০১. কি সুন্দর মিষ্টি আলাপ লাগাইয়া দিছে। তাই বেশি বিরক্ত করা হল না।
০২. মানুষের চেয়ে মনে হয় ছাতাটা অনেক বড়! ও কিছু না.....চলেন সামনে বাড়াই
০৩. কি সুন্দর বাচ্ছাগুলো। এক পা তুলে এবং জিব বাহির করে মনে হয় ক্যামরাম্যানকে স্বগত জানাচ্ছে।
০৪. চাচি যাচ্ছে। আমরাও পারলে এই বন্ধ নগরী থেকে ঘুরে আসতে পারি। জায়গাটা খারাপ না।
০৫. কি সুন্দর দইখান নৌকা পাল উড়িয়ে চলে যাচ্ছে.....
০৬. চাচি যেই ভাবে ডেউখানা তুলছেনা...আর সামনের হাঁস দুটোকে দেখেন কি সুন্দর ভাবে সামনে যাচ্ছে।
০৭. আমাদের স্বাস নি:স্বাসের মূল যন্ত্রখানা। কি সুন্দর মাথা তুলে দাড়িয়ে আছে।
০৮. একটা গাছ পানির মধ্য একা দাড়িয়ে আছে। তাকে সঙ্গ দিতে উড়ে আসছে একটা পাখি। অদূরে দেখা যাচ্ছে একটা ঝাউবন। কি সুন্দর লোকেশন।
০৯. বর্ষাকালে প্রিয় মানুষটির জন্য সবচেয়ে সোন্দয্য জিনিসটা হচ্ছে কদমফুল। অবশ্য আমাদের এই বন্ধ নগরীতে তা পাওয়াই যায় না।
১০. সবাই অবশ্য এটা চিনতে পারবেন না। এটা টক ফল চালতার ফুল।
১১. কি সুন্দর লাগতাছে ফড়িংটাকে।
১২. কোন ভাবেই তার বর্ণনা দিতে পারলাম না। এত সুন্দর দৃশ্য আমাদের বাংলাদেশে অনেক আছে।
১৩. এটা সুন্দরবনের ভিতরে একটা খালের দৃশ্য।
১৪. এটাও সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় তোলা।
এবার কিছু সিলেটের চা বাগানের ছবি।
১৫. শ্রীমঙ্গল চা বাগানে চা পাতা তুলছেন শ্রমিকরা।
১৬. পুরো এলাকাটাই সবুজে ঘেরা।
১৭. আমাদের আরামে চা খাওয়ার মূল কারিগর এরাই।
১৮. মনে হয় যেন একটা সবুজ কার্পেট বিছিয়ে রাখা হয়েছে।
১৯. দুই দিকটা ঢালু হয়ে আসাতে কি সুন্দর লাগছে দৃশ্যটা।
২০. দুই চা বাগানের মাঝখান দিয়ে চা পাতার ঝুড়ি নিয়ে হেটে যাচ্ছে একজন ব্যস্ত শ্রমিক। ছবিটি পাহাড়ের উপর থেকে তোলা।
২১. হি...হি...হি...পুরোটাই বাংলাদেশী................
সবাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ কষ্ট করে আমার ছবি পোষ্টখানা দেখার জন্য।
কিছু ছবি নিজের তোলা, আর কিছু নেট থেকে সংগ্রহ করা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



