আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

স্বাক্ষর সংগ্রহ করে বুকলেট ছেপে কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে?

০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

শেয়ারঃ
0 0 0

ভার্চুয়াল দুনিয়ায় মুখে মুখে অনেক কিছুই করা যায়। কিন্তু মাঠে নামার আগে সবদিক ভাবা উচিত, যেন ছোট ছোট উদ্যোগগুলো মাঠে মারা না পড়ে। প্রথমেই দুটি প্রশ্ন। উত্তরও নিজেই দিলাম।

প্রশ্ন : জামাল ভাস্কর নতুন কী করছেন? এর ফলাফল কী?
উত্তর : পোস্ট পড়ে জানা যাচ্ছে, তাদের মূল লক্ষ্য স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান। বাংলাদেশের বাস্তবতা মনে রাখলে এই ধরনের অতি ভদ্রোচিত কাজে খুব একটা উৎসাহ খুঁজে পাই না। তারপরও কথা হল, এই উদ্যোগে জনমত তৈরির জন্য নতুন কী করা হচ্ছে? এই কাজ তো আগেও হয়েছে- আরো ব্যাপকাকারে, আরো বড়ো পরিসরে। ভাস্করের পোস্ট পড়ে আমি ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির একজনকে ফোন করেছিলাম কিছুক্ষণ আগে, কিছু তথ্য জানতে। তিনি জানালেন, ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির উদ্যোগে গত জুন মাস নাগাদ সারা বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। অংকটা সঠিক। কারণ সে সময় আমি নিজেও সেই স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে যুক্ত ছিলাম। ওই নেতা জানান, পরে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের মাধ্যমে সবগুলো স্বাক্ষর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। একটি করে কপি জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছিল।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজটি আগে আরো ব্যাপকাকারে হয়েছিল এবং প্রভাবশালী একটি সংগঠনের মাধ্যমে ওই স্বাক্ষরপত্র জাতিসংঘেও গিয়েছিল। কিন্তু এর কোনো ফল, কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি।
এছাড়া শেখ হাসিনার ভাষণ এবং ১৯৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট ভাষণ নিয়ে বুকলেট তৈরি করা হলে তা জনমনে আদৌ প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে কিনা, তা ভাবতে হবে। আপনারা অনেকেই জানেন, ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির বেশ অনেকগুলো মানসম্মত প্রকাশনা আছে।

প্রশ্ন : ব্লগারদের ক্ষুদ্র কমিউনিটির পক্ষে সর্বোচ্চ কয়টি স্বাক্ষর সংগ্রহ করা সম্ভব?
উত্তর : ধরা যাক ২০০ জন ব্লগার এবং তাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে আরো ১০০ জন স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে সার্বক্ষণিক যুক্ত হলেন। এই ৩০০ জনের প্রত্যেকেই ৫০০ করে স্বাক্ষর সংগ্রহ করলেন। তাহলে মোট স্বাক্ষর দাঁড়াল ১ লাখ ৫০ হাজার। কিন্তু এই স্বাক্ষরগুলো ফাইলে ভরে আমরা করবোটা কী? আমার অভিজ্ঞতায় এই ধরনের স্বাক্ষরপত্র সংসদ ভবনের কোনো একটি কক্ষের ফাইলের স্তূপে চাপা পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। এভাবে আসলে সরকারকে প্রভাবিত করা যায় না। স্বাক্ষর সংগ্রহ করে সরকারকে প্রভাবিত করার কাজটি বিদেশে হয়, কিন্তু বাংলাদেশে সেরকম উদাহরণ এ পর্যন্ত দেখিনি। দৈবক্রমে এই কাগজ যদি শেখ হাসিনার সামনে যায়ও, স্বাক্ষর-টাক্ষরে প্রভাবিত হওয়ার মানুষ তো তিনি নন। আবার মাত্র একটি স্বাক্ষরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত হতে পারে, যদি শেখ হাসিনা তার কলমটি হাতে তুলে নেন।

এখন সেই কাজটিকেই বেগবান করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরুর জন্য আওয়ামী লীগকেই ক্রমাগত চাপে রাখতে হবে। তার জন্য স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান কিংবা বুকলেট তৈরি কার্যকর কিছু নয়। স্বাক্ষরে যদি কাজ হতো, তাহলে নির্মুল কমিটির উদ্যোগের পর বাংলাদেশের ওপর সিডর বয়ে যেতো। তা যেহেতু হয়নি, ভাবতে হবে অন্য কিছু। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ঢাকার অলিগলি পোস্টারে ছেয়ে ফেলার হট্টগোলীয় প্রস্তাবটি বরং অধিক কার্যকর মনে হয়েছে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ব্লগ ও ব্লগ সমালোচনামুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
থার্ড নয়ন বলেছেন: শেখ হাসিনা যেখানে একজন যুদ্ধাপরাধীকে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং সেই যুদ্ধাপরাধী সংসদ সদস্য ও নির্বাচিত হয়েছে। (গতকালের প্রথম আলোয় সুজন এর সংবাদ সন্মেলনের নিউজ দেখুন) । সেখানে হাসিনার যুদ্ধাপরাধীর বিচারে কতটুকু আন্তরিকতা আছে আমি সন্দিহান। এত ভাল একটা ইস্যু যেটাকে ইউজ করে প্রতিপক্ষ কে ঘায়েল করা যায়, নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়া যায়। সেই ইস্যুটিকে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাতছাড়া করবেন বলে মনে হয়না হাসিনা।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: সুজন একটি ভালো কাজ করেছে। তবে আপনি যেটা বললেন, আওয়ামী লীগ এই ইস্যুটিকে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাতছাড়া করবে কিনা। এ নিয়ে আমারও সন্দেহ প্রবল। তবে বিচারের উদ্যোগ যদি নিতে হয়, আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে। এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার মতো দলও আসলে আর নেই। তাই আওয়ামী লীগের ওপর সর্বমহল থেকে চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
ব্রাইট বলেছেন: বুবুজানের আপনা বিয়াইরে দিয়া বিচারের কার্য্যক্রম শুরু করন যায়। তইলে সদিচ্ছার পেরমান পাওয়া যাইবে।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আমি সেভাবে ভাবছি না। সুজনের প্রতিবেদনে বেয়াই খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম নেই। তিনি যুদ্ধাপরাধী কিনা আমি নিজেও নিশ্চিত নই। বেয়াইকে দিয়ে আওয়ামী লীগকে ঘায়েল করার দরকারও নেই। আইন চলবে নিজের গতিতে। আগে তারা উদ্যোগটি শুরু করুক।

৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: উগ্রবাদীতা পরিহারযোগ্য.....
ব্লগারদের একটা সম্মলিত পদক্ষেপ ....থাকল ঐ কালের দাবীর ভেতর...
আসল কথা ...সরকার কি নিজে বোঝেনা..বোঝে....
দাবীর দরকার নেই সে কারেন
তবুও বলতে হবে ...না হলে পুরা জাতির মত ব্লগারও আত্মকষ্ট হতে মুক্তি পাবেনা////

সরকার কি করবে সেটা সরকারই ভালো জানেন..
স্বাক্ষর দিলেই বিচার করা যাবে, না হলে যাবে না,,সে সব তো ভ্রান্ত কথা
কিন্তু

বলতে দোষ কি... বলতে থাকলে ...সরগরম থাকবে দাবী
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ব্লগারদের ক্ষুদ্র কমিউনিটি একটি ইস্যু নিয়ে সরগরম বাইরে তার কোনোই প্রভাব পড়ে না। আপনাকে-আমাকে আগে ঘর থেকে বের হতে হবে। তারপর বাস্তবতা বুঝে সবচেয়ে কার্যকর পথটি বেছে নিতে হবে।

৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
হট্টগোল বলেছেন:

বুকলেট কয়জন পড়বে আর কতো কপি বিভিন্ন অফিস, ফোরাম, কার্যালয়, জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে তা আগাম ধারণা করা যায়।

পোস্টারটাই বেশ গতিশীল হবে বলে আমার মনে হয়।

তারপরও ব্লগাররা যদি বুকলেট ছাপায় তাতেও আপত্তি নাই।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: আমি ঠিক এই কথাটিই বলতে চাইছিলাম। এর ওপর বুকলেটের ধরন দেখে দলীয় ট্যাগ বসার আশঙ্কা আছে। বাংলাদেশে অনেক ভালো কাজও দলীয় ট্যাগিংয়ের শিকার হয়ে শেষ হয়ে গেছে অকালে।

৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
পারভেজ বলেছেন: ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির পক্ষ থেকে মিটিং, গন সমাবেশ ও রমনার মাঠে প্রকাশ্য বিচার করেও; স্বাধীনতার পক্ষের লোকজন ক্ষমতায় থাকায় পরও (৯৬-২০০১) কিছুই হয়নি।
দূর্ভাগ্যজনক হলেও স্বৈর গনতান্ত্রিক এই দেশে একজন শেখ হাসিনা বা একজন খালেদা জিয়া ও তাদের কতিপয় চাটুকার ও সুবিধাভোগী গোষ্ঠির ইচ্ছার উপরেই নির্ভর করে এ দেশে কি হবে না হবে!!
আর আমরা নির্বোধ জনগন বার বার আশা নিয়ে তাদের মুখের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকি অলৌকিক কিছু ঘটার আশায়!!
কথাগুলি অপ্রাসঙ্গিক মনে হলে দুঃখিত।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: কথাগুলো ঠিকই আছে। ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির নেটওয়ার্ক বড়ো। সারা দেশে তাদের প্রভাব আছে। স্বাক্ষর-বুকলেটে কাজ হলে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সঙ্গে মিলে তারা সেটা ভালোভাবেই পারতো।

৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
ব্রাইট বলেছেন: তয় বুবুজান কথার একটু ঘূরানি দিছে "যুদ্ধাপরাধী" বিচারে জাতিসংঘের সাহায়্য চাইয়া। জাতিসংঘ কামে লাগতে পারে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীগো ধর্তে। দেশেরগোলারে ধর্তে সে কি করে দেহা যাক।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কাছে ১০ লাখ স্বাক্ষরসম্বলিত চিঠি গেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের পক্ষ থেকে। সেটা গত জুনের কথা। জাতিসংঘ কিংবা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এতোদিনেও তো কিছু বললো না। আসলে যা করার, এই সরকারকেই করতে হবে। এর বিকল্প কিছু আর দেখছি না।

৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬
পথিক!!!!!!! বলেছেন: বের হয়েই তো মিলবো মোরা পথে
৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৮
সত্যান্বেষী বলেছেন: আ.লীগ এ বিষয়ে কিছুই করতে চাইবে না, এটা ঠিক আছে। কিন্তু তাই বলে তো আমরা বসে থাকতে পারি না। আমাদেরকে নিরন্তর চেষ্টা করতে হবে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে বিচারটা তারা করে। আর যদি প্রহসনমূলক বিচার করতে গিয়ে প্রচলিত আইনী কাঠামোর আশ্রয় নেয় তাহলে লাভ হবে জামাতেরই। তারা চিরকালের মত দোষমুক্ত হয়ে যাবে কেননা তাদের অপরাধ এই আইনী কাঠামোয় অপ্রমানিতই হবে।

লেখকের বক্তব্যটি আমার কাছে যুক্তিপূর্ণ মনে হয়েছে। কিন্তু আমাদের বসে থাকা চলবে না। একটা কিছু করতে হবে।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: বসে থাকা কিছুতেই নয়। আওয়ামী লীগের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কিভাবে করা যায়, তা সবাই মিলে ঠিক করা যাক।

৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩
জামাল ভাস্কর বলেছেন: সাক্ষর সংগ্রহে কি হয়? পোস্টারে শহরের দেয়াল ছাইয়া ফেললে কি হয়...কোন টা কার্য্যকর কোনটা অকার্য্যকর...এই ধরনের বিতর্ক চলে কি না এইটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ লাগে না...আপনে গণসাক্ষরে কিছু কয় না কইবেন, আর তার পিঠে আমি দেখামু প্রিন্টেড পোস্টার স্টিকারে দেয়াল ছাইয়া ফেললেও কিছু হয় না...(১৯৯১'এর ঢাকা সমাবেশের আগে মাসব্যাপী সারাদেশ পোস্টারিং আর স্টিকারিং করা হইছিলো)। কিন্তু কামের কাম তাতে কি হয়!?

আমি সকল ধরনের একাত্মতায় বিশ্বাসী...গণসাক্ষরও চাই, পোস্টারিংও চাই আবার বুকলেটও চাই। আর তা ধারাবাহিক প্রক্রিয়াতেই চাই। গণসাক্ষর কোনদিনই আন্দোলনের প্রতিঘাতমূলক কর্মসূচী না। এর মধ্য দিয়া আন্দোলনের যোগাযোগ হয়...সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের সমর্থন নিয়া তার প্রমাণ দেওন যায় শাসকের কাছে। শক্তি প্রদর্শনের একটা রূপও হয় সাক্ষর সংগ্রহ আর তার দস্তাবেজ সংরক্ষণ।

তারপর পোস্টারিংয়ে যুক্তি আর উপস্থিতি জাহির, বুকলেটে তার গ্রহণযোগ্যতা...এর সবটাই একটা আন্দোলনের পন্থা হইতে পারে। সর্বমূখীনতা থাকতে হয় একটা আন্দোলনের।

এই ধরনের বিতর্ক প্রয়োজনীয় হইলেও মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিরও অবকাশ থাকে।

* একটা গুণ অংকের ভুল আছে আপনের পোস্টে। ৩০০x৫০০= ১৫০,০০০ (দেড় লক্ষ) হয়। আমি এর চাইতেও বেশী সাক্ষর সংগ্রহের সম্ভাবনা দেখি...ধন্যবাদ আপনেরে এই আলোচনা তুলনের লেইগা।
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনি দীর্ঘকাল বাম ছাত্রসংগঠনের যুক্ত ছিলেন, তাই আপনার কাজে শৃঙ্খলাবদ্ধ ভালোমানুষি চিন্তার প্রকাশ দেখতে পাই। আপনি যেরকম করে ভাবছেন, খুব ভালো শুনতে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় এর কার্যকারিতা নেই বললেই চলে। আপনার এই ধরনের ভাবনাগুলোকে চিত্রনায়িকাদের মতো করে ভাবতে পারি। দূর থেকে দেখলে খুব সুন্দর লাগে, কিন্তু যতোই কাছে যাই মুখের ওপর ব্রণ আর বলিরেখা স্পষ্টতর হয়। গণস্বাক্ষর-বুকলেটের অতি ভদ্রোচিত আন্দোলনে শেষপর্যন্ত কাজের কাজ আসলে কিছু হয় না। মাঝখান থেকে প্রাণবান কিছু তরুণের উৎসাহটা মরে যায়।
আপনি যে রকম আন্দোলনের পন্থা গ্রহণ করতে চান, বাংলাদেশের বাস্তবতায় সেই পন্থা হালে পানি পায় না। যদি পেতো, তাহলে রাশেদ খান মেনন কিংবা হাসানুল হক ইনুকে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিলীন হয়ে সংসদে যেতে হতো না।
অংকের ভুল ঠিকই ধরেছেন, তবে স্বস্তি এই যে, মূল ভাবনায় ভুল ছিল না। ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি ১০ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিল। আপনি ধরা যাক, তিন লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করলেন। তো?

আশা করি এটা বুঝবেন যে, আমি আপনাকে কোনোভাবেই নিরুৎসাহিত করতে চাইছি না। শুধু বাস্তবতা বুঝে মাঠে নামার কথাই বলি।

১০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
হট্টগোল বলেছেন:

পোস্টার আর স্বাক্ষর কোনোটাতেই কিছু হয় না। জামাল ভাষ্করের লগে গলা মিলাইয়া কইতে চাই যে একাত্মতা হওনের সব তরিকাতেই যাওন উচিত।

তয় এই একাত্ম হওনের আহবানটা কতোটা বেগমুখী আর দ্রুত হইব সেই তরিকা যে কোনো একটাই হইব। মানে যে কোনো একটারেই প্রথম ধইরা আগাইতে হইব। স্বাক্ষর যেহেতু একাত্মকরণের হাতিয়ার হিসেবে আগেই অনেক সংগঠিত তাই এবার পোস্টারটারেই প্রথম ভাবা উচিত।

পোস্টার অনেক দৃষ্টিগ্রাহ্য ব্যাপার।
১১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
জামাল ভাস্কর বলেছেন: এই মুহূর্তে জনগণের মধ্যে পরস্পরে যোগাযোগটা আমার কাছে জরুরী মনে হয়। আর পোস্টার ছাপার বিষয়টাও সকলের আর্থিক সংগ্রহে হওনটা আমি জরুরী মনে করি। যে যার অবস্থান থেইকা কন্ট্রিবিউট করবো...আর সেইটা জড়ো কইরা একটা সেন্ট্রাল ফান্ডের মধ্য দিয়া ২ লক্ষ পোস্টারও ছাপানো সম্ভব বা তার বেশী।

কেবল দুই একজন পোস্টার ছাপানের টাকা দিলেন আর সেইটা দিয়া ঢাকায় পোস্টার ছাপানো হইলো...তারপর পোস্টার সাটনের লেইগা আরো কয় জন লোক ভাড়া কইরা সারা শহর পোস্টারে ছাইয়া দেওয়া হইলো, আমি নিজে এইভাবে ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারতেছি না। বিজ্ঞাপনী সংস্থায় এই কাজ হয়...এক রাইতে ফেয়ার এন্ড লাভলী শহর ছাওনের পর পরের রাইতেই ফেয়ার এন্ড কিউট তার উপর পরে...তারপরের রাইতেই বেনসন...পোস্টার মারনের একই দল এই কাজ করে...জায়গার খবরদারীটা একান্তই পরে আসলে আগে পাইবেন ভিত্তিতে।

এই কারনে গণভিত্তিটা খুব প্রয়োজনীয়। সাক্ষর সংগ্রহ, সম্ভব হইলে গণচাঁদা সংগ্রহ সেই গণভিত্তির একটা কৌশল হইতে পারে। যারা স্বতোপ্রণোদিত হইয়া এক পোস্টারের উপর আরেক পোস্টার পরলে তার প্রতিবাদ করবেন।

হইতে পারে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের ১০ লক্ষ সাক্ষরে কিছু আসে যায় নাই এইটা মনে করেন ফিউশন সাহেব। কিন্তু আমি দেখি ঐ ১০ লক্ষের ফলাফলই আজকের নির্বাচনী জনমত...আবারো যদি যাওয়া হয় তাইলে সেইটা হইবো নির্বাচিত সরকারের উপর চাপ প্রয়োগকারী অংশ। যারা বুকলেট আরো মানুষের কাছে ছড়াইবেন। পোস্টার নিজের মহল্লায় ব্যক্তি উদ্যোগে লাগাইবেন। কেউ ছিড়লে বা কেউ খবরদারী করতে আসলে সংঘবদ্ধ হইয়া তার বিরুদ্ধে দাঁড়াইবেন।

ধন্যবাদ হট্টগোল আলোচনার জন্য।
১২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩
হট্টগোল বলেছেন:

সব কিছুতেই আছি। তয় আমার ব্যক্তিগত মতামত পোস্টার দিয়া শুরু করন যাইতে পারে।

আর আমি শুধু কেন? সবাই যার যার সামর্থ্য নিয়া অংশ নিব। আমার লাস্ট পোস্টে ক-খ-গ ২৫০০ হাজার পোস্টারের খরচ দিতে রাজি হইছেন। Click This Link

তাইলে আমি আর ক-খ-গ (২৫০০০+২৫০০)=২৭৫০০ পোস্টারের খরচ উইঠা গেল।

সবাই শুরু করলে ২ লাখ কেন ৫ লাখ পোস্টার কয়েক দফায় লাগানো যাইতে পারে।
১৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আমি আপনের বক্তব্য নিয়া সকলের লগে আলোচনায় আগ্রহী। আগামীকাল দেশস্থ ব্লগাররা একলগে বিষয়টা আলোচনা করুম তাইলে...তাৎক্ষণিকভাবেই কিছু শুরু করা দরকার...আর সাংগঠনিক ভাবে আরেকটা উদ্যোগ...সমান্তরালেও চলতে পারে।
১৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বস আমি নিরাশাবাদী মানুষ।
সবরকম আন্দোলনেই আছি, থাকমু; কিন্তুক মনে মনে এইডাও জানি যে ফলাফল হৈবো জিরো। যেকোনো সরকারই হৌক কেঐ কোনরকম স্টেপ নিবোনা। কারণ এই ইস্যুটা সবতেই খাওন সাজানির পর উপরের টপিং হিসাবে রাখে। খাওন সাজানির উপকরন হিসাবে এই ইস্যুটা আসলেই দৃষ্টিনন্দন আইটেম।
তয় এডিও ঠিক কন্টিনিউ একটা ভুতা কাঠি দিয়া গুতাইলেও ঐ যাগায় একটা ক্ষত তৈরী হয়। সবতে মিলা গুতাইয়া একটা ক্ষত তৈরী করতে পারুম আশা রাখি।
১৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ১০ লক্ষ সাক্ষর সম্বলিত কাগজ তো নির্বাচিত সরকারের কাছে দেয়া হয়নাই....দেয়া হইছে তত্বাব্ধায়ক সরকারের কাছে...এবারকার জনমত হইতেছে আওয়ামীলীগকে চাপে রাখার লাইগা। এই পার্থক্যটা বোঝা উচিত। যাতে আওয়ামীলীগ কোন ছুতা খুজতে না পারে। এভাবে প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করতে হবে নির্বাচিত সরকারের উপর।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আন্দোলন নিয়ে দ্বিমত নেই। আন্দোলনের ধরন কিংবা পদ্ধতি নিয়ে সামান্য ভিন্নমত প্রকাশ করেছি। যেভাবেই হোক না কেন, বিচার প্রশ্নে আওয়ামী লীগকে চাপে রাখতে হবে। কারণ এই দল সম্পর্কে অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না।

১৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

জামাল ভাস্করদার সাথে একমত ।
দু'ভাবেই কাজ এগিয়ে যেতে পারে । মানুষের একাত্মতাটা জরুরি , সেটা যেভাবে সম্ভব হয়, সে পথে এগিয়ে যাওয়া উচিত হবে । যে কোনভাবে বেশী মানুষের সম্পৃক্ততা দরকার ।
১৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
হরিণ বলেছেন: ব্লগারদের ক্ষুদ্র কমিউনিটি জিনিসটি কী? উদ্যোগ থামানোর উদ্যোগ নাকি?
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: উদ্যোগ থামানোর উদ্যোগ কোনোভাবেই নয়। বরং ব্যক্তিগতভাবে এই উদ্যোগ সম্পর্কে আমি অনেক আগে থেকেই জানি। মূল উদ্যোক্তাদের কারো কারো সঙ্গে আলাপও হচ্ছে, আগামীতেও হবে।

১৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: পুরো আলোচনা পড়ে কিছু বলার তাড়না বোধ করলাম।

বিষয়টা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেইটা স্বাক্ষর সংগ্রহ থেকে শুরু করে পোস্টার, বুকলেট, মাল্টিমিডিয়া সিডি সবই হতে পারে। মুল টার্গেট কিন্তু কাজের পদ্ধতি না, মুল টার্গেট যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।

লাভ ক্ষতির হিসাব দেখাতে গেলে অনেক ধরনের যুক্তি দেওয়া যায়। শেখ হাসিনার ভাষণ দিয়ে পোস্টার হতে পারলে সেই একই ভাষণ বুকলেটে স্থান পেলে দলীয় কাজ হবে কোন যুক্তিতে ঠিক বুঝতে পারলাম না।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। এখন বিষয় হলো- বিচার কাজের সাথে জড়িয়ে আছে আইনী প্রক্রিয়া। সেই আইনী প্রক্রিয়াটা শুরু করতে হবে। এর জন্যও কিন্তু সচেতনা দরকার। বুকলেটের বিষয়টি সেই অবস্থান থেকেই আসছিলো। ঘাদানিক বই বের করেছে, অন্যান্য প্রকাশনা প্রতিস্ঠান বই বের করেছে। কিন্তু সেই বইগুলো কি লোকজনের কাছে সেইভাবে পৌছতে পেরেছে? বিনামূল্যে বুকলেট পৌছে দিতে পারলে আরো কার্য্যকর হতো না বিষয়টা?

আইনী প্রক্রিয়ার কথা যেহেতু আসছে, একটা তথ্য দেই ইউনিভার্সিটি পর্যায়ে খুব কম সংখ্যক আইন পড়ুয়া শিক্ষার্থীই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আইন সমন্ধে জানে।

আমি বিনীতভাবে বলতে চাই যতোদিন পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইনটি নিয়ে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি না হবে ততোদিন পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না। এইটা নিয়ে রাজনীতি চলতেই থাকবে। আইনে বলা আছে সরকার চাইলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইবুন্যাল গঠন করতে পারবেন। এই পর্যায়ে ট্রাইবুন্যাল গঠন করা ছাড়া বিচার করা সম্ভব না। সুতরাং সরকারকেই গেজেট প্রকাশ করে ট্রাইবুন্যাল গঠন করতে হবে। সেইক্ষেত্রে সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। জনগণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন এবারের ভোটের ফলাফল তাই প্রমাণ করবে। সুতরাং সচেতনা ওইভাবে সৃষ্টি করতে পারলে আশা করা যায় আগামী কয়েক বছরের
মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন হবে। জনগণের চাপ বজায় থাকলে সরকার এইবার ট্রাইবুন্যাল গঠন করতে বাধ্য।

আমি সবখানেই আশা দেখি। সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে এমন কাজে পোস্টারিং, বুকলেট ছাপানো, স্বাক্ষর সংগ্রহ সবই হতে পারে। শুরুতেই ডিসিশন দিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতি আমি না।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: আপনার মতামতটি সুচিন্তিত। তবে দ্বিমত পোষণ করি।

গণস্বাক্ষর-বুকলেট বিতরণের মতো অতি ভদ্রোচিত আন্দোলন আমাদের দেশে শেষপর্যন্ত কার্যকর নয়। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা সেটাই বলে। এই টাইপের আন্দোলনের নাম আমরা দিতে পারি- 'পুতু পুতু আন্দোলন'। তেলা মাথায় তেল ঢালার আন্দোলন। প্রকৃতপক্ষে ভদ্র কোট-টাই সমাজের কোনো আন্দোলনই এ যাবত বাংলাদেশে সফল হয়নি। কারখানা থেকে একটি মিছিল না বেরোলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অচল না হলে, জিরো পয়েন্টে টায়ার পোড়ার গন্ধ পাওয়া না গেলে কোনো আন্দোলনই আন্দোলন না।
আমার এতো কথার সারমর্ম, যা আমি খুলে বলিনি এতোক্ষণ- মানুষকে ক্ষেপিয়ে দিতে হবে। সোজা কথা। কিভাবে ক্ষেপাবেন আপনারা জানেন। লিফলেট-বুকলেট-গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে যদি মানুষকে ক্ষেপাতে পারেন তো ভালো কথা! আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। শুধু মনে রাখবেন, গণমানুষ না ক্ষেপলে, তারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে না এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কখনোই হবে না।

১৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

এখন কিছুই বলছি না। আরো পরে বলার ইচ্ছা রাখি। তবে এটা বলা ভাল যে পৃথিবীর কোন আন্দোলনই ব্যর্থ না সেই অর্থে।
২০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "গণস্বাক্ষর-বুকলেটের অতি ভদ্রোচিত আন্দোলনে শেষপর্যন্ত কাজের কাজ আসলে কিছু হয় না। মাঝখান থেকে প্রাণবান কিছু তরুণের উৎসাহটা মরে যায়। "

অতি সত্য বাস্তব :(
২২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫২
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
গণমানুষ না ক্ষেপলে, তারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে না এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কখনোই হবে না।

আমি কিন্তু একইসুরে বলেছি। কি হবে না , কি হবে তা এখনই বলতে চাই না। তবে এইটা ঠিক গনমানুষকে ক্ষেপাতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে। ইউনিভার্সিটি পর্যায়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জাগিয়ে দিতে হবে। খেয়াল করে দেখবেন আমাদের বড় অর্জনগুলোতে ওই শ্রেণীটার বেশ অবদান আছে।

আন্দোলন চলবে সব পর্যায় থেকে। আলটিমেট অর্জন যেটা চাই তা হলো- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। জনগণ যদি চাপ বজায় রাখতে পারে তবে সরকার গেজেট প্রকাশ করে ট্রাইবুন্যাল গঠন করতে বাধ্য।

বাস্তব কথা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করার ইচ্ছা না থাকলে দু এক মাসের মধ্যেই গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব। তার কয়েকমাসের মাধ্যেই ট্রাইবুন্যাল স্থাপন করা সম্ভব। বিচার কাজ সেখান থেকেই শুরু করা যেতে পারে।

আমি একটা স্বপ্ন খুব করে দেখি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইবুন্যাল গঠন হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ পেপার কাটিং, ছবি, পোস্টার ইত্যাদি এভিডেন্স হিসাবে হাজির করছে। যে বিষয়টা খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ- শুধু বিচার চাইলেই হবে না, প্রতিটা সচেতন মানুষকে সামগ্রিক বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে পড়তে হবে।
২৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমি শামীমের সাথে একমত। আমাদের একভাবে তো শুরু করতে হবে। প্রথমেই আমরা সিদ্ধান্তে পৌছতে পারিনা। যে কোন আন্দোলনই কিন্তু হঠাত করে সফল হয়ে যায়। আগে থেকে বলা যায়না যে এর পরিনতি কি হতে পারে। সফলতা বিফলতা তো থাকতেই পারে। তাই সর্বউপায়ে চেষ্টা করে যেতে হবে।

ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ