ঠান্ডা লাগবে সেটা মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম। তবে টাইমিংটা যে এখনই হবে সেটা বুঝতে পারিনি। এক সপ্তাহ পরে হলে কি হতো
দেশে কিছু মানুষকে দেখে মনে হয় দেশ বেশ ভালো আছে। আমার বন্ধুটি এইরকম। জার্মানির সাথে ব্যবসা করে কয়েকবছর থেকেই। ওর ভাইগুলো কয়েকমাস পরপরই আসে। মাঝে মাঝে আমাকে ধরে এনে উনাদের ভাত খাওয়াতে হয়। ভেতো বাঙালি। দু'একদিন ভাত না খেলে নাকি ঘুম হয় না। দু:খবিলাস আর কি। আমার তো কয়েকমাস ভাত না খেয়ে দিব্যি বেচে থাকি। ওর গাড়ি, বাড়ি, অফিস সবই এসিময়। দেশে বেড়াতে গিয়ে হাজার জ্যাম, গরম, পানির কষ্টেও নিজে বেশ নিশ্চিত থাকি। বন্ধু এইবার প্রথম জার্মানি আসতেছে। বলেছিলাম সামারে আসার জন্য। অনেক বেশি এনজয় করা যাবে। কিন্তু উনি এই শীতে আসতেছেন। উনার আরও দুই ভাই ও আসতেছেন। একজন আমেরিকা থেকে। এতো সম্মানিত মানুষকে তো বাসায় ফ্লোরিং করতে বলতে পারি না। তাই হোটেলই ভরসা। দুইদিন পর দুইভাই চলে যাবে তারপরও উনাকে নিয়ে ট্যুরে বের হবো।
ফ্রাঙ্কফুট সবকরমের মেলার জন্য বিখ্যাত। এই শহরের নামই হচ্ছে Messe City (মেলার শহর)। এইমাসেই বইমেলা যা পৃথিবীর সবচে বড় বইমেলা। শতশত হোটেলের মধ্যে একটাতেও সীট পাওয়া যায় না। ভাবলাম নিজের পরিচিত কিছু হোটেল আছে ওখানেই ব্যবস্হা করে ফেলবো। উনাকে বলতেই উনি বল্লেন আমেরিকা থেকে ভাই হোটেল বুকিং দিয়ে ফেলেছেন। এবং অলরেডি পে করে ফেলেছেন। বল্লাম ঠিকানা দিতে। ঠিকানা দেখে সার্চ করে দেখলাম হোটেল ফ্রাঙ্কফুটের রেড জোনে। দিনে দুপুরে ঐ পাড়া দিয়ে গেলেই ডাকাডাকি শুরু হয়ে যায়। বল্লাম দোস্ত, ওমরাহ-হ্জ্জ্ব, সবই তো শেষ, দাড়িও অলরেডি রেখে ফেলেছো। এখন ঈমানের পরীক্ষা। পুরো হুর-পরীদের কাছাকাছি থাকবা
শীতে ঘুরাঘুরি করে মজা নাই। ইউরোপের দেখার খুব একটা কিছু নেই। সবই মোটামুটি সমান তালের। তারপরও ফ্রান্সে ঠু মারার চিন্তা। অফিসে কোন প্রবলেম ছাড়া আগামী সপ্তাহটা গেলেই হলো।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের লাইভ স্কুর অফিসে বসেই দেখতেছিলাম। অনেকদিন পর জয়। ভালোই লাগলো। তবে ২/৩ বছর পর এরকম জয়ে এখন আগের মতো ফিলিক্স আসে না। এইরকম জয় কন্টিনিউ করতে হবে প্রতিটি ক্ষেত্রে। সুভকামনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



