গতকাল সন্ধ্যা থেকেই একটু কনফিউজ ছিলাম। মদীনা থেকে পরিচিত একজন ফোন করে বল্লো ওরা নাকি তারাবিহ পড়তে যাচ্ছে। আমরা তখন ইফতারে ব্যস্ত। মাগরিবের নামাযের পর তার্কি মসজিদে ফোন দিয়ে জানা গেলো আজকেই ঈদ। ওরা সাধারনত বছরের শুরুতেই ক্যালেন্ডার গননা করে রোযা এবং ঈদ করে। তাই প্রত্যেক বছরই বিভিন্নজন (বাঙালী, পাকু, আরাবি) বিভিন্ন সময় ঈদ করে। এইবারই প্রথম সবাই একসাথে।
প্রতি বছরের মতো এবার সেমাই রান্না হয়নি। গত কয়েকবছর থেকে পরিচিত সবাইকে ঈদের নামাযের পর সেমাই খাওয়ার দাওয়াত দিতাম। মা অনেকগুলো সেমাই, সন্দেশ বানিয়ে রাখতো। কিন্তু নামাযের পর কারোরই দেখা পাওয়া যেতো না।সবাই কাজে না হয় পরীক্ষায় ব্যস্ত। সেমাইগুলো পরে নষ্ট হতো। এবার তাই মা সেমাই না বানানোর সিন্ধান্ত নিয়েছে।
সকালে সামান্য সন্দেশ আর চা খেয়ে মসজিদের দিকে দৌড়। নামায পড়ে অফিসে আসার সময় এক বাঙালী ভাইয়ের বাসায় সেমাই, চটপটির দাওয়াত ছিলো। ভাই যেরকম ভাবী তার থেকে দুই চামচ বেশি। আমি চটপটির লোভেই গিয়েছিলাম। অনেক রকমের সেমাই ছিলো। পরোটা, ভাজি, হালুয়া ইত্যাদি। অনেকগুলো চটপটি খেয়ে কামলা দিতে আসলাম ১০.৩০ মিনিটে। অনেকদিন পর সকালে খেয়েছি তাই ঘুম আসতেছে। বাসায় গিয়ে ঘুম দিতে পারলে বেশ ভালো হতো। কিন্তু কামলা তো দিতে হবে। না হলে মাস শেষে খবর হবে
ঈদ মোটামুটি এখানেই শেষ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



