আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত

২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

::নারীকে সম্মানিত করেছে ইসলাম-এক::
পৃথিবীতে নারী জাতির প্রতি অবিচার অন্যায় অনাদি কাল থেকেই চলে আসছিল। নারীরা সৃষ্টির সূচনায় স্রষ্টার নিকট হতে যে মর্যাদা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল, পৃথিবীবাসী যুগে যুগেই তাদের স্রষ্টার আদেশ-নিষেধ তথা বিধানাবলী ভুলে গিয়ে যেমনিভাবে নিজেদের উপর যুলুম করেছে, তেমনি সৃষ্টির সেরা মানুষদের অর্ধাংশ নারীজাতির প্রতিও সীমাহীন অবিচার করেছে। সত্য দ্বীনকে যুগে যুগেই সংস্কার করার নিমিত্ত আল্লাহ্ তা'আলা নবী-রাসূলগণকে পাঠিয়েছেন, কিন্তু তাদের শিক্ষার আলোকে প্রত্যাখ্যান করে গতানুগতিকভাবে জীবনের পঞ্জিকা সময়ের দেয়ালে গাঁথার জন্য অন্ধকারেই হাতড়ে ফিরেছে তারা কালো রঙ আলপিন। আসুন জানতে চেষ্টিত হই যে, নারীজাতির অবমাননা কোথায় কিভাবে? আর সম্মাননাই বা কোথায়?

ইউনানদের নিকট মেয়েরা ছিল বেচা-কেনার সামগ্রী। তাদের কোন প্রকার অধিকার ছিল না। সমস্ত অধিকার পুরুষের জন্যই বরাদ্দ ছিল। মীরাস থেকে তারা ছিল বঞ্চিত। ধনসম্পদে তাদেরকে কোন হস্তক্ষেপ করতে দেয়া হত না। প্রসিদ্ধ দার্শনিক সুক্বরাতেরের বক্তব্য হলো- 'পৃথিবীর অধঃপতনের বড় ও প্রধান কারণই হলো নারীদের অস্তিত্ব। নারীরা হলো এমন একটি বিষাক্ত বৃক্ষের মত, যার বাহ্যিক অতি সুন্দর কিন্তু চড়ই পাখি যখনই সে বৃক্ষের ফল ভক্ষণ করে, সঙ্গে সঙ্গে মৃতু্যবরণ করে।'

রোমকরা নারীদেরকে একটি আত্মাহীন বস্তু বলে গণ্য করতো। নারীদের কোন অধিকার এবং মূল্য তাদের নিকট ছিল না। তাদের কথা হলো- 'নারীদের রূহ্ বা আত্মা নেই'। তাই তাদেরকে খুঁটির সাথে বেঁধে দ্রুতগতিতে ছুটিয়ে তাদের প্রাণ নাশ করা হতো।

হিন্দু ধর্মে নারীর অবস্থা আরো জঘন্য ও নিকৃষ্ট ছিল। তারা নারীকে তার স্বামীর মৃতু্যর সাথে সাথে স্বামীর চিতায় পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিত (যাকে সতীদাহ প্রথা বলা হয়)।

চীনারা বলে- নারীরা এমন যাতনাদায়ক পানি সদৃশ, যা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধিকে ধুয়ে-মুছে বিনাশ করে দেয়। প্রত্যেক চীনার তার স্ত্রীকে বিক্রয় করার এবং জীবদ্দশায় তাকে সমাধিস্থ করার অধিকার ছিল।

ইয়াহূদীরা নারীদের মনে করে এক অভিশপ্ত প্রাণী। কারণ, এই নারীই নাকি আদমকে পথভ্রষ্ট করেছে এবং তাকে নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল ভক্ষণ করতে বাধ্য করেছে। অনুরূপভাবে তারা নারীকে অপবিত্রা মনে করে; তাই তারা ধরে নেয়- যখন তার মাসিক হয়, তখন সমস্ত ঘর ও তার স্পশর্ীয় সমস্ত বস্তু অপবিত্র হয়ে যায়। অনুরূপ ভাইয়ের উপস্থিতিতে পিতার সম্পদ থেকে সে মীরাসও পেত না।

খৃষ্টানদের নিকট নারী হলো- মানব জাতির সাথে নারীর কোন সম্পর্ক নেই। সাধু বুনাফান্তুর বলেন- 'যখন কোন নারীকে দেখবে, তখন এটা মনে করবে না যে, তোমরা কোন মানব মূর্তি দেখছ, এমনকি কোন চতুষ্পদ পশুও না; বরং যা দেখেছ তা নিছক শয়তান। আর তা হতে যা শুন, তা হলো আজদাহার বাঁশী'। বৃটিশ আইনানুসারে বিগত শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত নারীরা দেশের নাগরিক হিসাবে গণ্য হত না। সব রকমের মালিকত্ব থেকে তারা হত বঞ্চিতা। এমনকি পরিহিত পোশাকটারও তারা মালিক হত না। ১৫৬৭ খৃষ্টাব্দে স্কটল্যাণ্ড পার্লামেন্টে এ আইন প্রণয়ন করা হয় যে, নারীদেরকে কোন কিছুর উপর আধিপত্য দেয়া বৈধ নয়। অনুরূপ বৃটিশ পার্লামেন্ট সপ্তম হেনরীর যুগে নারীদের জন্য ইঞ্জীল পাঠ নিষিদ্ধ করে দেয়। কারণ, তারা অপবিত্রা।

নারীরা মানুষ কিনা এ ব্যাপারে পর্যকেক্ষণের জন্য ১৫৮৬ খৃষ্টাব্দে ফ্রান্সে একটি কন্ফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় এবং তাতে এটাই স্বীকৃতি পায় যে, নারীরা মানুষ, তবে তাদেরকে পুরুষের সেবার জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে। বৃটিশ আইনানুযায়ী ১৮০৫ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত স্বামীর জন্য তার স্ত্রীকে বিক্রয় করা বৈধ ছিল। ছয়পেনি (বৃটিশ মুদ্রা) পর্যন্ত তার মূল্য নির্দিষ্ট ছিল।
(দেখুন- "মুসলিম নারীর বিধান", প্রকাশে- মক্তব তাওইয়াতুল জালিয়াত, সৌদি আরব)
(অসমাপ্ত)
নারীকে সম্মানিত করেছে ইসলাম-দুই ।

নারীদের অধিকার ও মর্যাদা বিষয়ে কয়েকটি আলোচনা শুনতে পাবেন এখানে ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলামযৌন হয়রানিইসলামইসলাম ইসলামইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলামইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলাম ইসলাম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১০:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:০৫
এক পায়ে নুপূর বলেছেন: অনেক কিছুই জানতাম না। ধন্যবাদ আপনাকে।
২. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:১৩
ঘিরিঙ্গী বলেছেন: ইসলাম বলে, মিত্থা বলা মহাপাপ, তুমি কিন্তু বৎস মিত্থা বলিতেছ .... আয়না দেখিয়া দাড়ি কাটিয়া ক্লব পাটিতে যইও, নারীেক ভালবাসিও হে নারীবিদ্বেষী হতভাগা ............
৩. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:১৪
কেমিকেল আলী বলেছেন: তাইলে বাবার সম্পত্তি হিসাবের সময় ভাই-বোনের ভাগের অনুপাতে বৈষম্য কেন?
৪. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:৩২
ঘিরিঙ্গী বলেছেন: উনার মাথায় প্রবলেম থাকতে পারে , তবে এটা উনার শিক্ষায় প্রবলেমও হতে পারে, সকল ধমই কিন্তু মানুষের কল্লানের কথা বলে
৫. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৫:৪৭
ওবায়েদ বলেছেন: ফজলে এলাহি ভাই, তাড়া তাড়ি শেষ করেন। অপেক্ষা করতে কষ্ট হবে।
খুব ভালো হচ্ছে।
৭. ২৩ শে জুন, ২০০৭ ভোর ৬:০১
আরশাদ রহমান বলেছেন: নারীরা নির্যাতিত সব দেশেই কম বেশি তবে ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্রেই বেশি। আর ইসলামের নামে কোন কোন দেশে নারীদের অবস্থান এমন পর্যায়ে যে অমুসলিমরা ভাবে ইসলামে নারী মানেই জালিওয়ালা বোরখার নিচে কোন এক প্রানী।
ইসালম ছাড়া অন্য সবার কাছে নারী যদি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত হয় তাহলে যেই দেশ গুলো ইসলামের কথা বলে তাঁদেরতো দেখিনা তা মানতে।
একজন সত্যিকারের শিক্ষিত মানুষ নারীদের সম্মান করবে এমনিতেই কারন সে সভ্য।
৯. ২৩ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৭:৪৬
ত্রিভুজ বলেছেন: চমৎকার ও সময়পযোগী পোষ্ট ফজল ভাই...
পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম...
ধন্যবাদ।
১০. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
আশরাফ রহমান বলেছেন: ২০ জমাদিউস সানী খাতুনে জান্নাত, নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা(রা:)এর পবিত্র জন্ম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইরানে প্রতিবছর নারী এবং মা দিবস পালন করা হয়। এ দিবস উপলক্ষে আমাকে একটি আলোচনা তৈরী করতে হবে। হঠাৎ আপনার লেখাটির কথা মনে পড়ল। তাই সবগুলো পর্ব কপি করে রাখলাম। এখান থেকে কিছু তথ্য আমার কাজে লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
১১. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ রাত ১:৩০
পাহাড় বলেছেন: নািরবাদিগো এইডা পড়ানোর দরকার। ফেবারিট কইরা রাখলাম।
১২. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৪৮
ফজলে এলাহি বলেছেন: এক পায়ে নুপুর-
জানতে পেরেছেন জেনে ভাল লাগছে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
====
ঘিরিঙ্গী- মন্তব্য বৃদ্ধি করার জন্য ধন্যবাদ।
====
কেমিকেল আলী- আপনার আনুপাতিক বৈষম্যের সমাধানের জন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
১৩. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইসলাম সবচেয়ে ভালো ধর্ম, এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ।
তয় ইসলামের যারা বর্তমানে গোড়া সমর্থক তারা শয়তান, এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই। এরা রায়ট করতে পছন্দ করে, নিজেদের গোস্ত নিজেরা খাইতে পছন্দ করে জংলী বা জঙ্গীদের মতো। যেই কাজটা (রায়ট বা ধর্মীয় বিদ্বেষ) আপনি এখন করতাছেন।
১৪. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
ফজলে এলাহি বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন-
উদাহরণ না দিলে পাঠক আপনার "রায়ট বা ধর্মীয় বিদ্বেষ" ফিকশন বুঝবে কিভাবে?
১৫. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ১৯৫২ সালে মওদুদী যখন আহমদীয়াদের মাইর দেওনের লিগা পাকিস্তানে রায়ট লাগাইলো, পাকিস্তানে ফিবছর শিয়া-সুন্নিকে, সুন্নি-শিয়াকে ধাতানি দেয়, ইরাকে প্রতিদিন শিয়া-সুন্নিকে, সুন্নি-শিয়াকে গলা কাটা লাশ উপহার দেয়। যেকোন দিন সংবাদ পত্র দেখলেই এর উদাহরন পাবেন।

আর আপনার ব্যাপারে বলি, ধরেন আমি আমার টাকা দিয়ে আমার সময় খরচ করে আমার নিজের চয়েসে একটা শার্ট কিনলাম। এখন কেউ যদি আইসা কয় তর শার্ট পুরা ফাউল। ওরে ক্যলাম জিগায়ও নাই। আপনি কি করবেন আমি জানিনা, তয় আমি আমার বদঅভ্যাস মতো একটা ধাতানী তো দিমুই।

এতো গেলো শার্টের কথা, আপনি কইতাছেন ধর্মের কথা। মাথায় মাছের সমান ঘিলু থাকলে এইটা তো বুঝেন এই ব্লগে খালি মুসলিমরাই বলগায় না!

এহন কও তুমি পরিবেশটাতো নষ্ট করতাছো কিনা!
১৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৩:২৬
ফজলে এলাহি বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন-
হুমম, একটু একটু বুঝতে পারতেছি মনে হচ্ছে। মাছের গিলু থাকলেই বোধ হয় গালাগাল থেকে শুরু করে অন্য সকল আজে বাজে ব্যাপারকে সমর্থন করা যায় এমনকি অন্য ধর্ম, অন্য মতবাদও। কেবলমাত্র ইসলামকে সহ্য করা যায় না। তাই না?
তা মাছের ঘিলু পাওয়া যায় না কি আপনার তত্বাবধানে? বানিজ্যে নামতে পারেন ভাল করবেন।
=======
মজার ব্যাপার হলো মাছের ঘিলু ব্যবসায়ীরা ছাড়া আর কারো কাছ থেকে আমার ইসলাম সম্পর্কিত পোষ্টের "রায়ট" ভীতি লক্ষ্য করিনি। আল্লাহর হাজার শোকর।
১৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২১
ফজলে এলাহি বলেছেন: ওবায়েদ-
পড়ার জন্য ধন্যবাদ, পরবর্তী পর্বগুলো পড়েছেন নিশ্চয়ই।
=======
আরশাদ রহমান-
বোরখা পরা বা হিজাব পরা নারীদের সম্পর্কে যারা আপনার ভাষায় "জালিওয়ালা বোরখার নিচে কোন এক প্রানী" ভাবে, তারা আর যাই বুঝুক অন্তত ইসলাম বুঝেনা।
তাছাড়া আপনার শিক্ষায় উন্নত হারের জাতিগুলোর চিত্র তো পোষ্টেই এসেছে। পোষ্ট পড়েছেন তো? মূলত নারীরাই শুধু সম্মাননার প্রার্থী বা ভিখিরী নয় বরং নারী-পুরুষ উভয়েই উভয়কে যথাযোগ্যতায় সম্মান প্রদর্শন করবেন। পৃথিবীর শান্তি-শৃংখলার জন্য পুরুষ-নারীর পারস্পরিক সম্মানবোধ, শ্রদ্ধাবোধ ও ভালবাসা মৌলিক বিষয়, যার অবর্তমানে বেঁধে যেতে পারে বড় বড় যুদ্ধ পর্যন্ত। অতীত ইতিহাসে এর ভুরি ভুরি প্রমাণ বিদ্যমান।
১৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বেগম রোকেয়া পশ্চিমা সমাজে নারী পুরুষের সমানাধিকারের প্রশংসা করতেন........

একটু ভাবুন, একটা অনুষ্ঠানে, প্রচন্ড ঠান্ডায় নারীকে থাকতে হবে হাত কাটা, ব্লাউজ কাটা , হাটু কাটা অবস্থায় আর পুরুষটি থাকে প্রচন্ড গরমের মধ্যেও ভারী কোট টাই পরা ........হাত পা সব কালো ভারী গরম কাপড়ে ঢাকা........এটাই কি নারীদের অবাধ অধিকার???
পোষাকহীন পাশবিকতাকে উষ্কে দিয়ে পশ্বাচারের আবাহন!!!!

স্বল্পবসনা নারীদের যে পণ্য করা হচ্ছে সে বোধশক্তিও তাদের নাই........
শাড়ীর বেলায় নারীদের পেট বের করে রাখার বিষয় টি বাদই দিলাম......আসুন না বাঙালি পুরুষ রাও ওভাবে পেট বের করা পোষাক পরে ঘুরি......গরমে এটাই হোক পুরুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন

আসুন এক কাজ করি.......এবার থেকে নারী পুরুষ সবাই.........

প্রচন্ড শীতের মাঝে হাত কাটা, বুক কাটা, পা কাটা পুরুষ উপস্থাপক হই সেই নারীদের ভূষণটা অর্থাত সমানাধিকার লেবেলটা হালাল করতে............
১৯. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
ফজলে এলাহি বলেছেন: অসাধারণ এই মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ @ সাইফ শেরিফ।
২০. ১০ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:০৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: এলাহী ভাই, নারী বিষয়ক অসাধারণ তথ্যমূলক লেখা। পুরাটা পড়লাম। খুব ভালো লাগলো.....।ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
২১. ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩০
দৃষ্টির ছায়া বলেছেন: চিটি-
মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্যদিগন্ত: www.bishorgo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর খুঁজে পাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ