর্শ চেয়োনা কারণ তাদের পরামর্শ অর্থহীন। তাদেরকে লুকায়ে রেখো যাতে তারা কোনো পুরুষকে দেখতে না পারে। তাদের সংস্পর্শে বেশি সময় কাটায়ো না তাহলে তারা তোমাকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে যাবে।
ইসলামের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের এসব বক্তব্য আর মুসলিম দেশগুলোতে নারীর প্রতি ব্যবহার দেখেও যারা বুঝতে পারে না ইসলামে নারীর অবস্থান কোথায় তাদেরকে কি বলা যায়। নারী যদি নিজের অস্তিত্বকে সম্মানিত না করতে পারে তবে সে ধর্মের কাছ থেকে কিভাবে উন্নত ব্যবহার আশা করতে পারে।
নবী মুহাম্মদ বলেছেন নারী ও দাস এই দুই দুর্বল জিনিসকে দয়ার সাথে দেখতে। ইসলামে নারীকে বুদ্ধির দিক দিয়ে, নৈতিকভাবে এবং শারীরিকভাবে নিম্নস্তরের হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হাদিসেই আছে নারীদের যুক্তিবোধ ও বিশ্বাস কম। নারীকে স্পর্শের বিষয়ে ইসলামে আছে নানা কটুক্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা;
Better for a man to be splashed by a pig than for him to brush against the elbow of a woman not permitted him.
অথবা
Three things can interrupt prayers if they pass in front of someone praying: a black dog, a woman, and an ass.
কুকুর ও গাধার সাথে নারীকেও যুক্ত করা হয়েছে অপবিত্রতার চিহ্ন হিসেবে।
লিবারেল মুসলমানরা এসব হাদিস ও প্রমাণকে অপ্রমাণিত বলে চালিয়ে দিতে চান। কিন্তু কোরানের বাণীর ক্ষেত্রে তাদের কি বক্তব্য। কোরানের উপর নির্ভর করেই মাওলানারা ওয়াজ-নসিহত করে যাচ্ছেন যে, পুরুষের চেয়ে নারী নিম্নস্তরের এবং সমানাধিকার ইসলাম বর্হিভূত চিন্তা।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দূর্গ বলেছেন:
আপনার মুরতাদি লেখার জন্য ৫ দিলাম
সোনার বাংলা বলেছেন:
১
দূর্গ বলেছেন:
সোনার বাংলা লেখা বুজে এক দিসেন না দিতে হবে বলে দিসেন-
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
এই পোস্ট ধর্মের প্রতি অবমাননা হয় না, আর আশরাফ রহমান একটা নিউজ দিলেই সেটা হয় অবমাননাকর!কি বিচিত্র এ দেশ! সত্যিই সেলুকাস!
দূর্গ বলেছেন:
সেলুকাস কি ? খায় না পিন্দে?>
আবূসামীহা বলেছেন:
১ ছাড়া আর কিছুই দেয়া গেলনা অজ্ঞতা জনিত লেখার জন্য।
ধ্রূপদী বলেছেন:
হা হা । ছবিটা জটিল।
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
মাহমুদ রহমান,এই পোস্টে তো আলোচনা করা হইছে।আপনি যদি ভুল প্রমান করতে পারেন যে এই বাণীগুলো কোরআন শরীফে নাই বা হাদিসে নাই,তাইলে অবশ্যই দীক্ষক দ্রাবিড়ের ব্যন কামনা করে দাবী তোলা হবে।
দূর্গ বলেছেন:
আবু সামিহা কোন কোন সুরা গুলান অজ্ঞতা প্রসুত আর ভুল বলা হইসে বলবেন কি?
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আপনাদের একরোখা মানসিকতা সম্পন্ন লোকদের সাথে কোন কথা নয়। চেনা হয়ে গেছে আপনাদের। যখন যুক্তিতে টিকবেন না বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করে নাজেহাল করবেন। সময় বড়ই মুল্যবান জনাব।আশরাফ রহমান প্রদত্ত নিউজ কি মিথ্যা ছিল?
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
দীক্ষক দ্রাবিড়, তুমি আমার পোষ্টি দেখ আমি ধারাবাহিকভাবে ইসলামে নারী অধীকার নিয়ে লিখে যাব।বিভ্রান্ত নিরসনের চেষ্টা চালাব।পাশাপাশি তোমার ধর্ম হিন্দুতে নারীর অধিকার নিয়ে একটা পোষ্ট দিব।
আমি তা চাই নাই ।এখন আমি বাধ্য।আমি তো তোমার ধর্মের নারী নিয়ে লিখি নাই।
তোমার প্রতিটি লেখাই দূর্বল।কোন ভিত্তি নাই।
দূর্গ বলেছেন:
আশরাফ রহমানের নিউজের উদ্দেশ্য কি ছিল? এটি আলোচনার উদ্দেশ্য মৌলিক পোষ্ট আর আশরাফ রহমানের কপি পেষ্ট ছিল রাজনীতি আর সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য পোস্ট। এর আগেও উনি "হিন্দুরা কেন গরু খায়না" টাইপ পোস্ট দিয়ে একই কাজ করেছেন
দূর্গ বলেছেন:
দীক্ষক দ্রাবিড় হিন্দু আপনে জানলেন কেমনে কায়েস মাহমুদ। এটা তো ওর নিক, আর আপনার কপি পেস্ট পোস্ট জানা আচে কি দিবেন
ধ্রূপদী বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ দ্রাবির কে তুমি তুমি করতেছে কেন??
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
ঠোটকাটা ব্লগার এর ধর্ম কি @কায়েস মাহমুদ?আর আপনে যে মুসলমান তাই বা নিশ্চিত হই কেমনে?
যাক,আপনার সিরিজটির প্রত্যাশায়।আশাকরি ভালো কিছু শিখতে পারবো ।
মাহমুদ রহমান@আমারে কখনো গালি দিতে দেখেছেন?আমাকে সবার সাথে এক করবেন না ।আমি ত্রিভুজের পোস্টেও ৫ দেই ,এই পোস্টেও ৫ দিয়েছি,আমি কোন দলবাজিতে নাই,থাকবোও না।
আমি এ-টিমের বহু পাবলিকের বিরুদ্ধে কমপ্লেইন করেছি,আমি এসব কেয়ার করি না।
দূর্গ বলেছেন:
"তোমার প্রতিটি লেখাই দূর্বল।কোন ভিত্তি নাই। " সুরা নিসা আর বাকারার বেইস নাই এটা কওন কি ঠিক হইলো কায়েস
দূর্গ বলেছেন:
শাহরিয়ার তুম তো কুছ না পইরা ১ দাও।
ধ্রূপদী বলেছেন:
"কোরআনে নবীর স্ত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু আয়াত আছে যা পরবর্তীতে সব মুসলিম নারীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য হাদিস আছে যেগুলোতে নারীর অবস্থানকে খাটো করা হয়েছে। হাদিসের সূত্র নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে এবং অনেক হাদিসকে পরবর্তীতে অশুদ্ধ বলে দাবী করা হয়েছে। এসব কারণে সেসব সূত্র উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। তবে হাদিসের সূত্র ধরে আমাদের সমাজে চলে আসা কিছু রীতি বা বক্তব্য আছে যা আমরা শুনি। যেমন: "স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রীর বেহেশত"। এধরনের আরো অজস্র নিয়ম-কানুন-রীতি ও আইন দিয়ে মুসলিম রমণীদের ভূমিকা ইসলামে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে যে ভূমিকা হলো বাড়িতে থাকা, পুরুষের ইশারায় ছুটে আসা, স্বামীকে মান্য করা তার ধর্মীয় দায়িত্ব। হাদিসে আরো বলা আছে একজন স্ত্রী কখনও তার স্বামীকে না করতে পারবে না যদি সে উটের উপরেও থাকে। বলা আছে, যেসব বিষয়ের মধ্যে খারাপ ও শয়তানি জিনিস লুকিয়ে থাকে তা হলো: বাড়ি, নারী ও ঘোড়া। নবী আরো বলেছেন সেই ব্যক্তি কোনোদিন উন্নতির মুখ দেখবে না যে নারীর কাছে তার গোপন কথাগুলো বলে। "এই কথা গুলো কোনো হাদিসে পাইনি আমি। এগুলো সব আগের দিনের মানুষের বানানো কথা। যদিও হাদিসে থাকে দেখা যাবে ওসব দু্র্বল হাদিস।
অবশ্য বুখারি- মুসলিম কতটা শক্তিশালী তা বলতে পারবোনা।
দূর্গ বলেছেন:
আরে নাজির শাইল ১ দিলা কি বুইজা
ধ্রূপদী বলেছেন:
এবং বেশীর ভাগ হাদিসগুলোই যা আপনি উৎলেখ করেছেন, খুব দূর্বল মনে হয়েছে আমার কাছে।কিন্তু, আমি আপনার লিখার ভীষন ভক্ত।
ভালো থাকবেন।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
"কিন্তু কোরানের বাণীর ক্ষেত্রে তাদের কি বক্তব্য। কোরানের উপর নির্ভর করেই মাওলানারা ওয়াজ-নসিহত করে যাচ্ছেন যে, পুরুষের চেয়ে নারী নিম্নস্তরের এবং সমানাধিকার ইসলাম বর্হিভূত চিন্তা।"কোরানের কোন আয়াতের উপর নির্ভর করে হুজুর মওলানারা বক্ত্যব্যে বলেন, পুরুষের চেয়ে নারী নিম্নস্তরের ।
প্রমান করুন।
দূর্গ বলেছেন:
আইজুদ্ধিন
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
@দূর্গ, দীক্ষক দ্রাবিড়ের প্রায় লেখায় এরকম। উনি এখানে কি বলতে চাচ্ছেন?আমি এ ব্লগারকে ব্যান করতে বলছি না। যার যা খুশি লেখুক, আমার আপত্তি নাই। আশরাফ রহমানের পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া..... এইটা কতটুকু মুক্ত চিন্তা! নিজেরা মুখে এক কথা বলেন আর নিজেদের বলা কথার সাথেই প্রতারণা করেন। আশরাফ রহমানের পোস্ট নিয়ে অস্থিরতা তো আপনারায় তৈরি করেছেন, অস্থিরতা তৈরি না করলে তার পোস্ট কোন অন্যায়ই ছিল না।
কাকে কি বলি! ধুর এটাও সময় নষ্ট।
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
এটা আপনার কতোতম নিক@দূর্গ।
তো দুপুর বারটা বাজে তোমার ওখানে। ডিউটি রাইখা ব্লগাইতেছো। যাও মন দিয়া ডিউটি কর।
দূর্গ বলেছেন:
শাহরীয়ার একানে কি তুলনামুলক ধর্ম তথ্য আলোচনা হইটাসে?
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
একটু কারেকশন, খালি অশ্লীলতার ব্যাপারেই আমার আপত্তি।
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
দূর্গ,একটা প্লাটিনাম জুবিলি'র পার্টি করা দরকার আপনার।
দূর্গ বলেছেন:
না সেন্চুরি হউক। লোকে পোস্টিং র সেন্চুরি করে আমি ব্যানের সেন্চুরি করুম
হাসিব বলেছেন:
নাজিরুল কেমুন আচো ? মুবাইল পন্ডিতির খবর কি ? আরো পুস্টাও ।
এখানে টিকতে হলে বলতে হবে ইসলামই একমাত্র 'প্যানাসিয়া'।
নারীর অধিকার কোন ধর্মই পূর্ণাংগভাবে দেয়নি। তাই এখনও আন্দোলন চলছ। তবে ইসলামী সৃষ্টিতত্বানুযায়ী নারীর অবস্হান অবমাননাকর।
৫ দিলাম।
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ, রেফারেন্স দেয়ার পরও খুঁজে পান না কোথায় নারী ছোট হৈছে। ২: ২২৮ পড়েন। উপরে ইংরেজিতে আছে। আর নীচে দিলাম বাংলায়:"আর নারীদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে"।
দূর্গ বলেছেন:
নারী আর ইসলাম আজ পর্যন্ত বোধহয় সবচেয়ে ভোলাটাইল আর ডিবেটেড টপিক। এইটা বোজার আগে আসুন দেকি আরবে প্রাক ইসলাম নারী সমাজ কেমন ছিল। ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট কয় কোন আইন আছিলনা নারী গো প্রতি আচার আচরনের, ট্রাইবের লিডারের মাইয়া হইলে এক আইন আর দাসের মাইয়া হইলে আরেক আইন। আরেকটা আইন যেইটারে সার্বজনীন আইন কওন যায়, যে কোন নারী ভূ-সম্পতি নিজের নামে রাকতে পারবো. নারী গো ভূ-সম্পতি এর আসল মালিক ট্রাইবগুলান। নারী নির্যাতন যা হবার সেকালে সামাজিক মর্যাদা বুইজা হইতো।আমগো রাসুল প্রথম যেই কামটা করতে পারসেন সেইটা হইলো গিয়া ভু-সম্পতির মালিক হওনের রাইটটা দিসে, এতে নারী গো সামাজিক মর্যাদা বৃদ্বি পাইসে। এটা হাজার বছরের ট্রাডিসন ভাইঙা কিন্তু সো এটারে নারী গো লাইগা আরবে ম্যাগনাকার্টা কইলে ভুল কওয়া হইবোনা। আর রাসুল নারীবাদী হিসাবে ধন্যবাদ পাওনের যোগ্য।
সমস্যাটা বাড়ে, যকন নারী নিজে কাম কইরা সম্পতি উপার্জন করতে পারে কিনা,। সুরা আল নিসার আয়াত ৩২ পড়লে মনে হয় মেয়েদের নিজের শ্রমের সম্পতি উপার্জনের রাইট আচে, মাগার সুরা আল নিসার আয়াত ৩৪ পড়লে আমার মনে হইসে মেয়দের বাইরে কাজ কর্মের রাইট নাই।
আয়াত ৩২
"আর তোমরা আকাáক্ষা করো না এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের একের উপর অপরের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন| পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার অংশ| আর আল্লাহ্র কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর| নি: সন্দেহে আল্লাহ্ তা’আলা সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত| "
আয়াত ৩৪
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে| সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ্ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে| আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর| যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না| নিশ্চয় আল্লাহ্ সবার উপর শ্রেষ্ঠ|
সো আয়াত ৩২ কইতেসে যে মেয়েরা নিজের পরিস্রমের ফল ভোগ করতে পারবে আর নারী পুরুষের মইদ্যে ইকুইটি আচে, মাগার আয়াত ৩৪ কইতেসে যে পুরুষ নারীর ওপর কৃর্তত্বশীল যে হেতু নারীরা ইকুয়াল না
কায়েস মিয়া উপরের আয়াত গুলানের জবাব দিয়েন
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
@ প্প্ব্বপ্প্ম
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
Most of the Muslims have misunderstood this verse, when it says ‘a men have a degree higher’ - As I said we should analyze the Qur’an as a whole. And its mentioned in Surah Nisa, Ch. 4, Verse No.34 which says, ‘The men are the protectors and maintainers of the women, for God has given one of them more strength than the other and they give them their means’. People say the word ‘Kawwam’ means, ‘one degree higher in superiority’ - But actually the word ‘Kawwam’ comes from the root word ‘Ikamah’. ‘Ikamah’ means for example ‘when you give the Ikamah before prayers - You stand up’.
So ‘Ikamah’ means to standup - so the word ‘Kawwam’ means one degree higher in responsibility, not one degree higher in superiority.
Even if you read the commentary of ‘Ibne-Kathir’ - He says that the word ‘Kawwam’ means one degree higher in responsibility, not one degree higher in superiority.
@ দীক্ষক ও দূর্গ।
নাম্বারহীন বলেছেন:
কায়েস কপি পেষট মাইরা কোরান বুঝানোর ব্যবসা, সব সময় সবাই ভুল বুঝে যখন কোন গলদ পাওয়া যায়। হাজার হাজার নারী এ আইনে মারা যাওনের পরে আপনার জাকির নায়েক নতুন থিওরি নিয়া আসে, কিন্তু তারপর ও কিসু হয়না। আর কতদিন বোজার ভুলের ব্যবসা
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
"হাজার হাজার নারী এ আইনে মারা যাওনের পরে আপনার জাকির নায়েক নতুন থিওরি নিয়া আসে, কিন্তু তারপর ও কিসু হয়না।"কোথায় হাজার হাজার নারী এই আইনে মারা যায়।
আমরা জানতে পারি কি।
বর্তমান পৃথিবীতে কোথাও পূর্নাঙ্গ ইসলামি আইন নাই ।
নাম্বারহীন বলেছেন:
আরে আপনে সৌদি আরবে তাকান না, এ আইনের ব্যাপক প্রয়োগ দেকবেন, মধ্যপ্রাচ্যের সব জায়গা একই আইন, নারীর ইশ্বর পুরুষ, এ আইনের বেসিসে দুই জন মেয়ের সাক্ষ্য লাগে, ৪ বিবাহ করন যায়! বোজার ভুলের ব্যবসা ছারেন আর জাকির নায়েকের জিনিষ কপি পেষ্ট কইড়া অনুবাদ করনের আগে নাম স্বীকার করেন, নাইলে চুরি করা হইবেক
শাখামৃগ বলেছেন:
৫
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
কোরান শরীফের কোন আয়াত যখন উদ্ধৃত করবেন, তখন প্রেক্ষাপট চিন্তা করবেন। কারন, অনেক আয়াতই আছে, যেখানে নারীর স্থান অনেক উচঁতে রয়েছে। কিছু ধর্ম ব্যবসায়ীর কারনে আজ অন্যরা ধর্ম সম্পর্কে ভুল ধারনা পাচ্ছে। কায়েস ভাইয়ের ইংরেজী পোস্ট দেখুন। সময় পেলে আরো আরো অনেক ব্যাখ্যা দেয়া যেত।দয়া করে অন্য ধর্মকে হেয় করার চেষ্টা করবেন না। কারন, গলদ হয়তো নিজেদের মাঝেই আছে।
কোমল রেখাব বলেছেন:
নারীর আবার অধিকার কি? নারী জিনিসটাইতো শয়তানের কারখানা। কুরান হাদিসে বহুবার আছে। নারী লইয়া কথা বলাও গুনা।
দীক্ষু যদি মিছা আয়াত তুইলা দেয় তাইলে এরে বহিস্কারের লাইগা আসেন আন্দোলন করি । কোন কিছু নিয়া মিছা কথা কওন ঠিক না ।
মাগার যদি আয়াত গুলান এই রকম থাইক্কা থাকে,তাইলে?
তাইলে এইটা নিয়া এমুন লাফ কেমনে দেন পাব্লিক?
আপনার এই লেখাটি পড়ে আমি রীতিমতো মুগ্ধ। একজন ঠিকই মন্তব্য করেছেন, 'উলুবনে মুক্তো ছড়াচ্ছেন'। আরও কয়েকজনের মন্তব্য পড়ে আমি এই সিদ্ধান্তে এলাম যে, অধিকাংশ ধর্মবিশ্বাসীরা সহজ-সরল যুক্তিও গ্রহণ করতে চায় না, যদি তা তাদের বিশ্বাস টলিয়ে দিতে পারে।
আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পত্র-যোগাযোগের কোনও ব্যবস্থা কি করা যায়? আমাকে ঠিকানায় লিখলে বড়ো খুশি হতাম।
বি.দ্র. হুমায়ূন আজাদের 'নারী' পড়েছেন?
বন্ধনহীন বলেছেন:
এই পোস্টের উপর কোন মন্তব্য করার ইচ্ছে নেই।হাদীস সম্পর্কে লেখকের ধারণা কতটুকু শুধু তিনিই জানেন। নন-হাদীসের উদ্ধৃতিই বুঝা যাচ্ছে, লেখকের মনোভাব। যাইহোক, চালিয়ে যান।
দূর্গ ও ঠোটকাটা ব্লগার, আপনাদের পক্ষপাতিত্ব দৃস্টিকটু লাগলো।
বইপাগল বলেছেন:
১
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ, সত্য কথা স্বীকার করতে বাহানা করেন কেন?আপনার ধর্ম কি আপনাকে এইসব কৌশল শিক্ষা দেয়?
ইসলামে নারীর অবস্থান পুরুষের ইচ্ছা ও পছন্দের উপর নির্ভরশীল এটা তো আমিনীও স্পষ্ট করে বলেন। তিনি রাজনীতিবিদ। তার সমস্যা হয় না। আপনার সমস্যা কী?
ত্রিভুজ বলেছেন:
দীক্ষক দ্রাবিড় এর কোন লেখার সাধারনত আমি জবাব দেই না। এর পেছনে অতীতে দীক্ষকের সাথে আস্ত ও আমার তর্কের কিছু ইতিহাস রয়েছে। এটা প্রমাণীত সত্য যে দীক্ষক টাইপ লেখকরা বেছে বেছে কোরানের আয়াত এমন ভাবে মেনিপুলেট করে যে অর্থ পুরো অন্যদিকে চলে যায়। দীক্ষক নারীদের প্রতি কোরানের কিছু আয়াত ও হাদীস উল্লেখ করেছেন। যা দিয়ে তিনি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন ইসলাম নারীদের প্রতি অন্যায় করেছে। কিন্তু তিনি কোরানের সেই আয়াতগুলো তুলে ধরেননি বা সেই হাদীসগুলোর রেফরেন্স দেননি যেগুলোতে নারীদেরকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ইসলাম নারীদের যে অধিকার দিয়েছে সেটা পৃথিবীর কোন ধর্ম বা মতবাদই দিতে পারেনি। তিনি কিন্তু সেগুলো উল্লেখ করবেন না ভুলেও। এরকম পক্ষপাতদুষ্ট লেখকদের লেখার জবাব দেয়া কি সময় নষ্ট নয়?যারা ইসলাম জানেন ও মানেন তারা খুব সহজেই এইসব কথার চালবাজি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারেন। আর যারা অবিশ্বাস করতে চায় তারা দীক্ষকের মত লেখক খুঁজে খুঁজে বের করে অবিশ্বাস করার পক্ষে যুক্তি খুঁজবে। আল্লহ তো বলেই দিয়েছেন তারা নিজেরাই নিজেদের বিভ্রান্ত করবে। আর আল্লাহ তাদের বিভ্রান্ত অবস্থায় ঘুড়ে বেড়াবার অবকাশ দিবেন। এবং সবশেষে পাকড়াও করবেন। সুতরাং এদেরকে এদের মত করে প্রলাপ বকে যেতে দিন। দীক্ষক ও তার মত নাস্তিকের জন্য করুনা রইলো। সৃষ্টিকর্তা তাদের সঠিক পথের সন্ধান দিন। আমীন।
কোরানে নারী নিয়ে ভালো কথা আছে বলেই খারাপ কথাগুলো নিউট্রালাইজ হয়ে গেল?
নাম্বারহীন বলেছেন:
ত্রিভুজ সাহেব,কোরানে নারী আর পুরুষের সমাধিকার নিয়া উপরের আয়াত বাদে একটা আয়াত দেকান
কর্কট বলেছেন:
পড়সসবহঃ নু: কোমল রেখাব বলেছেন :
২০০৭-০৯-১৮ ০১:৫৪:৪০
নারীর আবার অধিকার কি? নারী জিনিসটাইতো শয়তানের কারখানা। কুরান হাদিসে বহুবার আছে। নারী লইয়া কথা বলাও গুনা।
আচ্ছা!!! কোমল রেখাব আর দীক্ষক দ্রাবিড় যে তাহাদের স্বরচিত কুরআন হাদীস বানাইয়া ইসলাম শিখিতেছেন, আর সকলকে শিখাইতেছেন, সেই সম্পর্কিত সব দ্বিধা কাটিয়া গেল। চালাইয়া যাও বাপুরা, না হলে ভাত জুটবে কোথা থেকে?
নাম্বারহীন বলেছেন:
কর্কট দীক্ষকের আয়াত কি কোরানে নাই। সে তো আয়াত নাম্বার উঠাইয়া দিসে
সোহানের রোজনামচা বলেছেন:
ভন্ডামী ছাড়েন ভাইডি। আপনের লেখা কিছুই হয়নাই। একেক যায়গা দিয়া একটু একটু খুবলাইয়া লইয়া আইলেন, একটা হাস্যকর ছবি দিলেন, ব্যাস মনে করলেন হইয়া গেলেন বুদ্ধিজীবী টাইপ কিছু।ইদানীং দেখতেছি এইটা একটা স্টাইল হইয়া দাঁড়াইতেছে, ব্লগে হিট বাড়াইতে চাও, নিজেরে একটা কিছু মনে করতে চাও তো ইসলাম বিরোধী একটা পোষ্ট দাও। আপনে কি মনে করেন আপনে একাই এই আয়াত গুলি আর হাদিস গুলি নিয়া ক্যাচাল লাগানোর চেষ্টা করছেন?আপনে এহানে যা করলেন বা লিখলেন হেইডা হইল চবি'ত চব'ণ। আপনার অনেক আগে দিয়া অনেকে এসব লেইখা কিছু করতে চাইছে কোন কাম হয়নাই হেরাই ভাগছে। আপনে যদি নতুন নামে পুরানা সেই পাপী না হন, তাইলে জাইনা নেন যে কোন লাভ নাই, আপনার এসব লেখায় ধম'প্রাণ মুসলিম দের বিশ্বাস এতটুকু টলে নাই, টলবেও না। আল্লাহ আপনার হেদায়েত করুক।
মুক্তি বলেছেন:
আহারে সোহান মিয়া কি করলেন আপনেতো দেখি রিয়েল রাজাকার। আমি আজকা হের গান গাইয়া পোষ্টাইছি। হের লাইগা ক্যাম্পেইন করতাছি। বেচারা ইংলিশ টু বেঙ্গলী করছে। ভুলভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এইভাবে তার তার বিরোধীতা করন ঠিক না ভাই।
সোহানের রোজনামচা বলেছেন:
এইতো শিখছেন তো একটা কথা "রাজাকার"।ইসলামের পক্ষে কথা কওনের লাইগা আমারে রাজাকার, আলবদর, আল শামস যা ইছ্ছা তাই কইতে পারেন আমার কিছু যায় আসেনা। আমারে এইখানে যদি কেউ রাজাকার কয় আমি কি সতি্য সতি্য পাকি শালাগো দালাল হইয়া যামু?আসল ইসলামের পক্ষে আমি সবসময়।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
আমি প্রথম পাতায় ব্যান। আপনার লেখা দেইখা লগ ইন করলাম। আমার কাছে সবসময় যেইটা মনে হইছে, পর্দার বিষয়টা ইতিহাসের লগে জড়িত। কাছাকাছি ধরনের পর্দার রেওয়াজ ঐ এলাকার ইহুদি-খ্রীষ্টানদের মধ্যেও ছিল। ইসলামের শুরুতেও পর্দা প্রথা অনেক মডারেট ছিল। জিনিসটা গ্র্যাজুয়ালি ম্যাক্সিমাম হইছে। এর লগে অন্ত:পুর আর পর্দার ঘের দিয়া সোডম বানানোর একটা কোরিলেশন দেখা যায়। বিষয়টা নিয়া আমার স্পেসিফিক পড়ালেখা নাই। ইতিহাসটারে একবার হাইলাইট করলে ভালো হয়। শুধু শরিয়তের আলাপ করলে আগা পাকড়াইয়া মাথা ভাঙলেও কেউ তালগাছ থিকা নামবো না। খাসীর গোস্ত একবেলার বেশী খাইয়া মজা নাই।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
ত্রিভুজ সাহেব,কোরানে নারী নিয়ে ভালো কথা আছে বলেই খারাপ কথাগুলো নিউট্রালাইজ হয়ে গেল?
সেরা মন্তব্য...
দ্বিধা বলেছেন:
ত্রিভুজ সাহেব,কোরানে নারী নিয়ে ভালো কথা আছে বলেই খারাপ কথাগুলো নিউট্রালাইজ হয়ে গেল?
সেরা মন্তব্য...
সহমত ।
কানা বাবা বলেছেন:
পিরাইমারি লেভেলের ইশটুডেন হিসাবে আমার্জৈন্য ল্যাকাডা ইট্টু কড়া হৈয়া গ্যাচে, পরের্বার আরেট্টস সহজপাচ্য করিয়া লিকিবার মিনতি কৈরা রাকলাম...
জতোটুকুন বুচ্চি তার্লিগা পিলাচ...
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
দ্বিধা বলেছেন: ত্রিভুজ সাহেব,কোরানে নারী নিয়ে ভালো কথা আছে বলেই খারাপ কথাগুলো নিউট্রালাইজ হয়ে গেল?
সেরা মন্তব্য...
দাসত্ব বলেছেন:
আমি যেটা বুঝি সেটা দেখেন ।ইসলাম যেটা বলে সেটা সাম্য না , ভারসাম্য
সাম্য শব্দটা রোমান্টিক , অবাস্তব।
সাম্য কোথাও নাই Materialistically .
Abatract ভাবে থাকতে পারে , সেই জন্যই বল্লাম সেটা
রোমান্টিক ।
এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
পুরুষ অনেক কিছুই পারে নারী পারেনা সহজাতভাবে,
নারী অনেক কিছুই পারে পুরুষ পারেনা সহজাতভাবে।
কোরানের প্রতিটা পদে পদে ভারসাম্যের Direction খুজে দেখুন।
পাবেন।
পৃথিবীতে সবাই ধনী না , সবাই গরিব না ,
একেক জন একেকজনের একেক অবস্থা ।
তাই বলেকি আমরা জীবনা টাকে উপভোগ করিনা ?
করি।
কারন : জীবন টা সাম্য দিয়ে নয় , ভারসাম্য দিয়ে চলে ।
মহাবিশ্বের সবকিছুই ভারসাম্য দিয়ে চলে ।
কোরানে এই রকম অনেক আয়াত আছে :
" ইহাতে রয়েছে চিন্তাশীল বা বুদ্ধিমানদের জন্য নিদর্শন "
ঐ আয়াত গুলোতে আমন্ত্রন জানালাম ।
আল্লাহ আপনার দৃষ্টিভ্রম দুর করুক ।
মিরাশদার১০ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে নিতে হলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















