বেতন যে এতোদিন কম পাচ্ছিলাম সেদিকে কোন খেয়াল ছিলো না। গত মে-জুন মাসে এইচ.আর থেকে ডেকে পাঠিয়ে একটি কাগজে সাক্ষর নেওয়া হলো। আমিও এতো প্যাচালে না গিয়ে সাক্ষর দিয়ে এলাম। বলা হয়েছিলো কি একটা নতুন আইন নাকি সরকার আর ইউনিয়নের মাঝে সাক্ষরিত হয়েছে। জুলাই মাস থেকে নতুন নিয়মে বেতন দেওয়া হবে। তবে আমার নাকি বেতন কমবে না।মাস শেষের পে স্লিপে এতো খুটিয়ে দেখার অভ্যেস নেই। মাসিক বেতনের সাথে ছুটি ভাতা + ক্রিসমাস ভাতাও থাকে। গত মাসে কোন ছুটি নেইনি। বেতন আসার পর মনে হলো এ্যামাউন্ট একটু কম। ফাইল থেকে পুরনো পে-স্লীপ বের করে দেখি আমাকে তো অনেকদিন থেকেই বেতন কম দেওয়া হচ্ছে। যোগ-বিয়োগে দেখা গেলো ২৫০ইউরো মাইনাস। অভিযোগ করার কোন উপায় নেই। অবশ্য অভিযোগে লাভও নেই। বর্তমানে চাকরী আছে সেইটা বড় কথা।
অফিসে ঢুকার পর পরই বসের তলব। কিছু কোডিংয়ের কাজ করতে হবে। অস্ট্রিয়ার কোন একটা সাবস্টেশনে আমাদের ডিভাইসে কিছু আপগ্রেড দরকার। কাজটা বেশ জরুরী এবং তাড়াতাড়ি শেষ করতে হবে। ১৫ বছর পুরনো কোড। অনেকগুলো মডিউল পাল্টাতে হবে। প্রথম চান্সেই ৫৬টা এ্যারর। পরবর্তিতে অবস্হা আরও খারাপ। এক্কেবারে ফেটাল এ্যারর। শেষ করে লাঞ্চ করতে যাবো সেই প্রতিক্ষায় লাঞ্চের টাইম শেষ। অবশ্য লাঞ্চের টাইমের কোনই ধরাবাধা নিয়ম নেই। লাঞ্চে গেলেও ৪৫ মিনিট কেটে নিবে। না গেলেও কাটবে। মাঝে মাঝে আবহাওয়া ভালো থাকলে লাঞ্চের সময় পুরো ২ ঘন্টা ঘুরতে বের হয়ে যাই। কে কার হিসেব রাখে। আজকে বের হতে ইচ্ছে হলো না। রুমে কিছু বিস্কুট, চিপস, কফি দিয়েই লাঞ্চ সারলাম।
অফিসের সামনেই একটি গাছে বরই এর মতো কি একটা ফল ধরে। প্রথম দিন টেষ্ট করে বেশ ভালোই লাগলো। ব্যস, পকেট ভর্তি করে নিয়ে আসি রুমে। একদিন সেক্রেটারি দেখে বলে তুমি এগুলো খেয়ো না। পরে যদি অসুস্হ হও। মনে মনে বলি তরে কইছে? ছোটবেলায় এর থেকে কতো হাবিজাবি জিনিস খাইছি।
শপিং সেন্টারে দেখলাম সিজনের ফল কমলা এসে গেছে। এই সময়ে এখানে প্রচুর কমলা পাওয়া যায়। বাসার ড্রয়িং রুমে, অফিসের ফ্রিজে সব জায়গায় কমলা। বাসায় কমলা দেখে মা কে জিঞ্জেস করেছিলাম মিষ্টি নাকি টক। মা বল্লো এখনো টক। আমি হাত দেইনি। গ্রামের বাড়িতে আমাদের অনেকগুলো কমলার গাছ ছিলো। সিজনে আমাদের কমলা কিনে খেতে হয়নি। বর্তমানে যত্নের অভাবে বেশির ভাগ গাছ মরে গেছে। অবশ্য বিদেশি টাকা থাকলে কি কষ্ট করে গাছের যত্ন করার দরকার আছে।
(অফিসের জানালা দিয়ে ফ্রাঙ্কফুট এ্যয়ারপোর্টের প্লেনের উঠানামা দেখা যায়। এ্যায়ারপোর্টের চারদিকে বিরাট জঙ্গল।)
আলোচিত ব্লগ
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।