ভেজার মহাত্ম্য শিখে আমরাও করায়ত্ব করে যাবো আষাঢ়ের সমস্ত
কৌশল।
সেই প্রত্যয় নিয়েই আকাশ বরাবরে লিখেছিলাম উড়োচিঠি। উড়িয়ে
দেবার আগে দেখে নিয়েছিলাম আমাদের মুখ। দেহমন্ডল। রক্তনক্ষত্র।
এভাবেই চিনে নিয়েছিলাম , আকাশ কীভাবে কবিতার বরপুত্র হয়ে
একসময় আমাদের মনমৃত্তিকাকেও উড়িয়ে নিয়ে যায়।ধূলোয় মিশায়।
দেখেছি , এই নদীর সাথে কতো গরিমা নিয়ে মিশে যায় আমাদের
প্রিয় অস্তিত্ববাদ । সন্ধ্যা নেমে এলে কতো পরিশ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে
পাখিদের দল ।
একই সমান্তরালে কবিতাও ঘরে ফিরে। সত্যের মত বদমাশ হয়ে
যে পাঁজর একসময় নিজেই বেজেছিল , সেই পিন্জর এখন বড় একাকী
নিধূয়া বাঁশরী বাজায় ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



