somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... = বিহ্বল চেতনা কে দিয়েছে কথা, কোন কালে, কি দলীলে; প্রশ্নমালা

হাওয়া বয়ে যায়, সময় কেটে যায়; অনুভবে
জোয়ার ফিরে আসে, ফেরানো যায় নদীর স্রোতও; আশার বাণী

সময় চলে না পেছনে সম্মুখ বিনা; নিয়তি
সাথে নিয়ে চলে সবকিছু পরিমণ্ডলে; রহস্য


ধুনো তুলোর মত উড়ো উড়ো মেঘ; আকাশের সুন্দর
সহসা ঘনীভূত হয় কালো পাহাড়; ভালোমন্দ সংকেত
তৃষ্ণা মেটায় অথবা ভাসায় প্রবল বানে; পাওনা
এভাবেই হাঁটে জগতের পরিক্রমা সময়ের পথে; নিয়ম

চলতে চলতে পথে ক্লান্ত পথিক জিরোয় খানিক; সফর
র'চে না প্রাসাদ সে গাছের তলায় কখনো; বুদ্ধিমান
এই তো কিছুক্ষণ, তারপর শুরু নতুন সফর; চলমান
কি হবে সাজিয়ে আয়োজন প্রয়োজন যেথা নগন্য; বিবেকবান
ঐ তো দূরে পথের হাতছানি চলো মুসাফির; অনন্ত
চলো মঞ্জিল পানে, পৌঁছাতে হবে নিরাপদে; জান্নাত
সাথে নিয়ে সঞ্চয়, চাবি ও প্রবেশ পত্র; সৎকর্ম

তবু কেন পথেই পড়ে থাকো হে পথিক; ভোলামন
পথেই গড়ো তোমার অনন্ত; বোকামন
ঐ সম্মুখে নেই দাঁড়িয়ে অনন্ত দিন; চিন্তার বিষয়
আছে এক অজানা সময়; জ্ঞানের ফসল
জানো না কখনো তা শেষ হবে; অজ্ঞ
জানো না কখন ফুরাবে তোমার পথ; অসহায়

-৯ আগষ্ট ২০১১
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29428331 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29428331 2011-08-09 06:14:56
কবিদের বয়স কত হয়? দূর প্রবাসে যথা তথা
ঘুরি সারাদিন।
মায়ের কোলের নির্ভরতা
ভুবনে নাই কোথাও তা
খুঁজি প্রতিদিন।

শিরোনামের সাথে মোটেই মিল নেই উপরের পংক্তিগুলোর। আমি জানি।
তবু এই বদ্ধ হৃদয়ের জানালা কপাট সব ভাঙ্গবো বলে তুলে দিলাম কিছু লাইন। অনেক পুরোনো, জানি না কবেকার। খুঁজে পেয়েছিলাম সেদিন। মাঝে মাঝে এখানে ওখানে দু'চার লাইন লেখা হয়ে যায়, তেমনি হবে হয়ত।
দু'হাতের বন্ধন ছিঁড়বো বলে লিখে দিচ্ছি কিছু উদ্ভ্রান্ত কথা। হয়ত কিছু হবে, হয়ত কোন ক্যাটেগরীতেই ফেলা যাবে না। তবুও তো লিখছি। এতেই বোধ করি আজকের মত খুশী থাকতে পারবো।

বয়স একজন মানুষের পুঁজি। আপাতঃদৃষ্টিতে আমরা সেটার বৃদ্ধি দেখতে পেলেও জ্ঞানবুদ্ধি বলছে আসলে সেটার ঘাটতি হচ্ছে দিনে দিনে। এরকমই হবে। বিকল্প নেই। মানতে কষ্ট হলেও এটাই স্বাভাবিক।
প্রতিভা প্রতিজন মানুষই ধারণ করে থাকেন। জীবনের এই প্রতিযোগিতায় সবাই আঁকেন। যার যার ক্যানভাস ভিন্ন, তুলি ভিন্ন, রং ভিন্ন, দেখার দৃষ্টি ভিন্ন। তবু সব মিলিয়ে জীবনের জন্য, জগতের জন্যই আমাদের এই প্রাণান্ত দৌড়।
ভাবছি একটি প্রতিভা মানুষকে কতদিন আঁকড়ে থাকে। যতদিন আঁকড়ে থাকে, ততদিনই তো সে প্রতিভার বয়স ধরতে হবে। হাঁ, কেউ কেউ প্রতিভা অর্জনের পর কিংবা প্রকাশের পর থেকে যতদিন জীবন পায়, ততদিন তা ধারণ করতে পারেন। কিন্তু সবাই কি পারেন?
তাই তো প্রশ্নটা কিলবিল করছে মগজে, ঠিক কিলবিল নয়, বলা যায় 'কিলাকিলি' করছে।

হুম, বিভ্রান্ত হবেন না। বুঝতেই পারছেন, আমি এখানে একজন কবি প্রতিভাধারী মানুষের বয়স জানতে চাইনি; বরং একজন মানুষের মধ্যকার কবি প্রতিভার বয়স জানতে চেয়েছি।
২২ জুন ২০১১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29401061 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29401061 2011-06-23 00:50:52
আমার বিপন্নতা ডাউনলোড করুন: আমার বিপন্নতা

প্রখ্যাত হতে হতে অবশেষে অখ্যাত হয়ে গেলাম।

আমি বলতে জানতাম না
তোমরা ইনিয়ে বিনিয়ে আমায় বলা শেখালে,
মুখস্থ করতে করতে একদিন বক্তা হলাম
পল্টন মুক্তাঙ্গন কাঁপিয়ে দিলাম কণ্ঠের কম্পনে
আমার নিজস্ব ভাবনাতে নয়;
তোমাদের বলাতে ও শেখানো বুলিতে।

আমি লিখতে জানতাম না
তোমরা হাতে হাত ধরে খড়িমাটি আর শ্লেটে,
কাগজে ও দেয়ালে
পোষ্টারে ও প্লাকার্ডে
নতুন বইয়ের মোড়কে ও সংবিধানে
আমায় লিখতে শেখালে, তোমাদের নিজস্ব কায়দায়
আমি লিখে গেলাম যেন কলম হয়ে;
কখনো মানুষ হয়ে নয়।

আমি ছিলাম বিপন্ন
তোমরা আমায় তোয়ালেতে ঢাকলে,
গরম কাপড়ে জড়িয়ে নিলে আমার সবটুকু
খেলনা, পড়ার টেবিল, চেয়ার, আরামদায়ক খাট
সুদৃশ্য ঘরদোর, সাইকেল, মটর থেকে গাড়ি, উড়োজাহাজ;
আমি উড়তে উড়তে ভুলেই গেলাম তোমাদের কথা
কারণ, তোমাদের শেখানো পদ্ধতিতে চলেছিলাম এতটাকাল।

এতকাল পর নিজের দিকে তাকালাম, ফিরে তাকানো নয়
আগে তো কখনো তাকানোর ফুরসৎই মেলেনি।

পৃথবীতে নিজস্ব পথে চলা অনেক কঠিন।
কেননা, গলির মোড়ে নির্বাক ভিখারিটি আমার বাকশক্তি কেড়ে নিল
কেননা, দু'হাত কাটা যুবকটির কলম ধরে লেখার প্রয়াস আমার হাত কাঁপিয়ে দিল
কেননা, ফুটপাথে আমার পায়ের তলায় পড়া বিবস্ত্র প্রায়, বিপন্ন শিশুটি
আমায় উলঙ্গ করে দিল, বিপন্ন করে দিল।

৬ এপ্রিল ২০১১
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট থেকে পড়ুন: আমার বিপন্নতা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29376516 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29376516 2011-05-06 21:38:43
বুকের ভেতর শব্দগুলো ধুলো বালি মেশানো চটচটে, কিছুটা আঁশটেও
দারুন অবহেলিত যেন পথের টোকাই, যেন এতিম
যেন দু'মুঠো খাবারে জন্য নিজের সর্বস্ব খোয়াতে প্রস্তুত;
যেন টোকা মেরে যদি কেউ তুলে নেয় বুক পকেটে
স্বার্থক তার জীবন, পূর্ণতা পেল যেন জীবনের চাওয়া,
কি ব্যাকুল আকুলতা দেখেছি প্রতিটি অবহেলিত শব্দে।

অথচ জন জন চলে যায়, টুকরো পথে অথবা ক্ষণিক
শেষ সীমানায়, কাঁটাতারের ওপাশ থেকে ফেরা যায় না।
কেউ উল্টানো ঠোঁট থেকে ছুঁড়ে মারে তিরস্কার, শ্লেষ্মা
জুতোর ঠোকায় সরিয়ে দেয় ভোগের পথ থেকে কেউবা
তবু বার বার জড়িয়ে যায় মোজার সাথে, পাজামার সাথে
লুঙ্গি অথবা ধূতির ছেঁচড়ানোতে, ওরা উঠে আসতে চায়
ছুঁতে চায় বুক পকেট, বুকের যমীন, বিস্তারিতে শেকড়।

কিছুদূর এগিয়ে দেখি একদল মালি, দুরস্ত পরিপাটি
হাতে কাস্তে, ঝাড়ু, ছড়ি, ঝুড়ি আর দেশলাই; চুরুটও
বিনয়কে এগিয়ে দিয়ে জানতে চাইলাম: ব্যাপার কি?
প্রণয়ের সুরে বলল: শব্দ গুলোকে দেখেছ কোথাও?
বিভক্ত মনন সকল দ্বিধা সরিয়ে চাপা দিল 'উত্তর'।

ফিরতি পথে পথে খুঁজে ফিরলাম শব্দ গুলো, কি এমন শব্দ!
হাতে নিয়ে দেখি আর দেখি, আবার দেখি, কেবলি দেখি
সহসা মুচড়ে উঠলো বুকের যমীন আমার, শুরু হলো ভূকম্পন
যেন জন্ম থেকেই এরাই ছিল আপন; এত দিন কোথায় ছিলে?
ইতিউতি দেখে তুলে নিলাম বুক পকেটে, যতনে, সম্মানে
ছুটে চলি নিরাপদে, স্বজনের পানে, হাতে চেপে বুকের পকেট
ফিরে দেখি বুকপকেটে নেই আর শব্দগুলো, উধাও, আমি শংকিত
তারপর ধীরে ধীরে শব্দগুলো অনুভব করতে থাকি বুকের ভেতর।
শব্দগুলোর নাম- বিশ্বাস, সৎকাজ, কেয়ামত, আখেরাত, জান্নাত...!

২৩ এপ্রিল ২০১১
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।

ডাউনলোড করুন: ডাউনলোড লিংক: Click This Link

কবিতাটির জন্য আরো ভিজিট করেত পারেন:
www.fazleelahi.com এবং www.bishorgo.com ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29367919 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29367919 2011-04-23 17:19:46
=ক্ষমা কর মহীয়ান একান্ত তোমার গুণের বদৌলতে।

কি করে তুলবো দু'টি হাত
তোমার মহাপবিত্র দরবারে;
আমাদের দু'হাত অপবিত্র পঙ্কিল পাপে
রঞ্জিত নিরপরাধ মানুষের লাল রক্তে।

দু'চোখে ঝরে না হৃদয় গলা অশ্রু
অন্ধত্ব তাতে সওয়ার হয়েছে অদৃশ্য জিনের মত;
দেখি না সত্য, দেখি না তোমার কারুকাজ,
দেখি শুধু মানুষ, দেখি না মানবতা।

হৃদয় যে পাথুরে হলো জন্মের কিছুদিন পরে
'আলমে আরোয়াহ'র সে স্বচ্ছতা থাকেনি,
স্খলিত হলো স্বীকৃতি; তোমাতে দেয়া,
নামের মানুষ হয়ে বেড়ে উঠলাম দিনে দিনে
পিতামাতা, সংসার, সমাজের নিয়মে ও দ্বীনে।

আমাদের ক্ষমা কর মহীয়ান,
সময়ের হিসেবে শতাব্দীর এ শুরুটা নির্মম;
এ নির্মমতা আমাদের অর্জন, আমাদেরি পাওনা,
দেশে দেশে ভাইয়ে ভাইয়ে রক্তের হোলি খেলা
সইতে না পেরে যেন বার বার কেঁপে উঠে শঙ্কায়
তোমার অনুগত এ ধরা, এ সবুজ গ্রহ পৃথিবী।

মানুষ ছাড়া বাকী সৃষ্টিরা যেন বিব্রত আজ
দেখে অবিচার তোমার প্রিয় শ্রেষ্ঠ এ সৃষ্টির।

তুমি মহীয়ান!
তাই করে যাও ক্ষমা অবিরাম,
অযোগ্য আমরা এখন যেন ক্ষমারও অযোগ্য
তবু তুমি মহীয়ান! তোমার গুণের বদৌলতে
ক্ষমা কর আমাদের।

১১ মার্চ ২০১১
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।

কবিতাটির পিডিএফ ডাউনলোড করুন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29342798 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29342798 2011-03-12 01:18:43
=বহুদূর, বহুক্রোশ ও যোজন হয়ত অপেক্ষার প্রহর গুনছ, 'ক'বে আসবে তুমি'
এ আক্ষেপ মুখে নয় যেন তোমার সমগ্র সত্তা জুড়ে
আমার দু'চোখ অন্ধ এখানে, মাঝখানে বহু দেশ-দেশান্তরের বাধা
কল্পনার বহু চোখে দেখি তোমার দিনান্তের বিরহ
বিনাতারে ভেসে আসা তোমার কণ্ঠে বাজে এক পৃথিবীর আক্ষেপ
'ক'বে ফিরবে তুমি.....'!

সন্ধ্যা হতে ঝুম বৃষ্টি, মাঠ-ঘাট ছাপিয়ে শীতল বাতাস
তোমার এসএমএস জুড়ে উত্তাপের তীব্র আকাংখা
আমি বার বার আকাশের দিকে তাকাই, দেখি মেঘ, মেঘেরও ওপারে
কোথায় সে বৃষ্টি, যার শীতলতায় এ প্রাণ জুড়াবো তোমার কাছাকাছি
তোমার পাশাপাশি দেখবে আমায় ভোরের সূর্য, পাখিরা শোনাবে গান
দুর্বারা ধুয়ে দেবে দু'জোড়া পা, সন্ধ্যা তারা হাসবে মিটিমিটি ঐ দূরে
আর রাত্রিময় লিখিত হবে মহাকাব্য, আরব্য রজনীর এক হাজার এক রাত
এমনি হাওয়ায় হাওয়ায় ভাসছি আমি, দুলছো তুমি সারাবেলা, সারাক্ষণ
তুমি আছো সর্বত্র আমার, তুমি নেই কোথাও স্পর্শে, তুমি বহুদূর
তবু তুমি আছো আমার হৃদয় জুড়ে, একান্ত সঙ্গোপনে ঠিক ততক্ষণ
যতক্ষণ আছি এই আমি, মাঝখানে ব্যবধান বহু দেশ, বহু ক্রোশ ও যোজন।

-৪ জুন ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29320770 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29320770 2011-02-05 16:58:24
= দীঘল রাতের স্বপ্নগুলো আমায় দিও বির্সগ ব্লগফজলে এলাহি ডট কম
দীঘল রাতের স্বপ্নগুলো আমায় দিও
আমায় দিও, তোমার যত ভালবাসার প্রহরগুলো।
রোজ প্রতিদিন হত্যা হত্যা শুনতে যে আর ভাল্লাগে না
মরতে হবে জানি সে কথা, মরবো সুখে
কোন্ দুঃখেতে মরতে যাব হতাহতে?
মাঝে মাঝে স্বপ্ন লাগে, এই নিশিদিন
কেমন যেন একটা ঘোরে কাটে সময়,
দু'কান জুড়ে যা শুনি তার সবটুকু প্রায় খুন-ধর্ষণ
দু'চোখ জুড়ে যা দেখি তার সবটুকু প্রায় জুলুম-শোষণ
এই নিপীড়ন সইতে সইতে ক্লান্ত এখন।
বাস্তবতার ডরে কাঁপে মনোবীনার প্রতিটি তার
এমন কালে ঘুমের কোলে ঢলে পড়ায় শান্তি মেলে
তাই তো কেবল স্বপ্ন দেখে বেঁচে উঠি, কর্মে ছুটি
স্বপ্নগুলো আমায় দিও,
দীঘল রাতে কিংবা ভোরে কিংবা দিনদুপুরে
স্বপ্নগুলো আমায় দিও।

ক্লান্ত দিনের শ্রান্তিগুলো মুছে দিও
সত্য পথে ক্লান্ত হতে বিরক্ত নই, খুব করে চাই
শৃংখলাহীন জগত দেখে, নির্যাতিতের অশ্রু মেখে
ঘর পোড়ে যার, আগুন দেয়ার অপরাধে তাকেই ধরা
স্বজন হারা শোকের ঘোরে শোনে যখন নিজেই হন্তারক
কি করে যে বিবেক বাঁধি নৈতিকার জালে তখন;
ভেঙ্গে দিতে ইচ্ছে করে এই খেলাঘর, তুচ্ছ লাগে
ক্লান্তিগুলো তখন বড় ওজন লাগে, বইতে পারি না
কষ্টগুলো মৃত্যু মৃত্যু স্বাদে ভরা, শুধু মৃত্যু আসে না
স্বপ্নগুলো তখন বড় মধুর লাগে, ভাবি যদি হায়...
স্বপ্নে আমায় ডেকে নিতে আরশ মালায়.....
ফিরতে আমার ইচ্ছে কভু হতো না আর।

-৪ মে ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29191882 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29191882 2010-07-04 03:01:28
= রুবাইয়্যাত জলের আঁধার শূন্যতাকে কয় ডেকে- চুম,
বলাকাদের পাখার বাতাস দোলায় না কাশবন
একলা পাখির দু'চোখ জুড়ে নেই কেন ঘুম?
-১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৪]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29184411 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29184411 2010-06-24 23:15:24
= সমঝোতা বিসর্গ ব্লগ এবং ফজলে এলাহি ডট কম

পার্থিবতাকে আগলে ধরে ক্রমাগত সরিয়ে দিচ্ছি অপার্থিবকে
অদৃশ্যকে, অবাস্তবকে, 'কেউ কেউ বলে' কিংবা 'শুনেছি' জাতীয় উদাহরণে
অথচ প্রতিনিয়ত পার্থিব হতে অপার্থিবে পাড়ি জমাচ্ছি, আমার মানব।
যদি দৃশ্যমানই হবে জীবনের চৌহদ্দি, তবে কেন 'বিশ্বাস' শব্দটির জন্ম হলো?
'প্রকাশ্য' শব্দের সাথে 'বিশ্বাস'-এর সংঘর্ষ চিরন্তন, বাঁধবে অনন্তকাল
ঈমানের নিগুঢ় রহস্য দানা বাঁধে এখানেই; অদৃশ্যের সাথে, অবাস্তবে, অপার্থিবে।
ক্ষণে ক্ষণে বদলায় দৃশ্যমান প্রেক্ষাপট, উপমা, উদাহরণ, সূত্রের বন্ধন
বিশ্বাসের প্রেক্ষিতে সৃষ্টি করে রাশি রাশি সংশয়, সন্দিহান হয়ে উঠে সমগ্র মনন;
কাল বেলার আশ্বাসে কে বসে থাকবে কতটা কাল, কে জানে সময়ের সমগ্রতা।
বিচ্ছিন্ন দিনকাল ফের গুলিয়ে উঠে বিশ্বাসের কড়াইয়ে, তৈরী হয় পাঁচন
পাঁচনীয় বিশ্বাস গলধাঃকরণ করে বেঁচে থাকি এই বস্তুবাদী নিরস পৃথিবীতে।
তবু আসমান হতে নাযিল হতে থাকে আশ্বাসের বাণী চিরন্তন, শুরু হত শেষ
আদম হতে মুহাম্মাদ (সা), কোন এক সহীফা হতে আল কুরআন:
ফিরে এসো! ফিরে এসো! কোথায় যাচ্ছ? কে তোমাকে বিভ্রান্ত করছে?
আমি ফিরে আসি, অবনত হই, চিত্তকে রঙিন করি মনিবের রঙে
প্রচেষ্টার সবটুকু শক্তি প্রয়োগ করে টেনে ধরি জীবন ঘোড়ার লাগাম;
খটাখট্, খটখট্; এভাবেই নিয়ন্ত্রিত হতে হতেও হয়ে পড়ি সামালহারা।
মূলত: নিরবচ্ছিন্ন গতির সাথে বিশ্রামের সুসম্পর্কই নিয়ন্ত্রিত ধারা
জীবনের সাথে সময়ের ভারসাম্যতাই সত্যিকারের নিয়ন্ত্রণ;
পার্থিবতা এবং অপার্থিবতার মাঝে এক সুনিপুণ সমঝোতা।

২৬ এপ্রিল ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29153100 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29153100 2010-05-11 15:48:23
ভুল হোক শুদ্ধ হোক, কত্তা মশাই সই বিসর্গ ব্লগ এবং ফজলে এলাহি ডট কম থেকে।
প্রতিনিয়ত পিষ্ঠ হতে কার ভাল লাগবে? কারুরই না। তবু মানুষের জীবনে, হয়ত কারো কারো জীবনে, বারবার ভাগ্য হয়ে ফিরে আসে পিষ্ঠ হওয়া। না, এখানে ডানলোপ কিংবা হানকোকের টায়ারে পিষ্ঠতার কথা বুঝানো হচ্ছে না। বরং মানসিকভাবে, শ্রম মাধ্যমে, বাক ব্যবহারে, অধিকার আদায়ে প্রতিনিয়ত সবল কর্তৃক দুর্বলের প্রতি যে পিষ্ঠন প্রক্রিয়া; আমি তার কথাই বলছি। তিনি, যে কেউ হতে পারেন, একজন পদের লোক, হয়েছেন, তাতে কি? তাই বলে কি বাকী সবাই 'লোক' নন? তিনি এমনটাই ভাবেন কিংবা আমাদের তৈরী সমাজ তাকেও এ শিক্ষাই দিয়েছে যে, অধঃস্তনদের 'লোক' ভাবতে নেই। নিছক কোন জড় পদার্থ কিংবা আধুনিক রোবট ভাবতে পার। তবে জড় পদার্থের চেয়ে রোবট বলাই যুক্তির কাছাকাছি। কারণ, জড় পদার্থে বাক নেই, রোবটে যা সম্ভব হচ্ছে দিনে দিনে। বিবেকবোধ শূন্য রোবটের পক্ষেই সম্ভব ন্যায় অন্যায় বোধহীন হওয়া। হাঁ, বাধ্য হয়ে কেউ কেউ নির্বোধ হয়ে যান। কিন্তু তা যে কতটা কষ্টের, কেবল ভুক্তভোগীই তা জানেন।

কি নির্লজ্জ ভাবে মানুষ একথা বলতে পারে, তা এর পূর্বে আমার জানা ছিল না। অথচ আশ্চর্য হলাম এই দেখে যে, ব্যাপারটি যেন আমিই জানি না; বাকী সবাই মোটামুটি জানে ও মানে। কর্তা ব্যক্তির ভুল হলেও ভুল নয়, আমাকে বলতে হবে তিনিই 'শুদ্ধ'(?)। কি নির্লজ্জ প্রহসন! শুধু 'তিনি'র মুখ থেকে নয়; প্রায় বাকী সকলের মুখ থেকেই একথা শুনতে হলো যে, 'তিনি কর্তা, তিনি যা বলবেন তা ভুল হোক আর শুদ্ধ হোক 'জি হুযুর' বলে যেতে হবে'।

ভাবলাম, ভাবছি এখনো, ওরাই বদলে গেল? না কি আমিই এখনো শিশু র'য়ে গেলাম, যে কিনা সহজ-সরলতার বাইরে আর কিছু ভাবতেই শিখিনি! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29152519 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29152519 2010-05-10 17:23:16
= নাটাই ছেঁড়া জীবন-ঘুড়ির সুতো ধরেছি ফজলে এলাহি ডট কমবিসর্গ ব্লগ

কথা গুলো তোমার কাছে কইবো ভেবে
ডাক দিয়েছি, হাত ধরেছি,
ভুল করেছি? শুধরে বল, যদি না চাও তাও জানাও।
পাখি গুলো উড়ে গেল শব্দ শুনে, আমার গলার
যদি তুমি পাখি হতে, পাখির মত উড়ে যেতে?
যাওনি তুমি, তবে কেন দ্বন্ধ-দ্বিধা
তাকিয়ে দেখ, এই তো আমি।

দু'চোখ ভরে তোমায় সখি দেখবো বলে
তাকিয়ে ছিলাম পথের পানে
তিরিশ বছর, হবে হয়ত, তার'চে কিছু বেশি।
আকাশ দেখি, রোজ সকালে, বাতাস মাখি গায়
দিন চলে যায়, সাথে করে জীবন চলে যায়
একটু একটু ক্ষণে ক্ষণে মুহূর্তরা ধায়
রুখতে তারে কোনভাবে পারিনা হায়!

তাকিয়ে ছিলাম তোমার পথের পানে
আসবে তুমি ধরবে দু'টি হাত
বলবে কথা, ভাবের কথা, প্রেমের কথা
সংসারী সব জটিল কথা, শিশুর কথা
বাজার খরচ, এই সামাজিক পঙ্কিলতায় শুদ্ধ কথা
রাজার কথা, রাজনীতিকের যুলুমবাজী; চুরির কথা
আবেগমাখা কাব্যকথা, গল্পগাঁথা, পুঁথির সুরে
জীবন জোড়া স্বপ্ন ধারা, শেষের বেলা
শোনাবে গান পবিত্রতার, 'অন্ত বিহীন অনন্তেও তুমি আমার...!'

ডেকেছিলাম, তাকিয়েছিলাম, শাস্ত্রমতে জড়িয়ে নিলাম বুকে
বুকের মাঝে উঁকি দিল প্রাণের পুতুল, হাসলে তুমি, হাসছি আমি
এই তো মোদের আগামী কাল, অদূর ভবিষ্যৎ।
যতন করে, আদর মেখে, চুমু এঁকে, শ্রমে-ঘামে সাজাও পরিচয়
মুক্ত কর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস জ্বর, অসুখ-বিসুখ, দৃষ্টি-নযর
অসভ্যতা, নোংরামী ও অনাচার আর মিথ্যা-কুটিলতা
সাজাও তোমার কোল
এই পরিবার, সমাজ ও দেশ, বিশ্ব-ভূমন্ডল।

তাকিয়েছিলাম, ডাক দিয়েছি, হাত ধরেছি, আপন করেছি
নাটাই ছেঁড়া জীবন-ঘুড়ির সুতো ধরেছি।

২২ এপ্রিল ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29142963 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29142963 2010-04-27 01:35:24
= স্পৃহা আরো পড়ুন: www.fazleelahi.comবিসর্গ ব্লগ
নিস্পৃহ দিনগুলোকে বলি: বন্ধুরা!
সাথ দিয়ে চলতে থাক
একদিন পথের বুক চিরে জীবনের স্পৃহা বেরিয়ে আসবেই।
আমি না হয় নিজের ভাবনা তুলে রাখলাম শিকেয়
কবিতার খাতাটা প্লাষ্টিকের ঠোঙ্গায় পেঁচিয়ে কিছুটা যত্নে
কলমটা পুরে দিলাম মুখাগ্রের টুপিতে
স্রষ্টার বেঁধে দেয়া সময়; দিনগুলি আমার একান্ত
তোমাদের যে চলতেই হবে
স্থিরতায় নিস্পন্দিত হয়ে যাবো আমি; চিরতরে!

অনেক আবদার এ জীবনের; তোমাদের সমীপে
'সময়টা কেন ভাল আসে না?'
জানি, ভাল মন্দের কলকাঠি কিছুই নেই তোমাদের হাতে
তবু প্রচেষ্টার প্রতিযোগিতায় যখনি পিছিয়ে যাই;
হেরে যাই
নিঃশেষ হবার বাসনা তখনি শুধু জেগে উঠে আহত সত্তায়
দোষগুলো তুলে দেই সময়ের পিঠে;
ফুরফুরে হাওয়ার সাথে সখ্যতার কি প্রবল আকাংখা জাগে তখন।

চাবিকাঠি নেই সীমানায় তবে সাধ্যতে আছে কত কিছু
সময়ের দেয়ালে পারি রঙ লাগাতে, সেঁটে দিতে পোষ্টার
ইচ্ছেমত লিখে, আঁকতে পারি আজন্ম লালিত স্বপ্নগুলো
ফেলে রাখতে পারি হেলার পট-এর মত; অচিত্রিত
ফেলতে পারি ভেঙ্গে খান খান করে আঘাতে আঘাতে,
কখনো কখনো বিধাতা আমার ভাগ্য আমাকেই লিখতে দেন।

তারপরও অঙ্কুর থেক পূর্ণতা এবং ঝরে পড়ার দিনগুলোতে
তোমরাই পাশাপাশি, সাথী, বন্ধু ও প্রিয়জন
তৃষ্ণ হই এ সবুজ গ্রহের পানির পিপাসায়
বিতৃষ্ণ হই পানিরূপ বিষ পানে, তিক্ত দর্শনে, মর্মভেদী শ্রবণে
স্বাদাকাংখিত জীবনের বিস্বাদ পাঁচনে।
কলমের মতই শিরোর্ধ্ব টুপিতে তখন ঢেকে নেই দু'চোখ
রুমাল গুঁজে ঢেকে দেই দু'কানের পর্দা
সহ্য করে যাই অনুভবগুলো ভোঁতা করে ফেলে
কেবল পারিনা চেপে ধরতে নাকের দু'টি প্রবাহ
কারণ, 'প্রবাহ'র সাথে 'সময়'এর সখ্যতা নিদারুন স্বল্প-
সাধারণত: জীবন কাল
মাত্র এক মিনিট!

১৮ এপ্রিল ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদি আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29137444 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29137444 2010-04-18 21:58:41
= জালিম কাঠুরিয়া তুই কেটে নিবি বৃক্ষ-চূড়া?
নে!
শাখা-প্রশাখা এবং কাণ্ড থেকে জেগে উঠবে বহু চূড়া,
বৃক্ষ মাথা।
কেটে নিবি শাখা-প্রশাখা-কাণ্ড কাঠও?
নে!
ভয় নেই।
শেকড় প্রোত্থিত আছে মাটির বহু গভীরে।
একটি বৃক্ষ ভেঙ্গে পড়বে,
খণ্ড-বিখণ্ড হবে,
ছাই-ভষ্ম হবে;
জেগে উঠবে অগুণতি বৃক্ষরাজি,
হবে মহীরুহ।
একদিন হারিয়ে যাবিরে জালিম কাঠুরিয়া তুই.....
গহীন অরণ্যে!

২১ মার্চ ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29137177 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29137177 2010-04-18 13:28:14
=একগুচ্ছ পুতুল ও একদল চোখ-কান বাঁধা মানুষ আমাদের বিদায় জানিয়েছিল সোনার বাংলাদেশ

হিম-শীতল বাতাসে থেকে থেকে কোথাও কেঁপে উঠে পল্লব
কেঁপে উঠে অন্তর!
ট্রিগার ছোঁয়া শাহাদাতের শরীরে চমকে উঠে রক্ত কণিকা
অনেক তো হলো।
রক্তের দামে রঙ্গিন হয়েছে রঙ্গমহল
প্রাসাদের বাইরে চার পা-দু’পায়ে ছিল না ব্যবধান
তবু শুধু ‘আমি’ই বলব কথা;
কলমের নিব-এ মরচে ধরিয়েছ
কাগজের কলে আকাল পড়িয়েছ
ইথার ছেঁকে ছেঁকে এঁটেছিলে ছিপি বঞ্চিত স্বর-মুখে
চিত্রে চলেছিল এপারে-ওপারে গুণগান-সুরগান।
আর কতদূর নেবে
আর কতদূর যাব
ঠেলতে ঠেলতে দেয়ালে সাঁটিয়েছ,
রক্ত-মাংস অনেক আগেই ফুরিয়ে দিয়েছ
অস্থির মানচিত্রটুকু মুছতে দেব না এবার
ভাঙ্গতে দেব না পাঁজর।
সহসা খসে পড়ে ধ্রুবতারা
আন্দোলিত হয় কতগুলো শাহাদাত
দেহে দেহে শিহরিত হয় উত্তাল বঙ্গোপ;
ব্লাকহোলের নিকষ অন্ধকারে হারাতে হারাতে রক্ষে
শুধু রক্ষীরা থেকে যায়…
তারপর সুদীর্ঘ ত্রিশটি আঁধারবর্ষ দিয়েছি পাড়ি
জানি একদিন পারে পৌঁছুবোই
ইতিহাস হয়ে
ছিলাম তো ইতিহাসে।
হাইপার ডাইভের প্রাক্কালে তাকিয়ে দেখি
একগুচ্ছ পুতুল এবং এক ভূ-খণ্ড চোখ-কান বাঁধা মানুষ
বিদায় জানাচ্ছে আমাদের…!

৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।

আরো পড়ুন: http://www.fazleelahi.com/archives/196]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29121143 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29121143 2010-03-22 02:24:27
= প্রস্থান রটনা সোনার বাংলাদেশ

চলে যাওয়া বাতাসের পেছনে সাইমুম হয়ে যাই
আর ছুটতে ছুটতে অবশেষে শরীর হারিয়ে
আমি কেবলি আত্মা হয়ে যাই।
চলে গেছে মাটির গভীরে আদমের দেহখানি
সারা ভু-ভাগই এক মৃত্তিকা দেহখনি,
ক্ষয়িষ্ণু জগতে কে কোথায় লুকাতে পেরেছে বলো?
কে রাখে অস্থি গ্রন্থিমালা সুতোয় গেঁথে;
হারানো শবের কানে কখন জিজ্ঞাসিব
কোন পথে পালিয়েছ ওহে ওপারের জগতে-
সে কি নিরব কবর
সে কি দাউ দাউ চিতা
সে কি জন্তুর ক্ষুধিত উদর
সে কি সলিলের উত্তাল বুক;
কখন সময়?
কে চায় ছেড়ে যেতে এই পার্থিব সুন্দর
কত ক্লেশ-ক্লান্তি মাখা এই জীবনের বন্দর;
তবু গন্তব্য ঐ দেয়ালের ওপাশে
ঐ মৃত্যু চাদরে ঢাকা দরজার পরে
ঐ রহস্য জগতে।
কেউ ফিরে বলে না কেমন,
শুধু চলে যাওয়া আছে যেখানে যেমন
ঘটে নিয়মের ঘটনা;
তারপর শোর তোলে রটনা-
"প্রিয় এলাকাবাসী!........................
............ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন!"

-১৬ নভেম্বর ২০০৯
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29116585 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29116585 2010-03-15 04:08:00
= মজনুন অবিরাম করে যাবো আরো অনন্ত দিন,
মিনিটগুলো ঝরে পড়বে জীবন থেকে ঘামের মত
আর প্রতিটি সেকেণ্ডে বিস্ফোরিত হবো বিক্ষুদ্ধ শ্লোগানে
মিছিলে
যুদ্ধে।
জিহাদ আমার প্রতিটি রক্তকণায় কণায়
আমার দু'চোখে
দু'কানে
দু'পায়ে
দু'হাতে
আজন্ম ছুটে চলি, অনুসন্ধানী সে ছাড়পত্র
যাতে লেখা "শাহাদাত"!
যা নিয়ে গিয়ে দাঁড়াবো দরবারে বাদশাহর।

তোমাকে পাওয়ার লোভে আমার দিনরাত্রি একাকার
সময়গুলো ছড়িয়ে দেই পৃথিবীকে আহ্বানী
শ্রোতাদের কেউ কেউ নেয় বুকে টানি
তেড়ে আসে কালের ছুরি, কাঁচি, লগি, বৈইঠা কখনোবা
মুজাহিদ হয়ে সইতে থাকি ওহুদে, কারবালায়, বালাকোটে, পল্টনে
অসহ্য সীমানায় পেয়ে যাই ছাড়পত্র: "শাহাদাত"!
আমি ছুটে যাই সীমানা ছাড়িয়ে
জগতেরও ওপারে....!

তোমার খোঁজে হন্যে হই চিন্তার অলি-গলিতে
ভাবনাগুলো, চিন্তাগুলো, বুদ্ধিগুলো সাজাই নিরন্তর
সাদাকাগজের বুকে;
আমি মানচিত্র আঁকি তোমার দেহের মাপে।
চিত্রিত কাগজে ফিলিস্তিনের জলপাই বন কেটে ফেলে অভিশপ্ত ইঁদুর
আজন্ম মাটির ঢেলায় মাথাখুঁড়ে মরা উইপোকা ফুটো করে দেয় কাশ্মীর
লালমুখো শূয়োরগুলো ঘোঁৎ ঘোঁৎ শব্দে চাটতে চাটতে ছিঁড়ে ফেলে,
শুকিয়ে নেয় ইরাকের গলিত সোনার কালি
আফগান মরুদ্যানের সবটুকু জল-বালিরেখা
ওদের অপবিত্র লালা-নিঃশ্বাসে ধূসর হয়ে উঠছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।

ভেবোনা তুমি!
ওরা কালি শুকিয়ে নিলে আমি রক্তে আঁকবো তোমায়
ওরা কাগজ ছিঁড়ে নিলে আমার শরীরের চামড়ায় চিত্রিবো তোমায়।
পৃথিবীর প্রথমে ছিলাম আমি আদমের রূপে
আজো আছি শত মুজাহিদ হয়ে
জগতের প্রতিটি বাঁকে
প্রতি ময়দানে।
তোমার ঝাণ্ডা তুলেছি দু'হাতে
যখন কেটেছে দু'হাত, তুলেছি দু'বাহুতে
যখন কেটেছে বাহু, কেটেছে শরীর, কামড়েছিলাম দাঁতে
আজো আছি তোমার অপেক্ষায়
থাকবো এবং রাখবো অম্লান
যতদিন না ধ্বংস হবে এই আয়োজন; সময় হবে ম্লান
আমি তোমার বিরহে, তোমাকে পাওয়ার মজনুন অবিরাম।

২৯ জানুয়ারী ২০১০
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29088193 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29088193 2010-01-30 02:43:21
= চিত্রকরের বিষ-নিঃশ্বাস তখনি জেগে উঠে চিত্রিত ছবিগুলো,
ছায়া হয়ে চলতে থাকে আমার পিছু পিছু।
রৌদ্র গড়িয়ে আমি হয়ে যাই কুয়াশাময়
তারপর অন্ধকার
দু’চোখে তখন ঝাপসার ছানি, নিদারুন ধোঁয়াশা,
নিয়নের আলো ব্যবধান করে বলে যায়
-এ তোমার পরিচিত পট, রঙতুলি আর এই হলে তুমি!

ছায়া ছায়া মায়া, কখনো যেন ঠিক সাড়ে তিন হাত
ফের মিলে যায় জিনেদের কিংবদন্তী গাঁথায়,
ওরা হাতড়ে ফেরে আমার সমস্ত সঞ্চয়-
পকেটে
অন্তরে
চিন্তায়,
ছবিগুলো ছায়া হয়
ছায়াগুলো বদলে দেয় আমার ছবি
ধীরে ধীরে হয়ে উঠি সর্বশান্ত, উন্মত্ত অথবা
দেয়ালে ঝুলানো একখানা ছবি।

কে আঁকে বিচিত্র ছবিগুলো?
কে সাজায় মানচিত্রের আনাচে কানাচে?
চিত্রিত হয় বধ্যভূমি- আমাদের পরিচিত ক্যানভাসে!

ছায়াগুলো ছবি ছিল
ছবি গুলো নানা রঙ ছিল
পট ছিল পবিত্র সাদা জমিন;
আঁকিয়েরা ভিন হতে পসরা সাজায়
ছবিগুলো বিক্রিত হয় অর্থ বিলাসে,
তারপর শোভিত হয় কারো ইচ্ছের বলয়ে।
ওরা দ্বগ্ধ করে জনপদের বিমোহিত দু’টি চোখ
ওরা জ্বলে জ্বলে অঙ্গার হয়ে হয় নিঃশেষ,
বাতাসে বইতে থাকে কেবলি চিত্রকরের বিষ-নিশ্বাস!

২৪ নভেম্বর ২০০৯
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29049228 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29049228 2009-11-25 02:18:13
= বলতে দাও রুদ্ধ করো না কণ্ঠ, দিও না ভেঙ্গে কলম
শব্দগুলো গুছিয়ে নিয়ে, কাগজ-পটে উঠিয়ে নিয়ে
বাক্য-ঘরে পৌঁছে দিতে; অধিকার আছে, সুযোগ দাও
স্তব্ধ করো না বাক, কেটো না এ দু'টি হাত
বলতে চাই, লিখতে দাও...

অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের অধিকার আছে, চাইতে দাও
চাইবো কেন? ক্ষুদিতের ঘরে ক্ষুদার অন্ন পৌঁছে দাও
কে দেয় বাধা? কোন্ সে চোরের দল পড়েছে শ্যামল গাঁয়ে
সবুজ রাজ্যে শীতল পাটি কার বিছানো; বলো দালাল?
তোমার কি তা? কার জমীনে দাঁড়িয়ে করো কার সওদা?
ভূমি-শরীর ক্লান্ত এখন, শিরায় শিরায় ফারাক্কা বাঁধ
টিপাইমুখে রগকাটাদের আনাগোনা
কঁকিয়ে উঠে বুকের মাঝে পদ্মা-মেঘনা আর যমুনা!

নায্য পাওনা আদায়ের পথ সুগম চাই
শ্লোগান তাই-
বলতে চাই, বলতে দাও!
পাওনাগুলো বুঝে নিয়ে আপন ঘরে ফিরতে দাও।

-১০ অক্টোবর ২০০৯
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।

কবিতাটি অনলাইন ম্যাগাজিন "সোনার বাংলাদেশ"-এর 'কার্তিক ১৪১৬ সংখ্যা'য় প্রকাশিত হয়েছে।
পড়ুন- Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29039081 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29039081 2009-11-07 05:11:38
=এখানে সেখানে কাব্য যেখানে: যত প্রশংসা যত গুণগান
যত প্রশংসা যত গুণগান
সকলি তাঁহার তরে,
দরূদ ও সালাম অগণন শুধু
তাঁহার নবীর পরে।
আল্লাহ্ মোদের পরম প্রিয়
দয়াময় মহীয়ান,
সকল আনন্দ, খুশীগুলো তাঁর
করুণার অনুদান।

-২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29024840 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29024840 2009-10-13 02:23:26
= ভাবে বিভোর দিনকাল (চলমান সৃষ্টিহীন মৌসুম) http://www.wadja.com)-এর সুবাদে। তারপর চলতে শুরু করলাম হেলে পড়া সূর্যটার দিকে। এভাবেই তো রোজকার বিকেলগুলো পেরোই, কিন্তু আজ মনটা যেন অনেক গভীর থেকেই ভারী হয়ে আছে। কোনভাবেই ছুঁতে পারছি না, তুলে ধরতে পারছি না চিত্তের আনন্দ আঙ্গনে তো নয়ই, স্বাভাবিকতার রেখাটি বরাবরও নয়। ঝড় আসার পূর্বক্ষণ যেন মনের অবস্থা।................

থাক সে কথা, কবিতা লিখি না অনেক দিন। এ কদিনে কত কিছুই তো পেয়েছি, কিছু কাছে, কিছু দূরে আবার কিছু এদু'য়ের মাঝামাঝি। তবুও লিখিনি তেমন। জীবন নানা বাঁকে নানা রূপে ধরা দেয়। আমি শুধু তাল মেলাতে চেষ্টা করি। সে তালে কখনো আনন্দিত হই, কখনো ব্যথিত। তবে মোটের উপর আমি এমন চাওয়াগুলো পেয়েছি যা মুখে তেমন করে চাইনি, শুধু নিরবে নিভৃতে অন্তর দিয়ে কামনা করেছি। .................

উঁহু, গদ্য লেখার জন্য বোধ হয় আরো অপেক্ষা করতে হবে। সাহিত্য যদি খনি হয়, তবে গদ্য-পট তৈরীর জন্য আরো গভীরে নামতে হবে আমাকে। দেখি কাব্য চেষ্টায় কতটুকু সফল হই আজ...

ডগায় ডগায় বিন্দুগুলো চমকে উঠে
তোমার পায়ের ছোঁয়া লেগে দুর্বাঘাসে,
থমকে দাঁড়ায় সূর্যালোকের ছায়ার পাশে
নই তো আমি, আমার ভালবাসা বন্ধু।
দূর-দূরত্ব নিকট ভেবে বেঁচে আছি
স্বপ্নলোকে স্বর্গ এঁকে তোমার পাশে
রঙতুলিতে আদর মেখে হরেক রঙে
সাজাই বাসর ঘর; এই দু'চোখের পর।

শেষ পর্যন্ত বুঝি কিছুই শেষ হলো না...।

ছবি: নিজস্ব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29023782 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29023782 2009-10-11 03:09:38
= দু'খণ্ড মমতার মেঘ দু'খণ্ড মেঘের ছায়া তখন কি অপার হয়ে চেয়েছিলাম।
জানি এ চিরন্তন, মেঘেদের সংঘর্ষ বজ্র বাধায়
ফলায় বিদ্যুত, জ্বালায় শরীর,
কেড়ে নেয় আত্মাকে আকাশের পানে;
কোথায় কে জানে।
তবু আশা বৃষ্টি ঝরাবে আমাদের তৃষিত অন্তরে
বুকে ও দু'চোখে, সারাটি জীবন জুড়ে।

জীবনের বসন্তকালে ধরা দেয় মরুর উষ্ণতা
প্রতিটি সাইমুম অঙ্গার করে ফুলের বাগান,
রঙ-রূপ-সুগন্ধহীন পড়ে থাকি ঝরা পাতার মত
ধূসরিত দিনকাল ধেয়ে যায় কালের গহীনে,
পঞ্জিকা অথবা শতাব্দীগাঁথা মনে থাকে না তেমন
মুসাফিরের চলার পথে যেন এক বোঝা এ জীবন।

চেয়েছি এখন বৃষ্টি, দেখালে বিদ্যুতে রাঙা চোখ
রিমঝিম ধ্বনির আকাংখায় দিয়েছ বজ্রের হুংকার,
মমতা-বৃষ্টির অভাবে নেমেছে খরা আমাদের জীবনে।
রৌদ্রের উত্তাপ থেকে বাঁচবো বলে চেয়েছিলাম ছায়া
হিসেবের অংকে কাঁচা এ সংসারে হলাম অযোগ্য,
কেড়ে নিলে সুনিবিড় শীতলতা, সম্পর্ক তরুলতা
একখানা হাত ধরে বেরিয়ে গেলাম পথে পথে
জানি না কোথায় ঠাঁই হবে এ জগতে......।

কবিতাটি অনলাইন ম্যাগাজিন "সোনার বাংলাদেশ"-এ প্রকাশ পায়। পড়ার জন্য Click This Link Please.

ছবি স্বত্ব: http://www.fazleelahi.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29016258 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29016258 2009-09-27 02:26:44
= পূণ্যে পূর্ণ.................মুঠোফোন কবিতা মুমিনের মনে এ পূণ্য লগনে ভেঙ্গে পড়ে যেন খুশীর বাঁধ,
রমজানের-ই সুবাস মেখে পবিত্র থেকো এগার মাস
পূণ্য-পুষ্পে জীবন সাজিয়ে নিশ্চিত করো স্বর্গবাস।

২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29013834 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/29013834 2009-09-21 02:18:19
= জানালার পাশে Click This Link

একখানা জানালার পাশে
প্রশান্ত পৃথিবী নুয়ে আছে
ঝুলে আছে কার্ণিশের কাছে দিনের ক্লান্তিগুলো,
আমার দু'চোখ খুঁজে ফেরে সন্ধ্যাতারার আলো।

দিবসের লেনাদেনারা সব ঝিমিয়ে পড়েছে
পাংসে হয়ে উঠেছে পণ্যেরা রদ্দুরে,
শরীরগুলো শ্রমে ঘামে কোলাহলে নিঝুমের সন্ধানে
উদোম গায়ের টোকাইদের সাথে দাঁড়কাক
সারাদিনের 'নাড়ি প্রশান্তি'-লড়াই যখন স্তিমিত,
বাতাসেরা নগরের নানা প্রান্তের হাসি আনন্দ
হতাশা ব্যর্থতা আর দীর্ঘশ্বাসগুলো জড়ো করে
ছুটে চলে বঙ্গোপসাগরের পানে
অথবা হিমালয়-চেরাপুঞ্জির দেশে,
খানিক দাঁড়ায় এসে এই কার্ণিশে
একখানা জানালার পাশে।

তুমি-আমি বসে থাকি যখন সন্ধ্যা নামে
মিশে যাই দিবসের সাথে
ধরনীর সাথে
নানা গন্ধের হাসি বেদনার সাথে,
এভাবেই হয়ে উঠি গদ্যময় এই পৃথিবীতে
দু'জনে মিশে একখানা আদিম পদ্য;
আকাংখার চিরন্তনী কাব্য আশ্বাসে
একখানা জানালার পাশে...।

১০ এপ্রিল ২০০৯
ঢাকা, বাংলাদেশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28939437 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28939437 2009-04-17 23:02:16
=টুকরো কথার বুকে জীবন বিনাশী চর সময়টা যেন দারুন ব্যস্ত, সেই সাথে অসুস্থও হয়ে উঠছে ক্রমশঃ। নিরব থাকতে থাকতে কখন সরব হয়ে উঠেছি, চিৎকার করতে পারছি না বলে কলমের চিৎকারে শামিল হতে দু'হাত চালালাম।খুব সকালে পান্তা আর মাছভাজা খেয়ে রিকশা খুঁজতে খুঁজতে কুয়াশামাখা প্রকৃতিতে হারিয়ে গেলাম। শেষমেষ উপকূল নামের বাসটি মুখ থুবড়ে পড়তে পড়তে রক্ষা পেল, আল্লাহ্ বাঁচালেন।প্রতিযোগিতা; সামনের ট্রাক তার আচরণ দ্বারা বলছে, কোনক্রমেই সাইড দেব না। উপকূল প্রতিযোগিতায় জিতবেই, অন্যথা তার ড্রাইভিং জীবনে কলংক লেপিত হবে। সংস্কার কাজে রাস্তায় জমানো বালির ঢিবিতে তুলে দিল। মাটিকাটা শ্রমিকরা অসহায় তাকিয়ে থাকলো; যেন মুহূর্তপূর্বে মৃত্যুকে এক নযর দেখে নিল। আমরাও সর্বশক্তিমানের প্রশংসার পর পর চালকের প্রতি উদ্গীরিত ক্ষোভটুকু গিলে খাচ্ছিলাম, কেননা গাড়ী নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে এবং সাথে পাওয়া হাতের ব্যথাটুকু যেন তাকে যাত্রীদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করলো।যে গতি রাখে তাকে যেতে দাও, তুমি তোমার গতিতে চল; কেননা অনিয়ম পৃথিবীকে কেবলই ধ্বংস করতে পারে, গড়তে নয়।

২.
পৃথিবীর বহু জায়গার ন্যায় এতদ অঞ্চলেও মুসলমানদের জন্য তাদের নবীর সুন্নাত দাড়ী সওয়াবের সাথে সাথে জাগতিক পাওনা এক প্রকার সম্মাননা তুলে দেয় ধারকের চিত্তে।একান্ত চেনাজানা না থাকলে কোন দুষ্টকেও দাড়ীর কারণে সম্মান প্রদর্শন করেন মুসলিমগণ।দু’চোখে এমন বহু অভিজ্ঞতা লেগে আছে যে, স্বল্প শিক্ষিত কেউ দাড়ী রাখার কারণে নানাবিধ ইসলামী সম্মানসূচক সম্বোধনগুলো লাভ করেছে সাধারণের আলাপ চারিতায়।তো, চলছিলাম এক নতুন এলাকায়, জীবনে প্রথম যাওয়া, মৌখিক ঠিকানা, তদুপরি এমন কেউ নেই যাকে চিনি।সাতে পাঁচে জিজ্ঞেস করে করে পৌঁছুলাম ফুলগাজী। অপেক্ষা, কখন আসবে সিএনজি। পা পা করে পায়চারী করে যাচ্ছিলাম। কানে বাজলো দাড়ীওয়ালাদের নিয়ে নানা রসিকতা, হুজুরদের নিয়ে বিবিধ বিদ্রূপ। না, এই তো আট বছর আগেও অবস্থা অন্ততঃ সাধারণে এমনটি ছিল না। পাল্টে যাচ্ছে পরিবেশ, জলবায়ু আর সাথে সাথে যেন মানুষের রুচিবোধ ও আচরণগুলো। জানিনা কোথায় গিয়ে ঠেকবো।
৩.
ছেলেটি সিএনজিতে পাশাপাশি বসেছিল, পাশের বন্ধুর সাথে নানা কথা বলছিল আর মাঝে মাঝে আমাকে দেখছিল।বক্স মাহমুদ-এর গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই হালকা যোগ-জিজ্ঞাসা হলো। অচেনাকে চিনে জেনে যখন ফিরছিলাম, তখন আসরের সময় চলছিল॥ বাজারে আমাকে দেখেই সালাম এবং সৌজন্য সংলাপ সেরে নিল। ‘কোথাও যেন আপনাকে দেখেছি,খুব চেনা চেনা লাগছে’। ‘জানি না কোথায় দেখেছেন’। চায়ের হালকা আড্ডায় চলছিল আলাপচারিতা। ফেরার কথা জানাতেই ফোন করে ঢাকাগামী বাসের টিকিট বুক করে দিল মোবাইলে, সাথে সাথে বাতলে দিল পথের দিশা। টেম্পুর সামনেই বসেছিলাম, সাথে আরেক প্রবাসী। কথায় কথায় কোথায় যাচ্ছি, কিভাবে যাচ্ছি কথা হলো। নির্দিষ্ট বাসের ভাড়া নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত হয়ে গেলাম চালকসহ কয়েকজন। কথাগুলো ঝুলে গেল দশটাকা কম-বেশী নিয়ে। অবশেষে পাশে বসা প্রবাসী স্থানীয় বাসিন্দা জানালেন- হাজারী ফিরেছে, জানিয়ে গেছে প্রতি টিকিটে দশ টাকা করে… তাই যাত্রীদের জন্য ভাড়া বাড়লো নির্দিষ্ট ভাড়া থেকে দশ টাকা বেশী। মালিক পক্ষের ভাষ্যানুযায়ী- ‘এটা জনগণ দেবে’। ত্রাস যেখানে রাজা, জনগণ তো সেখানে প্রজা হতেই বাধ্য।
৪.
যাত্রা শুরু হয় সূর্যবিদায়ের কিছুক্ষণ পরই। রাতের শীতল বাতাসে আমাদের শরীরের চামড়াগুলো ঠান্ডা হয়ে এসেছিল। পাশে এসে বসলেন আরেক প্রবাসী, রুদ্ধ কণ্ঠে জানালেন কিভাবে মায়ের অসুস্থতার সংবাদ শুনে দেশে এসেও পিতাকে আর জীবিত দেখতে না পারার সীমাহীন কষ্টের কথা। কিছু কিছু ব্যথায় সান্ত্বনা দেয়াটাও অসম্ভব হয়ে উঠে। একসময় ঘুমিয়ে পড়লাম। থমকে দাঁড়ানো গাড়ীর ঝাঁকুনিতে বারবার ভাঙ্গে, তবে একেবারে থেমে যাওয়ায় পুরো ঘুমটাই চুরমার হয়ে সতেজ সটান বসলাম। আলো জ্বলে উঠলো। বাইরে তাকিয়ে দেখি পুলিশ এবং সাথে সিভিল পোষাকের কিছু লোক। কথাবার্তায় বুঝতে পারলাম নিয়মিত অনুসন্ধান। টর্চ হাতে লোকটি সামনের সীটগুলো দেখে দেখে চলতে চলতে যেই না এসে আলো ফেললো দাড়ীতে সাজানো অবয়বে; থেমে গেল সে। তার থেমে যাওয়া দেখে পাশের লোকটি উঠে দাঁড়ালো। না,অনুসন্ধানী তাকে বসিয়ে দিয়ে আমাকেই দাঁড়াতে বললেন। টর্চের আলোটি তখনো খেলা করছে আমার পুরো মুখটি জুড়ে।পরিপূর্ণ অনুসন্ধান হলো, কারুরই বুঝতে বাকী রইল না যে কেন শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান করা হলো। এমনকি কেউ কেউ শব্দ করে উঠলো- ‘অঅঅ’। এই ‘অঅঅ’ শব্দগুলো কানে খুব খুব করে বাজলো যেন- ‘জেএমবি???’!
নিশ্চিত কোন তথ্য না থাকলেও এদেশের প্রতিজন সচেতন নাগরিকই ইসলামের নামে হত্যা ও বোমাবাজী নির্ভর এ গোষ্ঠীর সম্পর্কে দু’ধরনের সিদ্ধান্তে আসতে পারে সহজেই।
এক) বর্তমান বিশ্বে ‘অপরাধের সূত্রপাতকারীরাই সাজে বিচারক’ আর আসামীর কাঠগড়ায় একচেটিয়াভাব ইসলাম ও মুসলিম।হতে পারে তেমন কোন অশুভ শক্তির হাতের পুতুল হয়েছে এ গোষ্ঠী। অথবা
দুই) নিজেরাই এ জঙ্গী পন্থায় কিছু অর্জনের প্রয়াসে সাধনা করে যাচ্ছে।

তবে দু’টোই যে ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকর, তা বুঝি মৃত্যুও তাদের বুঝাতে পারেনি। ইসলাম বীরত্বের জীবনকে ও শাহাদাতের মৃত্যুকে অনেক উচ্চমর্যাদা দিয়েছে, তবে তা অবশ্যই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিরন্তনী সুশৃংখল পথ ও পন্থায়।
স্বদেশের সাক্ষাতে এলাম দীর্ঘ আট বছর পর, কত বদলে গেছে, কত হারিয়ে গেছে, কতকি পেয়েছিও; যার বহুলাংশই নিরবে শেষ করে দিচ্ছে একটি জাতির প্রাণজল। একদিন হয়ত এ জাতির বুকেও চর জাগবে; জাতীয় মৃত্যুর চর। আর তা হবে চরিত্রের, আচরণের, ভাষার এবং নৈতিকতার।

১২ এপ্রিল ২০০৯, ঢাকা,বাংলাদেশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28937219 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28937219 2009-04-12 23:18:51
= ভালো থেকো (শহীদ নোমানী) তারপর চলে যেতে হবে অজানায় নয়; অদেখায়।
তোমার চলে যাওয়া কাঁদালো লক্ষ প্রাণ
তুফান ছোটালো প্রতিটি শাহাদাত পিয়াসী অন্তরে
যাও চলে, বাধা নেই, আসবো না হয় দু'দিন পরে
জান্নাতের সিঁড়ি বেয়ে উঠবে যেদিন, যে মহাদিনে
বিশ্ব বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকবে। আহা! সে কাফেলা রঙিন
রক্তের ধারা ল'য়ে উড়াবে বিজয়ের নিশান।
কি আছে তুচ্ছ এ পৃথিবী প্রাণে, জীবনে ও জগতে
শেষ নেই শান্তিতে লেখালে তোমার নাম,
শুধু পিছলে উঠে গেলে আমাদের প্রিয়পার্শ্ব হতে
লাফিয়ে বীরত্বের রজ্জু ধরে ঐ শাহাদাতী রাজপথে।
অবশেষে তুমি জিতেই গেলে শহীদ নোমানী
শত্রুদের যন্ত্রণাময় জাগতিক জাহান্নামে ফেলে
এবং ওপারের ভার তুলে দিয়ে প্রিয় বিচারকের হাতে
তিনি তোমায় সফল করুন, তিনি তোমায় কবূল করুন।

৮ এপ্রিল ২০০৯
ঢাকা, বাংলাদেশ।

ছবি: চিরনিদ্রাভূমিতে প্রিয়জন বেষ্টিত শহীদ নোমানী ভাই, দেখতে পাইনা, কেননা তিনি এখন 'অন্তরাল'-এর বাসিন্দা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28935438 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28935438 2009-04-08 21:21:39
= তুমি আর কতদূর পৃথিবীর দিগন্ত থেকে দিগন্তে।
লোহিত সাগর ধূসর বুকে আগলে রেখেছিল যে আকাশ
তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি
মরুর বালিতে, বালির ঢেউয়ে, বিশুষ্ক পাথরে,
উদ্যানের সতেজ খেজুর বৃক্ষের শীতল ছায়ায়
যেখানে মেঘ নেই সেখানে একখানা মেঘের ভেলায়।
তারপর বৃষ্টিতে, অশ্রুতে, কান্নায়, ক্লান্তিতে, নিদ্রায়
মহাকালে বিলীন হয় অনেকটা জীবন;
আমি হামাগুড়ি দিয়ে নেমে আসি বাংলার কুয়াশায়
জমতে থাকি সবুজ ঘাসের ডগায়
ধানপাতাদের সুগন্ধময় পাতায়
আমি নেমে আসি আমের মুকুলে
কোকিলের বাসন্তী গানে
পাখালীর কলতানে ফাল্গুনের বাতায়নে।
চৈতী হাওয়ায় ঝরে যায় যুগ যুগ ধরে জমে উঠা বিষন্নতা
হৃদয়ে তুফান লেগে যায়
চিরন্তনী প্রেমের তুফান!
এখানে উত্তরের প্রান্তরে প্রান্তরে আমি ভালবাসা দেখেছি
ধূ ধূ, যেন নিঃসীম প্রাণের পেয়ালা পূর্ণকরা সবুজে
কলার ফুলেরা, যেন দুলে আছে কিশোরীর বেনী
আঙ্গিনায় দোলা লাল শাড়িগুলো লাগায় কাঁপন
যেন মহাকাব্যের পাতাগুলো ঝরে যাবে
উড়ে যাবে তার কাছে
যেখানে সঞ্চিত এই আয়োজিত প্রেমের সঞ্চারণ।
একমুঠো ভেজা মাটি শুঁকে পাই তার গায়ের ঘ্রাণ
তবু আকণ্ঠ তিয়াসে ব্যাকুল এখানে প্রাণ
তুমি আর কতদূর...

৫ এপ্রিল ২০০৯, নয়ানগর, ঢাকা।

ছবি: http://www.fazleelahi.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28933901 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28933901 2009-04-05 12:26:17
= হারানো দু’চোখ স্বপ্নের সিঁড়ি-ধাপগুলো ঘামে অশ্রুতে
ধুয়ে মুছে সাজিয়ে দিলাম হৃদয় ভাঙ্গা সকালে।
ধাপ ধাপ সিঁড়ি বেয়ে উঠে এলাম আজ
মাঝখানে ব্যবধান ছিল পনর বছর,
তুমি কত বদলে গেছ।
‘কাউকে ভুলে থাকতে যদি চাও তবে
রাগ করে কথা বলো না আর’
-এ সূত্র আমারি আবিস্কার।
মনের যে অংশ জুড়ে তুমি ছিলে অম্লান
সাজানো গোস্বার সবটুকু কুয়াশায়
ঢেকে দিলাম তোমার স্মৃতি কথা যত;
আমি ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে জুড়ে থাকলাম
পৃথিবীর সাথে
নিয়মের পথে।
তারপর হঠাৎই সাহসী হয়ে উঠলাম
তোমার মুখোমুখি দাঁড়াবো বলে,
মুহূর্তে উবে গেল আবছায় সময়ের পর্দা
অন্তরীত বাষ্পেরা উড়ে উড়ে দু’চোখে নামালো শিশির।
আমি আর মেলাতে পারিনি সূত্র
রুখতে পারিনি তোমার দু’চোখে
আমার হারিয়ে যাওয়া।

৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯
রিয়াদ বিমান বন্দর, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28915821 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28915821 2009-02-24 18:07:33
অবশেষে "মরু মূর্ছনা" কবিতার দেশে... তেমন কিছু বলার নেই, প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ পেল এবং এ ব্লগ ও ব্লগারদের মধ্যে বহু সুহৃদ রয়েছেন বিধায় সবাইকে জানাতে ইচ্ছে হলো, তাই ভূমিকাটা তুলে দিলাম প্রচ্ছদের সাথে সাথে।

একুশে মেলায় উঠেছে ২১ ফেব্রুয়ারী ২০০৯
পাওয়া যাচ্ছে- কাকলী প্রকাশনীর স্টলে।

বায়তুল মোকারমের মেলায় পাওয়া যাচ্ছে- কামিয়াব প্রকাশনীর স্টলে।
__________________________________
ভূমিকা
প্রশংসার সবটুকুই তাঁর জন্য, যিনি মস্তিষ্ক দিয়েছেন বিধায় ভাবতে পেরেছি, দু’চোখ দিয়েছেন বিধায় দেখতে পেরেছি, দু'হাত দিয়েছেন বিধায় লিখতে পেরেছি, শব্দের শক্তি দিয়েছেন বিধায় জুড়ে জুড়ে গেঁথেছি এ শব্দ-হার।

একখানা সাদা মেঘ যদি আকাশ থেকে আকাশে উড়ে যায়, আমি তার ওপাশটা ভাবতে থাকি। বাতাসে শুঁকে বেড়াই প্রকৃতির গন্ধ এবং মানুষকে দেখি কম; দেখতে চেষ্টা করি মানুষের অন্তর। দৃষ্টির পড়াশোনা যা কিছু হওয়ার হয়ে যায় প্রথম দেখায়, তারপর বাকী থাকে প্রমাণিত বৈশিষ্ট্যের উপপাদ্য অথবা ইতিহাসের ঘুনপোকা ধরা পাতাগুলো। তবু এ এক ধ্রুব সত্য যে, আমি এক চলমান বর্তমান।

কবি কি না তা এখনো নিশ্চিত নই, তবে লিখি- যখন অন্তরে যন্ত্রণা অনুভূত হয়, যখন আনন্দরা অন্তর জুড়ে নেচে উঠে, যখন প্রতিবাদী হয়ে উঠে অন্তরের প্রতিটি রক্তকণা। এ সংগ্রহ সেসবেরই একটি লিখিত ও প্রকাশিত রূপ মাত্র। কখনো পংক্তিমালা এসেছে দায়িত্ববোধ থেকে, কখনো শরীরের অবসান ও আত্মার প্রস্থানের পরও পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আকাঙ্খা থেকে, কখনো বা ভালবাসার নির্যাস হয়ে। এবার অপেক্ষা ও দেখার পালা যে, পাঠকের মনের কোন স্থানটি অলংকৃত করতে পারে এ কাব্যকথা।

প্রেরণা হাতে তুলে দিয়েছেন অনেকেই, আবার কতই না হাত পেতেছি এক আঁজলা অনুপ্রেরণার জন্য; ফিরিয়ে দিয়েছে অনেকেই। অংকের ফলাফলে আজ যেন সকলেই ’প্রেরণা’ হয়ে বসে আছেন ’সমান’ এর পরে। তবু যাদেরকে এ অংশে ভুলে গেলে নিজেকেই ভুলে যাওয়া হবে তারা হলেন প্রিয় বাবা-মা (যাঁদের কাছাকাছি থাকা হয়েছে খুব কম সময়, কিন্তু অন্তরে তাঁরাই ছিলেন প্রেরণা), সাইফুল ইসলাম স্যার (যিনি একদা মোহাম্মদ পুর জনতা উচ বিদ্যালয়ে কাব্য-সাহিত্যের খড়িমাটি তুলে দিয়েছিলেন হাতে), "মরু মূর্ছনা" কবিতাটি যে শ্রদ্ধেয়া বোনের প্রেরণাময় বাক্য থেকে সৃষ্ট-"ভাইয়া! বৃষ্টি হচ্ছে, কবিতা লিখুন!"-তিনি, মাসউদ নূর ভাই (যিনি আদ্যোপান্ত দেখে জটিল থেকে জটিলতা ভেঙ্গে সহজিয়ায় সহযোগিতা করেছেন), আসিফ ইকবাল (যাকে প্রায়শঃই দেখি আমার পংক্তিমালা আউড়াচ্ছেন•••এবং "মরু মূর্ছনা" নামটি পছন্দ করে দিয়েছেন) এবং হেলাল ভাই (যিনি কামিয়াব প্রকাশনা থেকে এ প্রকাশে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করেছেন); সর্বোপরি অসংখ্য জনার খণ্ড খণ্ড অংশগ্রহণেই রূপ পায় একটি সৃজন, তাদের মাঝে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ ও অগুণতি ব্লগার বন্ধুরা বহুভাবে কৃতজ্ঞ করেছেন।

হোক সবার জন্য; মরু মূর্ছনায় ঝংকৃত হোক সকল মনন, আন্দোলিত হোক নিপীড়িত এবং তৃষা মিটুক পিয়াসীর। এ আকাংখা ও আবেদন টুকু রেখে দিলাম এখানে-

ফজলে এলাহি মুজাহিদ।
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28914892 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28914892 2009-02-22 22:18:44
ইমাম আন-নওয়াবী চয়িত "চল্লিশ হাদীস" অনলাইনে পড়ুন http://www.islam.net.bd/content/view/43/41/

ইমাম ইয়াহ্ইয়া বিন শারফুদ্দীন আন্-নওয়াবী চয়িত চল্লিশ হাদীস বিশ্বব্যাপী আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলমানদের নিকট ব্যাপক পরিচিত একটি সংকলন। অনেক আলেমকে দেখেছি যে, তারা তাদের শিশুদেরকে দ্বীন সম্পর্কে প্রাথমিক মুখস্থ করানোর বিষয়গুলোর মধ্যে এ সংকলনটিও রাখেন, কেননা এ সংকলনে মুমিন জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সুস্পস্ট দিকনির্দেশনা সম্বলিত গুরুত্বপূর্ণ হাদীসগুলোর সমাবেশ ঘটেছে।

ইউনিকোডে বেশ কিছু দেয়া ছিল অনেক দিন থেকেই কিন্তু এবার সউদী আরবের ধর্ম আওকাফ দাওয়া ও এরশাদ মন্ত্রণালয় পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত বইটির পুরোটুকুই দেয়া হয়েছে। সজ্জার কাজগুলো আরো নিখুঁত হতে পারতো, তা পরে হয়ত পেয়ে যাব ইনশাআল্লাহ্। এবং পিডিএফ্-এও থাকবে আশা করছি।

আমার ভাললাগা ও প্রয়োজনীয় একটি হাদীস সংকলন- "আন-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস"। তাই শেয়ার করলাম ও অনুরোধ রাখলাম যে, সংকলনটি নিজে পড়ুন, প্রিয়জনদেরকে পড়তে দিন ও ব্যাপকভাবে লিংক বিতরণ করুন।

আল্লাহ্ ইমাম নওয়াবী রাহিমাহুল্লাহকে ক্ষমা করুন ও জান্নাত দান করুন এবং এ সংকলন প্রকাশে ও নেটে উঠানোতে যারাই শ্রম ব্যয় করতে পেরেছেন, তাদের সকলকে ক্ষমা করুন। সর্বোপরি আমাদেরকেও এ খেদমতে শামিল হবার তৌফিক দিন এবং আমাদের খেদমত কবূল করুন।

আমীন।

এছাড়াও ইসলাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত অধ্যয়নের জন্য ভিজিট করুন বাংলাভাষায় প্রথম ইসলামী অনলাইন লাইব্রেরী- http://www.islam.net.bd

ছবি: http://www.dartwaiq.com/images/books/315.gif]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28903654 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28903654 2009-01-28 22:27:13
= পরিচয়ের কলংক যখন আমরা নিঃশ্বাসের শেষ অক্সিজেনটুকুর অপেক্ষা করছিলাম,
আমাদের কর-এ গোণা সেনাপতিরা যখন আত্মসমর্পনের গ্লানির প্রতিবিধানে
শাহাদাত খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন,
মুসলিম হত্যাকে প্রতিদিনের খুব সাধারণ কাজ হিসেবে যখন
রীতিমত অবহেলার তালিকায় উঠিয়েছিল;
ঠিক তখনি তাতার সেনাপতিরা কালেমার সুঘ্রাণ পেতে শুরু করে।
পৃথিবী লিখেছে ইতিহাস;
শুধু আমাদের একটা বিরাট অংশ তখন ছিল অবর্তমান।
একদার হন্তারক আগ্রাসী বাহিনী এখন সুশাসক,
স্রষ্টা যেন নেড়েচেড়ে অযোগ্য আর গাফেলদের থেকে
ঝেড়ে নিংড়ে পরিশুদ্ধ করে নিলেন তাঁর প্রিয় পৃথিবীকে।

তারপর বহুদিন কেটে গেল সাধনার সাথে কিঞ্চিত সংগ্রামে,
শামুকের গতিতে আবারো হেলা'র অনুপ্রবেশ ঘটলো
তাওহীদের জনপদে, অন্তরে, কর্মে ও শ্রমে।
তাতারের ভূমিকায় এবার ইয়াহূদী এবং নাসারা,
যেন তাওহীদ পন্থীরা এক সুস্বাদু খাবার
আলো-আঁধারের আবর্তে সাজানো জগৎময় টেবিলে;
ওরা পরস্পরকে ডাকছে- খেতে আয় বন্ধু!
ফিলিস্তিনের শিশুদের তুলতুলে শরীরের কাবাব
লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষের রক্ত যেন শরাবের মত সুপেয়
আর ভূখন্ডগুলো এক একটি নৈশক্লাব!

তখনো তুমি মুসলমান!
তবে তাই হোক.......
মৃত্যুই হোক তোমার ঘুম ভাঙ্গানোর ঘন্টা!

সহসাই শোনা যায় কিছু কাতর কণ্ঠস্বর!
বিগলিত অশ্রুতে শশ্রূসিক্ত বদনগুলো যেন পৌঁছে গেছে ওপারে...
তবু কানপেতে ক্ষীণ কণ্ঠের শোনা যায় স্বর-
"প্রভু হে!
অতঃপর আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না,
যা বহন করার শক্তি মোদের নাই।" (সূরা আল-বাকারা: ২৮৬)
আমি নিরবে তাদের মাঝে হারিয়ে গেলাম...
কেননা, মুসলিম যুবক হিসেবে আমি এক পরিপূর্ণ কলংক!

১৯ জানুয়ারী ২০০৯, মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।

ছবি কৃতজ্ঞতা: http://rafahtoday.org/news/todaymain.htm]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28899567 http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog/28899567 2009-01-19 18:53:37