আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- সহজেই মুছে ফেলুন উইন্ডোজের যেকোন ভার্শনের ভুলে যাওয়া এ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড (ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে) - নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় কিছু ইন্ডিয়ান ইংরিজি এবং হিন্দি মুভির তালিকা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আর্চিস গ্যালারী পেরিয়ে... - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- ছাওয়াল ও জওয়াব ৪ : বক্রপথে শয়তানের কুমন্ত্রণা - বিপ্লব০০৭
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
শখের এতো ঠেলা!!!!!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
প্রাইভেট গাড়িতে উঠলেই ঘুম আসে। সেটা দেশে, বিদেশে সমান তালেই হয়। কোম্পানীর কাজে গাড়ি নিয়ে অন্য অফিসে যেতে হতো। দুরত্ব প্রায় ৫০০ কিমি। প্লেনে গেলে তাড়াতাড়ি হয়। কিন্তু কিছু হার্ডওয়্যারও সাথে নিতে হয় বলে গাড়িই ভরসা। ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগ পর্যন্ত কলিগদের সাথে যেতাম। গাড়ি হাইওয়ে উঠতেই শত চেষ্টায় চোখ খোলা রাখা মুশকিল ছিলো। সাধারনত ৫/৬ ঘন্টার লং ড্রাইভ হতো। ড্রাইভিং লাইসেন্স করার পর এখন প্রানের ভয়ে ঘুম আসে না। অবশ্য কিছুটা গাড়ির ভয়ও আছে। গাড়িতে একটু দাগ লাগলেই মনে হয় কইলজ্যাতে কেউ ছুরি মারছে। প্রথম প্রথম টাকার জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সে হাত দেইনি। পরবর্তিতে বেশ অল্প খরচেই করে ফেল্লাম।
দেশে থাকাকালিন সময় থেকেই মাছ ধরার সখ। যদিও আমার ধৈর্য্য বেশ কম। বর্শিতে মাছ ঠুকর না দিলে মেজাজ খারাপ হয়ে যেতো। আমার সাথে মামাতো ভাইকে দেখতাম অনেকক্ষন ধৈর্য্য ধরে মাছ ধরতে। সাধারনত আমাদের ধরা মাছগুলো বাসায় খুব একটা কাজে লাগতো না। হাস, মোরগই খেতো। অনেক বড়ো পরিবার ছিলো। দুই-তিনটি মাছে কিছুই হতো না। তারপরও আমাদের মাছ ধরার কাজে কোন অবহেলা ছিলো না। অনেক সময় মাছ ধরে অনেককেই ফ্রি দিয়ে দিয়েছি। বর্ষায় টিলার নীচে পানি আসলে আমাদের সুখের দিনের শুরু। মা-বাবা শত পিটুনির ভয়েও কাজ হতো না। কলেজ/ইউনিতে থাকাকালীন বিভিন্ন পরিচিত লোকজনের সাথে চুক্তিভিত্তিক মাছ ধরতে যেতাম। আমাদের কাজ ছিলো শুধু মাছ ধরা।
এখানে আসার পর অনেকদিন নদীর পাড় দিয়ে হেটেছি আর লোকজনের মাছ ধরা দেখেছি। কিন্তু লাইসেন্স করতে কিছুটা ঝামেলা ছিলো। এইসব দেশে সব জায়গায় মাছ ধরা যাবে না। নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় শুধু মাছ ধরতে পারবে। তাও যাদের লাইসেন্স আছে শুধু তারা মাছ ধরবে। অন্যথায় জেল জরিমানা আছে। গ্রীষ্মের লম্বা ছুটির দিনগুলোতো মোটামুটি ঘটি-বাটি নিয়ে মাছ ধরতে যাওয়া যায়।সখটাকে পকেটে রেখে দিয়েছিলাম এতোদিন।
গত সপ্তাহে লাইসেন্সের জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম। পকেটে ব্যাংক কার্ড ছিলো। সাধারনত পকেটে ক্যাশ টাকা রাখা হয় কম। কার্ড দিয়েই সব জায়গায় পে করা যায়। কিন্তু উনারা ক্যাশ টাকা নিবেন। কি আর করার। প্রায় ৩০ মিনিট ঠান্ডা আর বৃষ্টির মধ্যে হেটে অটোমেট থেকে টাকা তুলে এনে ভর্তি হলাম। বেশ ভালোই চার্জ করলো। ঐ দিনই দুই ঘন্টা ক্লাস। অফিস শেষ করে রাত করে ক্লাস করা
। এই ফাজলামী আবহাওয়ায় শনি রবি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্লাস চলবে চার সপ্তাহ। তারপর পরীক্ষা। ৬০ টা প্রশ্নের তিনটা ভুল গেলেই ফেলটুশ। মাসখানেক সময় আছে। ফেল মারবো না আশা করি। এখন থেকে অফিসে আসতে যেতে আবারো বই নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। ছুটির দিনেও ভোর ৬টায় ঘুম থেকে উঠতে হবে। আমার পড়াশোনা ট্রাম কেন্দ্রিক। বই নিয়ে ট্রামে উঠে পড়ি। ট্রামের শেষ ষ্টপেজ থেকে শুরুর ষ্টপেজে আসে। আবারো যায়। এদিকে আমার রিভিউ ভালোমতোই হয়ে যায়। পরীক্ষার সময়ও ট্রামে উঠে পড়া রিভিউ দিতাম।
ছবি নেট থেকে সংগ্রিহীত
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বড় বিলাই বলেছেন:
শখের দাম লাখ টাকা। আপনার শখ যেন পূরণ করতে পারেন।
লেখক বলেছেন: টাকা সমস্যা না। সমস্যা সময় এবং কোর্সের পর পরীক্ষা।
টাকা দিয়ে লাইসেন্স দিয়ে দিলে তো সেই কবেই নিয়ে নিতাম।
রশিদুল হাসান বলেছেন:
ওখানে কি আমাদের দেশের মতো নদী,পুকুর,খাল-বিল আছে? কি কি মাছ পাওয়া যায়? আমাদের দেশী কোনো প্রজাতি আছে কি?আপনি কি রাইন নদীর আশেপাশে কোথাও?
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে খাল-বিলকে ওরা নদী বলে। আর কিছু পুকুর আছে। আমাদের দেশের বোয়াল,রুই-কাতল তো পাওয়া যায় না। মাগুর/আল মাছ পাওয়া যায়।
আমি মাইন নদীর আশেপাশে থাকি।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভালোই লাগলো পড়তে। বহুকাল মাছ ধরা হয়না। শখ হয় মাঝে মাঝে।
লেখক বলেছেন: দেশে নাকি অনেকেই ব্যবসায়িক ভিত্তিতে মাছ চাষ করে। আর শৌখিন লোকেরা টাকা দিয়ে বরশি পাতেন। এখন গ্রামে আগের মতো পুকুর ও নেই। খাল-বিল তো সেই কবেই ফ্লাটবাড়ির খপ্পরে।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ভাল একটা জিনিস শিখলাম আপনার কাছ থেকে। ট্রামে উঠে ট্রাই দিতে হবে। সমস্যা একটাই, মাঝে মাঝে বুড়ো বুড়িদের সম্মান দেখিয়ে সিট ছেড়ে দিতে হয়। তাও ব্যাপারনা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি চিপার একটা সিটে বসে পড়ি। আর এখানের ট্রামগুলো সেইরকম। শীতের দিনে হিটার, গরমে এসি সিস্টেম।
ট্রাই করে দেখতে পারেন।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ভদকা ভুদকা খাই না। তয় জর্মন চিবো কফি খাই মাঝে মাঝে। কাহিনী হইছে অন্য। হঠাৎ ধরা খাইয়া গেছি। তাই বাচনের লাইগা সব ড্রাফট মারছি। পরে বিস্তারিত কইতাছি।
লেখক বলেছেন: জ্বী না। তখন বরশী কিনে মাথার কাছে অথবা বালিশের নীচে রেখে ঘুমাইতে হবে ![]()
পাশ করলে বছর চুক্তিতে ফি দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় মাছ ধরা যাবে।
মেহবুবা বলেছেন:
কোন দেশে থাকেন ? মাছ ধরতেও লাইসেন্স ?ওদেরকে বলে দেবেন আমাদের দেশে জাটকাও ধরা হয় , কারেন্ট জালও । যদিও নিষিদ্ধ ।
শুভকামনা আপনার জন্য ।
লেখক বলেছেন: আপাতত জার্মানী। ইউরোপের মোটামুটি সবগুলো দেশেই লাইসেন্স সিস্টেম। যে কেউ ইচ্ছে করলেই বর্শী নিয়ে যে কোন জায়গায় মাছ ধরতে পারবে না। অনেক প্রজাতির মাছ আছে যেগুলো ধরলে জেল-জরিমানা আছে। এমনকি নদী অথবা খালের পাড়ে কিছু লতাপাতাও আছে যেগুলো নষ্ট করলে জেল-জরিমানা হবে। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক লাইসেন্স দেওয়া হয়। যাতে অনেক প্রানী যেগুলো মাছ খেয়ে বেঁচে থাকে, ওরা যেনো মাছের অভাবে মারা না যায়। অনেক নিয়মনীতি মেনে চলে দেখেই এখনো ঠিকে আছে। না হলে আমাদের মতো অবস্হা হতো।
ওরা সবই জানে। ওদের নদীগুলো আমাদের খাল থেকেও ছোট। তারপরও ওরা খুব সুন্দরভাবে রক্ষনাবেক্ষন করে রেখেছে। ওদের সাথে তুলনা করলে মনে হয় প্রকৃতি আমাদের দুহাত ভরে দিয়েছে। কিন্তু আমরা সদ্যব্যবহার করতে পারলাম না।
অন্যরকম বলেছেন:
অফলাইনে পড়েছিলাম আগেই!আজকে +
আপনার নামটা সবসময় উপরেই দেখা যায়! (ফসিল ব্লগার), কিন্তু উপস্থিতি কম দেখি মনে হয়!
লেখক বলেছেন: ফসিল ব্লগার!! ভালোই বলেছেন।
উপস্হিতে কোনকালেই খুব একটা বেশী ছিলো না। অনলাইন-অফলাইনে মিলিয়ে ব্লগ পড়া হয়।
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














