আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

প্রযুক্তির বাজারে বাংলাদেশী কর্মী : "আর কতো দেরি, পাঞ্জেরী?"

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0


ছবিতে গুগল হায়দ্রাবাদ অফিসের কর্মীরা

ভারত, আমাদের গা লাগা প্রতিবেশী, গুগলের কাছে হল ‌'সেকেন্ড হোম'। এই উপমহাদেশের অপর দুটি দেশ পাকিস্তান এবং শ্রীলংকায় গুগল ইতিমধ্যে কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগ দিয়েছে। গুগল সাইটে এ খবর দেখে আমি তখন খুব করে বাংলাদেশটাকে খুঁজছিলাম। কিন্তু না, ছিল না কোথাও। বাংলাদেশ তাদের হিসেবে ছিল না, এখনো নেই। ১৪-১৫ কোটি মানুষের এই বাজারকে গুগল কিভাবে উপেক্ষা করছে, এই বাজার ঠিক কী কারণে পাকিস্তান-শ্রীলংকার মতো দেশের নিচে পড়ে যাচ্ছে- এই হিসাব আমি কিছুতেই মেলাতে পারি না। আবার এই বাজারের জন্যই আমরা দেখি, গুগল কিভাবে নাকে খত দিয়ে দিয়ে, নিজের সম্ভ্রম জলাঞ্জলি দিয়ে, কড়া সেন্সরশিপ মেনে চীনের বাজারে ঢোকার জন্য উন্মুখ। ভারত ও চীনাদের দেশপ্রেম প্রবাদতূল্য। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চীনা সার্চবাণিজ্যে গুগল নয়, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বাইডুই এক নম্বরে এবং বিস্তর ব্যবধান রেখেই। লক্ষ্য করে দেখেছি, গুগল তাদের যে পণ্যেরই বিজ্ঞাপন তৈরি করুক না কেন, তাতে একজন চীনা মডেল থাকবেই। জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস নির্মাতা ইসেট নড-থার্টি টুর ওয়েবসাইট খুলে এই সেদিনও দেখেছি, ফ্লাশ মুভিতে চীনা রমণীর যুদ্ধংদেহী রূপ। এ সবই বাজার ধরার কৌশল। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠানগুলোর কি-পোস্টে চীনাদের অধিপত্যও লক্ষ্য করার মতো।

যেখানে বাংলাদেশের উপস্থিতি নগণ্য
বিদেশে মেধানির্ভর চাকরির বাজারে ভারতীয় ও চীনাদের জয়জয়কার বহুদিন ধরেই। চোখের সামনে উদাহরণ না থাকলেও পাকিস্তান ও শ্রীলংকা বোধহয় বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে আছে। কিন্তু সেই ট্র্যাকে বাংলাদেশীদের উপস্থিতি নগণ্য- নেই বললেও চলে। ছয়-সাত মাস আগে এডবি ফটোশপের ক্রেডিটলাইন ঘেঁটে দেখেছিলাম একই অবস্থা- ভারতীয়দের জয়জয়কার। ওরা কি ভাতের সঙ্গে ডাল খায় বেশি? তাই তাদের মেধাও বেশি? যা হোক, প্রতিবেশী দেশের এই উদাহরণ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারতো। কিন্তু অনুপ্রেরণা কেন হল না- এটা অবোধ্য। মেধাবী লোক কি বাংলাদেশে নেই তাহলে? আছে তো বটেই, কিন্তু "আর কতো দেরি, পাঞ্জেরী?"

আশার আলো জ্বালাচ্ছেন যে কজন
ইউটিউব (সেখানেও তিন উদ্যোক্তার একজন চীনা) নিয়ে বিলিয়ন ডলারের কাজকারবার করে আলোচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জাওয়েদ করিম। স্ট্যানফোর্ড পড়ুয়া এই তরুণের কীর্তিতে গর্বে বুক ফোলে, কিন্তু তবু কেন যেন একটা দূরত্ব থেকে যায়, কেন যেন তাকে বাংলাদেশী ভাবাটা কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়।
বুয়েটের ছাত্র থাকাকালেই মুনিরুল আবেদীন পাপ্পানা মাইক্রোসফটে চাকরি পেয়েছিলেন। অনেকেরই অজানা যে, সামহোয়্যারের শুরু থেকে পাপ্পানা দীর্ঘদিন এখানে ব্লগিং করেছেন। এখন অবশ্য স্বেচ্ছানির্বাসনে আছেন তিনি। অবশ্য তার নিকটি কী ছিল, জান গেলেও বলতে রাজি নই! ব্লগারদের মধ্যে বিলাশবিডি মাইক্রোসফটে ইন্টার্নশিপ করেছেন। তিনি কাজ করেছেন উইন্ডোজ নেটওয়ার্কিং গ্রুপে। রাগিব হাসান গুগলে ইন্টার্নশিপ করেছেন।
সিসকোতে কর্মরত জাকারিয়া স্বপনের মুখে শুনেছি, নেটওয়ার্ক গুরু সিসকোতে অনেক বাংলাদেশী কর্মরত আছেন। ইন্টেলে রীতিমতো একটি সমিতিও আছে বাংলাদেশী কর্মীদের। বেশ কিছুদিন আগে এদের একজন ড. শাহ মুসা'নববাংলা' নামে একটি বাংলা কি-বোর্ড তৈরি করেছিলেন। যদিও তা নানা কারণে সমালোচিত হয়েছিল।
আর দুজনের কথা ব্যক্তিগতভাবে আমি জানি, যাদের একজন নাসায় কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে এবং অপর একজন উড়োজাহাজের ডিজাইন করেন মার্কিন সরকারি সংস্থায়। রাগিবের লেখা থেকে জেনেছিলাম, গুগলে দুই কি তিনজন বাংলাদেশী কাজ করছেন। ইয়াহুতেও সম্ভবত এরকম কয়েকজন আছেন।

একটি কেসস্টাডি : এডবি ইলাস্ট্রেটর টিমে ভারতীয় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের তালিকা:
CORE ENGINEERING:
San Jose: Rashmi Mittal
India: Shashwat Agarwal, Ashutosh Ahluwalia, Shikha Arora, Manish Barman, Rajesh Budhiraja, Abhinav Chakravarty, Paresh Goel, Gautam Kachru, Amit Kumar, Pankaj Mathur, Varun S Nair, Hardeep Singh Parmar, Parminder Singh, Ajay Shrivastava, Gopinath Srinivasan, Ashwin Kumar Surabhi
CORE QUALITY ENGINEERING:
Kallol Acharya, Areeb Ahmed, Saif Anwar, Hema Arora, Veenu Bharara, Dinkar Bhatia, Yadvinder Bhatia, Jitu Borah, Ashutosh Chaturvedi, Ajay Kumar Chhokra, Mohanaraj CS, Rimmi Devgan, Poorva Dutt, Mohd. Fahadullah, Mona Girdhar, Rohit Kumar Guglani, Shariq Hashmi, Abhishek Hegde, Nitin Kataria, Manek Kaushal, Sachin Kaushik, Ravi Kiran, Anish Kumar, Jayasheela Kumar, Gagan Malhotra, Devendra Marwaha, Khushboo Mirza, Neeraj Nandkeolyar, Yogesh Sharma
Production Quality Engineering: Kaushik Agarwala, Areeb Ahmad, Anil Ahuja, Rahul Bhattacharyya, Pankaj Joshi, E Ramalingam, Sanjay Singh
ADOBE TEXT ENGINE: Joe Shankar
CORE TECHNOLOGIES:Adobe Graphics Manager: Dalia Ackner, Prasun Choudhury
Adobe Raster Engine: Sohrab Amirghodsi
Adobe Structured File Library: Nitin Kumar Garg, Rahul Gupta
Application Management: Nagendra Bangalore, Anil Bhavnani, Sanjeev Biswas, Amaninder Dhindsa, Pradeep Cyril Ekka, Aditya Falodiya, Mukesh Goswami, Sandeep Handa, Akshat Jain, Saikat Kanjilal, Sunil Khatri, Amit Luthra, Vivek Misra, Chris Paduan, Muru Palaniappan, Rohit Paliwal, Mansukh Patidar, Rajiv Poplai, Ramesh Rathour, Saurabh Rihan, Sharad Prabhat Saxena, Amitoj Singh, Gurrajan Singh, Ravi Prakash, Singh, Shyam Vijay. Color Components: Manish Kulkarni
EPS Parser: Parminder Singh Chuchra, Puneet Kumar Garg
MPS: Parminder Singh Chuchra, Vamsi Narla, Gurpreet Singh
PDF Library: Samreen Dhillon, Pranjal Bhatnagar, Vipul Jain, Mohit Kalra, Akarsha Kumar, Anubhav Mukherjee, Nitin Kumar Garg, Ankit Gupta, Rahul Gupta, Shivani Gupta, Kapil Jain, Surendra Sachdeva, Sidhartha Saurav, Sachin Soni
Save for Web: Parminder Singh Chuchra, Shiladitya Bose UI Technologies: Rahul Gupta, Kapil Jain, Nitin Kumar Garg.
CoreTech Quality Engineering: Vivek Adlakha, Ankur Agarwal, Bhara Agarwal, Rekha Agarwal, Urvashi Agarwal, Vivek Agrawal, Mohd Amish, Neetu Bansal, Tim Beauchamp, Vivek Bhide, Reena Chawla, Arup Roy Chowdhury, Ankit Gupta, Munish Gupta, Amit Kumar Jain, Nalin Kumar Jain, Nitin Jain, Kashyap Jogi, Vikas Kamate, Vishal Lamba, Rani Mahapatra, Jay Kumar Murari, Namrata Parmar, Srinvas Peri, Suraj Ranjan, Kumar Shailove, Harpreet Singh, Manirup Sinha, Bibha Tripathi
CoreTech Infrastructure: Vida Amani, Sanjay Jain, Mukul, Rachel Prithviraj, Kumaran Sasikanthan,
DEVELOPER SUPPORT: Anima Bais,
PRERELEASE PROGRAM MANAGEMENT: Saurabh Kumar,
ADOBE HELP VIEWER: Roopa Sastry, Puny Sen,
ADOBE STOCK PHOTOS: Saurabh Aggarwala, Shiraz Anwar, Sonika Balyan, Komal Desai, Sumit Garg, Naveen Goel, Mayur Hemani, Akshat Jain, Simmerjot Khehra, Aman Kumar, Manish Malik, Vishal Malik, Sumeet Misri, Sudhakar Pandey, Gunjeet Parmar, Kamal Rawat, Gaurav Sehgal, Sharad Saxena, Anindya Sharma, Priyanka Sharma, Paul Shustak, Mandeepak Singh, Harpreet Vohra
ADOBE UTILITIES STI: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Rajashankara Narayana.
SSET SERVICES STI: Tarun Aggarwal, Anirudh Bhatnagar, Girish Gupta, Neeraj Kumar, Anupam Tayal,
ADOBE UPDATE MANAGER STI: Vivek Adlakha, Urvashi Agarwal, Neetu Bansal, Muru Palaniappan
CMAPs STI: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Rajashankara Narayana, Sairus Patel
COLOR STIs: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Manish Kulkarni, Rajashankara Narayana
DEFAULT LANGUAGE STI: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Rajashankara Narayana.
LINGUISTICS STI: Namrata Parmar
LINGUISTICS WINSOFT PLUGIN STI: Bibha Tripathi
PDFL STI: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Rajashankara Narayana
PDF SETTINGS STI: Parviz Banki
TYPE SUPPORT STI: Anil Bhavnani, Vivek Bhide, Rajashankara Narayana, Sairus Patel
VERSION CUE CLIENT STI: Tarun Aggarwal, Anirudh Bhatnagar
SUITE QUALITY WORKFLOW AND INTEGRATION: Ajay Sharma
SUITE APPLICATION MANAGEMENT: Muneesh Bahl, Pritom Baruah, Anil Berry, Anirudh Bhatnagar, Navneet Bisht, Rajesh Chadha, Manpreet Singh Chawla, N. Danigaivelan, Gaurav Gadhia, Ankit Gupta, Mukul Gupta, Pankaj Mahalwar, Ashish Maheshwari, Reema Nagpal, Laehee Park, Harinder Sandhu, Pranav Mohan Sharma, Ramandeep Singh, Vishal Sethi, Mohammad Tahseen

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): google bangladeshbangladesh ictbangladesh it ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রযুক্তি ও কম্পিউটারসবিশেষ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৩
নীলবরষা বলেছেন: হবে একদিন সব হবে!
সময় বলে দিবে আমরা বাংলাদেশী সব করতে পারি।আমাদের দেশ ডিজিটাল হবেই হবে।
২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
নিদ্রালু বলেছেন: আমরা করব জয়, আমরা করব জয়,
আমরা করব জয় একদিন..
৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
রাগিব বলেছেন: বাংলাদেশে মাইক্রোসফটের বিজনেস অফিস আছে, যদিও তা মূলত দেশের বিভিন্ন অফিসে মাইক্রোসফটের সফটওয়ার বেচার জন্যই। কোনো ডেভেলপমেন্টের কাজ ওখানে নাই। কর্মীরা সম্ভবত সবই মার্কেটিং এর লোক, কিছু হয়তো সাপোর্ট থাকতে পারে।


গুগলে আমার জানা মতে ৩-৪ জন বাংলাদেশী কাজ করছে। আমার বন্ধু শিশির ২০০২ থেকে ওখানে আছে, গুগল আর্থ টীমের উপরের দিকের ডেভেলপার/ম্যানেজার লেভেলে। আরেক বন্ধু এই বছর যোগ দিয়েছে গুগল নিউ ইয়র্কে। দেশ থেকে আইইউবির একজন গুগল হায়দ্রাবাদে যোগ দিয়েছিলো, পরে তাকে আমেরিকার মূল অফিসে ট্রান্সফার করেছে (নাম সম্ভবত সবুর)। এ ছাড়া আর দুই একজন আছে বলে মনে হয়।

মাইক্রোসফটে বুয়েটের রীতিমত বিশাল একটা বাহিনী কাজ করে। তালিকা আছে এইখানে http://www.csebuet.org/alumni.html#Industry


---
পাপ্পানা ভাই এখানে ছিলেন নাকি!!! সেকী!! জানতাম না।

---

এখন এইখানে সমস্যা দুই রকমের। প্রথমতঃ বাংলাদেশী যারা এরকম টপ কোম্পানীতে আছেন, তারা দেশকে প্রোমোট করার ব্যাপারে একটু উদাসীন। ভারতীয়রা এই দিক থেকে বেশ দেশকে প্রোমোট করে।

দ্বিতীয়তঃ যারা দেশকে প্রোমোট করতে আগ্রহী, সেই কাজ করতে গিয়ে বিশাল বাশ খেয়ে ফেরত আসতে হয়েছে। গুগলে কর্মরত আমার এক বন্ধু দেশের নামকরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেইল সিস্টেম পুরাটা গুগলে মাগনা হোস্ট করার প্রস্তাব দিয়েছিলো। আমি সেইটা সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাই। ৫ মাস হয়ে গেছে, ইমেইলের জবাব পর্যন্ত পাই নাই। এই হলো সমস্যা।

আর বাংলাদেশে সাবমেরিন কেবলের যেই অবস্থা, ডেভেলপমেন্ট অফিস খুলতে আগ্রহী হতে অনেক সময় লাগবে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলেই মাইক্রোসফট বাংলাদেশ শ্রেফ আইডিবি ভবনের দোকানের কাজ করছে। ফলে শুরুতে এ নিয়ে যতোটা আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, তা ফুরিয়েছে অঙ্কুরেই। তবে মাইক্রোসফটে কর্মরত বুয়েটিয়ান তালিকা থেকে মনটা ভরে গেল। পাপ্পানা সম্ভবত উইন্ডোজ মোবাইল নিয়ে কাজ করছেন।

দূর থেকে দেখলেও আপনার বলা সমস্যাগুলোর সঙ্গে একমত। এটা সত্যিই আমার নিজেরও মনে হয়েছে। কিছুদিন আগেও ব্লগে কার যেন লেখায় দেখলাম, অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয়রা ঝাঁকে ঝাঁকে অভিবাসী হচ্ছে, সে তুলনায় বাংলাদেশী খুব কম। যারা আছেন, তারা স্বদেশীদের সাহায্য করেন না।

দ্বিতীয়তঃ কাজ করতে গিয়ে বাঁশ খেয়ে ফিরে আসাটাও ১০০ ভাগ ঠিক। আপনার কোনো একটা লেখা থেকে জেনেছিলাম, গুগল ম্যাপসের জন্য ডেটা সংগ্রহ করতে গিয়ে সওজের কাছে কিভাবে নাকাল হতে হয়েছিল।

৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আইটি সেক্টরের বিকাশ নাওয়ার জন্য আমাদের দেশের আমলা তান্ত্রিক জটিলতা একটা বড় কারন ।

একবার চিন্তা করে দেখুন, যেখানে আমাদের ১৯৯১ এ সাবমেরিন কেবলের সাথে যুক্ত হওয়ার কথা সেখানে আমরা যুক্ত হই ২০০৬ এ ...... এখানে ১৫ বছরের পিছিয়ে পড়া কি শুধু ১৫ বছর ?...... এইটা পিছিয়ে পড়াটা কি লিনিয়ার নাকি এক্সপনেনশিয়াল ? আমার তো মনে হয় এক্সপনেনশিয়াল , আমরা এই ১৫ বছরে শুধু ১৫ বছরই পিছাইনি, কমপক্ষে ৩০/৪০ বছর পিছিয়েছি .......
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, প্রবাদতূল্য আমলাতান্ত্রিক জাটিলতা তো আছেই বাংলাদেশে। কিন্তু শুধু সরকারকে দোষারোপ করাও ঠিক না।
আমি সেই ছোটবেলা থেকে এডবি ফটোশপের প্ল্যাশ স্ক্রিনে ভারতীয় সীতারমণ নারায়ণনের নাম দেখে আসছি। তখন তো ভারতে সাবমেরিন ক্যাবল যায়ইনি। কিন্তু নারায়ণনরা ঠিকই জায়গাগুলো দখল করে নিয়েছেন।

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
হাসিব বলেছেন: এগ্লি কয়া লাভ নাই । আগে ইন্টারনেট লাইন ঠিক করা দরকার । এইটা একটা রুট কয যেইটার কারনে বাংলাদেশ আইটিতে ডেভেলপ করে না । সেকেন্ডলি, বাংলাদেশে জিনিয়াস কারা সেই বিষয়ে কারো কোন ধারনা নাই । স্পেসিয়ালি যারা নীতিনির্ধারক পর্যায়ে আছে তারা । তারওপর নিজেরে ডেভেলপ করার বিষয়ে বাংগালির অনীহা আছে । টেকিনিকাল বিষয়গুলাতে আমি কোন বুড়া প্রফেসর আইজ পর্যন্ত দেখলাম না যে পৃথিবীর লেটেস্ট কাজকাম কি হৈতেছে তার খবর রাক্তেছে । একটা পর্যায় পর্যন্ত তারা পড়ালেখা করে তারপর সেই পড়ালেখা ছাইড়া দেয় । বাঙ্গালি জানে না যে পড়ালেখা একটা লাইফলঙ জিনিস । সারাজীবনই এইটা করতে হয় । আর অধিকাংশ ইউনিভার্সিটিগুলোর কোর্স আউটলাইনে সমস্যা আছে । যেই পুলাপানগুলা ভালো করছে তারা নিজের যোগ্যতায় ভালো করছে । এইখানে ইউনিভার্সিটির ভূমিকা কদ্দুর সেইটা সন্দেহ আছে । আরোও একটা বিকট সমস্যা হলো ঢাকা শহর নিজেই । একজন বিদেশীরে এইখানে দাওয়াত করে বিজনেস করতে বলে নিজেরেই বোকা বোকা লাগে । দিনে একজায়গার বেশী যাওয়া যায় না । সরকারি অফিসগুলো অশিক্ষিত ক্ষমতাপ্রদর্শনকারি ঘুষখোরদের আখড়া । ঢাকার বিকল্প যে হবে কোন শহর তার কোন নমুনা দেখা যায় না । আরেকটা সমস্যা লোকজনের ইংরেজী না জানাটা ।
এই সমস্যা গুলো থেকে সমূহ উত্তরণের রাস্তা নাই । অতএব আমাদিগের এইরকম দেখিয়া দেখিয়াই দিনাতিপাত করিতে হৈবেক ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: প্রফেসরদের প্রবণতা বিষয়ে যা বলেছেন, একদম ঠিক। এই বিষয়ে আরো বিশ্লেষণ পাওয়া যাবে ফাহমিদুল হকের পিএইচডির রাজনীতি: জ্ঞানের গোঁসাই অথবা অচেনা বামুনের পৈতে লেখাটায়, যা আপনার মতের সঙ্গে মেলে। তবে বুয়েটের পাশাপাশি বেসরকারি কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ও ভালো করছে, সেখান থেকে ইংরেজি জানা মেধাবী ছেলে বের হচ্ছে। আইইউবির ছেলে গুগলে চাকরি করছে।

এর মধ্যে আরেকটি প্রবণতা ইদানিং দেখছি, সারা দেশে যেসব ইনস্টিটিউট সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়েছে, যেমন ডুয়েট-চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট, এইসব জায়গা থেকে যেসব ইঞ্জিনিয়ার বের হচ্ছে, সম্ভবত ৫০ ভাগই মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চলে যাচ্ছে। এটাকে খারাপ বলছি না, তবে মেধার অপচয় হচ্ছে বলে মনে হয়।

যে কোনো কিছুতে সরকারের দোষ দেওয়া একটি জনপ্রিয় সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও নীতি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সরকারের সীমাহীন গাফিলতি (যা আসলে মূর্খতার নামান্তর) আছে, ঠিক আছে। আমি সেই ছোটবেলা থেকে এডবি ফটোশপের প্ল্যাশ স্ক্রিনে ভারতীয় সীতারমণ নারায়ণনের নাম দেখে আসছি। তখন তো ভারতে সাবমেরিন ক্যাবল যায়ইনি। কিন্তু নারায়ণনরা ঠিকই জায়গাগুলো দখল করে নিয়েছেন।

৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০০
যুগান্তকারী বলেছেন: প্লাসাইলাম।@রাগিব ভাই আপ্নারা কিছু একটা করেন।
৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৩
আমার জন্য লেখা বলেছেন: still we r with intel 8086 :).
university গুলার সিলেবাস বাবা আদম কালের
যারা পড়ায় তাদের Quality not up to the mark

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন:

http://en.wikipedia.org/wiki/Intel_8086

ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা থেকে একটু বিস্তারিত বলেন।

৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
রাগিব বলেছেন: * আইইউবির বদলে এআইইউবি হবে। আইইউবি জঘন্য একটি ব্যবসায়িক জায়গা।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: শুনেছি, গুগল কোডজ্যামের মতো প্রতিযোগিতায় নাকি আমাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা ভালো করছে?

৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪০
মাহবুব সুমন বলেছেন: অস্ট্রেলিয়ায় বেশ কজনকে দেখেছি যারা উপরের লেভেল কাজ করেন ( সরকারী ) তারা নিজেকে নিয়ে বেশী ব্যস্ত। দেশকে বা দেশীদের প্রমোট করতে কেনো জানি উন্যাসিক মনে হয়েছে।

বেসরকারী পর্যায়ে অনেকেই ভালো অবস্থায় আছেন তবে দেশের জন্য বা দেশীদের জন্য কিছু করার মতো লেভেলে খুবই কম। স্বীদ্ধান্ত নেবার পর্যায়ে না থাকলে যা হয় আর কি। ডেভেলপার পর্যায়ে প্রচুর আছে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: সবকিছু মিলিয়ে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে দেশপ্রেম কম। যা কিছু আছে, তা একমাত্র মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে আছে। চীনে নাকি কয়েকজন মন্ত্রীর কাজই এটা যে, বছরের বিশেষ বিশেষ সময়ে মার্কিন মুল্লুকের সিলিকন ভ্যালিতে গিয়ে চীনা প্রযুক্তিবিদদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা।

১০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: সরকারী কিছু পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। আর দরকার প্রবাসী যারা এসব যায়গায় আছে তাদের দেশকে প্রমোট করা। তবে সবার আগে দরকার সরকারের সহযোগীতা।
১১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
রাগিব বলেছেন: তবে, ভারতের দিকে দেখলে এইটা অবশ্যই বুঝবেন, ওরা অনেক আগে থেকেই সফটওয়ার কোম্পানী গড়ে তুলেছে। ইনফোসিস ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মাত্র ১০,০০০রুপি পুঁজি নিয়ে, আর এখন তাদের কর্মী সংখ্যা ১ লাখের বেশি, বিদেশ থেকে লোকজন হায়ার করে নিয়ে যায়।

আর বাংলাদেশে? মোস্তফা জব্বার ছাপাখানার ব্যবসা থেকে পরে লোকজন দিয়ে সাবকন্ট্রাক্টে বিজয় লিখিয়ে নিয়ে নিজে বিশাল "কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ" সেজে গেছেন (বিজয় ২০০০ কিন্তু পাপ্পানা ভাইয়ের বানানো)। মাঝখানে নিট আর অ্যাপটেক এসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে। কিন্তু দেশে স্থানীয় সফটওয়ার কোম্পানী হাতে গোনা। যা আছে, প্রায় অধিকাংশই বিদেশী কোম্পানির স্থানীয় অফিস। এইভাবে দেশীয় কোম্পানী না হওয়ার দোষ তো আর বিদেশী কোম্পানীগুলাকে দেয়া যাবে না ...
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: ভারতীয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান উইপ্রোর একটি ইনহাউস আলোকচিত্র দেখেছিলাম, যেখানে আমেরিকান তরুণরা এসে চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছে। গড!

বছরদশেক আগেও কম্পিউটার শিক্ষায় যে ঢেউ লেগেছিল, এখন আর সেই অবস্থা নেই। মেধাবী তরুণরা বিবিএ-এমবিএর দিকে ঝুঁকছে গণহারে। এর কারণ দেশে বিশেষত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি নেই বললেই চলে। ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পাশ করা এক তরুণকে সাধারণমানের আইএসপিতে ঢোকাতে আমাকে একবার প্রাণান্ত তদবির করতে হয়েছে। সেই ছেলে পরে ইউরোপে গিয়ে এরিকসনে কাজ পেয়েছে।

তাছাড়া সফটওয়্যার নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের বেশিরভাগই শুধু একাউন্টিং সফটওয়্যার তৈরিতে ব্যস্ত, যেন সওদাগরি সফটওয়্যারই তথ্যপ্রযুক্তির প্রতীক। এই খাতটায় তরুণদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু দেখিনি এ যাবত। এক অপেরা ব্রাউজার পুরো নরওয়েকে উপস্থাপন করছে। বাংলা নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের কিছু কাজ দেখেছি, তাও উল্লেখ করার মতো নয়। তবে আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া, উইন্ডোজ বাংলার কাজটি আবদুস সোবহানের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল পায়নি।

হ্যাঁ, বিজয় ২০০০ এ পাপ্পানা কী এক ইস্টার এগ তৈরি করেছিলেন। তবে মোস্তফা জব্বারও দুঃখ করে বলেন, তিনি তরুণদের কষ্ট করে কাজ শেখান। কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি করে দেন। কিন্তু তারা কাজ শিখেই চলে যায়। এখন বোধহয় তিনি বিশেষ চুক্তিপত্র করে লোক নিয়োগ দেন।

১২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
পেটের ধান্দায় দুইটা ফাইনান্সিয়াল ফার্মে ইন্টার্ন কর্তাম। সামান্য অভিজ্ঞতা থাইকা কইতে পারি, হাসিব ভাইর কথাগুলিই সবচেয়ে সঠিক।

এই দুনিয়ায় আউটসোর্সিং করতে দামী দামী অফিস দর্কার নাই। দর্কার ২৪ ঘন্টা অবিরত ডেডিকেটেড নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার। সকালে অফিসে গিয়া সিস্টেমের সমস্যায় পড়লে, ডেভেলপারগো লাইন লাগাইতে হয়। কারণ তারাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে এই সিস্টেম তৈরিতে। তারা ঠিকি সময়মতো মুম্বাই থাইকা হাজির থাকে।

আর, ইন্ডিয়ানরা হেই কর্সে, ওই কর্সে - এইগুলান কইয়া আর লাভ নাই। তারা অনেক উপরে উঠে গেছে। ফাইনান্সিয়াল ইন্ডাস্ট্রি বলেন আর আইটি বলেন।


চিন্তা করেন, ইমার্জিং টাইগার বইলা একটা টার্ম আসছিলো নব্বই এর শুরুতে। ওই সময় থাইল্যান্ড এর সাথে এক কাতারে ফেইলা বাংলাদেশকে দেখা হইসে। হায়, এখন থাইল্যান্ড কোথায়!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: এশিয়া উইকে একবার একটা কাভার স্টোরি হয়েছিল ইমার্জিং টাইগার নিয়া। খুব মনে আছে, বাংলাদেশকে বলা হচ্ছিল উদীয়মান ব্যাঘ্র। পরে সেটা কিছুকালের জন্য "ফেইলড স্টেটে" কনভার্ট হয়ে গিয়েছিল।

প্রতিবেশীর চকচকে দালান একইসঙ্গে ঈর্ষা জাগায় এবং ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগায়। ভারতের সাফল্যের কথাও ওই জায়গা থেকে আসছে।

১৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫১
মুকুল বলেছেন: আমি প্রযুক্তি বুঝি না খুব একটা। তবে মনে হচ্ছে, প্রযুক্তির ব্যবহার রাষ্ট্রীয়ভাবে বাড়াতে হবে। দেশের ছেলেদের কাজ দিতে হবে। দেশী মার্কেট বড় হলে নতুন ছেলেরা আগ্রহী হবে প্রযুক্তি বিষয়ক পড়াশুনায়।

সেই সাথে ইংরেজীতে আমাদের চিরন্তন দূর্বলতা আছেই। সেটা কিভাবে দূর করা যায়, শিক্ষা ব্যবস্থায় সেই পরিবর্তনটা আনতে হবে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: ইনফ্রাস্ট্রাকচার আর নীতিসহায়তা ছাড়া সত্যি বলতে আর কিছু করার নেই সরকারের। তাদের ওপর আশা করে বসে থাকলে হবে না। বাকি যা কিছু, সবই বেসরকারি উদ্যোগে করতে হবে।

১৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
আতিকুর রহমান সুমন বলেছেন: খুবই ভালো লেখা। দরকারীও।
১৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
ভার্চুয়াল বলেছেন: সবকিছু মিলিয়ে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে দেশপ্রেম কম।

-

তোরে কইছে! বেশি বুঝন ভালো না।
১৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩
নিঃসঙ্গ বলেছেন: পোষ্ট পরে অনেক কিছু জানলাম। আসলেই আমরা অনেক পিছিয়ে আছি।
১৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: দেশপ্রেমের ঘাটতি আছে সেটায় একমত না। দেশপ্রেমের এক বিন্দু ঘাটতি নাই ( ২/১ জন ব্যতিক্রম ছাহেব ছাড়া)।

সমস্যা হলো দেশে কোনো কিছু করতে গিয়ে অনেক কেই সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়েছে এবং হচ্ছে। একটা ব্যবসা ( সেটা যে কোনো কিছুই হতে পারে ) দাঁড় করাতে পদে পদে ঘুষ দিতে হয়, ব্যবসা চালু করতেও দূর্নীতির আশ্রয় নিতে হবেই। সেখানে মনের জোর অনেক কমে যায়। আর অবকাঠামোগত অসুবিধাতো আছেই।

ইউটিলিটি সেক্টরের সমস্যাগুলো দূর করা না গেলে ব্যবসা আসবে না দেশে।

আর কিছু কিছু দৌড়ে পেছনে পরে গেলে সেটায় আর জেতা সম্ভব হয় না, তথ্যপ্রযুক্তি এরকম একটি। যখন ব্যবসা ছিলো তখন সেটা ধরতে পারি নাই। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সুনামও নাই এ ব্যপারে।

বিদেশে যারা এ বিষয়ে দক্ষ ও কাজ করছেন তারাও নানা কারনে আসেন না। অনেক সময় বাধ্য হয়েই আসতে পারেন না, অনেকসময় টাকার লোভে ( আমি নিজে )।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: আসলে ইচ্ছা থাকলে উপায়ও হয়। ভি-স্যাটের শ্লথগতির যুগে আমি কমপক্ষে একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কথা জানি, বাংলাদেশ-জাপান যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত, যারা বিদেশ থেকে কাজ এনেছে। তারা এখনো বেশ ভালোভাবে কাজ করছে।

খুব ধীরগতিতে হলেও, সরকারি কাজকর্মে সামান্য সামান্য করে পরিবর্তন আসছে। যেমন টেলিফোন। এটা এখন সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। বিটিটিবির টেলিফোন সংযোগ একদিনে দেওয়ার রেকর্ডও দেখা গেছে সম্প্রতি।

১৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭
ভার্চুয়াল বলেছেন: ফিউসনের মতো বোরকা পড়া লোক উন্নত কোন দেশে গেলে বাংলাদেশ নামে যে কোন দেশ আছে সেটা মনে রাখবে কিনা সন্দেওহ আছে @মাহবুব সুমন
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা। ব্যক্তিভেদে মানসিকতার পার্থক্য তো থাকবেই। আমি মনে করি, বিদেশ গিয়েও কেউ যদি দেশের জন্য দেশের কল্যাণে কাজ করেন, দেশকে প্রমোট করেন- সেটা আরো বেশি বড়ো অর্জন।

২০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৮
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: আমার মনে হয় দেশে ইনফ্রাস্টাকচার আগে গড়ে ওঠা উচিত। আর আমাদের সরকারকে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে, নাহলে ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে সম্ভব না।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে অবিকল এই কথাটি শুনে আসছি অন্তত ১৫ বছর ধরে, হাটে-মাঠে-ঘাটে। সেই একই কথা। সরকারি সহায়তা না হয় নাইবা পাওয়া গেল, কিন্তু এই ১৫ বছরে বেসরকারি খাত এক পাও এগোবে না, এটা কি কোনো কথা? বিদেশে প্রযুক্তির বাজারে এই যে এতো এতো চাকরি, সেখানেও তো বাংলাদেশীরা নেই বললেই চলে।

২১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১১
কেমিকেল আলী বলেছেন: মাইক্রোসফটে কম করে হলেও ৩০ জন বাংলাদেশী কাজ করে।

১। সন্দীপন
২। সুমন কান্তি
এই দুইজনরে আমি জানি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, একটা লিস্ট দেখলাম। সন্দীপন ও সুমনের কোনো একজন কি চিটাগাংয়ের, বলতে পারেন?

২২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৭
কেমিকেল আলী বলেছেন:
সুমন ফরিদপুরের
আর সন্দিপন দা
1993, BUET
দেশের বাড়িটা ঠিক বলতে পারি না।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: দৈনিক সমকালের নতুন সম্পাদক এবং প্রথম আলোর সাবেক উপ-সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জুও ফরিদপুরের লোক।

২৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সমস্যা একটা দুইটা না । হাজার হাজার
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: হুরর মিয়া, এইগুলা হৈল সমস্যা পাশ কাটানোর তরিকা! ;)

মেহরীনের একটা গান শুনতেছি। খুব ভালো লাগতেছে-
"তুমি আছো বলে" অ্যালবামের টাইটেল- তুমি আছো চুপি চুপি আজ সব বাগানে ফুল ফুটেছে...

২৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
শিট সুজি বলেছেন: কয়েকদিন আগে সিএসই ডে তে মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড কে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রন জানাতে গিয়েছিল আমার কয়েকজন বন্ধু । তাদের কাছ থেকে শোনা সেখানকার এক লোক বললেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সম্পর্কে । তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তিক স্কুলে বিনামুল্যে কম্পিউটার সরবরাহ করার বিষয়ে একটা প্রস্তাব পেশ করেছিলেন । কিন্তু সেই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা । বড় বড় আমলারা সব সারাদিন চিন্তা করেন কিভাবে টাকা খাওয়া যায় । নানা রকম আকার ইংগিতে টাকা খেতে চায় । যেমন "আপনাদের তো অনেক টাকা , আপনারা তো অনেক বড় কোম্পানি " ইত্যাদি । ফলাফল সেই প্রস্তাব আলোর মুখ দেখেনি ।

ভারতের উদাহরন টানলেন । ওখানেও দুর্নিতী হয় । কিন্তু নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে সেটা অনেক সহনীয় পর্যায়ের। দেশপ্রেমের উদাহরনেও তারা অনেক এগিয়ে । নিম্নশ্রেনীর ভারতীয় সিনেমা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটা অনেক স্পষ্ট। আর চীনে দুর্নিতী কল্পনাও করা যায় না ।

তাহলে কারা উন্নতি করবে?? বসে বসে আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই । বাস্তবতা হল বাংলাদেশ এমন দেশ যেখানে ভাল কোন উদ্যোগ নেওয়া মানেই মোটামুটি বড় একটা ভুল করা । এবং এ বিষয়ে স্বাধীনতা পক্ষ/বিপক্ষের শক্তির কারোর ভুমিকার কোন তফাত নেই ।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: হা হা হা। আমলাদের টাকা খাওয়ার এই দৃশ্যটি আমার খুব পরিচিত। "আপনাদের তো অনেক টাকা, আপনারা তো অনেক বড় কোম্পানি"- এই ধরনের ইঙ্গিত ওরা বলে।
মাইক্রোসফট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফিরোজ সাহেব এমনিতে স্মার্ট লোক। তার কিছু করার ইচ্ছা থাকলেও আমলাদের কারণে এগোতে পারছেন না।

ঠিকই বলেছেন আপনি। বাংলাদেশে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দুর্নীতি, অনভিজ্ঞতা ও মূর্খতা খুব বেশি। সঙ্গে আছে বেসরকারি খাতের উদ্যমহীনতা। এইসব কারণে আরো অনেকদিন আমাদের আফসোস করে করে সময় কাটাতে হবে।

২৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
দেশী পোলা বলেছেন: এইগুলো পুরানো গপ্প, নিজের দেশে কম্প্যুটারের ব্যবহার না বাড়ালে কম্প্যুটার বিজ্ঞানী দিয়ে কি ঘাস কাটাবো?

উন্নত সব দেশেই সফটওয়্যারের বড় একজন ক্রেতা হল সে দেশের সরকার। শুধুমাত্র চাষাবাদের জমিতে কবে কি ফলন হবে, তার জন্য ১৯৫০ সাল থেকে মেইনফ্রেম ব্যবহার করে আমেরিকান সরকার। বাংলাদেশের কি কি সরকারী কাজে স্পেশালাইজড সফটওয়্যারের ব্যবহার হয়?? একমাত্র আর্মি ছাড়া সরকারে অন্য সব বিভাগে মাইকোসফট অফিসের বাইরে অন্য কিছু ব্যবহার করতে খুব কম দেখেছি।

তার পর সাবমেরিন কানেকনশন নিয়ে কান্নাকাটি করার আরেকটা প্রবনতা দুঃখের ব্যপার। দেশের মধ্যেকার ইন্ট্রানেট কানেকশন বাড়ানো গেলে বাইরের সাইটে লোকজনের যাওয়ার দরকার আছে কি?
সরকারের কিছু গুরুত্বপুর্ন ওয়েবসাইট, যেমন কর বিভাগ, ভূমি বিভাগ, পানি-বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, এগুলার কম্প্যুটারাইজেশন করতে উদ্যোগ হাতে নিলে মানুষের কম্প্যুটার নিয়ে উৎসাহ বাড়বে

কম্প্যুটার মানেই গেম খেলা আর পর্ন দেখা না, এটা দেশের লোকজন যত তাড়াতাড়ি বুঝবে, ততই ভাল
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: সবকিছুতেই "সরকারকে করে দিতে হবে"- এই নীতি ধরে বসে থাকা ঠিক না। সরকারি দপ্তরে সফটওয়্যার সরবরাহ করে কি আর তথ্যপ্রযুক্তি খাত দাঁড়াবে? বেসরকারি খাতের ক্ষুদ্র অংশের সদ্ব্যবহার করা গেলেও তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনে আলোড়ন তৈরি হবে। ধরুন, এখন বাংলাদেশের সব ব্যাংকই বিশেষায়িত সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল। এখন আমাকে মাত্র একটি ব্যাংকের নাম বলুন, যারা দেশে তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করছে?

দেশের বাইরে থেকে একটা ল্যাপটপ আনাতে গেলে কাস্টমসে মোট মূল্যের সমপরিমাণ টাকা ভ্যাট দিতে হয়।

২৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মেহরিনের গান শুনি না । হজম হয় না কেন জান।

আমাদের সমস্যার একটা ঊদাহারন দেই ... প্রথমে আমরা বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবলের কানেকশন পাইছিলাম .. সেই অফার আমরা নিজ বুদ্ধিবলে ফিরায় দিছি । পরে পকেটের টাকা খরচ কইরা নাকে খত দিয়া সেই ক্যাবল নিজেরা লাগাইছি।

এইটা তো আমগো গাধা সরকারের একটা নমুনা মাত্র ... উপর থিকা শুরু করে একদম রুট লেভেলের সকলেই কম বেশি নিজ স্বার্থে দেশের যে কোন মঙ্গল পায়ের তলায় চ্যাপ্টা করতে একবিন্দু সংকোচ করে না।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ একজন প্রধানমন্ত্রীর জন্য সাবমেরিনের সেই সুবর্ণ সুযোগ আমরা হারিয়েছিলাম। পরে ঠিকই আনতে হল। দেশের অর্থের কী নিদারুণ অপচয়!

২৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: চিত্রটা সম্ভবত এতোটা করুন না।সেদিন দেখলাম ৯৯ -এর সি,এস,ইর একটা ছেলে নিজেই সফটওয়্যার ফার্ম খুলে বসছে, গ্রামীন ফোনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে।বেশ ভালো করছে, নিজেও বেশ কয়েকজন ছেলেমেয়েকে নিয়োগ দিয়েছে।

টেলিকম সেক্টরে বাংলাদেশি প্রযুক্তি সংখ্যা শয়ের অধিক ছাড়িয়ে গেছে।এবং এই সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।তবে এখনো তা ফিলিপিনো, ভারতীয় এমনকি পাকিস্তানিদের তুলনায় অনেক অনেক কম।আসলে আমরা সবকিছুতেই দেরিতে মাঠে নামি।

আর আমাদের ছেলেদের মধ্যে এন্টারপ্রুনারশিপ কম।সবাই যেনতেন প্রকারে একটা মোটা বেতনের চাকরি বাগিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে চায়। কেউ রিস্ক নিয়ে ব্যবসায় নামতে চায়না।সর্বোপরি সরকারি জটিলতার কথা বলা বাহুল্য।

যাহোক তারপরেও কিছুটা গতি দেখা যাচ্ছে।কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ ফি এবং তার মান এমন থাকলে অ্যাকসালারেশনের সম্ভবনা কম।

"সরকারের কিছু গুরুত্বপুর্ন ওয়েবসাইট, যেমন কর বিভাগ, ভূমি বিভাগ, পানি-বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, এগুলার কম্প্যুটারাইজেশন করতে উদ্যোগ হাতে নিলে মানুষের কম্প্যুটার নিয়ে উৎসাহ বাড়বে"।
দেশি পোলার কমেন্ট টা গুরুত্বপুর্ণ।

আরেকটা জিনিস প্রচন্ড প্রোবলেমিক তা হলো ভিসা।তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্ট যাতায়াত খুব গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু বাংলাদেশি পাসপোর্টে অন্য দেশের ভিসা পাওয়া যে কতটা যন্ত্রণা তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানে।

কিছু দেশ তো এক্সপার্ট ভিসা দান বন্ধ করে দিয়েছে( যেমন: আমাদের মুসলিম ভাই মিশর, তার্কি) আর ইউরোপের দিকে চোখ তুলে তাকানোও নিষেধ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনি যেরকম বলছেন, এরকম ছোট ছোট উদ্যোগ আছে, ডায়ালআপের যুগ থেকেই আছে- এরা গেটএকোডার টাইপ বিভিন্ন সাইট থেকে অকশনের মাধ্যমে কাজ নেয়। ডুয়েট থেকে পাশ করা আমার পরিচিত এক ছেলের কথা জানি, এভাবে শুরু করেছিল ভালোই। পরে কেন যেন তার উদ্যম মরে যায়। উদ্যোক্তা থেকে একলাফে নিচে নেমে এখন তিনি আইএসপির চাকুরে হয়ে জীবনধারণের নিশ্চয়তা খুঁজছেন।

মাইক্রোসফটে ইন্টার্ন করা ব্লগার বিলাশের এই লেখাটায় দেখেন তার অভিজ্ঞতা-

"আমাদের লাইনে অনেকের মধ্যে ক্যালটেক থেকে আসা দুই বন্ধু ছিলো যাদের সাথে আমি অনেক্ষন কথা বলেছি। একজন কম্পিউটার সায়েন্সে আরেকজন গণিতের উপর পড়ছে ক্যালটেকে। একজন এখন আমাদের গ্রুপ নেটয়ার্কিংএ, আর আরেকজন উইন্ডোজ কার্নেল গ্রুপএ ইন্টার্ণশীপ করছে। ওদের সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম মানুষ কেন ক্যালটেক এর এতো সুনাম করে। দুজনই অসম্ভব প্রতিভাবান। যে নেটয়ার্কিং গ্রুপ এর সে এর আগের বছর ইন্টার্ণশীপ করেছে গুগলএ, তার আগের বছর ইয়াহু তে! এবার মাইক্রোসফটএ এসেছে দেখার জন্য মাইক্রোসফট তার কেমন লাগে! আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনটাই তো দেখলে, কোন কোম্পানীতে কাজ করতে চাও? আমি আশা করছিলাম ও গুগল বা মাইক্রোসফট এর নাম বলবে। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে ও আমাকে বললো ও একটা স্টার্ট-আপ, মানে নিজেই নতুন একটা কোম্পানী খুলতে চায়! তখন আমি বুঝলাম কিভাবে আমেরিকাতে সিলিকন ভ্যালীর জন্ম হয়। এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপকে এরা খুব দাম দেয়। এরা ঝুঁকি নিতে পারে।"

২৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
কেমিকেল আলী বলেছেন: অষ্টমশ্রেণী পাস সেই প্রধান মন্ত্রীর চিন্তা ছিল দেশের তথ্য সব ইন্ডিয়ায় পাচার হয়ে যাবে!! ( কি এমন তথ্য আমাগো আছে তা আল্লাহ-ই মালুম!)

সেই তথ্যের পরিবর্তে উনার ছানা পুনারা ডলার/পাউন্ড পাচার করে দেশের নাম উজ্জল করেছে।

অফ টফিক,
আমিও ফরিদপুরের সেইটা সরাসরি কইলেও হইত :-P
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: তারও আগে ছিল ফ্যাক্স নিয়া টানাটানি। কী নাকি তথ্য পাচার হয়ে হওয়ার আশঙ্কা ছিল! মার্কিন মুল্লুকের একটি প্রতিষ্ঠানে এক কপি পত্রিকা পাঠাতে গিয়ে ডিএইচএল যা হয়রানি করল সেদিন সরকারি নিয়মনীতি দেখিয়ে, বেশ অবাক হয়েছি। পোস্ট অফিসে আরো বেশি হয়রানি করা হতো নিশ্চিত। পারলে পুলিশে ধরিয়ে দিতো।

২৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮
সামিউল জাহান বলেছেন: @আমার জন্য লেখা, আপনি জানেন অনেক ইউনিভার্সিটিতে
৮০৮৫ পড়ায়? আমরা এসেম্বলী করছি ৮০৮৬, আমাদের ইভিনিং ব্যাচ করছে ৮০৮৫, মাইক্রোপ্রসেসর করতেছি ৮০৮৫, তাও কোন ল্যাব নাই, ১.৫ ক্রেডিট আছে, কিন্তু ৬ মাসের সেমিস্টারে চার মাস হয়ে গেল, ল্যাব এখনো হয় নাই।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: কোন্ ইউনিভার্সিটি, বলা যাবে কাইন্ডলি?

৩০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪২
অ্যামাটার বলেছেন: হুমম...
জাওয়েদ করিম-তো পুরা বাঙ্গালী না, মা জার্মান।
"আর দুজনের কথা ব্যক্তিগতভাবে আমি জানি, যাদের একজন নাসায় কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে এবং অপর একজন উড়োজাহাজের ডিজাইন করেন মার্কিন সরকারি সংস্থায়"---উড়োজাহাজ ডিজাইনারের নামটা সম্ভবত মতিউর রহমান/চৌধুরি? ইরাক যুদ্ধে ব্যাবহৃত মানুষ্য বিহীন কপ্টার গ্লোবাল হক-এর কোন একটা মডেলের ডিজাইনার সম্ভবত তিনি।

আশার আলো দেখানো কয়েকজন মেধাবি'র নাম দেখে যেমন ভাল লাগল, তেমনই পরবর্তীতে বাজার দখলকারী ভারতীয়দের নামের তালিকা দেখে কেবল আফসোসই বেড়ে গেল...সুযোগের কি নিদারুন অপচয়!

তবে মিসিং লিঙ্কটা খুব অল্প, প্রচুর দক্ষ মেধাবীরা প্রতিবছর কর্মক্ষেত্রে যোগ দিচ্ছে, তাদেরকে সংগঠিত করে সঠিক যায়গায় যঠিক প্রশিক্ষন,আর উপযুক্ত কাউন্সেলিংটাই করার কেউ নাই...

আর আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে বাজার দখলে বাংলাদেশ শুধু তথ্য-প্রযুক্তিতেই পিছিয়ে নাই, প্রায় সব ক্ষেত্রেই। জাতিসংঘের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশী কর্মীর সংখ্যা খুবই নগণ্য, অথচ এস্তোনিয়া, ম্যাসিডোনিয়া, লিথুনিয়া'র মত দেশ থেকেও অধিক হারে অংশগ্রহণ আছে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: খুব ভালো বলেছো অ্যামাটার। উড়োজাহাজ ডিজাইনার আমি যার কথা বলছি, তার নাম আশফাক আহমেদ। তাহলে দুজন পাওয়া গেল। জাওয়েদ করিম মিলিয়ন ডলার পকেটে নিয়ে আবার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গেছেন।

প্রথম আলোর কলামিস্ট হাসান ফেরদৌস জাতিসংঘে কর্মরত। ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইয়াসিন (এর আগে সুইডেনে ছিলেন) ওয়েবমাস্টার হিসেবে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

বাংলাদেশে প্রতিবছর একটা এনআরবি সম্মেলন হয়। বিদেশে কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে এটা কোনো কাজে আসে কিনা বলতে পারছি না। ব্লগারদের মধ্যে কেউ যুক্ত থাকলে বলতে পারবেন।

৩১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০
আপেল বলেছেন: আমাদের দেশে আই সি টি খাতে উন্নতি আশা করা আর গোপাল ভাঁড়ের গল্পের মত

তাল গাছের মাথায় ভাতের পাতিল রেখে তাল গাছের নিচে আগুন জ্বালানোর মত ...

আমি বর্তমানে ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার ইজ্ঞিনিয়ারিং ( চার বছরের কোর্স) এর শেষ
পর্বের ছাত্র । আমি জানি কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের এই শিক্ষাক্রমে কি শিখানোর কথা
বলা হয়েছে আর কি শিখানো হয়.....

আমাদের শিক্ষাক্রমে প্রতি সেমিস্টারে প্রায় ১০০০ মার্ক এর পরীক্ষা দিতে হয় যা আর কোন শিক্ষাক্রমে আছে কিনা আমার জানা নাই....
প্রতি পর্বে ডিপার্টমেন্ট সাবজেক্ট এর চেয়ে ননডিপার্টমেন্ট বই বেশী শেষ পর্ব ছাড়া।

আমাদেরকে শিখানো হয় intel ৮০৮৫, ৮০৮৬ / mc 6300 and last semester
Pentium 1 to 4.


এবার আসা যাক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে ....এটা হচ্ছে অনিয়ম আর দূনিতীর আখড়া

দেশে প্রায় শ'দেড়েক পলিটেকনিক আছে সরকারী ও বেসরকারী মিলিয়ে....

সারকারী পলিটেকনিকে কিছু মান সম্মত শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরন আছে
কিন্তু সে গুলোর সঠিক ব্যাবহার হয়না ...

বেসরকারী পলিটেনিকের অবস্থা খুবই খারাপ..... হাতেগোনা দু একটি ছাড়া অন্য সকাল প্রতিষ্টানের নিজেস্ব কোন ভবন নেই..... সবই ভাড়া বাড়ি......

আমি যে প্রতিষ্ঠানে পড়ি তার অবস্থ.......

এখান থেকে ছাত্র পাশের হাড় খুব বেশি প্রায় ৭০% কিন্তু পাশ করা এই সকল ছাত্রদের মান নিয়ে ? ? ? আছে..

অধিঅংশছাত্র শুধু মাত্র পাশ করে কিনতু তাদের ব্যবহারিক কোন জ্ঞান নাই বললেই চলে....
আমার অনেক বন্ধু আছে যারা আজ পর্যন্ত RAM খুলে লাগাতে পরে না .....
windows install করতে পারে না এমন কি তারা সাদাহরন কিছু software

install করতেপারে না..... Linux এর কথা নাই বা বললাম......

এসবের প্রধান কারন হল আমাদের কমঃ ল্যাব এ কম্পিউটার আছে ১৩ টি এর মধ্যে ৬ টি ভাল....তাও সবসময় নয়... গত সারে তিন বছরে কয় দিন যে কমঃ ল্যাব করছি
নিজেও বলতে পারব না .... আজ পর্যন্তু internet connection নেই নি...

এই হচ্ছে অবস্থা এখান থেকে কি ধরনের out put আশা করা যায়....

আমি নিজে যে খুব বেশী কিছু জানি তা নয় ....আমি programming এর P
পর্যন্তু জানিনা..অথচ সব পর্ব পাশ করছি.....
আমি শুধু মাত্র কিছু Hardware problem এবং ট্রাবলসুটিং জানি ( খুব ই সামান্য)
জানিনা ৬ মাস পর বের হয়ে কি করব ?

আরও অনেক সমস্য আছে ঠিক গুছিয়ে লিখতে পারছি না....
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: গুছিয়ে লেখার দরকার নেই। সমস্যাগুলো জানাটাই আসল। আপনাদের ছাত্রদের দোষ কিছু দেখি না। অথর্ব লোকজন মান্ধাতার আমলের শিক্ষাক্রম তৈরি করে। পলিটেকনিকগুলোকে আধুনিকীকরণের কোনো উদ্যোগ নেই। আপনি তাও যা জানেন, তা দিয়ে চাকরি পাওয়া কঠিন হবে না এখানে। কিন্তু যারা রেমটাও লাগাতে পারে না, সাধারণ সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারে না- তার কী করবে? আসলে কারিগরি শিক্ষাটা চিরকালই নীতিনির্ধারকদের, এমনকি মিডিয়ার চোখের আড়ালে রয়ে গেছে।

আপনার এই মন্তব্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ধন্যবাদ।

৩২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১০
বিলাশ বিডি বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার লেখাটির জন্য।

মাইক্রোসফটে বুয়েট ছাড়াও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক বাংলাদেশী ছেলেমেয়ে কাজ করছে। এদের অনেকেই আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে দেশের বাইরে পড়ালেখা করেছে।

আমি নিশ্চিত, বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা কেটে গেলে বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা আরো বাড়বে এখানে। গত কয়েক মাস প্রায় প্রতি মাসেই কেউ না কেউ জয়েন করেছে। আমাদের বাংলাদেশী ইমেইল গ্রুপটিতে এখন এক'শ এর মতো সদস্য আছে!

ভালো কথা, আমি আমার ইন্টার্ণশীপ শেষ হওয়ার তিন মাস পর ফুল টাইম সফটয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে মাইক্রোসফটএ জয়েন করি। উইন্ডোজ নেটওয়ার্কিং গ্রুপেই।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: দুর্দান্ত! মাইক্রোসফটে ফুলটাইম হয়েছেন জেনে খুব ভালো লাগছে। দেশে যারা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন, বিদেশে তারা কিভাবে কাজ খুঁজে পেতে পারেন- এই বিষয়ে সময় করে কিছু টিপস দেবেন।

পেশায় আমি একজন সাংবাদিক। সম্ভব হলে localtalk এট gmail.com এ আপনার মেইল ঠিকানাটি পাঠাবেন। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হতে পারে আপনাকে।

৩৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৮
দেশী পোলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: সবকিছুতেই "সরকারকে করে দিতে হবে"- এই নীতি ধরে বসে থাকা ঠিক না। সরকারি দপ্তরে সফটওয়্যার সরবরাহ করে কি আর তথ্যপ্রযুক্তি খাত দাঁড়াবে? বেসরকারি খাতের ক্ষুদ্র অংশের সদ্ব্যবহার করা গেলেও তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনে আলোড়ন তৈরি হবে।


আপনি বুঝিয়ে বলছি, (প্রযুক্তি মানে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি ধরলে ভুল হবে), যেকোন দেশের ক্ষেত্রেই সে দেশের সরকার প্রযুক্তির সবচাইতে বড় ক্রেতা, যত ছোট-বড় কম্পানি আছে, তাদের সবচাইতে বড় ব্যবসা হয় সরকারের সাথেই। বাংলাদেশের সরকারের প্রযুক্তি বিষয়ক খরচ হয় সামরিক খাতে, এটা যখন বেসামরিক খাতে আসবে তখন তা সাধারন মানুষের জন্য সুফল আনবে, সাধারন লোকজন তখন প্রযুক্তি নিয়ে উৎসাহ পাবে, প্রযুক্তি নিয়ে উৎসাহ পাবে। এটিএম বা ক্রেডিট কার্ডের কথা চিন্তা করুন, আগে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ছিল শুধু সরকারের হাতে, বিদেশ থেকে টাকা আসত বাংলাদেশ ব্যাংকে, সেটাকে টাকা ছাপিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রচার করত সরকার। এখন যে কেউ চাইলেই তার এটিএম কার্ড দিয়ে বিদেশের ব্যাংকের টাকা ঢাকাতে বসে তুলে নিতে পারছে, এটা সাধারন মানুষের জন্য প্রযুক্তির সুফল। এটা সরকার যদি না চাইত, তাহলে কি হতে পারত??
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: এবার বোঝা গেল। তবে ভাগ্য হোক আর দুর্ভাগ্য হোক, প্রযুক্তিবিষয়ক যে ব্যয়টা সামরিক খাতে হচ্ছে, এটা কোনোদিনই বেসামরিক খাতে আসবে না। অনন্তকাল এটা আমাদের বিধির লিখন বলে ধরে নিতে পারি। এই চিন্তা বাদ দিয়েই যা ভাবার ভাবতে হবে।

৩৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৫
ফরিদ বলেছেন: আমিও ক্ষেইপা গিয়া লিখলাম

Click This Link
৩৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
মেঘেরদেশ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম.। :) :) :) :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ