আমার প্রিয় পোস্ট

I have recognized God from the breaking of my plans ( Hazrat Ali [R.A] )

একটি হাদিসের ব্যক্ষা জানতে চাই । (ঊত্সর্গ উমর, মুসলিম ৫৫, তুষারপাত, উষ্ণ , শিরনামহীন, নাজনীন১, মুসলিম গ্রুপ ও বাকিরা)

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

শেয়ারঃ
0 0 0

(বোল্ড আর নিচে দাগ দেওয়া অংশ আর বাংলা লেখা গুলি পড়লেই পুরো পোষ্ট বুঝতে পারবেন ইনশি-আল্লাহ)
ঐ হাদিসের আগে একটি ব্যক্ষা দেই তার পর হাদিসটি ঃ-
Every denomination or newly invented sect created by people and contradicts Shari`ah (Islamic law) falls under this Hadith of Allah's Messenger (peace be upon him): Whoever introduces something into this affair of ours that is not of it (i.e. religion) it will be rejected. and also under this Sahih Hadith (a Hadith that has been transmitted by people known for their uprightness and exactitude; free from eccentricity and blemish): "My Ummah will split up into seventy-three sects, all of them will be in the Fire except one sect." They asked: "Which one, O Messenger of Allah? He replied: "Al-Jama`ah (the true followers of the Prophet)." In another narration, the Prophet's reply was: It is the one (sect) that follows what I and my Companions are upon now. Hence, whatever practice, deed, or act of worship people invent as a means of drawing nearer to Allah thinking that they will be rewarded while in fact it contradicts Shari`ah, it is considered a Bid`ah (rejected innovation in religion) that falls under this dispraise and censure stated by Allah's Messenger (peace be upon him).

Accordingly, it is the duty of all Muslims to weigh their words, deeds and acts of worship against the statements of Allah and His Messenger, what has been ordained by Allah, what is authentically reported from Allah's Messenger (peace be upon him), what is in accordance with Shari`ah and what is stated in Allah's Book (the Qur'an). This leads to the acceptable truth! On the other hand, whatever act or manner of worship that conflicts with the Book of Allah or the Sunnah (whatever is reported from the Prophet), it is rejected and it falls under this Hadith of the Messenger (peace be upon him): Whoever introduces something into this affair of ours that is not of it (i.e. religion) it will be rejected. .

All of this discussion refers to the acts of worship innovated by people as means of drawing nearer to Allah. However, new designs and modern inventions, such as weapons, vehicles, clothing, food, etc, are not what this Hadith refers to. The Hadith has to do with the acts of worship that people perform seeking to draw nearer to Allah. This is what is meant by the Prophet's (peace be upon him) statement: Whoever does something that is not in accordance with our command, their deed is to be rejected. and: Whoever introduces something into this affair of ours that is not of it (i.e. religion) it will be rejected.

This Hadith also involves such contracts that contradict the Shari`ah, for any contract that runs counter to the Shari`ah is considered null and void.

- Shaykh Ibn Baaz rahimahullah

এখন ঐ হাদিসটি যা উপরের মতামতের ফুল কাঊন্টারে যায়,
Sunaan Abu Dawud ঃVolume 3, Book 40, Number 4580



Abu ‘Amir al-Hawdhani said: Mu’awiyah b. Abi Sufyan stood among us and said: Beware! The apostle of Allah (may peace be upon him) stood among us and said: Beware!The people of the Book were split up into seventy-two sects, and this community will be split up into seventy-three: seventy-two of them will go to Hell and one of them will go to Paradise, and it is the majority group। (কমেন্ট সেকশনে ঊমর, ও মুসলিম থেকে বুঝতে পারলাম, এই হাদিসের অনুবাদ ভুল)

বিদাত সৃষ্টিকারী দল গুলিঈ মেজরিটি , কেঊ না করতে পারবেন না । সালাফিরা বিদাতি নয়, কিন্তু সংখ্যায় কম । এই প্রশ্ন সালাফিদের করলে তারা কোরানের আয়াত নিয়ে আসেন , যেখেনে আল্লাহ সুবাহানাতালা বলেছেন সল্প সংখ্যকেও বিজয়ী করবেন (আয়াত মুঘস্ত নাই , নম্বর ও মনে নাই) ।

কিন্তু নারী বিষয়ক কিছু জটিল বক্তব্যের হাদিস , তারা ব্যবহার করেন তখন কোরানের কথা মনে রাখেন না । নারী বিষয়ক ক্লিয়ার আধিক সমর্থিত হাদিস ঈ ব্যবহার করা উচিত । আমার কাছে বিদায় হজের ভাষণ বা রাসূল সঃ এর যে কোন ভাষন অথবা যে হদিস অধিক সংখ্যক রেয়াতে এসেছে তাই বেশী গ্রহন যোগ্য । যে কোন হাদিস পেলে তা কোরান তার পর অধিকতর সহী হাদিস দ্বারা বিবেচনা করা ঊচিত । আমার জানা মতে হোসাইন আহমেদ মাদানী হুজুর বুখারী শরীফের হাদিস ও পড়ানোর সময় মুনাকাবা করে রাসূল সঃ জিজ্ঞেস করে নিতেন । তারমানে, বুখারী সরীফের হাদিস ও প্রশ্নের উর্ধে না । রাসূল সঃ সমালোচনা করা হয় যে সব হাদীস দ্বারা ঐ হাদীস গুলোকে অনেক দুর্বল মনে হয় । কিন্তু ইমাম বুখারীর জ্ঞান, কিংবা ইমাম মুসলিমের জ্ঞান , আমার জ্ঞনের চেয়ে হাজারো লক্ষ গুন বেশী । এবং কোন হাদীস কোরানের বিপরিত নয় । তারমানে সহজ, হাদীসের সঠিক অর্থ বুঝতে পারি নাই ।

বিদায় হজের ভাষন ঃ
This sermon was delivered on the Ninth Day of Dhul Hijjah 10 A.H. in the 'Uranah valley of Mount Arafat' (in Mecca).

After praising, and thanking God he said:

"O People, lend me an attentive ear, for I know not whether after this year, I shall ever be amongst you again. Therefore listen to what I am saying to you very carefully and take these words to those who could not be present here today.

তারমানে আমরা রাসূল সঃ কথা অক্ষরে অক্ষরে পোছে দিতে হবে পরিবর্তিদের। হয়ত কোন সময় আসবে ঐ হাদিস গুলোর প্রকৃত অর্থ বুঝা যাবে । আমরা এখন যেসব হাদীসের অর্থ বুঝি, মানে আমদের কাছে মনে হয় কোরানের বিপরিত নয়(৯৫% সহী গ্রন্তের হাদীস) ঐ গুলি ফল করলাম , যা বুঝি না, তাকে ভুল বা সুদ্ধ না বলে ভবিষতের জন্য রেখে দিলাম । যা বুঝি তার মাধ্যমে আইন তৈরি করলাম , পুর্ববর্তি দের প্রতি সম্মান ও তাদের অনূষারে বর্তমান সময় এর প্রেক্ষিতে ।

বিদায় হজের সম্পূর্ন ভাষনঃ
This sermon was delivered on the Ninth Day of Dhul Hijjah 10 A.H. in the 'Uranah valley of Mount Arafat' (in Mecca).

After praising, and thanking God he said:

"O People, lend me an attentive ear, for I know not whether after this year, I shall ever be amongst you again. Therefore listen to what I am saying to you very carefully and take these words to those who could not be present here today.

O People, just as you regard this month, this day, this city as Sacred, so regard the life and property of every Muslim as a sacred trust. Return the goods entrusted to you to their rightful owners. Hurt no one so that no one may hurt you. Remember that you will indeed meet your Lord, and that He will indeed reckon your deeds. God has forbidden you to take usury (interest), therefore all interest obligation shall henceforth be waived. Your capital, however, is yours to keep. You will neither inflict nor suffer any inequity. God has judged that there shall be no interest and that all the interest due to Abbas ibn 'Abd'al Muttalib (Prophet's uncle) shall henceforth be waived...

Beware of Satan, for the safety of your religion. He has lost all hope that he will ever be able to lead you astray in big things, so beware of following him in small things.

O People, it is true that you have certain rights with regard to your women, but they also have rights over you. Remember that you have taken them as your wives only under God's trust and with His permission. If they abide by your right then to them belongs the right to be fed and clothed in kindness. Do treat your women well and be kind to them for they are your partners and committed helpers. And it is your right that they do not make friends with any one of whom you do not approve, as well as never to be unchaste.

O People, listen to me in earnest, worship God, say your five daily prayers (Salah), fast during the month of Ramadan, and give your wealth in Zakat. Perform Hajj if you can afford to.

All mankind is from Adam and Eve, an Arab has no superiority over a non-Arab nor a non-Arab has any superiority over an Arab; also a white has no superiority over black nor a black has any superiority over white except by piety and good action. Learn that every Muslim is a brother to every Muslim and that the Muslims constitute one brotherhood. Nothing shall be legitimate to a Muslim which belongs to a fellow Muslim unless it was given freely and willingly. Do not, therefore, do injustice to yourselves.

Remember, one day you will appear before God and answer your deeds. So beware, do not stray from the path of righteousness after I am gone.

O People, no prophet or apostle will come after me and no new faith will be born. Reason well, therefore, O People, and understand words which I convey to you. I leave behind me two things, the Quran and my example, the Sunnah and if you follow these you will never go astray.

All those who listen to me shall pass on my words to others and those to others again; and may the last ones understand my words better than those who listen to me directly. Be my witness, O God, that I have conveyed your message to your people".

ইমাম আবুহানীফা রঃ তার যুগের নারীদের ভালমন্দের অনুযায়ী করেছিলেন , বর্তমানে আমাদের যুগের ভাল মন্দ বিবেচনায় রেখে, আগের যুগের অনুষারে, নারী বিষয়ক আইন করা উচিত । এ ব্যপারে সকল মাহযাব আর সালাফিদের এগিয়ে আসা উচিত । ইসলাম সেকুলারিসম, কমিঊনিসম, অপ-মানবতা বাদ, প্রানী বাদ, প্রকৃত বাদের চেয়ে বহু বহু গুন উন্নত । ইসলাম ই পৃথিবতে সাম্য, মর্যাদা, প্রকৃত ভালবাসা(মানুষ প্রানী সবার জন্য) নিয়ে এসেছে ।ইসলাম ই শ্রেষ্ট জীবন বিধান । আসুন , আমাদের ভুল গুলো বুঝতে চেষ্টা করি । এবং সংশোধন করি । আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদের সহায়তা করুন , ক্ষমা করুন । তিনি ঈ সবচেয়ে ভাল জানেন ।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
সিরাজ বলেছেন: এতো বড় শেষ করতে পারলামনা
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: (বোল্ড আর নিচে দাগ দেওয়া অংশ আর বাংলা লেখা গুলি পড়লেই পুরো পোষ্ট বুঝতে পারবেন ইনশি-আল্লাহ)

২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
লুকার বলেছেন: ইংরেজী বুঝি না, আরবীতে দেন।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার ব্লাগে ইঊরোপিয়ান লেঙ্গুয়াগেজ দেখলাম , আর আপনি বলেন ইংরেজি বুঝি না ।
(বোল্ড আর নিচে দাগ দেওয়া অংশ আর বাংলা লেখা গুলি পড়লেই পুরো পোষ্ট বুঝতে পারবেন ইনশি-আল্লাহ)

৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: এই পোষ্টে কোন নাস্তিকের আক্রমণাত্তক উত্তর গ্রহন যোগ্য নয় । ডিলীট করা হবে ।
৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
সিরাজ বলেছেন: বোল্ড আর নিচে দাগ দেওয়া অংশ আর বাংলা লেখা গুলি পড়লেই পুরো পোষ্ট বুঝতে পারবেন ।
পড়লাম। ভালো লাগল
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । কিছু সাজেশন দিলেন না ?

৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০১
সািদক বলেছেন: আপনি যে পোস্টটা দিলেন, তা কাদের কাছে জবাব/বিস্লেশন আশা করে দিলেন? তারা কি আপনার পূরো পোস্টটা পড়ার ধৈর্য্য রাখে??? তাও ইংলিশে দিলেন মূল উপস্থাপনাটা....এটা বাংলা ব্লগ...অনেকের ইচ্ছা থাকলেও ইংরেজীতে দূর্বল থাকায় কমেন্ট করতে পারছেনা...(যেমন আমি)
আগে অনুবাদ করেন।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: বোল্ড আর নিচে দাগ দেওয়া অংশ আর বাংলা লেখা গুলি পড়লেই পুরো পোষ্ট বুঝতে পারবেন । ইনশি-আল্লাহ

৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
অদ্ভুত বলেছেন: বানান ঠিক করেন
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: কোন কোন গুলি ।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক গুলি ভুল মনে হয় , যদি ধরিয়ে দেন, তবে অর্থ বুঝা যায় ।

৭. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
উমর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম,

আপনার পোস্টটি আমি আদ্যেপান্ত পড়েছি। খুবই ভালো লাগলো যে আপনি কুরআন এবং সুন্নাহ'র চর্চা করেন। মহান আল্লাহ আপনার এবং আমাদের ইলম আরো বাড়িয়ে দিক আমীন।

প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার আগে কিছু কথা বলে নিইঃ

কুরআন এবং হাদীস এর মূল ভাষা হচ্ছে আরবী। এই আরবী থেকে অন্য ভাষায় যখন আপনি ঠিক আরবীর মতো করেই বুঝতে চেষ্টা করবেন তখন কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে যাবেন যদি না কুরআন এবং হাদীস সম্পর্কে আপনার অধিক জ্ঞান না থাকে।

//"My Ummah will split up into seventy-three sects, all of them will be in the Fire except one sect." They asked: "Which one, O Messenger of Allah? He replied: "Al-Jama`ah (the true followers of the Prophet)."

In another narration, the Prophet's reply was: It is the one (sect) that follows what I and my Companions are upon now. //

এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সেই সঠিক পথে পরিচালিত করা, উল্লেখ করা হয়েছে আল-জামাহ বলে। এখানে 'আল' শব্দটি আরবীতে ইংরেজী 'The' এর সমার্থক বলা যায়। যার সরল অর্থ করলে দাড়ায় জামাতটি, এখন এই জামাত কোনটি? তার উত্তরও দেওয়া হয়েছে, যারা আমাকে এবং আমার সাহাবাদের অনুসরণ করবে।

Sunaan Abu Dawud ঃVolume 3, Book 40, Number 4580



Abu ‘Amir al-Hawdhani said: Mu’awiyah b. Abi Sufyan stood among us and said: Beware! The apostle of Allah (may peace be upon him) stood among us and said: Beware! The people of the Book were split up into seventy-two sects, and this community will be split up into seventy-three: seventy-two of them will go to Hell and one of them will go to Paradise, and it is the majority group.

এখানে শেষের লাইনটিতে ভুল অনুবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি গ্রুপ বেহেশতে যাবে এব তারা হচ্ছে আল-জামাহ (অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার সাহাবীরা যে পথের অনুসারী ছিলেন সেই পথ)। এর জন্যই বলা হয়টি আল-জামাহ আর এটা বলে সুস্পষ্ট নির্দেশ করে দেওয়া হয়েছে যা আগের হাদীসের সাথে মিলিয়ে পড়লে অর্থ একই দাড়ায়। কিন্তু এখানে ইংরেজী অনুবাদে বলা হয়েছে it is the majority group যা আল-জামাহ এর ভুল অনুবাদ।


ইসলামের সঠিক পথটি একদম সুনির্দিষ্ট, পরিস্কার, সরল পথ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে পথে আমি ও আমার সাহাবীরা রয়েছি। এখানে একটু বুঝার বিষয় রয়েছে- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তার সাহবীরা যেভাবে ইসলামকে বুঝতেন আমরা কি সেই একইভাবে ইসলামকে বুঝতে পারছি কিনা?
বুঝার ক্ষেত্রে সঠিক পথটি একটাই আর এজন্যই তা নির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে - আল-জামাহ।

যারা সঠিক পথে নেই তাদের ক্ষেত্রে দেখবেন তারা তাদের যুক্তি-প্রমাণ প্রতিষ্টিত করার জন্য কুরআন এবং হাদীসের রেফারেন্স টানবে এবং সেই গুলোকে তাদের নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করবে। তার এমনকি বিভিন্ন যঈফ ও মওজু হাদীসেরও আশ্রয় নিবে তাদের মতামতকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। অথচ যে আয়াত এবং সহীহ হাদীসগুলো তাদের বক্তব্যগুলোকে অসার করে দেয় সেগুলো তারা উল্লেখ করবে না বা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীরা যেভাবে পালন করেছিল তা উল্লেখ করবে না। ইসালমকে বুঝার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীরা যেভাবে বুঝেছিল ঠিক সেইভাবেই বুঝতে হবে। আর এই পথটি একদম স্পষ্ট, সহজ সরল পথ।

“And verily, this is My straight path, so follow it, and follow not (other) paths, for they will separate you away from His path. This He has ordained for you that you may become Al-Muttaqoon (the pious)” [al-An’aam 6:153]

কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ (সুন্নাহ অর্থ কর্মনীতি) হচ্ছে আমাদের সরল পথের মাপকাঠি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে ইসলামকে তাঁর সাহাবীদের বুঝিয়েছেন এবং তারা যেভাবে পালন করেছে ঠিক সেইভাবে পালন করলেই আমরা আল-জামাহ এর পথে থাকব।

the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him): “A group of my ummah will continue to prevail, following the truth. They will not be harmed by those who humiliate them until the decree of Allaah comes to pass when they are like that.” (Narrated by Muslim, 1920).

আর এই গ্রুপটি হচ্ছে তারাই যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তার সাহাবীদের অনুসরণ করবে।

সবশেষে যে হাদীসটি দিয়ে বক্তব্য শেষ করতে চাইঃ

When Hudhayfah asked, “O Messenger of Allaah, we were in a state of ignorance and evil, then Allaah brought us this good. Will there be any evil after this good?” the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said, “Yes.” Hudahyfah asked, “Will there be any good after that evil?” He said, “Yes, but it would be tainted with dakhan (i.e. a little evil).” I asked, “What will its dakhan be?” He said, “There will be some people who will guide (people) according to something other than my guidance and will lead them according to something other than my Sunnah. You will see their actions and disapprove of them.” Hudhayfah said, “Will there be any evil after that good?” He said, “Yes, there will be some people who will invite others to the doors of Hell, and whoever accepts their invitation to it will be thrown in it (by them).” Hudhayfah said, “O Messenger of Allaah, describe those people to us.” He said, “They will be from among us and speak our language (i.e., from among the Arabs).” Hudhayfah asked, “What do you command us to do at that point?” He said, “Adhere to the jamaa’ah (group) of the Muslims and their leader.” Hudhayfah asked, “What if there is no jamaa’ah and no leader?” He said, “Keep away from all those different sects, even if you have to bite (i.e. eat) the root of a tree, till you die while you are still in that state.” (Narrated by al-Bukhaari and Muslim).

খেয়াল করুন এখানেও জামাতটিকে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, অর্থাৎ জামাতটি, (যে জামাত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের অনুসরণ করে)।

এবং মহান আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে অধিক জানেন।

মহান আল্লাহর শান্তি ও রহমত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর পরিবারের উপর, তাঁর সাহাবীদের উপর এবং তাদের যারা অনুসরন করে তাদের উপর বর্ষিত হোক। আমীন।







৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: সত্য বলেছেন । আরো আলোচনা আশা করি । তিন নম্বর হাদিস টির বক্তব্য কি , যাতে বলা হয়েছে মেজরিটি ওয়ান ।

৮. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
উমর বলেছেন: আপনি এই পোস্টটি ইসলাম গ্রুপে দিয়ে দিন, মুসলিম৫৫ এখানে মন্তব্য করতে পারেন না। উনি শুরু থেকেই Watch এ রয়েছেন।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: দিয়েছি ।

৯. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
শিরোনামহীন.......... বলেছেন: আসসালামু আলইকুম...
"উমর"- এর বিশ্লেষণ যথার্থ...

আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন...
-আমিন...
১০. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
শিরোনামহীন.......... বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম...
"উমর"- এর বিশ্লেষণ যথার্থ...

আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন...
-আমিন...
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: আরেকটু বিশ্লেষণ আশা করি

১১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
উমর বলেছেন: //কিন্তু এখানে ইংরেজী অনুবাদে বলা হয়েছে it is the majority group যা আল-জামাহ এর ভুল অনুবাদ।//

আমি তো এর জবাব দিয়ে দিয়েছি। ভাল করে পড়ে দেখুন। it is the majority group আল-জামাহ এর ভুল অনুবাদ। এখানে it is the majority group বলা হয়নি বলা হয়েছে আল-জামাহ অর্থাৎ যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের অনুসরণ করে, তাদেরকেই আল-জামাহ বলা হয়েছে যার অর্থ জামাতটি আর এটি বলে জামাতটিকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: আমি তিনটি হাদিস পেয়ে ছিলাম , তাহলে আমি বোধ হয় ভুল করেছিলাম । প্রথম হাদিস এ আল জামাহ লেখা আছে আব্দুল্লাহ ইবনে বাজ রহঃ এর ফতোয়ায় ।

১২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৪
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: তুষারপাতের এই লেখাও এখানে উল্লেক করার প্রয়োজন মনে করি ।

কুফরী আক্বীদা যারা বিশ্বাস করে তারা কস্মিনকালেও আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনা বরং তারা ৭২টি বাতিল ফিরক্বাহর অন্তর্ভুক্ত।এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,

"আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, একটি দল ব্যতীত ৭২টি দলই জাহান্নামে যাবে। তখন হযরত সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যে একটি দল নাযাত প্রাপ্ত, সে দলটি কোন দল? হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি এবং আমার সাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মত ও পথের উপর যারা কায়েম থাকবে,(তারাই নাযাত প্রাপ্ত দল)।"
( তিরমিযী শরীফ)

এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,

"হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, ৭২টি দল জাহান্নামে যাবে, আর ১টি দল জান্নাতে যাবে।
(আবূ দাউদ, মসনদে আহমদ,মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ)

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় মিরকাত শরীফে আরো উল্লেখ আছে যে,

"জেনে রাখ ! (উক্ত ৭৩টি দল) প্রধানতঃ ৮টি দলে বিভক্ত যা "মাওয়াক্বিফ" কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
(১) মু'তাযিলাহ---------------এরা ২০ দলে বিভক্ত
(২) শিয়া---------------------এরা ২২ দলে বিভক্ত
(৩) খারেজী-------------------এরা ২০ দলে বিভক্ত
(৪) মরজিয়্যাহ----------------এরা ৫ দলে বিভক্ত
(৫) নাজ্জারিয়্যাহ--------------এরা ৩ দলে বিভক্ত
(৬) জাবারিয়্যাহ---------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(৭) মুশাব্বিহা-----------------এরা ১ দলে বিভক্ত
উল্লেখিত ৭২টি দল, তারা প্রত্যেকেই জাহান্নামী।
(৮) নাজিয়্যাহ------------------এরা ১ দলে বিভক্ত
আর নাজিয়্যাহ হল-সাইয়িদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর স্পষ্ট সুন্নত ও উজ্জ্বল তরীক্বতের অনুসারী।"


গাউসুল আযম, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত আব্দুল কাদির জ্বীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গুনিয়াতুত্ তালেবীন কিতাবের ১৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন,

"(হাদীস শরীফে বর্ণিত) ৭৩টি দল মুলতঃ ১০টি মুল দলের অন্তর্ভুক্ত যার বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপঃ
(১)আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত---------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(২) খারেজী----------------------------------এরা ১৫ দলে বিভক্ত
(৩) মু'তাযিলাহ--------------------------------এরা ৬ দলে বিভক্ত
(৪) মরজিয়্যাহ--------------------------------এরা ১২ দলে বিভক্ত
(৫) শিয়া-------------------------------------এরা ৩২ দলে বিভক্ত
(৬) জাহমিয়্যাহ--------------------------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(৭) নাজ্জারিয়্যাহ-------------------------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(৮) জেরারিয়্যাহ-------------------------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(৯) কিলাবিয়াহ-------------------------------এরা ১ দলে বিভক্ত
(১০) মুশাব্বিহা-------------------------------এরা ৩ দলে বিভক্ত
উল্লেখিত সবগুলো দল মিলে ৭৩ দল হলো, যে সম্পর্কে সাইয়িদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস শরীফে এরশাদ করেছেন। উক্ত দলগুলোর মধ্যে শুধুমাত্রর ১টি দলই নাজাত প্রাপ্ত আর সেটা হল ফিরক্বায়ে নাজী অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত"

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় মিরকাত শরীফের শরাহ তানজীমুল আশতাত কিতাবের ১ম খন্ডের ১২৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে,

"হাদীস শরীফে যে ৭২টি ফিরক্বাহ কথা উল্লেখ আছে উক্ত ফিরক্বাহসমূহের মুলে হলো ৬টি যথাঃ

(১) খারেজী----------------------এরা ১৫ দল
(২) শিয়া------------------------এরা ৩২ দল
(৩) মু'তাযিলাহ------------------এরা ১২ দল
(৪) জাবারিয়্যাহ-------------------এরা ৩ দল
(৫) মরজিয়্যাহ--------------------এরা ৫ দল
(৬) মুশাব্বিহা--------------------এরা ৫ দল

উল্লেখিত সবগুলো দল মিলে ৭৩টি দল,যে সম্পর্কে সাইয়িদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস শরীফে এরশাদ করেছেন। উক্ত দলগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ১টি দলই নাজাত প্রাপ্ত, আর সেটা হলো "ফিরক্বায়ে নাজী" অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত।"

উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় বিশ্ব বিখ্যাত মুহাদ্দিস হযরত শায়খ আব্দুল হক দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি আশয়াতুল লোমাত কিতাবের ১ম খন্ডের ১৫১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন যে,

"ইসলামের বড় দল ৮টি। যথাঃ
(১) মু'তাযিলাহ------------এরা ২০ দল
(২) শিয়া -----------------এরা ২২ দল
(৩) খারেজী---------------এরা ২০ দল
(৪) মরজিয়্যাহ-------------এরা ৫ দল
(৫) নাজ্জারিয়্যাহ-----------এরা ৩ দল
(৬) জাবারিয়্যাহ------------এরা ১ দল
(৭) মুশাব্বিহা--------------এরা ১ দল
(৮) নাজিয়্যাহ--------------এরা ১ দল"

উল্লেখ্য, ইমাম-মুজতাহিদগণ ৭২টি বাতিল ফিরক্বাহ নাম ও সংখ্যার ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করলেও নিম্নে বর্ণিত মূল দলগুলো বাতিল ও জাহান্নামী হওয়ার ব্যাপারে সকলেই একমতঃ (১) খারেজী (২) শিয়া (৩) মরজিয়্যাহ (৪)
জাহমিয়্যাহ (৫) মু'তাযিলাহ (৬) ক্বদরিয়া (৭) জাবারিয়্যাহ (৮) মুশাব্বিহা।
কারণ উক্ত ৮টি দলের প্রত্যেকেই কালিমা পাঠ করে, নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি ফরয-ওয়াজিব ও সুন্নত আমল গুলোও প্রায় পালন করে। এমনকি অনেক বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ন্যায় আক্বীদা পোষণ করে। অথচ তার পরেও তারা শরীয়তের দৃষ্টিতে গোমরাহ, বাতিল ও জাহান্নামী। কারণ তারা কোন কোন ক্ষেত্রে কূফরীমূলক আক্বীদা পোষণ করে। নিচে বিস্তারিত বর্ণনা করা হলঃ

খারেজী ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
খারেজী সম্প্রদায়কে খারেজী বলার কারণ হলো তারা (খারেজীরা) হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে খলীফা বলে স্বীকার করেনা। কেননা হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যখন হযরত আবূ মূসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও আমর ইবনুল আ'স রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে সালিশ মেনে নিয়েছিলেন, তখন তারা বলেছিল " আমরা আল্লাহ্ পাক ব্যতীত অন্য করো নির্দেশ মান্য করতে প্রস্তূত নই।" এ কথা বলে তারা উক্ত মজলিশ থেকে খারিজ বা বের হয়ে যায়, এ কারণেই তাদেরকে খারেজী বলা হয়। তাদের কুফরী আক্বীদাগুলোর মধ্যে প্রধানগুলো হলঃ
(১) হযরত সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহিমগণ কাফের ও কবিরা গুনাহে গুনাগার
(২) যারা সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহিমগনের প্রতি বিদ্বেষ পোষন করে তারা তাদের(খারেজীদের) বন্ধু।
(৩) যাকে একবার দোযখে নিক্ষেপ করা হবে সে চিরকাল দোযখেই থাকবে।
(৪) একবার মিথ্যা বলে বিনা তওবায় মারা গেলে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।
(৫) মোজা পরিধান করে নামায পড়া ও মোজার উপর মসেহ্ করা হারাম।
(৬) মোতা বা কন্ট্রাক বিবাহ করা জায়েজ।
(৭) যে একবার মিথ্যা কথা বলে এবং ছগীরা গুনাহ করে ও এর উপর দৃঢ় থাকে সে মুশরিক।
(৮) পৃথিবীতে কোন ইমাম বা নেতার প্রয়োজন নেই।
(৯) প্রত্যেক কবীরা গুনাহই কুফরী।
(১০) সূরা ইউসূফ কুরআন শরীফের অংশ নয়। পরে তা সংযোজন করা হয়েছে।

শিয়া বা রাফেজী ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
তারা হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে অনুসরণ করে এবং সকল সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহিমগণের উপরে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে তাই তাদেরকে শিয়ানে আলী বা শিয়া বলা হয়। এদের উল্লেখযোগ্য কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১) হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ও হযরত ওসমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সহ সকল সাহাবীর চেয়ে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু -এর মর্যাদা বেশী।
(২) হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খেলাফতের পর অধিক হক্বদার ছিলেন হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তাঁকে খেলাফত না দেয়ায় সকলেই মুরতাদ হয়ে গেছে, ৪ জন ব্যতীত। তারা হলেন, হযরত আলী, আম্মার, মেকদাদ ইবনে আসওয়াদ ও সালমান ফার্সী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম।
(৩) পৃথিবীর সকল নবীগণের চেয়ে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু -এর মর্যাদা বেশী।
(৪) হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুই নবী।
(৫) হযরত জিব্রীল আলাইহিস সালাম ভুলে তাঁর( হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উপর ওহী নাযিল করেন নাই।
(৬) আল্লাহ্ পাকের আকৃতি মানুষের আকৃতির ন্যায়।

মরজিয়্যাহ ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
মরজিয়্যাহ সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১) একবার কালিমা শরীফ পাঠ করে ঈমান আনার পর হাজার কুফরী-শেরেকী করলেও ঈমান নষ্ট হয়না।
(২) শুধু ঈমান আনলেই হয় আমলের কোন প্রয়োজন নেই।
(৩) ঈমান বাড়েও না কমেও না।
(৪) সাধারণ মানুষ, ফেরেস্তা ও নবী-রসূলদের মর্যাদা সমান।

জাহমিয়াহ ফিরক্বার আক্বীদাঃ
জাহম ইবনে ছাফওয়ান এ সম্প্রদায়ের নেতা বলে এদেরকে জাহমিয়াহ বলা হয়। জাহমিয়াহ সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১) আল্লাহ পাককে জানা ও আল্লাহ পাকের নিকট যা রয়েছে তা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকাই ঈমান।
(২) কুরআন শরীফ আল্লাহ পাকের মাখলুক বা সৃষ্টি।
(৩) আল্লাহ পাক হযরত মূসা আঃ বা অন্য করো সাথে কথা বলেন নাই।
(৪) আরশ-কুরসী, হাশর-নাশর, মীযান-শেষ বিচার বলতে কিছু নেই।
(৫) পরকালে আল্লাহ পাক কারো দিকে তাকাবেন না, কারো সাথে কথা বলবেন না, কারো সাথে দেখাও দিবেন না।
(৬) কবিরা গুনাহ করলে ফাসেক হয়না।

মু'তাজিলাহ ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
ইসলামী আক্বীদা থেকে তারা দুরে সরে গেছে বিধায় এদেরকে মু'তাজিলাহ বলা হয়।আবার কেউ কেউ বলেন, তারা একবার কোন এক বিষয়ে হযরত হাসান বছরী রঃ এর সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়, তখন হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছিলেন, " আমার থেকে তোমার দূরে সরে যাও।" সেদিন থেকেই তারা মু'তাজিলাহ নামে পরিচিত। মু'তাজিলাহ সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১) কুরআন শরীফ আল্লাহ পাকের মাখলুক বা সৃষ্টি।
(২) কবীরা গুনাহ্ কারী কাফির।
(৩) আল্লাহ পাকের ইলম, কুদরত, দর্শন, শ্রবণ ইত্যাদি কোন ছিফত বা গুণ নেই।
(৪) আল্লাহ পাক আরশে স্থিতিবান।
(৫) অন্যের ভাগ্যে আল্লাহর হাত নাই
(৬) বান্দার কাজ আল্লাহ সৃষ্টি করেন না বরং বান্দাই তার(কাজের) সৃষ্টিকর্তা।
(৭) বান্দা মৃত্যূর নিদিষ্ট সময়ের পূর্বেও মারা যায়।

ক্বদরিয়া ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
এরা তাকদীর অস্বীকার করে বলে এদেরকে ক্বদরিয়া বলা হয়।ক্বদরিয়া সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১) বান্দা যে সকল পাপ বা নেক করে তা নিজের ইচ্ছাই করে, এতে আল্লাহ পাকের কোন হাত নেই।
(২) যাবতীয় কাজ বান্দার ইচ্ছাধীন এতে আল্লাহ পাকের কোন দখল নেই অর্থাৎ তাকদীর বলতে কিছু নেই।

জাবারিয়া ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
জাবারিয়া সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
ভাল-মন্দ অর্থাৎ নেক কাজ-পাপ কাজ সবই আল্লাহ পাকের ইচ্ছায় হয় এতে বান্দার কোন ইচ্ছা বা এখতিয়ার নেই। মোট কথা হলঃ নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত, চুরি, যিনা, হত্যা ইত্যাদি সবই আল্লাহ পাকের ইচ্ছায় হয় এতে বান্দার কোন ইচ্ছা নেই।

মুশাব্বিহা ফিরক্বাহ আক্বীদাঃ
মুশাব্বিহা সম্প্রদায়ের কূফরীমূলক আক্বীদা হলঃ
(১)মহান আল্লাহ পাক জিসম বা দেহ বিশিষ্ট। কারণ কারো অস্তিত্বের জন্য দেহ বা কাঠামোর প্রয়োজন। যার দেহ নেই তার অস্তিত্ব নেই।
(২) আল্লাহ পাকের দেহ লম্বা, চওড়া, মোটা ও নুরানী, চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল।
(৩) আল্লাহ পাক চলমান আবার অনঢ়।
(৪) আল্লাহ পাকের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাথে কারো তুলনা হতে পারেনা।

বাতিল ফিরক্বাহ
১৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: সব গুলি মিলিয়ে আমাদের একটি বিষয়ে দরকারী সংকলিত পোষ্ট দর কার । এই পোষ্ট রেফারেন্স হিসাবে থাকতে পারে ।
১৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: মুসলিম৫৫ বলেছেন: আস সালামু আলাইকা ভাই ফুয়াদ!

আমি আসলে আপনার সমস্যাটা ঠিক বুঝলাম না। আপনার সমস্যা যদি হাদীসের অনুবাদের "and it is the majority group" - এই অংশ হয়ে থাকে, তবে আপনার অবগতির জন্য বলছি যে, আজকের আগে আমি কখনো এ প্রসঙ্গে majorityর এই conceptটা শুনি নি বা এই অনুবাদও দেখি নি। আমি শুনিনি বলেই যে এরকম অনুবাদ নেই - তা বলছি না। তবে, খুব সম্ভবত এই বিষয়ে ব্লগার উমর ভাইয়ের কথাই ঠিক!

আপনার নিশ্চয়ই জানা আছে যে, ইসলামে বেশী সংখ্যক লোক বা majority কি বললো তা গুরুত্বপূর্ণ নয় - বরং কোনটা সঠিক সেটা গুরুত্বপূর্ণ! সঠিক কথা একজন বললেও সেটাই valid, আর অঠিক কথা সারা পৃথিবী বললেও সেটা invalid। majority হচ্ছে democracy-র concept। উদাহরণ স্বরূপ একজন মুসলিম বেঁচে থাকতেও ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে না - এর অর্থ হচ্ছে, পৃথিবীতে যদি ৭৫০ কোটি অবিশ্বাসী থাকে, তবে পৃথিবীর প্রলয়কান্ড ঘটানোর ব্যাপারে আল্লাহর কাছে তারা কোন factor নয় - তাদের কেমন লাগবে আল্লাহ সেটা তোয়াক্কা করেন না - কিন্তু ১ জন মুসলিমও আল্লাহর কাছে factor।


"ইসলামের স্বাতন্ত্র্য" বলে আমার একটা পোস্ট আছে এই গ্রুপে - যেটাতে আমি উল্লেখ করেছি যে, অন্য সকল ধর্ম বা জীবন ব্যবস্থার সাথে ইসলামের একটা বড় পার্থক্য হচ্ছে, ইসলামী আইনের ভিত্তি অর্থাৎ শরীয়াহ্ কখনো পরিবর্তন হবার নয় - মানুষ তা থেকে সরে যেতে পারে পথভ্রষ্ট হয়ে, কিন্তু মঙ্গলের জন্য, তাকে আবার ভুল বুঝে সেটাতেই ফিরে আসতে হবে। কিন্তু অন্য জীবন ব্যবস্থায় আইন বা অনুশাসন মানুষের কামনা-বাসনা বা ইচ্ছা অনুযায়ী বদলায়। ইউরোপে ১০০ বছর আগেও সমকামিতা ছ্যা ছ্যা করা এক লজ্জাজনক অপরাধ ছিল - আজ তা বাহ্বা কুড়ানো প্রগতিশীল ব্যাপার, যার সমালোচনা করলে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়। কিন্তু ইসলামে তা ১৪০০ বছর আগে যেমন ঘৃণ্য অপরাধ ছিল, ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাই থাকবে। সুতরাং আমাদেরই জেনে বুঝে ইসলামের কাছে ফিরে যেতে হবে - ইসলামকে আমাদের উপযোগী করে তোলার জন্য tailor করতে চাইলে আমরা কেবলই নিগৃহীত হবো। তার চেয়ে চলুন আমরা ইসলাম জানি এবং জীবনে ধারন করার চেষ্টা করি!
১৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪
নাজনীন১ বলেছেন: দুঃখজনক ব্যাপার হলো আমি আবু দাউদের ৪৫৮০ নং হাদীসটি অনলাইনে পাচ্ছি না, যেটা পেলাম সেটা হলোঃ

Book 40, Number 4579:
Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (peace_be_upon_him) said: The Jews were split up into seventy-one or seventy-two sects; and the Christians were split up into seventy one or seventy-two sects; and my community will be split up into seventy-three sects.

Click This Link



আপনি যেটা প্রথম বলেছেন সেটা হাসান হাদীস হিসেবে পরিগণিতঃ


The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) also described them in the following terms: “My ummah will split into seventy-three sects, all of whom will be in Hell except one group.” They said: Who are they, O Messenger of Allaah? He said: “(Those who follow) that which I and my companions follow.” This is mentioned in the hadeeth of ‘Abd-Allaah ibn ‘Amr which was recorded and classed as hasan by al-Tirmidhi (2641). It was also classed as hasan by al-‘Iraaqi in Ahkaam al-Qur’aan (3/432), al-‘Iraaqi in Takhreej al-Ihya’ (3/284) and al-Albaani in Saheeh al-Tirmidhi.




আর ইবনে কাথিরেরটা পেলাম,

“Awf ibn Malik reported that the Prophet (saw) said, ‘The Jews split into 71 sects: one will enter Paradise and 70 will enter Hell. The Christians split into 72 sects: 71 will enter Hell and one will enter Paradise. By Him in Whose hand is my soul, my Ummah will split into 73 sects: one will enter Paradise and 72 will enter Hell.’ Someone asked, ‘O Messenger of Allah (saw), who will they be?’ He (saw) replied, ‘The main body of the Muslims (al-Jama’ah).’


যেখানে আল-জামাহ্‌র অর্থ "main body" বলা হচ্ছে।

লিঙ্ক হলোঃ Click This Link


উপরোক্ত এই লিঙ্কে সালাফীদের ব্যাপারেও বলা আছে, অন্যান্য বিভিন্ন মুসলিম গ্রুপের (যেমন হিজবুল তাহ্‌রীর) কথাও বলা আছে। এদেরকে বাকী ৭২টা গ্রুপের মধ্যে ফেলা হয়নি। বরং কাদিয়ানী, বাহায়ী -- এদেরকে ঐ গ্রুপে ফেলা হয়েছে।

সালাফীদের ব্যাপারে আপনি কি বলতে চাইলেন, বুঝলাম না। কোন প্রশ্ন তাদের করা হয়েছে?




আর আপনি নারীদের ব্যাপারে কোন হাদীসগুলোর কথা বলছেন, সেটা স্পষ্টভাবে না বললে তো বোঝা যাচ্ছে না। নারী বিষয়ক কোন আইন প্রণয়নের কথা বলছেন? আরেকটু বুঝিয়ে বললে ভাল হয়। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: এই হাদিস গুলি দিয়াই একজন আরেক জনের প্রতি আক্রমন করা হইতেছে । আমার কাছেও হাসান মনে হইতেছিল । আমরা কোথাও ভুল করতেছি । সৌদি বাত্সাদের একদল কাফির বলতেছে কিছু কোরানের আয়াত দিয়ে , আবার ৭৩ সেক্টস এর হাদিস, আরেক দল ইয়ুজ করতেছে । একজন আরেক জন কাদা ছুড়াছুড়ি শেষ হওয়া উচিত ।

ঊমর এবং মুসলিম ৫৫ একই বিষয় বলতেছেন , তবে তারা ভিন্ন অনুবাদ করেছেন । আমি সালাফিদের কে জিজ্ঞাস করেছি তারা কোরানের আয়াত দিয়া মেজরিটি বিষয়টি বাদ করে দেন । অনুবাদ গুলি দেখেন , ঐ গুলিও সমস্যা তৈরি করতেছে । "Al-Jama`ah (the true followers of the Prophet) or main body or majority group. অনুবাদ গুলি ভেজাল সৃষ্টি করতেছে । তবে কোন হাদিসে বলা হয় নি সারা জীবন ঐ বাকি দল গুলি জাহান্নামে থাকবে । হয়ত কিছু সময়ের জন্য জাহান্নামে যাবে ।

আমার মনে হয় , আকিদা দিয়েই দল ঠিক করতে হবে ।

[ব্লগার উওমরের
সবশেষে যে হাদীসটি দিয়ে বক্তব্য শেষ করতে চাইঃ

When Hudhayfah asked, “O Messenger of Allaah, we were in a state of ignorance and evil, then Allaah brought us this good. Will there be any evil after this good?” the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said, “Yes.” Hudahyfah asked, “Will there be any good after that evil?” He said, “Yes, but it would be tainted with dakhan (i.e. a little evil).” I asked, “What will its dakhan be?” He said, “There will be some people who will guide (people) according to something other than my guidance and will lead them according to something other than my Sunnah. You will see their actions and disapprove of them.” Hudhayfah said, “Will there be any evil after that good?” He said, “Yes, there will be some people who will invite others to the doors of Hell, and whoever accepts their invitation to it will be thrown in it (by them).” Hudhayfah said, “O Messenger of Allaah, describe those people to us.” He said, “They will be from among us and speak our language (i.e., from among the Arabs).” Hudhayfah asked, “What do you command us to do at that point?” He said, “Adhere to the jamaa’ah (group) of the Muslims and their leader.” Hudhayfah asked, “What if there is no jamaa’ah and no leader?” He said, “Keep away from all those different sects, even if you have to bite (i.e. eat) the root of a tree, till you die while you are still in that state.” (Narrated by al-Bukhaari and Muslim).

খেয়াল করুন এখানেও জামাতটিকে নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে, অর্থাৎ জামাতটি, (যে জামাত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের অনুসরণ করে)]

আমার জানা মতে আমাদের আর কোন লিডার নেই , তাহলে সকল সেক্ট থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে মনে হয় ।

[ আপনি নারীদের ব্যাপারে কোন হাদীসগুলোর কথা বলছেন, সেটা স্পষ্টভাবে না বললে তো বোঝা যাচ্ছে না। নারী বিষয়ক কোন আইন প্রণয়নের কথা বলছেন?]

আমিও বুঝি না , কিন্তু সরকারী ভাবে যদি কিছু আইন করা হয়, তাহলে সেক্টস এর হাদিস নিয়ে আসা হবে, বলা হবে বাতিল দল । ধরেন এক দল বলে নারীদের ঘরেই থাকতে হবে একদম ১০০% বুরকার ভিতর, আরেক দল বলে হিজাব হলেই চলবে , আরেক দল বলে হিজাব না পড়লেই হবে । আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারতেছি না (আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাকে মাফ করেন ) । আমি ছেলে হিসেবে বোঝার এখন প্রয়োজন আছে কি না তাও জানি না । বোধহয়, দরকার নাই । কিন্তু ঐ ফিরকাহ বিষয়ক হাদিস গুলোর ব্যক্ষা জানতে চেষ্টা করছি ।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার এই বিষয়ের লিংক আমার অনেক পছন্দ হয়েছে , কিন্তু এগুলি আমাদের বেরলভি মাদ্রাসা আর দেওবন্দি মাদ্রাসা আর মদিনা ইউনিভার্সিটি আর আল-আযাহার ইউনিভার্সিটি একই কথা না বলা পর্যন্ত বুঝতে পারতেছি না । তাদের কি হইলো ? আমি বুঝতে পারতেছি না । এত বড় গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়ে সকলের একমত হওয়া উচিত ।

১৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি নারীর হিজাব বিষয়ক যে কথাগুলো বললেন, এটা ইসলামের একটা আচারবিশেষ, আকীদা বিষয়ক ব্যাপার নয়। তবে হিজাব করা ফরয যেহেতু কোরানে সরাসরি বলা আছে, কিন্তু কি দিয়ে করতে হবে,কতটুকু সতর হবে এটা নিয়ে ছোটখাট কিছু পার্থক্য আছে, কিন্তু হিজাব পড়তে হবে না, এটা কারা বলে????? তারা কি কোরানের সূরা নিসা পড়েনি, ৩৩-৩৪ নং আয়াতের কি ব্যাখ্যা দেয় তারা???? আর যে হাদীসগুলো আপনার মূল ইসলাম পালনে বেশী জরুরী না, সেগুলো নিয়ে মাথ ঘামানোর কি খুব দরকার আছে? কারণ, যেহেতু প্রায় ২০০ বছর পরে হাদীস সংগৃহীত হয়েছে কিছু ভুল বা অসংগতি থাকতে পারে, সহীহ বুখারীতেও, কোরআনের মূল বক্তব্য থেকে ভিন্নতর হলে সেটা ফলো না করতেই বলা হয়েছে।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: আমার কাছে বিদায় হজের ভাষণ বা রাসূল সঃ এর যে কোন ভাষন অথবা যে হদিস অধিক সংখ্যক রেয়াতে এসেছে তাই বেশী গ্রহন যোগ্য । যে কোন হাদিস পেলে তা কোরান তার পর অধিকতর সহী হাদিস দ্বারা বিবেচনা করা ঊচিত । আমার জানা মতে হোসাইন আহমেদ মাদানী হুজুর বুখারী শরীফের হাদিস ও পড়ানোর সময় মুনাকাবা করে রাসূল সঃ জিজ্ঞেস করে নিতেন । তারমানে, বুখারী সরীফের হাদিস ও প্রশ্নের উর্ধে না । রাসূল সঃ সমালোচনা করা হয় যে সব হাদীস দ্বারা ঐ হাদীস গুলোকে অনেক দুর্বল মনে হয় । কিন্তু ইমাম বুখারীর জ্ঞান, কিংবা ইমাম মুসলিমের জ্ঞান , আমার জ্ঞনের চেয়ে হাজারো লক্ষ গুন বেশী । এবং কোন হাদীস কোরানের বিপরিত নয় । তারমানে সহজ, হাদীসের সঠিক অর্থ বুঝতে পারি নাই । তারমানে আমরা রাসূল সঃ কথা অক্ষরে অক্ষরে পোছে দিতে হবে পরিবর্তিদের। হয়ত কোন সময় আসবে ঐ হাদিস গুলোর প্রকৃত অর্থ বুঝা যাবে । আমরা এখন যেসব হাদীসের অর্থ বুঝি, মানে আমদের কাছে মনে হয় কোরানের বিপরিত নয়(৯৫% সহী গ্রন্তের হাদীস) ঐ গুলি ফল করলাম , যা বুঝি না, তাকে ভুল বা সুদ্ধ না বলে ভবিষতের জন্য রেখে দিলাম ।

যা বুঝি তার মাধ্যমে আইন তৈরি করলাম , পুর্ববর্তি দের প্রতি সম্মান ও তাদের অনূষারে বর্তমান সময় এর প্রেক্ষিতে ।
______________________________________________
আমি এই সমাধান টেনে ছিলাম ।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: হিজাব এর
যুক্তির বিষয়ে আমি ভুল করতে পারি । আমি বেশী দূর জানি না ।

১৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: নাজনীন১ এর দেওয়া লিংক থেকে
Today amongst the Muslims, there is much paranoia and division over who and what the ’73 sects’ are. This ignorance has been taken advantage of by many shallow-minded Supremist Muslims- to label fellow Muslims they disagree with as ‘deviants’ and ‘one of the 73 sects’. This is not only untrue but causing a lot of problems (Fitna) and Slander.

WHAT IS A SECT?
“Awf ibn Malik reported that the Prophet (saw) said, ‘The Jews split into 71 sects: one will enter Paradise and 70 will enter Hell. The Christians split into 72 sects: 71 will enter Hell and one will enter Paradise. By Him in Whose hand is my soul, my Ummah will split into 73 sects: one will enter Paradise and 72 will enter Hell.’ Someone asked, ‘O Messenger of Allah (saw), who will they be?’ He (saw) replied, ‘The main body of the Muslims (al-Jama’ah).’
-Ibn Kathir
The Hadith makes a comparison between the Jews and Christians and what will happen to the Muslims. If we look at the Jews and Christians- the major splits in their communities was not due to Schools of Thought or difference of Opinion (madhaib) but rather on Fundamental differences in their Creed (Aqeedah):

Jews: One Sect Believed in Uzair being the literal Son of God, another believed in re-incarnation, another believed the Law of Moses not needed to be followed ‘literally’

Christians: One Sect believed Jesus was literally the Son of God (as opposed to the Hebrew expression ‘Son of God’ meaning ‘a Pious man or Prophet’), others believed God is a Trinity, another believed Mary being the ‘mother of God’…

These differences took them out of the fold of their original belief- thus they deviated and the description of ‘enter hell’ show that they have become disbelievers- even though they came from originally a believing Ummah i.e. they used to be believers and part of the believers. Therefore, a Sect are a people who have a different creed (Aqeedah) to Islam (i.e. they have rejected something that is beyond dispute and interpretation e.g. like Muhammed being the last prophet (saw), The Quran being the word of Allah, the Angels, Qadhaa wa al Qadar, Jannah and hell (Janhanaam) etc).

Imam Qurtubi said (regarding the hadith of the 73 sects): ‘There is no indication in this verse of the prohibition of disagreement in the branches (furu’) [of Fiqh i.e. opinion] as this in reality not dissension. This is because true dissension is one wherein agreement and unity become virtually impossible (i.e. due to rejection of definite issues where there can be no difference of opinion).

WHAT SIZE IS THE SAVED SECT and ARE THEY IN THE MINORITY?
It is narrated that the Prophet (saw) said’: ‘Beware! The People of the Book before (you) were split up into 72 sects, and this community will be split up into 73, seventy-two of them will go to Hell and one of them will go to Paradise, and it is the main body (Jama’ah).’
Abu Dawood in his Sunan (hadith Collection 3/4580)

ARE MAADHABS (SCHOOLS OF THOUGHT) PART OF THE 73 SECTS?
No, for the simple reason that no matter what differences they have, they all agree on the fundamentals of Islam. All maadhabs have the same Aqeeda; the only difference, is the methodology of interpretation of Quranic ayah and Hadith (as well as Hadith authentication).that have multiple meanings and/or no clear explicit meaning. Therefore all madhaab’s are part of the Saved Sect- and not a Sect themselves. Heres a brief intro into the most noted maadhabs:

HANAFI- Use a lot of analogical reasoning upon principles to explain new problems. E.g. – if a Hanafi were given two contradictory evidences of equal authentication, he would pick the less harsher one. Based upon the principle derived from the hadith where the Prophet (saw) for fear of troubling the believer; does not make brushing the teeth part of wudu. Historically, this madhab was popular with Islamic Khaleefahs.

MALIKI- Takes the practice and knowledge of the scholars of Madina (collected and interviewed a few generations after the Prophet (saw)) as the strongest source of Fiqh. The founder also collected alot of Hadith.

SHAFI’I- Takes a rational and very scientific viewpoint to interpretation and authentication of hadith. Historically, this madhab was popular with Islamic Scholars through Islamic civilisation.

HANBALI- This Madhab favours in derving hukm’s (judgements) the use of explicit interpretations of Hadith first over all other considerations- the founder was also a famous collector of hadith.


JAFIRIYA (Shia) – Favours Hadith narrated from members of the Prophets family over other hadith narrators- although Sunni maadhabs’ possess differing narrations from the Prophets family. Most noted difference to Sunni’s is the belief in Ahl ul bait (Prophets Family) to be the rightful appointees to the Khilafah (Caliphate).

ZAIDI (Shia) – Same as Jafiriya, except they believe it is not absolutely obligatory for Ahl ul bait to be appointees to the Khilafah, but highly recommended.

WAHHABI/SALAFI- This is a relatively new madhab, although its followers deny madhab status. This madhab resembles Hanbali but with the difference that Salafis are even more literalistic in interpretation. One of their distinctive principles is “everything is haram till proven halal”- as opposed to “Halal till proven Haram” that other Madhabs follow (if the actions are not Ibadah [worship] related), thus it is common for Salafis to label things they see as ‘bidah’ if they can’t find a hadith for it.

ARE GROUPS PART OF THE 73 SECTS?
No, since a Group/organisation, is merely a collection of Muslims who engage in collective activity for the sake of a cause or objective- to fulfil a collective obligation. Their work has nothing to do with Aqeeda issues or anything related to belief- since they are only there to do work for a Fard objective. Sometimes, it is required to adopt an opinion of a particular madhab or Sheikh on a certain issue- but this is only related to actions and not to belief.
Thus, a Mosque Committee (a religious organisation) might adopt the Hanafi madhab to conduct prayers; a Charity might adopt the Shafi opinion of distribution of Zakah or an Army General might adopt Maliki opinion for captives.

Examples of Groups include: The RED CRESCENT (Charity organisation), THE RAMADAN APPEAL (Charity organisation), TABLIGHI JAMAAT (Dawah/Spiritual organisation for Islamic Reform), IKHWAAN UL MUSLIMEEN (Political Organisation to create an Islamic state in the Muslim world), HIZB UL TAHRIR (Dawah/Political Organisation to re-establish an unified non-sectarian Islamic state in the Muslim world), UHSU ISLAMIC SOCIETY (Student organisation for the looking after of Muslim Students in Hertfordshire University) etc…

DO GROUPS DIVIDE THE UMMAH?
No, it is only the mentality of some people who are Prideful and wish to be seen as superior to others, that accuse Groups (that disagree with them) of dividing the Ummah and causing ‘fitna’ (when the real Fitna is them!). It is not a problem to identify someone as part of a group- as long as it’s for identification and not for gaining superiority over others or slander.
The ‘Muhajireen’ and the ‘Ansar’ where two groups- but this didn’t mean they were divided, rather it was used to identify the two ‘factions’ of the early Muslims. Surely, in the Quran Allah says: “O mankind! Lo! We … have made you into nations and tribes that ye may know one another (S. 49, 13)

It is very shallow person with asabiyah (Nationalist/Tribalist/Supremacist) thinking, to see others as different to you, just because they look different, follow a different madhab or work for another organisation. This is the same thinking that made the French people ban hijab in France (in government buildings and schools). Because they said that expression of different faiths causes division! For Muslims, if someone is Muslim, they are your brother/sister and your affairs and concerns are one. This is what it means to be part of the Ummah of Muhammed (saw). Thus, the real division is not Groups or Madhabs but actually Asabiyah (Nationalism- a Haram concept in Islam) – forget 73 sects, think 52 countries! All artificial divisions that keep us for helping each other and is making us fight each other instead.

SO, WHO ARE THE REAL SECTS?
The sects today, are those whose communities, used to be Muslim, but changed their Aqeeda so are no longer Muslims- these include the Qadiyani’s (who believe in a new Prophet called ‘Ahmed Quadiyan’), Bahai’s (who also believe in a new prophet- but they call him ‘Baha-ullah’, Druze (who believe in re-incarnation), Ismaili’s (ex-shia sect, believes the Mahdi has come, called Mohammed Ismail, who abrogated the Quran! And is constantly re-incarnated into his son [‘Aga Khan’] – so is supposedly never dead) – to name but a few.

Al-Harith al-Ashari (ra) reported that the Messenger of Allah (saw) said: “I bid you to do five things: to remain attached to the main body (Jama’ah of Muslims), listen to your ruler (the Khalifah of the Islamic state) and obey him, and migrate, and fight in the way of Allah. And he who detaches himself from the main body of the Muslims (Jama’ah) to the extent of one span of hand, he in fact, throws off the yoke of Islam from his neck, and he who summons to what the pre-Islamic people believed (e.g. like asabiyah) he is one from the denizens of Hell beyond doubt, even if he observes fast and says prayers and considers himself as a Muslim.”(Musnad (Hadith Collection) of Imam Ahmad bin Hanbal, no. 288)

Abdullah al Andalusi
১৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
উমর বলেছেন: সহজ সরল ও সঠিক পথ একটাই ভাই,

আপনি কেন এই বিষয়টি নিয়ে এত দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।
মুসলমানদের সহজ সরল পথ একটাই আর তা হল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেখানো পথ। ইবাদত কিভাবে করতে হবে তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের সেটাই গ্রহণ করতে বলেছেন আর অস্বীকার কারীদের সতর্ক করে দিয়েছেন।

"আর রাসূল তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাক" (সূরা আল হাশর: ৭)
"(হে নবী, এদের) তুমি বলে দাও, এ হচ্ছে আমার পথ, আমি মানুষদের আল্লাহর দিকে আহবান করি; আমি ও আমার অনুসারিরা পূর্ণাঙ্গ সচেতনতার সাথেই (এ পথে) আহবান জানাই; আল্লাহ তাআলা মহান, পবিত্র এবং আমি কখনো মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত নই" (সূরা ইউসুফ: ১০৮)

"যে ব্যক্তি তার কাছে প্রকৃত সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করবে এবং ঈমানদারদের পথ ছেড়ে (বেঈমান লোকদের) নিয়ম-নীতির অনুসরণ করবে, তাকে আমি সেদিকেই ধাবিত করবো যেদিকে সে ধাবিত হয়েছে, আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে পুড়িয়ে দিবো, (আর) তা কত নিকৃষ্ট আবাসস্থল" (সূরা নিসা: ১১৫)

Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said, “The best of mankind is my generation, then those who come after them, then those who come after them…” (narrated by al-Bukhaari, 2652; Muslim, 2533; from the hadeeth of Ibn Mas’ood).

অর্থাৎ তিনটি জেনারেশন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের জেনারেশন, তারপর তাবেঈনদের জেনারেশন এরপর তাবে তাবেঈনদের জেনারেশন। শেষের দুই জেনারেশন প্রথমটিকেই অনুসরণ করেছে।

ইবাদত করার ক্ষেত্রে যে কোন পন্থা আবিস্কৃত হোক না কেন, তা গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেখানো পথে পাওয়া না যায়। হোক সেটা কোন তরীকা, সূফিবাদ তথা তাসাউফ চর্চা, পীর-ফকির ওজিফা, মাজারবাদ, ইবাদতের ক্ষেত্রে নিত্য-নতুন পন্থা তথা বিদআত, যতই ভাল লাগুক, বাহির থেকে যতই ভাল দেখা যাক কোন দরকার নেই।

কেউ যদি বলে এগুলো কর তাদের বলে দিন, তোমরা এগুলো করে বেহেশতে যেতে চাও, যাও ভাই, আমাকে মাফ করে দাও, আমি শুধু তাই করব যা আমার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়েছেন, আমি একটু বেশীও করবো না একটু কমও করবো না।

ইব্রাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর নিকট দোয়া করে বলেছিলেন:

"এবং আমাদের দেখিয়ে দিন আমাদের ইবাদতের বিষয় সমূহ"। (সূরা আল বাকারা:১২৮)

অর্থাৎ ইবাদত কখনো মনগড়া হবে না, হতে হবে কেবল আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী আর আমাদের কাছে আল্লাহর বিধান এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এর মাধ্যমে। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন কোন ইবাদত কিভাবে করতে হবে।


কুরআন ও সহীহ সুন্নাহকে আকড়ে ধরুন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। যে ব্যক্তি আল্লাহকে পেতে চায় আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তাকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

মহান আল্লাহ তাআলার রহমত ও শান্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর এবং তাঁর পরিবারের উপর ও তাঁর সাহাবাদের উপর এবং যারা তাদের অনুসরণ করে তাদের উপর বর্ষিত হোক। আমীন।



০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: এগুলো বুঝতে পেরেছি, কিন্তু সমস্যা অন্য যায়গায়, সবার পক্ষেই রেফেরেন্স আছে । সুফি বাদের কথা বললেন , তারা তার পক্ষে অবু জর গেফারী রঃ এর নাম নিয়ে আসে , আরো আছেন আবু হুরাইয়া রঃ তাঁরপর সাল্মান ফরাসী রঃ তাঁরপর তাবেঈন দের মধ্যে ওয়াজ কুরুনী রঃ যাকে রাসূল সঃ তার চাদর দিয়ে গিয়ে ছিলেন হযরত উমর রঃ কাছে ।

সব বিষয় এত সহজ না , আপনি তো খারিজিদের চিনেন, তাঁরা কিন্তু নিজেদের ব্যতীত বাকিদের বাতিল করত, তাই তাঁরা খারেজী । সালাফিরা ও বাতিল করে দেয় অনেক সময় বা অন্য রকম কথা বলে । এখন যদি একজন আরেক জনকে মারামারি শুরু করে, তাহলে কি হবে ?

আমরাও যদি একজন আরেক জনকে বাতিল করি , তাহলে পরিস্তিথি ভয়াবহ । অমুক কাফির , তমুক কাফির , তাইলে খবর আছে ।

আমি শুধু আল্লাহ সুবাহানাতালা আর তাঁর রাসূল সঃ সাথে আছি । যারা বিশৃঙ্গলা সৃষ্টি করে তাদের বুঝাই তে হবে , তাহলে আগে নিজে বুঝতে হবে । ধন্যবাদ ।

আরেক দল বলে আল্লাহ সুবাহানাতালার নাকি হাত পা আছে । কিন্তু আমি সূরা আল ইমরানের সাত নম্বর আয়াত ফলো করি
"তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না। "

কিন্তু আপনি কি মনে করেন না, আমাদের সমাধান দরকার । আমি আল্লাহ সুবাহানাতালার সাথে আছি ।

মদিনা ইউনিভারসিটি আল-আজাহার ইউনিভারসিটি -দেওবন্দ মাদ্রাসা সবার এক মত হওয়া উচিত ।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: উপরের কমেন্টটি পড়েন । আমি ঐ বক্তব্য আমার কাছে সঠিক মনে হয় ।

১৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: মুসলিম৫৫ বলেছেন: আস সালামু 'আলাইকুম!

ফুয়াদের ব্লগ দেখে আসলাম। ফুয়াদ, এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই বুঝেছেন যে আমার হাত বাঁধা। আমি প্রথম থেকেই সামুতে VIP - একেবারে রাজবন্দীর স্ট্যাটাস। আমি হর্তাকর্তাদের কারণ জিজ্ঞেস করেছিলাম। তারা বলেছেন যে, আমি নাকি একই বিষয় নিয়ে লিখি।
তাদের ভাষায়:

this blog is a place to write about many things and not one thing in particular. we have seen your blog and have seen you are witting posts about a specific topic only............we can not allow your blog with this specific topic.

তাদের কথাটা ঠিক - আমি কেবল আল্লাহ্ তথা আল্লাহর দ্বীন নিয়েই লিখি। কারণ আমি জেনে গেছি যে, আমাকে কেবল একটি উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করা হয়েছে - যেমন আল্লাহ্ বেলছেন:

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

I have only created Jinns and men, that they may serve Me. [Qur'an, 51:56]

তবু, আমি তাদের ঘোষিত নীতিমালা আবার দেখে এসেছি। একই বিষয় নিয়ে লেখা যাবে না, এমন কথা কোথাও উল্লিখিত রয়েছে বলে দেখলাম না - আবার ইসলাম নিয়ে লেখা যাবে না তাও বলা নেই। তাছাড়া আপনারাই বলুন - সামুতে কত ব্লগার রয়েছেন যারা কেবল একটা বিষয় নিয়েই লেখেন, তাই না? এমন ব্লগার রয়েছেন যাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও অভীষ্ট হচ্ছে কেবল ইসলামকে গালি-গালাজ করা! আবার এমন রয়েছেন যারা কোন একটা রাজৈনিতক দলের মুখপাত্র হয়ে লিখে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। তখনই আমার মনে হয়েছে যে, বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয়(?) ধর্ম "গণতন্ত্রের" হোতারা বলেন যে, সবারই নাকি কিছু মৌলিক অধিকার রয়েছে - যার একটি হচ্ছে; Right to be different। বলা বাহুল্য "সামু"তে বা অন্যত্রও কেবল মুসলিমদেরই এই Right to be different-নেই। একইভাবে মানবাধিকার, সাম্য থেকে শুরু করে যত গালভরা বুলি রয়েছে, তার সবই হচ্ছে conditional।

প্রথম পাতায় লেখা যাবে না জেনে, আমি বেশ ক'টা গ্রুপে সদস্য হবার আবেদন জানাই। যারা "দয়া করে" আমাকে স্থান দিয়েছেন, তাদের একটি হচ্ছে "অল্টারনেটিভ"। ওখানে নাকি মেহনতী মানুষের কথা বলা হয়। আমি ভাবলাম ইসলাম যে মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিতে এসেছিল - আমরা আজ তা প্রায় ভুলতেই বসেছি। আবু বক্বর, উমর, উসমান ও আলী (রাদিআল্লাহু আনহুম) যে ভাবে শাসনকার্য চালিয়েছিলেন, সেটাকে আমরা অনেকটা রূপকথার মতই unachievable মনে করি। তাই আমরা কত কুফরী "ইজম" জীবনে ধারন করার চেষ্টা করি। সুতরাং দেখি, সতিই যদি তারা মেহনতী মানুষের জন্য কথা বলতেই "গ্রুপ" খুলে থাকেন, তাহলে তো তাদের সাথে আমার কোন conflict হবার কথা নয়। আল্লাহর চেয়ে just তো আর কেউ হতে পারে না। সুতরাং "আল্লাহকে" বা "আল্লাহর অনুশাসনকে" সবকিছু বিচারের মাপকাঠি বানাতে পারলেই তো সব "অবিচার" দূর হয়ে যায়। কিন্তু যখনই আমি আল্লাহর কথা বললাম, তখনই তারা তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন - আমি বুঝলাম আযান শুনলে শয়তানের যে অনুভূতি হয়, তাদের ভিতর হয়তো আল্লাহর কথা শুনলে সে রকম জ্বালা ধরানো অনুভূতি হয়ে থাকে। আমি আরো বুঝলাম যে, "প্রগতিশীল" বলতে তারা হয়েতা নাস্তিক বা সংশয়বাদী বা এগনষ্টিক বুঝিয়ে থাকেন। যাহোক, সাধারণভাবে "সামু" বা অন্য সব "মুক্ত চিন্তার" প্ল্যাটফর্মে আর বিশেষভাবে "অল্টারনেটিভ" জাতীয় গ্রুপে: All animals are equal, but some animals are more equal than others - এই কথাটা এক নিষ্ঠুর সত্য। এ প্রসঙ্গে ঐ গ্রুপে আমার একটা মন্তব্য একটু কষ্ট করে পড়ে আসুন:

Click This Link

আপনাদের অনেক সময় নিলাম নিজের কথা বলে। ও হ্যাঁ, আরেকটা কথা বলা হয়নি - প্রথম পাতায় লেখা না আসাতে আমি মোটেই দুঃখিত নই। কারণ আমি বাহ্বা পাবার জন্য বা প্লাস পাবার জন্য লিখি না - আমার কাছে "ঘর সামলানোটা" বেশী গুরুত্বপূর্ণ! বিশ্বাসী ভাইবোনদের সঠিক বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনা তথা নিজের বিশ্বাসকে শুদ্ধ করা আমার কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ণ । ইসলামের উপর আমি লিখবো - আর কাফির-মুশরিক, নাস্তিক বা লেসবিয়ান যে কেউ নির্বিচারে তার উপর মন্তব্য করতে থাকবে, এটা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

ফি আমানিল্লাহ্!
২০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: উমর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ভাই মুসলিম৫৫,

আপনার মন্তব্যকৃত পোস্টটি দেখলাম কিন্তু ঐখানে যে হাদীসটি দেওয়া আছে সেটি কোন হাদীস নয়। যদিও এর মধ্যে কিছু কথা আছে যা সহীহ হাদীসে পাওয়া যায় কিন্তু বাস্তবে ঐটা কোন হাদীসই নয়।


এখানে সুন্দর করে ব্যাখ্যা দেওয়া আছে পড়ে দেখবেন: http://islamqa.com/en/ref/135763
২১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫১
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: মুসলিম৫৫ বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ভাই ফুয়াদ!

আমি আপনার ব্লগে গিয়ে আরো কিছু বক্তব্য দেখে এলাম। সেগুলোর প্রেক্ষিতে আরো কিছু মন্তব্য:

১)রাসূল(সা.)-এঁর সময় তিনি "আল-জামা'আহ" বলে যে collection বোঝাতে চয়েছেন, তার বাইরে তখন hardly কোন মুসলিম ছিলেন। তাই তখন "মুসলিম" বললেই রাসূলের (সা.) পথ ও পদ্ধতির অনুসারী বোঝা যেতো। কিন্তু over the period of time, দেখতেই পাচ্ছেন এখন কত দল, কত মত! তাই দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন কেবল মুসলিম বলতে কিছু বোঝায় না - কারণ ওমানের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা Ibadaite খাওয়ারীজ থেকে শুরু করে দ্রুজ, ইসমাইলী, ক্বাদিয়ানী, রাফিদি, দেওয়ানবাগী, আটরশী সবাই নিজেদের "মুসলিম" বলেই পরচিয় দেয় - তাই রাসূলের (সা.) জামাতের পদ্ধতির উপর কারা আছে সেটা বোঝাতে এত নতুন নতুন অভিব্যক্তি। "আহলুস সুন্নাহ্ ওয়া আল জামা'আহ", "আহলুল হাদীস" [ভুল বুঝবনে না - আমি শব্দটা generic senseএ ব্যবহার করছি। বাংলাদেশে যে "আহলে হাদীস" sect রয়েছে - তার কথা বলছি না] এবং সালাফী হচ্ছে এমন কিছু অভিব্যক্তি - যা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় যে, এরা হচ্ছেন সেই "একমাত্র সমষ্টি", যারা সরল পথের উপর রয়েছেন এবং যারা কেবল রাসূলকেই(সা.) তাদের infallible leader মনে করেন।
২)৭৩ sect-এর হাদীসে রাসূল (সা.) My Ummah কথাটা বলেছেন। তাই বিচ্যুত হলেও তাদের (অর্থাৎ, ৭২ দলের লোকদের) রাসূলের (সা.) উম্মাহর অন্তর্গত বলতে হবে - আর তাই তারা প্রাথমিকভবে জাহান্নামী হলেও, "মুসলিম" হবার সুবাদে এবং আল্লাহর দয়া সাপেক্ষে কোন না কোনদিন জান্নাতে যাবেন ইনশা'আল্লাহ!
৩) কুর'আনের আয়াত থেকে বা হাদীস থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবার কিছু সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে - যা স্কলারদের জন্য রেখে দেয়াই ভালো। আমাদের মত সাধারণ মানুষদের বা methodically দ্বীন শিক্ষা না করা 'আলেম বেশী "ইসলামজীবী" জাহীলদের তা করতে চাওয়া থেকেই পৃথিবীতে অনেক ফিতনার উৎপত্তি। তবে এটুকু বলা যায় যে, "মনসুখ" আয়াত না হলে, কুর'আনের কোন আয়াতকে অপর আয়াতের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো যাবে না - সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয়াতগুলোর সব ক'টির সাথে সঙ্গিতপূর্ণ অর্থ বুঝতে হবে। তেমনি একই মাত্রার শুদ্ধ হাদীস হলে, একটির বিরুদ্ধ অপরটিকে দাঁড় করানো যাবে না। শুধু তাই নয় - কুর'আনের কোন আয়াতকেও সহীহ এবং verified সুন্নাহর বিরুদ্ধে দাঁড় করানো যাবে না!

কিছু উদাহরণ দিচ্ছি: ক) কুর'আনে আল্লাহ্ বলেছেন মৃত পশু হারাম - পরে রাসূল(সা.) ২ ধরেনর মৃত প্রাণী হালাল করে কুর'আনের আয়াতকে সুনির্দিষ্ট করেছেন। এখানে বলা যাবে না যে, একটা আরেকটার বিরুদ্ধে যায় - বরং বলতে হবে যে, এ ক্ষেত্রে হাদীস বা সুন্নাহ্ হচ্ছে কুর'আনের general রুলিং-এর specification ।
খ) দাড়ি রাখা বা ফিতরার কথা কুর'আনে কোথাও নাই - তাই বলে এসবের অত্যাবশ্যকীয় status অস্বীকার করা যাবে না!
২২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪
তাহা আহমেদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফুয়াদ, অনুরোধ রক্ষার জন্য। আপনাদের ডিসকাসশান ভাল লাগল।
২৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৭
উমর বলেছেন: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, মহান আল্লাহ তাআলা নিজেই এটি ঘোষণা করেছেন। বিদায় হজ্জের ভাষণে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর নিন্মোক্ত আয়াতটি নাযিল হয়ঃ

"আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পরিপূর্ণ করে দিলাম, আর তোমাদের উপর আমার নিয়ামত আমি পূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের জীবন বিধান হিসেবে আমি ইসলামকেই মনোনীত করলাম" (সূরা আল মায়িদাঃ ০৩)

ইসলামকে পরিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং নতুন কোন কিছু যোগ করারও নেই কিংবা কিছু বাদ দেওয়ারও নেই। যা হারাম তা হারাম, যা হালাল তা হালাল, যা ইবাদত তা ইবাদত। ধোয়াশাচ্ছন্ন অবস্থায় নেই। পরিপূর্ণ, একদম স্বচ্ছ্ব।

কাজেই নতুন কোন পথ, কোন ধারা, কোন পন্থা বা ত্বরিকা সামনে আসুক না কেন তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এখন প্রশ্নহলো আমরা কি যারা ইসলামে ভিন্ন পথ আনয়ন করেছে তাদের কাফির বলে অভিহিত করবো? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ কি বলে?

"কেউ যদি তার মুসলিম ভাইকে কাফির বলে সম্বোধন করে তখন তাদের দুইজনের মধ্যে একজন অবশ্যই কাফির"
Malik :: Book 56 : Hadith 56.1.1

কাফির বলা যাবে না তবে কেউ যদি নিজে ঘোষণা দেয় বা তার কাজগুলো ঠিক একদমই কাফিরের মতো আর সে জেনে বুঝেই সে করে থাকে তখন কাফির বললে সমস্যা নেই।

এখন বিতর্কে লিপ্ত হলে বা কোনটি সঠিক সেই পথটি বুঝতে হলে আমাদের করনীয় কি? আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

"যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হও তবে তা ফিরিয়ে নাও আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও আল্লাহ এবং পরকালের উপর" (সূরা নিসা: ৫৯)


আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ফয়সালা ব্যতীত অন্য কোন ফয়সালা কি মানা যাবে?
"আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যখন কোন বিষয়ে ফয়সালা করে দেন, তখন কোন মুমিন পুরুষ ও মুমিন স্ত্রীলোক সেই ব্যাপারে নিজে কোন ফয়সালা করার ইখতিয়ার রাখে না। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলে নাফরমানী করল, সে সুস্পষ্ট গোমরাহীতে লিপ্ত হল" (সূরা আহযাবঃ ৩৬)

অনেক বড় আলেম, সূফী, মুফতি বলেছেন অমুক ইবাদত অমুকভাবে করতে হবে। কিন্তু তাই কি মানা যাবে?
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কথার উপর কাউকে প্রাধান্য দিও না। আর আল্লাহকেই ভয় কর।" (সূরা হুজুরাতঃ ০১)

মানুষকে সৃষ্টির প্রধানতম উদ্দেশ্য হচ্ছেঃ

"আমি জ্বিন ও মানবজাতিকে আমার ইবাদত অন্য কোন উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি" (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)

আমরা কতক্ষণ পর্যন্ত ইবাদত করবো?
"তোমার রবের ইবাদত করতে থাক, যতক্ষণ না নিশ্চিত ব্যাপারটি (মৃত্যু) এসে যায়" (সূরা হিজরঃ ৯৯)




মহান আল্লাহ আমাদের সহীহ ইলম বৃদ্ধি করে দিন এবং বিভ্রান্ত হওয়া, বিদআত, শয়তানের অনুসরণ করা, এবং শিরকপূর্ণ কথা, কাজ ও চিন্তা থেকে হিফাজত করুন। আমীন।








২৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
উমর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ভাই ফুয়াদ,

“(হে মুহাম্মদ) আপনি বলে দিন, এটাই আমার পথ। পূর্ণ জ্ঞান ও
প্রজ্ঞার সাথে আমি আল্লাহর দিকে আহ্বান জানাই।” (ইউসুফঃ ১০৮) (সূরা ইউসুফ: ১০৮)

এখানে একটা বিষয় খেয়াল করুন, পূর্ণ জ্ঞান ও প্রজ্ঞার কথা উল্লেখ আছে অর্থাৎ ইসলাম সম্পর্কে একদম পরিস্কার, স্বচ্ছ ধারাণা থাকতে হবে। এই স্বচ্ছ ধারণা পেতে হলে একজন মুসলিমকে কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ'র চর্চা করতে হবে। অর্থাৎ এই ধরনের লোকেরা মানুষকে আল্লাহর পথে আহবান জানাবে।
"তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা (মানুষকে কল্যাণের পথে ডাকবে, সত্য ও) ন্যায়ের আদেশ দিবে, আর (অসত্য ও) অন্যায় কাজ থেকে তাদের বিরত রাখবে; সত্যিকার অর্থে এরাই হচ্ছে সাফল্যমন্ডিত" (সূরা আল ইমরানঃ ১০৪)

ঠিক এই আয়াতটির পরই আল্লাহ তাআলা সতর্ক করে দিয়েছেনঃ

"তোমরা (কখনও) তাদের মতো হয়ে যেও না, যাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট নিদর্শন আসার পরও তারা বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং (নিজেদের মধ্যে) নানা ধরনের মতানৈক্য সৃষ্টি করেছে; এরাই হচ্ছে সে সব মানুষ যাদের জন্যে কঠোর শাস্তি রয়েছে" (সূরা আল ইমরানঃ ১০৫)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছিলেনঃ "আমি তোমাদের কাছে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি; কুরআন এবং আমার সুন্নাহ (হাদীস), যতদিন তোমরা এদুটিকে আকড়ে ধরে রাখবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না" (সহীহ মুসলিম)

অর্থাৎ পথভ্রষ্ট হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদুটি থেকে দূরে সরে গেলেই পথভ্রষ্টতা এসে হাজির হবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের খুব সুন্দর করে ইসলামকে বুঝিয়ে দিতেন, খুব সহজভাবে সত্যকে তাদের সামনে উপস্থাপন করতেন। তাতে থাকতো না কোন বক্রতা বা অস্বচ্ছতা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে বুঝিয়েছেন সেভাবে না বুঝিয়ে অন্যভাবে বুঝালেই অস্বচ্ছতা এবং বক্রতা ঢুকে যায়। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন আল্লাহ তাআলার নবী এবং তিনি ইসলামের সব বিষয় পরিপূর্ণভাবে জানতেন, কাজেই তাঁর মত সহজ এবং সুন্দর করে ইসলামকে কেউ বুঝাতে পারবে না।

ইসলাম শব্দের অর্থ হচ্ছে: আত্মসমর্পণ। অর্থাৎ আল্লাহর নিকট সর্বান্তকরনে আত্মসমর্পণ করে দেওয়া। একত্ববাদ তথা তাওহীদ হচ্ছে ইসলামের প্রধানতম বিষয়।

“আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করা গুনাহ মাফ করবেন না। শিরক ছাড়া অন্যান্য যে সব গুনাহ রয়েছে সেগুলো যাকে ইচ্ছা মাফ করে দিবেন।”
(নিসাঃ৪৮)

জাবির (রা) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল, জান্নাত ও জাহান্নাম ওয়াজিবকারী বস্তু দুটি কি কি? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার না বানিয়ে মৃত্যু বরণ করল সে জান্নাতী আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক বানিয়ে মারা গেল সে জাহান্নামী। (সহীহ মুসলিম, কিতাবুল ঈমান)

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, সবচেয়ে বড় পাপকাজ কোনটি? তিনি বললেন: কাউকে আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বা সমকক্ষ সাব্যস্ত করা অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি তাকে বল্লাম এটা অবশ্যই মহাপাপ। (সহীহ মুসলিম, কিতাবুল ঈমান)

ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,
“যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে। সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” (বুখারি)

উপরোক্ত আলোচনা থেকে যে প্রধানতম বিষয়টি আমরা পেলাম তাহল, মহান আল্লাহর সাথে কোনভাবেই শিরক করা যাবে না।

জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নো'মান ইবনে কাউকাল (রা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এসে বললোঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কি মত, যদি আমি ফরজ নামায পড়ি, রমজানের রোজা রাখি, হারামকে হারাম মেনে বর্জন করি, আর হালালকে হালাল বলে গ্রহণ করি, তাহলে কি আমি বেহেশতে প্রবেশ করতে পারব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (সহীহ মুসলিম, কিতাবুল ঈমান)

আবূ আইয়ূব (রা) থেকে বর্ণিত, এক বেদুঈন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সম্মুখে এসে তাঁর উটের লাগাম ধরে ফেললো। এময় তিনি সফরে ছিলেন। সে বললোঃ হে আল্লাহর রাসূল অথবা হে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমাকে এমন কিছু কাজের কথা বলুন যা আমাকে বেহেশতের নিকটবর্তী করে দিবে এবং আগুন (জাহান্নাম) থেকে দূরে রাখবে। তিনি সাহাবীদের দিকে তাকালেন, অতঃপর বললেন, নিশ্চয়ই তাকে অনুগ্রহ করা হয়েছে অথবা তিনি বললেন, তাকে হিদায়াত করা হয়েছে। তিনি বললেন, তুমি কি কি বলেছিলে? রাবী বলেন, লোকটি তার কথার পুনরাবৃত্তি করলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁর সাথে কোন কিছুর শরীক করো না, নামায কায়েম করো, যাকাত আদায় করো, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখ। উষ্ট্রীর লাগাম ছেড়ে দাও"। (মুসলিম)

এবার আসুন সহীহ হাদীসের আলোকে ঈমানদার ব্যক্তিদের কতগুলো বৈশিষ্ট্য জেনে নিইঃ

***রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পিতা, পুত্র, পরিবার-পরিজন ও সবকিছুর চেয়ে অধিক ভালভাসা।
***একজন ব্যক্তি নিজের জন্য যা পছন্দ করবে; অপর মুসলিম ভাইয়ের জন্যেও তা পছন্দ করবে।
আবুল খায়ের (র) থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আ'মর ইবনুল আসকে (রা) বলতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলঃ কোন ধরণের মুসলমান উত্তম? তিনি বললেনঃ যার জিহবা ও হাতের অনিষ্ট থেকে মুসলমানরা নিরাপদে থাকে।

***প্রতিবেশী ও মেহমানদের সাথে সদ্বব্যহার করবে। ভাল কথা ব্যতীত নীরব থাকবে। যে ব্যক্তির অত্যাচার থেকে প্রতিবেশী নিরাপদ নয় সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
আবু শুরাইহ আল-খুযাঈ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষদিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন প্রতিবেশীর সাথে সদ্বব্যহার করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষদিনের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন মেহমানদের সমাদর করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।
***মন্দ কাজে বাধা দেওয়া ঈমানের অংগ। ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজরে নিষেধ দেওয়া ওয়াজিব।
***মুমীন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। মুমীনকে ভালোভাসা ঈমানের অংগ, সালামের ব্যাপক প্রচলন এই ভালোভাসা অর্জনের সূত্র।
মুমীনের সংজ্ঞাঃ আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে নিজের রব, ইসলামকে নিজের দ্বীন এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসূল হিসেবে মেনে নিয়েছে সে ঈমানের স্বাদ পেয়েছে।


অনেক কথা লিখে ফেল্লাম, ইসলাম সহজ, ইসলাম সহজ, ইসলাম সহজ; একে কঠিন করে ফেলবেন না।

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আমি জ্বিন ও মানবজাতিকে আমার ইবাদত অন্য কোন উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি" (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)



One Vision, One Mission, One Purpose; To Serve Our Allah, The Way Our Most Beneficent Creator Showed Us Through Prophet (peace be upon him).

To Know The Truth, Grab The Noble Book Quran and Authentic Sunnah and Act Accordingly.

মহান আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।







০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আমিন ।

আমার কোন সমস্যা নাই । আমি জানি আমি ঠিক আছি আলহামদুলিলাহ । সমস্যা হইতেছে অন্যদের নিয়ে । এক দল আরেক দলকে বাতিল করে দেয় । ফিকাহ শাস্র নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে । আর সমস্যা তৈরি করে । আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদের ক্ষমা করুন ।

২৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: (১) হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ও হযরত ওসমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সহ সকল সাহাবীর চেয়ে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু -এর মর্যাদা বেশী।
(২) হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খেলাফতের পর অধিক হক্বদার ছিলেন হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তাঁকে খেলাফত না দেয়ায় সকলেই মুরতাদ হয়ে গেছে, ৪ জন ব্যতীত। তারা হলেন, হযরত আলী, আম্মার, মেকদাদ ইবনে আসওয়াদ ও সালমান ফার্সী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম।
(৩) পৃথিবীর সকল নবীগণের চেয়ে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু -এর মর্যাদা বেশী।
(৪) হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুই নবী।
(৫) হযরত জিব্রীল আলাইহিস সালাম ভুলে তাঁর( হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উপর ওহী নাযিল করেন নাই।
(৬) আল্লাহ্ পাকের আকৃতি মানুষের আকৃতির ন্যায়।








প্রথমত এখানে যেসব ৭২ ফেরকা নিয়ে বক্তব্য দেয়া আছে সেখানে আমার আপত্তি.........

প্রথমত শিয়াদের বলা হচ্ছে.......২৮,৩২,,এরকম উপদলে বিভক্ত......
কিন্তু আমি জানি যে শিয়ারা সর্বমোট তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত..........

আর আপনার উপরোল্লিখিত শিয়াদের সম্পর্কে যেসব কথা বলা হয়েছে
তা সর্বৈব মিথ্যা...............


১ নং টা কেবল শিয়াদের সবার বিশ্বাস.....
২নং টা শিয়াদের একটা দলে বিশ্বাস করে.........


বাকী চারটি তথ্য কোন শিয়ারা কখোনই বিশ্বাস করে নাই...............


শিয়াদের সম্বন্ধে অহেতুক মিথ্যা তথ্য ছড়াবেন না...........












০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: তুষারপাতের বক্তব্য , বেরল্ভী পন্থি সকল মাদ্রাসার বক্তব্য ।

তাছাড়া,
, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত আব্দুল কাদির জ্বীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গুনিয়াতুত্ তালেবীন কিতাবের ১৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন । উনি না বোঝে করেন নি । আরেক অনেক শিয়া আছে যারা অবতার বাদে বিশ্বাস করে , তারা তো এমনেই বাতিল ।


তারপর মুস্লিম ৫৫ ভাই তার লেখায় শিয়াদের বিষয় লেখেছেন Click This Link

ঐ সব গুলি আমার বক্তব্য না, তবুও শিয়া আকিদা সংদ্ধেহজনক । আপনি মুস্লিম ৫৫ এর লেখাগুলি দেখেনেন । আমার, আল আন্দালুসি হুজুরের বক্তব্য ভালো লাগছে । উপরে আমি দিয়েছে , নাজনীন ১ আপার লিংক থেকে । ধন্যবাদ ।

২৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: আর ৭২ ফেরকায় বিভক্ত হওয়া নিয়ে যে হাদীস তা সহী কিনা সে সম্বন্ধে অনেক সন্দেহ আছে
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনি নাজনিন আপার লিংক দেখতে পারেন , লিংকের বক্তব্য আমি নাজনীন আপার কমেন্টের জবাবের নিচেই দেওয়া আছে ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: তবে আপনার পুরা বক্তব্য দিলে ভাল হত ।

২৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: আমি ফেরকা নিয়া একটা পোস্ট দিব ইনশাল্লাহ.........


৩ বছর ইরানে ছিলাম বিধায় শিয়াদের অত্যন্ত কাছে আসার সৌভাগ্য হয়েছিলো........

তাদের সম্পর্কে অনেক অনেক ভুল ধারনা ছড়িয়ে আছে......


আমি তো বললামই একটা দল আছে শিয়াদের যারা অবতারবাদে বিশ্বাস করত........যারা এখন নিশ্চিহ্ন.............

বাকী ২ টা দলের বিশ্বাস প্রায় সুন্নীদের মতোই.......

পোস্টেই এটা নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ













০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম
একটি ভুল
সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত আব্দুল কাদির জ্বীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গুনিয়াতুত্ তালেবীন কিতাবের ১৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন । উনি না ৩২ দল করেছেন । কিন্তু বাকি কথা গুলি মনে হয় অন্যদের । বক্তব্য তুষার পাতের , আমার না । ধন্যবাদ ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৫১৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি ফুয়াদ । আমার কমেন্ট গুলি আমার সাময়িক উপলব্ধি , যা সময়ের সাথে জ্ঞান অনুপাতে পরিবর্তিত হতে পারে । তাই,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ