দেয়া আর না দেয়া তো সমান ই হলো ! যারা বন্দী , তাদেরকে ছেড়ে
দেয়ার পাঁয়তারা করা হলো !
এই সেই দেশ , যেখানে একুশ কোটি টাকা ঘুষ নেয়া গডফাদার মন্ত্রীরাও
জামিন পেয়ে যায়। যারা দেশ টাকে বাপের তালুক ভেবে ''হাওয়া''য় ভেসে ছিল তারাও জামিন পেয়ে ডুগডুগি বাজায়। আর দেরী নেই , সব খুনীরাই
বেরিয়ে আসবে জেল থেকে ! এভাবে ই বস্তাবন্দী হবে ১/১১ ??
জেল হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতরে রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি দফাদার মারফত আলী ও দফাদার আবুল হাশেম মৃধাকে অব্যাহতি দিয়েছে হাইকোর্ট।
এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত লফেটন্যোন্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, লফেটন্যোন্ট কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, অবসরপ্রাপ্ত মেজরর বজলুল হুদা ও মেজর এ কে এম মহিউদ্দিন আহমদকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
এ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রিসাললদার মোসলমেউদ্দিনসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আট জনরে সাজা বহাল রয়ছে।
দুই
সংস্কৃতি ও সমাজ বিনির্মাণের অব্যাহত প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কাঠামো এবং মানসিকতারও পরিবর্তন করে। প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক সঙ্গীতাচার্য পরম শ্রদ্ধেয় ওয়াহিদুল হকের কথা আমার মনে পড়ছে। তার সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়েছিল ২০০২ সালে ঢাকায় এক আড্ডায়। আমরা তাকে ‘পরশ পাথর’ বলেই জানতাম এবং মানতাম। কারণ যতবারই তার হাতে হাত রেখেছি, মনে হয়েছে যেন পবিত্র হয়ে গিয়েছি। ওয়াহিদুল হক বলতেন, সামাজিক অন্ধকারের মধ্যে আলো বিতরণ করা বড় কঠিন কাজ। এ কাজটি করে যেতেই হয়। ধারাবাহিকভাবে কড়া নাড়তে হয়। সবাই যে জাগবে এমন প্রত্যাশা করাও ঠিক নয়। তবে কেউ না কেউ জাগবেই। আর একজন জাগ্রত মানুষের বিবেকের কাছে সহস্র ঘুমন্ত মানুষের পশুত্ব সব সময়ই পরাজিত হয়।
তার অমর কথাগুলো সব সময়ই বহমান মনে হয় আমার কাছে। আজ বাংলাদেশে ঘুণেধরা রাজনীতি, অবৈধ দখলদার, জোতদার এবং শোষকদের বিরুদ্ধে যে পদধ্বনি আমরা শুনছি তা সেই জাগ্রত বিবেকেরই ধারাবাহিক কর্মযজ্ঞ। যারা গোটা দেশ ও জাতিকে জিম্মি করে তাদের পেশিশক্তি দিয়ে দখলদারিত্ব করেছে, তাদের তাড়িয়ে দিতেই হবে।বদলাতে হবে সেসব আইন , যা খুনীদেরকে বাঁচিয়ে দেয়। যা জামিন দিয়ে দেয় গডফাদার দেরকে।
ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা বাংলার মাটি সে ডাক আবারও দিয়ে যাচ্ছে। হে মানুষ পবিত্র হও, হে মানুষ এগিয়ে আসো সত্যের আশ্রয়ে। শুচি হোক বাংলার ভূমি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

