আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- সহজেই মুছে ফেলুন উইন্ডোজের যেকোন ভার্শনের ভুলে যাওয়া এ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড (ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে) - নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় কিছু ইন্ডিয়ান ইংরিজি এবং হিন্দি মুভির তালিকা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আর্চিস গ্যালারী পেরিয়ে... - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- ছাওয়াল ও জওয়াব ৪ : বক্রপথে শয়তানের কুমন্ত্রণা - বিপ্লব০০৭
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
মাছ ধরতে এতো হ্যাপা 
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭
![]()
মাছ ধরার লাইসেন্সের জন্য ভর্তি হয়ে পুরো ধরা। সেই সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বোরিং ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রথমদিন ক্লাসে ১৫ মিনিট দেরী করে ঢুকলাম। লাঞ্চ ব্রেকের আগ পর্যন্ত কোন উপস্হিতি (রোল কল। সাধারনত একটি পেপার দিয়ে সাক্ষর নেওয়া হয়) কাউন্ট করা হয়নি। লাঞ্চ ব্রেকে শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলাম উপস্হিতি কাউন্ট হবে কিভাবে? এবং ক্লাস করা কি বাধ্যতামুলক? জবাবে উনি বল্লেন উপস্হিতি উনি নিজের চোখ দিয়েই করেন। আর দেরী করে আসলে সমস্যা নেই। শুনে তো আমার চোখে ঘুম এসে গেলো। এমনিতেই ক্লাস হচ্ছে এইটি রেষ্ট্ররেন্টে। যার যখন ইচ্ছে খাবারের অথবা ড্রিংসের অর্ডার দিচ্ছে। খাবারের পাশাপাশি সবাই টিচারের বকবক শুনতেছে। কিছু কমবয়সি ছেলেমেয়ে টিচারের সাথে বান্দরামী করতেছে।
মাছের চৌদ্দগোষ্টি উদ্ধার করতে হচ্ছে। কোন মাছের আঁশ কিরকম (চেপ্টা নাকি লম্বা), রঙ কিরকম, কয়টা পাংখা আছে, কোন পাংখার কি নাম, পাংখা দেখে কিভাবে মাছ শনাক্ত করবে, মাছে চোখ কয়টি, কোন প্রকারের মাছ নদীর কোন লেভেলে চলে, কোথায় কোথায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ, মাছ ধরতে গিয়ে কিসব জলজ উদ্ভিদের পাতা অথবা সম্পুর্ন উদ্ভিদ উপড়ানো যাবে না, কোনকোন মাছ স্হানীয়, স্হানীয় মাছদের কিভাবে সনাক্ত করা যাবে, কোন মাছ কোথায় কিভাবে ডিম পাড়ে, কোন মাছের রক্ত বিষাক্ত, কোন মাছের কয়টি কানকোয়া আছে, কার কয়টি ফুসফুস, মাথার অবস্হান, মাছের মগজ কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি হাজারো ব্লা ব্লা। এতো কিছু পড়াশোনা করে পরীক্ষা পাশ করে তারপর মাছ ধরতে হবে জানলে ভর্তিই হতাম না। অনেকগুলো টাকা যাতে পানিতে না যায় এজন্য কষ্ট করে ক্লাস আর কাজের ফাঁকে প্রশ্ন নিয়ে দৌড়াতেছি।
যখনই শুনলাম ক্লাসে দেরী করে আসা যাবে আর তাড়াতাড়ি চলেও যাওয়া যাবে তখনই টিচারকে বল্লাম আমার তো আজ একটু তাড়াতাড়ি যেতে হবে। বাজার করতে হবে। না হলে তো রবিবার সপ্তাহিক ছুটি। দোকানপাট সব বন্ধ। উনি মুচকি হেসে বল্লেন আসছো তো দেরীতে আবার যেতেও চাও আগে। যাবেই যখন তাহলে যাও। আসলে কিসের বাজার। সবই ভূয়া। ৫দিন টানা কাজ করার পর যদি বাকী দুইদিনও এইরকম দৌড়ের উপর যায় তাহলে কার ভালো লাগে। এরমধ্যে ঠান্ডা, বৃষ্টি তো আছেই। পরেরদিন প্রায় দুই ঘন্টা পর ক্লাসে উপস্হিতি জানালাম। লাঞ্চ ব্রেকে টিচারের সাথে দেখা। বল্লেন আজকেও কি তাড়াতাড়ি চলে যাবে। বল্লাম আজকে যাবো না। আপাতত পরীক্ষা পাশের ধান্ধা করতে হচ্ছে।
লাঞ্চে রেষ্ট্রুরেন্টে শুয়রের মাংসের আইটেম। একটু হেটে একটি ডুনার কাবাবের দোকানে গিয়ে দেখা গেলো কমদামে ড্রিংস সহ ডুনার কাবাব বিক্রি করতেছে। দেখলাম হালাল লেখা আছে। দোকান নতুন তাই কমদামে দিচ্ছে। মোটামুটি ভালোই হলো। যদিও একটি ডুনার খেতে আমার খবর হয়ে যায়। আগামী কয়েক সপ্তাহ কমদামে ডুনার খেতে পারবো ভেবে ভালোই লাগলো। বিকেলে বাসায় ভাইয়াকে কম দামে ডুনারের কথা বলায় উনি না খেতে বল্লেন। কম দামের ডুনারগুলো নাকি ভালো মাংস দিয়ে বানায় না![]()
![]()
অফিসে ব্যাপক দৌড়। কলিগ কয়েকজন অসুস্হ। এখন সর্দি-জ্বরের সময়। চান্সে সোয়াইন ফ্লোয়ের ভয়ে যাদের একটু শরীর গরম হয়েছে তাদেরকে অফিসে আসতে মানা করা হয়েছে। কিন্তু দু:খের সাথে জানানো যাচ্ছে যে আমার শরীর একটুও গরম হয় না
। একটু কাশি অথবা সর্দি হলেও না হয় ফোন করলে ম্যানেজার ভাবতো সত্যি সত্যি সর্দি-জ্বর হয়েছে। নিজের কাজের পাশাপাশি অসুস্হ লোকজনের কাজের চাপও সামাল দিতে হচ্ছে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
এত কষ্ট কয়ে মাছ শিকারের লাইসেন্স নিয়ে যে মাছ ধরবেন সেটার ওজন মেপে আবার পানিতে ছেড়ে দিতে হবে না তো ? লেখক বলেছেন: খারাপ বলেন নাই।
লাইসেন্সের কড়াকড়ির জন্য সবাই ইচ্ছে থাকলেও মাছ ধরতে পারে না। মাছের বংশবৃদ্ধি তাই বেশ ভালো। কিছু প্রজাতির মাছ ভালোই পাওয়া যায়। এবং স্বাদ সেইরকম পাইনস্যা। বাংলাদেশের মাছের সাথে তুলনায় মাইনাস। শুধুমাত্র গ্রিল করে খাওয়া সম্ভব।
আমি মাছ ধরতে পছন্দ করি তাই এই কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। এমনিতে বাংলাদেশের মাছ নিয়মিত খেয়ে থাকি।
ওসমানজি২ বলেছেন:
বলেন কি ? এ্যাতো হ্যাপা ??
লেখক বলেছেন: জ্বী ![]()
লেখক বলেছেন: কয়েক হাজার ইউরো জরিমানা। সাথে জেলও হতে পারে। এমনকি নদীর পাড়ের কিছু জলজ উদ্ভিদের পাতা ছিড়লেও জেল-জরিমানা।
এইসব দেশে আরো কতো রকমের জরিমানা আছে চিন্তাও করতে পারবেন না। গাছে উঠলে জরিমানা। যেকোন জায়গায় চুইনগাম, সিগারেটের ফিলটার অথবা থুথু ফেল্লেও জরিমানা।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: এত্তো বড়ো তো ওদের নদীতে নাই। সাগরে মাছ ধরতে আলাদা লাইসেন্স লাগবো। আমাকে দিয়ে হবে না ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
সমস্যা নাই। ব্যাফক মাছ ধইরা পরে ষ্টোরে সাপ্লাই দিবেন। কিছুদিনের মধ্যেই ধনী ম্যাগাজিনে নাম উইঠা যাইব। লেখক বলেছেন: আমার ধৈর্য্য কম। মাছ না লাগলে বর্শী ফেলে চলে আসতে পারি।
আপনার তো শীতে বরফে ছিদ্র করে মাছ ধরতে পারেন ![]()
কতদিন মাছ ধরিনা। আশায় আছি হয়ত কোন দিন আবার সুযোগ হবে
লেখক বলেছেন: সেই দিন আর নাই। কয়েকবছর আগে দেশে গিয়ে দেখি টিলা কেটে মাঠি দিয়ে সব পুকুর ভর্তি করে দালান উঠতাছে (বর্তমান সিলেটের অবস্হা নাকি আরো খারাপ)।
লেখক বলেছেন: আমরাও ময়দার দলা অথবা পাউরুটি দিয়ে বর্শী নিয়ে সারাদিনে ২/৩ টা পুটি মাছ ধরতাম। লালপিপড়ার বাসা ভেঙ্গে ওদের ডিম দিয়েও মাছ ধরতে যেতাম। তবে পিপড়ার ডিম ধরতে খারাপ লাগতো দেখে অন্য আরেকজনকে দিয়ে বর্শীতে ঘাতাতাম। কেঁচো পছন্দ করি না।
সেইসব দিন এখন স্বপ্ন।
বিডি আইডল বলেছেন:
কানাডাতে তো টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিলেই হয় মনে হয়!?! ক্লাস ফ্লাসের কথা তো শুনি নাই....
লেখক বলেছেন: হয়তো। কানাডা অনেক বড়ো দেশ + নদ-নদীর অভাব কম। জার্মানি এমনিতেই ছোট। নদ-নদী খুবই কম। সবচে বড়ো কথা জার্মানরা খাইষ্টা। সবকিছুতেই ডকুমেন্ট।
বিডি আইডল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তুর্কি ডুনার কাবাব জোস। ওরা কিছু স্যুপও বানায় বেশ ভালো। তবে আমি স্যুপ খাই না। তাই বলতে পারলাম না। সামারে ইতালীতে গিয়ে একটি পঞ্চতারা হোটেলের টরটিলা খেয়ে মাথা ঘুরে গিয়েছি। সেইরকম টেষ্ট।
বিডি আইডল বলেছেন:
টরটিলা আসলেই জোস খাবার....আমার বৌ কাইলক্যা বাসায় করছিল...চিকেন স্ট্রিপ দিয়া..নামটা মনে হয় ডুনারই ছিল..জার্মানিতে বেশ কিছু ক্লাসিক রেস্টুরেন্টে দাওয়াত খেয়েছিলাম....দূর্দান্ত সব ডিশ...বিশেষ করে মাছ+ভাতের একটা ডিশ আর হাসের রোস্ট এই দুইটার স্বাদ এখনও ভুলি নাই (প্রায় ৪-৫ বছর আগের কথা)
লেখক বলেছেন: ডুনারই হবে হয়তো। ডুনারের পুড়া মাংসটা সেইরকম টেষ্ট এবং অনেকগুলো আইটেম হয়। তবে ফ্যাটও আলহামুলিল্লাহ। তাই মাসে হয়তো একবার খাওয়া হয়। বিদেশী খাবার সাধারনত বাইরে খাই। বাসায় সবসময় বাঙালী ![]()
বড় বিলাই বলেছেন:
ভালো যন্ত্রনায় পড়েছেন।
লেখক বলেছেন: জ্বী অয় ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















মাছ ধরার লাইসেন্সের কথা জানতাম না.....................
Click This Link