সেদিন ভাবছিলাম, আমার যোদি একটা খুন ক্ষমা করে দেয়া হত, তাহলে কোনও এক সি এন জি ড্রাইভার আমার হাতে মারা পড়ত। সেটা ত আর সম্ভব না। সরকারি দল হলে হয়ত একটা ট্রাই মারতে পারতাম। যাই হোক কথাগুলো কোন কষ্টে বলছি যারা ভুক্তভোগি শুধু তারাই বুঝতে পারবেন।
বর্তমানে বাংলাদেশের বৈশিষ্ঠ বর্ণনায় মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, বন্গবন্ধু, ভাষা আন্দোলন, ড: ইউনুস , বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ ক্রিকেট ইত্যাদির সাথে দুর্নিতি নাম টাও বুক ফুলিয়ে দাড়াবে। দুর্নিতি নিয়ে বড় বড় কথা বড়রা বলবে। আমি আমার সাথে যে প্রতিদিনের দুর্নিতি হচ্ছে তা নিয়ে দু একটা কথা বলতে পারি। সরকার যোদি একটি সি এন জি তে মিটার বসিয়ে ভাড়া নির্ধারণ করে দেয়, সেখানে ১০-২০ টাকা বেশি নেয়া বা মিটারের____ মেরে ইচ্ছামত ভাড়া চাওয়া কি ঘুষ চাওয়া নয়?
ঘুষ দাতা গ্রহিতা উভয়েই সমান অপরাধী। ঈদানিং মিটারের কথা বললে সি এন জি ওলা রা এমন ভাবে তাকায় যেন মিটার কি জিনিষ জীবনে শুনে নাই। অনেকে হয়ত বলবেন ওরা গরিব, বড় বড় দুর্নিতিবাজদের ছেড়ে এদের নিয়ে কথা বলে কি হবে? তাছাড়া ওদের বক্তব্য ওরা মালিকদের অত্যাচারের শিকার। আমরা যারা ৯-৬টা অফিস করি তাদের অনেকেই ত বেতনে সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছি, আমরা কেউ কি সেজন্য আরেকজনের উপর অত্যাচার করছি? আমরা কি চুরি ডাকাতি করে টাকা আনছি তা হলে এই অত্যাচার মেনে নেব কেন? আমার মনে হয় এই ব্যাপার টা নিয়ে আমাদের কিছু করা উচিৎ। এই দুর্নিতিবাজদের শায়েস্তা করা মনে হয় এখনও আমাদের হাতে আছে। আসুন আমরা কিছু একটা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



