আমার প্রিয় পোস্ট
- @ সীরাতুন্নবী: প্রারম্ভ ও তথ্যাবলী... - ফজলে এলাহি
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- @ আমার বিশ্বাস: সামহোয়্যারইন ব্লগে কোন রাজাকার নেই - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(প্রথমার্ধ) - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(শেষার্ধ) - ফজলে এলাহি
- তুরস্কে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার - আশরাফ রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - বইপাগল
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশের প্রয়োজন “রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজার কুসংস্কার” থেকে মুক্তি - আবূসামীহা
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- @ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত - ফজলে এলাহি
- তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন - ধানসিঁড়ি
- ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার - আস্তমেয়ে
- ফিলিস্তিন প্রান্তর হতে একটি চিঠি... [পর্ব/১] - আব্দুর রহমান রাযীন
- ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( প্রথম পর্ব ) - আশরাফ রহমান
- হায় মুসলিম! আর কতকাল ঘুমিয়ে কাটাবে? - ত্রিভুজ
- হায় '৫২-র ভাষা শহীদ! হায় '৭১-এর শহীদেরা!! এ কোন কাপুরুষ প্রজন্ম রেখে গেলেন?? যারা চেতনার জন্য গালির আশ্রয় নেয়? - ফজলে এলাহি
@কবরবাসীর পূজা কিংবা কবরের উপর প্রাসাদ নির্মাণ করা হারাম! (৩)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
আগের পর্ব পড়ুন।
কাজের জন্য প্রাসাদ নির্মাণ করে থাকি আমরা: কিন্তু কবরবাসীর জন্য তো আর কোন প্রকার কাজ করারই কোনরূপ সুযোগ নেই, কেননা সে মরে গেছে। তাহলে কাজ করবে কারা? জীবিতরা? কি কাজ করা যায় কবরের উপর? মূলত শুধুমাত্র একটি কাজই করা যেতে পারে, আর তা হলো- মানুষকে ধোঁকা দেয়ার কৌশলাদি সাজিয়ে বসে দিনে দুপুরে লোকদেরকে মোহাচ্ছান্ন করে প্রকাশ্য ডাকাতির কাজটাই করা যেতে পারে শুধুমাত্র। অন্যথা জাগতিক সকল কাজের জন্য এই পৃথিবী অনেক বিস্তৃত, এবং মানুষ সেজন্য অনেক সুবিধা সমৃদ্ধ ও বৈচিত্রপূর্ণ অফিস-আদালত, কল-কারখানা, বাজার ইত্যাদি নির্মাণ করেছে।
ইবাদাতের জন্য মানুষ গৃহ নির্মাণ করে থাকে: অথচ কবরবাসীর নিজের আর কোন ইবাদাত করার বিন্দুমাত্র সুযোগও নেই। যে নেই, সে কিভাবে ইবাদাত করবে? তাহলে ইবাদাত গৃহ কার জন্য? অবশ্যই জীবিতদের জন্য। তারাইবা কার উদ্দেশ্যে ইবাদাত করবে? আল্লাহর উদ্দেশ্যে ইবাদাত করার জন্য তো মসজিদ সমূহ রয়েছেই এবং সেগুলো অবশ্যই কবরের উপরে প্রতিষ্ঠিত নয়। তাহলে অর্থ কি এই দাঁড়াচ্ছে না যে, কবরের উপরে নির্মিত মসজিদের ইবাদাতে কবর বাসীর উদ্দেশ্যেও কোন না কোনভাবে কিছু ইবাদাত নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে কিংবা পুরোটাই। মূলত উপরোল্লেখিত ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অধ্যায়ে কবরের উপরে বসা ও তাতে ইবাদাত করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। অতএব, যারা কবরের উপর ইবাদাতের জন্য গৃহ নির্মাণ করে থাকে, তারা নিঃসন্দেহে জাহেল বা মূর্খ, গোমরাহ্ বা বিভ্রান্ত, এরা আল্লাহর প্রকৃত দ্বীন ইসলামের দুশমন, কেননা এদের মাধ্যমেই মানুষেরা প্রকৃত-সত্য দ্বীন থেকে বহুদূরে ছিটকে পড়ে। এরাই মানুষকে জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড় করায় এভাবে কবরের উপর মাজার প্রতিষ্ঠা ও তাতে ইবাদাত করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে।
সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক যে, কবরের উপর দেয়াল বা প্রাসাদ কেন নির্মাণ করা হয়:
কারণ মূলত দু'টো- ১) ইবাদাত, ২) ব্যবসা ও ৩) সংরক্ষণ।
১) ইবাদাত: একটা গোষ্ঠী আছে যারা অতিভক্তি, ভালবাসা, শ্রদ্ধার সাথে সাথে শয়তান কর্তৃক প্ররোচণায় নিপতিত হয়ে নিজেদের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের ভাস্কর্য নির্মাণ করতে শুরু করে, তারপর পর্যায়ক্রমে তাতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করে, তারপর ঘরে ঘরে তা স্থাপন করে এবং অবশেষে শয়তান তাদেরকে দিয়ে ঐসব ভাস্কর্য তথা মূর্তির পায়ে কিংবা বেদীতে আন্তরিক, নযর-মান্নত এমনকি মস্তক নোয়ানো বা সিজদা করার মত ইবাদাত আদায় করতে সক্ষম হয়। ইসলাম যাকে সুস্পষ্টভাবে বড় শির্ক বলে আখ্যায়িত করেছে এবং যার পরিণতি আক্বীদা-বিশ্বাসে ব্যক্তি ইসলামের সীমানা থেকে বহিস্কার হয়ে যায়, সমাজে তার নাম আব্দুর রহমান কিংবা বদর উদ্দীন যাই হোক না কেন।
২) ব্যবসা: সমাজের কিছু ধূরন্ধর মানুষেরা যখন উপরোল্লেখিত মূর্খ ও বিভ্রান্ত একটা গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়ে যায়, তখন শয়তানের চক্রান্তে ও প্ররোচণায় তাদের মাথায় ব্যবসায়ী একটা চিন্তা খেলে যায়। তারা তখন শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা অনুযায়ী ব্যবসার কাঠামো সাজিয়ে ফেলে এবং মাজার দখল করে বসে। এজন্য দেখবেন প্রত্যেক মাজারে খাদেম রয়েছে, কি কাজ খাদেমের? মৃত ব্যক্তি কি খেদমত নেন তার কাছ থেকে? সে মূলত জীবিত লোকদের চোখে ধোঁয়ার সৃষ্টির খেদমত আঞ্জাম দিয়ে থাকে, সে মূলত মোহ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে অর্থকড়ি খসানোর খেদমত(?) আঞ্জাম দিয়ে থাকে। তারপর গভীর রাতে তাদের নিজস্ব অংশীদারদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে থাকে। এছাড়া যারা শক্তি ও বুদ্ধির দুর্বলতার জন্য বড় বড় মাজারের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না কিংবা বিতাড়িত হয়, তারা তখন হয় স্বপ্ন দেখতে শুরু করে যে, অমুক সড়ক পথের ধারে তমুক বাবার কবর, কিংবা মাটি উঁচু করে তাতে লালশালু বিছিয়ে বসে যায় ডাকাতির ধান্ধায়। আর এতে তাদের একমাত্র পুঁজি হলো মানুষের ধর্মপ্রীতি, তবে অবশ্যই স্বল্পজ্ঞান ও অজ্ঞান মানুষদেরই কেবল; জ্ঞানী ও দ্বীন সম্পর্কে শিক্ষিতদের দ্বীনপ্রীতি নয় এবং নিজেদের অতি উর্বর মস্তিষ্ক।
৩) সংরক্ষণ: একথা ঠিক যে, অনেকেই প্রিয়জনদের কবরকে সংরক্ষণ করার জন্য কবরের চারপাশে দেয়াল দিয়ে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করে থাকেন। নিয়ত ঠিক থাকলেও শরীয়ত-পরিপন্থী হওয়ার কারণে এটাও বর্জনীয়। যুক্তি তর্কে গেলে অনেক কথাই বলা যায় যে, পৃথিবীর আদি থেকে যদি মৃতদের কবরগুলোকে আলাদা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করার জন্য দেয়াল দেয়া চলতে থাকতো, তবে পৃথিবীতে হয়ত জীবিতদের থাকার জন্য ঘর নির্মাণ করার মত কোন জায়গা থাকতো না। বরং সেদিকে না গিয়ে আমাদের দেখতে হবে যে, প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে কী দিকনির্দেশনা দান করেছেন আমাদেরকে। তিনি একবার আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহুকে প্রেরণ করেন এই বলে যে, মদীনার সকল উঁচু কবরগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে আস; তিনি তাই করলেন। এ ব্যাপারে আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর ভাষ্য হলো: ((তিনি (আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু) আবুল হাইয়াজ আল আসাদীকে বলেছিলেন 'আমি কি তোমাকে এ জন্য পাঠাবো না যে জন্য আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠিয়েছিলেন?)) সুতরাং আলাদা দেয়াল অথবা প্রাসাদ নির্মাণের তো কোন প্রশ্নই আসে না; বরং কবরকে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত উঁচু করে রাখাও সঠিক পন্থা নয়। তাই উচিত হবে সম্পূর্ণ কবরস্থানকে ঘিরে দেয়াল অথবা বেড়া করে দেয়া যাতে গবাদি পশু ও অন্যান্য সকল প্রকার অনিষ্টতা থেকে কবরগুলোকে রক্ষা করা যায়। এটাই সঠিক ও উত্তম পন্থা।
অতএব, বিস্তারিত আলোচনা থেকে এটাই সুস্পষ্ট হলো যে, কবরের উপর দেয়াল নির্মাণ, প্রাসাদ নির্মাণ, মসজিদ নির্মাণ, কবরকে ঈদগাহ বা উৎসবের স্থান বানানো, কবরের উপরে বসা, কবরের প্রতি সালাত আদায় করা, নযর-মান্নত করা, মোমবাতি দেয়া, দূর-দূরান্ত থেকে সেদিকে সফর করা, কবরে রাখা লালশালু ঢাকা মটকায় অর্থকড়ি দান করা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড সুস্পস্ট শির্ক বা আল্লাহর সাথে অংশীবাদ, জাহেলী বা মূর্খতা, দ্বলাল বা গোমরাহী বা পথভ্রষ্টতা এবং কুসংস্কারও বটে।
পরিশেষে: মুসলমানদের কবর পবিত্র রাখার স্থান, তাই সংরক্ষণ করা ভাল এবং প্রয়োজনও কিন্তু তা আলাদা আলাদা করে প্রত্যেকটি কবরে দেয়াল তুলে নয়; বরং পুরো কবরস্থানকে ঘিরে অপচয়হীন দেয়াল তুলে দেয়া যেতে পারে যাতে প্রাণীকুল কিংবা দুষ্ট লোকেরা সেখানে কোনরূপ খারাপ কিছু সংঘটিত করতে না পারে। তদ্রূপ কবর যিয়ারত করা যেতে পারে যেভাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন- আখেরাতের ভাবনা জাগরিত করার জন্য এবং সঠিক পন্থায় সঠিক দো'আ পড়ার মাধ্যমে; কমও নয় বেশীও নয়। তাতেই যাবতীয় কল্যাণ নিহিত রয়েছে আমাদের জন্য। অন্যথা হলে তা কোন না কোনভাবে শির্ক, বিদ'আত কিংবা ভ্রস্টতার পর্যায়ে যেতে বাধ্য! তাই আসুন, কবর ও কবরবাসীদের ব্যাপারে সাবধান হই। তাদেরকে তাদের যথাযথ অবস্থান দান করার মাধ্যমে কবরবাসীকেও নিষ্কলুষ রাখি এবং নিজেরাও নিরাপদ থাকি শির্ক থেকে, গোমরাহী থেকে ও কুসংস্কার থেকে, এমনকি অর্থকড়ির অপচয়মূলক জাগতিক ক্ষতি থেকেও। যেমনটি আল্লাহ্ আমাদের সম্পর্কে বলেছেন: ((তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদাত করবে, সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত আদায় করবে; এটাই সঠিক দ্বীন।)) [সূরা আল-বাইয়্যিনাহ: ৫] আল্লাহ্ তা'আলাই একমাত্র তৌফিক দাতা।
২৯.০৮.২০০৭, মদীনা মুনাওয়ারা, সৌদি আরব।
(সমাপ্ত)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবর, পূজা, মাজার, হারাম, যিয়ারত, নির্মাণ, ইসলাম, রাসূল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ বিভাগে ।
বইপাগল বলেছেন:
আল্লাহ তায়ালা আপনার উপর সন্তুষ্ট থাকুন। অনেক অনেক ধন্যবাদ। ৫
আবূসামীহা বলেছেন:
উত্তম লিখা। আশা করা যায় অনেকের জন্য কল্যাণকর হবে ইনশা'আল্লাহ্।আল্লাহ্ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আবূসামীহা বলেছেন:
কিছু বিকৃত মানসিকতার লোক কোন মন্তব্য না করেই রেটিং কমিয়ে দিয়ে গেল।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ।
কিন্তু কি বলেছেন:
ফজলে ভাইয়া ইরানে যে ইরান ইরান যুদ্ধে মারা যাওয়া সিপাহীদের জন্য যে দুই দেশ স্তম্ভ আছে, তাতে ফুল দেওয়া কি অন্যায়। আর আমরা কি দেশে ফুল দি বোনা একুশে ফেব্রুয়ারীতে
ফজলে এলাহি বলেছেন:
বইপাগল-আল্লাহ আপনাকেও উত্তম প্রতিদান দিন।
----------------------
আবূসামীহা-
ইনশাআল্লাহ্, সে আশাই করছি।
এবং
রেটিং ব্যাপারটা তো এখন মোটামুটি সবার কাছেই পরিস্কার যে, "এটা একটা দেয়াল দখল"-এর মত অবস্থা। এখানে লেখার মান অনুযায়ী মূল্যায়ণ হয় না। বরং কার কয়টি নিক আছে কিংবা কার অফিসে অথবা ক্যাফেতে কয়টি পিসি আছে সেটার উপর নির্ভর করে। আর দেয়াল/টপরেটেড এলাকা দখলের জন্য ব্লগে এটাই হলো শক্তি। সুতরাং কর্তৃপক্ষ যখন এ ব্যাপারে কোন সঠিক সমাধান দিতে পারছেন না, কি আর করা। দেয়ালটা আপাতত আবর্জনাতেই ভরে থাকুক। তার মাঝে মাঝে কিছু ভাল লেখাও আছে, কিন্তু মোটের উপর ব্যাপারটা নিতান্তই 'দেয়াল দখল'-এর মতই। অতএব, চিন্তার দরকার নাই। সপ্তাহ এক/দুয়েকের জন্য লেখা না হয় দেয়ালে নাইবা উঠলো, ওয়েব জগতের বিস্তৃর্ণ ভূমিতে তো জমা রইল। সেইবা কম কিসে?
ইলা বলেছেন:
মাশল্লাহ্ খুব ভাল পোষ্ট। কবর বন্দনা অবশ্য আমার কখনই পছন্দ না। এখন এ ব্যাপারে ধর্মীয় অনুশাসনগুলো জনালাম।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
গুরুত্ব পুর্ণ পোষ্ট, ধন্যবাদ ফজল ভাই।
মনিটর বলেছেন:
ঝটজ াকদ ্ডদগ তঞ?
মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন:
ফজল ভাই আপনি মদিনায় থেকেই এই রুপ মন্তব্য করলেন ? সবাইকে এক পাল্লায় মাপা টিক না।তবে আমি ভাল লোকদের কবর বা মাজার জেয়ারত করাটা ভালো মনে করি। আর যারা মাজার কে পুজি বানাইয়া ব্যবসা করে তাদের কে খুবই ঘ্না করি । মক্কা থেকে
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মুহাম্মাদ আলমগীর-কোন মন্তব্যের কথা বললেন? আমি যা লিখেছি সেসবের জন্য কুরআন ও সহীহ্ হাদীস থেকে সুস্পষ্ট দলীলও পেশ করেছি। কোথাও যাওয়ার পর ভাল লোকের কবর সামনে পড়লে কিংবা যে কোন কবরেই তো কবরবাসীর জন্য দো'আ করা যায়। কিন্তু ঘটা করে বা কবর যিয়ারতের নিয়ত করে সফর করা নিষেধ। এ ব্যাপারে কিছু পূর্বে আমার পোষ্ট আছে, দেখতে পারেন।
এছাড়া কবরের উপর আবার মাজার হতে যাবে কেন? সাহাবাদের কবরে কি আছে দেখেছেন তো? এক খণ্ড পাথর মাত্র, নাম পর্যন্ত লেখা নেই। অতএব কার কবরে মাজার বা প্রসাদ নির্মাণ করা হচ্ছে???
মক্কা বা মদীনা বলে নয়; বরং আমাদের জন্য সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য দলীল হলো কুরআন ও সহীহ্ হাদীস। ধন্যবাদ।
বন্ধনহীন বলেছেন:
কোন বিচার পেলাম না।
নাম্বারহীন বলেছেন:
হে হে বেচার এলাহীর মন খারাপ ত্রিভুজকে নাকি ব্যান করসে
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ফাজলামীর অপরাধে আমার ব্লগ থেকে নাম্বারহীনকে ব্যান করা হলো।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
বন্ধনহীন, আপনার ব্যাপারটাও যদি নাম্বারহীনের মত হয়ে থাকে তবে তো যথার্থই। বিচার তো আপনাদের দরকার অরিল্ডের নিকট, তিনি এখন কান পেতে বসে আছেন আপনাদের অভিযোগ ও অন্যদের বুদ্ধিবৃত্তিক চরিত্রের বিশ্লেষণ শোনার জন্য।অতএব, পোষ্ট সম্পর্কিত মন্তব্য থাকলে করুন।
বন্ধনহীন বলেছেন:
আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরো বাড়লো। আপনি অন্ততঃপক্ষে কারণ দেখিয়ে ব্যান করলেন। ব্যানটা এখনো আরোপ করা হয়নি বলে কিছু বলার সুযোগ নিলাম। বিবেকহীন হওয়ার মতো এমন কিছু কি আমি বলেছিলাম। এর বিরোধিতা করেননি কেন?
বন্ধনহীন বলেছেন:
ওহ! আমি শালা গাধা। আমি মনে করেছিলাম, আমাকে ব্যান করলেন।
বন্ধনহীন বলেছেন:
নাম্বারহীনকে ব্যান করা উচিত হয়নি। সে আপানার সাথে গল্প করতে চেয়েছিল। যেমনটি আমি চেয়েছিলাম।
মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন:
আপনি কি মদিনায় নবির রওজা মুবারক দেখেন নি ? ওখানে কি সাহাবিদের কবর নাই? আর কোন ডকোমেণ্ট দিলাম না একটাই যথেষ্ট।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মুহাম্মাদ আলমগীর,ভাই, মদীনাতে তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবর এবং সেই সাথে আবূবকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কবর রয়েছে, যা বর্তমানে জায়গার সংকুলানের কারণে মসজিদের ভেতরেই ঘেরাও করা আছে। এবং সার্বক্ষণিক লোক নিয়োগ রয়েছে যাতে করে কেউ সেখানে কোন শির্ক বা বিদ'আত করার সুযোগ না পায়।
আর বাকী কবরস্থানে তো অধিকাংশ সাহাবার কবর, অথচ কোথাও কোন ফলক বা উঁচু দেয়াল করা নেই। এখনকার মানুষেরা তো চিনতেই পারে না কোটা কার কবর। শুধুমাত্র একটা করে পাথর দেয়া আছে এ জন্য যে, সবাই যাতে বুঝতে পারে যে, এখানে একটা কবর রয়েছে।
কবর যিয়ারত তো শুধুমাত্র আখেরাতের কথা স্মরণ করার তাগিদেই। আর সেখানকার দো'আও নির্দিষ্ট, শুধুমাত্র কবরবাসীর জন্য দো'আ করা। তবে রাসূল কর্তৃক নির্দিষ্ট দো'আতে নিজের জন্য কিছু থাকলে তা ঠিক আছে, কেননা, তা তো নির্ধারিতই এবং আমাদেরও উচিত নির্ধারিত বিষয়াদিতে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সীমানাতেই অবস্থান করা। একচুলও এদিক সেদিক না যাওয়া। ধন্যবাদ।
ভুত বলেছেন:
ধইন্যবাদ।আপনার কথা শুইনা আমার বড়ই ভালা লাগিল।আশা করি আপনার কথায় কিছু কাম হইব।আর আমাগোরে কব্বরে শান্তিতে থাকবার দিব।
আর তা না হইলে এইবার আমাগোরেই ব্যাবস্থা নিতে হইব।
ভাউ ভাউ!

















