আমার প্রিয় পোস্ট

ইচ্ছেমতো লেখার স্বাধীন খাতা....

বিদ্যুৎ সমস্যা ও মন্দা মোকাবেলায় নতুন বাজেটে যা চাই এবং যা চাইনা

০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

শেয়ারঃ
0 1 0



বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান

বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য দেশের মানুষের যে কি পরিমাণ কষ্ট হচ্ছে তার কোনো বর্ণনা করার ভাষা নেই। এই অবস্থায় দেশের গ্যাস সম্পদও শেষের দিকে।

১. বিদ্যুৎ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য সমাধান হচ্ছে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর জন্য যদি ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তবে এ ধরনের দুই থেকে তিনটা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর জন্য এখনই উদ্যোগ নেয়া উচিত। এ ধরনের বড় প্রকল্পের পেছনে খরচ কখনোই একসাথে দিতে হয় না। প্রতি বছরের বাজেট থেকে দুই হাজার কোটি টাকা করে দিলে এ খরচের ভার খুব সহজেই মেটানো যায়। আমরা সামরিক সহ আরো কয়েকটা খাতে এর কয়েক গুণ বেশী টাকা প্রতি বছর খরচ করি। আর একবার স্থাপন করতে পারলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম কিন্তু কমই থাকে।
রাজনীতিবিদদের বোকামির কারণে অতীতে ইন্টারনেট সাবমেরিন কেবলের সংযোগ বিনা পয়সাতে পাওয়ার সুযোগ পেয়েও আমরা হারিয়েছিলাম। তখন যুক্তি দেয়া হয়েছিলো ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে আমাদের দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে (তার অনেক বছর পরে কয়েক মিলিয়ন ডলার দিয়ে এই সংযোগ নেয়া হয়েছে)। ফলে আমাদের দেশ হারিয়েছে সফটওয়্যার শিল্পের উন্নয়ন সম্ভাবনা। অন্যদিকে পাশ্ববর্তী দেশ সে সুযোগ নিয়ে সফটওয়্যার শিল্পে ব্যাপক উন্নতি করেছে। এখন কোনোভাবেই সেই ক্ষতি পূরণ হবে না। রাজনীতিবিদদের এমন বোকামি আমরা আর দেখতে চাই না।

২. দেশের যে দুইটা বড় কয়লা ক্ষেত্র আছে সেগুলোর কাছাকাছি দ্রুত আরো কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বাজেট বরাদ্দ করতে হবে।

৩. নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন, সৌরবিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, পানি বিদ্যুৎ ইত্যাদির প্রসার বাড়ানোর জন্য আরো আর্থিক বরাদ্দ প্রয়োজন।

৪. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এনার্জি সেভিং বাল্ব উৎসাহিত (সম্ভব হলে বাধ্যতামূলক) করতে হবে।

পারমাণবিক বনাম সৌরশক্তি
রিনিউয়েবল এনার্জি ব্যবহার বাড়ানো উচিত। বিশেষ করে সৌরশক্তির ব্যবহার বহুগুণে বাড়ানো উচিত। আমাদের দেশের গৃহস্থালী ব্যবহারের জন্য এটা খুবই কাজের হবে। কিন্তু শিল্প কারখানার জন্য এই উৎপাদন কতোখানি কাজের হবে তা নিঃসন্দেহে প্রশ্ন সাপেক্ষ।
জাপান:
জাপানে নতুন বাড়িগুলোর ৭০% সৌর প্যানেল সমৃদ্ধ। কিন্তু তা দিয়ে বাড়িগুলির আংশিক বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হয়। সৌরশক্তি দিয়ে জাপানের বিদ্যুতের অতি সামান্য অংশই পূরণ হয়। ২০০৮ সালে জাপানে ৫৫টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৪৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। আর সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ২ হাজার মেগাওয়াট (প্রায়)।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
অন্যদিকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন একটু ভিন্ন পদ্ধতি নিয়েছে। তারা বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকেই টার্গেট বেধে দিয়েছে যে, তাদের মোট উৎপাদনের ১০% নবায়নযোগ্য শক্তি (সৌর, বায়ু, পানি) থেকে উৎপাদন করতে হবে।
এখন কথা হলো, একটা দেশের কতোখানি চাহিদা সৌরশক্তি দিয়ে পূরণ করা সম্ভব? জার্মানি এক্ষেত্রে পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ নির্মাতা ও ব্যবহারকারী। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক সৌরবিদ্যুৎ এ দেশেই উৎপাদন হয়। তথ্য অনুযায়ী তারা ২০৫০ সাল নাগাদ তাদের মোট বিদ্যুতের ২৫% সৌরশক্তি দিয়ে পূরণ করার পরিকল্পনা করেছে। তাই একথা মানতেই হবে যে, সৌরশক্তি দিয়ে দেশের সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর সময় এখনো আসেনি।

পারমাণবিক বিদ্যুতের বর্তমান ব্যবহার
পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নত বহু দেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ দিয়ে তাদের চাহিদা মেটাচ্ছে।
স্বল্প উন্নত দেশগুলোর মধ্যে, চীন, তাইওয়ান, ভারত (ভারতে ১৭ টি প্ল্যান্ট), ব্রাজিল, মেক্সিকো, লিথুয়ানিয়া, আর্জেন্টিনা, পাকিস্তান, ইরান স্বাচ্ছন্দে পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। ভারতীয়দের চেয়ে আমাদের বুদ্ধি কোনো অংশে কম নয়।
যেসব দেশ নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে তার মধ্যে জর্ডান, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, আরব আমিরাত ও নাইজেরিয়া উল্লেখযোগ্য।

পারমাণবিক জ্বালানী:
পারমাণবিক জ্বালানী দেশেই মজুত আছে (তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কঠিন কাজ হলেও অসম্ভব নয়)
সাধারণত যে কোম্পানির সাথে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের চুক্তি করা হয় তারাই দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানী সরবরাহ করে।

আমাদের মতো দেশের কাছে এ প্রযুক্তি বিক্রি করবে কিনা
ইতিমধ্যেই রাশিয়া, দঃকোরিয়া সহ বহু দেশ প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা তৈরি করবে ও জ্বালানী সরবরাহ করবে।

পারমাণবিক নিরাপত্তা
পারমাণবিক নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করে তারপর উৎপাদন করতে হবে। একথা মানতেই হবে যে, জাপানিদের নিজেদের দেশের নিরাপত্তার প্রতি মায়া আমাদের চেয়ে কম না। পারমাণবিক বোমার তারা সবচেয়ে বড় শিকার। তার পরেও তারা তাদের দেশে ৫৫ টা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়েছে। দুর্ঘটনার ভয়ে বাদ দেয় নাই। চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর রাশিয়া বা থ্রি মাইল আইল্যান্ড দুর্ঘটনার পর আমেরিকা এ শক্তির ব্যবহার বন্ধ করে নাই।
পৃথিবীর বহু দেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ দিয়ে তাদের চাহিদা মেটায়। শুধু তা-ই নয়, শত শত সাবমেরিন ও পারমাণবিক শক্তিচালিত সামরিক জাহাজ এ শক্তি দিয়েই চলে। তারা কখনো দুর্ঘটনার ভয়ে উৎপাদন বন্ধ রাখেনি। আমাদের দেশের এই চরম সঙ্কটে দুর্ঘটনার ভয়ে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন থেকে পিছিয়ে গেলে চলবে না।


ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র বনাম বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ছোট ছোট বিদুৎ কেন্দ্র সব সময় এফিশিয়েন্ট হয় না (রিনিউয়েবল বাদে)। অর্থাৎ এক ঘনফুট গ্যাস থেকে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র তার চেয়ে অনেক কম উৎপাদন করবে।

-------------------------------------------------------
বাজেটের প্রধান মাপকাঠি হওয়া উচিত কর্মসংস্থান
-------------------------------------------------------
পশ্চিমা বিশ্বের মন্দার মধ্যে আমাদের সামনে আসছে বহু মিলিয়ন মানুষের কথা, যাদের চাকরি চলে গেছে। কতো মানুষের চাকরি আছে, কতো মানুষের গেছে, কিভাবে তাদের জন্য ব্যবস্থা করা যায়, এসব ব্যাপার তাদের অর্থনীতিবিদদের অন্যতম প্রধান মাথা ব্যথা। কিন্তু আমাদের দেশে কর্মসংস্থান বিষয়ে তেমন কোনো আলোচনা দেখি না। আমার মতে কর্মসংস্থানই হওয়া উচিত আমাদের বাজেটের প্র্রধান লক্ষ্য। আর এ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকারের অন্যান্য খাতকে তৈরি করা উচিত। কারণ দারিদ্র্য বিমোচনের নামে টাকার অপচয়ের কোনো দরকার নেই।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দরিদ্র্য মানুষকে কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারলে তারা নিজেরাই নিজেদের দারিদ্র্য বিমোচন করবে। কারো সাহায্যে এটা হয় না। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অর্থনিতির গতি সঞ্চার হয়। যে শ্রমিক ১০০ টাকা বেতন পাবেন সে কিন্তু টাকাটা গোপনে লুকিয়ে রাখবে না। বাজারে গিয়ে টাকাটা খরচ করে ফেলবে। সেই খরচের টাকাটা আবার অন্য মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। ফলে অর্থনীতি সচল থাকে।
অন্যদিকে বেকার মানুষ মানেই দেশের অপরাধ সহ নানান সামাজিক সমস্যা বৃদ্ধি। তাই দেশের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান, কর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থান।

-------------------------------------------------------
শিল্প উন্নয়ন
-------------------------------------------------------
১. দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানার বিকাশ অতি গুরুত্বপূর্ণ। আমার জানা মতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে ব্রিটেনের বেসরকারি খাতের ৫৯.২% কর্মসংস্থান হয়ে থাকে অন্যদিকে বাংলাদেশের মাত্র ২৩% কর্মসংস্থান এ খাতের মাধ্যমে হয় (সূত্র: ইউকে ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস ও বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশন)। তাই সরকারের উচিত অযথা ও হয়রানিমূলক নানা ধরনের ট্যাক্সের বোঝা থেকে এ খাতকে মুক্ত রাখা ও উৎসাহমূলক নানা ধরনের ব্যবস্থা দিয়ে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও অর্থনীতি গতিশীল করা।
২. শুল্ক কাঠামো শিল্প সহায়ক করা। দেশীয় শিল্পকে নানা ধরনের ট্যাক্স ও হয়রানি থেকে মুক্ত রাখার ব্যবস্থা।
3. তৈরি পণ্য আমদানি শুল্ক বাড়ানো আর সেগুলোর জন্য উপকরণ, কাচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি শুল্ক কমানো। এর ফলে দেশীয় শিল্পগুলো উৎসাহিত হবে।

যে সুযোগগুলো আমরা প্রতিনিয়ত হারাই:
কয়েক বছর আগে আমরা দেশের শিল্পের উন্নয়নের বিশাল এক সুযোগ হারিয়েছি। ঢাকা শহর থেকে পুরনো স্কুটারগুলো উঠিয়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বহু সিএনজি স্কুটার আমদানি করা হলো। সে সময় যদি সরকার তৈরি সিএনজি স্কুটার আমদানি করার উৎসাহ না দিয়ে শুধু সিএনজির যন্ত্রপাতি আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিতো তাহলে বেশ কয়েকটা দেশীয় শিল্প যন্ত্রপাতি আমদানি করে সিএনজি সংযোজন/তৈরি করা শুরু করতো। পরে আস্তে আস্তে তারা নিজস্ব প্রয়োজনে দেশীয় উপকরণ ব্যবহার শুরু করতো। সংযোজন কাজ করতে গিয়ে দেশীয় ইঞ্জিনিয়ারদের কারিগরী জ্ঞান বৃদ্ধি পেত। যে জ্ঞান দিয়ে তারা পরবর্তীতে নিজেরাই সিএনজি তৈরি করতে পারতো।

এগুলো এমন কোনো আহামরি প্রযুক্তি না যে দেশে উৎপাদন করা যাবে না। বরং দেশে তৈরি করা হলে কর্মসংস্থান হতো বহু মানুষের। দেশী কয়েকটা শিল্পও দাড়িয়ে যেতো। সরাসরি তৈরি পণ্য আমদানি করার চেয়ে যন্ত্রপাতি আমদানি করায় উৎসাহ দেয়াটা এজন্য অনেক ভাল। এটা একটা উদাহরণ মাত্র। এ ধরনের আরো বহু সুযোগ আমরা প্রতিনিয়ত হারাই।

৪. শেয়ার বাজারের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে।

-------------------------------------------------------
অবকাঠামো
অবকাঠামো এ দেশের জন্য সবচেয়ে বড় একটা চ্যালেঞ্জ। এ কারণে এ খাতে বরাদ্দ রাখতেই হবে। বিশেষ করে সেতু নির্মাণ, নৌপথ, রেলপথ ও মহাসড়কগুলোর বৃদ্ধি, বন্দর উন্নয়ন ও ফাইবার অপটিকের মতো ইন্টারনেট অবকাঠামো নির্মাণ অতি জরুরী।
-------------------------------------------------------
শিক্ষা
শিক্ষা খাত হওয়া উচিত সবচেয়ে বেশী বাজেট বরাদ্দের খাত। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার জন্যও পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা উচিত।

-------------------------------------------------------
বিদেশী লোন চাইনা
-------------------------------------------------------
আইএমএফ অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য কিংবা সঙ্কট থেকে উত্তরণ করার জন্য শর্তসাপেক্ষে লোন দেয়। কিন্তু তাদের অযাচিত ও অবাস্তব শর্ত পূরণ করতে গিয়ে অর্থনীতির বারটা বেজে যায়। এছাড়াও এ লোনগুলোর অধিকাংশই তাদের শর্ত অনুযায়ী বিদেশী কনসালটেন্টদের ফি হিসেবে দিয়ে দিতে হয়। ফলে আসল অর্থ দেশের খুব কমই কাজে লাগে।

বিগত আমলে কয়েকজন অর্থমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড বা আইএমএফের লোন নেয়ার জন্য ব্যাপক তৎপর ছিলেন। সাইফুর রহমান আইএমএফের প্রায় সব শর্ত পূরণ করার পরেও আইএমএফের ঋণের শেষের দিকের কিস্তিগুলো আনতে পারেন নাই। তাই মন্ত্রীত্ব কালের শেষের দিকে তাকে প্রকাশ্যেই আইএমএফের প্রতি বিষেদগার করতে দেখা যেত। এসব ঝামেলা থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হচ্ছে তাদের কাছ থেকে লোন নেয়ার কোনো চেষ্টাই না করা।
-------------------------------------------------------
আমরাও পারি
আমরা খুব বোকা, উন্নত প্রযু্ক্তি বানাতে পারি না, ব্যবহার করতে পারি না নীতি নির্ধারকদের ইত্যাদি ধরনের ধারণা বাদ দেয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। দৃঢ়কণ্ঠে বলতে হবে আমরাও পারি।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৮:৫১
কক বলেছেন: নিঃসন্দেহে তথ্যবহুল এবং অবশ্যই প্রিয়তে রাখার মতো একটি পোস্ট।
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
ভাল থাকবেন।

২. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৯:৫০
শয়তান বলেছেন: পারমাণবিক জ্বালানী দেশেই মজুত আছে

---------------- বুঝলাম না ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: আরেকটু খবর নেন তাহলে জানতে পারবেন ;)
আমি অনেক দিন আগেই পড়েছিলাম। তবে বিস্তারিত অনুসন্ধান হয়নি। না হওয়ার পেছনে বিদেশী লবিং আছে নিশ্চয়ই।
বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। পরে জানাবো।
ভাল থাকবেন।

৩. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
খাদেমুল হক সুমন বলেছেন: ভালোই, তবে কোনো তথ্য দেওয়ার আগে সেটা সম্পর্কে নিজে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন? কয়েক লাখ সিএনজি অটোরিকশা আমদানির তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? আমি তো যদ্দূর জানি ঢাকা শহরে মাত্র ৩৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সারা দেশ মিলিয়ে সেটা একলাখ হবে কি না সন্দেহ। তবে তাতে আপনার এই পোস্টের মূল ভাবনাটার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। আপনার ভাবনার সঙ্গে আমিও একমত।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: সিএনজির আমি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করিনি। তবে এ তথ্যটা দেখুন, There are some 300 CNG filling stations around the country and almost 200,000 of the 1 million vehicles on the road are now CNG-fueled, according to the Bangladesh Road Transport Authority. যদিও এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো কনভার্সন করা। তবু কথা হলো, এক লাখ কেন, আমি অপ্রয়োজনে একটা্ও আমদানি করতে চাই না। আপনার কথামতো বহু শব্দটা যোগ করলাম।

একমত হওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৪. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:১৪
শয়তান বলেছেন: কিন্তু যতদুর জানি ঐ পরীক্ষাগার এখন বন্ধ প্রায় । প্রসেসিং খরচ নাকি অত্যাধিক হবে ।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: এগুলো সম্বন্ধে বিস্তারিত অনুসন্ধান হয়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিদেশী চক্রান্ত কাজ করে। এগুলোকে অলাভজনক দেখানোর জন্য। বিস্তারিত অনুসন্ধান করলে নিশ্চয়ই অনেক কিছু জানা যাবে।
ধন্যবাদ।

৫. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:২২
বেছু মেম্বার বলেছেন:

এ বিষয়ে অনেকেই লিখেছে তবে আপনারটা অনেক সুন্দর হয়েছে।
এখন দেখা যাক আমাদের জন দরদী সরকার কি করে।


প্রিয়তে...:)
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আমিও সেই দিকে তাকিয়ে আছি।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

৬. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩
কাজু বলেছেন: অতি উত্তম।পারমাণবিক জ্বালানী দেশেই মজুত আছে এটা আমি ও শুনেছিলাম। অনেক আগে।আপনাকে ধন্যবাদ, এ লেখার জন্য।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।

৭. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
অদ্ভুত কাজী বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে .............

মনে হয় ধাপে ধাপে লিখলে আরও ভাল ভাবে জানতে পারতাম,
এরকম লেখা আরও চাই।
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: এটা ঠিকই বলেছেন। একবারে বড় লেখা সাধারণত ব্লগে দেয়া হয় না। তবে একথা নিশ্চয়ই মানবেন, বারবার লেখা দেয়া, বারবার কমেন্ট করা ইত্যাদি একটু কষ্টকর। তাই ভাবলাম একবারেই দিয়ে দেই।
আশা করি আরো লিখতে পারবো। শুভেচ্ছা রইলো।
ভাল থাকবেন।

৮. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
পাপী বলেছেন: ভালো লেখসেন। গাধাগুলারে এইসব কে বুজাইবো?
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
ভাল থাকবেন।

৯. ০৩ রা মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫
এস এ মেহেদী বলেছেন: ভাই দুরন্ত আপনার সাথে আমিও আওয়াজ তোললাম।
০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
ভাল থাকবেন।

০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১১. ০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: পুরা পোস্ট পড়ি নাই... আপাতত আমার আগ্রহের বিষয় যেইটা সেইটাই পড়ছি- সৌরবিদ্যুত!!! আমি বুঝলাম কেন সবাই সৌরবিদ্যুত বাদ দিয়া পারমানবিক রে বেশী গুরুত্ব দিতাছে? ট্যাকনিকাল নলেজ কম তাই জানতে চাইতাছি কারনটা!!! সৌরবিদ্যুতের সমস্যাটা কোথায়? মানে ঘটনা টা আসলে কি?

সরকার ভর্তুকি দিয়া সোলার প্যানেল আনলে কেমন হয়? পর্ত্যেক ঘরে একটা কইরা প্যানেল থাকল..এখন যাও নিজেরা চইরা খাও..এইরকম ব্যবস্হা করা যায় না? ইকোনোমিক্স কি বলে? ফিঝিক্সেরই বা মত কি এই ব্যাপারে?

বাংগালের পোস্ট এ বিষয়ে... নীতিগত আলোচনা

নাজিমউদদীনের পোস্ট এব্যাপারে... ট্যাকনিকাল আলোচনা বিশেষত কমেন্টে
০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আপনার বাসায় কতো ওয়াটের বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন? ধরলাম ফ্যান, ফ্রিজ, লাইট, কম্পিউটার, টিভি এসব তো চলেই? তাহলে বেশ ভাল ওয়াটের একটা সিস্টেম লাগবে। আমার হিসেব মতে এ ধরনের ব্যাকআপ সহ সিস্টেমের দাম হবে প্রায় দেড় লাখ টাকা (+ ব্যাটারি সহ চার্জিং এর যন্ত্রপাতিগুলির পেছনেও বাৎসরিক খরচ আছে)। তবে এ ধরনের সিস্টেম আপনি কিনতে পারেন আমার কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু দেশের কয়জনের এ টাকা বিনিয়োগ করার সামর্থ্য আছে তা অবশ্যই চিন্তা করতে হবে। বিশেষ করে যেখানে এর চেয়ে কম দামে বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব।
কিন্তু এর পরের কথা হলো, শিল্প কারখানা, মার্কেট, দোকানপাট, পানির পাম্প, যেখানে এর এক হাজার গুন বেশী বিদ্যুৎ লাগবে সেখানে কি হবে? দেড় লাখ টাকা X ১০০০? এতো টাকা শুধু বিদ্যুতের পেছনে ব্যয় করলে শিল্প মালিকদের অন্য দিকে আর বিনিয়োগ করা লাগবে না। বিদ্যুৎ আনতেই সব মূলধন শেষ হয়ে যাবে।

আমি কিন্তু সৌরশক্তি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছি না। কারণ পরিবেশের দিক দিয়ে এটা খুবই ভাল। স্টোরেজ ব্যাটারি পদ্ধতি পাশ কাটিয়ে উৎপাদন খরচ কমানোর আরেকটা উপায় আছে। পরে সময় নিয়ে লিখবো।

০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: সচেতন মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। পরে আরো সময় নিয়ে এ বিষয়ে লিখবো আশা করি।

১২. ০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৯:২৩
জুল ভার্ন বলেছেন: পারমানবিক পরে হোক-বিদ্যুতের জরুরী ব্যবস্থা করে আগে মানবিক কাজ সম্পন্ন করুক!

বরাবরের মত আপনার পরিশ্রমী লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: তা অবশ্যই জরুরী বিষয়। তবে আমি দীর্ঘমেয়াদী বিষয়টা নিয়েই লিখছিলাম।
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

১৩. ০৩ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
বাঙ্গাল বলেছেন: রানিঙ্গে আছি ভাই...২টা দিন পরে পুরাডা আরাম কইরা পড়ুম। আগাম কুলাকুলি।
০৩ রা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
:)
ভাল থাকবেন।

১৪. ০৩ রা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: বাঙ্গাল বলেছেন: রানিঙ্গে আছি ভাই...২টা দিন পরে পুরাডা আরাম কইরা পড়ুম। আগাম কুলাকুলি।
০৪ ঠা মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: পারমানবিক শুভেচ্ছা রইলো :)

১৬. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ভাইজান কেমন আছেন?
দেখিনা আজকাল?!!!
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইজান। ভাল আছি।
ইদানিং রিসেশন চলে তো। তাই এই অবস্থা :(

১৭. ৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: আপনার লেখার আমি একজন নিয়মিত পাঠক ছিলাম। সময়ের অভাবে এখন কারও ব্লগই নিয়মিনত পড়তে পারি না।

আজ আপনাকে অনলাইনে দেখে ভালো লাগলো, তাই মন্তব্য করলাম।

লেখাটা পরে পড়ে নেব।

শুভেচ্ছা ।
৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: জেনে খুবই ভালো লাগলো। ইদানিং ঠিকভাবে ব্লগিং (কমেন্ট) করা হয় না। তবে অফলাইনেই প্রচুর লেখা পড়ি।
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইলো।

১৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
চানাচুর বলেছেন: ভাইয়াকে ইদানীং আর তেমন দেখি না কেন!:(
৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: দেশ বিদেশে মন্দা চলছে তো তাই এই অবস্থা :(

১৯. ০১ লা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: দেইখা গেলাম
নতুন কোন পুষ্ট নাই:(
০৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: রিসেশন কাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। শীঘ্রই নতুন পুস্ট দিব ;)
ভাল থাকবেন।

২০. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
রাশেদ বলেছেন: নিজেরা কিছু করার সুযোগটা লোভী আমলা রাজনীতিবিদ আর কিছু ব্যবসায়ীর জন্য হয় না!

সুতা মনে হয় আমাদের দেশে তৈরি হয়, কিন্তু গার্মেন্টসে বাইরে থেকে আমদানী করে।

নিউজপ্রিন্ট এও সেইম!

ভারতীয় দুধের শুল্ক বাড়িয়ে দিয়ে দেশী খামার রক্ষা করা যায়, কিন্তু করবে না।
০৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। লোভী আমলা রাজনীতিবিদ আর স্বল্পসময়ে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের জন্যই সমস্যা।
ভাল থাকবেন।

২১. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬
রাশেদ বলেছেন: দুই বছরের অভিনন্দন দিছিলাম নাকি ইয়াদ নাই। দিয়ে গেলাম। :)
০৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকে হাজার হাজার লাখ লাখ ধন্যবাদ :) :)

প্রথমে একবার প্ল্যান করেছিলাম ২০০ পোস্ট আর ২ বছর একসাথে করবো। পরে রিসেশন শুরু হলো। তাই এখনো ২০০ করা হলো না। আবার ২ বছরও কোনদিক দিয়ে চলে গেল টেরই পেলাম না .......

এদিকে আপনি নিজেই তো এখন অমাবশ্যার চাঁদ হয়ে গেছেন।

২২. ১১ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১৪
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অনেক গোছানো লেখা। খুব সুন্দর লিখেছেন। কিন্তু এসব শুনার আমাদের দেশের সরকারের সময় কই? নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা বাংলাদেশের জন্য জরুরী হয়ে গেছে। ব্যয়বহুল হতে পারে কিন্তু লংটার্ম চিন্তা করলে এটার সাহায্যে দেশের অর্থনীতি অনেক এগোবে।
লেখা পড়ে ভালো লাগল।:)
১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ঠিকই বলেছেন। লং টার্ম চিন্তাভাবনা করাটা খুবই জরুরী।। ভাল থাকবেন।
শুভেচ্ছা রইলো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি একজন কবি হওয়ার। ভালো লাগে বন্ধুদের নিয়ে মজা করতে, ঘোরাঘুরি করতে, নানা ধরনের বিষয় পড়তে আর লেখালেখি করতে।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ