আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ সাদ্দামের ফাঁসীঃ ইসলামী বিশ্বের ক্ষতি এবং শত্রুদের হিংস্রতা

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৪৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

মুসলিম বিশ্বের অনেকাংশেই আজ ছিল ঈদের দিন, ঈদ মানেই আনন্দ, আনন্দ মানেই হৃদয়ে খুশীর বন্যা। ইসলামের চরম শত্রু ইয়াহূদী লবির ইশারা-ইঙ্গিতে পরিচালিত খৃষ্টান সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা এবং তাদের দোসর বৃটেনসহ ওদের মিত্রবাহিনীর আক্রমণে একটার পর একটা মুসলিম দেশ তছনছ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিজন অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র বাহী দখলদার যোদ্ধার বিপরীতে সাধারণ মানুষ, নিরিহ নারী-শিশু এবং মুসলিম যোদ্ধা মিলিয়ে শতক ছাড়িয়ে হাজারের পথ ধরেছে। দু'জন বন্দীর বিপরীতে যেখানে লেবানন ধ্বংস হচ্ছে। ফিলিস্তিনের হত্যাযজ্ঞ গত বছরের ছেয়ে অনেকগুণ বেশী ছাড়িয়ে গেছে। দুনিয়ব্যাপী এমনসব পৈশাচিক হত্যা-ত্রাস সৃষ্টি করেও তারা তুষ্ট হতে পারেনি। সাদ্দামের অপরাধ যত বড়ই হোক, সাদ্দামের বিচার যেভাবেই হোক, তার ফাঁসি কার্যকর করার ব্যাপারে মুসলিম বিশ্বের 'ঈদের দিন'কে বেছে নেয়ায় মাধ্যমে তারা আঘাত হেনেছে ইসলামের মৌলিকত্বে আর এতে এটাই প্রমাণ করলো যে, তাদের হিংস্র আত্মাগুলো ইসলামের বিরুদ্ধাচরণে মানবতার নূন্যতম অবস্থানেও বহাল নেই।

ইরাকের পরবর্তী হামলা করা হয় ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্রের অজুহাতে, কিন্তু যৌথ বাহিনীর ইরাক দখলের পর তার কিছুই খুঁজে পায়নি তারা। অথচ জরিপে দেখা গেছে যে, ইরাকে প্রতিদিন গড়ে পঞ্চাশ জন করে মানুষ নিহত হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অধিকাংশ সাধারণ মানুষ। ধ্বংস হয়ে গেছে একটা জাতি। আজ তাদের নীল নকশানুযায়ী খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যাচ্ছে গোটা ইরাক। জাতিগত সহিংসতাকে বেড়ে গেছে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেকগুণ। এসবের বিচার করবে কে? !@@!336037 !@@!336038 !@@!336039 !@@!336040 !@@!336041 !@@!336042 !@@!336043 !@@!336044 !@@!336045 !@@!336046, কিন্তু লক্ষ লক্ষ ইরাকীকে হত্যা এবং একটি দেশ, জাতি, সভ্যতাকে ধ্বংসের দায়ে আজ কে দেবে ফাঁসীর আদেশ বুশ-ব্লেয়ারের জন্য? হিউম্যান রাইটস নামক সংস্থা কি জবাব দেবে এর? তারা তো মুসলিমসহ ইসলামী বিশ্বের সাধারণ জনগণ নিহত হলে আর চোখে দেখে না, বিপরীত পক্ষে শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য কোন মুসলিম দেশ সন্ত্রাসীদের দমন করতে র্যাব জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করলেই তাদের একটা চোখ গজিয়ে উঠে মাত্র। এ সংস্থার উপর মুসলিমদের আস্থা স্থাপনের কোন মানে হয় না। মুসলমানদের যেন কেউ নেই, মুসলিম নেতৃবৃন্দ আজ তাদের ঐতিহ্য-শক্তিহীন, শুধু শাসক মাত্র, একান্তই ক্ষমতার লোভে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত মাত্র। প্রত্যেকেই তাদের চিন্তা-বিশ্লেষণ-বিবৃতিকে সীমাবদ্ধ রাখছেন সিংহাসনকে ঘিরে। সম্মিলিত মুসলিম জাতির জন্য যেন আজ কেউ নেই।

সাদ্দাম যেসব অপরাধে মুসলিম বিশ্বের কাছে অপরাধী, সেসব অপরাধের মানদণ্ডে ফেললে অতীত-বর্তমানের বহু নেতাই কমবেশী অপরাধী সাবস্ত্য হবেন; নিশ্চিত। কিন্তু ইয়াহূদী লবির পরিকল্পনা এবং আধুনিক কৌশলের মোড়কে মোড়া খৃষ্টান সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের স্বীকার সাদ্দামের পরাজয়কে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্র লাভ-ক্ষতির মানদণ্ডে কি বিচার করতে পারছেন না মুসলিম শাসকগণ? ওরা একের পর এক মুসলিম দেশকে তছনছ করে দিচ্ছে আর এর প্রতিবাদে মুসলিম শাসকবৃন্দের পর্যায়ক্রমিক নিরবতা ইসলামের শত্রুদেরকে আরো বেপরোয়া করে তুলেছে। সুতরাং সাদ্দামের নিঃশেষ হয়ে যাওয়াকে মুসলিম শাসকবৃন্দ যদি মনে করে থাকেন যে, তাদের শত্রুর পতন হয়েছে, তাহলে অসামান্য ভুল করবেন তারা। ইসলামের শত্রুরা ইতিহাসের কোন প্রান্তেই কাউকে ছাড় দেয়নি, যে তাদেরকে সহযোগিতা করেছে তাকেও নয় আর যে সহযোগিতা করেনি তাকে তো নয়ই। তাই এ কথা পরিস্কার যে, সাদ্দামের নিঃশেষ-পরাজয় ইসলামী বিশ্বের আভ্যন্তরীণ বিবেচনায় যাই হোক না কেন, মুসলিম-অমুসলিম সংঘাত বিবেচনায় ইসলামের একটি বিরাট ক্ষতি হলো এতে। তার বিচার মুসলিমদের পক্ষ থেকে হলে কথা ছিল না, কিন্তু হলো ইসলামের শত্রুদের পক্ষ থেকে, তাও মুসলমানদের খুশীর দিনটিতেই।

একথা আজকের দুনিয়ায় সর্বজন স্বীকৃত যে, মুসলিমদের অধ্বঃপতনের মূল কারণ অনৈক্য। মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো যেখানে এক প্লাটফর্মে আসার কথা, সেখানে শত্রুরা খোদ প্রতিটি দেশের ভেতরই সৃষ্টি করে দিচ্ছে গৃহযুদ্ধের ভয়াল পরিবেশ। আর এর পরিণতি হিসেবে বর্তমানের ছোট ছোট দেশগুলোও হয়ে যাচ্ছে আরো ক্ষুদ্র, আরো ছোট, আরো হীনবল, শক্তিহীন; যা ইয়াহূদী-খৃষ্টানদের নীল পরিকল্পনার মৌলিক অংশ। ধীরে ধীরে ইসলামী বিশ্ব হয়ে পড়ছে দুর্বল থেকে দুর্বলতর আর সেখানে স্থান করে নিচ্ছে কোথাও খৃষ্টান রাষ্ট্র- 'পূর্ব তিমুর', কোথাও তাদের তাবেদার শাসক, আফগানিস্তান, বর্তমান ইরাকসহ নতিস্বীকারকারী আরো বহু দেশের শাসকবৃন্দ। এখন ভাবার বিষয় যে, মুসলমানগণ তাদের দ্বীন সম্পর্কে অবহেলা, অবজ্ঞা এবং দ্বীন থেকে সম্পর্কহীনতার জন্য আরো কি পরিমাণ মার খেতে হবে। কতটা ত্যাগ আরো অপেক্ষা করছে তাদের জন্য।

((তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত ও হয়ো না; তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।)) [সূরা আলে-ইমরানঃ ১৩৯] -এ তো আমাদের শক্তিমান স্রষ্টা, প্রতিপালনক আল্লাহরই ওয়াদা। আর এর চেয়ে বড় সত্য আর কিছু নেই, হতে পারে না। ইতিহাসে আমাদের সোনালী ঐতিহ্য এ সত্যের উদাহরণ। আমরা আজ ঈমানের মানদণ্ডে মুমিনের কোন পর্যায়ে আছি তা আল্লাহই ভাল জানেন। কিন্তু মুমিনের মডেল সম্পর্কে ওয়াকিফহালগণ নিজ থেকে শুরু করে খুব নগন্যই দেখতে পান বর্তমানের প্রেক্ষাপটে সত্যিকারের মুমিন; যাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রয়েছে বিজয়ের ওয়াদা। তাই আমরা হতাশ নই, হতাশা মুমিনের অভিধানে থাকতে নেই কখনো। বিংশ শতাব্দি ছিল ইসলামের রেনেসাঁর শতাব্দি আর একবিংশ শতাব্দি হবে মুসলিমদের সত্যিকারের মুমিন হিসেবে চিন্তা-বিশ্বাসে নয়; বরং সশরীরে জেগে উঠার শতাব্দি। শুরুর এই নিপীড়ন প্রতিটি জেগে উঠারই পূর্বলক্ষণ। শতাব্দির শুরুর এই অত্যাচার-নির্যাতন থেকেই জেগে উঠবে মুসলিম বিশ্ব ঘুম ভাঙ্গা ক্ষুধার্ত সিংহের ন্যায় ইনশাআল্লাহ্।

মূল ছবির জন্য !@@!336569 যেখানে। পরবর্তী ছবিটিতে সাদ্দামের শেষচিঠির অনুবাদ, যা বাংলাভিশন টিভি চ্যানেল থেকে সংগৃহীত এবং কৃতজ্ঞ।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৪৫

 

  • ২১ টি মন্তব্য
  • ১৩০০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: বুঝিলাম আপনি সাদ্দাম ভক্ত। কিন্তু কথা হইল, আপনি কি করিয়া সাদ্দাম কে সাদা দুধ (সাধু) বানাইয়া দিলেন?

আমারতো ধারনা ছিল সাদ্দাম এরশাদ বেটার চেয়ে বহুগুনে খারাপ!! যদি চোখ কান থাকিয়া থাকে, তাহা হইলে পড়িয়া দেখুন সাদ্দাম সাহেবের অতীত কর্ম- তাহা হইলে আর এত সহজে সাদ্দাম ব্যাটার জন্য মায়া কান্না আসিবেনা।
২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পথের পাঁচালী-
অনুরোধ করবো পোষ্টটা আরেকবার পড়ার জন্য। সাদ্দামকে দুধ (সাধু) বানানো হয়নি। বুঝাতে চেষ্টা করলাম যে, সাদ্দামের এ পতনের মাধ্যমে ইসলামের শত্রুরা মুসলিম বিশ্বকে বুঝিয়ে দিল যে, ওরা যা চায় তাই করতে পারে। ওরা আমাদের ঈদের দিনেও পারে আমাদের একজন শাসককে (আমাদের নিকট সে যতবড় অপরাধীই হোক না কেন) মৃত্যুদণ্ড দিতে।
সাদ্দামের নীতি বা তার কর্মকাণ্ডের অনেকটাই আমার অপছন্দনীয়। কিন্তু বর্তমানের পরিস্থিতিতে বিবেচ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলাম ও তার শত্রুদের কার্যক্রম বিশ্লেষণ। তাই পোষ্টে বোঝাতে চেয়েছি যে, সাদ্দামের বিচার বা ফাঁসি এই কর্মগুলো যতটা না মূখ্য তার চেয়ে অনেক বেশী মূখ্য হলো ইসলামের প্রতি শত্রুদের দুঃসাহস প্রদর্শন।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০০
comment by: ফরিদ বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় ভদ্রলোক তেমন একটা সাদ্দাম ভক্ত না, মাগার আমেরিকা ত্যাক্ত। সেই দিক থেকে আমিও ত্যাক্ত। সাদ্দামের আমলে ইরাকে সুশাসন ছিল না, এখনো নাই। ভবিষ্যতে কে জানে, কিন্তু বাকি মধ্যপ্রাচ্যে সুশাসন ছিল না, এখনো তেমন একটা নাই। কারো মাথাব্যাথা? (সুদান, তিউনিসিয়া যদিও আফ্রিকায় বড়ই মনকষ্ট দেয়)
৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: জ্বি, আবারো পড়িলাম। তাহার পরও বলিব লেখাটা নিরপেক্ষ হয়নাই। সাদ্দামের গা দিয়ে দুধ-দুধ গন্ধ বাহির হইতেছে।
৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৪
comment by: সুজাল খান বলেছেন: আমার খুব খারাপ লেগেছে যখন শুনেছি তিনি আর নেই............

আমি এই ব্লোগে প্রথম এসেছি....
৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: মান্যবর পঁথের কাটা বুঝিতে পারিলাম আপনি বুশ প্রেমিক। তাহাতে কাহারো কিছু আসে যায় না আবার কেহ যদি সাদ্দাম প্রেমিকও হয় আপনি আপনার বালও ফেলাইতে পারেন তাতেও কারো কোন সমস্যা নাই।

ছালা কাভিতো ভাবনাও কো ছামঝো!
৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: পথের কাঁটা হইবো!
৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হে হে হে ...
৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩৬
comment by: ওয়ালী বলেছেন: ইরাকের মানুষ সাদ্দামের মৃতু্যদন্ড চায়নি চেয়েছিলো শান্তি। 148 জনের জন্য যদি 1 জনকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয় তবে প্রায় 6 লক্ষ 55 হাজার ইরাকীর জন্য বুশকে কতবার ফাঁসিতে ঝুলানো উচিৎ? মানবাধিকার সংস্থাগুলো মৃতু্যদন্ড বাতিলের সুপারিশ করছে আজকাল। আর বুশ সাহেব নিজের দেশে মৃতু্যদন্ড বিরোধী নীতি চালু রেখে সাদ্দামের মৃতু্যদন্ড কার্যকর করলো। এটা দুমুখো নীতি। এখানে সাদ্দামের শুধু ফাঁসি হয়নি মানবতারও ফাঁসি হয়েছে। মুসলিম দেশগুলোতে ঈদের উৎসবের কারনে কারাগারের কয়েদীদের ক্ষমা করার রীতি আছে কিন্তু এই ঈদের উৎসবকে র্টাগেট করে তারা ফাঁসিটি কার্যকর করা হলো। উদ্দেশ্য একটিই সহিংশতা বাড়িয়ে শান্তিকে দূরে ঠেলে দেয়া। মূল কথা ইরাকের মানুষ দূর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়েছিলো সাদ্দামের হত্যা নয়।

বিশ্বের এতোগুলো দেশ এবং ইরাকে একটি বড় অংশকে উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি এই ফাঁসির পেছনে কারণ একটি থাকতে পারে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি উন্নত বিশ্বের মানবতাবাদী সরকারদের মিডেল ফিঙ্গার দেখানোটা।

চম্যকার পোষ্ট।

আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে প্রতি আমেরিকার নাগরিকের জন্য কতজন ইরাকী নাগরিকের মাথা বুশ ধার্য করেছে তা যদি কেউ বলতো?
১০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদ্দামকে পছন্দ করার প্রশ্নই আসে না, কিন্তু এখানে আমেরিকার হিপোক্রেসীটা আমার চোখ আসলেই এড়িয়ে গিয়েছিল আগে। ধন্যবাদ ফজল ভাই এবং ওয়ালী।
১১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদ্দামের শস্তি হওয়া দরকার ছিল।

কিন্তু তা তরচেয়ে বড় হত্যাকারী আমেরিকার হাতে নয়। সেখানেই আমারও কষ্ট।

এখন বুশকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাবে কে ?
১২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: হিপোক্রেসি নতুন কি ?
এটাতো চলে আসছে অনেক দিন থেকেই !!
নোংরা বাস্তবতা
১৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৩৯
comment by: ওয়ালী বলেছেন: তীরন্দাজ এখানে বুশের ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো মুখ্য না মুখ্য শান্তি। আর স্যাকুলার এবং ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী দেশগুলো এটা বিধান করতে পারছেনা। এদের দ্্বারা মতো একবিংশ শতাব্দীতে যে হারে মানবতা লংঘিত হলো তাতে করে প্রতিবারের মতো এবারো প্রমান হলো ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বিকল্প নেই।

বুশ কোন কালেও মুখ্য নয় মুখ্য পলিসি।
১৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ফজলে ভাই, আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন - বিশ্বের কোথাও মুসলিমরা অত্যাচারিত হলে বা বৃহৎ শক্তিগুলি দ্্বারা যদি মুসলিম নিধন চলে, সেখানে কোন না কোনভাবে অন্য কোন মুসলিম গোষ্ঠীর বা দেশের সহায়তা বা সম্মতি থাকে। মুসলমানরা অমুসলিমদের হাতে মার খাওয়া শুরু হয়েছে যখন থেকে গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে স্বার্থ উদ্ধারের আশায় ঐ সোভিয়েট, মার্কিন বা বৃটিশদের সাথে হাত মেলায়। এইতো সেইদিনের কথা - রূশ বাহিনী'র মোকাবেলায় তালেবানরা মার্কিন বাহিনীর কাধে কাধ রেখে যুদ্ধ করেছিল। কিন্তু কয়দিন লেগেছে - সে মার্কিন বন্ধুরা পিটিয়ে তাদেরকে খেদাতে? এরকম অনেক উদাহরণ দেয়া যায়। লাভ কি যদি আমরা মুসলমানরা একতাবদ্ধ হতে না পারি?
এবার অন্য প্রসঙ্গ - বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিএনপি নেত্রী কি করে জন্ম দিন পালন করে? তাও যদি সত্য হতো। মিছে মিছি জন্ম দিন বানিয়ে সেটা পালন করে 15ই আগষ্ট বাঙ্গালী জাতির সাথে উপহাস করেন। ঈদের দিনে সাদ্দামের ফাসিও সেরকম আরও একটি ঈদ উপহাস আমেরিকার পক্ষ থেকে।
১৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: জ্বি তালে-বেল মুক্তি। আমি পথের কাঁটা নাকি গুহার কাঁটা তা দিয়ে আপনার দরকার কি?

জনাব এলেমদার মুক্তি, আপনাকে কে বলিল যে আমি বুশের ভক্ত????

ফজলে এলাহি সাহেবের লেখাটি পড়িলে মনে হচ্ছে যেন সাদ্দামের মৃত্যুতে মৃসলিম বিশ্বের অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মুসলিম বিশ্ব নবী-রাসুল টাইপের একজনকে হারাইল টাইপ !!!!

যাইহোক, যার যা খুশি মত প্রকাশ করতে পারে। সাদ্দামের মৃত্যু কারো কাছে মুসলিম জাহানের অপুরণীয় ক্ষতি হিসাবে বিবেচিত হইতে পারে। আমার কাছে সাদ্দামের মৃত্যুর চেয়ে বাংলাদেশের একজন মানুষের মৃত্যু অনেক বেশী ইমপরট্যান্ট।

জ্বি জনাব, আমি আমার বাল ফেলাইতে পারি। আপনি কি পারেন না? তাহলে আসুন আমি আপনার বালটুকু ফেলে দিচ্ছি।

মুক্তি সাহেব/সাহাবা- একটা ব্যাপার। বাংলা ভাষা মনের ভাব প্রকাশের জন্য যথেষ্ট মনে হয়না? নাকি অভ্যাসের দোষে কর্তার ভাষা এসে পড়ে? হালা রাজাকারের বাচ্চা
১৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: [রং=মৎববহ][গাঢ়]ঈদ মুবারক[/গাঢ়] [/রং] [গাঢ়] ও [/গাঢ়][রং=ৎবফ][গাঢ়] Happy New Year 2007[/গাঢ়] [/রং]
১৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত নই ওয়ালী। অন্ধকারকে দুর করতে হলে আলো দরকার, আরো বেশী অন্ধকার নয়।
১৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮
comment by: অতিথি বলেছেন: জি জনাব শেখ পথের কাঁটা, আপনি পথের কাঁটা না গুহার কাঁটা সেইটা জানা আমার কোন দরকারও নাই। আর আমি জানতেও চাই নাই। আপনি যদি জানাইতে চান তাইলে ওয়েলকাম।

আমারে কেউ কয় নাই আপনে বুশ ভক্ত। আপনার মন্তব্য বরংবার পড়িয়া ইহা পরিলক্ষিত করিয়াছি এবং উপরোক্ত সিদ্ধান্তে উপনিত হইয়াছি।

বুঝলাম আপনার কাছে বুশ যিশুর সমতুল্য। বেচারা বুশ মানবতার ইসুতে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পরে তাহকে ডিফেন্ড করার জন্য আপনার 'কে' 'কু' সম্বলিত কাঁতর ধ্বনিতে তাহার প্রমান মিলে।

আপনি কি র্যাসিষ্ট নাকি যে অন্যকোন দেশের নাগরিকের মৃতু্যর চাইতে আপনার কাছে একজন বাংলাদেশীর মৃতু্যটা বেশী ইমর্্পটেন্ট?

ধন্যবাদ, জি্ব না আমার বাল ফেলানোর জন্য এসিসন্টেটের প্রয়োজন নাই। তবে আপনি বিজ্ঞাপন দিতে পারেন (কেউ সাড়া দিবে কিনা তাহার গ্যারান্টি এই অধম দিতে পারিতেছে না। তবে কবি বলিয়া গেছেন একবার না পারিলে দেখ শতবার)।

মনের ভাব প্রকাশের জন্য ভাষা লাগে নাকি। 'আ' 'উ' করিলেও মনের ভাব প্রকাশ পায়। প্রয়োজনে তোমার আব্বুকে জিগ্যাসা করে নিও। আর শেখ পথের কাঁটা রাজাকারের বাচ্চা বলার কারন বুঝলাম না। আর এইটা যদি ভাষার জন্য বইলা থাকো তবে ভুল করিলে ইহা উদর্ু নহে ইহা দাদার দেশের ভাষা। কতো সহজ ট্যাগ লাগানো ঠিক না। শেখ বংশ বলে কথা!
১৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:১৮
comment by: শাওন বলেছেন: চমৎকার পোসট ফজলে ভাইয়া ।
২০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ফরিদ-
সুজাল খান-
কেক বাংলাদেশ-
আপনাদের অনেক ধন্যবাদ পড়ার ও মন্তব্য করার জন্য।

সুর বাংলা- আপনাকেও সমান সমান

শাওন- ধন্যবাদ তোমাকে।
২১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: পথের পাঁচালী-
আপনার বুঝার ক্ষেত্রে এমনটি হতেই পারে, হয়তো আমি আমার লেখায় আপনি যেভাবে বুঝতে চান, সেভাবে তুলে ধরতে পারিনি।

মুক্তি-
ব্যাপারগুলো আসলেই দৃষ্টিভঙ্গির। প্রথমেই জাতীয়তার প্রসঙ্গ আসে যে, আপনার-আমার জন্য মুসলিম হিসেবে মুসলিম জাতীয়তা আগে না কি বাংলাদেশী জাতীয়তা আগে। এ প্রশ্নের সিদ্ধান্তেই চলে আসে বিভেদটা; মূলতঃ আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধেও ঠিক এমনি একটি বোধ কাজ করেছিল ইসলামপন্থীদের মাঝে।
= সবমিলিয়ে পথের পাঁচালী এবং মুক্তি, আপনাদের মন্তব্য ভাল লেগেছে, শুধু কিছু অন্যরকম শব্দাবলীর ব্যবহার ছাড়া। আমি অনুরোধ করবো ভবিষ্যতে এগুলো বাদ দিয়ে মন্তব্য করবেন। আর একান্ত এসব শব্দাবলীর ব্যবহার করতে হলে তো আপনাদের ব্লগ আছেই, তাই না । আপনাদের দু'জনকেই ধন্যবাদ।

 

 


অন্যদিগন্ত: ফজল
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog
দৃষ্টির ছায়া
http://www.somewhereinblog.net/blog/dchayablog
ই-মেইলঃ sky_adress@yahoo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ