*** আসুন দেখেনেই সেকুলারিসমের ইভুলশন***
সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের উপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ার পর ’৭২ সালের মূল সংবিধান আপনাআপনিই পুনর্বহাল হচ্ছে। এর ফলে দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে এবং চার মূলনীতির ভিত্তিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ৫ম সংশোধনী বাতিলের কারণে ৪র্থ সংশোধনীর আলোকে দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েমের কোনো সুযোগ নেই। কেননা পরবর্তীতে রেফারেন্ডামের মাধ্যমে বাকশাল বিলুপ্ত করা হয়েছিল। আইনমন্ত্রী বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল হলেও বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ সংবিধানে থাকবে। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
=> ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতিক দল নিষিদ্ধ করা হোক , ধর্ম পুজি করে ব্যবসা । কখন হবে না । রাষ্ট্র ধর্ম নিরোপেক্ষ থাকবে ।
ড.অভিজিৎ রায় লিখেছেনঃ‘সেক্যুলারিজম’ শব্দটির অর্থ –‘সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা’ নয়, বরং এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে একটি মতবাদ, যা মনে করে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি থেকে ধর্মকে পৃথক রাখা উচিৎ। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)
=> মানে এইটি একটি মতবাদ । এক মতবাদের উপর ভিত্তি করে বাকি মতবাদ গুলি রাষ্ট্র থেকে পৃথক করতে হবে । রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে হবে ।
আমেরিকান হেরিটেজ ডিকশনারীতে secularism শব্দটির সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে এভাবে -The view that religious considerations should be excluded from civil affairs or public education এ সংজ্ঞা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না- এটাই সেক্যুলারিজমের মোদ্দা কথা ।( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)
=> ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না, মানে রাষ্টে তার খেয়াল খুশি মত চলবে । মানে বিসমিল্লাহ থাকতে পারে না ।
ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তার ‘ইহজাগিতিকতার প্রশ্ন’ প্রবন্ধে: ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, এই কথাটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর পরই খুব জোরেসোরে বলা হচ্ছে। কথাটা সত্য বটে আবার মিথ্যাও বটে। সত্য এ দিক থেকে যে, রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা নাগরিকদের এ পরামর্শ দেয় না যে, তোমাদের ধর্মহীন হতে হবে; কিন্তু তা বলে এমন কথাও … বলে না যে, রাষ্ট্র নিজেই সকল ধর্মের চর্চা করবে, কিংবা নাগরিকদের নিজ নিজ ধর্ম চর্চায় উৎসাহিত করবে। রাষ্ট্র বরঞ্চ বলবে ধর্মচর্চার ব্যাপারে রাষ্ট্রের নিজের কোন আগ্রহ নেই, রাষ্ট্র নিজে একটি ধর্মহীন প্রতিষ্ঠান।, ধর্ম বিশ্বাস নাগরিকদের সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত ব্যাপার। রাষ্ট্রের ওই ধর্মহীনতাকেই কিছুটা নম্রভাবে বলা হয় ধর্মনিরপেক্ষতা। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)
=> মানে ধর্মহিনতাই সেকুলারিসম । এতএব, সরকারী সকল কাজ ধর্মহীন হতে হবে । মানে ইসলামী ফায়ন্ডেশন সহ সরকারী ধর্মীয় কার্যক্রম বন্দ করতে হবে ।
ডাঃ বিল্পব পাল বলেন ঃ ধর্ম টিকে থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরপেক্ষ হবে, সেটা সোনার পাথর বাটি।
ধর্ম মানে কি নামাজ পড়া? মোটেও তা না। ধর্মের নৃতাত্ত্বিক উৎপত্তির ভিত্তি সামাজিক চুক্তিগুলি যা আবার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রন করে আইনের মাধ্যমে। তাই ধর্ম থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরেপেক্ষও হবে, এটা শ্রেফ গোঁজামিল ছাড়া কিছুই না । ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট এর কমেন্ট থেকে নেওয়া)
=> মানে ধর্ম থাকলে সেকুলারিসম হয় না । ধর্মকে রাখাই যাবে না । ইসলাম, খ্রিস্টানিটি তারপর হিন্দুইজম চর্চা বন্দ করতে হবে । এদের নিষিদ্ধ করতে হবে । মসজিদ, মন্দির বন্দ করতে হবে ।
(এইখান কার ইভুলোশন ধরতে পেরেছেন কি ?)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

