আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ তাফসীরুল উশরুল আখীর (বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন)

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদির অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রূপ পাওয়া যাবে "উশরুল আখীর" নামক কুরআনুল কারীমের একাংশের এ তাফসীর খানায়। এতে রয়েছে সূরা মুজাদালাহ্ থেকে নিয়ে নাস পর্যন্ত, রয়েছে আকীদার গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসা, অন্তরঙ্গ সংলাপ, কালেমায়ে শাহাদাত, পবিত্রতা, নামায, যাকাত, সিয়াম, হজ্জ, বিভিন্ন উপকারিতা, ঝাড়-ফুঁক, দু'আ, লাভজনক ব্যবসা ও যিকির, নির্দেশিত বিষয়ের বিবরণ, নিষিদ্ধ বিষয়ের বিবরণ, অনন্তের পথে যাত্রা, ওযূর পদ্ধতি, নামাযের পদ্ধতি ইত্যাদি ব্যাপক বিষয়াদির সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা। নিজের পক্ষ থেকে বিশেষ কিছু বলার নেই, বহুদিন আগে যোগাযোগ করে পিডিএফ ভার্সন হাতে পেয়েছি। নানা কারণে দেয়া সম্ভব হয়নি এতদিনেও। আলহামদুলিল্লাহ্ এখন থেকে পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করতে পারবেন যে কেউ।
ডাউলোডের জন্য নির্দেশিত লিংকে চলে যান: http://www.islam.net.bd/content/view/199/27/

এখানে তাফসীরে উল্লেখিত সংক্ষিপ্ত ভূমিকা তুলে দিলাম।
-------------------------------------------------------->
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোন (আল্লাহ্ আপনাদের করুণা করুন) জেনে রাখুন, আমাদের প্রত্যেকের জন্য চারটি বিষয় জানা অপরিহার্য।
প্রথমত: জ্ঞানার্জন করা: আল্লাহ্ পাক, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা অপরিহার্য। কেননা না জেনে আল্লাহর ইবাদত করা যায় না। করলেও বিভ্রান্তিতে পতিত হতে বাধ্য। যেমন বিভ্রান্ত হয়েছিল খৃষ্টানরা।
দ্বিতীয়ত: আমল করা: জ্ঞানার্জন করার পর আমল না করলে সে ইহুদীদের মত। কেননা ইহুদীরা শিক্ষা লাভ করার পর তদানুযায়ী আমল করেনি। শয়তানের ষড়যন্ত্র হচ্ছে সে মানুষকে জ্ঞান শিক্ষার প্রতি অনু‍ৎসাহিত করে। তার মধ্যে এমন ধারণা সৃষ্টি করে যে, অজ্ঞ থাকলে আল্লাহ্ মানুষের ওযুহাত গ্রহণ করবেন। ফলে সে পার পেয়ে যাবে। তার জানা নেই যে, যে সকল বিষয় শিক্ষার্জন করা তার জন্য সম্ভব ছিল তা যদি নাও শিখে তবু তার উপর দলীল কায়েম হয়ে যাবে। এটা হচ্ছে নূহ্ (আ)এর জাতির চরিত্র। নূহ্ (আ) তাদেরকে নসীহত করতে গেলে: جَعَلُوا أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِمْ وَاسْتَغْشَوْا ثِيَابَهُمْ
"তারা কানের মধ্যে আঙ্গুল প্রবেশ করাতো এবং নিজেদেরকে কাপড় দিয়ে ঢেকে দিত", (সূরা নূহ: ৭) যাতে করে কেউ বলতে না পারে যে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল।
তৃতীয়ত: দা'ওয়াত বা আহ্বান: উলামা ও দাঈগণ নবীদের উত্তারাধিকার। তাই নাবীদের কাজ আলেম ও জ্ঞানীদেরকে করতে হবে। আল্লাহ্ তা'আলা বাণী ইসরাঈলকে লা'নত করেছেন। কেননা كَانُوا لَا يَتَنَاهَوْنَ عَنْ مُنْكَرٍ فَعَلُوهُ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ "তারা যে মন্দ ও গর্হিত কাজ করত তা থেকে তারা পরস্পরকে নিষেধ করত না; বাস্তবিকই তাদের কাজ ছিল অত্যন্ত গর্হিত।" (সূরা মায়েদা: ৭৯) সৎ পথের প্রতি আহ্বান ও শিক্ষা দান ফরযে কেফায়া। কেউ এ কাজ আঞ্জাম দিলে যদি যথেষ্ট হয় তবে অন্যরা গুনাহ থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু কেউ এ দায়িত্ব পালন না করলে সকলেই গুনাহগার হবে।
চতুর্থত: ধৈর্য ধারণ করা: ধৈর্য ধারণ করতে হবে জ্ঞান শিক্ষার পথে। ধৈর্য ধারণ করতে হবে তদানুযায়ী আমল করার ক্ষেত্রে। আর ধৈর্য ধারণ করতে হবে দ্বীনের পথে মানুষকে আহ্বান করার ক্ষেত্রে।

অজ্ঞতার অন্ধকারকে দূরীকরণের প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করার জন্য এবং ইসলামী জীবনের অমীয় সূধা অনুসন্ধানকারীদের পিপাসাকে নিবারণ করার জন্য আমাদের সামান্য এই প্রয়াস। আমরা এই বইটিতে ইসলামী শরীয়তের যে সমস্ত বিষয় একান্ত প্রয়োজন সেগুলোকের অতি সংক্ষেপে সন্নিবেশিত করার চেষ্টা করেছি।

এখানে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বিশুদ্ধ সূত্রে যা প্রমাণিত হয়েছে তাই একত্রিত করতে চেষ্টা চালিয়েছি। আমরা পূর্ণতার দাবী করি না। পূর্ণতা আল্লাহর জন্যই নির্ধারিত। কিন্তু এটি এক নগণ্য মানুষের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। যদি সত্য-সঠিক হয়ে থাকে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর কোন ক্ষেত্রে ভুল হয়ে থাকলে তা আমাদের পক্ষ থেকে ও শয়তানের পক্ষ থেকে, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তা থেকে মুক্ত। বন্তুনিষ্ঠ ও গঠন মূলক সমালোচনার মাধ্যমে যাঁরা আমাদের ভুল ধরিয়ে দিবেন আল্লাহ্ তাদের প্রতি দয়া করবেন।
এই বইয়ের লিখক, প্রকাশক, অনুবাদক, সম্পাদক, পাঠক এবং বিভিন্নভাবে এতে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের সকলের জন্য প্রার্থনা করি, আল্লাহ্ যেন তাদের সবাইকে উত্তম পারিতোষিকে ভূষিত করেন। তাদের নেক আমলগুলো কবূল করেন এবং ছওয়াব ও প্রতিদানের সংখ্যাকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করে দেন। আমীন।।
আল্লাহ্‌ই সর্বাধিক জ্ঞানী। ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ওয়া আলিহি ওয়া সাহবিহি আজমাঈন।

বিনামূল্যে বিতরণের জন্য, বিক্রয় নিষিদ্ধ।

প্রকাশ কাল:
প্রথম প্রকাশ: যিলকা'দাহ্- ১৪২৮হি:
নভেম্বর- ২০০৭ইং

ইসলামী বিশ্বের বহু আলেম এই বইটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
আরো বিস্তারিত জানতে অথবা সহযোগিতা করতে কিংবা বইটি পেতে হলে যোগাযোগ করুন।
website: http://www.tafseer.info
email:

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উশরুলআখীরতাফসীরইসলামকুরআন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: কেন ভাই, আপনাদের বাইবেল তাহফিমুল কোরআনে পোষায় না?
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: আমাদের-আপনাদের কি? তবে আপনার কাছ থেকে এমন মন্তব্য পাবো আশা করিনি। যাই হোক,
পবিত্র কুরআনের সকল তাফসীরই আমাদের, কারণ প্রথমত: আমরা মানুষ আর কুরআন সকল মানুষের জন্য। পরন্তু মুসলমান, তাই চর্চার প্রয়োজনেরই তাফসীর প্রয়োজন।

শেষমেষ মন্তব্যটা মূর্খতা নিসৃতই মনে হতে লাগলো।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাফহীমুল কুরআন পড়ে দেখেন, আশা করছি এতে আপনার "কুরআনের তাফসীরকে বাইবেল" বলার রোগ সেরে যাবে ইনশাআল্লাহ

লিংক: Click This Link

২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দেখবো।
ধন্যবাদ লিংক এর জন্য।
শুভকামনা।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: মুসলিম জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসার সঠিক ও সংক্ষিপ্ত জবাবের জন্যই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এ তাফসীরখানা।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২১
ফয়জুল আলম বেলাল বলেছেন: তাফসীরুল উশরুল আখীর
এই তাফসীরের নাম প্রথম জেনে অানিন্দত হয়েছি। মুসলমান হিসেবে সব তাফসীরই পড়া উচিত।
ধন্যবাদ লিংক এর জন্য।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: জী, ঠিক বলেছেন। পড়তে দোষ কোথায়, গ্রহণ করার ক্ষেত্রে প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব চিন্তাভাবনা থাকে। তাই পড়া উচিত যত বেশী সম্ভব। এমনো তো হতে পারে যে, যে বইটি আমি পড়িনি তাতে আমি যা ধারণ করি তা থেকে ভালো বিষয়, ভালো কথা কিংবা ভালো তথ্য রয়েছে।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৩
আবূসামীহা বলেছেন: ভাল লিঙ্ক। ধন্যবাদ।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: জাযাকাল্লাহ খায়ের আবূসামীহা।

৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: হ্যা ভাই মূর্খ তো বটেই! জাল হাদীস গণনা করা, কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা আর হাদীসের অর্থ স্বার্থ সুবিধা মত ম্যানিপুলেট করার শিক্ষা পাইনি যে এখনও।

তাফসীর কে বা কারা লিখবে বা লিখার যোগ্যতা রাখে সেটি নিয়ে আপনার সমমনাদের সাথে আমার ভীষণ মতবিরোধ আছে। স্রষ্টার সম্বোধনের আল্লাহর বিকল্প হিসেবে যারা গড ব্যবহার করেন প্রগতিশীল ইসলামের ধ্বজ্জা ধরতে, আপনাকে আমি তাদেরই দলভুক্ত মনে করি। সে হিসেবে পছন্দনীয় ধর্ম পুস্তককে "প্রতীকী বাইবেল" বলাতে দেখলাম আপনার পরম প্রিয় মওদুদী রচিত কিতাব খানির সম্ভ্রমহানী ঘটল। একে তো আমার রূপক অর্থটি ধরতে পারেননি তার উপর বাইবেলের ব্যাপারে ঘেন্নার কথাটি জানিয়ে গেলেন- সাম্প্রদায়িকতা তো এভাবেই বেনিকাব হয়ে যায় মশাই। ঘটনা চক্রে ইবনে সিনায় আপনাদের এক মৃত প্রায় কর্মীকে দেখেছিলাম অন্তিম দশাতেও মওদুদীর আকল-আচল ধরে রচিত সবুজ কিতাব খানা আগলে রেখেছে।
৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৬
আবু সালেহ বলেছেন:
সময় করে লিংকে ঢু মারতে হবে......
লিংকের জন্য ধন্যবাদ...

আছেন কেমন ফজলে ভাই..???

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১২০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্যদিগন্ত: www.bishorgo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর খুঁজে পাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ