{ মুসলমান হিসেবে আপ্নিও তো আমার ভাই লাগেন , ফজলে এলাহী । নির্দিষ্ট কাউকে কাউকে আমার ভাই ও বোন বানাচ্ছেন কেন? }
=রাগ ইমন "মুখে এক আর অন্তরে আরেক" –এ নীতির ইসলামী এবং সাধারণ পরিভাষা জানা আছে আপনার? যদি থাকে তো হোসাইনের পোষ্টে আপনার বাণীগুলো আরেকবা পড়ে পরে আপনার অবস্থান নির্ণয় করুন- { ওম শান্তি , ভাইজান, ফজলে এলাহি আমারে কইলো , " আপনার অসাধারন (অস্বাভাবিক) ভাই " রা কি কইতাসে , দেখেন । তাই একটু তামাশা কইরা বললাম। মুসলমান ভাই ভাই কইরা , পাকিদের তো তারাই কাছে টানে রে বাবা , আমি ক্যান যারে তারে ভাই বানাইতে যাবো ।
আমার কি ভাই এর অভাব! }
আপনার বক্তব্যের অস্বচ্ছতা প্রমাণের জন্য কি আরো কিছুর দরকার আছে? বলেন? মুসলমান হলে ভাই-বোন হতেই হবে। কিন্তু এই মন্তব্যে এ আপনি কিসের পরিচয় দিচ্ছেন?
(মন্তব্য আমার কাছে ছবি হিসেবে সংরক্ষিত আছে;না মোছার তাগিদেই বলতে হলো)
{ আমি গালি দেই না । দিলে , সেটার দায়িত্ব আমার । সেই রকম আপনার বলা কথার দায়িত্ব আপনার। কোন পক্ষেই তো আমি কম গালাগালি দেখি না। যদিও আমি কোন দলা দলি দেখতেই চাই না। যার যার মন্তব্য , তার তার রেস্পন্সিবিলিটি । }
="অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে...." (নীতি বাক্য শুনাচ্ছি না, বলতে চাচ্ছি যে,) দু'জনেই সমান অপরাধী। আপনি গালাগাল করেন কিনা সে প্রশ্নকে আপাততঃ উহ্যই রাখি, কিন্তু আপনার ব্লগে গালাগালকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। "যে দেয় সে দায়িত্ব নেবে"-এ কথা বলে পার পেয়ে যাবেন বলে মনে করতে পারেন না। যে পাতায় আপনিই সকল পরিবর্তনের কর্তী, সেখানে গালাগালকে প্রশ্রয় দিয়ে মূলতঃ ভদ্রতার লেবাসে আপনি নিজেই গালাগাল করে যাচ্ছেন।
{ তেলাপোকার মন্তব্য দেখেছেন? আমি তাকে বলেছি , তার ধ্যান ধারনার কোন মূল্য আমার কাছে নাই । আর সে " মেয়েদের বাথ্রুমে ফালানোর" কথা বলে । এই আপনার "ইসলামি ভদ্রতা"? }
=তেলাপোকা কেন, যদি কেউ গালাগালের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তো তার উচিত সকল গালীবাজকেই নিজের ক্ষমতার আওতায় শিক্ষা অথবা উচিত শিক্ষা দেয়া; প্রশ্রয় দিয়ে লালন করা নয়। তা তেলাপোকার দায়িত্ব আমার ঘাড়ে চাপছে কেন? আপনি না আবার দায়িত্ব সচেতন (আমি গালি দেই না । দিলে , সেটার দায়িত্ব আমার। ); "আমার ইসলামী ভদ্রতা" তেলাপোকার গালাগালের সাথে মিশলো কিভাবে? গালি দিতে ইসলাম নিষেধ করেছে; অতএব যে দেবে সে ইসলামের বিধান অমান্য করেই দিচ্ছে, ইসলামের দৃষ্টিতে সেও অপরাধী। তাহলে একজনের দোষ আরেক জনের ঘাড়ে চাপানোটা কোন ধরনের "ভদ্রতা" জানাবেন কি?
{ আপনি কাকে ভদ্র বানাইতে চান? আমি সুষ্পষ্ট ভাবে বলেই দিয়েছি , ব্লগার । নোটিশবোর্ডের দাবীর পক্ষে প্রমান চেয়েছি । দ্যাটস অল। সামহোয়ার ইনের যদি মনে হয় পোস্ট মুছবে , মুছুক।
আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু মিথ্যা অজুহাত আর " অনুভূতি আহত " হওয়ার গাঁজাখুরি কাহিনী ফেঁদেছে বলেই আমি খেপেছি । }
=কর্তৃপক্ষ গাঁজা কাহিনী ফেঁদে পোষ্ট বাতিল করেছে না কি কেউ কেউ গাঁজার প্রভাবে কিংবা সে জাতীয় কোন অন্ধ আবেগের প্রাবল্যে শতকরা ৮০/৮৫ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের ওয়েব সম্মিলন সামহোয়্যারইনব্লগের অধিকাংশ মুসলমানদের সংখ্যা ও তাদের আবেগ-অনুভূতিকে বুঝার যোগ্যতা রাখে না; পাঠকবৃন্দের সে বুঝ মোটামুটি এসে গেছে গত দু'দিনের বিদায় আর খিস্তি নৃত্য দেখে। সুতরাং এ নিয়ে অধিক বলা নিষ্প্রয়োজন। গাঁজারখুরী উৎপাত আর আস্ফালনে যে আপনিই নিমজ্জিত, তার উদাহরণ নিচের প্যারায় দেখুন।
{ নাইলে যুঞচিক্ত কি লিখলো না লিখলো , তা নিয়ে আমার কোনই মাথা ব্যথা নাই । }
= কর্তৃপক্ষকে বলা আপনার "গাঁজাখুরী" শব্দের প্রেক্ষিতে- গাঁজাখুরীতার প্রমাণ এখানে নিজেই দিয়ে রেখেছন।এমন প্রমাণ অবশ্য আপনি আগেও পেশ করেছিলেন। নিচে উদ্ধৃত আপনার দ্বিতীয় প্যারায় যে "আস্ফালন"উল্লেখ করেছেন, আমি তো আপনার মধ্যে তা দেখেই হয়রান; নতুন কিছু করার তো আর বাকী রাখেন নাই। নইলে কি করে কেউ " এর জন্মকাল থেকে আজপর্যন্ত ভূমিকা নিয়ে কোন পুংখানুপুংখ ইতিহাস পাই নি ।" –এ জাতীয় মূর্খতাসুলভ উক্তির দ্বারা এমন একটি সংগঠনকে মূল্যায়ণ করতে পারে যে সম্পর্কে সে কোন জ্ঞানই রাখে না, এমনকি এটুকুও জানে না যে, কিভাবে তাদের শুরু এবং তারা আসলে কি করছে। যাদের নিয়ে কথা লিংকের পোষ্টে যাচ্ছেতাই বলেছেন, তাদের শুধুমাত্র ইতিহাস আর কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দেরই নয়; বরং ইউনিট পর্যায়ের প্রতিজন সাধারণ কর্মীর পর্যন্ত চলাফেরা, সাংগঠনিক কাজকর্ম তথা প্রতিটি পদক্ষেপ হয় মানব মেমোরী (দায়িত্বশীলদের পর্যবেক্ষনে) কিংবা কাগজে-কলমে লিপিবদ্ধ থাকে। তাহলে চিন্তা করুন, আপনি কতটুকু ধারণা, শোনা কথা আর কতটুকু জ্ঞান নিয়ে কারুর বিরোধিতা করে যাচ্ছেন? আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, শুধু ধর্মান্ধ তথা ধর্ম সম্বন্ধে অন্ধসুলভ জ্ঞান রেখেই নয়; বরং নিজের অজান্তেই কি না কে জানে, ধর্মের বিরোধিতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিরোধিতায়ও আপনি প্রায়ান্ধকে ছাড়িয়ে আরো এক ধাপ এগিয়ে আছেন। যুঞ্চিক্ত'র লেখার ব্যাপারেও সেই একই নীতি অবলম্বন করেছেন " কি লিখলো না লিখলো , তা নিয়ে আমার কোনই মাথা ব্যথা নাই" বলে। (বাস্তবতা উল্লেখ করার জন্যই এভাবে বলতে হলো; দুঃথিত)
{ আর আপনার ঐ শত শত "ভদ্রলোকের " যদি মেরুদন্ড বলে কিছু থেকে থাকে , তাইলে এই পোস্টে এসে "সালাম" জানিয়ে যাক। }
=প্রথমতঃ ব্লগের পাঠক অনেক অনেক, যারা লেখেন না বা রেজিষ্ট্রেশনও করেননি। আমার বুঝে আসছে না তেমন পাঠকদেরকে আপনি মেরুদণ্ডহীন বলার মত ধৃষ্টতা কিভাবে দেখালেন। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে, তারা প্রত্যেকেই ব্লগে নাম রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার এ "পোষ্টে" এসে সালাম করে যাক? এখন ঠিক বুঝতে পারছি না কাকে মেরুদণ্ডহীন বলবো?
দ্বিতীয়তঃ রেজিষ্ট্রেশনকৃত ব্লগারদের মধ্যে যারা যুঞ্চিক্তর হীন ও নিকৃষ্ট মানসিকতার বিরুদ্ধে কথা বলেছে, বলছে কিংবা ঝামেলা এড়াতে কষ্ট পেয়েও এড়িয়ে গেছে অথবা অন্তত মনে মনে ঘৃণা করেছে,আলাপচারিতায় যতটুকু জরিপ করা সম্ভব হয়েছে, তাতে বুঝলাম যে, তাদের অনেকেরই রুচিতে কুলোচ্ছে না আপনার উৎসাহ পেয়ে ধন্য গালিবাজদের (ভাই বলবো কি না বুঝতে পারছি না, কারণ আপনার নিষেধ আছে, তাছাড়া মনে মনে আবার কি ভেবে বসে আছেন কি জানি) সাথে মন্তব্য দিতে।
{ ইসলামের নিয়ম কানুন শিখাইতে আসতে হবে না। আপনি একজন মাত্র মানুষ । ভাব নেন যেন, একলা আপনার লেখা দিয়েই ইসলাম কায়েম করে ফেলবেন । জীবনে কয় জন মানুষরে মুসলমান বানাইতে পারসেন? ঐ হিসাব করেন , তাইলেই বুঝবেন কতটা "ফাঁপা" আপনার এই আস্ফালন। আপনারে ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব কে দিলো ? }
=আমি যদি তেমন কোন ভাব নিয়ে থাকি তো আল্লাহর নিকট বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তিনি আমাকে এবং আপনাকে ক্ষমা করুন এবং হেদায়াত দিন।
তবে ইসলামের জন্য আপনার ভাষায় "আস্ফালন" বলেন আর আমার ভাষায় "চেষ্টা-সাধনা"বলি না কেন, এই দায়িত্ব আমার প্রতিপালকই আমাকে দিয়েছেন তাঁর বাণী আল-কুরআনের মাধ্যমে। তিনিই আমাকে জানিয়েছেন যে, ((তার চাইতে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে এবং সৎকাজ করে অতঃপর বলেঃ আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত )) [সূরা হা-মীম-আস্-সাজদাহ্/ফুসসিলাতঃ ৩৩] এবং প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেনঃ ((প্রচার কর; যদি আমার পক্ষ হতে একটি কথাও তোমার নিকট থাকে)) আর কি প্রয়োজন বলুন? বুঝতেই পারছেন কত বড় মহান দায়িত্ব আমার, আপনার তথা সকল মুসলমানদের উপর।
{ কোর আন রক্ষার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন । আলহামদুলিল্লাহ । তেলাপোকা বা আপনার মত মুসল্মানের হাতে দিলে , মুস্লিম হিসেবে আমি আত্মহত্যা করতাম লজ্জায় । }
=এ জন্যই তিনি কুরআনের হেফাযতের দায়িত্ব নিয়েছেন,আল্লাহ্ আপনাকে আত্মহত্যা থেকে রক্ষা করলেন। তাঁর নিকট হাজার শুকরিয়া। কিন্তু কুরআনের প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তিনি ঠিকই মুসলমানদেরকেই কেবল নয়;বরং সকল মানুষের উপর বর্তিয়েছেন।তিনি বলেছেনঃ ((তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন দ্বীন, যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি নূহকে, আর যা আমি ওহী করেছি আপনাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মূসা ও ঈসাকে, এ বলে যে, আপনারা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করুন...)) [সূরা আস্-শূরাঃ ১৩] এখানে প্রথম রাসূল নূহ 'আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত উল্লেখ করার মাধ্যমে আল্লাহ্ সকল যুগের সকল মানুষকেই জানিয়েছেন। সুতরাং কোন বিধান প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমার উপর অথচ তার অসম্মান আমি সহ্য করে যাব; এটা কেমন দায়িত্বশীল বলুন? আপনারা যারা কুরআন এবং কুরআন আনয়নকারী নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবমাননাকারীর পক্ষে উৎপাত করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য তো মনে হচ্ছে "সহ্য" মহা "ধৈর্য" রূপান্তরিত হয়ে গেছে। এখন এসব দেখে আমার লজ্জা পাওয়া উচিত কিনা চিন্তা করতে হবে।
{ যেই কোরানের রক্ষা কর্তা আল্লাহ , সেই কোরান নিয়ে আক্রমনের জবাব "পোস্ট মুছে " নোটিশ বোর্ডের না দিলেও চলে । নাকি বলতে চান, আল্লাহ নোটিশ বোর্ডের চেয়ে দুর্বল? }
=আগের অংশে বলেছি কুরআন রক্ষার দায়িত্ব কার আর প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কার? এবং প্রতিষ্ঠাকারীদের ভূমিকা কি হবে? নোটিশবোর্ড তার নীতিগত দায়িত্ব পালন করলেও এ জাতীয় নিকৃষ্ট লেখার প্রতিবাদ করা এবং নোটিশবোর্ডকে ধন্যবাদ বলা মুসলমানেরা নিজেদের কর্তব্য বলেই মনে করছে।এবং "আল্লাহ্ নোটিশবোর্ডের চাইতে দুর্বল কি না"-এমন জানতে চাওয়াটা নিতান্ত ছেলেমানুষী মনে হলো। ত্যানা না পেঁচিয়ে যেটুকু বলার তা হলোঃ আল্লাহ্ তা'আলার একটা সুনির্দিষ্ট নীতি রয়েছে। তিনি তাঁর নীতিতে কোন পরিবর্তন আনেন না। তিনি বলেনঃ ((এটাই আল্লাহর রীতি; যা পূর্ব থেকে চালু আছে। আপনি আল্লাহর রীতিতে কোন পরিবর্তন পাবেন না ))[সূরা আল-ফাতহঃ ২৩]
{ আমার বিশ্বাস বহুত শক্ত । আর মুসলমানিত্ব ও অনেক বেশি সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন । আপনাদের মত দুর্বল চিত্ত মুসলমানদের দেখে আমার বড় জোর করুনা হয়। আর কিছু না। আপনাদের মত লোকদের দেখে আর যাই হোক , বিধর্মী বা নাস্তিক কারো ইচ্ছা হয় না , ইসলামের পথে আসতে । }
=খুব একটা বিশ্বাস করতে পারলাম না। কারণ, গ্রামে গঞ্জে একটা কথার বেশ প্রচলন আছে, তা হলোঃ "হে গাছ! তোমার কি নাম? গাছ বললোঃ ফলই আমার পরিচয়।"অতএব,"বহুত শক্ত" এবং "অনেক বেশি সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন" মুসলমান বোনটির কাছ থেকে বিধর্মী বা নাস্তিকদেরকে ইসলামের পথে আনয়নের জন্য কাজ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নীচের প্রসংগকে আগেই টানতে হচ্ছে যে, সুবক্তা সাঈদী সাহেব বলেছিলেন যে, "কাল যদি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে, তবে আমি বলবো জামায়াতে ইসলামী নাকম কোন দলের কোনই প্রয়োজন নেই"। সুতরাং আপনাদের মত শক্তিশালী মুসলমানগণ এগিয়ে আসলেই তো ইসলামের কথা বলার জন্য আমাদের মত "দুর্বল চিত্ত"মানুষগুলোকে আর যাঁতাপেষা হতে হয় না;আবেদনটা নিয়ে ভাববেন আশা করি।
{ জামায়াত ইসলামী হলো , খুনী , ধর্ষক , প্রতারকের দল । বাংলাদেশের মাদক আর অস্ত্র ব্যবসার খোঁজ খবর আপনি জানতে না পারেন , গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত সবাই জানে কেমনে কি । কিন্তু , ক্ষমতার "পলিটিক্সের" কারনে প্রকাশ্যে বলতে পারে না। দলিল গুলো গোপনই থেকে যায় । সাক্ষী থাকে কিছু মানুষের কান , চোখ আর স্মৃতি । আর এই সব সাক্ষীদের কাছ থেকে জেনে যায় কিছু মানুষ। }
অসাধারণ (?) সব তথ্য দিলেন তো!পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ আর বর্তমানের দূর্নীতি বিরোধী সরকার কি তাহলে জামায়াতের কাছে এতই দুর্বল? তারা আব্দুল জলীল, বাবরের মত শীর্ষ নেতাদের ধরে ধরে খুন (খুনে সহযোগিতা), জালিয়াতী, ডাকাতী (রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার)ইত্যাদী সুকীর্তি (?)গুলো বের করছে আর "পলিটিক্স"-এর কারণে বলতে পারছে না, কি আশ্চর্য! কি আশ্চর্য!! সাবধান! ফখরুদ্দিন সাহেবের কানে গেলে কিন্তু অপবাদের মামলায় পড়ে যেতে পারেন। আপনার মত "ভালবাসা"ভিত্তিক ব্লগারকে আমরা হারাতে চাই না।
{ এই সব জামাতী জানোয়াররা না কোন দিন ইসলাম কায়েম করবে , না কোন দিন জনগনের ভোটে সরকারে যাবে। পিছন দরজা দিয়ে আর "পশ্চিমা " চাচা আর সৌদি আব্বাদের পা চেটে বড় জোর "চড়তে " পারবে। টিকতে পারবে না । }
=আফসোস হয় সেই সাধারণ মানুষগুলোর জন্য, যাদেরকে পশ্চিমা আর সৌদীদের "পা চাটা"র দায়ে দায়ী করলেন; আবার দেশের মানুষকে বলে যাচ্ছেন যে, আপনারাই দেশপ্রেমিক। যদি আমার এই আফসোসকে অমূলক বলেন, তাহলে কি বলবেন যে, পশ্চিমারা এবং সৌদিরা বাংলাদেশের নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রে লাইন ধরে ভোট দিয়ে ইসলামপন্থী এমপিদেরকে নির্বাচিত করেছে?
{ মীর জাফর নাম যেমন চিরকাল ঘৃনিত , জামাত , গোলাম আজম , নিযামী , সেই রকম ইতিহাসে ঘৃনিতই রয়ে যাবে । }
=দেশের মানুষ অবশ্য মীর জাফরদেরকে চিনতে শুরু করেছে ধীরে ধীরে। ঘৃণা গুলো জমা করে রাখুন,সব একসাথে ঢেলে দিলে আগামী দিনগুলোতে যারা জনপ্রিয় "মীর জাফর" হতে যাচ্ছেন,তাদেরকে কি দেবেন?
{ পশুকে হিরো বানানোর চেষ্টা করে কোন লাভ নেই । সত্য কোন দিন চাপা থাকে না। ৭১ এ যারা নিজের চোখে দেখেছেন কি হয়েছে , তাদের "আদালতের প্রমান" লাগে না। এই মানুষরা এবং তাদের বংশধরেরা চিরকাল , জামায়াত এ ইসলামী , শিবির , রাজাকারদের ঘৃনাই করে যাবে। }
=রাজাকার যদি শুধু জামায়াত-শিবির হয়, তাহলে লিস্টে আরো যাদের নাম আছে, তাদেরকে মুছে ফেলুন। আপনারা তো আবার পারেনও,আপনাদের পিতাজী সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন, আর সন্তান হয়ে পিতার এতটুকু মান পর্যন্ত রক্ষা করতে পারলেন না।
{ জামায়াতের সাথে এক লাইনে "ইসলাম " লিখে আল্লাহর অপমান করবেন না । আল্লাহ , ইসলাম কিংবা মুসলিম জীবনের সাথে আর যাই হোক "জামায়াতের মত" মোনাফেকদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। }
=মুনাফেকীর সংজ্ঞাটা বোধ হয় শুরুতেই পেয়ে গেছেন। তবে জামায়াতের বিরোধিতা করতে হলে জেনেশুনে করুন। কিছু বইপুস্তক পড়ুন তাদের, কিছু কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে দেখুন,তারপর না হয় বিরোধিতা কোমর বেঁধেই করুন।
{ আপনি নিজে যদি ভালো মানুষ হোন , তাহলে সেই টুকুই বলুন। আর কারো চরিত্রের দায়িত্ব নিতে যাবেন না । ঐটা সঠিক ভাবে জানেন শুধু আল্লাহ, আপনাকে কোন ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই । এইটা মনে রাখবেন। }
= কি আশ্চর্য! চোখে দেখেও কি বলতে হবে যে, আমি কিছু জানি না, কিছু দেখিনি! আপনি কি আমাকে মিথ্যা বলার কিংবা মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন?আপনার লেখায় উদাহরণই টেনেছেন যে, আমি "দুর্বল চিত্তের মুসলমান", তা আপনিই বলুন, এই বুঝার ক্ষমতা আপনি পেলেন কই? এটা জানতে এবং বুঝতে কি আপনাকে ঐশ্বরিক ক্ষমতা অর্জন করতে হয়েছিল? হ্যাংলামী দেখে বাঁচি না।
--------------------------------------------
বি:দ্র: -ভেবেছিলাম পোষ্টের মন্তব্যতেই দেব, কিন্তু দেখলাম আপনি আলাদা পোষ্টই হেঁকেছেন। এদিকে আমিও তো দেখি লিখতে গিয়ে ডবলপোষ্ট বানিয়ে ফেলেছি।
এই লেখাকে "ফজলে এলাহি" ব্লগের জন্য উপযুক্ত মনে করলাম না, তাই এই ব্লগেই দিলাম। আর আপনারা জানেন যে, দু'টি ব্লগই এক ব্যক্তির।
{....} দ্বিতীয় বন্ধনীর বেষ্টনে রাগ ইমনের লেখা।
= সমান চিহ্ন দিয়ে শুরু হওয়াগুলো আমার লেখা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


