আমার প্রিয় পোস্ট

তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে।

অগোছালো দিনলিপি

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0

কলিগদের একজনকে দেখলাম টেবিল পরিষ্কার করতেছে। জিজ্ঞেস করলাম ছুটিতে যাবি নাকি? বল্লো না। এমনিতেই টেবিল গোছগাছ করতেছে। নিজের টেবিলের দিকে থাকিয়ে মুছকি হেসে বল্লাম আমারটা অব্স্হা তো তোর থেকেও খারাপ। বল্লো এইজন্যই তো আমরা ডেভোলপার। শুনে যদিও একটু ভালো লাগলো তারপরও টেবিলের অবস্হা দেখে খারাপই লাগলো। কয়েক শ না হলে কয়েক হাজার বিভিন্ন রকমের প্রিন্ট করা কাগজ, বিভিন্ন রকমের ম্যাগাজিন, অনেকগুলো প্রোডাক্টের বই, কয়েকটি ডিভাইস, কয়েকশ ক্যাবল, দুইটা কম্পু, ২৫/৩০টা বিভিন্ন রকমের কলম, কয়েকটি ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রিক বোর্ড সহ আরো অনেক হাবিজাবি। দুটি বড়ো টেবিল আমার দখলে। তারপরও এই অবস্হা। এতো হাবিজাবি অবস্হায় থেকেও অন্যের তুলনায় আমি একটু ভালোই গোছানো;)। এখন বুঝেন অন্যের অব্স্হা কি? সকালে একজনের রুমে ঢু মেরেছিলাম। অবস্হা বড়ই করুন।

মনেমনে আর একটি কথা উকি দিলো আমার আর একজন কলিগকে নিয়ে। ঐ ব্যাটা সত্যিকারের ডেভোলপার। উনার অবস্হা নিম্নরূপ:
*অফিস আসতে ১১/১১:৩০ (আমি আসি ৮/৮:৩০)
*দুইমাসে একবার সেইভ করবে (একদিন পর পর)
*শার্ট/জ্যাকেট একটা মনে হয় কয়েকশো বছর আগে কিনেছে। আর ধৌত করেছে মিনিমাম ২৫ বছর আগে। (আমার আম্মাজান দুইদিন একই শার্ট পরতে দেখলে কিছু না বলেই মেশিনে)
*কফির কাপ মিনিমাম ২/৩ সপ্তাহ পরপর ওয়াশ হয় (আমি যতোবার কফি খাই ততোবার)

আর কিছু বল্লাম না। ঐ ডেভোলপারের তুলনায় আমি এখনো দোলনায়;)

ছোটবেলা থেকেই একটু অগোছালো। নিজের চেহারার কোন যত্ন নেওয়া হয়নি। আমার কাছে রূপচর্চা মেয়েদের কাজ। অবশ্য চেহারা খুব একটা খারাপ না তাই কষ্ট করার কোনই প্রয়োজন হয়নি। ফাকতালে কিছু লাভও হয়েছিলো। মুখে ব্রন অথবা অন্য কোন ঝামেলা হয়নি। আমার অভজারভেশনে যারা চেহারা নিয়ে একটু খুতখুত টাইপের তারা এইসব ঝামেলায় পড়েন। আমার বড়ো ভাইজান এই টাইপের। উনি সারাক্ষন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য যতো রকমের কষ্টের দরকার সব করতে রাজি। আমি ঐসবের ধারে কাছেও নাই। ছোটবেলায় মা, পরবর্তিতে মামী সব সামাল দিতেন। ভাগ্য ভালো আমার অফিসে ভাইদের আমন্ত্রন জানাই না। না হলে বাসায় ঢুকতে দিতো কি না সন্দেহ। ঘরের অবস্হা পিঠ বাচানোর জন্য যতোটুকু দরকার ততটুকুই।

ম্যানেজার মোটামুটি দৌড়ের উপর রাখছে। একদিকে কাজ থেকেও নাই। অন্যদিকে দেশ মাসের ছুটি পাওনা। বছর শেষ হয়ে যাচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি ছুটি শুরু করতে হবে। না হলে ইউনিট ম্যানেজারের ঝাড়ি খেতে হবে। একজন অসুস্হ হয়েছে। তাই ডিভাইস ডেলিভারীর তারিখ পিছিয়েছে। কিছু ফাউল টেষ্ট করতেছি। এতোদিন কন্ট্রোল নিয়েই ছিলাম। এখন প্রটেকশনের চৌদ্দগোষ্টি পড়তে হচ্ছে। গতদিন এক কলিগ জিজ্ঞেস করতেছিলো ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? বল্লাম যে অবস্হায় দেখতেছো আপাতত এখানেই থাকি। সে বল্লো তুমি তো কন্ট্রোল, প্রটেকশন, কমিউনিকেশন (IEC-61850, IEC-101,103,104) নিয়ে কাজ করছো। এখন কোন লাইনে থাকতে চাও (কোম্পানিতে বিভিন্ন ব্রাঞ্চে এক একজন বস) তোমার চয়েজ কি? বল্লাম IEC Protocol নিয়েই কাজ করা একটু সহজ। প্রটেকশনের এ্যালগোরিদম খুবই প‌্যাচাইল্যা। মাথা খাটাইতে হয় অনেক। সে বল্লো আগামীতে Power System এর Network management সেক্টরের ভবিষ্যত খুবই উজ্জল। বিস্তারিত শুনে ভাবলাম তাইতো। আগামীতে উইন্ড, সোলার, উয়েব, নিউক্লিয়ার সহ অনেক রকমের মাধ্যম থেকে এ্যানার্জি উৎপন্ন হবে। কিন্তু কিছু কিছু সিস্টেম কন্সটেন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দিতে পারবে না। যেমন: উইন্ড, সোলার এগুলো সবই নির্ভর করবে প্রকৃতির উপর। (জার্মানরা আফ্রিকার রোদ্র ব্যবহার করে বিদ্যুত নিয়ে আসতেছে)।কিন্তু যখন খুব বেশী বিদ্যুৎ সাপ্লাই লাইনে চলে আসবে তখন মেইনটেইন্স কিভাবে হবে? নিউক্লিয়ার রিয়েকটর তো বন্ধ হতে সময় লাগবে। শুধু মাত্র গ্যাস, ওয়েল জেনারেটরগুলো হয়তো বন্ধ করা যাবে। কিন্তু সেইটা তো পর্যাপ্ত নাও হতে পারে।
বল্লাম, আপাতত যেখানেই যা হোক, আমি চোখ বন্ধ করেই এখানেই থাকবো। চাকরী একটা গেলে আগামী বছরখানেকের আগে পাওয়ার চান্স নাই। অবশ্য বর্তমান ক্রাইসিসে সফটওয়্যার সেক্টর সেইরকম ধরা খায়নি। তারপরও রিক্স নিতে রাজি না। যদি আমাদের কোম্পানী ঐ সেক্টরে কোন কাজ করে তো তখন দেখা যাবে।

জার্মানি নাকি এখন থেকেই আগামী ২৫/৩০বছর পরের চিন্তা করে কাজে লেগে যাচ্ছে। আগামীতে ব্যাটারী চালিত গাড়ি আসতেছে। ওরা পুরো জার্মানিতে আলাদা বিদ্যুত নেটওয়ার্কের চিন্তা করতেছে। যেখানে সবার গাড়ি গ্যারেজে বিদ্যুতের কানেকশন থাকবে। কারো গাড়িতে অতিরিক্ত চার্জ থাকলে অটোমেটিক্যালি অন্য গাড়ি তোমার চার্জ ব্যবহার করবে। তখন তুমি টাকা/ক্রেডিট পাবে। অন্য সময় সেই ক্রেডিট নিয়ে আবার গাড়ি চার্জ করতে পারবে। ব্যাটাদের মাথায় শুধু মাল। অবশ্য চিন্তা করলে আমরাও হয়তো পারতাম। আমাদের নেতাদের চিন্তা তো শুধু বিদেশী নির্ভর। দেশে মাটি বিক্রি করেও পারলে ডলার আনো, খাও আর ওমরা করো।

মাসের শেষে ছুটি নেবো শুনে আরেক কলিগের মাথায় হাত। নতুন একটি ডিভাইসে আমার কাজ করার কথা ছিলো। কিন্তু ম্যানেজার Distance protection ডিভাইসে কাজ করতে বলেছে X(। কলিগকে বল্লাম যদি দরকার লাগে তো আওয়াজ দিও। আমার ছুটি তো বাসায় বসে থাকা। এখন শীত প্রায় এসেই গেছে। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার চান্স নাই।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এলোমেলো চলাতে স্বস্তি পাই
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: আবার কয় ;)
তবে চান্সে এখন নিজেও একটু ফিটফাট থাকার চেষ্ট করি। একটু ভাব আর কি।

২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ইরাম কইরা থাকলে লাভ কি!!! :-/ :-/
আমি তো কিছু একবার টেবিলে রাখলে আর খুঁইজাই পাই না!!! /:)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: আমারো একই অবস্হা। কতো ডকু যে কোন চিপা দিয়া হান্দাই যায়। পরে গরু খোজা দিতে হয় :(। ততোক্ষনে প্রবলেম সলভ:)

৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
বড় বিলাই বলেছেন: ছুটি ছুটি ছুটি। গরম গরম রুটি।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: আর কত্তো রুটি খামু।
লোকজনকে কিছু বলতে পারি না দেখে সকাল বিকাল রুটি খাইতেছি। আপনি বলতেছেন আরো রুটি :(
ফাসান হিদয়

৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ফ্রুলিংক্স ভাই আপত্তি না থাকলে আপনাকে জিটকে অ্যাড করতে চাই্।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: এ্যাডাইতে কুনো অসুবিধা নাই

৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: বিবাহ করেছেন? নাহলে করে ফেলেন। লক্ষণ পরিস্কার।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: একা থাকার যে কি মজা সেইটা অলরেডি টের পাইছি;)

৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৪
সহেলী বলেছেন: বাসায় বসে থাকার মত ছুটিভোগের আনন্দ আর নাই !!!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: বসে বসে আর কতো টিভি দেখা যায়?? দুইদিন ছুটি কাটানোর পরেরদিন ব্যাক পেইন শুরু হয়ে যায়। তখন আবার ব্যায়াম শুরু করতে হয়:(

৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৮
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আপনার টেবিলের কথা পড়ে আমার টেবিলের দিকে তাকালাম। আমার টেবিল অবশ্য আপনার মত প্রফেশনাল না, ছাত্র টেবিল। আপাতত ২০/২৫ টা বই, পাঁচ/ছয় কেজির মত খাতা আর কাগজ, একটা ব্যাগ, কয়েকটা সিগারেটের খালি প্যাকেট, দুইটা কম্পিউটার, পাচটা কলম, চারটা রুলার, সকালের নাস্তার বাটি, একটা নোংরা গ্লাস আরো কিছু হাবিজাবি...... সব মিলিয়ে খিচুড়ি অবস্থায় আছে।

গাড়ি কেনার পর ছবি দিয়েন! আর ছুটি মনে হয় ঘুমিয়ে কাটানোই উত্তম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: আপনি তো দেখি অনেক বড়ো টাইপের গবেষক মানুষ( ছাত্র বলে গবেষক বল্লাম)।

গাড়ির দাম কমতেছে না। একটা সাদা অডি কেনার খুব শখ। আর এই মুহুর্তে অনেকগুলো টাকা ইনভেষ্ট করতে মন চাইতেছে না:(

৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনের টেবিল আমারটার তুলনায় অনেক গোছালো, মেহরাব সাক্ষী দিবে দরকার হইলে। গুছাইতে যে চাই না তা না কিন্তু গুছাইলেই আর কিছু খুঁজে পাই না, কাজেই ঐভাবেই থাকে। আমার চেহারাটাও আমারে ফেভার করে নাই, লগে ৩ মাসে একবার চুল কাটানি আর ৩ সপ্তাহে একবার শেভ মিলায়া একটা হতচ্ছাড়া অবস্থা হয়, এই নিয়াই আছি আরকি, মাঠে ঘাটে কাজ করি কাজেই খিয়াল করার লোক নাই, এইটাই যা সুবিধা।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ঠেলায় পড়ে একটু ভদ্রতার ভাব ধরে থাকি আর কি :)

লেবাস একটু ভালো করে চলতে হয়। কাপড়ে ভাব একটু ভালো না হলে পুলিশ মামুরা মাঝে মাঝে ঝামেলা করতে পারে। আইডি চেক করার চান্স থাকে। সবকিছুই ঠিকঠাক। তারপরও অযথা সময় নষ্ট। যদিও এতোগুলো বছরে একবারও এইরকম পরিস্হিতিতে পড়ি নাই।
চেহারা-সুরতে তো আর ইউরোপিয়ান হইতে পারলাম না।

১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি সব ভুলে যাই । কিছুই মনে থাকেনা।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ভুলে যাওয়া ভালো অভ্যাস। ম্যামোরী স্পেস খালি হলে ভবিষ্যতে অনেক বেশী ডাটা স্টোর করতে পারবে :)

আমিও মোটামুটি ভুলে যাই। অনেক সময় সফওয়্যারের পরিবর্তনগুলো নিজেই করে পরে ভুলে যাই কি পরিবর্তন করেছি। ডকু দেখে আমার মেমোরী রিফরেশ করতে হয় :(

১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ক্লিন টেবল ইজ দ্য সিম্বল অব সিক মাইন্ড--- ! :P :P
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: উরে খাইছে রে। এইটা কি থিউড়ি দিলেন ভাইজান :)

১৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
মুনিয়া বলেছেন: ভাল হয়েছে দিনলিপি।
এলোমেলো থাকতে ভাল লাগে। বেশি গুছালে টেনশান হয়।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: ঠিক না, ঠিক না। তোমরা যদি এইগুলো বলো তাহলে আমাদের গুছিয়ে থাকার কোনই চান্স নাই।
অবশ্য দিন বদলাইছে। মাঝে মাঝে ছোটবোনের রুমে উকি দিয়ে যা দেখি তা ফটো তুলে ফান্সের লুভর মিউজিয়ামে পাঠালে মনে হয় ওরা বিখ্যাত কোন শিল্পির ছবি বলে টানাই রাখতে পারে। সেইরকম ;)

১৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
কাজের লোকের টেবিল এলমেলোই থাকে। বয়সের দিক দিয়ে আমি সিনিয়র গোত্রভুক্ত, তবে ব্লগে নতুন। "মুহিব" আর আপনার মধ্যে আগে কে?
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আমি খুব একটা কাজের লোক না। কাজ থেকে অকাজ করি বেশী।

কে আগে সেইটা তো বলতে পারবো না। তবে মনেহয় মুহিব আগে রেজিষ্ট্রার করেছেন।

১৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
শ।মসীর বলেছেন: ব্যাটাদের মাথায় শুধু মাল।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ব্লা...ব্লা...ব্লা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ