আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-১ - চিন্তিত দার্শনিক
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- @ তাফসীরুল উশরুল আখীর (বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন) - ফজলে এলাহি
- নাস্তিকদের নৈতিক রূপ কি এসব করা??? - কঠিন চিজ
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক - হলদে ডানা
- @ সীরাতুন্নবী: প্রারম্ভ ও তথ্যাবলী... - ফজলে এলাহি
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- @ আমার বিশ্বাস: সামহোয়্যারইন ব্লগে কোন রাজাকার নেই - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(প্রথমার্ধ) - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(শেষার্ধ) - ফজলে এলাহি
- তুরস্কে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার - আশরাফ রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - বইপাগল
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশের প্রয়োজন “রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজার কুসংস্কার” থেকে মুক্তি - আবূসামীহা
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- @ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত - ফজলে এলাহি
- ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার - আস্তমেয়ে
- ফিলিস্তিন প্রান্তর হতে একটি চিঠি... [পর্ব/১] - আব্দুর রহমান রাযীন
- ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( প্রথম পর্ব ) - আশরাফ রহমান
- হায় '৫২-র ভাষা শহীদ! হায় '৭১-এর শহীদেরা!! এ কোন কাপুরুষ প্রজন্ম রেখে গেলেন?? যারা চেতনার জন্য গালির আশ্রয় নেয়? - ফজলে এলাহি
@ লালনের মূর্তির মত সকল মূর্তি অপসারিত হোক! সময়ের দাবী!!
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
ইসলাম পৃথিবীতে এসেছে মানুষের গোলামী থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে একমাত্র বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহর গোলামে পরিণত করার জন্য। কেননা, যিনি স্রষ্টা, যিনি রিযিকদাতা, যিনি জীবনদাতা, যিনি মৃত্যুদাতা এবং জীবনের পূর্বে, জীবনকালে ও জীবনের পরবর্তীতে যাঁর কাছে আমরা পরিপূর্ণরূপে অসহায়, যাঁর ক্ষমতায় আমরা তুচ্ছ থেকেও তুচ্ছতর, তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করাই প্রকৃত বুদ্ধিমান মানুষের কাজ। পরন্তু জীবনের পথ পাড়ি দিয়ে দিয়ে আমরা তো তাঁর কাছেই ফিরে যাচ্ছি, তাঁরই সাক্ষাতে। সুতরাং তাঁকে ভালবেসে, তাঁর বাধ্য হয়ে, একমাত্র তাঁকেই বিনয়-শ্রদ্ধা-ভালবাসা তথা একমাত্র তাঁরই ইবাদাতের মধ্যে নিহিত রয়েছে মানবজাতির ইহ ও পরকালীন মঙ্গল। একথা যে মানুষ যত গভীরভাবে বুঝতে পেরেছে, উপলব্ধি করতে পেরেছে এবং কর্মে তার বাস্তবায়ন করেছে; সে তত বেশী সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে।
মানুষের প্রভূত্ব থেকে মানুষকে মুক্তি দানের জন্য ইসলামের আগমণ; যা বয়ে এনেছেন সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ থেকে চৌদ্দশ' বছরেরও বেশী কিছু কাল পূর্বে। মানুষ কিভাবে মানুষের উপর প্রভুত্ব করে? এ প্রশ্নের জবাবে মৌলিকভাবে কয়েকটি দিক হতে পারে- ১) সরাসরি প্রভু হিসেবে নিজেকে পেশ ও প্রতিষ্ঠিত করা, ২) যোগ্যতা ও বস্তুর প্রভাবে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত করা ও ৩) বিভিন্ন আবেগ-অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত করা।
আসা যাক, মানুষের উপর মানুষের প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার এ তিনটি দিকের পর্যালোচনায়-
এক) সরাসরি প্রভু হিসেবে নিজেকে পেশ ও প্রতিষ্ঠিত করা: পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় যে, এ দাবী পেশ করেছিল ফির'আওন। সে ছিল তৎকালীন মিসরের রাজা, প্রবল প্রতাপাম্বিত হবার পর সে তার দেশবাসীকে বলেছিল: أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَى "আমিই তোমাদের বড় প্রভু" [সূরা আন-নাযি'আত: ২৪]। তার সে প্রভুত্ব ভ্রান্ত প্রমাণিত হলো যখন সে নীলের পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছিল। পৃথিবীবাসীর জন্য আল্লাহ্ সেই স্বঘোষিত "বড় প্রভু"র ধ্বংসাবশেষ আজো ঝুলিয়ে রেখেছেন মিসরের পূরাকীর্তি পিরামিডের অভ্যন্তরে সে যুগের মানুষকে মমি বানানোর প্রযুক্তি দানের মাধ্যমে। এই জ্বলজ্যান্ত উদাহরণের মানদণ্ডে খুঁজে দেখলে আজো দেখা যাবে পৃথিবীতে বহু ফির'আনের আনাগোনা চলছে। কোন কোন ফির'আওন বিশ্বপ্রভু হবার স্বপ্ন দেখছে বিশ্বায়নের বাস্তবায়নের মাধ্যমে। আবার কেউ দেখে গেছে কিংবা আজো দেখছে যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে, যেমনটি একদার হিটলার। এ পর্যায়ের উদাহরণ বুঝা অনেক সহজ করে দিয়েছেন আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনে ফির'আওনের উদাহরণ পেশ করার মাধ্যমে।
দুই) যোগ্যতা ও বস্তুর প্রভাবে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত করা: সোভিয়েত আমলের রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রচারিত বেশ কিছু উপন্যাস দেখা যায় এখনো। যেগুলোতে বিভিন্নভাবে স্রষ্টাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের পাঁয়তারা করা হয়েছিল বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মাধ্যমে। তান্মধ্যে একটার কথা বলি- যেখানে দেখানো হয়েছে যে, একজন সার্জন বিভিন্ন প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অদল-বদল করে নানা অদ্ভুত প্রাণী সৃষ্টি(?) করেছে। পড়ে আমার কাছে দারুন হাস্যকর ঠেকেছে। ভাবলাম যে, এরা কি চায় আসলে? নিজেদের পাগলামীর প্রতিষ্ঠা নাকি আসলেই কোন একটা আদর্শের প্রতিষ্ঠা? পৃথিবীর এই সুসামঞ্জস্য পদ্ধতির পরিবর্তন দেখিয়ে স্রষ্টা সাজার অভিলাষ যে কত বড় মূর্খতা আর তা যে কি ভয়াবহ পরিণাম ডেকে আনবে সে ব্যাপারে হয়ত সেই কল্পকাহিনীর লেখক ভাবার অবসরই পাননি। এমন বিধ্বংসী চিন্তার মানুষদের হাতে পৃথিবীকে ছেড়ে দিলে তারা খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই পৃথিবীকে মানুষের জন্য বসবাসের অযোগ্য করে তুলবে; এমনকি প্রাণীজগৎও সে ধ্বংসের হাত থেকে রেহাই পাবে না।
সে যাক, যোগ্যতা মানুষের আছে এবং সে অনেক কিছুই করতে পারে এর মাধ্যমে। কিন্তু যত বড় যোগ্যতাধারীই হোক না কেন এবং যত বড় কিছুর সম্পাদকই হোক না কেন, যদি সে তার নিজের যোগ্যতার উৎস খুঁজে না পায়; তবে তার মত অসহায় আর কাউকে খুঁজে পাবে না কোথাও কেউ। সে জানে না কে তার জীবন-মৃত্যু-যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা-চিন্তাশক্তি ইত্যাদির সুতো ধরে বসে আছেন, কখন টান দেবেন আর তখন তার যাবতীয় শক্তি-যোগ্যতা ধুলোয় মিশে যাবে সে নিজেসহ! এর চেয়ে অসহায়ত্ব আর কি থাকতে পারে। পরন্তু তার জন্য এতটুকু সান্ত্বনাও নেই যে, কে এসবের মূলে রয়েছেন। কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, বিজ্ঞানী, গবেষক, বিধান রচনাকারীরাও এ পর্যায়ে শামিল। যেমন, আমাদের দেশীয় এক নাট্যাভিনেত্রীর খাহেশ হয়েছিল যে, তিনি কবি রবীন্দ্রনাথের পূজা করবেন; এমনকি তিনি সবাইকে সে উপদেশও প্রদান করেছিলেন।
বস্তুর ব্যাপারটিও এখানে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। অর্থসম্পদ, পেশীশক্তি, অস্ত্রবল, জনবল কিংবা কোন জাগতিক আবিস্কার হতে পারে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার। যেমন, আমাদের দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এক শ্রেণীর এনজিও অর্থ সাহায্য করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রভুত্বের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। বাহ্যিক ভাবে এই প্রভুত্ব বিশ্বস্রষ্টা কিংবা যীশুখৃষ্টকে প্রদর্শন করলেও আসল প্রভু যে সেই দাতারাই সেজে থাকেন, তা কোন দৃষ্টিমানের কাছেই লুক্কায়িত নেই। বিশ্বনীতিতে আজ তো গুটিকতক দেশই কেবল পরমাণূ শক্তিধর হতে পারবে বলে নিজেরা নিজেরা সালিশী ডেকে ঠিক করে নিয়েছে এবং রায় ঘোষণা করেছে, আর বাকী সব দুর্বল দেশের উপর প্রভুত্বকে ভাগাভাগি করে নিয়েছে। কোথাও কেউ শিল্পের অগ্রগতি কিংবা বাস্তবিকই স্বদেশ সুরক্ষার জন্য চুল্লি বসালে তারা এসে চোখ রাঙায়, হুমকি দেয়, এমকি হামলে পড়ে বিনাশ সাধন করে নিরপরাধ শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ অগুণতি বনী আদমের। একে কি করে কেউ প্রভুত্বের সংজ্ঞা থেকে বাদ দিতে পারবে? পরন্তু পৃথিবীর নানা প্রাযৌক্তিক উদ্ভাবনের মনীষীগণকে তো গদগদ কণ্ঠে অনেকেই প্রভুর আসনে সমাসীন করে দিয়ে থাকেন। ষ্টিফেন হকিংয়ের বাণীকেও ওহীতুল্য কিংবা তারচেয়েও অধিক গুরুত্ব দেয়ার লোক খুঁজতে বোধহয় খুব বেশী দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে না।
মোদ্দাকথা, এই শ্রেণীর মানুষেরা অন্যদের চোখে চমক সৃষ্টি করতে পারেন নিজেকে দিয়ে, নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে। তারা চান বা না চান; মানুষেরা তাদেরকে প্রিয় ভাবতে শুরু করে, তারপর এই প্রিয় একসময় বদলে যায় শ্রদ্ধায়, শ্রদ্ধার বেলুনটি হাওয়ায় হাওয়ায় ফুলতে ফুলতে একসময় 'ভগবান' হয়ে উঠে। তারপর জীবিত হলে পায়ের ধুলো কুড়োতে কুড়োতে সিজদার কাছাকাছি পৌঁছে যায় মানবতার উন্নত শির আর মৃত হলে কবরে, স্মৃতিস্তম্ভে বা মূর্তি বানিয়ে তাতে ফুল চড়িয়ে, বিনয় নম্রতা প্রদর্শন করে; এমনকি কেউ কেউ বিপদে আপদে তাদের নাম স্মরণ করে কিংবা সরাসরি ডেকে সাহায্য প্রার্থনার মাধ্যেম তাদের ইবাদাতে মশুগুল হয়ে উঠে। এভাবেই এই শ্রেণী তাদের যোগ্যতা ও বস্তু বলে মানুষের উপর তাদের প্রভুত্ব কায়েম করে থাকে। তবে এক্ষেত্রে এহেন বিভ্রান্তি শুধুমাত্র তাদের বেলাতেই ঘটে, যাদের কাছে নেই কোন সুস্পষ্ট জীবন বিধান, সত্য-মিথ্যার মানদণ্ড, মানবতার পরিচয় বিধি, স্রষ্টার পরিচয় সম্বলিত কোন অকাট্য ঐশী বাণী; প্রকৃত মুসলমানগণ এই ভয়ংকর পতন প্রতিরোধে অব্যর্থ নিরাপদ, কেননা তাদের কাছে রয়েছে আল-কুরআন।
তিন) বিভিন্ন আবেগ-অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত করা: এই পর্যায়ে এসে কাকের বাসায় কোকিল ডিম পেড়ে উত্তরাধিকার অর্জনের মত অবস্থা হয়ে থাকে। খাজা বাবা কখনো বলে যাননি যে, তার কবরের উপর বিশাল প্রাসাদ নির্মাণ করা হোক, বলেননি সড়ক পরিবহনের মোড়ে মোড়ে ডেকচি বসানো হোক, লালন শাহ্ জীবিতাবস্থায় কখনো বলে যাননি যে, তার জন্য মূর্তি নির্মাণ করা হোক, বলে যাননি শেখ মুজিব কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারাও; তবে কেন ভাস্কর্যের নামে তাদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে মূর্তি? তাদেরও ছিল ধর্ম বিশ্বাস। তারা যদি মূর্তিপূজারী ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে থাকে এবং মূর্তিপূজারীরা যদি তাদের মূর্তি বানিয়ে থাকে তবে সেটা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ব্যাপার, সে ব্যাপারে কথা নেই। কিন্তু মুসলিম নেতা, মুসলিম দরবেশ কিংবা মুসলিম বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে কেন অপমানিত করা হচ্ছে তাদের মুর্তি নির্মাণ করার মাধ্যমে। তাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী তো এসবের মাধ্যমে তাদের পরকালীন জীবনকে তাদের উত্তরসূরীরা আরো অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে! যার প্রমাণ, কেয়ামতের কঠিন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য মানুষেরা যখন বিভিন্ন নবীদের কাছে যাবেন, তখন ঈসা আলাইহিস্ সালাম জবাব দেবেন এই বলে যে, আমাকে পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নেয়ার পর আমার উম্মতেরা আমাকে আল্লাহর পুত্র বানিয়ে বসেছিল, তাই তা নিয়ে আমি নিজেই শংকিত যে আল্লাহ্ সে কারণে আমার সাথে কি ব্যবহার করেন! [হাদীসের ভাবার্থ থেকে]।
অথচ আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে এ নির্মম সত্যকথাগুলো কেউ বলতে গেলেই সে নাস্তিকদের কাছে হয়ে যাবে ধর্মান্ধ, মৌলবাদী। লালন সুফী জগতের মানুষ, ইসলামের মৌলিকতার সাথে তার দর্শনের সংঘাত অনেক। কিন্তু সে তো মুসলিম জনগোষ্ঠীর একজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন, হিন্দু ধর্মের কোন পূজ্য দেবতা ছিলেন না। তবে কেন তার মূর্তি নির্মিত হবে? ঠিক একই কায়দায় আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দের এবং মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণার্থে তাদের মূর্তি নির্মাণ করা সেসব মৃত মানুষদের প্রতি বিরাট অন্যায়, অমার্জনীয় জুলুম। এর প্রতিবাদ করা উচিত, এসবকে প্রতিহত করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। অন্ততঃ সেসব মুসলিম পরিবারের দায়িত্ব; যাদের পূর্বসূরীদের মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। কেননা, তাদের পরকালীন একটি জীবন রয়েছে, তাদের প্রতি করুণা করে হলেও সেদিকটা ভাবা দরকার।
এখন ভেবে দেখার বিষয় যে, তারা যদি জীবিতাবস্থায় বলে না গিয়ে থাকেন তবে কেন তাদের জন্য মূর্তি নির্মিত হচ্ছে?
এর জন্য খৃষ্টজগতের প্রতি দৃষ্টিপাত করাই যথেষ্ট হবে। কেন খৃষ্টানগণ ঈসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহর পুত্র সাব্যস্ত করেছিল? গীর্জায় গীর্জায় তাঁর মূর্তি স্থাপন করে প্রভু হিসেবে এক আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে যীশুখৃষ্টের কাছেও প্রার্থনা করা হচ্ছে? মরহুম আহমাদ দীদাত প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন সমগ্র খৃষ্টজগতের প্রতি যে, আমি বললাম তোমাদের বর্তমান বাইবেলে আল্লাহর নাযিল করা একটি শব্দও নেই, সব তোমাদের বানানো; পারলে আমার এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা কর! খৃষ্টজগত ব্যর্থ হয়েছে তার এই প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ্যের মোকাবেলায়। কিভাবে হয়েছে তাদের এই অধঃপতন? তাদের আলেম সমাজের সাথে আঁতাত হতো শাসক গোষ্ঠীর, তারা বিক্রিত কিংবা বাধ্য ছিল শাসক শ্রেণীর কাছে। তাই যত অপরাধ শাসক গোষ্ঠী করতো, সেসবকে ধর্মের চাদরে ঢাকার জন্য বছর বছর তারা তাদের ধর্মগ্রন্থে পরিবর্তন আনতো। এভাবেই কালক্রমে স্রষ্টা প্রদত্ত ইঞ্জীল শরীফ তাদের বর্তমানের বানানো বাইবেলে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। যার প্রমাণ মিলবে পাশ্চাত্য জগতে নিষিদ্ধ করা "বার্নাবাসের বাইবেল" এর সাথে তাদের প্রচলিত বাইবেলের পার্থক্যসমূহে।
তাহলে কি দাঁড়ালো অর্থ? এ পর্যায়ের প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার মূলে ক্রিয়াশীল ছিল এক শ্রেণীর ধূরন্ধর স্বার্থবাদী মহল, এক শ্রেণীর চক্রান্তকারী, সুবিধাভোগী কিংবা শত্রু। এরা আকাশে আরোহণকারী ঈসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্বকে পুঁজি করে তাঁর নামে মিথ্যা রটিয়ে যেমন পৃথিবীতে তাদের নিকৃষ্ট অভিলাষের বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে, তেমনি আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতেও এক শ্রেণীর ঘরোয়া শত্রু-যারা বিক্রিত সামান্য অর্থের বিনিময়ে-পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী আগ্রাসী শত্রু এবং দাতাগোষ্ঠীর নামে বর্তমান "সংস্কৃতির যুদ্ধে" অবতীর্ণ পশ্চিমা শত্রুরা; আমাদের স্বাধীনতার রূপকার শেখ মুজিবের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে তার মূর্তি রচনা করেছে, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি মানুষের ভালবাসা ও আবেগকে কাজে লাগিয়ে তাদের ভাষ্কর্যের নামে তাদের স্থানে স্থানে মূর্তি স্থাপন করেছে, দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্যক্তিত্বদের মূর্তি নির্মাণ করে করে তাতে মানুষকে ফুল চড়ানো শিখিয়েছে। এরা কারা? কেন তাদের এত আগ্রহ এসকল মৃত মানুষদের জন্য মূর্তি বানানোতে এবং সেসবে দিন গুণে গুণে ফুল চাড়নোতে, বেদীতে বলির মত করে নানা কার্যক্রম উদযাপনে? কি তাদের স্বার্থ এখানে?
এসব ভাবার অবসর যেন আমাদের জনগণের নেই, ফুরিয়ে গেছে সময়। বরং আমরা যেন খুঁজে বেড়াচ্ছি পৃথিবীর কোথায় কোন অপসংস্কৃতির জন্ম হচ্ছে আর আমরাও তাকে আমদানী করবো। কেন আমাদের এই তাড়া? কে শিখাচ্ছে আমাদেরকে এই অধঃপতন? একবারো কি ভাবনায় জাগলো না যে, মূর্তিতে ফুল দেয়া কোন পর্যায়ের কাজ, কাদের সংস্কৃতি? কোথায় অজান্তে বিক্রিত হয়ে যাচ্ছি আমরা!
মূলতঃ পৃথিবীতে প্রথম মূর্তিপূজার প্রচলনই ঘটেছিল কিছু সম্মানিত ও আল্লাহ্ওয়ালা মানুষকে স্মরণীয় করে রাখার প্রয়াস থেকে। নবী নূহ আলাইহিস্ সালামের জাতিই হচ্ছে প্রথম জাতি যারা সর্বপ্রথম মূর্তিপূজা শুরু করেছে। আয়াদ্দ, সূয়া, ইয়াউস, ইয়াউক ও নসর ছিল তাদের মধ্যকার সম্মানিত ও আল্লাহ্ওয়ালা কিছু মানুষ। এদেরকে স্মরণীয় করে রাখতে তারা এঁদের মূর্তি তৈরী করে রেখেছিল। এসব মূর্তির পাশে তারা জমায়েত হত এবং মনে করত এদের ভালোমানুষী তাদেরকে আল্লাহ্র কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। কিন্তু কালক্রমে তাদের এই জমায়েত হওয়া রূপান্তরিত হয় ভক্তি-শ্রদ্ধায়, আর ভক্তি-শ্রদ্ধাগুলো রূপ নেয় ইবাদাতে এবং পর্যায়ক্রমে এদেরকেই তারা তাদের উপাস্য বানিয়ে নেয়। এই মূর্তিগুলোর কথা কুরআনে সূরা নূহের ২৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে।
এছাড়া বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে, আমাদের প্রতিবেশী হিন্দুরা যখন পূজা করে তখন কি করে? তারা তাদের দেবতাগুলোর মূর্তি তৈরী করে তা বিশেষ বিশেষ স্থানে স্থাপন করে, সেগুলোর সামনে একটি বেদী থাকে, সেখানে পূজার সময় তারা ফুল ছিটিয়ে দেয়, মূর্তির গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। তারপর তারা তাদের ধর্মগ্রন্থের মন্ত্র কিংবা কবিতা বা স্তুতিবাক্যাদি গেয়ে বা পাঠ করে তাদের পদ্ধতিতে হয়ত সিজদা করে, কিংবা মৌনব্রত পালন করে কিংবা অন্য কোন কায়দায় তাদের ভক্তি-শ্রদ্ধা-ভালবাসা প্রকাশ করে তথা ইবাদাত করে তা বাস্তবায়ন করে থাকে।
এবার দেখুন মূর্তির সামনে কি করে থাকে বাংলাদেশের মুসলমানগণ? এ পর্যন্ত যেসব মুসলমানের মূর্তি বানানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জন্ম কিংবা মৃত্যু দিবসে অথবা মূর্তির কাছাকাছি যেসব ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে সেসবে কি করা হয় বিভিন্ন নির্ধারিত দিবসে? সেখানে মধ্যরাতের পর থেকে কিংবা অন্য কোন সময় থেকে নিয়ে বেদী ধুয়ে মুছে, রঙ করে সেই বেদীতে ফুল ছিটানো হয়, মোমবাতি জ্বালানো হয়, মূর্তি কিংবা ভাস্কর্যের গলায় ফুলের মালা পরানো হয়। তারপর তাদের স্মরণে অথবা প্রশংসায় সংগীত পরিবেশিত হয়, কখনো শিল্পীর দ্বারা কখনো সকলেই খালি গলায়, কখনোবা হাতে হাত রেখে মৌন নিরবতায় স্মরণে এবং অবশেষে আরো নানা কায়দায় সমাপ্ত হয় এই বিনয় প্রদশর্ন, ভক্তি প্রদর্শন, শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও ভালবাসা প্রদশর্ন। পরন্তু দিনে দিনে আরো অভিনব কায়দা উদ্ভাবনের গবেষণা চলছে রীতিমত। একদিন হয়ত তা সিজদায় গিয়ে ঠেকতে পারে (নাউযুবিল্লাহ্)!
বলে রাখা জরুরী যে, আরবী ইবাদাত শব্দটি ইসলামী পরিভাষায় যে অর্থ প্রকাশ করে থাকে তা মূলতঃ এ তিনটি বিষয়ের সমাহার- পরিপূর্ণ বিনয়, পরিপূর্ণ ভক্তি-শ্রদ্ধা ও পরিপূর্ণ ভালবাসা।
কি পার্থক্য থাকলো তাহলে হিন্দুধর্মের মূর্তিপূজার সাথে এসব ভাস্কর্য আর মূর্তির প্রতি সম্মাননা প্রদর্শনের মধ্যে? এর বিচারের ভার বিজ্ঞ পাঠকের উপরই ন্যস্ত করলাম।
এতদূর বিস্তারনের পর যে আকুল আবেদনে ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে এ লেখকের মত মুসলিম বাংলার আরো বহু ব্যথিত অন্তর থেকে তাহলো, একটি বারের জন্যেও কি ভেবে দেখবেন না যে, আপনি একজন মুসলমান হয়ে কি করে এসব করে যাচ্ছেন? আপনি আপনার অন্তরে যে বিশ্বাস লালন করছেন, যে বিশ্বাসের আলোকে আপনি আপনার পরিচয় পেশ করছেন মানুষের কাছে যে-আপনি একজন মুসলমান-আপনার সে বিশ্বাসের সাথে এহেন গর্হিত মূর্তি নির্মাণ ও সেসবের পূজার মধ্যে সংঘর্ষ কতটা প্রবল! কখন সময় হবে আপনাদের এসব ভাবনার? কখন আপনাদের ঘুম ভাঙ্গবে? কখন এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মোহময় জাল ছিঁড়বে? এসবের জন্য কারা মরিয়া হয়ে উঠছে; সে কথা কি কখনো ভেবেছেন? যারা এদেশে নাস্তিক মুরতাদ হিসেবে স্বঘোষিত, তাদেরকেই সবচেয়ে বেশী তৎপর দেখবেন এসব মূর্তির হেফাযতে এবং সেসবের পূজার ক্ষেত্রে নানা কৌশল বের করে করে শেষ পর্যন্ত হিন্দুধর্মের মূর্তিপূজা পর্যন্ত পৌঁছানোতে।
বলতে পারেন, হিন্দুধর্মকে কেন টানছেন? এর জবাবে আবারো স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, পৃথিবী ব্যাপী এখন চলছে সংস্কৃতির লড়াই। এবং তা চলছে ইসলামী সংস্কৃতির সাথে অন্য সকল সম্মিলিত সংস্কৃতির। কুফরী শক্তি পরস্পর এ বিষয়ে একমত যে, ইসলাম ও মুসলমানদের নিষানা দুনিয়া থেকে মুছে ফেলতে হবে। আর সে পন্থা পূর্বেকার মত হত্যা করে নয়; বরং তা হবে পরিবর্তনের মাধ্যমে -এটাই তাদের পরিকল্পনা। তাই আপনি যতদিন নামায পড়বেন, ততদিন আপনার ম্যধে ইসলামী চেতনা অবশিষ্ট থাকবে, যখনি নামায ত্যাগ করে সাংস্কৃতিক উন্নয়নের নামে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হবেন, তখন আর আপনার মধ্যে ইসলামী চেতনা বেঁচে থাকবে না। তাই আপনার ভেতরকার ইসলামী চেতনাকে ধ্বংস করে দিতে পারলে আর আপনার দেহটিকে ধ্বংস করে শুধু হন্তারক সাজার কি প্রয়োজন? সংস্কৃতির এ যুদ্ধে একজন মুসলমানের সত্যিকারের মুসলিম হিসেবে বেঁচে থাকা নির্ভর করছে তার ইসলামী চেতনাবোধ বেঁচে থাকার উপর। সেটিকে দুর্বল করতে পারলে কিংবা সেটির মৃত্যু ঘটাতে পারলেই আপনাকে শত্রুরা মৃতের তালিকায় উঠিয়ে দিতে পারবেন নিশ্চিন্তে। কিন্তু তা কি এতই সহজ? না। কারণ, সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে শত্রুরা শিখেছে যে, ইসলামের বীজ মুসলমানদের অন্তরের এতটাই গভীরে প্রোত্থিত থাকে যে, মৃত্যুও মুসলমানদের অন্তর থেকে তা উপড়ে ফেলতে পারে না!
সুতরাং আপনাকে আর হত্যা করে নয়; বরং আপনার ইসলামী চেতনাবোধকে হত্যা করেই আপনাকে পরাজিত করা এ যুদ্ধের রণকৌশল। তাই বাংলাদেশের মত একটি দেশের পটভূমিতে সংস্কৃতির বিপর্যয় ঘটানো যতটা সম্ভব তার প্রতিবেশীদের থেকে, প্রতিবেশীদের দ্বারা; ঠিক ততটাই অসম্ভব ও সুদূর পশ্চিম থেকে আটলান্টিক-প্রশান্ত পাড়ি দিয়ে নিয়ে আসা সংস্কৃতি থেকে, সংস্কৃতি দ্বারা। এ কৌশলের আলামত খুঁজলে দেখবেন যে, নাস্তিক-মুরতাদগুলো সর্বদা ধর্মের বিরোধিতা করে কিন্তু এ অঞ্চলে ইসলামের বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মের ওকালতি করে। ইসলামের মোকাবেলায় তারা হিন্দু ধর্মকে অব্যর্থ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতিবেশীদেরও বুঝা উচিত এ বিষয়টি। পরন্তু পাশ্চাত্য সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার যত ধরনের কায়দা কানুন রয়েছে, সেগুলো তো আমাদের 'মহান সেবক সংস্থাগুলো' (!) (যারা স্ত্রীর ঋণের দায়ে স্বামীকে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে আমাদের সেবা করে যাচ্ছেন; তারা) খুবই নিষ্ঠার সাথে আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।
তাই সর্বশেষে বলতে চাইছি যে, বর্তমানে বিমানবন্দর এলাকা থেকে লালন শাহর মূর্তি সরানোটা যদি চাপের মুখে হয়ে থাকে, তবে চাপ সৃষ্টি করা সেসব মুসলমানদেরকে আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম জানানো উচিত এবং জানানো উচিত অভিনন্দন। আর যদি সরকার হাজ্জীদের বিষয়টি লক্ষ্য করে সরিয়ে থাকেন তবে সরকারকে এহেন মহতি উদ্যোগের জন্য এদেশের প্রায় তের কোটি মুসলমানের পক্ষ থেকে অভিনন্দন। এবং এ মুহূর্তে তৌহিদী জনতার জোর দাবী এই যে, বাংলাদেশের মত একটি বৃহৎ মুসলিম দেশে পর্যায়ক্রমে যে হারে মূর্তি নির্মাণ ও স্মরণ-সম্মানের নামে সেসবের পূজা করা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সরকারে উচিত আইন করে তার প্রতিরোধ করা। অন্যথা তৌহিদী জনতা যদি লালনের মূর্তির মত অন্যান্য মূর্তিগুলোর গলায় দড়ি দিয়ে টেনে হিঁচড়ে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে, তবে সেজন্য সরকারই দায়ী থাকবে; এ দেশের তৌহিদী জনতা নয়।
ইসলামের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বলেছিলেন: "আমি পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছি মূর্তি ধ্বংসের জন্য।" তিনি যখন মদীনায় হিজরতের পরিকল্পনা করছেন, তখন তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহুকে পাঠিয়ে মদীনার সকল উঁচু কবরগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন; যা কবর পূজার অন্তর্ভুক্ত। সর্বোপরি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কা'বা শরীফে প্রবেশ করে তাঁর হাতের লাঠির আঘাতে কাবাভ্যন্তরের ৩৬০ মূর্তিকে একটি একটি করে ভেঙ্গে ফেলছিলেন আর বলছিলেন যে, جَاء الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقاً "সত্য সমাগত এবং মিথ্যা বিতাড়িত, নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হবারই ছিল।" [সূরা আল-ইসরা: ৮১] সেদিন থেকে পবিত্র কা'বা শরীফ থেকে চিরতরে মূর্তি বিতাড়িত হয়েছিল।
প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মাত হিসেবে বাংলাদেশের শাসক গোষ্ঠী এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি আহ্বান করছি- আপনারা পৃথিবীর এক দশমাংশ মুসলমানের অভিবাস এই বাংলাদেশ থেকে মূর্তি স্থাপন ও মূর্তি পূজার বিলুপ্তি ঘটান। এটা আপনাদের ঈমানী দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। অন্যথা ঈমানের দাবী আল্লাহর নিকট ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়ে যেতে পারে। আল্লাহ্ এদেশের মুসলমানদের হেফাযত করুন মূর্তিপূজার সংস্কৃতির কবল থেকে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: হিন্দু ধর্মের লোকেরা তাদের ধর্মমত মূর্তিপূজা করবে, তাদের মন্দিরে মূর্তি স্থাপন করবে, তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। এ প্রবন্ধে মুসলিম প্রধান দেশে সামাজিক ভাবে মূর্তি স্থাপন ও মূর্তিপূজা প্রসারের যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, তার প্রতিবাদ করা হয়েছে।
-১৬ অক্টোবর ২০০৮
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।
ছবি: যায়যায়দিন-এর সৌজন্যে। http://www.jaijaidin.com
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, মূর্তি, পূজা, লালন, শাহ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: We are upgrading the site completely and that's why we will be unavailable for next couple of months.
Sorry for the interruption.
- Pechali Admin
কিন্তু কর্তৃপক্ষ কেন আমার পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে?
লেখক বলেছেন: মুকুল-
সরাসরি নিজের নিকেই "গদাম লাথি"?
ভালো, তবে এবার বোধ হয় আপনাদের জানিয়ে দেয়া উচিত লিখিতভাবে যে, ইসলাম কোন সন্নাসবাদী ধর্ম নয়, অথবা নয় কেবলমাত্র অন্যান্য ধর্মের মত কোন ধর্ম মাত্র। এটি একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা।
এখানে এই জীবন ব্যবস্থাকে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমৃত্যু সর্বান্তঃকরণ সাধনা বা জিহাদকে ফরয করা হয়েছে। সুতরাং এখানে এই ধর্মের অনুসারীরা রীতিমত জিহাদের মাধ্যমে শাহাদাতের জন্য প্রার্থনা করে থাকে। অর্থাৎ, আল্লাহর পথে মৃত্যুর জন্য যারা প্রার্থনা করে সকালসন্ধ্যা, তাদেরকে দেখাচ্ছে 'গদাম লাত্থি'র ভয়! হাস্যকর শোনালো।
খাতায় লিখে রাখুন, যে একটি 'গদাম লাত্থি'র বিনিময় পাবেন দু'টি, আর দু'টির বদলে চারটি। কেননা, আমাদেরকে বিজয় লাভ করতেই হবে অন্যথা আমরা শাহাদাতকে পছন্দ করে থাকি। আশা করছি মনে রাখবেন।
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
মূর্তি সরাইলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনারে আঘাত করা হয়। ব্লগে আইসা জানলাম আইজকা। কেম্নে কি?
লেখক বলেছেন: হ, আমাদের দেশের নাস্তিক আর আওয়ামীলীগের পিঠ বাঁচানোর জন্য এক অব্যর্থ ঢাল হলো মুক্তিযুদ্ধ। কেউ যুক্তি নিয়ে তেড়ে আসলেই মুক্তিযুদ্ধকে সামনে এনে ধরে। এটাকেই বলে চেতনার ব্যবসা।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
শালার সব মুর্তি ভাইঙ্গা ফালানো উচিত। কি যে সব বেশরীয়তি কাজ কাম শুরু হইলো এই ইছলামি দেশটায়। একমাত্র জামাত আর হিজবুত তাহরীরই পারে এই দেশটারে রক্ষা করতে।
লেখক বলেছেন: কাক ভুষুন্ডি-
আপনি এই দুর্দান্ত সত্য কথাটি ঠাট্টার ছলে বলে দিলেন?
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:একমাত্র জামাত আর হিজবুত তাহরীরই পারে এই দেশটারে রক্ষা করতে।
মনের কথা কইসেন।
লেখক বলেছেন: অরণ্যচারী-
হাঁ, ষ্টিকী করা হোক! কেননা, মূর্তির পক্ষ বিপক্ষে ভোটাভুটি করলে সারা বাংলাদেশের হিন্দু ও অন্যান্য মূর্তি পূজারী জাতি ছাড়া এগার দলের নয় জন জাতীয় কিছু নাস্তিকই পাওয়া যাবে না মূর্তির পক্ষে। সামহোয়্যারইন ব্লগ তো বহুদিন থেকেই "এ-তীম"দের মুখবন্ধ হয়ে কাজ করছে। সুতরাং তারা এ পোষ্ট ষ্টিকি করবে কেন?
কাক ভুষুন্ডিরে বলেছিলাম-
আপনি এই দুর্দান্ত সত্য কথাটি ঠাট্টার ছলে বলে দিলেন?
লেখক বলেছেন: রুবেল শাহ-
পুরো পোষ্ট পড়েও বুঝি মূর্তি স্থাপন ও মূর্তি অপসারণের ব্যাপারগুলোকে আপনার ধর্মীয় মনে হয়নি?
তাহলে আপনি কি বুঝেছেন, সেটা যদি এখানে বা একটা পোষ্টে জানাতেন...।
আমার জন্য লেখা বলেছেন:
গদাম লাত্থি
লেখক বলেছেন: কপিপেস্ট-
লেখক বলেছেন: আমার জন্য লেখা (মুকুল-এর জন্য লেখা হয়েছিল পূর্বের এক মন্তব্যে)
সরাসরি নিজের নিকেই "গদাম লাথি"?
ভালো, তবে এবার বোধ হয় আপনাদের জানিয়ে দেয়া উচিত লিখিতভাবে যে, ইসলাম কোন সন্নাসবাদী ধর্ম নয়, অথবা নয় কেবলমাত্র অন্যান্য ধর্মের মত কোন ধর্ম মাত্র। এটি একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা।
এখানে এই জীবন ব্যবস্থাকে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমৃত্যু সর্বান্তঃকরণ সাধনা বা জিহাদকে ফরয করা হয়েছে। সুতরাং এখানে এই ধর্মের অনুসারীরা রীতিমত জিহাদের মাধ্যমে শাহাদাতের জন্য প্রার্থনা করে থাকে। অর্থাৎ, আল্লাহর পথে মৃত্যুর জন্য যারা প্রার্থনা করে সকালসন্ধ্যা, তাদেরকে দেখাচ্ছে 'গদাম লাত্থি'র ভয়! হাস্যকর শোনালো।
খাতায় লিখে রাখুন, যে একটি 'গদাম লাত্থি'র বিনিময় পাবেন দু'টি, আর দু'টির বদলে চারটি। কেননা, আমাদেরকে বিজয় লাভ করতেই হবে অন্যথা আমরা শাহাদাতকে পছন্দ করে থাকি। আশা করছি মনে রাখবেন।
নাভদ বলেছেন:
কিন্তু কর্তৃপক্ষ কেন আমার পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে?
------------------------------------------------------------
সমস্যা কি আপনার অন্য নিকগুলো ব্যবহার করতে পারেন...
লেখক বলেছেন: নিয়মিত ভিজিট করতে ভুলবেন না যেন-
ফজলে এলাহি - http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazalblog
ফজল - http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog
দৃষ্টির ছায়া - http://www.somewhereinblog.net/blog/dchayablog
![]()
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন:
কঠিন দ্বিমত/
লেখক বলেছেন: পোষণ করবেন না কেন?
কোট করছি-
"তাই দেখবেন নাস্তিক-মুরতাদগুলো সর্বদা ধর্মের বিরোধিতা করে কিন্তু হিন্দু ধর্মের ওকালতি করে। ইসলামের মোকাবেলায় তারা হিন্দু ধর্মকে অব্যর্থ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতিবেশীদেরও বুঝা উচিত এ বিষয়টি। পরন্তু পাশ্চাত্য সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার যত ধরনের কায়দা কানুন রয়েছে, সেগুলোতে আমাদের 'মহান সেবক সংস্থাগুলো' (!) (যারা স্ত্রীর ঋণের দায়ে স্বামীকে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে আমাদের সেবা করে যাচ্ছেন); তারা খুবই নিষ্ঠার সাথে আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।"
রাতমজুর বলেছেন:
ফজা মিয়া, স্যরি, দেরি হৈল আসতে, কইস্যা মাইনাস।
লেখক বলেছেন: রাতমজুর- (নামবিকৃতি করে ডাকা আমার আদর্শে নেই)
অসুবিধা নেই; যুক্তি-প্রমাণে হেরে যাওয়াদের মন্তব্য এমনি হয়ে থাকে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মুর্তি দেখলেই যার ঈমান খসে পরে সেই ঈমানের দুই পয়সার দাম নাই আল্লাহর কাছে। ওই সব মোল্লাদের পাছায় কষে চাবকানো দরকার। এয়ারপোর্টে ঘুষ খাইলে ঈমানে আঘাত হানে না কিন্তু ভাস্কর্যে ঈমান নস্ট হয়ে যায়। যত্ত সব ফালতু কাজ।
লেখক বলেছেন: উরিব্বাস! পোষ্ট পড়ে এটুকু ধরতে পারলেন? ধন্যবাদ।
তবে এখন আপনার নিকট থেকে জানতে ইচ্ছে করছে যে, ঠিক কি কি পর্যায়ে ঈমান সবচেয়ে দ্রুত খসে পড়ে আর কোন কোন বিষয় মোটেও খসে না; একটু বিস্তারিত জানাবেন কি?
ঘুষ একটি সামাজিক অপরাধ; যা বেশী হলে চুরি, রাহাজানির সমান অপরাধ এবং সে পরিমাণ শাস্তি। কম বলছি না, অপরাধের পরিমাণ বুঝাচ্ছি।
আর মূর্তি নির্মাণ, সেসবকে স্থাপন, সেসবে ফুল দেয়া, মালা পরানো, সেসবের সামনে স্তুতি সংগীত গাওয়া ইত্যাদি মূর্তিপূজার সমতুল্য এবং ধীরে ধীরে মানুষকে মূর্তিপূজায় আসক্ত করে; যা শির্ক। সেদিন একটি হাদীসে পড়লাম যেখানে বলা হয়েছে: আল্লাহর কোন বান্দা যদি পৃথিবী সমান পাপরাশি নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করে আর শুধুমাত্র একটি বিষয় যে, সে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক স্থাপন করেনি; তবে আল্লাহ্ পৃথিবী সমান ক্ষমা নিয়ে সে বান্দার সাথে সাক্ষাত করবেন। সোবহান আল্লাহ্! চিন্তা করে দেখুন ভাই, মূর্তি নির্মাণ ও সেসবের যত্রতত্র স্থাপনকে যদি আমরা মুসলমান হয়ে বাধা না দেই তবে আমাদের ভবিষ্যত কি পরিমাণ ভয়াবহতার দিকে যাবে সেদিকটি কি চিন্তা করেছেন? আল্লাহ্ তৌফিক দিন।
লেখক বলেছেন: ওহ্ হাঁ, মন্তব্যের জবাবে শুরুর কথাগুলো ধর্তব্যে আনবেন না, আপনার কথার স্টাইলে বলে ফেলেছি।
লেখক বলেছেন: সরপ-
আপনার পোষ্টখানা পড়েছি, ধন্যবাদ আপনার পোষ্টের জন্য এবং এখানে মন্তব্য প্রদানের জন্য।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
লেখক: খাতায় লিখে রাখুন, যে একটি 'গদাম লাত্থি'র বিনিময় পাবেন দু'টি, আর দু'টির বদলে চারটি।
=====================
আচ্ছা এই দুটি বা চারটি লাথি কখন দেয়া হবে, রগ কেটে দেয়ার আগে না পরে?
লেখক বলেছেন: সেলটিক সাগর-
লাশের উপর উল্লাস করা তো আওয়ামী ঐতিহ্য যা তারা ২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর সারা বিশ্বকে দেখিয়েছিল। আর ইসলাম দেখিয়েছে যে, ব্যক্তিগত ক্রোধ হলে যুদ্ধের ময়দানে চরম শত্রুকে তলোয়ারের নিচে পেয়েও ছেড়ে দিতে হয়। এ শিক্ষা বদর যুদ্ধে আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু মুসলিম উম্মাহর জন্য দিয়ে গেছেন। কেননা, ইসলামে লড়াই, যুদ্ধ এসব তো কেবলমাত্র আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যই; কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কারণে নয়। আজো এ ময়দানে ময়দানে এ আদর্শের প্রমাণ মেলে।
রবিন৭৫৭ বলেছেন:
জামাত নেতারা যখন বেগানা খালেদার সাথে মিটিং করে তখন ইসলাম কই থাকে?
লেখক বলেছেন: নিচের লেখাগুলোতে ঘুষের পরিবর্তে "বেগানা" জুড়ে দিয়ে পড়ে নিন। কপি পেস্ট-
"ঘুষ একটি সামাজিক অপরাধ; যা বেশী হলে চুরি, রাহাজানির সমান অপরাধ এবং সে পরিমাণ শাস্তি। কম বলছি না, অপরাধের পরিমাণ বুঝাচ্ছি।
আর মূর্তি নির্মাণ, সেসবকে স্থাপন, সেসবে ফুল দেয়া, মালা পরানো, সেসবের সামনে স্তুতি সংগীত গাওয়া ইত্যাদি মূর্তিপূজার সমতুল্য এবং ধীরে ধীরে মানুষকে মূর্তিপূজায় আসক্ত করে; যা শির্ক। সেদিন একটি হাদীসে পড়লাম যেখানে বলা হয়েছে: আল্লাহর কোন বান্দা যদি পৃথিবী সমান পাপরাশি নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করে আর শুধুমাত্র একটি বিষয় যে, সে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক স্থাপন করেনি; তবে আল্লাহ্ পৃথিবী সমান ক্ষমা নিয়ে সে বান্দার সাথে সাক্ষাত করবেন। সোবহান আল্লাহ্! চিন্তা করে দেখুন ভাই, মূর্তি নির্মাণ ও সেসবের যত্রতত্র স্থাপনকে যদি আমরা মুসলমান হয়ে বাধা না দেই তবে আমাদের ভবিষ্যত কি পরিমাণ ভয়াবহতার দিকে যাবে সেদিকটি কি চিন্তা করেছেন? আল্লাহ্ তৌফিক দিন।"
দস্যু বনহুর বলেছেন:
তো ঢাকা শহরের অন্যান্য ভাষ্কর্যগুলোর (আপনাদের ভাষায় মূর্ত্তি) বিষয়ে কি বলেন? ওগুলো কি থাকা উচিৎ?
লেখক বলেছেন: ভাষ্কর্যের নামে যত মূর্তি নির্মিত হয়েছে সবগুলোর ব্যাপারেই আমার সমান মত। নিচের অংশটুকু পোষ্ট থেকে কোট করলাম, দেখে নিন আবারো-
"তিন) বিভিন্ন আবেগ-অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত করা: এই পর্যায়ে এসে কাকের বাসায় কোকিল ডিম পেড়ে উত্তরাধিকার অর্জনের মত অবস্থা। খাজা বাবা কখনো বলে যাননি যে, তার কবরের উপর বিশাল প্রাসাদ নির্মাণ করা হোক, বলেননি সড়ক পরিবহনের মোড়ে মোড়ে ডেকচি বসানো হোক, লালন শাহ্ জীবিতাবস্থায় কখনো বলে যাননি যে, তার জন্য মূর্তি নির্মাণ করা হোক, বলে যাননি শেখ মুজিব কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারাও; তবে কেন ভাস্কর্যের নামে তাদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে মূর্তি? তাদেরও ছিল ধর্ম বিশ্বাস। তারা যদি মূর্তিপূজারী ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে থাকে এবং মূর্তিপূজারীরা যদি তাদের মূর্তি বানিয়ে থাকে তবে সেটা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ব্যাপার, সে ব্যাপারে কথা নেই। কিন্তু মুসলিম নেতা, মুসলিম দরবেশ কিংবা মুসলিম বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে কেন অপমানিত করা হচ্ছে তাদের মুর্তি নির্মাণ করার মাধ্যমে। তাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী তো এসবের মাধ্যমে তাদের পরকালীন জীবনকে তাদের উত্তরসূরীরা আরো অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে! যার প্রমাণ, কেয়ামতের কঠিন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য মানুষেরা যখন বিভিন্ন নবীদের কাছে যাবেন, তখন ঈসা আলাইহিস্ সালাম জবাব দেবেন এই বলে যে, আমাকে পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নেয়ার পর আমার উম্মতেরা আমাকে আল্লাহর পুত্র বানিয়ে বসেছিল, তাই তা নিয়ে আমি নিজেই শংকিত যে আল্লাহ্ সে কারণে আমার সাথে কি ব্যবহার করেন! [হাদীস থেকে]।"
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
সময় নস্ট করার বেশী ইচ্ছা নাই। খালি একটা ব্যাপারে একটু খটকা আছে, ক্লিয়ার হইতে পারলে সুবিধা হয়। আশা করি আল্লাহ প্রদত্ত বিবেক-বুদ্ধি আর নিজের জ্ঞান কিছুটা ব্যবহার করবেন।একটি মানুষের ছবি আর তার মূর্তির মধ্যে পার্থক্য কি? এদের মধ্যে কোনটার প্রদর্শনে কি সমস্যা আছে? থাকলে কেন?
লেখক বলেছেন: আছহাবুল ইয়ামিন-
ভাই ডানপন্থী ভালো কথা সময় নষ্ট করতে চান না, কিন্তু যে প্রশ্ন করে বসেছেন, তার উত্তরে তো অনেক সময়ের প্রয়োজন। কি করবেন এখন?
তাছাড়া এতো এতো জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক নিয়ে এসব প্রশ্নের সমস্যায় ভুগছেন কেন?
নষ্ট(?) করার মত সময় বের করে বলবেন, তখন জবাব দেয়ার চেষ্টা করবো।
রাতমজুর বলেছেন:
রগকাটা জায়েজ আছে? আপনেরা রগ কাটেন ক্যান? ছবি তুলাও তো নিষেধ, আপনে ছবি তুইলা এইখানে লাগাইছেন ক্যান?
লেখক বলেছেন: রাতমজুর-
প্রশ্ন আপনি করলেন আবার উত্তরও আপনিই দিলেন। আমার কি করণীয়?
রগকাটার ব্যাপারটি তো আপনাদের বানানো একটা ফিকশন। সবাই বলে যে শুনেছে
। তো আপনার রগকাটা ফতাওয়া দেখে আর 'ছবি তুলা' নিয়ে ফাতাওয়া দেয়ার নমুনা দেখে আমারো জানতে ইচ্ছে করছে আপনার কাছ থেকে যে, লগি-বৈঠা দিয়ে সাপের মত পিটিয়ে মানুষ হত্যা করা কি জায়েয আছে? আপনেরা লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করেন ক্যান?
ছবি তোলার ফাতাওয়া জানার আগ্রহে মন্তব্য দেননি আপনি; যা আপনার মন্তব্য থেকেই বুঝা যাচ্ছে। আরো কিছু মূর্খকে কাল দেখলাম বলছে যে, "আগে বলে ছবি তোলা হারাম, পরে হজ্জে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়াতে বলে হালাল"।
ইসলামের বিধিবিধান নির্ণয় করা সম্পর্কে প্রাথমিক পর্যায়ের ছাত্রেরও রুচি হবে না এ ধরনের মূর্খতার জবাব দেয়ার জন্য। ব্লগ তো, তার যেমন ইচ্ছে লিখে যেতে পারে এখানে। তাই গুরুজনেরা উপদেশ দেন- এগুলোতে সময় নষ্ট করো না, ট্রাই করছি।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
কাবা শরিফের মত একটা স্থাপনা কে কেন্দ্র করে ধর্মাচার পালনের রীতিকে কি মূর্তি পূজার সমান বলা যায়না ?
লেখক বলেছেন: . . . এখনো খুঁজি-
না যায় না।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
"আর মূর্তি নির্মাণ, সেসবকে স্থাপন, সেসবে ফুল দেয়া, মালা পরানো, সেসবের সামনে স্তুতি সংগীত গাওয়া ইত্যাদি মূর্তিপূজার সমতুল্য এবং ধীরে ধীরে মানুষকে মূর্তিপূজায় আসক্ত করে; যা শির্ক।"কাবার গায়ে দামী কাপড় চড়ানো কি একই লেভেলের কাজ না?
আল্লারে তো মনের ভেতর অনুভব করতে হয়। সেটাকে মূর্ত করে তোলার জন্য মানুষের তৈরী একটা স্থাপনার চার পাশে নিয়ম করে ঘোরাটা কি শির্ক?
লেখক বলেছেন: . . . এখনো খুঁজি-
আপনার মন্তব্যে আমি জানার একটা আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি বলে জবাব দিচ্ছি-
আপনিই বলেন, জামা গায়ে দেয়া আর ফুলের মালা পরা কি এক হলো? জামা কেন গায়ে দেয়া হয়? শরীরকে তাপ, ঠান্ডা, ময়লা, অন্যান্য কিছু থেকে সুরক্ষা করার জন্য। আর ফুলের মালা? তা কাউকে সম্মান দেখানোর জন্য পরানো হয়। সহজ উত্তর।
কাবাকে বলা হয়েছে আল্লাহর ঘর; যা বিশেষ, পৃথিবীর শুরু থেকেই নির্ধারিত ছিল এবং আছে। তেমনি পৃথিবীর প্রতিটি মসজিদও আল্লাহর ঘর। কা'বার তুলনা যদি করতে চান তবে এভাবে হতে পারে যে, মুসলমানগণ তাদের প্রভু মানেন একমাত্র আল্লাহকে আর তাঁর ঘর হলো কা'বা ও সারা পৃথিবীর সকল মসজিদ। তেমনি হিন্দুরা তাদের মূর্তিগুলোকে তাদের প্রভু মানে যাদের জন্য তারা ঘর নির্মাণ করে থাকে, যেগুলোকে আমরা মন্দির হিসেবে চিনে থাকি। এখন আপনিই বলুন, মূর্তি আর মন্দির কি এক হলো? হিন্দুরা কি মন্দিরের পূজা করে না কি মূর্তির পূজা করে? অবশ্যই মূর্তির পূজা করে; মন্দিরের নয়।
তাহলে মুসলমানরাও কোনভাবেই কা'বা শরীফের পূজা করে না; বরং কা'বা যাঁর ঘর, সেই অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করে।
এবার আসুন দেখি, কা'বায় কি করা হয়। মুসলমান প্রথম কা'বা ঘরের সীমানায় গিয়ে আল্লাহর জন্য তাওয়াফ বা চক্কর দিতে থাকে কা'বাকে ঘিরে। তারপর দু'রাকাত নামায আদায় করে তাও সেই মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদার মাধ্যমে। তারপর সাফা-মারওয়া সায়ী বা দৌড়ানোর পর চুল কেটে উমরাহর কাজ সমাপ্ত করে। এখানে কা'বার উপর ফুল ছিটানো হয় না, কাবার জন্য বেদী নির্মাণ করা হয়নি, সেখানে ঘন্টা বাজানো হয় না; বরং আযান দেয়া হয়। সর্বোপরি কা'বায় যাকিছু করা হয় তার সবটুকুই সেই অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য; কা'বা এখানে সেই আল্লাহর ঘোষিত ঘর বলে সেটাকে কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে যা বিশ্বের সকল মুসলমানের কিবলা।
আরো অনেক কথা বলার থাকলেও জুম'আ নিকটবর্তী হওয়াতে যেতে হচ্ছে। এটুকুতেই আশা করছি বুঝার কথা যে, কা'বা ও সকল মসজিদসমূহ বা আল্লাহর ঘরগুলোকে আর মন্দির বা হিন্দু দেবতাদের ঘরকে এক পর্যায়ের বলা যেতে পারে; কোন অবস্থাতেই কা'বাকে মূর্তির সাথে তুলনা করা যেতে পারে না।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আমার ব্লগটিকে ইতরপ্রাণী মুক্ত করার কাজ করছি....।
সরপ বলেছেন:
ওদের সবকটিকে ব্লক করে দেন।
লেখক বলেছেন: জি, উপরে ঘোষণা দিয়ে সেটাই করেছি। এগুলো আমার জানা আছে অনেক আগে থেকেই। এতীমের প্রতিটি নড়াচড়াই বুঝার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিন্তু সময়ের অভাবে এদের দাঁত ভাঙ্গার ব্যবস্থা করতে পারছি না। ভাইদের নিরবতাও কষ্ট দেয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
গিফার বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ + রেটিংয়ের জন্য @গিফার
মানুষ বলেছেন:
আপনাকে কিছু বলে আর লাভা নাই
লেখক বলেছেন: মানুষ-
এটুকু বুঝার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
স্টিংরে বলেছেন:
ফজলের কথায় যুক্তি আছে। যদি কেউ ইসলাম মানেন, তাইলে এই পোস্টে প্লাস ই দেওয়া উচিত। প্লাস।
লেখক বলেছেন: স্টিংরে-
ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং একটি যথার্থ মন্তব্য প্রদানের জন্য। এ ব্লগে অধিকাংশই কিংবা গুটিকতক অনেকগুলো নিকে শুধুমাত্র চিৎকার করতে পারে।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
স্টিংরে বলেছেন: ফজলের কথায় যুক্তি আছে। যদি কেউ ইসলাম মানেন, তাইলে এই পোস্টে প্লাস ই দেওয়া উচিত। প্লাস।
লেখক বলেছেন: বিমা-
স্টিংরে এর কথায় সহমত হলে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আবু সালেহ-
সে কথা বলতে গেলেই তো নাস্তিকগুলোর কাছে ধর্মান্ধ হয়ে যাবেন আপনি। লালন সুফী জগতের মানুষ, ইসলামের মৌলিকতার সাথে তার দর্শনের সংঘাত অনেক। কিন্তু সে তো মুসলিম জনগোষ্ঠীর একজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন, হিন্দু ধর্মের কোন পূজ্য দেবতা ছিলেন না। তবে কেন তার মূর্তি নির্মিত হবে? ঠিক একই কায়দায় আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দের এবং মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণার্থে তাদের মূর্তি নির্মাণ সেসব মৃত মানুষদের প্রতি বিরাট অন্যায়, অমার্জনীয় জুলুম। এর প্রতিবাদ করা উচিত, এসবকে প্রতিহত করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। এবং অন্ততঃ সেসব মুসলিম পরিবারে দায়িত্ব যাদের পূর্বসূরীদের মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। কেননা, তাদের পরকালীন একটি জীবন রয়েছে, সেদিকটা ভাবা দরকার।
এক্সবিজনেস বলেছেন:
আচ্ছা হজ্ব করে ফিরে আসার সময় প্রায় প্রতিজন হাজী কাবার রেপ্লিকা নিয়ে ফেরেন । সেগুলোকে পরম যত্নে যার যার ঘরের বিশেষ জায়গায় স্থাপন করেন । পরম আদরে সেগুলোকে ধোয়া মোছাও করেন । এক দৃষ্টিতে কি এসব শিরক নয় ?
লেখক বলেছেন: কপিপেস্ট-
"ফজলে এলাহি বলেছেন: এক্সবিজনেস-
বিরাট মাওলানা তো দেখছি আপনি ভাই!
বলেছেন- "এক দৃষ্টিতে কি এসব শিরক নয় ?"
কোন দৃষ্টিতে শিরক জনাব? একটু ব্যাখ্য করে বুঝাবেন? জানার বড়ই খায়েশ হয়েছে। "
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
“জামা গায়ে দেয়া আর ফুলের মালা পরা কি এক হলো? জামা কেন গায়ে দেয়া হয়? শরীরকে তাপ, ঠান্ডা, ময়লা, অন্যান্য কিছু থেকে সুরক্ষা করার জন্য। আর ফুলের মালা? তা কাউকে সম্মান দেখানোর জন্য পরানো হয়।“কাবাকে তাপ, ঠান্ডা, ময়লা, অন্যান্য কিছু থেকে সুরক্ষা করার জন্য না হয় দামী কাপড় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাতে যে সোনা ব্যবহার করা হয় সেটা কি অলংকৃত করা নয় - ফুলের মালার মত?
“এখন আপনিই বলুন, মূর্তি আর মন্দির কি এক হলো? হিন্দুরা কি মন্দিরের পূজা করে না কি মূর্তির পূজা করে? অবশ্যই মূর্তির পূজা করে; মন্দিরের নয়।“
হিন্দুরা মন্দিরের ভেতরে থাকা মূর্তির পূজা করে। সেটার সাথে হজ্জ্বের তুলনা দিয়ে কি আপনি বলতে চাচ্ছেন যে কাবার ভেতরে স্বয়ং আল্লাহ বা তার মূর্তি থাকে?
“বরং কা'বা যাঁর ঘর, সেই অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করে।“
পুরো বিশ্বই তো আল্লাহর। অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করার জন্য কোন একটা ঘরের স্মরণ হতে হচ্ছে কেন?
“"আর মূর্তি নির্মাণ, সেসবকে স্থাপন, সেসবে ফুল দেয়া, মালা পরানো, সেসবের সামনে স্তুতি সংগীত গাওয়া ইত্যাদি মূর্তিপূজার সমতুল্য”
কাবাতে সোনা খচিত দামী কাপড় চড়ানো হয়। এমনকি বিশেষভাবে সুর করে জানানোও হয় যে আমি উপস্থিত হয়েছি ( “তারপর তাদের স্মরণে সংগীত পরিবেশিত হয়, কখনো শিল্পীর দ্বারা কখনো সকলেই খালি গলায়” - তুলনীয়), নয় কি?
আশা করি আরো সদুত্তর পাব আপনার কাছ থেকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে যতটা আগ্রহ নিয়ে লিখেছিলাম, সেটা এখন আর পাচ্ছি না।
কারণ, আলোচনার জন্যেও একটা মান থাকা চাই।
কা'বা কি মানুষ যে, তার তাপ, ঠাণ্ডা অনুভূতি থাকবে? ওটা তো উদাহরণ দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল, সেটুকুই বুঝতে পারলেন না? না কি বুঝেও গায়ে কাদা মাখার ধান্ধা করছেন?
কা'বাকে তো অবশ্যই ধূলো বালি কিংবা আরেকটু বললে কারুকাজ বৃদ্ধির জন্য গিলাফ পরানো যায়, না কি যায় না? সেটা তো অলংকরণ, আর অলংকরণ করা হচ্ছে কা'বাকে, কাবার ভেতরকার কোন মূর্তিকে নয়।
কা'বার ভেতর কোন মূর্তি নেই, কেননা ইসলাম এসেছে মূর্তি ধ্বংসের জন্য। তাই মক্কা বিজয়ের দিন ইসলামের নবী সাল্লল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে কা'বার ভেতরকার মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন। মুসলমানগণ অদৃশ্য এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহতে বিশ্বাসী।
সর্বশেষ-
"কাবাতে সোনা খচিত দামী কাপড় চড়ানো হয়। এমনকি বিশেষভাবে সুর করে জানানোও হয় যে আমি উপস্থিত হয়েছি ( “তারপর তাদের স্মরণে সংগীত পরিবেশিত হয়, কখনো শিল্পীর দ্বারা কখনো সকলেই খালি গলায়” - তুলনীয়), নয় কি?"
যুক্তির খাতিরে আপনার এই তুলনাকে মেনে নেয়ার পর দেখুন-
এখানে কে কার জন্য জন্য মসজিদ বা ভাষ্কর্য নির্মাণ করলো?
এক পক্ষ তাদের পরম প্রভু আল্লাহর জন্য তাঁরই ঘোষনায় ঘর নির্মাণ করলো এবং সেটিকে ঘিরে বা সেসবের ভেতর সেই অদৃশ্য মহান আল্লাহরই ইবাদাত করছে, তাঁকেই সিজদা করছে।
আর অন্য পক্ষ ঠিক তার মতই একজন/কিছু মানুষের জন্য ভাস্কর্য নির্মাণ করলো, মূর্তি নির্মাণ করলো, তাতে ফুল চড়ালো, বেদীতে প্রসাদের মত ফুলের স্তবক রাখলো, সংগীত পরিবেশন করলো তাতের প্রশংসা, স্তুতিতে।
কি পার্থক্য দাঁড়ালো? আপনার যুক্তিতে যদি দু'টোই ইবাদাত হয়ে থাকে, তবে প্রথম পক্ষ যারা মুসলমান তারা ইবাদাত করলো তাদের প্রতিপালক আল্লাহর।
আর দ্বিতীয় পক্ষ যাদের ইবাদাত করলো তারা তাদের মতই পাপ-পূণ্যের অধিকারী মানুষ। মানুষ হয়ে তারা আরেকদল মানুষের ইবাদাত করতে শুরু করেছে।
কি করছে তাহলে এই দ্বিতীয় পক্ষের মানুষগুলো? সুস্পষ্ট শিরক করছে তারা। যার ভয়াবহ পরিণাম জাহান্নাম।
কি সদুত্তর হলো? কোথায় যেতে প্রস্তুত? আল্লাহর ইবাদাত করে জান্নাতে? না কি নিজেদের মত মানুষের ইবাদাত করে জাহান্নামে!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পক্ষের পরিচ্ছন্ন প্রকাশের জন্য।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
নাভদ, এই পোষ্টের সাথে শিবিরের সম্পর্ক কি?পরাজিত শক্তির প্রকাশ বুঝি এভাবেই হয়?
মন্তব্যটা মুছে দিলাম অসামঞ্জস্যতার কারণে।
নাভদ বলেছেন:
লেখক:
পরাজিত শক্তির প্রকাশ বুঝি এভাবেই হয়?
মন্তব্যটা মুছে দিলাম অসামঞ্জস্যতার কারণে।
==============================
হা হা হা.... ভালোই বলেছেন.... সত্যের সামনে দাড়ানোর শক্তি নাই...
তাই কমেন্ট রাখার সাহস পান না আর হেরে যায় অন্যরা....
মজা তো ...
এভাবে (কমেন্ট মুছে)পালিয়ে গিয়ে তারপর ঘোষনা দিয়ে জিততে থাকেন কোন অসুবিধা নাই....
লেখক বলেছেন: আচ্ছা আপনি কি মনে করেন যে, এই পোষ্ট খালি আপনি আর আমি দেখি, আর কেউ দেখে না?
পোষ্ট হলো লালনের মূর্তি সরানো নিয়ে এবং অন্যান্য সকল মূর্তি সরানোর আহ্বান জানিয়ে। যে কাজটা শিবিরের ছেলেরাও করেনি; করেছে কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা। তাহলে এখানে আপনি শিবির টানছেন কেন?
আপনারা তো ফিকশন রচনা করে করেই ক্লান্ত, সত্য ঘটনা পেয়ে না পোষ্টিয়ে এখানে মরতে আসলেন কেন? আমার জামায়াত সংক্রান্ত পোষ্ট আছে, সেখানে গিয়ে শিবির নিয়ে দিন, কিন্তু এই পোষ্টে কেন?
"এভাবে (কমেন্ট মুছে)পালিয়ে গিয়ে তারপর ঘোষনা দিয়ে জিততে থাকেন "
এটার মানে কি? দুদকের ভাঁড়ামীর মত কি আপনারেও সে রোগে ধরেছে? নিজামী অফিস করলেও দুদকের আইনজীবীরা পলাতক দেখায়, মুজাহিদ উপদেষ্টাদের সাথে সাক্ষাত করে আসলেও ওনাকে পলাতক দেখায়। এটা কি তবে জাতীয় রোগ হয়ে দাঁড়ালো নাকি?
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
আলোচনার মন চলে যাওয়ারই যদি হয় সেতো আমার হওয়ার কথা! যা বললাম তা পাশ কাটিয়ে “খুব বিরক্ত হলাম” টাইপের ভাব তো আপনিই নিলেন! আমি তো কাবাকে মানুষ বলিনি। একথাও বলিনি যে গরমে ঠান্ডায় তার কষ্ট হয় বলে কাপড় দেয়া হয়! আপনার বক্তব্য (জামা কেন গায়ে দেয়া হয়? শরীরকে তাপ, ঠান্ডা, ময়লা, অন্যান্য কিছু থেকে সুরক্ষা করার জন্য। আর ফুলের মালা? তা কাউকে সম্মান দেখানোর জন্য পরানো হয়। সহজ উত্তর।) এর সূত্র ধরেই আপনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম বেদীতে ফুল দেয়া বা ফুলের মালা পরানো যদি শির্ক হয় তাহলে তাহলে কাবাকে সোনা দিয়ে অলংকৃত করাটা ও তো একই রকম হলো। “এক পক্ষ তাদের পরম প্রভু আল্লাহর জন্য তাঁরই ঘোষনায় ঘর নির্মাণ করলো” না না ! নির্মাণ করলো নয়, দখল করলো ! আপনিই সাক্ষ্য দিচ্ছেন “তাই মক্কা বিজয়ের দিন ইসলামের নবী সাল্লল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে কা'বার ভেতরকার মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন।“
“বরং কা'বা যাঁর ঘর, সেই অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করে।“
পুরো বিশ্বই তো আল্লাহর। অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করার জন্য কোন একটা ঘরের শরণ হতে হচ্ছে কেন?
“সেটা তো অলংকরণ, আর অলংকরণ করা হচ্ছে কা'বাকে, কাবার ভেতরকার কোন মূর্তিকে নয়।“
চমৎকার! কাবাতে সোনা চড়াবেন, সেটা শির্ক না কিন্তু ভাষ্কর্য্যে ফুল দিলে সেটা শির্ক ? আজব কুযুক্তি!
সোনা দ্বারা অলংকৃত ভাষ্কর্য্য কাবাকে সামনে রেখে ইবাদত করা হয়, কিন্তু যে টাইপের ভাষ্কর্য্য ভেঙ্গে ফেলায় আপনি সমর্থন দিচ্ছেন, সেরকম ভাষ্কর্য্যে কোনদিন কেউ উপাসনা বা ইবাদত করেনি! শির্ক যে কারা করছে তা বোঝার তৌফিক হোক আপনার।
লেখক বলেছেন: . . . এখনো খুঁজি-
ঠিক নিচের মন্তব্যটা আপনার জন্য ছিল। "জবাব" -এ ক্লিক করে লিখতে ভুলে গেছিলাম।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
কথায় কথায় আজকাল অনেককেই দেখি শির্ক শব্দ ব্যবহার শুরু করেছে। যারা শির্ক শব্দের অর্থ জানেন তাদের কাছে হাস্যকর ঠেকে উদাহরণগুলো।শির্ক অর্থ অংশীবাদ। এক আল্লাহর সাথে সৃষ্টিতে, প্রতিপালনে, সাহায্য প্রার্থনায়, মৃত্যুতে, প্রতিদানের আশায় ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে অন্য কাউকে সে মানে অংশীদার মনে করাই শির্ক।
পোষ্টে মূর্তির নির্মাণ, ফুল দেয়া, বেদীতে স্তবক দেয়া, সংগীত রচনা করা ইত্যাদি সব মিলিয়ে যে কাজগুলো মানুষেরা করে, তা ইবাদাতের শামিল। সুতরাং আপনার কথা মত যদি সব সমানে সমান ধরে নেই, তাহলেও তো আমি কোন পার্থক্য দেখছি না। কেননা, কা'বা নির্মাণ করা ও তার সুরক্ষা করা সেই আল্লাহরই আদেশ যিনি এ ঘরকে তাঁর ঘর হিসেবে ঘোষণা করেছেন। যিনি এ ঘরের দিকে মুখ করে তাঁর ইবাদাত করার আদেশ করেছেন। যিনি নবী পাঠিয়ে এসব বিষয়গুলো মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
সুতরাং শির্কটা কার সাথে? সেটা বুঝতে হবে। অবশ্যই আল্লাহর সাথে। তাহলে আল্লাহ্ বলেছেন মূর্তি পূজা করো না, করলে শির্ক হবে। তেমনি আল্লাহর সমকক্ষ আর কাউকে দাঁড় না করানোর কথা বলেছেন। এখন মানুষ ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণ করে যা করে যাচ্ছে তা আল্লাহর ইবাদাতের মতই। তার মানে দাঁড়াচ্ছে আল্লাহর পরিবর্তে তারা সেসব মানুষকে সে পরিমাণ ভক্তি শ্রদ্ধা তথা ইবাদাত শুরু করেছে, যা করার কথা ছিল আল্লাহর জন্য। তেমনি তাদেরকে বিভিন্নভাবে আল্লাহর সমকক্ষ হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে যা তাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণ হয়।
"পুরো বিশ্বই তো আল্লাহর। অদৃশ্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদাত করার জন্য কোন একটা ঘরের শরণ হতে হচ্ছে কেন?"
পুরো বিশ্ব আল্লাহর, কিন্তু আল্লাহ তাঁর ঘর হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন কা'বাকে ও সমস্ত মসজিদসমূহকে। তাই আল্লাহর আদেশেই কা'বা ঘরের শরণাপন্ন হয়েছে মুসলমানগণ।
"সোনা দ্বারা অলংকৃত ভাষ্কর্য্য কাবাকে সামনে রেখে ইবাদত করা হয়, কিন্তু যে টাইপের ভাষ্কর্য্য ভেঙ্গে ফেলায় আপনি সমর্থন দিচ্ছেন, সেরকম ভাষ্কর্য্যে কোনদিন কেউ উপাসনা বা ইবাদত করেনি! শির্ক যে কারা করছে তা বোঝার তৌফিক হোক আপনার।"
সোনাদ্বারা অলংকৃত কা'বা ভাস্কর্য নয়; একটি ঘর। আশা করছি একথাটি মনে রাখবেন এবং ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কানোর অপচেষ্টা আর করবেন না।
এবং আমি আপনার দো'আয় আমীন বলছি, আল্লাহ্ আমাকে আরো তৌফিক দিন যারা শির্ক করছে তাদেরকে চেনার জন্য এবং যারা মুসলিম সমাজে শির্কে প্রচলন ঘটাচ্ছে তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য।
লেখক বলেছেন: মানুষ ভাই বললেন এখানে না কি আমাদের কিছু বলা হইছে-
"মানুষ বলেছেন: Click This Link
এইখানে ঢুঁ দিয়েন। আপনাদের কিছু বলা হইছে। "
কিন্তু মানুষ ভাইয়ের পোষ্ট পড়ে তো আমার কিছু বলা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে-
"১৫০০ বছর আগে মানুষ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও দর্শনে বহু পিছায় ছিল।"
পিছায়া ছিল মানি, কিন্তু একথাই বা বলবেন কেমন করে যে, তারা বিজ্ঞান প্রযুক্তি জানতো না। পৃথিবীতে বহু জাতি পরিপূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে, যার উদাহরণ কুরআন বহুভাবে পেশ করেছে। এবং সেসবের বাস্তব প্রমাণ আজো বিদ্যমান। উদাহরণ স্বরূপ মিসরের মমি বানানোর প্রক্রিয়া, সুলাইমান আলাইহিস্ সালামের বাতাসের বাহন(যার কোন অবশিষ্টাংশ অবশ্য নেই, তবে কেউ এ ব্যাপারে নিশ্চত বলতে পারেননা যে সেটা হয়তবা আধুনিক উড়োজাহাজের মতই কোন প্রযুক্তি ছিল), মূসা আলাইহিস্ সালামের সময়ে সামেরী স্বর্ণকে গলিয়ে যে গোবৎস বানিয়েছে তাতে প্রমাণ হয় তারাও শিল্পকলায় তখন অনেক সমৃদ্ধ ছিল, কেননা গোবৎসটি বানিয়েছিল সে সিনাই উপত্যকার পথে বা সেখানে থাকাকালীন। বলাবাহুল্য যে, সিনাই উপত্যকা মিসরে তাদের মূল বাসভূমি থেকে অনেক দূরে ছিল তখন। কেননা, ফিরআওনের ভয়ে তারা সেখানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। বলার উদ্দেশ্য এই যে, মরুভূমিতে বসবাস করেও তারা খু স্বল্পসময়ে আগুনে পুড়িয়ে সোনার গোবৎস বানিয়ে তার পূজা করেছিল, তাই তারা যে খুব একটা পিছিয়ে ছিল শিল্পকলায়, তা বলা ঠিক হবে না। এছাড়া মাদায়েনে সালেহ (সউদী আরবে)-এ সালেহ আলাইহিস্ সালামের জাতি পাহাড় কেটে যে ঘরবাড়ী নির্মাণ করেছিল আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই তাতেও উড়িয়ে দেয়া যায় না যে, তাদের কাছে শিল্পকলার ঘাটতি ছিল। তারা সমূলে ধ্বংস হয়েছে সাথে সাথে তাদের শিল্পকলার কৌশল, বিজ্ঞান প্রযুক্তিও পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে।
"ঈশ্বরের সন্ধান করতে করতে মূর্তি পূজার মতো সংস্কৃতি চইলা আসছিল সে সময়টাতে।"
ঈশ্বরকে কিন্তু পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম আলাইহিস সালামও চিনতেন এবং মূর্তিতে সন্ধান না করেই চিনতেন। তাঁর পরবর্তী যুগের মানুষেরাও জানতেন, কিন্তু বিভ্রান্তরা সর্বদা মূর্তিতেই তালাশ করতো। তাই এটাকে সুস্থ সংস্কৃতি না বলে অপসংস্কৃতি বলাই শ্রেয়।
"হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) যা করছিলেন, তৎকালীন সময়ে সেটাকে বিপ্লবই বলা চলে। মূর্তি পূজার মতো হাস্যকর একটা ব্যাপার তিনি বন্ধ কইরা দিছিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ জানাই অন্ধত্ব থেকে আলোর পথ দেখানোর জন্য।"
আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আজ আর কেউ মূর্তি পূজা করে না?
আপনার কথিত "মূর্তি পূজার মতো হাস্যকর একটা ব্যাপার" আপনার প্রতিবেশী হিন্দুরাই যে করছে? যেন সেটা সে সময়েরই বিপ্লব ছিল তার পর থেকে আর তার অবশিষ্ট নেই। বরং সত্য হলো আজো আছে মূর্তিপূজা এবং এখন মুসলমানদের সমাজেও ভাস্কর্যের নামে, স্মরণের নামে সেই মূর্তিপূজার প্রচলন ঘটিয়ে মুসলমানদের ঈমান ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে আর সেসবকে আপনাদের মত ভদ্রলোকেরা "মর্ডাণ" হবার ধোঁয়ায় আড়াল করতে সচেষ্ট রয়েছেন।
"আইজ ১৫০০ বছর পরে আইসা দেখি যে লাউ সেই কদুই হইতেছে ঘুরে ফীরে।"
১৫০০ বছর পর কি মূর্তিপূজা শেষ হয়ে গেছে? যায়নি, উপরে বলেছি এ ব্যাপারে।
"১৫০০ বছর আগের সংবিধান একেবারে সুপার গ্লুর মতো চাইপ্পা ধইরা রাখতে হইবো নইলে নাকি ধর্ম থাকে না।"
বাহঃ কি চমৎকার আপনাদের কথা, হাসতেও শরম লাগতেছে, যদি বোকা বোকা লাগে এই ভয়ে। ১৫০০ বছর আগের সংবিধান বলতে যদি কুরআন বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে আপনিই বলুন ইসলাম হিসেবে আমরা এ যুগের মানুষেরা পেয়েছি কি? নবী পেয়েছি? না, ওহী নাযিল হতে দেখেছি? না, সাহাবী দেখিছে? না, শুধুমাত্র যা পেয়েছি, তা হলো আল্লাহর অবিকৃতি কিতাব আলকুরআন, রাসূলের সহীহ্ হাদীসসমূহ এবং সাহাবীদের জীবনিতিহাস। এখন এইটুকুক সম্বলকে যদি আঁকড়ে ধরে না রেখে ছেড়ে দিতে বলেন, তাহলে দুনিয়ায় মুসলমানই তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। বরং খুঁজে পাওয়া যাবে মুসলমান নামের একটি সম্প্রদায়, যারা মূর্তি পূজাও করবে, মসজিদেও শিরনী দিবে, মাজারেও মোমবাতি জ্বালাবে অথবা বলবে ধর্ম আফিম, ধর্মের কোন প্রয়োজন নেই। ইত্যাদি।
"মাঝে মাঝে ভাবি কোন ধর্মটা সত্য। আদম (আঃ) ধুপ কইরা স্বর্গচ্যুত হওয়া, নূহুর নবীর কাঠের নৌকায় বিশ্বের তাবৎ জানোয়ারের আশ্রয় নেওয়া, ঈসা নবীর পানির উপর হাঁটা আর মরা মানুষরে জ্যাতা করা, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর চাঁদ দিখন্ডিত করা অথবা দূর্গার দশহাতি গল্প সবই আমার কাছে হাস্যকর রকমের রুপকথা মনে হয়।"
এতক্ষণে নিজের পরিচয়টা সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। নবীদের মু'জিজা, আদর্শ, ইতিহাস, প্রচারিত ধর্ম ইত্যাদি যখন রূপকথা ঠেকে, সাথে সাথে অন্য ধর্মেরগুলোও; তবে তো নাস্তিক না হয়ে পারেই না। জবাব অবশ্য আপনিই ভালো দিতে পারবেন।
"হয়তো সবাই আমার মতো ভাবে আর আমার মতোই চাইপ্পা থাকে, না জানি কখোন ধার্মিকদের কোপানলে পড়তে হয় সেই ভয়ে।"
উঁহু, উঁহু, সবাই না। আপনার মত কেউ কেউ। গুণলে ১১ জনের প্রচারণায় ৯ জনের মত পেয়ে গেলেও যেতে পারেন।
"উপর ওয়ালা আছেন মজায়। মানুষ নামের আজিব চিড়িয়া বানাইয়া তিনি মেগা সিরিয়াল দেখতেছেন। আর আমরা সেইখানে ডাই হার্ড অভিনয় করতে করতে মইলাম। ভাইরে এইটা ৫৭০ খৃষ্টাব্দ না এইটা ২০০৮ সাল। এই যুগে আর কতো রুপকথা নিয়া বইসা থাকবেন, এইবার চোখ খুলেন।"
আমাদের যে চোখ/কান খোলা আছে, সেটা আবার আপনারা অতি পাওয়ারের অত্যাধুনিক গ্লাস লাগানোর কারণে হয়ত দেখতে পাচ্ছেন না। মজার ব্যাপার হলো আমরা আমাদের "সংবিধান"-এর মাধ্যমে কোন সত্যকে জানি ১৫০০ বছর থেকে, এবং আগামী কালের সূর্যোদয়ের মত বিশ্বাস করি, তখন আপনারা বহু কষ্টের পর সেটাকে প্রমাণ করে বলেন: "জেনেছি"। ![]()
"আর তারপরেও যদি মূর্তি দর্শনে আপনাগো ধর্ম গায়েবুল মোবারক হয় তাইলে নিজেগো চোখটারে কানা করা মনে হয় বেটার আইডিয়া হইব।"
হুম, পৃথিবীটা যদি সাড়ে তিন গণ্ডা নাস্তিক শাসন করতো, তবে হয়ত তাই করা লাগতো। কিন্তু আল্লাহ্ সে দুর্ভাগ্যে এখনো মানব জাতিকে ফেলেননি। অবশ্য কিছু কিছু এলাকায় কিছুদিনের জন্য নাস্তিকদের ব্যর্থতার উদাহরণ হিসেবে কিছু নজীর পেশ করেছেন। সুতরাং পৃথিবীটা আপনার/আপনাদের একার নয়; এজাতীয় কথা বলার ক্ষেত্রে আরো সাবধান হবেন আশা করছি।
"নিজের দুটি চরণ ঢাকো, তবে
ধরণী আর ঢাকিতে নাহি হবে।' "
কবিতা শুনবেন? এগুলো শুনেন-
"বিশ্বাসী গগণ জুড়ে পূর্ণিমা বার মাস
অবিশ্বাসী শিকড় খোঁজে বানর-ব্যাঙ্গাচীতে,
ফুলের গন্ধ, উত্তাপ-হিম, বাতাস যদি বয়
অনন্ত সত্য আমার আল্লাহ্ দয়াময়।"
-ফজলে এলাহি মুজাহিদ।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
আপনে যে উত্তর না দিয়া পেচাইতে থাকেন, সেইটা নতুন কিছু না। এইজন্য সরাসরি উত্তর চাইছিলাম। দেখলাম উত্তর না দিয়া এইবারও পেচাইলেন।যাহোক, পারলে উত্তর দিবেন। সম্মান প্রদর্শনের জন্য একজন মানুষের দ্বিমাত্রিক ছবি (ফটোগ্রাফ) আর ত্রিমাত্রিক ছবি (ভাস্কর্য) সংরক্ষণ এবং প্রকাশের মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটাতে সমস্যা আছে? এবং থাকলে কেন?
লেখক বলেছেন: যে কোন প্রাণীর ছবি আঁকা ও ঝুলানো ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে।
যুগের স্কলারগণের ইজমা বা মতৈক্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনে ছবি তোলাকে জায়েয বলা হয়েছে।
অবশ্য কেউ কেউ ক্যামেরার ছবি এবং হাতে আঁকা ছবির মধ্যে পার্থক্য করে মতামত দিয়েছেন যে, হাতে আঁকা প্রাণীর ছবিই কেবলমাত্র হারাম। কেননা, সেখানে শিল্পীর সেই নৈপূন্য থাকে, যা আল্লাহ্ নিজে প্রাণী সমূহের জন্য করেছেন। এবং এটি মানুষ করুক তা তিনি পছন্দ করেন না। আর ক্যামেরায় তো তেমন নৈপূণ্য থাকে না ক্যামেরাম্যানের, শুধুমাত্র বাস্তবের চিত্রটাকে হুবহু তুলে আনা হয় প্রযুক্তির সাহায্যে। তবে এ মতকেও অধিকাংশ আলেম গ্রহণ করেননি। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
আর কোন প্রাণীর ভাস্কর্য তথা মূর্তি নির্মাণ, সংরক্ষণ, সেসবে সম্মান প্রদর্শন, সেসবের সামনে ঝুঁকে থাকা, নিরবতা পালন করা, কিছু চাওয়া ইত্যাদি কঠিনভাবে নিষেধ এমনকি কোন কোন পর্যায় শির্ক।
আল্লাহ্ সবচেয়ে ভালো জানেন।
দ্বীপবালক বলেছেন:
পৃথিবীতে প্রথম মূর্তি পূজার প্রচলনই হয়েছিল কিছু সম্মানিত ও আল্লাহ্ওয়ালা মানুষকে স্মরণীয় করে রাখার প্রয়াস থাকেই। নুহের (আঃ) জাতিই হচ্ছে প্রথম জাতি যারা প্রথম মুর্তি পূজা শুরু করেছে। অয়াদ্দ,সুয়া, ইয়াউস, ইয়াউক ও নসর ছিল তাদের মধ্যকার সম্মানিত ও আল্লাহ্ওয়ালা কিছু মানুষ। এদেরকে স্মরণীয় করে রাখতে তারা এঁদের মূর্তি তৈরী করে রেখেছিল। এসব মূর্তিদের পাশে তারা জমায়েত হত এবং মনে করত এদের ভাল-মানুষী তাদেরকে আল্লাহ্র কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। কিন্তু কালক্রমে এদেরকেই তারা উপাস্য বানিয়ে নেয়।এই মূর্তিগুলোর কথায় কুর'আনে বলা হয়েছে সূরা নূহের ২৩ নং আয়াতে।
=============
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ্ আপনাকে সর্বোচ্চ প্রতিদান দিন সম্পূরক এই মন্তব্যটি লেখার জন্য।
দ্বীপবালক বলেছেন:
যারা "গদাম লাত্থির" কথা বলে তাদের জন্যঃমুহাম্মদকে (সঃ) এধরণের গদাম লাত্থি খেতে হয়েছে। কিন্তু তাঁর প্রভূর কাছে এজন্য তাঁর মর্যাদা কমে যায়নি। বরং অত্যাচারীদের বিপক্ষে দলীল হয়েছে তাদের নিজেদেরই আচরণ। আর তাঁর প্রভূ তাকে সুসংবাদ জানিয়েছেন এই বলে
سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ
তাদের এই বিশাল দলবল অচিরেই পরাজিত হবে তারা শীঘ্রই পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে।
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ
বরং কিয়ামত তাদের জন্য প্রতিশ্রুত।আর কিয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততার।
(আল-কামারঃ ৪৫-৪৬)
আর বদরের দিন এ কথাগুলোই আবৃত্তি করছিলেন প্রিয় নবী (আল্লাহ্র করুণা ও প্রশান্তি বর্ষিত হোক তাঁর ও তাঁর পরিবার বর্গের উপর)। আর আল্লাহ্ মক্কার দাম্ভিক ও অত্যাচারী প্রতিটি কুরাইশ সরদারকে সেদিন আর ফিরে যেতে দেননি।
সুতরাং ভয় দেখাবেনা আমাদেরকে। আমাদের কবি বলে দিয়েছেনঃ
ওহে আসমান তুমি সাক্ষী! বাতিল আমাদেরকে কখনো পরাভূত করতে পারেনি/পারবেনা।
তুমিতো শতবার পরীক্ষা করে দেখেছ আমাদের ধৈর্য ও স্থিরতার।
লেখক বলেছেন: যথার্থ বলেছেন দ্বীপবালক।
ঈমানদারদের জন্য অনুপ্রেরণা নিহিত।
আবূসামীহা বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই সময়োপযোগী লিখার জন্য। আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে উত্তম পুরষ্কার দান করুন! আমীন।
লেখক বলেছেন: আবূসামীহা-
আল্লাহ্ বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশকে মূর্তি সংস্কৃতির থাবা থেকে রক্ষা করার তৌফিক আমাদের দিন।
ধন্যবাদ।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
"ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কানোর অপচেষ্টা আর করবেন না।"আসলেই! আপনার মত মানুষ যতই যুক্তি যুক্তি খেলুক, শেষ পর্যন্ত নিজের পুকুর পাড়টাকেই ওযুখানা বলে ঘোষণা দেবে! চেষ্টা ব্যার্থ বটে আমার!
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: . . . এখনো খুঁজি-
কেটে পড়ুন, সে-ই ভালো। কেননা, ঘরকে মূর্তি বলে মানুষকে বিশ্বাস করানোর অপচেষ্টায় সফল হওয়া অত্ত সহজ না।
বদনিয়তের লোক আগেও ছিলো , আছে , থাকবে।
ওরা দূর থেকে ঘেউ ঘেউ করা ছাড়া কি ই বা আর করতে পারে।
আপনার জন্য শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: হাসান তারিক-
অনেক দিন পর দেখলাম। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ইতরপ্রাণী জাতীয় মন্তব্য করার জন্য kiron এবং সিন-লাম-মীম -এ দুটোকে ব্যান করা হলো, এদের মন্তব্য মুছে দেয়া হলো।
তানভীর রাতুল বলেছেন:
এসব ইতপ্রাণীর অস্তিত্ব নিপাক যাক। বর্তমান সংবিধানের পরিবর্তন হউক। আমাদের দেশ ধর্মনিরপেক্ষ চাই
লেখক বলেছেন: জি, ঠিক বলেছেন। ইতর প্রাণীদেরকে মানুষের সমাজে এলাও করা উচিত হবে না।
কিন্তু আপনাদের জন্য কঠিন বাস্তবতা হলো-
"ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ" Click This Link
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মেন্টাল এবং নূহানের শখ হয়েছে "শেকড়ই শক্তি"র পক্ষ হতে কিক খাওয়ার, তাদের সে আশা পূরণ করা হলো।
লেখক বলেছেন: বর্ণ.-
যথার্থ বলেছেন। ধন্যবাদ।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
ধন্যবাদ ফজলে এলাহি ভাই।আল্লাহ্ এদেশের মুসলমানদের হেফাযত করুন মূর্তিপূজার সংস্কৃতির কবল থেকে। ''আমিন''
লেখক বলেছেন: নুর ভাই-
আল্লাহ্ আপনার প্রার্থনা কবূল করুন।
শঙ্খচীল বলেছেন:
মুর্তি কালচার বন্ধ হোক।
লেখক বলেছেন: শঙ্খচীল-
জী, মূর্তি কালচার বন্ধ হোক। এ দাবী সোচ্চার হোক।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
লেপার্ড- শব্দগুলো তোমার মুখ থেকে বেরিয়েছে। তোমার কাছেই থাকলো। আমি শুধু মুছে দিলাম এবং তোমাকে তোমাদের ভাষায় "গদাম লাথি" দিলাম। নিয়ে বিদেয় হও।
মৃগেন্দ্র বলেছেন:
Click This Linkভাই ফজল এলাহি, এই পোস্টের শেষের দিকে রেজওয়ানের একটা মন্তব্যে সৌদি আরবের কিছু পশু-পাখি সহ কিছু ভাস্কর্যের লিংক আছে। আপনার মতামত কী?
লেখক বলেছেন: মৃগেন্দ্র-
ধন্যবাদ লিংকটা দেয়ার জন্য, নইলে আমার নযরে পড়তো না হয়ত, সময়ের স্বল্পতার কারণে ফিরে দেখা হয় খুব কম।
রেজওয়ানকে যে জবাব লিখেছি, তা এখানেও কপিপেষ্ট করছি-
"
রেজওয়ান-
কারো ভুলের উদাহরণ দিয়ে কি আপনি ইসলামের বিধানকে ভ্রান্ত প্রমাণের অপচেষ্টা করছেন?
সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।
বরং ইসলামের বিধান তো আসবে কুরআন এবং সহীহ্ হাদীসের ভিত্তিতে, সেসবের গবেষণা থেকে। সুতরাং আপনার এসব উদাহরণ পেশ করে কিছু কোন দাবীকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা নিতান্তই দুর্বল, ঠুনকো।"
আরো যেটুকু বলা দরকার-
আল্লাহ্ সূরা আল বাকারার শেষের দিকে আমাদেরকে দো'আ করতে শিখিয়েছেন যে, সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা যেন আমাদের উপর না চাপানো হয়। সুতরাং যার যার সাধ্যানুযায়ী তার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে; এটাই বিধেয়। আমার দেশ বাংলা, ভাষা বাংলা, লেখনী শক্তি বাংলা; আমি আমার সাধ্যানুযায়ী সেটুকুই পেশ করতে পারি এবং তাই করছি।
রাগিব বলেছেন:
Click This Linkএখানে একটা উটের মূর্তি দেখতে পাচ্ছি, যা সৌদি আরবের জেদ্দাতে অবস্থিত। আপনি দেখেছেন নিশ্চয়ই? এই সম্পর্কে আপনার মতামত আশা করছি।
লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই-
কপিপেস্ট-
"রেজওয়ান-
কারো ভুলের উদাহরণ দিয়ে কি আপনি ইসলামের বিধানকে ভ্রান্ত প্রমাণের অপচেষ্টা করছেন?
সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।
বরং ইসলামের বিধান তো আসবে কুরআন এবং সহীহ্ হাদীসের ভিত্তিতে, সেসবের গবেষণা থেকে। সুতরাং আপনার এসব উদাহরণ পেশ করে কিছু কোন দাবীকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা নিতান্তই দুর্বল, ঠুনকো।"
লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগত সব জিজ্ঞাসা
মেইল করবেন, এড দেয়া আছে উপরে ডান দিকে।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
শেষ হইয়াও হইলো না শেষ ... হিন্দুরা তাদের মূর্তিকে সোনা দিয়ে অলংকৃত করে। কবাকেও সোনা দিয়ে অলংকৃত করা হয়। আপনি বলেছেন - “মূর্তিতে ফুল দেয়া কোন পর্যায়ের কাজ, কাদের সংস্কৃতি?” এবার আপনি উত্তর দেন আপনার প্রশ্নের।
“ঘরকে মূর্তি বলে মানুষকে বিশ্বাস করানোর অপচেষ্টায় সফল হওয়া অত্ত সহজ না।“
তাই যদি হয় বাউলের ভাষ্কর্য্যকে মূর্তি পূজার স্থান বলে মানুষকে বিশ্বাস করানোর অপচেষ্টায় সফল হওয়া অত্ত সহজ না।
“কথায় কথায় আজকাল অনেককেই দেখি শির্ক শব্দ ব্যবহার শুরু করেছে। যারা শির্ক শব্দের অর্থ জানেন তাদের কাছে হাস্যকর ঠেকে উদাহরণগুলো।
শির্ক অর্থ অংশীবাদ। এক আল্লাহর সাথে সৃষ্টিতে, প্রতিপালনে, সাহায্য প্রার্থনায়, মৃত্যুতে, প্রতিদানের আশায় ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে অন্য কাউকে সে মানে অংশীদার মনে করাই শির্ক।“
আমার ও হাসি পায়। যখন আপনি বাউলের ভাষ্কর্য্যকে মূর্তি পূজার সাথে তুলনা দিয়ে তাকে শির্ক এর সাথে তুলনা দেন তখন আমার মনে হয় “কথায় কথায় আজকাল অনেককেই দেখি শির্ক শব্দ ব্যবহার শুরু করেছে। “
কোন বাউলকে কি কখনো “আল্লাহর সাথে সৃষ্টিতে, প্রতিপালনে, সাহায্য প্রার্থনায়, মৃত্যুতে, প্রতিদানের আশায় ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে অন্য কাউকে সে মানে অংশীদার মনে করা” হয়? কখনোই না । কিন্তু আপনি সেটাই করছেন।
“তেমনি তাদেরকে বিভিন্নভাবে আল্লাহর সমকক্ষ হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে যা তাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণ হয়।“ আপনার বুদ্ধিবৃত্তিক স্তরে নমুনা!
বাংলাদেশে কোন ভাষ্কর্য্যে কোন ঈশ্বর আল্লাহ বা মানুষের উপাসনা হয়না। কোন ভাষ্কর্য্য কে আল্লাহ বা অন্য কোন ঈশ্বরের সাথে তুলনা করা হয়না।
লেখক বলেছেন: আপনাকে "উত্তর" দেয়া আর পক্ষাঘাতগ্রস্তকে চলার জন্য বলা সমান মনে হচ্ছে।
কা'বা আর মূর্তি এক জিনিষ হলো কিভাবে? এক না হলে একটিতে সোনা আরেকটিতে ফুলের উদাহরণ এক হয় কিভাবে?
ভাস্কর্যের নামে তৈরী মূর্তির সাথে পূজার মূর্তির মত আচরণ করলে সেটা মানুষকে বুঝাতে হবে না; মানুষেরা কিছু সংখ্যক বিক্রিত গোষ্ঠীর মত দু'চোখ পকেটে নিয়ে পথ চলে না নিশ্চয়ই।
শির্ক তো শুধুমাত্র মূর্তির সাথেই হয় না সাহেব... শির্ক যারা করে তারা তো তাদের বসের সাথেও করে বসতে পারে বসকে একমাত্র রিযিক প্রাপ্তির দণ্ডমুণ্ডের অধিকারী মনে করার মাধ্যমে। পীর সাহেবের সাথেও করতে পারে যদি মনে করে যে, পীর তাকে জান্নাতে পৌঁছে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। এমনকি বাপদাদার ক্ষেত্রেও যদি কেউ মনে করে যে, তার বাপদাদা যা করে গিয়েছে (যদিও তা ভুল) তা-ই সত্য, তার তুলনায় ইসলামী সংস্কৃতি, ইসলামী বিধানকে যদি সে কম গুরুত্ব দেয়, তবে বিধানদাতা হিসেবে সে আল্লাহর পরিবর্তে তার বাপদাদাকে নির্ধারণ করে নেয়ার অপরাধ হলো শির্ক। এমনি বহু বিষয়েই শির্কে পতিত হবার আশংকা রয়েছে। আর মূর্তি তো শির্কের প্রকাশ্য সিম্বল; সে পর্যায়ের ভাস্কর্যের সাথে পূজ্য মূর্তির মত আচরণ করলে শির্ক হওয়ার ব্যাপারে স্কলারদের কেউই দ্বিমত করবে না আমার চিন্তামতে। {অবশ্য ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আলেম(?) হলে ভিন্ন কথা।}
আমার বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনাদের জীবিকায় হামলার করার কোন ইচ্ছে আমার নেই। বুদ্ধির ফেরী করে আপনারা রুযীরুটির তালাশ করেন; তাতে আমার কোন আপত্তি নাই ![]()
রাগিব বলেছেন:
"অবশ্য কেউ কেউ ক্যামেরার ছবি এবং হাতে আঁকা ছবির মধ্যে পার্থক্য করে মতামত দিয়েছেন যে, হাতে আঁকা প্রাণীর ছবিই কেবলমাত্র হারাম। কেননা, সেখানে শিল্পীর সেই নৈপূন্য থাকে, যা আল্লাহ্ নিজে প্রাণী সমূহের জন্য করেছেন।"---
আচ্ছা, গাছেরও তো প্রাণ আছে, তাহলে গাছের লতা পাতার ছবি আঁকলে দোষ হয় না কেনো?
লেখক বলেছেন: না, দোষ হয় না। কেননা, ইসলামী পরিভাষায় "প্রাণীর ছবি ধারণ" -এর ক্ষেত্রে যে পর্যায়ের প্রাণীকে বুঝানো হয়েছে, সেসবের মধ্যে গাছকে ধরা হয়নি। বরং গাছ তথা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের ছবি তোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তাই এ ব্যাপারে শংকিত হবার কিছু নেই।
মনে রাখতে হবে, ইসলামী বিধান যুক্তি দ্বারা নির্ধারিত হয়নি; বরং একমাত্র স্রষ্টার ও প্রতিপালকের আদেশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। তাই গাছেরও প্রাণ আছে এ আবিস্কারের সাথে সাথে ইসলামী পরিভাষায় উক্ত বিধানের জন্য ব্যবহৃত প্রাণী সংজ্ঞা নিয়ে বিতর্ক তোলার সুযোগ থাকছে না।
পরন্তু ইসলামী জ্ঞান অনুযায়ী তো পাথরও আল্লাহর যিকির করে; বুঝুন অবস্থা। বিজ্ঞানীরা হয়ত পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্তও পাথরের প্রাণ খুঁজে পাবে না, অথচ ইসলামী বিধানে সেই নিষ্প্রাণ পাথরও তার প্রভুর প্রশংসায় মুখর! সুতরাং বুঝতে হবে যে, বিধান প্রণয়নটা হয়েছে কিভাবে। ধন্যবাদ।
বন্ধনহীন বলেছেন:
এই পোস্টে ৫১ জন মাইনাস দিয়েছে এবং ২২ জন প্লাস। তার মানে ৭০% মুর্তি দেখতে তে চায়?? কি আজীব কথা!!!
এরা কি মুসলিমের বাচ্ছা না? নাফরমান! নাফরমান!
বাংলাদেশে মূওদুদী ইসলাম রক্ষার জন্য উটুল বাহিনী আর জামাত দরকার। না হলে এ ইসলাম খান খান হয়ে যাবে।
জনগন ইচ্ছা থাকুক আর নাই থাকুক, এ ইসলামের জন্য সব কিছুই করতে হবে। এই ৭০% ভাগ সবাই কে রগ কেটে লুলা বানিয়ে দিতে হবে। অথবা ঠ্যাং ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দিতে হবে। এরা মউদুদু ইসলামের শত্রু। এরা জামাতি ইসলামির শত্রু, এরা হজরত গোলাম আজম (রাঃ) এর শত্রু।
জয় হোক সেই ইসলামের যাতে মউ আর দুদু পাওয়া যায়।
আমীন।
লেখক বলেছেন: জনগণ বুঝি ব্লগের সাড়েতিন গণ্ডা নাস্তিকের সাড়ে তিনশ' নিক?
রেজওয়ান বলেছেন:
মুর্তি অপসারনের চেয়ে আমাদের দেশে অনেক সমস্যা রয়েছে। মানুষ খেতে পায় না। আমাদের বিদ্যুতের অভাব। সততা নিয়ে বেচে থাকা কষ্টকর। দুর্নীতিবাজরা শোষন করছে সাধারণ মানুষদের। ক্ষমতালোভীরা ধর্মের, এমনকি নানা দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভোটের বানিজ্য করছে। এইসব বাদ দিয়ে মুর্তি অপসারনে ভুলে থাকা চরম হিপোক্রেসীরই অংশ।
"সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।"
আপনি আপনার ইসলামি ইউটোপিয়ায় ডুবে থাকুন ওদিকে মুসলিম বিশ্ব ঠিকই এগিয়ে যাবে। আপনি দশটা হাদিস বের করে আপনার যুক্তি ধরে রাখার চেষ্টা করবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ধর্ম মানুষকে মুক্তি দেবার জন্যে, সবার সমস্যার সমাধানের জন্যে। মুর্তি অপসারন করলে বাংলাদেশের সমস্যার সমাধান কোনদিন হবে না।
বিশ্বের সমস্ত মুসলমান দেশ যখন মুর্তি অপসারন করবে আর আমাদের দেশের লোকজনের সমস্যা দুর হবে তখন আপনি মুর্তি অপসারনের কথা তুলতে পারেন। তার আগ পর্যন্ত এটি একটি স্টান্টবাজী ছাড়া কিছুই নয়। বিশ্বের কোটি কোটি লোক কখনও ভুল হতে পারে না।
লেখক বলেছেন: ধর্মের মূল থেকে বিচ্যুত হয়ে যদি কেউ পৃথিবীর সাথে সাথে এগিয়ে যেতে চায়, তবে ধর্ম তাকে পরিত্যাগ করতে বাধ্য।
বরং ইসলাম এমন এক ধর্ম যা পৃথিবীর ধ্বংস পর্যন্ত প্রবল প্রতাপে পৃথিবীকে দিকনির্দেশনা দিতে পরিপূর্ণ ক্ষমতাধর।
যা কিছু সমস্যা তা হলো- আমাদের অজ্ঞানতা। আর ধর্ম সম্পর্কে তো তার কোন সীমারেখা নেই।
সে জন্যই আপনিও এভাবে বলতে পারলেন।
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
আরে ধুর!
তানভীর রাতুল বলেছেন:
ফজলে এলাহি মুর্দাবাদ।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
মুসলমান নামধারী হয়েও যারা মূর্তির রাখার পক্ষে কথা বলেন তাদের মুসলমানিত্ব সম্পর্কে আমার সন্দেহ জাগে।ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
আল-আমিন বলেছেন:
আওরঙ্গজেব বলেছেন: মুসলমান নামধারী হয়েও যারা মূর্তির রাখার পক্ষে কথা বলেন তাদের মুসলমানিত্ব সম্পর্কে আমার সন্দেহ জাগে।একমত
পোস্টের জন্য +
বেয়াকুফ বলেছেন:
এই পোস্টের বয়ান ইসলামেরই বয়ান। ইসলাম ধর্ম মানলে পোস্টের কন্টেন্টর সাথে দ্বিমতের কোন অবকাশ নেই। এই পোস্টের সাথে দ্বিমত পোষন করা মানে কাস্টোমাইজড (মডারেটেড) ইসলাম ফলো করা। পোস্টে ++
রেজওয়ান বলেছেন:
@আওরঙ্গজেব:ইসলাম ধর্মে পৌত্তলিক মুর্তি পুজো নিষেধ। শৈল্পিক স্কাল্পচার সম্পর্কে কিছু বলা হয় নি। সেজন্যেই সারা মুসলিম জাহানে শৈল্পিক মুর্তি দেখা যায়। এখন আপনি কি বলতে চাচ্ছেন সারা মুসলিম জাহানের কোটি মুসলমানরা ভুল আর আপনি সঠিক এবঙ আপনার ইমান শক্ত? জ্ঞানের বহর দেখিয়া বড়ই আশ্চর্য হইলাম। কবেরে চোখ খুলিবে অন্ধরা।
এইখানে সৌদি আরবের মুর্তি:
Click This Link
এইখানে মালয়েশিয়ার মুর্তি:
Click This Link
এখানে দুবাইয়ের মুর্তি:
Click This Link
Click This Link
এখানে কুয়েতের মুর্তি:
Click This Link
এখানে বাহরাইনের মুর্তি:
Click This Link
ইন্দোনেশিয়ার হাজারো মুর্তির একটি:
http://www.flickr.com/photos/sebr/2370290682/
পাকিস্তানে মুর্তি:
http://www.flickr.com/photos/asadk/174344040/
ইয়েমেনে বীর সালাদিনের মুর্তি:
http://www.flickr.com/photos/n0mad/526789430/
মিশরে ফারাওদের সব মুর্তি কি ভেঙ্গে ফেলতে হবে?
http://www.flickr.com/photos/xfp/2541289454/
হে অবুঝরা চোখ খোল। সারা মুসলিম বিশ্বের লাখো মুর্তি দেখে যদি শুভবুদ্ধির উদয় হয়।
গুঁড়ো দুধে ভেজাল পাওয়া গেল তার বিরোধী কোনো ইসলামী দলগুলোর ভাংচুর বা বিক্ষোভ দেখা গেল না। মনে হয় শিশুদের মৃত্যু রোধ করা থেকে মুর্তি অপসারন তাদের কাছে বেশী জোশ এনে দেয়।
বিডি আইডল বলেছেন:
আপনাকে সবাই উটু ফজল বলে..এর মানে কি ভাই?
নুর3ডিইডি বলেছেন:
আওরঙ্গজেব বলেছেন: মুসলমান নামধারী হয়েও যারা মূর্তির রাখার পক্ষে কথা বলেন তাদের মুসলমানিত্ব সম্পর্কে আমার সন্দেহ জাগে। একমত
অতীতের পথিক বলেছেন:
আসছে প্রজম্ন মুক্তিযোদ্ধাদেরই সন্তানআর নয় আর একটিবারও দেবো প্রশ্রয়
এবার সব দালালেরা দাও পরিচয়
আজও যারা এই মাটিতে হাতিয়ার সান
আজও যাদের রক্তচোখ মোদেরও পানে
ঐ রাজাকার ছেড়ে যা এই দেশটা আমার
আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ করবে তোদের চিরঅবসান
আমরা এ প্রজম্ন মুক্তিযোদ্ধাদেরই সন্তান
আমরা এ প্রজম্ন রাজাকার এর তালিকা চাই
লাখো শহীদের সাথে মুক্তিযোদ্ধা আমরা সবাই
সিংহ বলেছেন:
Just got frontpage access yesterday. Still learning Fonetic. So pardon me for mixing English, Bangla and Bangregi.
Lekhoker Article pore amar mone hoyeche uni jothesto somoy niyei article ti likhechen. Echara unar jukti uni sablilbhabe poribeshon korechen. Yet reply guli te besgir bhag somoy manush unar main theme ta dhorte pareni bolei amar dharona.
Amar mone hoy uni bolte chacchen je jodio sculpture ta ke niye ekhono puja suru hoini tobe vobissote manus vhule jate pare je eti nitantoi ekti scuplture ebong etike niye poja suru korbe. Amader Ei somvhabona ke surutey destroy kora uchit. Nochet itihas sakkhi আয়াদ্দ, সূয়া,ইয়াউস, ইয়াউক ও নসর der স্মরণীয় করে রাখতে তারা এঁদের মূর্তি তৈরী করে রেখেছিল। এসব মূর্তির পাশে তারা জমায়েত হত এবং মনে করত এদের ভালোমানুষী তাদেরকে আল্লাহ্র কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। কিন্তু কালক্রমে তাদের এই জমায়েত হওয়া রূপান্তরিত হয় ভক্তি-শ্রদ্ধায়, আর ভক্তি-শ্রদ্ধাগুলো রূপ নেয় ইবাদাতে এবং পর্যায়ক্রমে এদেরকেই তারা তাদের উপাস্য বানিয়ে নেয়।
ami lekhoker ai jukti ke pupopuri upekhha korte parina. kenona itihasher punorabritti onek somoy ghoteche. Kintu eti aikhetre hobe ta 100% garantee ami ba keu dite parbena.Jodi cinta kori vobissote manush kon kaje lipto hobe ebong ta niye jodi baji dhorte hoy tobe ami actually ulta dikei baji dhorbo. Karon Ami dekhechi ebong statistical data o somorthon kore je Third World country te Dariddrota manush ke Dhormer dike jhokay. Ar je hare Jinish porter dam barche, tate beche thake khete kaoa manush er jonno khub kothin hoye jabe odur vobissotey. And people often tend to lean towards religion to get relief from their everyday fiancial and social suppression and distress. So in future it is quite likely that people will be more religioustic (Islamic) in Bangladesh. So in my opinion, it is highly unlikely that they will forget the purpose of this sculptures and'll start idolatry. Truth is that the cultured middle class groups are still minority in Bangladesh if you consider the overall population. Also you cannot ignore religious influence and shear force that runs things around even though Bangladesh is a democratic country. So you cannot single out the chance of Bangladesh being an Islamic state in future.
Ekti Sculpture desher manush er vobissot karjokaron ke sobsomy neontron korena. Apnar udahoron e nischoi korechilo. Kintu Ami apnake 10000000000 example dite pari,(Example that can also be taken from current world where proof of history is more substantial) jekhane manush vobissote ki dhoroner kaje lipto hobe (Ba kon murti ke puja suru korbe) ta nirnoy koreche kono sculpture noy, borong bivinno social, economic, cultural, environmental trends and factors and also wars and technological advancements.
According to your belief, making sculptures of anyting live (Tree is permitted) is not permitted in Islam,(I have seen articles from Islamic scholars that contradicts your view. But then again they must be disguised muslims, according to you. Kajei ami odike jabona).
But then again debotay bisshas na kora moha pap, according to basic hindu religious concept. As a muslim apni kono debotar ostitte bisshas korenna. Kintu tarato tader bishas apnar upor chapay dicchena ba bolpurbok andolon kore tader bisshas prothistito korar chesta korchena. So what right u have to enforce a rule ja niye muslim der nijeder moddheyi motoved ache. And last time I checked Bangladesh is still a democratic country jekhane sobar nijer dhorme bisshas korar udhikar ache.
Apner bisshas ke sedin enforceable korte parben jedin, Bangladeshe islamic rule establish hobe ebong Sorkar, Sharia Law er bisesh dhara jeta konorokom pranir murti placement ke onumoti deyna ei rokom dharake jatio rule e ontorvukto korbe. (Sharia Law manusher toiri and okatto noy ebong bivinno sharia law niye Islamic chintabidder maje motoved ache. Apni nischoi e bapare obogoto achen.)
Kajei Apni sculpture er picho ne apatoto (Apatoto bolchi karon aro onek onno bishoy islamer alo spread korar importance ta beshi ei mohurte) na lege, borong Bangladesh ke kibhabe islamic state banano jay ei niye cinta korte paren. karon ete apnar sommsar gora theke somadhan hoye jabe. Tachara Batash o apnar dikei boiche, je hare dhoni ar gorib e modjey distance barche, ekdin goribera ai dhormo kei hatiyar kore biplob ghotabe.
Obossoi mukher kotha te ajkal ai sikhhito maunsh guli ar vhule na. kajei Sosostro songgramer proyojon ache boiki. apni janen nischoi otite muslim r torbari dhorechilo ai upomohadese, islam ke protistha korar jonno. Dorkar hole arekbar dhorbe.Now please don't give me the crap that muslim der age nijeder thik hote hobe. Karon bin kasim er dhoa tulsipata chorittro dekhe si somoy, panjab ar sindhu province e gora hindura dole dole islam dhormo ghohon korechilo, aito thik amar bisshas korte kosto hoy. Karon ami oviggota te dekhechi je Dhormer (Bisesoto sei somoye) gora onek shokto. Kono dansil, doyar shorir bichokkhon bidhormi ke dekhe akristo hoye nijer dhormo jolangoli diye sei bidhormir sathe jog deyata je koto kothin ta Prophet of Islam nijei upolobthi korechen and sesh projonto sofol hoyechen. Ei karonei takey prithibir sorboshrestho manush bola hoy.
লেখক বলেছেন: সিংহ-
আপনার লেখাটা পড়ার চেষ্টা করলাম। অনেক যত্ন করে লিখেছেন। একসময় বাংলিশ খুব দ্রুত পড়তে পারতাম, কিন্তু বাংলা চালু হবার পর থেকে দ্রুততা কমে এসেছে, তাই পড়তে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
মূর্তি বা প্রতিকৃতির সামনে শ্রদ্ধার নামে, স্মরণের নামে যা করছে বর্তমানের মানুষেরা, ইসলামে ইবাদাতের যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে, তার সাথে মেলালে এসব কিছুও সুস্পষ্ট ইবাদাতের মধ্যে পড়ে। তাই ভবিষ্যতে আরো কিছুর জন্য অপেক্ষা করতে হলে সেটা হবে স্রেফ এসবের সামনে মাথা ঠুকিয়ে সিজদা করা।
এ লেখায় "মূল"-এ আমি এটা বুঝাতে চাইনি যে, ফোর্স করে কিছু করে ফেলা হোক, যেটাকে আমরা বলতে পারি যে, জনগণ আইনকে নিজের হাতে তুলে নেয়া। না, বরং প্রতিটি ক্রিয়ারই কিছু প্রতিক্রিয়া থাকে বা থাকতে হয়।
মূর্তি সরানো হয়েছে সরকারী নির্দেশে, তাতে "ছুঁয়ে" দিয়েছিল মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যে যারা এর বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিল (পেছনের সত্যকে জেনে বা না জেনে); তাদের কয়েকজন। ব্যস, শুরু হয়ে গেল ইসলামকে "জঙ্গীবাদ" হিসেবে প্রমাণের নাস্তিক্যবাদী প্রাণান্ত প্রচেষ্টা।
এ লেখাকে মনে করতে পারেন- বাংলাদেশের নাস্তিক ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের ইসলামের প্রতি ছোঁড়া সেসব ঢিলের বিরুদ্ধে একটি পাটকেল। আশা করছি এতে অনেক কথার জবাব পেয়ে গেছেন। (বিস্তারিত লিখতে পারছি না, সময়ের বড় অভাব দেখা দিয়েছে আজকাল।) ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
পরন্তু ইসলামী জ্ঞান অনুযায়ী তো পাথরও আল্লাহর যিকির করে; বুঝুন অবস্থা। বিজ্ঞানীরা হয়ত পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্তও পাথরের প্রাণ খুঁজে পাবে না, অথচ ইসলামী বিধানে সেই নিষ্প্রাণ পাথরও তার প্রভুর প্রশংসায় মুখর! সুতরাং বুঝতে হবে যে, বিধান প্রণয়নটা হয়েছে কিভাবে। ধন্যবাদ।ভাইয়া আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্চি দিন দিন। পাথরের জিকির, হুমহুম!

বাই দ্যা ওয়ে, পোস্টে প্লাস।
মুক্তিযুদ্ধ০০৭ বলেছেন:
? চেন মোরে? অপলক চোখে চেয়ে দেখি, তোমাদের অপকর্ম...! আমাকে নিয়ে তোমাদের মায়াকান্না?
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
মিঃ ফজল ছবি আকা নিষেধাজ্ঞা কিন্তু কোরআনে নেই, রাসুল(সাঃ) এর ওফাতের ৩০০ বছর পর বুখারী শরীফে অন্তর্ভূক্ত হয়। আর মিশরের আল আজাহার বিশ্ব বিদ্যালয়ের মতে শীরক জ্ঞান না করলে এবং অশ্লীল না হলে ছবি আকা বৈধ। দয়া করে এ সমন্ধে কিছু বলবেন কি?
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন:
যদি মূর্তিগুলা ভেঙ্গে গোলাম আযম আর নিজামীর পাছায় ঢুকায়, তাইলে আমি রাজি।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
যা ভাগ!
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
বিডি আইডল বলেছেন: আপনাকে সবাই উটু ফজল বলে..এর মানে কি ভাই?
ধ্রুব তারা বলেছেন:
থাবড়ায়ে তর দাঁত ফালায়ে দিতে ইচ্ছা করতাসে
সৌম্য বলেছেন:
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: ধ্রুব তারা বলেছেন: থাবড়ায়ে তর দাঁত ফালায়ে দিতে ইচ্ছা করতাসে
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
তর বাপের কান্ধে খাড়ায় তর মায়রে চুদি বলদ কোথাকার।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















অফটপিক:পেচালীতে গিয়া মর