আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

ভালো থেকো কল্পনা চাকমা, ভালো থেকো মেজর মহসিন রেজা : একটি বানোয়াট ঘটনাক্রম

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫০

শেয়ারঃ
0 23 0

এক পাহাড়ি গেরিলার স্মৃতিচারণ
‌"...আমাদের দলে গেরিলার সংখ্যা ৯০ জন। আমাদের যে স্বয়ংক্রিয় আধুনিক অস্ত্র ছিল, সবই সঙ্গে নিলাম। যেমন একে-৪৭ রাইফেল, চাইনিজ রাইফেল, এলএমজি, এসএমজি, কারবাইন প্রভৃতি। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম আর্মির গ্রুপে যতজনই থাক না কেন, প্রথম আক্রমণেই আমরা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেব। আমরা একটা 'সুইটেবল' পজিশন নিলাম। অর্থাৎ মূল আক্রমণটা যেখান থেকে হবে সেটার পজিশন ঠিক করলাম। তারপর সামনে একটা গ্রুপ রাখলাম, যেটাকে বলা হয় 'ফ্রন্ট কাট অব পার্ট', একইভাবে পেছনে আর একটি 'রিয়ার কাট অব পার্ট' রাখলাম। এই দুটি শক্তিশালী গ্রুপকে রাখা হল আমাদের কাভারিং দেয়ার জন্য। সব আয়োজন সম্পন্ন হলো। এবার অপেক্ষার পালা। কখন আসবে মেজর মহসিন রেজার সেনাবাহিনী? একদিন, দুই দিন, তিন দিন...

এভাবে সাতদিন কেটে গেল। একই স্থানে থাকা খাওয়া ঘুমানো। আবার ভেতরে ভয় কখন চলে আসে সেনাবাহিনী। কোনো কিছুই ঠিক মতো করা যায় না। আর কতদিন এভাবে থাকতে হবে সেটাও বুঝতে পারছি না। এই যখন আমাদের অবস্থা ঠিক এরকম সময়েই চলে এলো সেনাবাহিনী। সেই সময় আমরা কিছুটা অপ্রস্তুতই বলা যায়। সাতদিনের দিন সকাল সাতটার দিকে হঠাৎ করেই দেখলাম মেজর মহসিন রেজার নেতৃত্বে ৪০ জনের মতো সেনাবাহিনী আমাদের অ্যামবুশ স্থানে চলে এসেছে। আমাদের মধ্যে কর্পোরাল শুক্র নামে একজন প্রচণ্ড সাহসী গেরিলা ছিল। সে ছিল এলএমজিম্যান। খুব ভালো ফাইটার। সে কারণে প্রথম ফায়ারের দায়িত্ব ছিল তার ওপর। পাহাড়ি পথ বেয়ে লাইন দিয়ে এগিয়ে আসছে সেনাবাহিনী। শুক্রর দিকে খেয়াল করলাম সে ফায়ারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একেবারে আমাদের রেঞ্জের মধ্যে চলে এল সেনাবাহিনী। কমান্ডারের নির্দেশে গর্জে উঠল শুক্রর এলএমজি। শুক্রর এলএমজির গুলিতে চার-পাঁচজন আর্মি লুটিয়ে পড়লো মাটিতে। তখন আমরা সবাই গুলি শুরু করেছি। পাল্টা গুলিবর্ষণ শুরু করেছে সেনাবাহিনীও। তুমুল গুলি বিনিময় হচ্ছে। সত্যিকার অর্থেই বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ। এক পর্যায়ে দেখলাম মেজর মহসিন রেজা সাত-আটজন সৈনিক নিয়ে মোটা গাছের আড়ালে পজিশন নিয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করলো। আমরা বেশ সমস্যায় পড়ে গেলাম। এভাবে বেশ কিছুক্ষণ গুলি বিনিময় হলো। তারপর আমাদের মধ্যে থেকে একজন গেরিলা 'অ্যামবুশ' অবস্থান থেকে সামনে এগিয়ে গেলেন। একেবারে ফিক্সড লাইন অর্থাৎ কোনো আড়াল ছাড়া সামনে গিয়ে অবস্থান নিলেন। তার হাতে ছিল কারবাইন। ব্রাশফায়ার করলেন। পঁচিশ রাউন্ড গুলি বেরিয়ে কারবাইনের ম্যাগাজিন খালি হয়ে গেল। মেজর মহসিন রেজাসহ সাত-আটজন সৈনিকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে রইল মাটিতে। নিহত হলেন তারা সবাই। আধঘন্টার মতো যুদ্ধ চলল। সেনাবাহিনীর পুরো এক প্লাটুনের ৪০ জনের মতো সৈনিক নিহত হলেন। দুটি রকেট লাঞ্চার, মর্টার, এসএমজি, এলএমজি, একে-৪৭ রাইফেল, চাইনিজ রাইফেল প্রভৃতি প্রায় ৪০টি মতো আর্মির অস্ত্র দখল করলাম আমরা। এই প্রচুরসংখ্যক অস্ত্র নিয়ে আমরা বিজয়ীর বেশে ফিরে এলাম..."
(সূত্র : শান্তিবাহিনী ও গেরিলা জীবন/ গোলাম মোর্তোজা, সময় প্রকাশনী, ২০০২)

শান্তিবাহিনীর আরেক গেরিলা ও দীঘিনালা কলেজের সাবেক শিক্ষক বোজেন্দ্র প্রসাদ চাকমা ওরফে বিভাশের স্মৃতিচারণ- "আমি যখন চট্টগ্রাম কলেজে লেখাপড়া করছি সেই সময়ের একটি ঘটনা এখনো মনে আছে। শান্তিবাহিনীর একটি অ্যামবুশে সেনাবাহিনীর মেজর মহসিন রেজা নিহত হলেন। মহসিন রেজার স্ত্রীও তখন চট্টগ্রাম কলেজে পড়তেন। তার মৃত্যুর খবর এলো। হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন মহসিন রেজার স্ত্রী। সেই দৃশ্য এখনো আমার চোখে ভাসে।"
(সূত্র : প্রাগুক্ত)

(ডিসক্লেইমার : নিচের ঘটনাক্রম পুরোপুরি বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রিয় ব্লগার, সুতরাং নিচের দিকের কিছুই পড়ার দরকার নেই আপনার, কারণ সেটা 'মানুষের' গল্প নয়, হতভাগা বাঙালির নিয়তি!)

ঘটনাক্রম (১৯৭৭-) : পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনা হত্যা
৬ মে ১৯৭৭ : সাঙ্গু নদীতে কর্তব্যরত অবস্থায় আবদুল কাদিরসহ পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

২৫ অক্টোবর ১৯৭৭ : বান্দরবানে নিহত হন নায়েক আবদুল গণি মিয়া, নায়েক আবদুস সাত্তার, নায়েক আরিফ, সিপাহী লুৎফর রহমান, সিপাহী আলী হোসেন এবং সিপাহী আবদুল খালেক মুন্সি।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ : সাঙ্গু নদীতে অ্যামবুশ, এক সেনাসদস্যকে হত্যা এবং প্রচুর গোলাবারুদ লুট।

৫ জুলাই ১৯৭৯ : কাপ্তাই নতুন বাজার থেকে ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ : দীঘিনালায় নায়েক এসএম রুহুল আমিনকে হত্যা।

১৪ অক্টোবর ১৯৭৯ : খাগড়াছড়িতে পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৯, লংগদু : একই রাতে একযোগে কয়েকটি গ্রামে হামলা, ২০ অ-উপজাতীয়কে হত্যা, আহত ৪০, ১০৪টি বাড়ি অগ্নিদগ্ধ।

২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ : খাগড়াছড়িতে তিন সেনাসদস্য খুন, আহত ৫।

২১ এপ্রিল ১৯৮০ : ফালাউংপাড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে ১১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ২০ জন জওয়ানকে হত্যা, প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র লুট।

১ মার্চ ১৯৮০ : ঘন্টিছড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে হত্যা করা হয় মেজর মহসিন আলমসহ ২২ জন সেনাসদস্যকে।

২৫ মার্চ ১৯৮০, কাউখালী : বাঙালি বসতিতে হামলা, দুই পক্ষে নিহত ২৯, আহত ১১ জন।

১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮০, কাউখালী, বেতছড়ি ও কচুখালী : আকস্মিক আক্রমণে ৬ বাঙালি খুন, আহত ২৫ জন।

২৯ এপ্রিল ১৯৮৪ : খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় বাঙালি বসতিতে গণহত্যা। হতাহতের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি।

৩০ ও ৩১ মে ১৯৮৪, ভূষণছড়া ও বরকল : দিবাগত রাতে বাঙালি বসতিতে হামলা, ৮৮ জনকে গুলি করে হত্যা, আহত ৩৩ এবং ১৮ জন অপহৃত। আগুনে পুড়ে ছাই ২৬৪টি বাড়ি।

১৯ জুলাই ১৯৮৬ : খাগড়াছড়িতে এক সেনাসদস্য নিহত, আহত ৭।

২২ জুলাই ১৯৮৬, দীঘিনালা : সশস্ত্র হামলায় ২৪ বাঙালি খুন, ৩২ জনকে অপহরণ।

৭ আগস্ট ১৯৮৬ : ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

২১ জুন ১৯৮৭ : নাড়াইছড়ির অদূরে অ্যামবুশ, সেনাসদস্য আবদুর রাজ্জাক, ইসমাঈল হোসেন ও মোহনলালকে হত্যা।

২৪ নভেম্বর ১৯৮৭ : শিলছড়িতে দুই সেনাসদস্যকে গুলি করে হত্যা।

১৮ এপ্রিল ১৯৮৯, বাশখালী : পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষে ১৫ জনের মৃত্যু।

২৭ জানুয়ারি ১৯৮৯ : বন কর্মকর্তা আবুল হোসেন, বজল আহমদ ও মাহবুবুল আলমকে অপহরণ করে হত্যা।

৪ মে ১৯৮৯, লংগদু : আকস্মিক আক্রমণে ১৫ বাঙালির মৃত্যু।

১৬ এপ্রিল ১৯৯০, নাইক্ষ্যংছড়ি ও বলিপাড়া : ১৯ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা। এ বছরই থানচিতে ১১ জন সেনা জওয়ানকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।

১০ জানুয়ারি ১৯৯২, খিরাম : খিরাম বন কার্যালয়ে আক্রমণ, ৬ কর্মচারীকে হত্যা।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২, লংগদু : চলন্ত লঞ্চে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৭ বাঙালিকে হত্যা।

২৯ জুন ১৯৯২ : মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে পাহারা চৌকির ওপর হামলা, দুজন সেনা সদস্য নিহত।

১৪ জুন ১৯৯৫ : শান্তিবাহিনীর ২০ সদস্যের একটি গ্রুপের হাতে ব্যাংক লুট। গার্ডকে হত্যা এবং দুই ব্যাংক কর্মচারীকে অপহরণ।

৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬, পাকুয়াখালী (রাঙামাটি) : নৃশংস হামলা চালিয়ে ৩৫ জন নিরস্ত্র বাঙালি কাঠুরিয়াকে হত্যা

ভালো থেকো কল্পনা চাকমা, ভালো থেকো মেজর মহসিন রেজা, ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালী গান, ভালো থেকো...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): chtchittagong hill tractshill tractskalpana chakmamajor mohsin rezashantibahiniGuerrilla warfarebangladesh armypakuakhalirangamatikhagracharibandarban ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পার্বত্য চট্টগ্রাম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ভূষনছড়া হত্যাকান্ডের বর্ননা আগে পড়েছিলাম। ঐটা কি সবচেয়ে বড় বাংগালী হত্যা? মনে হচ্ছে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ভূষণছড়া সংখ্যার দিক থেকে সম্ভবত বড়ো। তবে ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়াখালীর ঘটনা, ৩৫ কাঠুরিয়াকে হত্যার ঘটনা পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃশংসতম ঘটনাগুলোর একটি। শান্তিবাহিনী ওই ৩৫ কাঠুরিয়ার কাউকেই অস্ত্র ব্যবহার করে মারেনি। তারা হতভাগা কাঠুরিয়াদের প্রত্যেককে মেরেছে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে কুপিয়ে, বেয়োনেট আর ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে।

২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৬
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ফিউশন ভাই কেন এসব লেখেন? বুঝেন না এসব লেখলে আমগো চুষীলদের মনে ব্যাথা হয়! শুধু বলবেন পাহাড়িদের মারা হচ্চে।পাহাড়ীরা অসহায়!

পোস্টে++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: মজার ব্যাপার হল, ১০ বছর আগের পাহাড়ি নির্যাতন আর রদ্দিমার্কা তত্ত্বকথা নিয়ে ব্লগে অনেকে সরব থাকলেও শান্তিবাহিনীর হাতে ৩০ হাজার বাঙালি হত্যা নিয়ে কেউ টু শব্দটি করে না। অবশ্য করবেই বা কেন? ওরা কি মানুষ?

৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: বিচ্ছিন্নতাবাদী পাহাড়ী গেরিলারা স্বাধীনতা বিরোধী ছিলো। তারা কখনোই বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারে নি। স্বাধীনতা পরবর্কী সময়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত এ গেরিলাদের সব রকমের সহযোগীতা দেওয়া শুরু করে। এর মধ্য আছে অস্ত্র, রসদ, ট্রেনিং ও স্থান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এদেরকে কখনোই কোনঠাসা করতে পারতো না । কারন প্রয়োজন হলেই এরা ভারতীয় এলাকায় জামাই আদরে আশ্রয় পেতো।

সেই ভারতের পদলেহী আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসেই কথিত শান্তিচুক্ত করে এদের সাথে। হাজার বাঙ্গালীর লাল রক্তে সরাসরি খুনী সন্তুলার্মারে জামাই আদরে কোলে তুলে নেয় শেখ হাসিনা - ভারতের আবদার বলে কথা। এখনো চলছে সেই খেলা!

অসীম ধন্যবাদ তথ্যগুলো তুলে আনার জন্যে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ১৯৭৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিবাহিনীর প্রতি ভারত তাদের গোয়েন্দা সংস্থা 'র'- র সমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তুতি নেয়। খোদ ভারতীয় সাংবাদিক ও লেখক সুবীর ভৌমিক তার 'ট্রাবলড পেরিফেরি: ক্রাইসিস অব ইন্ডিয়া'স নর্থইস্ট' বইতে সেই বিষয়ে প্রামাণ্য সব চিত্র তুলে ধরেছেন।
Click This Link

৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৪
চয়ন কান্তি বলেছেন: আসলে দুখ্যজনক হলেও অস্বীকার করার উপায় নেই যে যতদিন উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ থাকবে ততদিন এটার কোন সমাধান নেই। বাঙালি বাঙালি করে যদি আমরা মুখে ফ্যানা তুলতে পারি তাহলে চাকমাদের দোষ কোথায়? তাছাড়া তাদের উপায় কোথায়? আমরা কি তাদের মেরেপিটে বাধ্য করব এটা স্বীকার করতে যে শেখ মুজিব তাদের জাতির পিতা!!!!!! নিজের বেলায় এক নীতি আর চাকমাদের বেলায় অন্য নীতি এরকম হিপোক্রেসি নিয়ে চলা সম্ভব নয়।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: যে দেশের মানুষ ৯৮% বাঙালি, সে দেশে বাঙালি স্বার্থ সবার উর্ধ্বে থাকবে, বাঙালি বাঙালি বলে মুখে ফেনা তোলা হবে- সেটাই কি স্বাভাবিক নয়? যে দেশের মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ মাত্র চাকমা ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী, তাদের জন্য আলাদা কী নীতির কথা বলছেন দাদা?

৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬
কগচডড বলেছেন: আমাদের ৪০ জন সৈন্য মেজর সহ নিহত হলো আর অদের কয় জন মরেছে? এটা তো লেখেন নাই। আরেকটা ব্যাপার গ্রহনযোগ্য হয় নি, কারবাইন নিয়ে একজন গেরিলা খোলা যায়গায় এগিয়ে গিয়ে কোন প্রোটেকশন ছাড়া ২৫ রাউন্ড গুলি মারলো অথচ মেজর রেজার সৈন্য রা তাকে গুলি করে মারতে পারলো না, উলটো রেজা সহ ৭/৮ জন সৈনিক নিহত হলো। ব্যাপার টা অতি রঞ্জিত হয়ে গেলো না?

যাই হোক সুশীল কুত্তারা চায় পার্বত্য চট্রগ্রাম ভেঙ্গে যাক। তাদের এই খায়েস কখনোই পুর্ন হবে না।

পোস্টে প্লাস।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: সন্তু লারমার ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক, সাপ্তাহিক ২০০০ এর সাবেক সম্পাদক গোলাম মোর্তোজা বইটি লিখেছেন শান্তিবাহিনীর গেরিলাদের স্মৃতিচারণ নিয়ে। হয়তো তারা নিজেদের বীরত্ব দেখাতে গিয়ে অতিরঞ্জিত কথাবার্তা বলতে পারে। মোর্তোজার কাছে প্রতিটি সাক্ষাৎকারেরই টেপ আছে। কোনো গেরিলাই গত সাত বছরে বইটির কোনো অংশ নিয়ে আপত্তি করেনি।
বইটি পাবেন এখানে - Click This Link

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯
লালসালু বলেছেন: সুশীলদের ইচ্ছা পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা হয়ে যাক। এখন সেনাবাহিনীর একটু খারাপ অবস্থা যাচ্ছে। তারা ঠিকই লিস্ট করে রাখছে কারা শান্তি বাহিনীর পক্ষে কথা বলছে। সময় আর সুযোগ পেলে সামুর মত ব্যান করবে।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: সরকার নিজেই সেনাবাহিনীকে কারণে-অকারণে বলির পাঠা বানাচ্ছে- এদিক থেকে হয়তো বা সেনাবাহিনীর খারাপ অবস্থা যেতে পারে। শত বঞ্চনা আর অপমান সত্ত্বেও তারাই শেষপর্যন্ত লড়ে যায় দেশের জন্য, তারাই লড়ে যাবে।

৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
সাধারণমানুষ বলেছেন: ভাই এগুলা দিয়া কোন লাভ নাই এর চাইতে সুশীল গুলারে ১-২ মাস পাহাড়ি এলাকায় স্থানান্তর করলে ভাল কাজ হবে ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: স্থানান্তর করলেও এইসব সুশীল সেখানে গিয়ে যৌনকর্মীর দালালি করবে। তার চেয়ে বরং ভালো, বস্তায় ভরে ঢাকার মোড়ে মোড়ে প্রদর্শনীর জন্য এদের ঝুলিয়ে রাখা!

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮
নষ্ট ছেলে বলেছেন: নামটা আসলে সুশীল সমাজ না হয়ে দালাল সমাজ হওয়া উচিত।
পোস্টে +
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ওইগুলো মূলত যৌনকর্মীর দালাল। আমার কাছে এই সংক্রান্ত প্রমাণও আছে। সুযোগ হলে তুলে ধরবো। রাতের বেলা ব্লগে এসে জাতির বিবেক সাজে।

১১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: এখন সমাধান কি করে হবে সেটা ভাবা দরকার। আমার চিন্তা ভাবনায় ভুল থাকা কিছু বিচিত্র নয়। সরকার বলছে সেনা স্থাপনা প্রয়োজনে পুনর্বহাল করা হবে। সেনা ক্যাম্প কোথায় থাকবে তা রাষ্ট্র নির্ধারন করতেই পারে। ঝুকি পূর্ন, স্পর্শ কাতর এলাকায় সরকার সেনা ক্যাম্প স্থাপন করলে তা কেন গ্রহনযোগ্য হবে না, তা বুঝতে পারছি না। কিন্তু সামরিক স্থাপনাকে বেসামরিক প্রশাসন কতৃক নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।

এতো গেল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার খাতিরে সামরিক দিকটি। কিন্তু পাহাড়ে যুগ যুগ ধরে চলে আসা অনাস্থা অবিশ্বাসকে তো মোকাবেলা করতে হবে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে। সেটা কি করে হবে? শান্তি চুক্তির কিছু অংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। আরো কিছু বাস্তবায়িত হোক, যদিও যে কোন শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন সবসময়েই ধাপে ধাপে হয়ে থাকে। এবং চুক্তির বিষয়টি সবসময়েই দ্বিপাক্ষিক।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: সেনাবাহিনী কোথায় থাকবে কিংবা না থাকবে- সেটা একান্তই জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়। পাহাড়িদের কোনো সংগঠন, দু পয়সা মূল্যের কোনো মার্কসবাদী, কোনো এনজিও ওয়ালা, কোনো বিদেশী বেনিয়া কোনো অবস্থাতেই সেটা নির্ধারণ করে দিতে পারে না। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলাটাই আমাদের জন্য অপমানজনক। কারণ একটি দেশের সশস্ত্রবাহিনী সে দেশের সার্বভৌমত্বের সবচেয়ে বড়ো প্রতীক।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পদে আছেন পাহাড়িরা। পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সর্বেসর্বা বা চেয়ারম্যান একজন পাহাড়ি (সন্তু লারমা), একজন বাঙালি যতোই মহত্তম হোন না কেন সেই পদে আসার কোনোই সম্ভাবনা নেই। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি- এই তিন জেলা পরিষদের তিন চেয়ারম্যানই স্থায়ীভাবে পাহাড়িদের জন্য সংরক্ষিত। পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই উপজাতীয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের সাংসদরা সকলেই উপজাতীয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বেসর্বা বা মন্ত্রীও একজন উপজাতীয়। দেশে সরকারি চাকরির ৯০ ভাগ কোটাই কেবলমাত্র উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিটেকনিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটাভিত্তিক প্রায় সব আসনই উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত।

সবকিছুর ওপরে অনেক স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে তাদের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তিও হয়েছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই তারা সন্তুষ্ট নয়। তারা চায় স্বাধীনতা! কুঙ্গ তাঙ্গরা 'স্বাধীনতা' চাহিতেছে!

১২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪১
কাবজাব বলেছেন: আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু আমাদের দেশের আবালীয় চুচীলরা.......
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: এইসব আবালীয় চুচিলদের বেশিরভাগই আবার যৌনকর্মীর দালাল। বস্তায় ভরে ঢাকার মোড়ে মোড়ে প্রদর্শনীর জন্য এদের ঝুলিয়ে রাখাই দেশের জন্য মঙ্গল।

১৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ঘটনাক্রম পুরোপুরি বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মাইনাস।:(
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: এবং ওই ঘটনাক্রম একটি জামাতি প্রচারণা- ছাগুকূলের কাজ! উহা শিবসেনা ডোনার সুশান্ত দাশ কর্তৃক অনুমোদিতও নহে!

১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মাঝে মাঝে এমন "পুরোপুরি বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" পোষ্ট না দিলে আমাদের চোখ খুলবে না!
:|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: চোখ না খোলাই নিরাপদ। সবাই যদি চোখ খোলা রাখে তো স্বাধীন জুম্মল্যান্ড প্রতিষ্ঠার ন্যায়সঙ্গত দাবি তো মুখ থুবড়ে পড়বে। তাতে আবার সুশীলরা জুম্মল্যান্ডে আর্দালি হওয়ার সুযোগ হারাবে!

১৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৫
পশু বলেছেন: চয়ন ভাই বলেসেন, "যতদিন উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ থাকবে ততদিন এটার কোন সমাধান নেই"

কথা সত্যি।

পোস্ট টা জোস। শেরপা ভাই, অনেক ইনফো পাইলাম, কিন্তু দুঃখ যে, এই সমীকরণের দিকে কিছু মাইনষের চোখ যায়না। অবশ্য পুরা ব্যাপারটা ঘোলাটে।
Click This Link
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: আঁকাবাকা মানচিত্রটার দিকে তাকালে আমার তো কোনো কিছুই ঘোলাটে মনে হয় না।

১৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৮
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: ৫+৬+১+২+১+৫+২০+৩+২০+২২+২৯+৬+?+৮৮+১+২৪+২+৩+২+১৫+3+১৫+১৯+১১+৬+১৭+২+১+৩৫ =৩৬৩ জন।

কুরুক্ষেত্র মহাযুদ্ধে........মরে কাতারে কাতার গণনা করিয়া দেখি ১৭ হাজার।( ভরা হয় ৩০হাজার!)

ঠিক যেমন টি শেখ হাসিনা বলেছেন জোট সরকারের আমলে তাঁর দলের ২১ হাজার নেতা-কর্মী হত্যা করা হয়েছে।

হিং টিং ছট্ ঃ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ''জোট আমলে ২১ হাজার নেতা-কর্মী হত্যা করা হয়েছে ।''

আমরা সব কবিগুরুর 'হিং টিং ছট্ ' কবিতার 'হবুচন্দ্র রাজা আর গবু চন্দ্র মন্ত্রী'র দেশের বাসিন্দা ।

কিন্তু, আমার ঘরের পাশের বছরের পর বছর যে নির্মম হত্যাকান্ড চলছে ........ তার জন্য এতটুকু আপসোস বা এক ফোটা চোখের জল নাই, ্ত টুকু প্রতিবাদ নাই।

সত্য একটি পরিসংখ্যান জেনে রাখুন.........................

এই ঢাকা শহর গারমেন্টস ফ্যাক্টরির গেইটে তালা মেরে রেখে এ পর্যন্ত ৮ শতাধিক মানুষ হত্যা করা হয়েছে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই সেদিনও পাকিজাত কুলাঙ্গার সুশীলরা গুনে গুনে হিসেব করে দেখিয়েছিল যে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ১ লাখের বেশি মানুষ নাকি মারা যায়নি! আপনার মতো তারাও বেশ হিসাববিজ্ঞানের প্রদর্শনী দেখিয়েছিল। কিন্তু এই দেশ জানে তার মাটিতে শুয়ে আছে ৩০ লাখ শহীদ! আমাদের সৌভাগ্য, এই হিসাবের জন্য কোনো হিসাবরক্ষকের প্রয়োজন পড়েনি।

১৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: ০.১ শতাংশ মাত্র চাকমা ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী, তাদের জন্য আলাদা কী নীতির কথা বলছেন দাদা?

ভাইগো! আপনের সমস্যা কি একটু খুইলা কইবেন ? আপনে এইভাবে এপ্রোচ করতেছেন কেন ?

ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী বইলাই তো আলাদা নীতি দরকার। ক্ষুদ্র বইলাই কি আপনে রুদ্র হইবেন!

আপনে যদি রাষ্ট্রের পুলিশ হন, তো আপনেরে যদি মিছিলের পাবলিক মারে, আপনেও কি প্রধানত তাগোরে তেমুন কইরা মারবেন ? আপনের কাজ তো হইলো পরিস্থিতি নিরোধ করা, প্রধানত বধ করা না।

ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা হইলে তো সংখ্যাগুরু হিসাবে আপনাকে আরো সাবধান হইতে হইবো। মানুষের জীবনে তাদের বাচতে দেয়া বইলা কথা।

---------------
অনেক কথা কইলাম। কিছু মনে নিয়েন না। (এমনিতেই গত সময়ে সুশীল কইয়া গালি দিছেন। সুশীল কিংবা বুদ্ধিজীবী কিংবা সংস্কৃতিকর্মী সমাজকর্মী টাইপের গালি তো অসহ্য লাগে ভাই!)
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী হিসেবে তাদের তো যথেষ্ট সম্মান দেওয়া হয়েছে। আমাদের করের কোটি কোটি টাকা তাদের জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হচ্ছে। ১১ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে দেখবেন বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পদে আছেন পাহাড়িরা। সরকার তাদের সেভাবে নিয়ন্ত্রণও করছে না, কার্যত তারা স্বাধীনভাবেই কাজ করছেন। এখন বলুন, এগুলো রুদ্ররূপের লক্ষণ? বাঘাইছড়িতে ইউপিডিএফ তার নিজের হীন স্বার্থে সাধারণ পাহাড়িদের লেলিয়ে দিল বাঙালিদের ওপর। সরকারের নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা পর্যন্ত রাস্তার আড়ালে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। কিন্তু দেখেছেন কি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সেনাবাহিনী সেভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে? সংখ্যাগুরু হিসেবে আপনি আর কোন্ ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেন?

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মগ্নতা।

১৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আসলে এরকম বানোয়াট ঘটনাক্রম তাদের জন্যই দরকার যারা কিনা এই ইস্যুতে মানবতার নামে পাহাড়ীদের অন্যায্য অধিকারে মদদ দিচ্ছিলো! আমাদের সংবিধানিক জাতীয়তা বাংলাদেশী, সেখানে তাদের জন্য আলাদা নীতি কেন??!! তারা কি বাংলাদেশী নয়?! তাদের যদি কোন নাগরিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ! তারা যদি নিপিড়নের শিকার হন তাহলে সুষ্ঠ তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ! এজন্য সেনাবাহিনী কেন দোষারোপ করা হচ্ছে??!! পাহাড়ীরা যদি এদেশের নিয়ম নীতি মেনেই চলেন তাহলে সেনাবাহিনী হেতু কি??!! নাকি অন্য কোন কারন আছে যা কিনা বাইরে প্রকাশ হতে দিতে চাচ্ছে না??!!
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: সেটাই। তাদের যদি কোন নাগরিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ! তারা যদি নিপিড়নের শিকার হন তাহলে সুষ্ঠ তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ! কিন্তু ভাই এরা তো সারাক্ষণ মায়াকান্না কাঁদছে মূলত জাতিসংঘ সেনার প্রতীক্ষায় আর কিভাবে জুম্মল্যান্ড প্রতিষ্ঠা করবে- সেই আশায়।

২০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৫
নিস্তব্ধ বলেছেন:
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আপনি কি জানেন, ১৯৭৯ সাল থেকে এই পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিবাহিনীর হাতে ৩০ সহস্রাধিক বাঙালি প্রাণ হারিয়েছে? Click This Link


এই পোস্ট থেকে দেখা যায় -
৫+৬+১+২+১+৫+২০+৩+২০+২২+২৯+৬+?+৮৮+১+২৪+২+৩+২+১৫+3+১৫+১৯+১১+৬+১৭+২+১+৩৫ =৩৬৩ জন।


তার মানে ৩৬৩ জন = ৩০ হাজার????????

=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~


ঠিকই বলেছেন, হোগা থেকে বের হওয়া হিসাব মিলানোর জন্য কোনো হিসাবরক্ষকের প্রয়োজন পড়েনা।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: ল্যাঞ্জা লুকানো আসলেই কঠিন! :) সেটা ঠিকই বেরিয়ে পড়ে। পাকিস্তানিদের কাছে হোগা ভাড়া দেওয়া হিসাবরক্ষকরা মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়েও অনেক টাল্টিমাল্টি করার চেষ্টা করেছিল। সেগুলো সফল হয়নি। কারণ দেশ জানে, তার মাটিতে শুয়ে আছে তিরিশ লাখ শহীদ। এখন কলিকাতার কাছে হোগা ভাড়া দেওয়া আরেক নবিশ হিসাবরক্ষক আসছে যোগ-ভাগ-গুণ নিয়ে। তবে এইসব বহুলব্যবহৃত হোগা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। বরং দেখেন এইখানে হিসাবরক্ষকের চাকরি-বাকরি কিছু পাওয়া যায় কিনা। আগরতলায় চাকরির খুব অভাব নাকি? ;)

২১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৮
নাজির আহমদ বলেছেন: + এবং প্রিয়তে রাখলাম
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: বানোয়াট জিনিস। হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

২৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫২
নেক্সাস বলেছেন: ধন্যবাদ ফিফা।

এসব ইতিহাস বলে কি লাভ?

তথাকথিত চুশীলদের কি ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন আপনি?

তারাতো আরব্য রজনীর কেহেরমানের মত একচোখে খালি বাঙ্গালীদের দোষ খুঁজে বেড়ায়।


ওদের ভাষায় তো পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালীদের যাওয়ার কোন অধিকারই নাই।
কাজেই ওরা মরলে কি আসে যায়।

শুধু মাত্র বাচিঁয়ে রাখতে হবে ত্রিদিব অনুসারিদের।
কারণ এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ওদের অনেক অবদান !!!
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা!

জয় ত্রিদিব রায়, জয় রাজাকার, জয় আলবদর, জয় যৌনকর্মীর দালালবৃন্দ...

হয়তো এভাবেই বলতে হবে একদিন, এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ওদের অনেক অবদান!!!

২৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৫
অলস ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশই সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকরাই সবচেয়ে সম্মানিত এবং দেশপ্রেমের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: আর ব্লগে যৌনকর্মীর দালালরাই মুক্তিযুদ্ধ ও পাহাড়িদের রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে!

২৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৩
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: এখন কলিকাতার কাছে হোগা ভাড়া দেওয়া আরেক নবিশ হিসাবরক্ষক আসছে যোগ-ভাগ-গুণ নিয়ে। তবে এইসব বহুলব্যবহৃত হোগা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই।[/sb

স্রেম!!!!!!!!!!!!
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: :)

২৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭
রাজীব_নন্দী বলেছেন: এই আমার পোস্ট লিংক। যদি একবার চোখ পড়ে তো কৃতজ্ঞতাপাশে বন্দি করবো।
Click This Link
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: পড়ে শ্রেফ স্তব্ধ আমি! আরো লিখুন।

২৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫১
কগচডড বলেছেন: এই পৃথিবিতে এমন কোনো শক্তি নাই, যা বাংলাদেশ কে ভেঙ্গে ফেলবে। বাংলাদেশ সব সময় অখন্ড থাকবে,অটুট থাকবে। আমাদের সেনা বাহিনী অনেক সাহসী যুদ্ধ করেছে, প্রয়োজনে আরো করবে। দরকার হলে আমিও সেনা সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীতে নাম লিখাবো। দেশের অখন্ডতা রক্ষার জন্য আমি যে কোন ভাবে সেনা বাহিনীর সাথে সহযোগী যোদ্ধা হিসেবে কাজ করবো। বাংলাদেশ কখনোই পুর্ব তিমুর বা কসোভোর মতন বাফার স্টেট হবে না। সকল ষড়যন্ত্র কে আমাদের দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগন রুখে দিবে আর মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে আমাদের অটুট বাংলাদেশ। ৩০ লাখ মানুষের রক্ত মুল্যে কিনা এই দেশ কখনোই বিদেশী ও সুশীল সমাজের ভাগ-বাটোয়ারা হবে না।যারা স্বাধীন জিম্মল্যান্ডের মন্ত্রী মিনিস্টার হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তাদের স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে।

সুশীল রা আমাদের দেশের কুলাঙ্গার সন্তান। এই কুকুর গুলারে লাত্থি মেরে দাদা বাবুদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হোক।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: ভাসমান যৌনকর্মীসম এই বেকার সুশীলদের সন্তুদের স্বপ্নের জুম্মল্যান্ডে কখনোই মন্ত্রী-মিনিস্টার করা হবে না। বড়জোর আর্দালির পদ পেতে পারে এরা, যোগ্যতা বড়জোর ওদের অতোটুকুই।

২৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১
চন্দন বলেছেন: আপনি যতই লিখেন না কেন সামুর সুশীল(দালাল) ব্লগার জাত গেল জাত গেল বলে ঠিকই চাকমা সন্ত্রাসীদের পক্ষেই বলবে।

+++

পোস্টটি প্রিয়তে নিলাম। ফেসবুকেও শেয়ার করলাম।

ধন্যবাদ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩
বাঙ্গাল বলেছেন: শেয়ার মুবারক
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: :) থ্যাঙ্কু!

৩০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
আশমএরশাদ বলেছেন:
-------------------
কে কাকে কত মারল , কে কয়টি ঘটনা ঘটাল সে সব নিশ্চয় সমাধান নয়, সমাধানের পথ ও নয়।
এই রকম ঘটনা যে সমতলে জায়গা জমির বিরুধ ছাড়াও হচ্চে না তাকি দেখেন না? আওয়ামিলীগ বিএনপির, জামাতের এই ৩ দলের সংঘাত গুলোর এই রকম পরিসংখ্যন দিলেতো আমরা শিওরে উঠতে পারি এর চেয়ে বেশী। পেরেছিকি তাদেরকে ও ঘৃনা করতে? পেরেছিকি ত্রিদিব এর মত রাজাকার মতিউর বা মুজাহিদকে ঘৃনা করতে। বরং তাদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছি এবং এই সুখ দৃশ্য ৫ বছর ধরে দেখেছি।

বাস্তবটা হচ্চে তারাও(পাহাড়িরা) বর্তমানে এ দেশেরই। তাই সরকার শুধু বাঙালীদের দেখবে এমন নয়। আপনার পোস্ট এ তথ্য আছে বটে কিন্তু সমাধান নেই। আপনার পোস্টে থ্রিল আছে সে কেবল উত্তেজনার জন্য , মনে হয়না প্রশমনের জন্য লিখেছেন। আপনার টার্ঘেট যদি হয় সে সব ব্লগার যারা আপনার কথায় দ্বিমত করে পাহাড়ি পাহাড়ি করেছিল, তাহলে ঠিক আছে , কিন্তু আপনার টার্ঘেটতো হওয়া উচিত সমাধানের পথ বাতলানো, আপনার টার্গেটতো হওয়া উচিত শান্তির দিকে। আপনারতো কোন ব্লগারের কথাকে খন্ডাতে বা বিদ্বেষকে পুঁজি করে করা উচিত নয়। বাঙালীদের আরো ক্ষেপিয়ে দিয়ে কি সমস্যার সমাধান খুঁজেন? আপনি কি শান্তিপুর্ন সমাধান চান?

---
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: আদিবাসী-আদিবাসী কৃত্রিম বিলাপ, পার্বত্যজাত যাবতীয় কূম্ভীরাশ্রু, ব্লগিংয়ের নামে পাহাড়ি এনজিওর মাঠকর্মীদের লাফালাফি এবং উদ্দেশ্যমূলক একপেশে প্রচারণার বিপরীতে গর্বিত ও দেশপ্রেমিক বাঙালি হিসেবে এটা আমার একটি ক্ষুদ্র চেষ্টা বলতে পারেন। সুনির্দিষ্ট কেউ আমার টার্গেট নন- এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৩২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০
সবাক বলেছেন:
ও মাই গড!!
৩৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
সামিউর বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশই সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকরাই সবচেয়ে সম্মানিত এবং দেশপ্রেমের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

এই পোস্টটাও প্রিয়তে নিলাম। ঘটনাটা আমি আগে শুনিনি।
আমার খুবই খারাপ লাগছে।
৩৪. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩০
কামরুল৯৯ বলেছেন: আপনাকে মন থেকে ধন্যবাদ ভালো থাকবেন আর লেখা চালাই যান দরকার হলে আমি আমার সব আইডি নিয়া ঝাপাই পড়ুম
৩৫. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:২৭
দ্যা ডক্টর বলেছেন: ঐ ডাকাতগুলাকে প্রশ্রয় দেয় কোন চুচিল.....
৩৬. ২৫ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৩
শ্লোগান বলেছেন:
অলস ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশই সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকরাই সবচেয়ে সম্মানিত এবং দেশপ্রেমের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।


ফিউশন বাই কেমন আছেন?
৩৭. ১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১১
অবাঞ্চিত বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশই সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকরাই সবচেয়ে সম্মানিত এবং দেশপ্রেমের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।
৩৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information
৩৯. ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩৫
জেবাল বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে নজর গেছে কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। এদের সমূলে উতপাটন চাই
৪০. ০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১২:২৫
হাম্বা বলেছেন: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মাঝে মাঝে এমন "পুরোপুরি বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" পোষ্ট না দিলে আমাদের চোখ খুলবে না!
:|
৪১. ১৭ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৩৪
জীবনকেসি বলেছেন: চন্দন বলেছেন: আপনি যতই লিখেন না কেন সামুর সুশীল(দালাল) ব্লগার জাত গেল জাত গেল বলে ঠিকই চাকমা সন্ত্রাসীদের পক্ষেই বলবে।

খারাপ কথা নয়: তথাকথিত ----- দালালরা ভুলতানা কামালরা এখানে উপরের দুই চোখ নিয়ে আসেনা। আসে কোমরের নিচের চোখটা নিয়ে। ওইটা দিয়েই দেখে। চাদাবাজদের পক্ষে যিনি বলবেন তিনিও তাদের চাইতে খারাপ। ঢাকায় বসে এখানকার বিষয়ে না জেনে মন্তব্য করা বেঠিক। এসে কয় বছর থেকে যান । তখন বুঝবেন পাহাড়ীরা কেমন চিজ?
৪২. ১৮ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৫৫
রাসেল মাহদুদ বলেছেন: গোনা যায় বলেই কি আপনি 'ঘটনাক্রম (১৯৭৭-) : পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনা হত্যা' লিষ্ট-টি বানিয়েছেন?

পাহাড়ী হত্যার তো হিসাবই নেই। আপনি কি 'ঘটনাক্রম (১৯৭৭-) : পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনা কর্তৃক পাহাড়ী হত্যা' শীর্ষক একটি লিষ্ট তৈরী করবেন?
৪৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:২০
রেডসিগনাল বলেছেন: পোষ্টটি পড়ে আমি এক ফোঁটা অশ্রু সিক্ত হলাম ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৯৪৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ