ডাক দেয় দীক্ষক দ্রাবিড়
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১০
মাদলের দ্রিমিকি দ্রিমিকি ছন্দে রক্তের গভীর থেকে ডাক দেয় দার্ঢ্য দ্রাবির। আমার এই পলল মাটির উপত্যকায়, আমার এই অসীম ভূ-সৌন্দর্যের লীলাক্ষত্রে আরব, হুন, শক, আর্য শকুনেরা হানা দিয়েছে বারংবার। সুফলা শ্যামল মৃত্তিকায় তারা হানা দিয়ে জন্মভূমিকে বানিয়েছে লু-হাওয়ার মরম্নভূমি আর নামিয়ে এনেছে সমাধির নিসত্দবদ্ধতা।
অপরাধী ছন্নছাড়া ব্রিটিশরা যেমন সাগর পাড়ি দিয়ে এ্যাবরিজিনালদের পাখির মত গুলি করে হত্যা করেছে লাখে লাখে এবং দখল করেছে অস্ট্রেলিয়া তাদের রাণীর নামে কিংবা অতলানত্দিক পার হয়ে নিষ্ঠুর শ্বাপদের মত নিধন করেছে রেড ইন্ডিয়ানদের আর শঠতায় দখল করে নিয়ে তাদের প্রকৃতি-দত্ত-ভূখন্ড কালিমা ছুঁড়ে দিয়েছে তাদের তিলকে বর্বর বন্য হিসেবে তেমনি কৌশলে বিচিত্র সব খুন লোভী তাতারের দল সর্বশানত্দ করেছে আমার দ্রাবিড় জাতিকূলকে। আমরা শানত্দিপ্রিয় ছিলাম বলে, আমরা জঙ্গলের অশ্বকে বশ করে তার গতির সুবিধায় ভিন দেশের মানুষের সম্পদ লুণ্ঠন করিনি বলে, নিজস্ব পলল মৃত্তিকার উর্বরতায় ফসল ফলিয়ে সুখের নীড় গড়ে তৃপ্ত ছিলাম বলে হার্মাদের দল, বেদুইনের দল মাংসপেশি আর অমানবিক সব অস্ত্রের শক্তিতে ছিনিয়ে নিয়েছে আমাদের জন্মভিটা, ফসলের মাঠ, আর সম্পদের গোলা আর ধ্বংস করেছে আমাদের সাংস্কৃতিক অর্জন ও সভ্যতার নজির। পাশবিক রমণে ও ধর্ষণে গর্ভবতী করে আমাদের নারীদের জন্ম দিয়েছে পাপাচারী সনত্দান আর বাড়িয়েছে তাদের তথাকথিত উঁচু ধর্মের হানাদার অনুসারী। কিসের সভ্যতা, ধর্ম আর কোন ঈশ্বরের বড়াই করে তারা?
শেকড়ের মধ্য থেকে জেগে ওঠা দ্রাবিড়েরা ডাক দেয় নতুন দীক্ষায়। অনাদিকালের সুপ্ত প্রাণবীজ জেগে ওঠো সনাতন প্রাণস্পন্দনে, পবিত্র হও স্নান করে মানবিকতার ঝর্ণায়, আর ধুয়ে ফেলে তোমার যত শ্বাপদের রক্ত-সূত্র উচ্চারণ করো নতুন স্বাধীনতার মন্ত্র। পুনর্বিজয়ের যুদ্ধে জয় করে নাও হারানো জমিন, বাস্তুভিটা, গলার গান আর বিসত্দীর্ণ নদীতীর। ধনুকের ছিলায় রাখো হাত, সুতীক্ষ্ন করো নিশানা আর দখলদার জাতিসত্তার রক্তবীজে ছুঁড়ে মারো নির্বংশকারী তীর। ডাক দেয় ডাক দেয় দীক্ষক দ্রাবিড়।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
যাই!
অতিথি বলেছেন:
হাইটা আইতাছি, পরিবহণ ধর্মধট
অতিথি বলেছেন:
আপনার ডাক শুনে যদি একজনও এগিয়ে আসেন তাহলেই ধরে নেবেন, নিবিড় অরণ্য মাঝে সত্যের ধুনি নেবেনি, একদিন এই একজনই ছড়িয়ে দেবে দাবানল, পুড়িয়ে ছারখার করবে এই সব আরববাদীদের, যারা ও যাদের চিন্তা চেতনা মরুভূমির বালুর মতো উড্ডয়মান, স্থির নয়। সত্যি কথা বলতে কি, বাংলার সিণগ্ধ প্রকৃতিতে বসে যারা আরবের মরু-চিন্তায় মরে, তাদেরকে আপনি আত্মঘাতী ছাড়া আর কী বা বলতে পারেন, বলুন?
:) বলেছেন:
উত্তর-আধুনিকতার সাথে কি এই 'পরিশুদ্ধ দ্্রাবিড়' মতবাদ যায়? নাকি উত্তর-আধুনিকতা **র টাইম নাই? দীক্ষকের লেখা মনকে নাড়া দেয় ঠিকই কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে উপযোগীতা খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
অতিথি বলেছেন:
হাসমুখলাল, এইটা একটা কবিতা
:) বলেছেন:
আধুনিক না উত্তর-আধুনিক?
অতিথি বলেছেন:
বোধের যে গভীর উচ্চারণ যা অন্তরের গহীন প্রকোষ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয় তার সাথে মেলে না সভ্যতার সাজানো সমাজের অনেক প্রত্যয়, হোক তা শিল্পের উত্তর-আধুনিকতা, হোক তা অর্থনীতি/ব্যবস্থাপনার জয়-জয় বাস্তবতা। তাই বলে কি আমার অনুভূতির ক্রোড়ে লালিত বোধ মিথ্যে হয়ে যায়?
অতিথি বলেছেন:
আমিও সাধনা শুরু করছিলাম এইসব কালা মাইটা দ্রাবিড় গো ডাক দিতে । একটু দেরিতে মন্তব্য করলাম । কিন্তু জাইনেন আমি আছি , দ্রাবিড়ের মৃন্ময় লোকায়তিক ভাবনায় ।
অতিথি বলেছেন:
এইটাই সেরা পোস্ট এই পর্যন্ত
লাল মিয়া বলেছেন:
কড়া পোস্ট আছিল এইটা
অতিথি বলেছেন:
সাধক শংকু, সুমন চৌধুরী ও লাল মিয়া, কৃতজ্ঞতা জানাই কি প্রকারে?
অতিথি বলেছেন:
দক্ষিন-আধুনিক সম্ভবত....
অতিথি বলেছেন:
যাক ত্রিভুজ, সম্ভবত বলে সন্দেহ ও সংশয়ের পথেই পা রাখছেন। জ্ঞানের পথেও। স্বাগতম!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এই অঞ্চলের আদি অকৃত্রিম দ্রাবিড় বা অনার্যদের ....মূল বৈশিষ্ট্যের ধ্বংস সাধন তো প্রাথমিক পর্যায়ে তাতার া করেনি। ....সেই বহু প্রাচীনকালে আর্য নামের অগ্র সভ্যতা নামক ধ্বংস অস্ত্র লব্ধ জাতি রা এসে রক্তের মাঝে রক্তের সংমিশ্রন ঘটায়েছে.......
সেই অজানা অসুযোগ্য পৃথিবীতে সবাই তথন হন্য হয়ে ঘরুতো ........ওরা আগে এখানে পৌঁছে গ্যাছে , না হলে দ্রাবির রাও একসময় হয়তো ওদের ওদিকে ভলগার তীরে পেঁৗছে যেতো, তাহলে পৃথিবীর চরিত্র পালেটেই যেতো..............
দ্রাবিররা সেইযে গুতো খেতে শুরু করলো.....কেতেই লাগল............................
এই রক্তে রক্তে মিশল না খেলে পৃথিবী কিন্তু সভ্যতা নামক যন্ত্রনার মুখ এত দ্রুত দেখতো না ,
সেই সেই অসভ্য তা নামক শান্তিতেই ঘুরে বেড়াতো.....
দ্রাবিড় বা অনার্যদের ও একটি দোষ আছে তাদের মার খাওয়ার পেছনে,
তারা সামনে পা ফেলত ধীরে ধীরে............
যে সুযোগটা ঘোড়ায় চড়া আর্যরা কাজে লাগায়ছে ভালো দুর্বল করে রাখতে
অতিথি বলেছেন:
ভূমিপুত্রদের জয় হোক।ভূমিপুত্রদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার হোক।
ভূমিপুত্রদের ধর্ম ও আচারের পুর্নস্থাপন হোক।
জয় হোক দুর্বল ও অত্যাচারিতের।
দ্বিধা বলেছেন:
জটিলস্

















