আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- সহজেই মুছে ফেলুন উইন্ডোজের যেকোন ভার্শনের ভুলে যাওয়া এ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড (ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে) - নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় কিছু ইন্ডিয়ান ইংরিজি এবং হিন্দি মুভির তালিকা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আর্চিস গ্যালারী পেরিয়ে... - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- ছাওয়াল ও জওয়াব ৪ : বক্রপথে শয়তানের কুমন্ত্রণা - বিপ্লব০০৭
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
অগোছালো জীবননামা
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৩
ছাত্রাবস্হায় খাবারের কোন নিয়ম ছিলো না। দেশে থাকতে না হয় কিছুটা ছিলো। দেশের বাইরে ছিটেফুটোও নেই। ক্লাস, কামলা দেওয়া সবকিছুর পর রান্না করতে মহা বিরক্তি আসতো। যদিও রান্না জিনিসটা আমি মোটামুটি উপভোগ করি। কিন্তু পেয়াজ কাটতে হবে সেই দু:খে আমি রান্না করি না। কেউ পেয়াজ কেটে দিলে রান্না করতে রাজি। এজন্য ব্রেড-বাটার, চিপস, বিস্কুট দিয়েই রাতের খাবার। সকালে সেই যথারিতি ব্রেড, দুপুরে ক্যাফিটেরিয়াতে ফ্রেন্চ ফ্রাই। সারা সপ্তাহ ধরে অপেক্ষায় থাকতাম কখন শনি-রবি আসবে। মোটামুটি প্রায় সপ্তাহেই দাওয়াত থাকতো। কি রান্না হলো সেটা পরের কথা। খেয়ে মোটামুটি কাইত।
সময় বদলেছে। পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে এখন ফুলটাইম কামলা দিচ্ছি। ১৫/১৭ বছরের হোস্টেল জীবন শেষে এখন কিছুদিনের জন্য মা-বাবার কাছেই (কিছুদিন বল্লাম, কারন কামলা জীবন। কখন কোথায় যেতে হয় ঠিক নাই)। এখন আর আগের মতো খাবারের চিন্তা করতে হয় না। আপাতত ডায়েটের চিন্তায় মোটামুটি অস্হির। যদিও খাবারে আমার তেমন একটা আগ্রহ নেই। জেনেটিক্যালি একটু নাদুস-নুদুস টাইপ। পানি খেলেও দুধের কাজ দেয়। মহা গেইনজাম। আলসেমির জন্যই মটকু হয়ে যাচ্ছি। কাজ করে জিম অথবা জগিং করতে মন চায় না। ভাইয়া প্রত্যেকদিন বুঝায় আবার মাঝে মাঝে ঝাড়িও দেয়। প্রতি মাসে হেলথ ইন্সুরেন্স ৭০০ইউরো (৭০,০০০টাকা) কেটে নিয়ে যায়(নিজে চক্ষে দেখি না। হেলথ ইন্সুরেন্সের অটোমেটিক সেলারি থেকে চলে যায়)। এখন নাকি হেলথ ইন্সুরেন্স জিমের টাকা দিবে। পাবলিক জিমে গেলে অসুখ কম হয় সেজন্য। ভাইয়া ৬দিন কাজ করে একদিন জিমে যায়। আমি ৫দিন কাম করে কাইত। কে শুনে কার কথা। আমার থিওরি খাবার কন্ট্রোল আর মাঝে মাঝে (সপ্তাহান্তে)সাইকেল চালিয়ে স্বাস্হ্য কমানোর ধান্ধা। কিন্তু এখানের আবহাওয়া এতই সুস্বাধু যে হাওয়া খেলেও মোটা হয়ে যাই।
রোজকার রুটিনে খাবারের পরিমান:
সকাল: ২ পিছ ব্রেড অথবা একপিছ পরটা। এক কাপ চা।
দুপুর: একটা বনরুটি। ক্যান্টিনের খাবার অসহ্য লাগতেছে কয়েকদিন। ক্যান্টিনে গেলেও শুধু সালাদ আর সিদ্ধ সবজি দিয়ে লাঞ্চ। একটা আপেল। অফিসে কালো কফি চিনি ছাড়া খাবার চেষ্টায় আছি। প্রথম প্রথম খারাপ লাগলেও এখন ভালো লাগে। অন্যরকম টেষ্ট![]()
রাত: সন্ধ্যা ৭/৮ টার মধ্যেই রাতের খাবার শেষ। এই সন্ধ্যার খাবারই যতো ঝামেলা। মোটামুটি খাবার একদম টেবিলেই পাওয়া যায়। তাই খাওয়াও হয় মোটামুটি জব্বর। খেয়ে কোন কাজ নেই। শুয়ে, বসে টিভি দেখা। রাতে সাধারনত কিছু খাই না। মাঝে মাঝে আপেল অথবা আম খাওয়া যায়।
এতো কিছু করে কোনমতে ঠিক ছিলাম। গতসপ্তাহে ৩দিনের ছুটি ছিলো। সেইটাই কাল হলো। শুক্রবার অফিস করে বিকেলে ঘুম দিলাম। শনিবার ছিলো জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মসজিদে মিলাদ প্লাস খাওয়া। ভাইজানের লিফলেটের কাজ করে দিয়েছি। আর এমনিতেই লোকজন কম হয়। তাই যেতেই হলো। বিরয়ানি ভালোই হয়েছিলো। দুই প্লেট সাবাড় করে দিয়ে মনে হলো কাজটা ভালা করিনি।
শনিবার ছিলো একটা বার্থডে পার্টি। ইন্ডিয়ান রেষ্ট্রুরেন্টে বুফে। লে হালোয়া। আমি আবার বুফে হলে ভালোই টানি। টাকা উসলের ধান্ধায়। দুই প্লেট সাবাড় করে মিষ্টি খেয়ে দেখি পেটে হাওয়া ঢুকারও চান্স নাই। জন্মদিনের কেকও খেতে পারলাম না । সারা বিকেল খুব কষ্টে গেছে।
সোমবার গ্রিল পার্টি। সবার দাওয়াত। আমি যেতে রাজি হলাম না। মা-বাবা আর বোনকে গাড়ি দিয়ে পৌছে দিলাম। দুপুরে এক প্লেট ভাত, দুইটা আইসক্রিম, একটু চিপস। ছোটবোন ডায়েটে আছে। যতোই বুঝাই এখনো তার ডায়েটের সময় হয়নি । কে শুনে কার কথা। অবশ্য আমি মজায় আছি। উনি ডায়েটে থাকলে আইসক্রিমগুলো শুধু আমার। না হলে ফ্রিজ ভর্তি আইসক্রিমের একটাও খুজে পাওয়া যায় না। এখন ফ্রিজ ভর্তি আইসক্রিম। আহ, কি শান্তি আকাশে বাতাসে
। যাক, মা-বাবা গ্রিল পার্টি থেকে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসলেন। কি আর করার। একগাদা পোড়া মাংস সাবাড় করলাম। তারপর আসল খেইল শুরু।
এই ৩/৪ দিনে মিনিমাম ৩/৪ কিলো ওজন বাড়ছে। অফিসে বসে শান্তি নাই। শুধু হাসফাস করি। অফিসে এসে ফ্রিজের চকলেট, আইসক্রিমগুলো কলিগদের দিয়ে দিলাম। কিছু কফি রুমে রেখে এসেছি। যে কেউ খেয়ে নিতে পারে। আমি আর ঐসবে আপাতত নাই। ড্রয়ার খালি করে চকলেট টেবিলের উপর রেখেছি। কালো, সাদা, ব্রাউন, নারকেলের চকলেট। আহারে কতো রকমের চকলেট
। বস দেখে বল্লো এতো চিন্তা কিসের? আমাকে দেখো না। যতো মোটা ততো সুখ। বল্লাম তোমাকে দেখে যখন মেয়েগুলো দৌড় লাগাবে। তখন ম্যা হো না
। দুজন অনেক্ষন ফাজলামি করলাম। এখানের অফিসগুলোতে কাজ করে এইদিক থেকে শান্তি। কাজের সময় কাজ। তারপর কে বস আর কে নরমাল কামলা বুঝা যায় না। ইউনিতে ও একই অবস্হা। প্রসেসরের সাথে বসে বিড়ি ফুকে, ড্রিক্স করে।
এই সপ্তাহে নিশ্চিত দৌড়াতে হবে। আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে গেছে। গরম আসতে না আসতেই আবার ঠান্ডা। সকালে সামার জ্যাকেট গায়ে দিতে হয়
।
গতসপ্তাহে বাংলাদেশ ফেরত এক প্রফেসরের সাথে দেখা। দেখেই বল্লেন কি ব্যাপার তুমি তো মটকু হয়ে যাচ্ছো। এমনিতেই দেখতে সাদা লাউ ![]()
বল্লাম মাত্র তো দেশে থেকে ফিরেছেন। তাই সবকিছুই একটু মটকু তো লাগবেই।
আগামী সপ্তাহে একটা সরকারী ছুটি আছে। তারপর আর অক্টোবর নভেম্বরের আগে ছুটি নাই। সুখের দিন প্রায় শেষ। বসের সাথে সকালে কিছুক্ষন ব্লা ব্লা করলাম। জিঞ্জেস করলো ছুটি নিতেছি কবে? দেশে যাবো নাকি? বল্লাম এখনো ছুটি ঠিক করিনি। দেশে যেতে মন চায়। কিন্তু এতো গরম আর আগামীতে বৃষ্টি শুরু হচ্ছে তাই আপাতত যাচ্ছিনা। উনি আবার বাংলাদেশকে বেশ ভালো করেই জানে। অনেক কিছুই না বল্লেও বুঝে ফেলে। বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক ডকুমেন্টরী নাকি দেখেছে। মনে মনে বল্লাম আমিও মাঝে মাঝে জার্মান টিভি তে দেখি। তবে ডকুতে কি আর ভালো জিনিস দেখাবে??
ডিভাইস টেস্টিং করতেছি। মোটামুটি আজাইরা কাম। মাত্র ২/৩ মিলিসেকেন্ডের জন্য এ্যারর আসে। বাগ ফিক্সিং করতেই দিন গোজরান। মাঝে একবার সুর উঠেছিলো আমাদের সেকশন সিমেন্স কিনে নেবে। বসকে জিঞ্জেস করলে বল্লো ঐসব ভুয়া। ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট কখনো এই কোম্পানী বিক্রি করবে না। আমরা ওদের মানি মেকার। আর সিমেন্স কিনতে চাইলেও জার্মান অথোরিটি রাজি হবে না। কারন ইউরোপে মনোপলি বিজনেস দেখার জন্য একটা অথোরিটি আছে। কয়েকদিন আগে মাইক্রোসফট, সিমেন্স, আই.বি.এম কে বাঁশ দিয়েছিলো মনোপলি বিজনেসের জন্য। সে আবার হুশিয়ারী দিয়ে বল্লো, যদি এমন কিছু ঘটে যায় তাহলে পরেরদিন থেকেই জব খোজা শুরু করবে। সিমেন্স আমাদের কিনে সাথে সাথে পোডাকশন বন্ধ করে দিবে। কারন, ওরাও একই সাবস্টেশন অটোমেশন ডিভাইস তৈরী করে। আমাদের কোম্পানি, এ.বি.বি ওদের কম্পিটিটর।
কামলা জীবন আর ভালো লাগে না। কাজের বাইরে ঠিকমতো কোন কাজই হয় না। সারাক্ষন কাজের টেনশন। কি যে আছে জীবনে!!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বড় বিলাই বলেছেন:
এত খেলে বউ খুঁজে পাবেন না তো। কামলাগিরি ভালো না লাগলে বিচনেচমেন হয়ে যান।
লেখক বলেছেন: ওরে আফা রে, বিচনেচমেন না হয়ে কেমনে টাকা কামান যায় সেই ধান্ধায় আছি। ঐটা হইতাম ছাই না। আগে থেকেই পরকিক্কা করেছি।
বিচনেচমেনদের অবস্হা তো আর ও কাহিল। বউ, পোলাপানের খবরই রাখতে পারে না। শান্তি তো দুরের কথা।
কালপুরুষ বলেছেন:
কর্পোরেট জীবন সব সময় রঙবাহারি। কেমন চলছে দিনকাল? অনেকদিন পর আপনার ব্লগে আসার সুযোগ হলো? ভাগ্যরেখায় কী কোন পরিবর্তন এলো? এতোদিনেতো কিছু একটা হবার কথা। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: দিনকাল চইল্লা যায় ইউরোপের আবহাওয়ার মতোই। একদিন গরম তো একদিন ঠান্ডা।
কতো কিছুই তো হয়ে গেলো। কিন্তু টেকা হইলো না। অবশ্য লটারী খেলাটা এখনো শেখা হলো না ![]()
টাকার কোন আশা-ভরসা শোনালেন না
। আপাতত জীবনে ঐটা একটু বিশেষ দরকার ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আপনি শুধু শুধু মোটা হওয়া নিয়ে চিন্তা করছেন। এটা কোন বিষয় হল। জীবনে আছে কি? খেতা আর বালিশ। যতদিন পারেন ভাল ভাল খেয়ে নেন। আমার ওজন গত এক বছরে ১২ কেজি বাড়ছে। আমি তো কোন চিন্তা করি না। জীম করা বিষয়টা আমার খুবই অপছন্দ। ব্লাক কফি আমারো খুব ভাল লাগে, আমি সবসময় ওটাই খাই। চিনি ছাড়া শুধু গরম পানি আর একটু বেশী পরিমানে কফি। চরম জিনিস। মস্তিস্কের ক্ষমতা বাড়াতে খুব কাজে দেয়।
লেখক বলেছেন: আমার ওজন বাড়লে পেটের একপাশে ব্যথা করে। কতো ডাক্তার, কতো টেষ্ট, কতো ফাউল জিনিস খাওয়ালো। সবাই বলে কোন কিছুই হয়নি
। একদিকে ভালোই হয়েছে। অটো কন্ট্রোল। একবার মটু হলে কিন্তু আর রক্ষে নেই ![]()
মটকু হইলে সুখ নাই। সুখে তাখতাম ছাই ![]()
হাল্ক বলেছেন:
সবাই দেখি কষ্টে আছে... কি আছে দুনিয়ায়?
লেখক বলেছেন: এক সময় এমন হবেন যে সামলাতে পারবেন না। আমার বড়ভাই মোটা হওয়ার জন্য যে যা বলতো তাই করেছে। আমরা এখনো উনাকে নিয়ে বিল্লা মারি। এখন উনিও ডায়েট করে। তবে জেনেটিক্যাল কিছু ব্যাপার মনে হয় আছে।
মোটা হওয়ার আশীর্বাদ গ্রহন করুন।
আপনার পুরানা পোস্ট এ কিছু কমেন্ট করছিলাম...
লেখক বলেছেন: কমেন্ট সকালেই পড়েছি।
ধন্যবাদ
অলস ছেলে বলেছেন:
খানাপিনার বর্ণনা অত্যন্ত উপাদেয় হয়েছে। মধু, মধু।। এক্কেবারে সঠিক সময়ে পড়লাম। চুলায় বিরানির ডেকচির উপর থেকে প্লাষ্টিক এর কাভার টা সরাতে যাবো এখন। ধন্যবাদ। সুখে থাকুন।
লেখক বলেছেন: এখন ফিরি দিলেও খামু না। কাল থেকে আমাকে দৌড়াতে হবেই হবে। কাল ঘুম থেকে উঠা পর্যন্ত যদি ওয়াদা মনে থাকে ![]()
শুভ বিরয়ানী খাবারদাবার। সাথে কুকও খাইয়েন। খাইয়া মইরা যাওয়াই তো আসল কাম ![]()
লেখক বলেছেন: যখন হবে তখন দৌড়াইতে হবে। বসে, শুয়ে, দাড়িয়ে কোথাও শান্তি পাইবেন না। তাই, না হওয়াই ভালো।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস ক্ষুধা লাগছে, জার্মানী যামু!
লেখক বলেছেন: কইছেনটা কি? খাইতে জার্মান আসবেন??
আপনে না কষ্ট কইরা জিমে যান?? খেয়ে কষ্ট বাড়ানোর দরকার আছে??
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
নতুন লেখা কই?
অলস ছেলে বলেছেন:
নতুন লেখা কৈ?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস একটা টেকী কুশ্চেন। আপনেরা যেইসব মাইক্রোকন্ট্রোলার ডিজাইন করেন সেইসবে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাব হার করার বদলে যদি সি ইউজ করা হয় তাইলে কন্ট্রোল সিস্টেম টা কেমুন ডাইনামিক হইবো?আর যদি রিকোয়ারমেন্টে গাই না গুই কয়, এইটার ব্যাপার থাকে তাহলে তো সি বা সি++ দিয়া লিখতে গেলে বিশাল হইয়া যাইবো। তখন তো আবার ভিজ্যুয়াল বেসিক বা ডট নেট লাগবে। সেইটার জন্য তো আরেক সমস্যা!
আপনার কোর্স টাইটেলে কোনটার উপর বেশী জোর দিছে?
আমি সামনের বছরের জন্য কিছু কোর্স দেখছি। জানালে উপকৃত হবো বস!
লেখক বলেছেন: আমরা অনেক পুরনো সিস্টেম নিয়ে কাজ করি। যেগুলো ডেভোলপ হয়েছে প্রায় ২৫/৩০বছর আগে এবং খুবই রিলায়েবল। বর্তমানে কাষ্টমার ডিমান্ডের জন্য আমাদের প্রসেসর স্পীড বাড়াতে হচ্ছে। প্লাস আই.বি.এম আমাদের বলেছে তারা এতো পুরনো (আমাদের) প্রসেসর বানাবে না।
আমরা সাধারনত NMI এবং Calculation (VVI, coz we have to count in ms) জন্য মেশিন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করি। বাদবাকী সবই সি অথবা পি.এল.এম দিয়েই করি (সি++ তো যোজন যোজন দুর)। মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজের সুবিধা স্পিড বেশী কিন্তু কোডিং এবং ডিভাগ করতে জ্বান কয়লা। এমনকি কোনকোন প্রবলেম হয়তো আপনি ২/৩বছর পর পাবেন। সি তে কোডিং প্লাস লজিক অনেক সহজ।
তবে এইসব দেশে সি/সি++/মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ জানলে লাখপতি। ওরা ডাটাবেজ অথবা ডট নেট, ভি.বি এইসব নিয়ে মাথা ঘামায় কম। নিজেও এই ট্রেকে থেকে অন্যগুলো প্রায় ভুলতে বসেছি।
আমি এই কোম্পানিতে জয়েন করার পর মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনে সি ব্যবহারের জন্য অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। তারপরও ১০০% সি ব্যবহার হয় না।
আমার মনেহয় আপনি যে কোর্সগুলো দেখছেন সেগুলো এরিয়া ওয়াইজ ভেরী করবে।
ডাইরেক্ট পাওয়ার সিস্টেমে কাজ করতে হলে পাওয়ার সিস্টেমের খুটিনাটি (অটোমেশনটা) নখদর্পনে থাকতে হবে। তবে সবকিছুর উপর (র্জামানিতে ) সি/সি++/মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ।
(উত্তর কি ঠিক দিলাম ? নাকি ধান ভাঙ্গতে শিবের গীত গাইলাম
)
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস আপনে এক্সপেক্টেশন ছাড়ায় উত্তর দিছেন। সি জানলে তো ঐটা সি++ এ ইমপ্লিমেন্ট করা খুব একটা কস্টকর না মনে হয়। আমার আসলে জানতে ইচ্ছা করছিলো এর মার্কেট ভ্যালু কতডু!আমি অবশ্য এই লাইনের না, কিন্তু ইদানিং এই টেলিকম আর ভালো লাগে না। হয় আইটি নাইলে এইসব ডিজাইনিং মন টানে। বয়সও বাড়ছে। মাথার চুলও পাকছে। তবে এগুলান জানতে খুব ইচ্ছা করে।
অখনও ডিসিশন নেই নাই, কিন্তু ভয় হয় এমুন একখান জিনিস শিখলাম যেইটা দিয়া দেশ তো দূরের কথা বিদেশেও চাকরি নাই, তখন আবার কাহিনী খারাপ!
আমি আবার ছাত্র এতই ভূয়া যে চাকরি ছাড়া গতিক নাই। রিসার্চে আমারে থাবড় দিয়া বাইরা কইরা দিবো!
লেখক বলেছেন: সবচে বড়ো কথা হচ্ছে প্রসেসর। বর্তমান প্রসেসরগুলো সি/সি++ দিয়ে করতে ভালো এবং করাও হয়(স্পিড + অপটিমাইজেশন)। কিন্তু আমাদের অবস্হা কেরোসিন। আমাদের প্রথম জেনারেশন প্রসেসর ছিলো মাত্র ১২ মেগাহার্টজ, ২য় জেনারেশন ২২ আর বর্তমানে ৩৩ মেগাহার্টজ। তাই অনেক অনেক অপটিমাইজেশন করতে হয়। এইসব লাইনে ইচ্ছে করলেই প্রসেসর চেন্জ করা যায় না। সবকিছুই ডিপেন্ড করতেছে প্রসেসরের উপর। পুরনো প্রসেসরে ধাক্কা দিয়ে বেশী কাজ করতে চাইলে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ। অন্যথায় সি/সি++
আমার মতে, মার্কেট ডিপেন্ড করতেছে রিজিওনের উপর। আপনে যদি শুধু মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অথবা পি.এল.এম অথবা সি (যতো পুরনো অসুবিধা নাই ) বস হতে পারেন আর এখানে চলে আসেন আপনাকে ধরে আটকানোর মতো কেউ নেই। তবে আপনি যতোবড়ো নেটওয়ার্ক ইন্জি অথবা ডাটাবেজ অথবা ভিজ্যুয়ান নিয়ে কাজ করলেও এখানে খুব একটা লাভ নাই।
কোন প্রফেশনই বেশী দিন ভালো লাগে না। পোগ্রামিং আরো খাইষ্টা জিনিসরে ভাই
। কখন যে সব ফালাই দৌড় দিমু(কিন্তু যামু কই??)
আমিও খুব ভালো ছাত্র তাই ভয় পেয়ে ডাক্তার (ড: ) হই নাই ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















