যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে নিবন্ধিত ৬২টি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানীর মধ্যে শুধুমাত্র ডেসটিনি-২০০০ এর গ্রাহক সংখ্যা জানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকার । বাকী ৬১টি এমএলএম কোম্পানীর গ্রাহক সংখ্যা জানে না তারা। আজ রবিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানা যায়।
সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-কায়সারের এ সংক্রান্ত লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান বলেন, ডেস্টিনি-২০০০ এর গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৪৫ লক্ষ। অন্যান্য এমএলএম কোম্পানির প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা জানা যায়নি। সাধনা হালদারের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বহুস্তর বিপনন (মাল্টি লেবেল মার্কেটিং) (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১১ নামে একটি আইনের খসড়া প্রনয়ণ করা হয়েছে। দ্রুত এ খসড়াটি চূড়ান্ত করে নীতিগত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।
সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রশ্নের জবাবে ফারুক দাবি করেন, বিশ্ব বাজারে দ্রব্য মূল্যের যে অস্থিরতা চলছে সে তুলনায় বাংলাদেশে সহনীয় মূল্যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বেশ কিছু পণ্যের দামের উর্ধ্বগতির সাথে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বৃদ্ধির সম্পর্ক আছে। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক না। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ কম থাকার পরও মহজোট ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরে দ্রব্যমূল্য যেমন ছিলো সে অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
কেরামত আলীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মাধ্যমে ২৫শ কোটি টাকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও স্থানীয়ভাবে কেনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া চলতি অর্থ-বছরে ৪শ ৪৪ কোটি টাকার পন্য ভোক্তাদের কাছে বিতরণ করা হচ্ছে। টিসিবি সংক্রান্ত নুরুল ইসলাম বিএসসির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে টিসিবি প্রশাসনিক, আর্থিক ও দক্ষতার দিক থেকে প্রায় অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলো। মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১১ থেকে সরকার ভ্যাট ও ট্যাক্স ব্যতীত মোট ১৫ কোটি ৮৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আয় হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



