আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

মামুলি পাঠ্যবইয়ের অভাবে ৮ লাখ শিক্ষার্থী : গরিবদের দিকে একটু কি ফিরে তাকানো যায়?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রতিদিন কতো তুচ্ছ জিনিস ডাউনলোড করি আমি নিজেই। গান থেকে ই-বুক, সফটওয়্যার থেকে ছবি- আরো কতো কী! কেবল সামহোয়্যারইনের ব্লগারদের কথাই যদি ধরি, আছেন কি এমন কেউ, যিনি প্রতিদিন কমপক্ষে দু-চার দশ মেগাবাইট হাবিজাবি ডাউনলোড করছেন না? নিশ্চিত যে, এরকম কাউকে খুঁজে পাওয়াটা কঠিন। অথচ কিনা প্রথম থেকে নবম শ্রেণীর সমস্ত পাঠ্যবই ডাউনলোডের জন্য ওয়েবসাইটে দেওয়ার পরও লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী আর তাদের অভিভাবকরা বইয়ের জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে! সারাদেশের প্রাথমিক, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমের আট লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী এখনো বই পায়নি। এসব শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজন প্রায় ৮৪ লাখ বই। কবে শিক্ষার্থীরা এসব বই পাবে তা আপাতত জানাতে পারছে না মন্ত্রণালয় কিংবা পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। বই না পেয়ে ছেলেমেয়েরা কাঁদছে- এমন খবরও আসছে। ভাবা যায়!

ওয়েবসাইটে পাঠ্যবই ডাউনলোড রাখাটা শিক্ষা মন্ত্র্রণালয় এবং সর্বোপরি এই সরকারের একটি ভালো কাজ- তাতে সন্দেহ নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সেই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে শুধু যে হাতের কাছে বই পাওয়া যাচ্ছে তা নয়, কারো বইয়ের একটি পৃষ্ঠা হারিয়ে গেলে সেই শিক্ষার্থী ওয়েবসাইট থেকে ওই পৃষ্ঠাটি ডাউনলোড করে নিতে পারবে। সবচেয়ে আশার কথা, সরকার যদি ইন্টারনেটকে সহজলভ্য কিংবা সহজপ্রাপ্য করে তুলতে পারে, তাহলে হয়তো হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বই মুদ্রণেরও প্রয়োজন পড়বে না আগামীতে।

তবে সমস্যা আসলে অন্যত্র। দরিদ্র অভিভাবক, সংখ্যায় যারা গরিষ্ঠ, তারা বলছেন বই ডাউনলোড করতে গিয়ে যে খরচ পড়ছে, অতো টাকা ব্যয়ের সামর্থ্য তাদের নেই। একজন শিক্ষক হিসাব করে দেখিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিসেট বই ডাউনলোড করতে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত লাগছে।

এই জায়গায় আমরা যারা ব্লগার আছি, এক টাকা খরচ না করেও সম্ভবত ভালো একটা উদাহরণ তৈরি করতে পারি, যাদের বইয়ের সমস্যা আছে তাদের কাছে। মাত্র ৩০০ জন ব্লগার ৩০০টা বই প্রিন্ট করলেও ৩০০ জন দরিদ্র ছাত্রছাত্রীর মুখে হাসি ফোটানো যায়। সন্তানের কাছে অপমানজনক দায় থেকে মুক্তি দেওয়া যায় দুশ্চিন্তাগ্রস্থ অভিভাবককে। সেক্ষেত্রে কাজ মূলত দুটি-
১. বই ডাউনলোড করা - এটা আমাদের জন্য একেবারেই মামুলি ব্যাপার।
২. বই প্রিন্ট করা - এখানে সামান্য খরচের ব্যাপার আছে। তবে কায়দা করে সেটাও কাটানো খুবই সহজ। বিশেষ করে চাকরিজীবি যারা আছেন, তারা প্রিন্ট করার কাজটুকু অফিস থেকে করিয়ে নিতে পারেন।

উপদেশ বিলিয়ে নিজে বসে থাকা ভালো দেখায় না। সেক্ষেত্রে আমাদের অফিসের লেজার প্রিন্টারটার কাছে আগাম দুঃখ প্রকাশ করে রাখছি!
বই ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে
বইমেলা ওয়েবসাইট থেকেও বইগুলো স্বচ্ছন্দে পড়ার ব্যবস্থা আছে

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): text booktextbooknctbtextbook download ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বইপত্রসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৮
সাহসী বলেছেন: বহুত জরুরি কথা। আপনাকে শুকরিয়া জানাই।
আমরা ঢাকার বাইরে অনেক ছেলেমেয়েকে প্রিন্ট কপি দিয়েছি।
কিন্তু এমন বাইন্ডিং ছেলেমেয়েদের পসন্দ হয় না, মনে হচ্ছে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: পছন্দ না হওয়ারই কথা। ওই বয়সে আপনারও পছন্দ হতো না। তারপরও অভাব যেহেতু তী্ব্র, সেটাই তারা মেনে নেবে একসময়।

আপনার প্রচেষ্টার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১
লিবিব বলেছেন: Bhai apnar uddog ta chomotkar. Ekta kaj ki kora jay? Ami download korlam, print o korlam..kintu jar boi nei tar kache pouchabo ki korey? Ekta uddeg nin jatey boi gulo tader kache pouchanor jonno kothao joma kora jay. Ami kajey hat dichci, Amar office Banani te, jodi amar kache theke Boita collection korey neya jay to valo hoy
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: বই পৌঁছানো এমন কোনো সমস্যা আশা করি হবে না। ব্লগাররাও জানাতে পারেন, কোথায় বইয়ের অভাব বেশি। ৮ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০০ জনকেও যদি পৌঁছানো যায়, অনেক বড়ো কাজ হবে।

আপনি তৈরি করে রাখুন। কেউ না কেউ নিয়ে আসবেন। এ ব্যাপারে অন্য ব্লগারদেরও সহযোগিতা আশা করি।

৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১
হেমায়েতপুরী বলেছেন: বরাবরের মত ভালো।

পরে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: দেখবেন কাইন্ডলি।

৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
লিবিব বলেছেন: Ami print koriye abar Badhabo. Jevabey amra Assignment badhai kori
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: দারুণ হবে। এই প্রচেষ্টার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনিসহ কমপক্ষে ২০ কপি বই তো ওপরের চারজনের কাছ থেকেই পাওয়া যাবে মনে হয়।

ধন্যবাদ।

৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২
ফরিদ বলেছেন: আমি এখানে অনলাইনে সহজে পড়ার ব্যাবস্থা করার চেষ্টা করছি

বইমেলা ওয়েবসাইট থেকে পড়ার ব্যাবস্থা
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: চমৎকার। পোস্টে যুক্ত করে নিলাম।

অফটপিক :
বইমেলাতে নতুন লোগোটিও দেখছি লাগিয়েছেন। :) ধন্যবাদ।

৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: কেন মন্ত্রী সাহেব মিথ্যা বললেন ?

কত জন লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ? ডাউনলোড করে বই এর যে দাম পড়বে, তা দিতে কয়জন পারবেন?

ডাউনলোডে ইংরেজী ভার্সনের বই কোথায় ?
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ইন্টারনেটমনস্ক হওয়া জরুরি। ওয়েবসাইটে ডাউনলোডের জন্য বই রেখে এই সরকার খুবই ভালো একটি কাজ করেছে- এতে সন্দেহ নেই।

৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: খুবই ভালো প্রস্তাব। আমরা ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করলে অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থীকে বই পৌঁছে দেয়া সম্ভব।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: আমারও মনে হয়, ব্যক্তিগত উদ্যোগই এজন্য যথেষ্ট। এ বিষয়ে ভাবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ওই ঘটনা তো খুবই দুঃখজনক। অবশ্য সরকার, বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীর দৃঢ়তায় সেই সংকট অনেকখানি কাটানো গেছে।

৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:

ফিউশন...

খুবই ভালো কথা। নতুন বইয়ের একটা নিজস্বতা আছে, আলাদা একটা গন্ধ আছে। সরকারের উচিত সেটুকু বাচ্চাদের উপভোগ করতে দেয়া। যেহেতু অনেকে সেটা পাচ্ছেনা সেহেতু আপনি যে উদ্যোগ নিয়ে এলেন তাকে সাধুবাদ। কিভাবে কি করা যায় তা আরো আলোচনা করা যাক, তবে বেশি সময় নেয়া ঠিক হবেনা।

ইউ আর ওয়ান ম্যান আর্মি... বাট কিপ ইট ইন মাইন্ড আই অ্যাম উইথ ইউ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: প্রথম মন্তব্যের উত্তরে আমিও ওই কথাই বলতে চেয়েছিলাম যে, নতুন বইয়ের একটা নিজস্বতা আছে, আলাদা একটা গন্ধ আছে। সরকারের উচিত সেটুকু বাচ্চাদের উপভোগ করতে দেয়া।

বেশি সময় আসলেই নেওয়া যাবে না। আর আমাদের জন্যও কাজটি এমন কঠিন কিছু নয়। আমার মনে হয়, ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এই কাজটি চালিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩
কাঙাল মামা বলেছেন: যারা প্রাইভেট ভারসিটি তে পড়ে তারা সেমিস্টারর শুরুতে ৫০০/১০০০ টাকা দেয় কম্পুউটার ল্যাব ব্যাবহার/প্রিন্টিং এর জন্য। ২০০/৩০০ পেজের লিমিট দেয়া থাকলেও কোনো সেমিস্টারেই এত পেজ প্রিন্ট করে না কেউ। বেচে যায় অনেক পেজ। এরা চাইলেই নিজেদের জন্য ১০০ পেজ রেখে বাকি ১০০ পেজ বই প্রিন্ট করতে পারে।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: নতুন তথ্য। আগে জানা ছিল না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর ছাত্রছাত্রী এই ব্লগেই আছে। তারা যদি একটু এগিয়ে আসেন, অনেক বড়ো একটা কাজ হবে।

১১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
লুৎফুল কাদের বলেছেন: আমরা যারা দেশের বাহিরে থাকি তারা কিভাবে সাহায্য করতে পারি. আপনার যদি পেপাল account থেকে থাকে আমাকে আমাকে একটি ইমেল পাঠাবেন. আমার ইমেল ঠিকানা আপনি এই টাকা দিয়ে যতগুলো বই print করতে পারেন. আমি ৫০ ডলার দিব.
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: আমি আসলে চাইছিলাম, তহবিলের মতো কিছু না করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সবাই যার যার সাধ্যমতো কিছু কিছু বই প্রিন্ট করে প্রতিবেশী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিক। সেক্ষেত্রে আলাদা করে শিক্ষার্থী খোঁজার ঝামেলায় যেতে হয় না, ব্যস্ত এই সময়ে একসঙ্গে সবার বসার দরকারও হয় না।
আপনার সদিচ্ছায় আমি অভিভুত! কাউকে পেলে আপনার ব্লগে গিয়ে মন্তব্য দিয়ে আসবো বা মেইল করবো। অনেক ধন্যবাদ।

১২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার পরামর্শের সাথে একমত হলাম না। এভাবে অফিসের রিসোর্স ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করাটা ভাল লাগল না। এখন মাত্র জানুয়ারী মাস চলছে। জানুয়ারীর শেষের মধ্যে বই পৌছুলে ঠিক আছে।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: বই ছাপানো দূরে থাক, এখনো সিদ্ধান্তই হয়নি। এনসিটিবি বলছে, এই সপ্তাহের মধ্যে যদি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এনসিটিবিকে বই ছাপিয়ে দেয়ার কথা বলে তাহলেও দরপত্র, কার্যাদেশ, বই ছাপা ও বাঁধাইসহ নানা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। তাও চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত আসতে হবে। সে রকম লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখছি না।

দরিদ্র দেশে অফিসের সামান্য রিসোর্স দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যবহার করা হলে সেটা কি খুব অনৈতিক হয়?

১৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ইত্তেফাক তো বলছে বই নাকি রেডি।

Click This Link

ইনকিলাবেও এরকম একটা খবর দেখেছিলাম। ওরা এটাকেই সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য দাবী করেছিল। অবশ্য আসল সত্য কি তা জানিনা।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: যে হিসাব দেখেছেন, সেটা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের হিসাব। কিন্তু আপনি জানবেন, সারাদেশে বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজিমাধ্যম স্কুল আছে, নানা কারণে যেগুলোতে সরকারি অনুমোদন নেই। এই ধরনের স্কুলগুলোতে পড়ছে, এরকম প্রায় ৮ লাখ শিক্ষার্থী এখনো বই পায়নি। প্রয়োজন তাদের জন্য ৮৪ লাখের মতো বই। কিন্তু সেই বই এখনো ছাপা হয়নি। যতোটুকু জানি, মার্চের আগে বই তুলে দেওয়া সম্ভবও না।

ইত্তেফাকের সেই রিপোর্টেই দেখবেন-
যারা কোন কোন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমতি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে, সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বই পাবে। প্রাথমিক স্তরে কিন্ডারগার্টেনে বিনামূল্যের বই দিতে আরো ৮৪ লাখ বই ছাপতে হবে। আগামী মাসের মধ্যে এসব বই শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে যাবে বলে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ