প্রায় দিনই আমাকে সিদ্ধ খাবারের উপর দিয়ে যেতে হয়। সিদ্ধ বাধাকফি, ফুলকপি, গাজর, শসা, অলিভ, স্যুপ, মাছ, সালাদ এগুলোই ভরসা। ভাত মাঝে মাঝে থাকলেও এড়িয়ে যাই। সন্ধ্যার পর তো স্বাভাবিকভাবেই বাসায় গিয়ে রাতের খাবার ভাত। অনেক বড় কেন্টিন। অনেক রকমেরই খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু বেশির ভাগই আমার খাবার উপযোগী না। প্রতিদিনের মতো আজকেও মা লাঞ্চের জন্য কিছু নিয়ে যেতে বলতেছিলেন। ভাবলাম শুধু শুধু নিয়ে অফিসের ফ্রিজে রেখে পরবর্তিতে নষ্ট হবে। এর থেকে না নেওয়াই ভালো।
আজকে লাঞ্চের তালিকায় পিজ্জা থাকার কথা ছিলো। কিন্তু গিয়ে দেখা গেলো নেই। সিদ্ধ খারাবের জায়গায় যেতে ভালো লাগলো না। অগত্যা অনেক চিন্তা ভাবনার পর মেইন ডিশ সালাদ নিলাম। কোন রকমের ড্রেসিং নেই নাই। ড্রেসিং কখনোই ভালো লাগে না। টেবিলে গিয়ে সালাদ পাতা কতোক্ষন চর্বন শেষে বসের দিকে তাকিয়ে দেখলাম ব্যাটা হাসতেছে। আমাকে বলে ৪/৫ রকমের ড্রেসিং আছে, কোন একটা নিয়ে আয়। বল্লাম বাদ দে। আজকে কপাল খারাপ। কয়েকমুটো পাতা আর কয়েকটি চিংড়ির দাম রাখছে ৫ ইউরো। প্রকৃত দাম ১০ ইউরো। কোম্পানি লাঞ্চে ৫০% ভর্তুকি দেয়। দুজনে ক্যান্টিনের বাবুর্চিকে কতোক্ষন মনের সুখে গালাগালি করে লাঞ্চ শেষ করলাম।
রুমে ড্রয়ার খুলে দেখি চকলেট, চিপস, আপেল সবই খতম
এমনিতেই মেজাজ খারাপ। কলিগ এসে বলে নতুন ভার্সনের খবর কি? মেস্কিকো, অষ্ট্রিয়াতে কাষ্টমার অপেক্ষা করতেছে। বল্লাম এখনো টেষ্ট করতেছি। কবে শেষ হবে জানি না। মেজাজ খারাপ দেখে ব্যাটা আপাতত ভাগছে। গতকয়েকদিন থেকে টেস্টের উপর আছি। একটা ফাংশন কাজ করে তো আরেকটা কাজ করে না। শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



