প্রচুর পরিমানে দেখা যায় পাকিস্তানি, টার্কি বা বাঙ্গালী মালিকানাধীন ফিশ অ্যান্ড চিপস। আর ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টগুলো প্রায় সবই বাংলাদেশী সিলেটিদের মালিকানাধীন। এগুলোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পাকিস্তানি মালিকানাধীন রেস্টুরেন্ট গুলোতে শুধু পাকিস্তানিদের কাজ করতে দেখা যায়, বাঙ্গালীদের মালিকানাধীন গুলোতে শুধু বাঙ্গালীদেরই কাজ করতে দেখা যায়। এগুলোর মালিক, শেফ সহ সবাই সাধারণত ওই দেশেরই হয়ে থাকে। ফলে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশটাও ওই দেশেরই পাওয়া যায়।
অ্যারাবিয়ান ফুড
কয়দিন আগে সিদ্ধান্ত নিলাম বার্মিংহামের অ্যারাবিয়ান ফুড টেস্ট করতে যাবো। কথামতো সন্ধ্যার সময় স্মল হিথের এক অ্যারাবিয়ান রেস্টুরেন্টে গিয়ে হানা দিলাম। রেস্টুরেন্টের মালিক ইরাকি বলেই মনে হলো। কারণ ম্যানেজারের আসনে যিনি বসে ছিলেন তার চেহারা ছিল সাদ্দাম হোসেনের তরুণ বয়সের মতো। সেবার অবশ্য তিনি অনেক ব্যস্ত ছিলেন এজন্য আলাপ করা হয়নি। পরে একসময় জিজ্ঞাসা করে নিবো।
খাবারের মেনুতে দেখলাম প্রচুর মাংসের আইটেম আছে। আমরা অর্ডার দিলাম ল্যাম্বের বিরানী।
খাবার যা আসলো খাবার আগেই তা দেখে শিহরিত হলাম। বাহ বেশ বড় অনেকগুলো মাংসের টুকরো তো। স্পেশাল অ্যারাবিয়ান মসলা আর রান্নার ভিন্নতার কারণে বাদামি হয়ে গেছে। বিরানী যেহেতু, সাথে সামান্য রাইস বা পোলাও আছে। তবে তা দেখতে অনেকটা আমাদের খিচুড়ির মতোই। হলুদ রঙের। সাথে ছিলো লেটুস পাতার সালাদ।
তাড়াতাড়ি এক টুকরো মাংস মুখে চালান দিলাম। আহ অনেক দিন পর মাংসের প্রকৃত স্বাদ পেলাম
মোবাইল ক্যামেরায় ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। তেমন ভালো আসলো না।
তবে মাংসের রন্ধন প্রণালীটা কেমন ঠিক বুঝতে পারলাম না। দেখতে প্রচুর তেল-মসলা যুক্ত খাবার মনে হলেও আসলে তা-না। খাবারটা যেমন সুস্বাদু তেমন হালকা। এ কারণে অনেক খাওয়া যায়। বড় এক প্লেট মাংস আর ভাত গপাগপ খেয়ে ফেললাম।
খাবার শেষে বিল, মাত্র পাঁচ পাউন্ড
[এবারের খাবার দাবারের লেখাটা অন্তর্ধানকৃত ব্লগার তুষার ভাইয়ের উদ্দেশ্যে নিবেদিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



