somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ফকির ইলিয়াস
আলোর আয়না এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য নয়।লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

সাহিত্যের পৃষ্টপোষকতায় সামাজিক দায়

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক দায়
ফকির ইলিয়াস

'একাডেমী অব আমেরিকান পয়েটস্' যখন মার্কিন কবি টরি ডেন্ট-এর কাব্যগ্রন্থ 'এইচআইভি, মন আমোর' (HIV, MON AMOUR) কে ১৯৯৯ সালের জেমস লাফলিন এ্যাওয়ার্ডটি প্রদান করে তখন কিছু বিতর্ক দেখা দিয়েছিল৷ কোন কোন পাঠক-সমালোচক বলেছিলেন, এই বিচার মোটেই সঠিক হয় নি৷ তাঁদের বক্তব্য ছিল, এ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো নিরীক্ষাধমর্ী হলেও এর চেয়ে ভালো, ঋদ্ধ সমসাময়িক কবিতার বই ছিল যা এই এ্যাওয়ার্ড পেতে পারতো৷ ১৯৯৯ সালের এই এ্যাওয়ার্ড নির্বাচনী কমিটিতে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশিষ্ট কবি ও লেখক_লীন ইমানুয়েল, ইউসেফ কমুনিয়াকা এবং মেরিলিন নেলসন৷
জেমস লাফলিন (১৯১৪-৯৭) ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি এবং প্রকাশক৷ এরিক মাথিউ কিং ফাউন্ডেশন কবি জেমস লাফলিনের স্মৃতির সম্মানে এই পদকের অর্থমূল্য সরবরাহ করে৷ ফাউন্ডেশন তাদের গৃহীত সিদ্ধান্তে জানায়, কবি জেমস লাফলিন ১৯৩৬ এবং এর পরবতর্ী সময়ে মার্কিন কবিতায় নতুন ধারার প্রবর্তনে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন৷
এ্যাওয়ার্ডটি প্রদান যথার্থ হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে৷ এখানে যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান যখন কোন পদক দেয় তখন তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে৷ তবে সে-দৃষ্টিভঙ্গি কতোটা সাধারণ পাঠকের মতামতকে প্রতিফলিত করে তাও বিবেচনায় রাখতে হয়৷ বিশেষ করে যাঁরা বিচার কার্যটির দায়িত্ব পেলেন, তাঁরা পক্ষপাতদুষ্ট কিনা, কিংবা পরিশুদ্ধ রূপে বিচারটি করলেন কিনা, তাও ভাবনার বিষয় হয়ে ওঠে৷
ইউরোপ-আমেরিকায় একটি নিশ্চয়তা আছে, তা হচ্ছে সাহিত্য পুরস্কারগুলোকে রাষ্ট্র বা সরকার প্রভাবিত করে না৷ সাহিত্য তার নিজ ব্যাপ্তির বলয়ে থেকেই সমাজ বিনির্মাণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে৷ কোন নেপথ্য শক্তি বিচারকদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে না৷ তারপরও যে দ্বিমত পোষিত হয় না, তা নয়৷ গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকতেই পারে৷ কিন্তু মূল লক্ষ্য হচ্ছে আধুনিক, মননশীল সমাজ নির্মাণে সাহিত্যের ভূমিকা৷
এপ্রিল মাসটি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কবিতার মাস৷ বিভিন্ন সংগঠন কবিতাপাঠ তো বটেই, কবিতা-বিষয়ক প্রবন্ধ, আলোচনার ভিতর দিয়ে মেতে ওঠে গোটা যুক্তরাষ্ট্র৷ লেখক সংগঠন 'পেন'-এর আয়োজনে গত এপ্রিলে (২০০৬) নিউইয়র্কে বেশ ক'টি সেমিনার, সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়ে গেল৷ 'পেন'-এর এবারের হোস্ট ছিলের ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেখক সালমান রুশদী৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৩৬ জন লেখক অংশ নেন 'পেন' আয়োজিত এই 'নিউইয়র্ক ফেস্টিভেল অব ইন্টারন্যাশনাল লিটারেচার'-এ৷ ২৫ এপ্রিল ২০০৬ থেকে ৩০ এপ্রিল এ ছয়দিন নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন ভেনু্যতে অনুষ্ঠিত হয় এই ফেস্টিভেল৷ এই উত্‍সবে প্রবীণ কবি-লেখকদের পাশাপাশি অনেক তরুণ কবি-লেখকও অংশ নিয়েছেন৷ অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের পাশাপাশি ভারত থেকে এসেছিলেন রীতু মেনন ও সুকেতু মেহতার মতো নবীন লেখকরাও৷ সিরিয়ার আমর আব্দুল-হামিদ ও পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া অভিবাসী লেখক আজহার আবিদী খোলামেলা বক্তব্য রেখেছেন সাহিত্যবিষয়ে৷
ম্যানহাটানের ক'টি ভেনু্যতে এসব লেখকদের বক্তব্য শোনার, আড্ডায় অংশ নেয়ার সুযোগ আমার হয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের লেখক রাসেল ব্যাংকস অত্যন্ত চমত্‍কার কিছু কথা বলেছেন সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ে৷ তিনি বলেছেন, সাহিত্য হচ্ছে সমাজের মাতৃতুল্য৷ মা যেমন সন্তানকে লালন করে, সাহিত্যও তেমনি সমাজকে লালন করে৷ তিনি বলেন, সমাজে কল্যাণকর প্রথা চালু এবং সমাজের পরিশুদ্ধ বিবর্তন-সাধনই হচ্ছে সাহিত্য রচনার প্রকৃত লক্ষ্য৷ শুনেছি ব্রিটেনের লেখক মার্টিন আমিসের কথা৷ তিনি বলেছেন, বৃক্ষ আছে বলেই প্রকৃতি এমন সবুজ-সুন্দর, ঠিক তেমনি সাহিত্যও হচ্ছে মানব হৃদয়ের সেই ক্লোরোফিল, যা কিনা মানব হৃদয় ও ভালোবাসার বহমান চেতনাকে চিরসজীব করে রাখে৷ তিনি আরো বলেন, সজীবতা কে না চায়? সাহিত্যের কোলে মাথা রেখে মানুষ সেই সজীবতার প্রকৃত আস্বাদনই পেতে পারে৷

দুই

নিউ ইয়র্কে বাংলা নাট্যদলের আয়োজনে 'প্রেম ও বিদ্রোহের কবিতা' শীর্ষক একটি ছোট্ট অনুষ্ঠান হয়ে গেল এপ্রিলেই৷ এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অভিবাসী কবি শহীদ কাদরী৷ তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকাল কবিতা পড়ে কেউ বিদ্রোহী হয় না, প্রেমও করে না৷ তিনি আরো বলেন, প্রবাসে আমার অনেকের সাথে কথা হয়৷ সবাই বলেন, কবিতা পড়ার সময় কোথায়? শহীদ কাদরী বললেন, কবিতা মোটেই গানের বিষয় নয়৷ গানের মাঝে কবিতার কবিত্ব হারিয়ে যায়৷ তিনি বলেন, সুর করে জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে, বাংলা গানেরও অধঃপতন হয়েছে চরম ভাবে৷
আজকাল কবিতা পড়ে কেউ বিদ্রোহী হয় না কিংবা প্রেমিক হয় না, শহীদ কাদরীর এই বক্তব্যের সাথে পাঠক, কবিতাপ্রেমী, বোদ্ধা সমাজ হয়তো একমত হবেন না৷ কারণ আমরা ইরাক যুদ্ধ শুরুর সময়েই দেখেছি, এই যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক লাইব্রেরী, সাহিত্য সংগঠন, বড় বড় সাহিত্য প্রতিষ্ঠানগুলো যুদ্ধের বিরুদ্ধে কবিতা নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে৷ তাঁরা বিদ্রোহী হয়েছেন আণবিক বোমার বিরুদ্ধে, শান্তির সপক্ষে৷ ডোনাল্ড হাল কিংবা লরেন গুডম্যান-এর মতো কবিরা মুক্ত কণ্ঠে বলেছেন_শেষ হোক যুদ্ধের নগ্ন পরিভ্রমণ৷
আর কবিতা পড়ে কেউ প্রেমিক হয় না, কিংবা প্রেম করে না, তা মেনে নেয়া তো কষ্টকর৷ হাঁ, হয়তো বদলেছে প্রেমের ভাববাচ্য৷ প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, ই-মেল, মুঠোফোনের যুগে কিছুটা ফ্যাকাশে হয়ে এসেছে সাদা কাগজ-কালো কালির প্রেমাক্ষর৷ কিন্তু হৃদয় তো বদলে যায় নি৷ আর বদলে নি বলেই এখনো জীবনানন্দ হয়ে ওঠেন বাংলায় শ্রেষ্ঠ প্রেমের কবিতার লেখক৷ বহুল পঠিত হয় তাঁরই কবিতা৷ কবি শহীদ কাদরী এই প্রবাসে থেকেও শূন্য দশকের কবির কণ্ঠে উচ্চারিত হয়ে ওঠেন_'তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা৷'

তিন

সমাজের জন্য সাহিত্য খুব জরুরী৷ কিন্তু তার আগে তো সাহিত্যকে বাঁচাতে হবে৷ বাঁচাতে হবে সাহিত্যিককেও৷ এবছর ২০০৬ সালে 'পেন' আমেরিকান সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দু'জন লেখক, কবি৷ পেন-নাভোকাভ পুরস্কারটি পেয়েছেন ফিলিপ রথ৷ এই পদকটি স্পন্সর করেছে নাভোকাভ ফাউন্ডেশন৷ বিশেষভাবে কবিতায় পেন_ভয়েলকার পুরস্কারটি পেয়েছেন লিন্ডা গ্রেগ৷ ১ মে এ পুরস্কার ঘোষিত হয়েছে৷ ২২ মে একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার লেখকদ্বয়ের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে৷ লিন্ডা গ্রেগ-এর পুরস্কারটি স্পন্সর করেছে ভয়েলকার ফাউন্ডেশন৷
এখানে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট, বিশ্বের বিভিন্ন সৃজনশীল পদকগুলো কোন না কোন ফাউন্ডেশন বা সংস্থা স্পনসর করে থাকে, তারাই অর্থের যোগান দেয়৷ সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে ইউরোপ আমেরিকার অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি নিজ নিজ নামে ফাউন্ডেশন গড়ে 'উইল' করে গেছেন৷ সেসব সঞ্চিত অর্থের লভ্যাংশ সাহিত্যের জন্য, সমাজের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে৷ সাহিত্যের নান্দনিক উত্‍কর্ষ সাধনে এই যে প্রত্যয়, তা আমার কাছে খুবই উল্লেখযোগ্য মনে হয়৷ কেউ ক্যাসিনোতে জুয়া খেলেও মিলিয়ন ডলার হারছে৷ আর কেউ যদি সাহিত্যের জন্য এমন অর্থমূল্য দান করে যান তাহলে প্রমাণ করা চলে, মানুষের প্রতি তাঁদের দরদ আছে৷ মানুষ কিন্তু জ্ঞান, বিচার বিবেচনা-শক্তি কিংবা আচরণের পরিপূর্ণতা নিয়ে জন্মে না৷ বেড়ে ওঠার সাথে সাথে তার প্রতিটি সৃজনশীল শক্তি সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে৷ এই ভাবনাটি আমাকে সবসময়ই তাড়া করে বেড়ায়৷

চার

সামপ্রতিককালে আরেকটি বিতর্ক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখা যাচ্ছে৷ তা হচ্ছে, সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সৃজনশীল সাহিত্য; কিন্তু সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে মিডিয়াগুলো কি খুবই তত্‍পর নয়? প্রতি রোববার বহুল-প্রচারিত মার্কিনী দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ বুক রিভিউ সেকশন বের হয়৷ এই রিভিউতে দেখা যায় নিউ ইয়র্ক টাইমস বিভিন্ন বই-কে 'বেস্ট সেলার' কিংবা 'টাইমস ফার্স্ট চয়েস' বলে অভিধা দিচ্ছে৷ এখানে লক্ষণীয়, নিউ ইয়র্ক টাইমস কিন্তু সরাসরি উক্ত বইটি কেনার জন্য পাঠককে বলছে না৷ কিন্তু একটি পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করছে পাঠকের মনে৷ ফলে লক্ষ লক্ষ পাঠক হুমড়ি খেয়ে পড়ছে বইটি কেনার জন্য৷
এমন বিতর্ক বাংলা সাহিত্যেও হচ্ছে৷ বাংলা কোন জাতীয় দৈনিকের 'সৃজনশীল' কিংবা 'মননশীল' লেখক নির্বাচন, অথবা জাতীয় দৈনিক-প্রবর্তিত পুরস্কার নিয়েও দ্বিমত থাকছে৷ পার্থক্যটা হচ্ছে এই, নিউ ইয়র্ক টাইমস যে দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা যে যোগ্যতাসম্পন্ন লেখকদ্বারা কোন বুক রিভিউ লেখাচ্ছে, বাংলা কোন জাতীয় দৈনিক তা করতে পারছে না৷ কখনো কখনো পক্ষপাতেও আক্রান্ত হচ্ছে৷ গোষ্ঠীবদ্ধ লেখক বলয়ে বন্দী থেকে যাচ্ছে তাদের প্রচেষ্টা৷
সাহিত্যে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নটি খুবই জরুরী৷ আমেরিকান পোয়েট্রি রিভিউ কিংবা পোয়েট্রি ম্যাগাজিনে একজন কবি স্থান পাবার পর তাঁকে আর পেছনে পড়ে থাকতে হয় না৷ প্রকাশকরাই তাঁর পিছনে ছোটেন৷ সমালোচকরা তীক্ষ্ন দৃষ্টি দিয়ে আলোচনা করেন এ কবি-লেখকের লেখার৷ সাহিত্যে সৃজনশীল পৃষ্ঠপোষকতা এভাবেই লালিত হয়৷ এভাবেই প্রতিষ্ঠা পান সৃষ্টির পক্ষে একজন লেখক৷
আসলে একজন প্রকৃত পাঠক সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷ কখনো কখনো একজন মননশীল পাঠকও হয়ে উঠতে পারেন ভালো লেখক৷ কয়েক দশক ধরে পোয়েট্রি ম্যাগাজিনের সম্পাদকের কাছে লিখিত পাঠকের পত্র 'লেটারস টু দ্যা এডিটর' সম্পাদনা করে বেরিয়েছে একটি চমত্‍কার সমকালীন সাহিত্যচিত্র, 'ডিয়ার এডিটর'৷
মানুষের জীবনের গল্পটা হচ্ছে প্রতি দিনই একটি ইতিহাসের দিকে ধাবিত হওয়া৷ একটি স্মৃতিতে ডুবে যেতে থাকা৷ কেউ স্বচ্ছ আকাশে ভাসমান মেঘ দেখে মাটিতে দাঁড়িয়ে৷ আবার কেউ প্রতিটি ভোরের সূর্যস্নান করে বেদনায়, নিষ্পেষণে৷ সাহিত্য জীবনকে তো সেই বাস্তবতার পরশই দেয়৷ যে সাহিত্য যতো বেশী স্বচ্ছ রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায়, সেই সাহিত্যই ততো বেশী মানব কল্যাণে ব্যাপৃতি আনতে পারে৷





১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×