আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-১ - চিন্তিত দার্শনিক
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- @ তাফসীরুল উশরুল আখীর (বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন) - ফজলে এলাহি
- নাস্তিকদের নৈতিক রূপ কি এসব করা??? - কঠিন চিজ
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক - হলদে ডানা
- @ সীরাতুন্নবী: প্রারম্ভ ও তথ্যাবলী... - ফজলে এলাহি
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- @ আমার বিশ্বাস: সামহোয়্যারইন ব্লগে কোন রাজাকার নেই - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(প্রথমার্ধ) - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(শেষার্ধ) - ফজলে এলাহি
- তুরস্কে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার - আশরাফ রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - বইপাগল
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশের প্রয়োজন “রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজার কুসংস্কার” থেকে মুক্তি - আবূসামীহা
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- @ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত - ফজলে এলাহি
- ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার - আস্তমেয়ে
- ফিলিস্তিন প্রান্তর হতে একটি চিঠি... [পর্ব/১] - আব্দুর রহমান রাযীন
- ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( প্রথম পর্ব ) - আশরাফ রহমান
- হায় '৫২-র ভাষা শহীদ! হায় '৭১-এর শহীদেরা!! এ কোন কাপুরুষ প্রজন্ম রেখে গেলেন?? যারা চেতনার জন্য গালির আশ্রয় নেয়? - ফজলে এলাহি
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন কি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদে কোন ভূমিকা রাখবে?
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
(এটি একটি মনে উদয় হওয়া প্রশ্ন এবং মনে মনে আসা উত্তরগুলো তুলে ধরলাম।)
বাংলাদেশ, আমার প্রিয় জন্মভূমি, প্রিয় স্বদেশ। কখনো কখনো এর মাটির গন্ধে বিভোর হয়ে উঠি আবার কখনো মনে হয় এর সীমানা জুড়ে এরা কারা কিলবিল করছে। শিউরে উঠি নিজের জন্য, পরিজনের জন্য, দেশবাসীর জন্য। সবমিলিয়ে আমার প্রিয় বাংলাদেশ।
আজকাল খুব শংকা অনুভব করছি। মার্কিনীরা চায় সারা বিশ্বে নিজেদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে। সে ধারাবাহিকতায় তারা আলকায়দা নামক একটি কাল্পনিক সংগঠন সৃষ্টি করে অথবা সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সত্যিকারের একটি 'আল-কায়দা' সোভিয়েত আমল থেকেই তারা গঠন করে কিছুসংখ্যক বিক্রিত কিংবা নির্মম বাস্তবতা সম্পর্কে বেখবর মুসলমানদের মাধ্যমে। তারপর সেটাকে সামনে রেখে তারা একের পর এক মুসলিম দেশগুলো কব্জা করতে শুরু করে। আফগানিস্তান, ইরাক তার সাক্ষী এবং পূর্ব তিমুর নামে ইন্দোনেশিয়ার সীমানায় একটি জীবন্ত বিষফোঁড়া তারই নমুনা। পাকিস্তানকে নানাভাবে কব্জা করার পাঁয়তারাকে রুখে দিয়েছে দালালীর মাধ্যমে হোক আর কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় হোক সাবেক সেনা শাসক মোশাররফ। কিন্তু হালের আফগান সীমান্ত থেকে পাকিস্তান লক্ষ্য করে মার্কিন সেনাদের আক্রমণগুলো শংকিত করে তুলছে পাকিস্তানে মার্কিন সাম্রাজ্য প্রতিরোধে নিজেদের সুরক্ষার বিষয়টিতে।
আমাদের বাংলাদেশ, যেখানে যখনি কোন হামলা পরিচালিত হয়, সেটার দায়ভার তাৎক্ষণিকভাবে চাপিয়ে দেয়া হয় ইসলামী দলগুলোর উপর এবং বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর উপর। যদিও পরবর্তীতে তল্লাসী প্রক্রিয়ার ফলাফলে তাদের টিকিটিও খুঁজে পায় না পুলিশ-গোয়েন্দারা। তারপরও পরবর্তীতে ঘটা কোন ঘটনাকে একই ধারায় প্রবাহিত করা হয়, একই কায়দায় দোষারোপ করা হয় জামায়াত-শিবিরকে। প্রশ্ন হলো কেন এমন দোষারোপের ধারাবাহিকতা। বার বার প্রমাণ হয় যে, জামায়াত-শিবির নির্দোষ, তারপরও কেন এমনটি হচ্ছে। জবাব দু'রকমের হতে পারে-
এক) এ নীতির অনুসরণ যে, ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা প্রচারণা যদি সারা দেশে প্রচার করা যায়, তবে প্রথমেই সেটা সবাই গিলে খাবে। তারপর কেউ তা সাথে সাথেই হজম করে ফেলবে, কেউ গলা পর্যন্ত নিয়ে ইতস্ততঃ করতে থাকবে, কেউ বা চিবোতে চিবোতে পরবর্তীতে কি হয় তা দেখার অপেক্ষা করবে আবার কেউ কেউ সত্যোপলব্দি করে তা প্রত্যাখ্যান করবে। বলা বাহুল্য যে, আমাদের দেশে সাথে সাথে হজম করার লোকের সংখ্যা প্রায় আশি থেকে নব্বুই ভাগ। তার উপর এ বিরাট অংশের মধ্যে এমন অংশও তদনুরূপ যে, খবরটির সর্বশেষ ফলাফল সম্পর্কে আর কখনোই খোঁজ খবর করবে না। পরিণামে যে লাভালাভ দাঁড়ালো এই যে, দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রথম প্রচারের মিথ্যাটাকেই ধারন করে রয়েছেন।
দুই) এভাবে অন্ধকারে ঢিল মেরে দেখা যে, যদি কোন একটি ঢিল লেগে যায়। তাছাড়া তল্লাশী প্রক্রিয়াগুলো তো মাশাআল্লাহ্ বছরে পর বছর চলতে থাকে। ততদিন পর অন্ধকার ফিকে হয়ে যায়, ঢিল ক্ষয় হতে হতে বালিতে মিশে যায়। আর সে সুযোগে যতটুকু পারা যায় ঘায়েল করা হয় ইসলামী দলগুলোকে, বিনিময়ে কি ফসল উঠছে তাদের ঘরে তা না হয় নাইবা দেখলো (যদিও জাতি দেখে আসছে তাদের ফসল হিসেবে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া)।
আমাদের দেশীয় দালালচক্র এসব প্রক্রিয়া শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতা লাভের জন্য করছে বলে মনে করলে ভুল করা হবে। বরং বাংলাদেশ নামক এ বদ্বীপের গুরুত্ব এতদ অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠার (দুঃ)স্বপ্ন বিলাসীদের নিকট অনেক গুরুত্ব পূর্ণ। সেখানেও দু'টি দিক থাকতে পারে- এক) ভৌগলিক অবস্থান ও দুই) বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমিকভাবে ইসলামের অগ্রগতি।
সুতরাং দেশে বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রবাহকে এক সারিতে নিয়ে আসলে যে কারো পক্ষে বুঝা খুব সহজ হবে যে, আসলে দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া কোন বিকল্প নেই। কেননা, আধুনিক সাম্রাজ্যবাদের রূপ পাল্টেছে। এখন দেশ জয় করে নিজস্ব শাসক বসিয়ে দেয়ার সেকেলে পদ্ধতির ব্যবহার হচ্ছে না; বরং দেশের মধ্য থেকে একটা তাবেদার গোষ্ঠী তৈরী করা হবে এবং তারা পুরো দেশের মানুষকে তাবেদার বানানোর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবে এই আধুনিক সাম্রাজ্যবাদের নিকট একটি দেশের পরাজয়। তাই দেশের মানুষকে প্ররোচিত করার জন্য হেন পন্থা নাই যা তারা গ্রহণ করেনি। সেবা, চিকিৎসা, ঋণদান থেকে নিয়ে শুরু করে মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধী ইস্যূ, তারপর সেটার হালে পানি না পেয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের দাবী, সেটাতেও সুবিধা না পেয়ে অবশেষে নির্বাচনে ইসলাম পন্থীদেরকে প্রতিরোধের জন্য নানা প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো হচ্ছে।
সিদ্ধান্ত নিতে হবে এদেশের মানুষদেরকেই। তারা কি নিজেদেরকে স্বাধীন বাংলাদেশের মুসলিম বা নিজ নিজ ধর্মীয় ঐতিহ্য নিয়ে বসবাস করতে চায় না কি বিলীন হয়ে যেতে চায় নৈতিকতায় ধ্বস নামা পাশ্চাত্য সভ্যতার মোড়ল আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদে।
সবশেষে বলতে চাই যে, আমাদের এবারে নির্বাচনের জয়-পরাজয়ে শুধুমাত্র দেশীয় প্রভাবই থাকবে না; বরং অন্তরালের সত্য যে, এর সাথে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদেরও অগ্রগতি-অবনতির বিষয়টি। সজীব ওয়াজেদ জয় যেন সাম্প্রতিক Harvard International Review এ প্রকাশিত তার আর্টিকেলের মাধ্যমে আমাদেরকে সে ইঙ্গিতই প্রদান করেছেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ, সাম্রাজ্যবাদ, মার্কিন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনকাল বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমি এখনো গণমানুষের উপর আস্থাশীল। তাই মাঝে মাঝে ভাবি, যদি আমার একটি মিডিয়া থাকতো, তবে এসব মিথ্যাগুলোর মুখোশ সেসব মিথ্যাবাদীদের চেয়েও প্রচন্ড এবং পর্যায়ক্রমিক ধারায় উন্মোচন করতে থাকতাম। এবং সত্যগুলোকে শতবার তুলে ধরার প্রয়াস পেতাম। পিছিয়ে আছি আমরা এখানেই।
ওবায়েদ বলেছেন:
সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া কোন বিকল্প নেই।
ধীবর বলেছেন:
লেখকের সাথে সম্পুর্ন সহমত পোষন করছি না, কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার বক্তব্য আলোচনার দাবি রাখে। উগ্র ভারতপন্থি মণি সিং এর ক্যাডাররা এখন মার্কিনি রক্ষণশিলদের নব্য সখা হওয়াতে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















কিন্ত আজো পর্যন্ত এর কোন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারে নাই ভবিষ্যতেও পারবেনা ইনশাআল্লাহ।
এই গঠনমুলক লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ