আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত

১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩২

শেয়ারঃ
0 1 0

ঊনবিংশের গুঞ্জরণের সমাপ্তি ঘটিয়ে বিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে পৃথিবীর দিকে দিকে ইসলামের যে নব গণজাগরণের সূচনা ঘটেছিল, তার অগ্রগামিতা পরিলক্ষণ করে কোন কোন গবেষক এই ধারণায় স্থির হন যে, "একবিংশ শতাব্দী হবে ইসলামের শতাব্দী"। ইসলামের শত্রু ফির'আউন স্বপ্নের মাধ্যমে অবগত হয় যে, বনী ইসরাঈলের সন্তানই তার প্রভূত্বের মূলোৎপাটন করবে। তাই সে বনী ইসরাঈলের সকল পুরুষ নবজাতককে হত্যা করত। কিন্তু স্রষ্টার কি অপার কৌশল যে তিনি ফির'আউনের ঘরেই মূসা 'আলাইহিস্ সালামকে প্রতিপালিত করলেন। বর্তমান শত্রুরাও তাই ইসলাম বলতেই ঘোষণা করছে সন্ত্রাসবাদ, আর কচুকাটা করে যাচ্ছে মুসলিম বিশ্বকে। কিন্তু মূসা আর মুহাম্মাদের ('আলাইহিমাস্ সালাম) স্রষ্টার কি কৌশল দেখবে আগামীর পৃথিবী; সেটাই এখন অপেক্ষা। বিশিষ্ট জার্মান লেখক মুরাদ উইলফ্রিড হফম্যান যথার্থই বলেছেন: "বর্তমানে 'সাংস্কৃতিক একঘেয়েমি' থেকে মুক্তির পথ অবশ্যই রয়েছে এবং সেটি আর পছন্দ অপছন্দের পর্যায়ে নেই; বরং পশ্চিমা বিশ্ব বর্তমানে যে দুর্বার গতিতে সুনির্দিষ্টভাবে একটি সাংস্কৃতিক ও নৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে চলছে তা থেকে মুক্তির মাত্র একটিই পথ রয়েছে এবং তা হচ্ছে ইসলাম"। [ইসলাম: দি অলটারনেটিভ] এ কথা শুধু পশ্চিমা দেশগুলোর জন্যই নয়; বরং পশ্চিমের অনুকরণ প্রিয় দেশগুলো থেকে নিয়ে আমাদের স্বদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আসুন স্বদেশের প্রেক্ষাপটেই দৃষ্টি দেই।

জ্ঞান ও শিক্ষাঃ স্বাধীনতার পূর্বে আরো অনেক ভাল ভাল ইসলামী গ্রন্থাদি রচিত হলেও এ অঞ্চলের মানুষদের নিকট একটাই ধর্মীয় বই বহুল প্রচলিত ছিল, আর তা হলো "মকসুদুল মুমীন"। যে বইটি প্রচুর মিথ্যা হাদীস এবং ইসলামের বিধান বা বাণী নয় এমন বিষয়াদির সমাবেশ ঘটানোর কারণে বর্তমানের আলেম সমাজ ও সাধারণ সচেতন মুসলমাদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। এছাড়া বেনিয়াদের ষড়যন্ত্রের ফসল "বিষাদ সিন্ধু" নামক এক রূপকথার উপন্যাসকে ইসলামের ঐতিহাসিক গ্রন্থ বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছিল যাতে করে মুসলমানগণ শুধুমাত্র কারবালার মাতম নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে; পরিপূর্ণরূপে ইসলামকে প্রতিষ্ঠার চিন্তা যাতে কোনকালেও তাদের মাথায় না আসে। তাই এই বইটিও সে যুগের সীমাহীন যোগাযোগ দূর্গমতায়ও প্রতিটি পাড়াগাঁয়ে পাওয়া যেত। তারপর স্বাধীনতার সাথে সাথে উর্দূ থেকে নিস্কৃতির পাশাপাশি অবাধ বাংলা চর্চা ও প্রকাশনার যে প্রেক্ষিত সূচিত হয়, তাতে ইসলামী গবেষণাও পিছিয়ে নেই; বরং একটি মুসলিম দেশ হিসেবে গ্রন্থাবলীর সমৃদ্ধি এখন সাফল্য ছাড়িয়ে। তদুপরি শিক্ষা ব্যবস্থায়ও সাম্প্রতিক সমতার মাধ্যমে ব্যবধান দূর হতে চলছে। সুতরাং অগ্রসরমান যে কোন পদ্ধতিই তার চুড়ান্ত সফলতার পানেই যাবে।

সংস্কৃতিঃ একটা সময় ছিল যখন ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে বয়কট করতো ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ। কেননা, তখনো এসব গণমাধ্যমে ইসলামী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটেনি এবং ইসলামী প্রতিভাগুলো তখনো সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে এতটা গুছিয়ে নিতে পারেনি। অবশ্য রেডিও এবং সরকারী টিভিতে আযান-কুরআন তিলাওয়াতসহ কিছু কিছু অনুষ্ঠান সবসময়ই চালু ছিল এবং এখনো আছে। তারপর ইসলামী সংস্কৃতিকে দু'একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেল নিয়ে আসলো পর্দায়। দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তা লুফে নিল। বর্তমানের অবস্থা তো এমন দাঁড়িয়েছে যে, চ্যানেল হবে কিন্তু ইসলামী অনুষ্ঠানাদি থাকবে না তা ভাবাই যায় না। এর দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, এদেশের অধিকাংশ মানুষের অন্তরে ইসলামী সংস্কৃতির জন্য একটা বিশেষ আসন ও মর্যাদা অনস্বীকার্য। তদুপরি বিগত দশক থেকে নারী সমাজেও পর্দা এখন চাপিয়ে দেয়া সত্যের চেয়ে কাংখিত আদর্শ ও নির্দোষ ফ্যাশনের অংশ হিসেবেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

অর্থনীতিঃ ইসলামী অর্থ ব্যবস্থায় ব্যাংক চলতে পারে একথা একসময় কেউ কেউ বিশ্বাস করতে না চাইলেও "ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড" সে অবিশ্বাসের সৈকতে সম্পূর্ণ শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত, সর্বোচ্চ মানের সুবিধা প্রদান ও সুদ নয়- লাভ এবং বিনিয়োগ সাফল্যে প্রথম পর্যায়ে নিজের অবস্থানকে সুদৃঢ় করতে সক্ষম হয়েছে। আর এর দেখাদেখি বিগত দশকগুলো থেকে নিয়ে এখনো প্রক্রিয়া চলছে শরীয়াহ্ মোতাবেক পরিচালিত আরো ব্যাংক খোলার ব্যাপারে। এছাড়া অর্থনীতিবিদগণের একটা বিরাট অংশ এখন বাংলাদেশে ইসলামের প্রতিষ্ঠা চায় এবং নিরন্তর চেষ্টা-সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সুতরাং আগামীর বাংলাদেশ যদি ইসলামের হয়, তবে ইসলামী অর্থনীতি এদেশের অর্থনীতিকে ইসলামী ব্যাংকের মতই প্রথম পর্যায়ের তুঙ্গে তুলে দিতে পারবেন বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

রাজনীতিঃ ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে ভারত বিভাজিত হলেও ধারক-বাহকরা অনৈসলামিক ব্যক্তিত্ব হবার অযোগ্যতায় তা আর সফল হয়নি। আড়ালের ষড়যন্ত্র আর প্রকাশ্য যুলুমের প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিবাদে জন্ম নিল বাংলাদেশ। নতুন সরকার কর্তৃক ইসলামের নামে সকল আন্দোলনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। কিন্তু বর্তমান থেকে অতীত নির্বাচনগুলোতে এই নিষিদ্ধকারী শক্তিকেও দেখা গেছে "নৌকার মালিকানা আল্লাহর হাতে সোপর্দ করতে", দেখা গেছে ইসলামী লেবাস ধারণ করতে এবং তাসবীহ সংস্কৃতিকে উচ্চকিত করতে, যদিও তা ভোট গ্রহণ পর্যন্তই। তথাপি নিষিদ্ধতার প্রতি মানুষের স্বাভাবিক আকর্ষণ কে অস্বীকার করবে? নিরবেই ইসলাম নতুন বাংলাদেশের গভীরে গেড়ে নিল তার শেকড় যদিও বীজ তো বোনা ছিল সুদূর অতীতেই, কালের কালবোশেখী বার বার উপড়ে ফেলতে চেয়েছিল, কিন্তু উড়ন্ত-উশৃংখল বাতাস কি করে জানবে যে, ইসলামের শিকড় প্রোত্থিত এদেশের অনেক গভীরে এবং "শেকড়ই শক্তি"। ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের জনপ্রিয়তার প্রকাশ্য রূপ এদেশের মানুষ প্রথম প্রকাশেই দেখেছিল। তারপর থেকে ছিল পথ চলা; যার সাম্প্রতিক ফলাফল দু'দুটো সফল মন্ত্রণালয় পরিচালনা। যে কোন দেশেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য দু'টো শর্তের প্রয়োজন- এক) প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য সৎ ও যোগ্য লোক এবং দুই) দেশের অধিকাংশ মানুষের সমর্থন। ইনশাআল্লাহ্ এদেশে ইসলামকে সমুন্নত করে রাখার মত যোগ্য লোক তৈরী প্রায় সম্পন্নতার কাছাকাছি এবং উত্তরাত্তর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত জনসমর্থনও আশার আলো দেখায়। অতএব, রাজনৈতিক পর্যায়ে তথা ইসলামের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠায় যদি আগামীর বাংলাদেশকে বিবেচনা করা হয়; তবে আকাংখার অপব্যবহার হবে না কোনভাবেই।

সর্বোপরি আমরা মানুষ, সীমাহীন দোষত্রুটিতে পরিপূর্ণ আমাদের অন্তর থেকে কর্মকাণ্ড। তথাপি চেষ্টা-সাধনাই আমাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন সর্বশক্তিমান। আমরা শুধু সেটাই সাধন করতে পারি। বিজয় একচ্ছত্রভাবে পরম প্রভু আল্লাহর হাতে। আমাদের সকল প্রচেষ্টা সফল হলেও তিনি ইচ্ছে করলে বিজয় নাও দিতে পারেন, তাই বলে মুমিন ব্যর্থ নয়; যেভাবে ব্যর্থ নন আল্লার নবী নূহ্ 'আলাইহিস্ সালামও। তবুও দয়াময় আল্লাহ্ তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হতে বারণ করেছেন, তাই আমরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার পাশাপাশি এ আশা করতেই পারি যে, "ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; বরং ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলামড. জাকির ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫
দিগন্ত বলেছেন: সে ভবিষ্যত কি বর্তমান ইসলামিক দেশগুলোর মত না নতুন কিছু?
২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: যেমন ইহুদীবাদ ইসরায়েলের ভবিষ্যত!
যেমন খ্রিস্টবাদ ভ্যাটিকানের ভবিষ্যত!
যেমন হিন্দুবাদ ভারতের ভবিষ্যত!
৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
ফজলে এলাহি বলেছেন: দিগন্ত, সেটা ভবিষ্যতের জন্যই রেখে দিন না। ভবিষ্যত না আপনি জানেন আর না আমি। আমাদের দুর্বলতা বলেন আর বেঁচে থাকার অদম্য আকাংখা বলেন এই ভবিষ্যত না জানার মধ্যেই তো, না কি?
৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
ফজলে এলাহি বলেছেন: সাঈফ শেরিফ,
অসাধারণ এই প্রামাণ্য যুক্তির জন্য ধন্যবাদ।
৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
দিগন্ত বলেছেন: সাঈফ শেরিফের কথা শুনে মনে হচ্ছে তিনটে দেশেরই ভবিষ্যত অন্ধকার।
আর আপনি লিখছেন ভবিষ্যত নিয়ে আবার বলছেন - "ভবিষ্যত না আপনি জানেন আর না আমি। "।
৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০০
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: মানুষ কি ত্রিকালদর্শী হতে পারে?

'ধর্ম' এই তিনটি দেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত..........অন্ধকারের তো নমুনা দেখছিনা...... তাদের উন্নতির রেখা তো উর্ধ মুখী..........পৃথিবী মহাজ্ঞানী, মহাজন রা ই তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে...........


অন্য সব দেশ ধর্ম ভিত্তিক হলে উন্নতি হবে আর ইসলাম আসলেই দেশ, সভ্যতা, পৃথিবী মধ্যযুগীয় পাশবিক অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে..তাই তো?

৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০১
কৌশিক বলেছেন: ফজল ভাই, বাঙালির শেকড়ে ইসলাম - হাসতে হাসতে আমার জান কাবাব হয়ে গেল। অনেক গভীরে প্রোথ্থিত! কত গভীরে? হা হা হা
৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০২
অবাক বলেছেন: ফজল সাহেব/
১টা দেশের উদারহণ দেন তো, যেখানে বরতমানে ইসলাম আছে। এবং আপনার ভাবনা অনুযায়ী ঐ ইসলামী ভবিষ্যতের দিকে বাংলাদেশ যাবে।
প্লিজ উততরটা দিয়েন
৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০৩
দিগন্ত বলেছেন: "অন্য সব দেশ ধর্ম ভিত্তিক হলে উন্নতি হবে" - আমি তো ঠিক তার উলটো কথাই বললাম। তিনটে দেশেরই ভবিষ্যত অন্ধকার হবে যদি তারা ধর্ম নিয়ে দেশ চালায়।
১০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০৪
দিগন্ত বলেছেন: অবাক ভাল প্রশ্ন করেছেন, আমিও শুরুতে একি প্রশ্ন করেছিলাম।
১১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০৭
আিম েকউ না বলেছেন: ভবিষ্যত যদি আপনি না জেনে থাকেন, তাহলে আপনি কি করে বলেন ইসলাম বাংলাদেশের ভবিষ্যত?
১২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
ফজলে এলাহি বলেছেন: দিগন্ত, আপনি তুলনা দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছি। আর আমার সম্ভাবনাময় ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য যদি তুলনা চান, তো আকাংখিত ভবিষ্যত হবে অবশ্যই খোলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শ। এবং অবশ্যই আধুনিক রূপে।
আমার ভবিষ্যত হলো "হবে" আর আপনার জানার ছিল "কেমন হবে বা কার মত হবে"? সুতরাং সেটার জন্য সবর করেন চোখ কান খুলে।
১৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
ফজলে এলাহি বলেছেন: কৌশিক, একটা গাছ যদি মরে যায় আর সেখানে যদি জন্ম নেয় নতুন চারা এবং সে চারা যদি হয়ে উঠে মহীরূহ আর শত ঝড়-ঝঞ্ঝায় ডাল-পালা ভেঙ্গে পড়লেও যদি মূল গাছ টিকে থাকে, তবে কি আপনি সেই পূর্বের মৃত-নিশ্চিহ্ন গাছের শিকড় আছে বলবেন, নাকি ঝড়ে ডাল-পালা ভাঙ্গলেও মজবুত কাণ্ড নিয়ে বেঁচে থাকা গাছের শিকড় আছে বলে স্বীকৃতি দেবেন?
====
মানুষ তো কত কারণেই হেসে থাকে :)
১৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:২১
আিম েকউ না বলেছেন: ইসলাম ইসলাম করে যারা জান কাবাব করেন, তারা
কিন্তু ইসলামের কথা বলেন না, তারা বলেন জামাতে ইসলামের কথা। মহান ধর্ম ইসলামে মানব হত্যা নিষিদ্ধ। কিন্তু ৭১ এ তথাকথিত ইসলামি দলগুলো মানব হত্যায় মেতেছিল।
১৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:২৫
ফজলে এলাহি বলেছেন: অবাক,
ইসলাম বর্তমানের প্রতিটি দেশেই কমবেশী আছে, অর্থাৎ, যেখানেই মুসলমান আছে সেখানেই ইসলাম থাকবেই।
আপনার উদ্দেশ্য যদি হয় ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা, তবে বলবো যে, ইসলাম প্রতিষ্ঠাকারীদের জন্য একমাত্র আদর্শ হলো খোলাফায়ে রাশেদীনের রাষ্ট্রব্যবস্থা বর্তমান বা অতীতের কোন রাষ্ট্র নয়।

পোষ্টে এটাই বুঝাতে চেয়েছি যে, বাংলাদেশের জনগণ ইসলামকে চাইছে এবং তাদের এই চাওয়াটার পাশাপাশি ইসলাম প্রতিষ্ঠার সাধকদের যোগ্যতার পরিপূর্ণতায় অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা পাবে ইনশাআল্লাহ্ ।

এটা নিতান্তই একটা বাস্তবতার নিরীক্ষণে ভবিষ্যতাকাংখার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু অনেকেই এটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে।
যাই হোক, ধন্যবাদ আপনাকে।
১৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৩০
ফজলে এলাহি বলেছেন: আমি কেউ না,
৭১ এ দৌড়টা এত তাড়াতাড়ীই লাগিয়ে দিলেন? :)
প্রসঙ্গে থাকুন। আপনার প্রথম মন্তব্যের জবাব ইতিমধ্যে "অবাক" -এর উত্তরে এসে গেছে । পড়েছেন আশা করছি।
১৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৩৮
কৌশিক বলেছেন: ফজল ভাই, আপনি ইউটোপিয়ায় বাস করছেন। দেশের মানুষ ইসলাম চাইছে না ভ্রাতঃ। মুসলমানরাই একমাত্র ধর্মের কারণে মানবহত্যা করে। যেকোন ধর্মের চেয়ে মুসলমানদের মধ্যে জঙ্গী তৎপরতা বেশী। অসহনশীল এমন একটা ধর্মমত বাঙালি জাতিস্বত্বার সাথে কখনই পুরোপুরি খাপ খায়নি। তাছারা রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সব সময় সাধারণ মানুষের কাছে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়। নো ওয়ে ফজল ভাই।
১৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৪০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: খুব সুক্ষ্ণভাবে ইসলামের নামে জামাতকে উঠিয়ে দিলেন দেখি !! ... দুই মন্ত্রণালয় ... আবার নেতৃত্বও রেডী!! বাহ!!!!

তীব্র প্রতিবাদ জানাই

জামাত জঘন্য!!
১৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০১
ফজলে এলাহি বলেছেন: কৌশিক,
ইউটোপিয়াটা আপনার চেয়ে অনেকগুণ ক্ষীণ একথা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি। কেননা, যে রকমটি আমার পোষ্ট দেখে আপনি দ্রুত পাল্টা পোষ্ট দিলেন এই বলে যে, বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানরা কোন একদিন লঘিষ্টতে পরিণত হবে, তদুপরি কোনরূপ উদাহরণ বা কারণ ছাড়াই নিছক কল্পনায়।
অথচ আমার ভবিষ্যত কল্পনার (আপনার ভাষায়) স্বপক্ষে পুরো পোস্ট জুড়ে আবার পড়ে দেখুন, অসংখ্য প্রমাণ বিদ্যমান। এটাকে যদি ইউটোপিয়া বলে লক্ষ্যচ্যুতি ঘটাতে চান, তো আপনার মন্তব্যে দূরভিসন্ধি আছে বলতে দ্বিধা করবো না।
মানুষ হত্যার উদাহরণ দিচ্ছেন? ভারতের দাঙ্গাগুলো বেমালুম ভুলে গেলেন? জীবন্ত মানুষকে প্রকাশ্য দিবালোকে আগুনে পুড়িয়ে চিতা রূপ দিল। কোলের শিশুসহ মাকে পুড়িয়ে মারা হলো, এমনকি গর্ভের সন্তানকেও পেট কেটে হত্যা করা হলো, এমন ইতিহাস কি পৃথিবী অন্ধকার যুগেও দেখেছিল? দূরভিসন্ধির ধারণাটা পোক্ত হচ্ছে....।
স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে। আমাদের গৌরবান্বিত স্বাধীনতাকে এখন ইসলামকে ঠেকানোর একটা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে একটা অপশক্তি -দেশের মানুষের একথা বুঝতে আর বোধহয় বাকী নেই। নিতান্ত উদ্দেশ্যপ্রবণরা ছাড়া সাধারণ মানুষ এখন এ বিতর্ক রেখে দেশকে শান্ত ও সমৃদ্ধশালী দেখতে চায়।
২০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০৪
দিগন্ত বলেছেন: সবই বুঝলাম, কিন্তু ফজল ভাই, বাংলাদেশের আইনে আরো কি কি দরকার বাংলাদেশ কে ইসলামিক বানানোর জন্য? অন্তত ৫ টি পয়েন্ট দিন।
২১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০৫
নাজিরুল হক বলেছেন: ইসলামের অপব্যাখ্যাকারী রাই ইসলামের অধপতনের জন্য দায়ী। যারা ইসলাম সম্পর্কে অঙ্গ তারা তাই আজ ইসলামকে সন্ত্রাসীর ধর্ম বলে মনে করে।
২২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৩
ফজলে এলাহি বলেছেন: জ্বিনের বাদশা,
প্রতিবাদের জন্য অন্যায় হওয়া চাই, কিন্তু আপনি সেটার উল্লেখ না করেই "প্রতিবাদ" শুরু করলেন।
আবার শেষে বললেন "জঘন্য", আর এটা তো ঘৃণা। তাহলে কি ঘৃণা আর প্রতিবাদ এক হয়ে গেল আপনার কাছে?
২৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৮
অমিত বলেছেন: বেতন বেড়েছে মনে হয়...
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: অমিত-
আমাদের 'বেতন' আল্লাহর নিকটই বাড়ছে ইনশাআল্লাহ্। তাঁর ক্ষমা ও সন্তুষ্টির প্রেক্ষিতে প্রতিদানের মাধ্যমে।

২৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
দিগন্ত বলেছেন: "বাংলাদেশের আইনে আরো কি কি দরকার " - এ বিষয়ে আলোকপাত দরকার ...
২৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২১
অমিত বলেছেন: ইতিহাস কয় যে জামাত সরকারি দলের, বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর রক্ষিতা ছাড়া আর কিছুই না..হেদের গুরু মওদুদি "পাকিস্তান মুভমেন্টের" বিরোধীতা করসিল। পাকিস্তান হওয়ার পর এদের পজিশন বদলাইতে বিশেষ টাইম লাগে নাই। এরপর হেরা শুরু করল পাক আর্মির লেজুড়বৃততি এবং যথারীতি ১৯৭১ এ প্রভুভক্ত কুকুরের মত বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলতে দ্বিধা করে নাই। ফলাফল স্বরূপ স্বাধীনতা পরবর্তী বেশ কয়েক বছর তারা ছিল আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত, নিষিদ্ধ একটা দল। যথারীতি বাঙ্গালীদের সহনশীলতা আর অতীত খুব সহজেই ভুলে যাওয়ার প্রবণতার কারণে, আরও একবার এক সামরিক শাসকের হাত ধরে জামাত রাজনীতিতে ফিরে আসে এবং বাংলার সহজ সরল মানুষের ধর্মভীরুতার সুযোগ নিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটা দেশের আর্থিক সহায়তায় এখনো করে খাচ্ছে। জামায়াত এমন একটা দল যাদের এককভাবে সরকারের কোন ভুল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কখনো কিছু বলার "গাটস" ছিল না। জামাতের এই সুযোগ সন্ধানী চরিত্রের রূপ জানার জন্য ইতিহাস না জানলেও চলে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে একবার তাকালেই বোঝা যায়।
২৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২২
অমিত বলেছেন: "সচেতন ব্যক্তিবর্গ, আপনারা যারা জামাত-শিবির সম্পর্কে জানেন না, তাদের বলি, জামাত-শিবির করতে হলে আর বুঝতে হলে আপনাকে জামাত-শিবিরের পাঠ্য বই পড়তে হবে। তার মধ্যে তাদের পাকিস্তানী গুরু কথাশিল্পী মওদুদীর বই ও পবিএ কোরআনের ব্যাখ্যা "তাফহিমুল কোরআন" না পড়লে জামাত-শিবিরের জেহাদী জোশের স্বাদ পাবেন না। আধুনিক প্রকাশনী আর কাঁটাবন মসজিদের সামনে লাইব্রেরীতে গেলে সুলভ মূল্যে এই বইগুলো কিনতে পারবেন। মওদুদী প্রাতিষ্ঠানিক ধমর্ীয় শিক্ষা না পেলেও তার লেখাগুলো বেশ চমকদার ও উওেজনামূলক। তাই, জামাতীদের বাংলাদেশ বিরোধিতা নিয়ে যারা বেশী লাফালাফি করেন, তাদেরকে বলি, মওদুদী ও জামাতী চিন্তা কখনো স্বাধীনতার প েক্ষ ছিল না। তা 71'এ হোক আর 47'এ হোক।

বৃটিশদের হাত থেকে ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য যখন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, তখন জামাতের নেতা মওদুদী সেই স্বাধীনতার আন্দোলনকে ভর্ৎসনা করে বৃটিশপ্রীতি দেখাতে গিয়ে বলেন, "যদি আপনার ইংরেজের সাথে শত্রুতা এজন্য যে, সে ইংরেজ, ছ'হাজার মাইল থেকে এসেছে, আপনার দেশের বাসিন্দা নয়, তবে আপনার এ শত্রুতা ইসলামী শত্রুতা নয়- অজ্ঞতাপ্রসূত শত্রুতা" (আবুল আলা মওদুদী, সিয়াসী কাশমকাশ, 1ম খন্ড, পৃষ্ঠা 35)। দয়া করে এবার বলেন না, এগুলো রাজাকার-জামাত বিরোধী প্রচারণা, ....."------------
২৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
অমিত বলেছেন: জামাতি গো বাপ, মওদুদী মাদারির কিছু কথা পোস্ট করা ফরজ মনে করলাম । বাংলাদেশ বিরোধী রা কানে কর্ক দিয়া

রাখেন ।
ভারত বিভাগ ও পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ঘোষনার ঠিক আগে 10ই মে 1947 ''জামাতে ইসলামী কি দাওয়াৎ" নামে একটি

পুস্তিকায় মওদুদী বলেন,''এটা এখন নিশ্চিত যে দেশ বিভক্ত হবে । ভারতের একটি অংশ দেওয়া হবে মুসলসান

মংখ্যাগরিষ্টদেরকে এবং অন্য অংশটি নিয়ন্ত্রিত হবে অমুসলমানদের দ্্বারা ।প্রথম অংশে (পাকিস্তান) আমরা সংগঠিত হবো

যাতে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র ইসলামী আইনের ভিত্তিতে প্রণীত হয় । অন্য অংশে আমরা হবো সংখ্যালঘু এবং আপনারা

(হিন্দুরা) হবেন সংখ্যাগুরু । আমরা আপনাদেরকে অনুরোধ করবো রামচন্দ্র, কৃষ্ণজী,বুদ্ধ,নানক এবং অন্যান্য সাধুসন্তদের

জীবন ও শিক্ষা অধ্যয়ন করতে । দয়া করে বেদ,পুরাণ, শাস্ত্র এবং অন্যান্য বইপুস্তক পাঠ করুন । এইসব থেকে আপনারা যদি

কোন ঐশ্বরিক দিক-নির্দেশনা লাভ করেন তাহরে তার ভিত্তিতেই নিজেদের শাসনতন্ত্র তৈরী করুন । আমাদের সঙ্গে একেবারে

আপনাদের ধর্মের লাইন অনুযায়ী ব্যবহার করার জন্যই আমরা আপনাদের অনুরোধ করবো । এ নিয়ে আমরা কোন আপত্তি

করবো না ।'' .............. পাকিস্তানের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও ভারতবিভাগের পর মওদুদী

রামচন্দ্র,কৃষ্ণজী,বেদ,পুরাণ ইত্যাদি শাস্ত্রের শাসনের অধীনে থাকার ব্যাবস্থা ভারতীয় মুসলমান দের জণ্যে প্রস্তাব করে নিজে

পশ্চিম পাকিস্তানে হিজরত করেন এবং সেখানে ''ইসলামী রাষ্ট্র'' কায়েমের সংগ্রামে নিযুক্ত হন । এই চিন্তা দ্্বারা উদ্্বুদ্ধ

হয়ে তিনি সেখানে কোন উল্লেখ যোগ্য অমুসলমান প্রতিপক্ষ না দেখে কাদিয়ানিদেরকে অমুসলমান আখ্যা দিয়ে তাদেরকে পাকিস্তান

থেকে শুধু বিতাড়িত করা নয়, শারীরিকভাবে নিমর্ূল করার উদ্দেশ্যে 1953 সালে পাঞ্জাবে, বিশেষত লাহোরে , এক

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধান ।সেই দাঙ্গায় অসংখ্য কাদিয়ানি নৃশংস ভাবে নিহত হন । শেষ পর্যন্ত পাকিস্থান সরকারকে সামরিক

বাহিনি নামিয়ে দাঙ্গা থামাতে হয় । দাঙ্গার পর পাকিস্তান সরকার সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিশনকে

দাঙ্গার তদন্ত ও বিচারের ভার দেন । বিচারে মওদুদীর ফাসির আদেশ হয় । কিন্তু পরে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করে তাকে প্রথমে

যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং পরে মুক্তি দেওয়া হয় । এই ব্যাপারে তখন আমেরিকার পাওচাটা কুত্তা সৌদি আরবের আইজ্জাও তদবির

করছিল । আর পাকিস্তান সরকার তো জন্ম থিকাই স্যাম চাচার ডাকে জায় নামায ছাইড়া দৌড় দেওয়ার অভ্যাস ।

তো সেই বিচার চলাকালীন সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের একটা অংশ ইদ্ধৃত করা গেল : বিচারপতি মুনির : আমাদের এখানে

পাকিস্তানে যদি একটি ইসলামী রাষ্ট্র হয় তাহলে, আপনি কি হিন্দুদের তাদের শাসনতন্ত্র, তাদের ধর্মের ভিত্তিতে গঠনের

অনুমতি দেবেন ? মওদুদী : ভারতের মুসলমানেরা ওইধরনের সরকারে যদি ম্লেচ্ছ ও শুদ্র হিসেবেও বিবেচিত হয় ও সেখানে

মনুর আইন জারি হয় এবং তারা সরকারে অংশগ্রহনের ও নাগরিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয় তাতেও আমি কোন আপত্তি

করবো না ।(Report of the Court of Enquiry Constituted under Panjab

Act 2 of 1954 to enquire in the Panjab disturbances of 1953,

P.228 )

মুসলিম উম্মাহ র পরম হিতাথর্ী জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মওলানা আবুল হালা মওদুদী ভারতের মুসলমানদেরকে নাগরিক

অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কথা যেভাবে বলেছেন তা বিজেপি তো দুরের কথা, ভারতের চরম প্রতিক্রিয়াশীল হিন্দু ফ্যাসিস্ট

সংগঠন আরএসএস, শিবসেনারাও বলেনা । সূত্র: বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদীদের রাজনৈতিক ভূমিকা, বদরুদ্দিন উমর,

নতুন দিগন্ত, 4র্থ বর্ষ 2য় সংখ্যা
২৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
অন্ধকার বলেছেন: ব্রাদার ফজলে এলাহি, আপনার বক্তব্যের সাথে ঘোরতর দ্বিমত পোষন করছি। তর্ক যুদ্ধে নামলাম না... তাতে আমি পারদর্শী না... আমার মন্তব্য হলো আমরা সর্বোচ্চ সময়কাল যদি কেয়ামত পর্যন্ত ধরি (ততদিন পর্যন্ত আপনার বা আমার বেচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ) ততদিনের মধ্যে `ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত' হবে না...
সময়ের হাতে ছেড়ে দিলাম প্রমাণের ভার...
আমার দেশের মানুষ কুপমন্ডুক নয়... মুক্ত চিন্তায় বিশ্বাসী, ধর্মপ্রাণ মানুষ তারা। সময়েই প্রমাণ হবে তা... লেটস সি!
২৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৭
অবাক বলেছেন: জ্বিনের বাদশা। আপনি বেশী বেরসিক মানুষ। এত সরাসরি কেউ বলে?

ফজল সাহেব/
আপনার কথাগুলো শুনতে ভালো।দাখিল ক্লাসের কোমলমতিদের জন্য হয়তো প্রযোজ্য।কারণ,ওরা হয়তও প্রশ্ন করবে না।কিন্তু আমার মনে আরো কিছু প্রশ্ন আছে।
আপনি 'ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত' বলতে গিয়ে যে সরলরৈখিক দৃষ্টি পেতেছেন তা কতটুকু বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন?
বলি -
জ্ঞান ওশিক্ষা: ২০০৭ সালের আজকের দিনে পৌঁছতে বাঙালী মুসলমান কি কেবল 'মুকসেদুল মোমেনিন'ই পড়েছে?এটাই কী 'জ্ঞান ও শিক্ষার' একমাত্র নিয়ামক?ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন,সমাজবিজ্ঞান,মেডিক্যাল এইসব কিভাবে দেখবেন?কই যাবে?ইসলামী বাংলাদেশে এ বিষয়গুলো কিভাবে পড়ানো হবে?

সংস্কৃতি:ভালোই, চ্যানেলে ইসলামী অনুষ্ঠানের কথা বলেছেন।এটা একটা বিজনেস স্ট্র‌্যাটেজি, তা কি আপনার বুদ্ধি বিবেচনায় যায় না?আমাদের বাটেক্সপো, ড্যান্ডি ডায়িংয়ে প্রথমে কোরাণ তেলোয়াত দিয়ে শুরু হয়,তারপর নজরুলগীতি,তারপর রবীন্দ্র,দেশজ,তারপর আধুনিকগান,তারপর ব্যান্ড।ফাঁকে ফাঁকে সোমত্ত রমণীদের 'পিঠখোলা,পেটখোলা' ফ্যাশন প্যারেড। সেই শুরুর ইসলামী আমেজটা কই গেলো?
দুটা উদাহরণ দিই। এটিএন-এর ইসলামী অনুষ্ঠানে আসে সাঈদী। একদা বাজারে তাবিজ বেচা এই লোকের কাজকর্ম নিয়ে আপনি একদম জানেন না তা কিন্তু না।তাই এইটা বাদ।আরেকজনের কথা বলি। প্রিন্সিপল কামালউদ্দীন জাফরী।চাচা থাকে বিদেশে।কামাল সাহেবরে দিলো পরিবার দেখাশোনায়।সেই চাচীকে কামাল সাহেব কেনো বিয়ে করলো?চাচীকে ২য় স্ত্রী কেনো বানালো?আমানতের খেয়ানত কিংবা শিয়ালের কাছে মুরগী দেয়ার ঘটনা বোধয় এইটারে বলে।তাই কামালউদ=দীনের ঠোট চিবানো ইসলামী ওয়াজে ভক্তি আসেনা।যারা মজা পায়, তারা জানে- - তিনি মেয়েদের 'প্রিয়ড'কালীন বিষয় নিয়ে কিভাবে টেনেটেনে রসালো করে টিভি চ্যানেলে কথা বলেন।
আরেকটা এনটিভির আবুল কালাম আজাদ। উনার ডাক নাম বাচ্চু। ৭১এর ইতিহাস কি বলে?কয়টা ফ্যামিলির মেয়ে উনি রেপ করেছিলেন? (ওহ! আপনি তো আবার ৭১ নিয়ে কথা বলা পছন্দ করেন না)
অর্থনীতি: ...মানেই ইসলামী ব্যাংকিং?অর্থনীতির আর শাখা প্রশাখা নাই?এডাম স্মিথ,রিকার্ডো, কেইনসের থিয়রীগুলা কি ইসলামে গ্রহণযোগ্য হবে?
সমষ্টিক আর ব্যাষ্টিক অর্থনীতি ইসলামে কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে? আপনি যে দেশেআছেন, ওখানকার মতো তেল কি সব দেশে আছে যে বুশ মামা কোলে তুলে ডুডু খাওয়াবে? তেল ফুরালে লাত্তি দিয়ে ফেলে দিবে ঐটা কি অনুমান করতে বেশী গভীরে যেতে হয়?

রাজনীতি: হা হা হা হা । জটিল বলেছেন।২টা মন্ত্রণালয় দেশকে সোনায় ভরিয়ে দিয়েছে।সার সংকট ছিল।বিদেশ থেকে চাল ইমপোর্ট করতে হয়েছে।ইনফ্ল্যাশন কতো হয়েছে খেয়াল আছে?নাকি ১৬-২০ পর্বের ধারাবাহিক লিখে আর কবিমন নিয়ে লানত দিতে গিয়ে ওগুলো জানার সময় হয় নাই/

ওকে কথা না বাড়াই।
রাজনীতি দিয়ে শেষ করি।বাংলাদেশ ইসলামী রাষ্ট্র হয়েগেলো।আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।বলেন দেশের জন্য কোন ১০টি কাজ আগে করবেন?কিভাবে বাস্তবায়ন করবেন?
৩০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:০৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অবশ্যই জামাতকে ঘৃনা করি ... তাই জঘন্যই বলব ...

আর এই ঘৃনিত সত্তাকে আমার ধর্মবিশ্বাসের সাথে গুলিয়ে ফেলার প্রতিবাদ করেছি।
কারণ পরিস্কার, ইসলাম ৭১ এর যুদ্ধাপরাধকে কোনভাবেই (তিল পরিমাণও) সমর্থন করেনা।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: জ্বিনের বাদশা-
জামাতকে ঘৃণা করেন, সে আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

আর যুদ্ধাপরাধী জামাতের হোক আর যেখানকারই হোক বিচার করতে নিষেধ করেছিল কে? একাত্তর পরবর্তীতে, নব্বুই পরবর্তীতে কে নিষেধ করেছিল? মূলত বর্তমান অবস্থার জন্য আপনারাই দায়ী।

তবে জামায়াতে ইসলামী যে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে; একথা এখন সর্বজন স্বীকৃত। এর বিরুদ্ধে কথা বলে ঘাটে পানি পাবেন না। তাছাড়া কে ইসলামী আন্দোলন করছে আর কে অনৈসলামিক আন্দোলন করছে; এর পার্থক্য নির্ণয় করবেন আলেমগণ; আপনারা নন। আর একথা স্বীকার করতে বাধ্য থাকতে হবে যে কাউকে যে, হক্কানী আলেম সমাজের বিশাল অংশ জামায়াতের সাথেই আছেন আলহামদুলিল্লাহ। কেবলমাত্র দেশেই নয়; আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও।

৩১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
সূফি বলেছেন: ব্লগ ভরিয়া গেলো হরিদাস পালে।
৩২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
ইবনে সালাম বলেছেন: পুঁজিবাদ সেতো অভিশাপ
সমাজবাদ সেতো আত্মার বন্দীশালা
জাতীয়তাবাদ সেতো সংকীর্ণতা
ধর্মনিরপেক্ষবাদ সেতো ধর্মহীনতা
ইসলাম-ই মানবতার মুক্তির একমাত্র গ্যারান্টি।

জনগুরুত্বপূর্ণ এ পোষ্টকে নির্বাচিত পোষ্টের মর্যাদা দেয়া হোক। ৫
৩৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
তারেক রহিম বলেছেন: আর কত? ইসলাম জামাতীদের বাপের
তালুক বইলা ভ্রম হইতেছে এখন। জামাতীরাই দেশরক্ষা করবে, তারাই ইসলাম এগিয়ে নিয়ে যাবে আর দেশের মানুষ সেটা মেনে নিবে-- কল্পনাটা সুখের।

ঘৃণা জামাতীদের প্রতি। এইটাকে ইসলাম বিদ্বেষ বইলা চালানোর চেষ্টা চালাইয়েন না আবার। ঐটাই তো আপনাদের চরিত্র!
৩৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৪৬
দি এ টীম বলেছেন: ব্লগ ভরিয়া গেলো হরিদাস পালে
৩৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
তুষার ০০৭ বলেছেন: আপনি লিখেছেন,‌'‍‍‌নৌকার মালিকানা আল্লাহর হাতে সোপর্দ করতে---'
ফজল ভাইজান, এটা ঠিকাছে কিন্তু এটা বললেন না জামাতে ইসলাম কুরানে হাত রেখে শপথ করিয়েছে, এদেরকে ভোট দেয়ার জন্য। এটা বলতে বুঝি মনে ছিল না?আহা!
তা ভাইজান,সওদি আরবের ইসলাম আমদানি করলে মন্দ হয় না,কি বলেন?
৩৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:৪২
আশরাফ রহমান বলেছেন: ফজলে এলাহী- ইসলামের কথা শুনলেই যাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায়, তারা যদি ইসলামের বিজয়ের ন্যুনতম সম্ভাবনাও আঁচ করতে পারে তাহলে তাদের জীবন-মরণ সমস্যা হয়ে যায়। কারণ ইসলাম কায়েম হলে তাদের সুবিধাবাদী চরিত্র এবং অপকর্ম অবাধে চালিয়ে যেতে পারবেনা।
ইসলামের ইতিহাস সাক্ষী, ইসলাম যেভাবে সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণ করেছিল, ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা তার ধারের কাছেও যেতে পারেনি। শুধু তাই নয়, ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলোতে ধর্মে বিশ্বাসীরা বিশেষকরে মুসলমানরা যেভাবে নিগৃহীত,নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত হয়েছে অন্য কোন রাষ্ট্রে তা হয়েনি। তারপরও যারা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের পক্ষে জিগির তুলে তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার। সুতরাং এদের মুখোশ খুলে দিতে বেশী বেশী প্রচারণা চালাতে হবে।

এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ করতে পারেন।
৩৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
ফজলে এলাহি বলেছেন: দিগন্ত,
ইনশাআল্লাহ্ ইসলামী রাষ্ট্র কখনো প্রতিষ্ঠা হলে পাঁচটি কেন সকল বিধানই মানুষ দেখতে পাবে। নয়ত দেখে শুনে নিজেও কিছু তৈরী করে নিতে পারেন, যেমন কৌশিক নিয়েছে :)
==========
"ইসলামের অপব্যাখ্যাকারী রাই ইসলামের অধপতনের জন্য দায়ী। যারা ইসলাম সম্পর্কে অঙ্গ তারা তাই আজ ইসলামকে সন্ত্রাসীর ধর্ম বলে মনে করে।"
=চমৎকার বলেছেন নাজির ভাই।
৩৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১
ফজলে এলাহি বলেছেন: অমিত,
মন্দ বলেননি, পরম প্রভু আল্লাহ্ যদি আখেরাতের হিসেবে আমার বেতন(প্রতিদান) আরো কিছু বাড়িয়ে দেন সেটাই পরম পাওয়া।
আপনার শেষের মন্তব্যটা নোংরা ও জঘন্য শব্দাবলী থাকার দায়ে মুছে দিতে হলো।
নাস্তিকের উদাহরণ না দিয়ে যদি সরাসরি বই থেকে বলতেন, তাহলে মানুষকে আরেকটু ধোঁকায় ফেলতে পারতেন, এখন খুব একটা প্রভাব পড়বে না। কেননা, যে তার স্রষ্টাকে অস্বীকার করার মত মিথ্যাচার করতে পারে, সে দাঁড়ি, কমা কিংবা তাদের নীতি অনুযায়ী টুকরো টুকরো লেখাকে দিব্যি দলীল হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।
যাই হোক, মাওলানা মওদূদী প্রসঙ্গ তুলেছেন তাই পাঠকদের জন্য কিছু তুলনামূলক লিংক তুলে দিলাম-
১) !@@!1178411 (!@@!1178412 : !@@!1178413 !@@!1178414 !@@!1178415 !@@!1178416 !@@!1178417
২) !@@!1178420 !@@!1178421 !@@!1178422 (!@@!1178423 : !@@!1178424 !@@!1178425 !@@!1178426
৩) !@@!1178429 !@@!1178430 !@@!1178431 (!@@!1178432 : !@@!1178433 !@@!1178434
৪) !@@!1178437 !@@!1178438 !@@!1178439 (!@@!1178440 : !@@!1178441 !@@!1178442
৫) !@@!1178445 !@@!1178446 !@@!1178447 (!@@!1178448 : !@@!1178449 !@@!1178450
৬) !@@!1178453 !@@!1178454 !@@!1178455 (!@@!1178456 : !@@!1178457 !@@!1178458 !@@!1178459
৭) !@@!1178462 !@@!1178463 !@@!1178464 (!@@!1178465 : !@@!1178466 !@@!1178467
৮) !@@!1178470 !@@!1178471 !@@!1178472 (!@@!1178473 : !@@!1178474 !@@!1178475 !@@!1178476
৯) !@@!1178479 !@@!1178480 !@@!1178481 (!@@!1178482 : !@@!1178483 !@@!1178484
১০) !@@!1178487 !@@!1178488 !@@!1178489 (!@@!1178490) : !@@!1178491 !@@!1178492
১১) !@@!1178495 !@@!1178496 !@@!1178497 (!@@!1178498): !@@!1178499 !@@!1178500

-চিন্তাশীল পাঠকেরা অমিতের মন্তব্যের সাথে মিলিয়ে পড়ার জন্য অনেক খোরাক পাবেন এই লিংকগুলোতে।
৩৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:৫২
কার্টুনিস্ট বলেছেন: ওরে বাপরে এতো লিংক পড়ার মত চিন্তাশীল এখানে পাবেন কোথায়? এখানে তো লেখকের নাম দেইখ্যাই কমেন্ট মারা হয়। পড়ার লোক একটাও নাই!
ব্লগটা ভইরা গেছে এটিমের আঁতেলে!
৪০. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:০১
দিগন্ত বলেছেন: কিন্তু মৌদুদীকে নিয়ে এটাই কি একমাত্র লেখা? না আরেকটা বইতে কিছু লেখা থাকলে সেটা ভুল?
আপনার লিঙ্ক থেকে দেখলাম -
"গোলাম আহমদ কাদিয়ানী আদৌ কোন নবী ছিলেন না বরং তিনি একজন প্রতারক, ভন্ড ছিলেন"
"কিন্তু অমুসলিম হয়েও মুসলমান নাম ধারন করে মুসলমানদের ভেতর ফেত্‍না সৃষ্টি করবে তা আদৌ মেনে নেয়া যায় না"
এখন আপনি হয়ত জানেন যে পাকিস্তানে মুসলিম হিসাবে পাসপোর্ট পেতে গেলে কাদিয়ানী কে ভন্ড বলে ডিক্লেয়ার করতে হয়। ভাল ব্যাপার ...
৪১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
রাজনীতিক বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার(!) নমূনা মজিবর-হাসিনার আমলে দেখছে। তারা নিজেরাউ ধর্মের নামে অধর্মের কাজ করছে। তাই সংখাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে একবার অন্তত ইসলামের শাসন দেখতে দোষ নাই।
৪২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০২
ফজলে এলাহি বলেছেন: ভাই অন্ধকার,
পোষ্টের কোথায় বলা আছে যে, ভবিষ্যত বলতে কেয়ামত পর্যন্ত সময়কে বুঝানো হয়েছে? আর কেউ কিন্তু এমনটি বুঝেননি।
যাই হোক, কোন আদর্শ কিংবা ক্ষমতাই পৃথিবীতে স্থায়ী নয়, ইসলামের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটার কোন সম্ভাবনা নাই। এটাই ক্ষমতা দানের ব্যাপারে আমাদের স্রষ্টার বিধান। এখানে অদূর ভবিষ্যতকেই বুঝানো হয়েছে। ধন্যবাদ।
৪৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০৭
ওবায়েদ বলেছেন: "ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; বরং ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"।" সহমত@ফজলে এলাহি।

কৌশিক ভয় পেয়ে পাল্টা পোষ্ট দিয়েছে। কারন তার দরকার মদের লাইসেন্স, ইসলাম প্রতিষ্টা হলে, সে মদের লাইসেন্সতো পাবেনা বরং মদ খাওয়ার অদিকারই হারাবেন হয়তো। মদের মতো খারাপ কাজে যারা অবস্ত তারাই ইসলামকে ভয় পান। যেমন , দুর্নীতি,সহকামিতা,অন্যায়,অবিচার ইত্যাদি।


৪৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৫৮
অমিত বলেছেন: মিথ্যা কথা বলেন কেন ? আমি এখানে ৪টা মন্তব্য করেছিলাম, ৪টাই আছে।
৪৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:১৮
সুধাসদন বলেছেন: হাসিনা আপার গ্রেফতারের পর ইসলামপন্থীদের তৎপরতার বেড়ে গেছে!
সবদল দেখা শেষ এবার,
বিশ্বনবীর বাংলাদেশ।
৪৬. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৩৫
আহরিমান বলেছেন: ভাইজান,
জিজিয়া করটা একটু কম করে ধরার অনুরোধ রইলো। নাইলে গরীব মালাউনগুলা না খেয়ে মারা পড়বে।
৪৭. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৪৯
আহরিমান বলেছেন: নোংরা মূর্তিপূজক দের(আল-কোরান, ০৯-২৭), দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ঘেটোতে আটকে রাখলে হয় না?
৪৮. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৫৩
আহরিমান বলেছেন: ওইখানে তাদেরকে ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টা বেশি সাফল্যের মুখ দেখবে। আর কাদিয়ানীরা যদি কথা না শুনে ওদের অবশ্যই মেরে ফেলতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে প্রথম শ্রেণীর পরিচয় নেয়ার ঔদ্ধত্য কিছুতেই মানা যায় না।
৪৯. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৫৬
আহরিমান বলেছেন: খলিফা পোস্টের জন্য সিভি কবে কোথায় জমা দিতে হবে? আর এর জন্য কি শুধু সাচ্চা মুসলিম হলেই হবে নাকি মালাউন হত্যার রেকর্ড থাকতে হবে?
৫০. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:১০
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: কয়েকটা মন্তব্য পড়েছি, বাকিগুলো না পড়েই লিখছি।

বাংলাদেশের ভবিষ্যত যদি ইসলাম না হয়, তা হলে ধর্মনিরপেক্ষতা হবে?

খুবই আন লাইকলি। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ইসলামের জন্য ভীষণ নরম একটা অংশ আছে। হ্যা, যেই সব দল ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে, তাদের সমর্থক হয়তো বেশি নেই, কিন্তু এটা প্রমান করে না যে ইসলাম প্রিয়তা মানুষের শেকড়ে নেই। কারণ, ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা যারা বলে, তাদের কথাগুলো এখনও অনেকটা থিওরেটিক্যাল, জনমানুষের কাছাকাছি যাওয়ার পথ এখনও অনেক বাকি। এদের দিকে না তাকিয়েও, বিএনপি আর আওয়ামী লীগের দিকে তাকালেও বুঝা যাবে, দেশের মানুষের মন পাওয়ার জন্য যে ইসলামকে আকড়ে ধরা লাগবে (উপরে উপরে হলেও) সেটা সব রাজনীতিবিদরাই জানে। শেখ হাসিনা ধরা পড়েও মানুষের কাছে মুখ রক্ষার জন্য বড় গলায় বলে... 'আমি আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় পাই না'.... খুবই পলিটিক্যালি ওয়াইজ কথা, মহিলা অবশ্যই সেটা জানতো! সময়ে সময়ে যে কুরআনের ভুল রেফারেন্স/ব্যাখ্যা দিয়ে ফতোয়া দেয়ার চেষ্টা করতো (প্রতিশোধের ব্যাপারে বলেছিল মনে আছে), সেটাও তো প্রমান করে ধর্মনিরপেক্ষতা ধুয়ে যে পানিও খাওয়া যাচ্ছে না, সেটা আওয়ামী লীগও জানে।


সব বাদ দিয়ে, থিওরেটিক্যালি যদি ধরেও নেয়া যায় বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা এস্টাবলিশড হবে, পলিটিক্যালি, তাহলে ভবিষ্যত কি রকম হবে? সেটা বুঝার জন্য এমন কোন রাষ্ট্রের দিকে তাকানো যাবে না, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রীষ্টিয়ান বা হিন্দু। কারণ? ইসলামের পলিটিক্যাল আইডিওলজি খুবই ডিফাইনড, যা অন্য ধর্মের নেই। বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা এস্টাবলিশড হলে কি অবস্থা হবে, সেটা বুঝার জন্য যে সব সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা এস্টাবলিশড হয়েছে, ওগুলোর দিকে তাকানো লাগবে।

যেমন? তুরষ্ক, তিউনিশিয়া।


তুরষ্কে তো শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাথায় হিজাব পড়া নিষিদ্ধ, তিউনিশিয়ায় বাড়ি থেকে বেরুলেই মাথায় হিজাব পড়া নিষেধ! বাস, ট্রেইন যেখানেই হিজাব পড়া মেয়ে পাওয়া যায়, তাদের পুলিশ ধরে, হিজাব খুলায় সবার সামনে এবং জরিমানা করে। আমাদের শ্রদ্ধেয় ব্লগার হাসান মোরশেদ এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ভলান্টিয়ার। সেই সূত্রে ফতোয়ার ফলে ভারতে মেয়েদের কি অবস্থা সেটা নানা সময়ে জেনেছি আমরা। আফসোস, ধর্মনিরপেক্ষতার চশমা পড়া মানুষগুলোর ধর্মনিরপেক্ষতার এই কুৎসিত চেহারা, যা তিউনেশিয়া আর তুরষ্কে প্রকাশিত হচ্ছে, তা এড়িয়ে যায়। আরেকটা রিপোর্টে পড়েছি, শুধুমাত্র হিজাব পড়ার জন্য তিউনিশিয়ায় একটা মেয়েকে পুলিশ ধর্ষন করেছে, জামা ছিড়ে বাড়ি পাঠিয়েছে। লিংকটা তীরন্দাজের ব্লগে দিয়েছিলাম পরীক্ষামূলক ভাবে। তিনি ইসলামে মেয়েদের ইমাম হওয়া যায় না, মেয়েরা পুকুরে গোসল করতে পারে না, এরকম পোস্টগুলো নানা সময়ে করেছিলেন বলে আমি ভেবেছিলাম নারী অধিকার নিয়ে আসলেই সচেতন। তাই ওই লিংকটা দিয়ে বলেছিলাম ওটা নিয়ে পোস্ট করতে... একটা দেশে শুধু মাত্র হিজাব পড়ার কারণে মেয়েরা এইভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে! তীরন্দাজ করেন নি, হাসান মোরশেদেরও চোখ এড়িয়ে গিয়েছে (!) ওই মেয়েগুলোর গল্প।

সে যাক গে, এই সব উদাহরন দেখতে হবে, তাকিয়ে দেখতে হবে, যে সমস্ত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল আছে, সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতার ফলাফল কি? চীনের মুসলিমদের কথাই ধরা যাক... ওদের ১৮ হওয়ার আগে কোরআন পড়ানো নিষেধ!!!


যেটা সুখবর সেটা হলো, এই সব দেশের মুসলিমরা কিন্তু থেমে নেই। ভিতরে ভিতরে আগুন ছড়িয়ে গিয়েছে। এবং তুরষ্কের এখন ভোটে জিতে আসা দলটাই ইসলামপন্থী! তুরষ্কে ইসলামপন্থীদের পূর্নজাগরণ হচ্ছে, আগের চেয়েও অনেক দ্রুত বেগে...আগুন ছড়িয়ে যাচ্ছে, কিংবা ফুলের সুবাস। বাংলাদেশের ইমিডিয়েট ভবিষ্যতেও যদি ধর্মনিরপেক্ষতা থাকে, তবুও টিকতে পারবে না। ছোট্ট স্কেইলে কিছু ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি কপচানো মানুষকে দেখলাম তো, তাদের হিপোক্রেসী, যুদ্ধের ধরণ, ইরেশনাল সুপারিওরিটি কম্প্লেক্স (যা বিদ্বেষ ছড়ায়, সাদা কালো রঙ মিলে মিশে একাকার করে দেয়, মানুষকে পশুর পর্যায়ে নিয়ে যায়) সব দেখলাম মনযোগ দিয়ে। ফাপা-নেস টের পেয়েছি। আমি হতাশ এক অর্থে, যদি তারা মিডিয়া আর বইয়ে বন্দী থাকতেন, আমার থেকে অনেক দূরে, তাহলে হয়তো আরেকটু শ্রদ্ধা করতে পারতাম। আর আশাবাদী অন্য অর্থে, আমি জানি মিথ্যা, হিপোক্রেসী, সুবিধাবাদিতা, স্বার্থপরতা, ইন্দ্রিয়পূজা দিয়ে বেশি দূর যাওয়া যায় না!
৫১. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:১৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "আমি জানি মিথ্যা, হিপোক্রেসী, সুবিধাবাদিতা, স্বার্থপরতা, ইন্দ্রিয়পূজা দিয়ে বেশি দূর যাওয়া যায় না!"
অনেকদুর যাওয়া যায়। যেমন আপনারা গ্যাছেন।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: নিজের পাল্লায় ওজন করলে এমনি লাগে দ্বিতীয়নাম ;)

৫২. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:১৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ...ধর্মনিরপেক্ষ দেশে থাইক্যা।
৫৩. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৩৮
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দ্বিতীয়নাম,
আমি যেই দেশে থাকি, সেই দেশে আগে বেশির ভাগ মানুষের ধর্ম আগে ছিল খ্রিষ্টিয়ানিটি। এইটা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা এস্টাবলিশ করার চেয়ে ভিন্ন। কারণ খ্রিষ্টিয়ানিটির ইতিহাসে মানুষ মনে করতে পারে না এমন কোন সময়ের কথা, যখন ধর্ম ছিল ক্ষমতায় আর সাধারণ মানুষ অত্যাচারিত হয় নি, উন্নতি আটকে থাকে নি। কিন্তু মুসলিমদের কথা আলাদা। তাই মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার ইম্প্লিকেশন একদম আলাদা। আমি তুরষ্ক কিংবা তিউনিশিয়ার মত হিপোক্রিট রাষ্ট্রে কখনই থাকব না, তাদের সুবিধা নিবো না। আমি অস্ট্রেলিয়ায় আছি কোন যুক্তিতে, সেটা নিয়ে জামাল ভাস্কর আর হারাধনের সাথে একবার তর্ক হয়েছিল। সেটা পড়লেই বুঝবেন, কেন অস্ট্রেলিয়া আসলে নামে ধর্মনিরপেক্ষ হইলেও, আসলে ধর্মনিরপেক্ষ না। সত্যিকার অর্থে। আমার কথা কিন্তু কেউ রিফিউট করতে পারে নাই।


Click This Link
৫৪. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: জামাল ভাস্কর ওইখানে বলছিল অস্ট্রেলিয়া ধর্মনিরপেক্ষ দেশ না, আমেরিকা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ না, ব্যবসায়িক রাষ্ট্র। যদি দ্বিমত পোষন করতেন দ্বিতীয়নাম, আগে ওনারে রিফিউট কইরা আইসেন। আমি কোন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র্রে নাই, এই সার্টিফিকেট কিন্তু আমি নিজে নিজেরে দেই নাই। বাংলাদেশ যদি ওগুলোর মত ব্যবসায়িক রাষ্ট্রও হয়, তাহলেও দেশের ভবিষ্যতে বড় করে ইসলাম লেখা, ধর্মনিরপেক্ষতা লেখা নাই। এইবার 'আপনারা' ট্যাগ লাগায় যেই ফতোয়া দিলেন সেইটা ভেজে ফতুয়া বানায় গায়ে দেন।
৫৫. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৪৭
দি এ টীম বলেছেন: আষ্তরে কেউ কোন দিন রিফিউত করতে পারবনা। জাজ, জুরি, প্ল্যানটিফ আর ডিফেন্ডেন্ট সবই আস্ত
৫৬. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: অবাকের মন্তব্য এতক্ষনে দেখলাম। হাসান মোরশেদের সাথে আমার অনেকগুলা তর্ক আছে, একটু ঘাটলেই পাইবেন। চোরের কথারও জবাব দিছি আমি। কিন্তু ততক্ষন পর্যন্তই, যতক্ষন পর্যন্ত মানুষগুলার প্রতি বিশ্বাস ছিল। তারা এইখানে না লিখলেও পড়ে যান, আর না পড়লেও অসুবিধা নাই, তাদের রক্ষিত অনেক পুরুষ আছে ব্লগে, যেমন অবাক। এই ব্লগ ছেড়ে চলে যেতে আমি বাধ্য করি নাই, আমার কোন কথা বলার সময় আগের কথা টানার দরকার হলে আমি টানবো। অবাক, ইচ্ছা করে বাংলা বানান ভুল করার কি খুব দরকার পরিচয় ঢাকার জন্য?


যে কোন উসিলায় সেকজুয়াল কনোটেশন আনলে লোকে খারাপ বলবে, কারণ, তাতে মানসিক অসুস্থতার কারণ আর অবসেশন খুব স্পষ্ট হয়ে যায়। গেলাম।
৫৭. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৫৫
অবাক বলেছেন: মজা পাইলাম।আমি পুরুষ ঐটা কে বলচে?
চোরের মনে পুলিস পুলিস।
কে জনি কইচিল ৪০বচর বয়স্ক আস্তময়ে। হোহোো
৫৮. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "তাই মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার ইম্প্লিকেশন একদম আলাদা"
আপনার কালচার তো নিবিঘ্নে পালন করেন, তা আপনার পছন্দ মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশেগুলিতে বিধর্মীরা ক্যামনে তাগো কালচার ম্যাইনটেন করে জানা আছে?
৫৯. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫০
আহরিমান বলেছেন: @সন্ধ্যাবাতি, সম্প্রতি তুরস্ক আর ফ্রান্স সহ অন্যান্য ধর্মনিরপেক্ষ দেশে যা হচ্ছে হিজাব নিয়ে তা অবশ্যি নিন্দনীয়। একটা আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্রে কি ধর্ম নির্বিশেষে সবার এ ব্যাপারে স্বাধীনতা থাকবে?
৬০. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
অমনিবাস বলেছেন: "ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; বরং ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"।" সহমত@ফজলে এলাহি।
৬১. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৫০
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন: "ধর্মনিরপেক্ষতা নয় বরং ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"।" সহমত@ফজলে এলাহি।
৬২. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
ফজলে এলাহি বলেছেন: আমি মানুষের জন্য লিখি, জানোয়ারের জন্য নয় অবাকের মন্তব্য শুধু মোছা নয়, তাকে ব্যান করা হলো আমার ব্লগে।
৬৩. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
রাশেদ বলেছেন: "ধর্মনিরপেক্ষতা নয় বরং ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"।" সহমত@ফজলে এলাহি।
৬৪. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
ফজলে এলাহি বলেছেন: অবাক-এর দীর্ঘ বুদ্ধিবৃত্তিক(!) মন্তব্যটা পড়ার সুযোগ হলো আজ। ব্যস্ততার কারণে আগে পড়তে পারিনি। কিন্তু নোংরা শব্দাবলী ব্যবহার ও ব্যক্তিগত আক্রমণের দায়ে ব্যান হলো এই ব্লগ হতে, তাই তার মন্তব্য নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করছি না।
===========
মন্তব্য বৃদ্ধির জন্য ধন্যবাদ
সূফি-
তারেক রহিম-
দি এ টীম
===========
ইবনে সালাম-
খুব সুন্দর বলেছেন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
৬৫. ২০ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫
ইবনে সালাম বলেছেন: সন্ধ্যাবাতির কমেন্টের জন্য ৫। আল্লাহ তার জ্ঞানকে আরো বাড়িয়ে দিন।
৬৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ২:৩৬
ফজলে এলাহি বলেছেন: তুষার ০০৭ ভাইজান,
যারা আল্লাহর বিধানকে নিশ্চিহ্ন করে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করতে চায় আল্লাহর যমীনে, তারা যদি তাদের প্রতীকের ভার সেই আল্লাহর উপর চাপিয়ে দিতে চায় যে আল্লাহকে যারা বর্জন করেছে তথা তাঁর বিধানকে যারা বর্জন করেছে তাহলে এই বিপরীতমুখী ভণ্ডামীকে কি বলবেন আপনি, বলুন?
অপরপক্ষে, যাদের সমস্ত সাধনা, সমস্ত কর্মকাণ্ডই সর্বশক্তিমান বিশ্বস্রষ্টা ও এই যমীনের মালিক আল্লাহর বিধানকে তাঁরই যমীনে প্রতিষ্ঠিত করা, তারা কুরআনের শপথ কেন, কুরআনের বাণী পড়ে পড়ে শুনিয়েই তো কুরাআনের পক্ষে জনগণের সমর্থণ চাইবে, এটাই তো স্বাভাবিক নাকি? না কি আপনি বলবেন যে, কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার জন্য চাচা নেহেরুর বাণী পড়ে শুনাতে হবে মানুষকে অথবা রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলীর শপথ নেয়াতে হবে, অথবা শেখের ভাষণ, কি ? কোনটা?
----তাহলে বুঝুন, যারা কুরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য কুরআনকেই মানুষের সামনে পেশ করছে, তারা কি কোন ভুল করছে? আদৌ নয় বরং এটাই স্বাভাবিক পন্থা।
আর জেনে রাখা দরকার যে, ইসলাম সারা পৃথিবীর জন্যই এক, কুরআনের বিধানও এক, দেশ-কাল-পাত্র ভেদে মানুষের ধর্মাচারে যাকিছু পার্থক্য এসেছে, তার মধ্যে যেগুলো কুরআন-হাদীস সমর্থিত, সেগুলো তো অবশ্যই ইসলামের অন্তর্ভুক্ত আর বাকী ভ্রান্তিগুলো তো ভ্রান্তিই যেগুলোর সংশোধন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সকল সত্যপন্থী আলেমগণই স্বীকার করেন।
তাই সৌদি আরবের ইসলাম বলে কোন ইসলাম নেই, অথবা নেই বাংলাদেশের জন্যও কোন আলাদা ইসলাম। ধন্যবাদ আপনাকে ।
৬৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৪:১৮
নুর3ডিইডি বলেছেন: ফজলে এলাহি ভাই লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। আশাকরি সে দিন বেশিদুরে নয়, ইসলামই হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
ধন্যবাদ আপনাকে।
৬৮. ২৪ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৪:২৬
এস্কিমো বলেছেন: এটা হলো ফজলে এলাহির উইশ!

প্রশ্ন হলো সেটা কোন ইসলাম? জামাতের ইসলাম? নাকি খেলাফতের ইসলাম? নাকি আহালে হাদিস ইত্যাদির..?

একমত@জ্বীনের বাদশা - ইসলামের মোড়কে ৭১ এর ঘাতকদের ফিরে আসার চেষ্টা নিন্দা জানাই।
৬৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৪
ফজলে এলাহি বলেছেন: দীর্ঘ মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ সন্ধ্যাবাতি :)
৭১. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:৫০
বিবেক সত্যি বলেছেন: "দেশের মানুষ ইসলাম চাইছে না ভ্রাত"

ভূল

-দেশের মানুষ ইসলাম চাইছে। কিন্তু ইসলামী নেতৃত্বের ইমেজ সঙ্কট রয়েছে @কৈাশিক
৭৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ২:৩৬
ফজলে এলাহি বলেছেন: "ইসলামের কথা শুনলেই যাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায়, তারা যদি ইসলামের বিজয়ের ন্যুনতম সম্ভাবনাও আঁচ করতে পারে তাহলে তাদের জীবন-মরণ সমস্যা হয়ে যায়। কারণ ইসলাম কায়েম হলে তাদের সুবিধাবাদী চরিত্র এবং অপকর্ম অবাধে চালিয়ে যেতে পারবেনা।
ইসলামের ইতিহাস সাক্ষী, ইসলাম যেভাবে সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণ করেছিল, ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা তার ধারের কাছেও যেতে পারেনি। শুধু তাই নয়, ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলোতে ধর্মে বিশ্বাসীরা বিশেষকরে মুসলমানরা যেভাবে নিগৃহীত,নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত হয়েছে অন্য কোন রাষ্ট্রে তা হয়েনি। তারপরও যারা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের পক্ষে জিগির তুলে তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।"

=গুরুত্বপূর্ণ ও পরিপূরক কিছু কথা তুলে ধরেছেন আশরাফ রহমান। ধন্যবাদ।
৭৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২০
পর্যবেক্ষক বলেছেন: ফজলে এলাহি সাহেব, আপনি যদি প্রকৃত ইসলামের প্রতিষ্ঠা চান, তাহলে অনেক অপেক্ষা করতে হবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা, নেতা পাবেন কোথায়? জামাতে ইসলামীর নেতাদের মতো ব্যক্তিরাতো ইসলামের জন্য চরম ক্ষতিকর। মুক্তচিন্তা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নীতিতে বিশ্বাসী হলে এধরণের নেতাদের সমর্থন করা সম্ভব নয়।
আমি বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে সভ্যতা যত অগ্রসর হবে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা (তথা মানবতা, ন্যায়বিচার, জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা প্রভৃতি) সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। তখন ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত অনেক কনসেপ্ট পরিত্যক্ত হবে (বিশেষ করে পরিত্যক্ত হবে অনেক বিতর্কিত 'হাদিস') তার আগ পর্যন্ত এ নৈরাজ্য চলতেই থাকবে।
মানুষের সহজাত জ্ঞানচর্চা অনুযায়ী সভ্যতা অর্জিত হতে থাকুক। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। মানুষের জন্য ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়।
৭৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ইসলাম বা অন্য কোন ধর্ম নয়, ধর্মনিরপেক্ষতাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
৭৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২২
বিবেক সত্যি বলেছেন: পর্যবেক্ষক বলেছেন :
২০০৭-১১-১৯ ২২:২০:০৯
ফজলে এলাহি সাহেব, আপনি যদি প্রকৃত ইসলামের প্রতিষ্ঠা চান, তাহলে অনেক অপেক্ষা করতে হবে..


-করবো অপেক্ষা। কোন সমস্যা নেই। তবে টার্গেট কন্সট্যান্টলি ফিক্সড !!!


"ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত"
৭৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
মুক্তির অন্বেষায় বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত- সহমত।
৭৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫০
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: দীর্ঘদিন পর হলেও একটা মন্তব্য করার লোভ সামলাতে পারছি না।
যদি চোখে আসে জবাব দিবেন।
আপনি বললেন,
"তাই সে বনী ইসরাঈলের সকল পুরুষ নবজাতককে হত্যা করত। কিন্তু স্রষ্টার কি অপার কৌশল যে তিনি ফির'আউনের ঘরেই মূসা 'আলাইহিস্ সালামকে প্রতিপালিত করলেন।"

স্রষ্টা ফির'আউনের ঘরে মূসা 'আলাইহিস্ সালামকে প্রতিপালিত করলেন আর আপনি তাতে অপার কৌশল দেখলেন...!!!

ঐ স্রষ্টা কি শিশু হত্যা বন্ধ করতে পারলেন না...
৮০. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
আইলা বলেছেন: মগবাজারের লেটেষ্ট পেমেন্ট রেট কত পার পোষ্ট ? ;)

সোজা বললেই হয়

@ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; জামায়াত ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত :D
৮১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫
এইচ এম বাশার বলেছেন: ,,,,,,সে দিন বেশিদুরে নয়, ইসলামই হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্যদিগন্ত: www.bishorgo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর খুঁজে পাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ