আমার প্রিয় পোস্ট
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- \ ভাষার ধর্ম | ধর্মের ভাষা / - রাগিব
- মসজিদের পবিত্রতা, মসজিদের অপবিত্রতা (উৎসর্গঃ জাতীয় মসজিদে যারা জুতাকে অস্ত্র বানিয়ে মারামারি করেন) - সামী মিয়াদাদ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার আইনটির {দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩} বাংলা অনুবাদ - প্রথম পর্ব - একরামুল হক শামীম
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
পাবলিক বনাম প্রাইভেট ইউনির অহংবোধ – উৎসটা কোথায়?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১
লাখ লাখ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে যারা শেষ পর্যন্ত পাবলিকে পড়ার সুযোগ পায়, ঐ বিশাল প্রতিযোগীতায় জিততে পারাটাই অহংবোধের শুরু। এই অহং খুব একটা অন্যায় না! কিন্তু প্রতিযোগীতা এত তীব্র কেন হয়? শুধুই কি মান? যদি প্রাইভেট আর পাবলিকের খরচ কাছাকাছি চলে যায় আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ এখনকার মত থাকে তাহলে কি এই তীব্র প্রতিযোগীতা থাকবে পাবলিকে ভর্তি হওয়ার জন্য?
পাবলিকের অহংবোধের আর একটা বড় কারণ এই যে এখানে কোন টিচারের ঠেকা নেই বেশি বেশি মার্ক দেয়ার। কিন্তু পাবলিকে হরহামেশা টিচারকে বকা খেতে হয় ব্যাচ ভাল গ্রেড না পেলে। সুতরাং এখান থেকে সাধারণ একটা ধারণা জন্মে যে প্রাইভেটে বোধহয় কম-সম পড়িয়ে ভাল গ্রেড পাইয়ে দেবার একটা প্রবণতা থাকে। প্রাইভেট ইউনিতে পাবলিকের পাশ করাদের টিচার হিসেবে পাওয়ার চাহিদা কিন্তু এমন ধারণার-ই জন্ম দেয় যে পাবলিকে বেশি বেশি শেখানো হয় প্রাইভেটের তুলনায়!
পাবলিকের অহংবোধের আরও একটা কারণ ঐতিহ্য। প্রাইভেট আর কতদিনই বা হলো এসেছে! এতকাল ধরে তো পাবলিক-ই শেষ কথা। এখনকার দিকপালেরা তো সবাই পাবলিকেরই। আর একটা ব্যাপার মোটা দাগে কিন্তু সত্যি যে পাবলিকে পছন্দসই কিছু না পেলে তখনই অনেকে প্রাইভেটে যায় ( আবারও বলছি – কথাটা মোটা দাগে সত্যি)। স্বাভাবিকভাবেই যারা পাবলিকে টিকে যায় তাদের ভেতর তো একটু অহং হবেই!
অন্যদিকে নূন্যতম বৈভবের মধ্যে বেড়ে ওঠা মানুষেরাই প্রাইভেটে আসে। যে পরিবারে একটা কালার টিভি নেই ফ্রিজ নেই, সেই পরিবারের কেউ কি প্রাইভেটে আসার কথা ভাবে? ভাবেনা। কারো যদি মনে হয়ও যে কেউ কেউ জমি বেঁচে প্রাইভেটে পড়ে, তাহলেও এটা সত্যি যে বিক্রির মত জমি তাদের আছে। সুতরাং ঐ আর্থিক অবস্থা ( মূলত মধ্যবিত্ত থেকে উপরের দিকে) থেকে আসা ছেলেমেয়েরা যে জীবনধারা, রুচি, চিন্তায় অভ্যস্ত, পাবলিকে তা অনুপস্থিত থাকারই কথা। প্রাইভেটের নাক উঁচু ব্যাপারটার প্রাথমিক কারণটা এটাই।
আর একটা কথা বলবো, হয়তো একটু পক্ষপাতমূলক হয়ে যাবে – পাবলিকে যারা থাকে তাদের উপর দ্বায়িত্ব খুব দ্রুত চলে আসে। নিজে দাঁড়াতে হবে, বিয়ে করতে হবে, পরিবারের দ্বায়িত্ব নিতে, ছোট ভাই বোনদের সাপোর্ট দিতে হবে ইত্যাকার বিষয়গুলো প্রাইভেটে এত তীব্র বলে মনে হয়না। ফোর্থ ইয়ারে উঠতে না উঠতেই হাতে হাতে সবার বিসিএস গাইড উঠে যায়। প্রাইভেটে কি এই তাড়না এত তীব্র? কি জানি!
শেষ পর্যন্ত কেন জানি মনে হয় যে ঠিক পড়াশোনার মান বা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্বের অহং এটা না। কে.এফ.সিতে নিয়মিত খেতে পারা না পারা, চকচকে গার্লফ্রেন্ড মেইনটেইন করতে পারা না পারা, দুটো-তিনটা টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোতে বাধ্য হওয়া না হওয়া, ইংলিশ বলিয়ে কইয়ে হওয়ার পাওয়ার নিয়ে ভাল বেতনের একটা চাকরি পাওয়া না পাওয়ার সম্ভাবনা-শংকা, যাপিত জীবনের ইত্যাকার বিষয়ের ভিন্নতা থেকেই অহংবোধের এই প্রবাহমানতা।
শেষ করার আগে একটা মজার কথা জানাই – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর এম. এম. আকাশ প্রতি বছর তাঁর ক্লাসের শিক্ষার্থীদের ভেতর একটা আনঅফিসিয়াল জরিপ চালান। জরিপের বিষয়বস্তু হচ্ছে যে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের ভেতর ভিন্ন ভিন্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থানে থাকা মানুষদের কম্পোজিশন কেমনভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে!!!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: নাহ! আসলে নেই!
সুদীপ্ত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন:
থ্যাংকু। আপনার "গালি দিয়ে যান" নামের অভিমানী পোস্টটা পড়েই আমি লিখেছি। আপনার এত অভিমান কেন? আপানি তো দুটাই -প্রথমে পাবলিক পরে প্রাইভেট!!!
লেখক বলেছেন: হু, প্রাইভেটের আরো সময় পার করতে হবে।
দিগন্ত রেখা বলেছেন:
ফারহান দাউদ, আপনি নটরডেমে পড়েছেন না বাংলা কলেজে পড়েছেন, এটা কি আজ কোনো গুরুত্ব রাখে? তেমনি পাবলিকে পড়েছেন না প্রাইভেটে সেটা কোনো গুরুত্ব রাখবে না।আর, পাবলিকে ছাত্র পড়ানো হয়, প্রাইভেটে শিক্ষাসেবা বিক্রয় করা হয়। সুতরাং এ দুয়ের মাঝে আর যাই হোক, তুলনা চলে না।
আর এ জাতীয় বিতর্কে আমি এই প্রথম।
কে.এফ.সিতে নিয়মিত খেতে পারা না পারা, চকচকে গার্লফ্রেন্ড মেইনটেইন করতে পারা না পারা, দুটো-তিনটা টিউশনি করে নিজের খরচ চালানোতে বাধ্য হওয়া না হওয়া, ইংলিশ বলিয়ে কইয়ে হওয়ার পাওয়ার নিয়ে ভাল বেতনের একটা চাকরি পাওয়া না পাওয়ার সম্ভাবনা-শংকা, যাপিত জীবনের ইত্যাকার বিষয়ের ভিন্নতা থেকেই অহংবোধের এই প্রবাহমানতা----
------------------
কেএফসি তে জীবনেও যাইনি, চকচকে গার্লফ্রেনড এর আস্বাদও পাইনি, টিউশনির তাড়না সবসময়-ই ছিল, ভালবেতনে চাকরী, বাবা-মাকে দেখা-র তাড়না তাড়া করে বেড়ায় নিয়তই।
পড়াশোনার ক্ষতি হবে দেখে ফালতু সময় নস্ট-ও করতে পারিনি। তারপরও সিজিপি ৩.৫-ও তুলতে পারিনি (প্রাইভেটে নাকি বেশি নাম্বার দেয়!! আমি তো কোন প্রমান পেলাম না, আমার ভার্সিটি থেকে, কোন কোর্সে ১০ জন পাশ করেছে এমনও অভিগ্গতা আছে
আসলে আমি প্রাইভেটে পড়েও 'ইসমারট' হতে পারি নি। আমার বেশির ভাগ বন্ধুরাও পারেনি
আফসোস...
পাবলিকে পড়তে পারিনি সেই আফসোস টা এখন আর দুঃখ দেয় না, দেয় এত কস্ট করে পড়েও এত তীর্যক অভিযোগ শুনতে হয় বলে। একজন ক্ষ্যাত হবে না ইসমার্ট হবে সেটা তার ব্যাপার, ভার্সিটি কতটা করে এ ব্যাপারে আমার জানা নেই!! এ ব্যাপারে তর্কটাই অহেতুক!!
নাইমের পোস্টের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে::::
এই দেশে জন্মানোর পর, এর হাওয়া পানিতে বড় হয়ে, এর রাস্তা- মানুষ- অবকাঠামো ইত্যাদি ব্যবহার করেও যারা দেশের প্রতি দায়িত্ব ভুলে যায় তারা অমানুষ ছাড়া কিছু না।
লেখক বলেছেন:
"একজন ক্ষ্যাত হবে না ইসমার্ট হবে সেটা তার ব্যাপার, ভার্সিটি কতটা করে এ ব্যাপারে আমার জানা নেই!!" ভার্সিটি খুব কমই করে। কিন্তু ঐ যে আর্থিক ব্যাকগ্রাউন্ড এর ব্যাপারটা, সেটাই তেমন চলন-বলন সম্ভব করে তোলে যাকে আমরা স্মার্টনেস হিসেবে আইডেন্টিফাই করি। আর ঐ একই আর্থিক ব্যাকগ্রাউন্ড প্রাইভেটে পড়ার ব্যাপারটাকেও সম্ভব করে তোলে।
নাঈমের পোস্টটা একটু বেশি একপেশে হয়ে গিয়েছে। পাবলিকে পড়লেই দায়িত্ব থাকবে আর না পড়লে থাকবেনা এমন সিদ্ধান্তে আসা যায়না। কত জনই বা ভার্সিটির টাকায় বাইরে যেতে পারে? প্রায় পুরোটাই তো দেশে থাকে। সেইসাথে এটা ঠিক যে ভার্সিটির টাকা নিয়েও যারা শর্ত ভেঙ্গেছে - ভার্সিটিতেও ফেরেনি টাকাও ফেরৎ দেয়নি, তাদের কর্তব্যবোধ অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।।
কেএফসিতে যাননি তো কি হয়েছে বিএফসিতে??? হা হা হা ...! এসব ব্যাপার হাজারো সূচকের কয়েকটা। ঠিক এগুলোই হতে হবে এমন তো না।
আর হ্যাঁ নিশ্চয় এমন হতে পারে যে আপনাদের ডিপার্টমেন্ট কঠিনভাবে মার্কিং করে। সব জায়গা তো অবশ্যই একইভাবে চলেনা। ভার্সিটিতে ভার্সিটিতে যেমন পার্থক্য থাকে, একই ভার্সিটির ডিপার্টমেন্টে ডিপার্টমেন্টেও তো থাকে।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
বেহুদা কচলাকচলিতে তিতা হইয়া যাওয়া লেবু মার্কা পোস্টে মাইনাচ
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
উদ্ব্বৃতি :আর একটা কথা বলবো, হয়তো একটু পক্ষপাতমূলক হয়ে যাবে – পাবলিকে যারা থাকে তাদের উপর দ্বায়িত্ব খুব দ্রুত চলে আসে। নিজে দাঁড়াতে হবে, বিয়ে করতে হবে, পরিবারের দ্বায়িত্ব নিতে, ছোট ভাই বোনদের সাপোর্ট দিতে হবে ইত্যাকার বিষয়গুলো প্রাইভেটে এত তীব্র বলে মনে হয়না। ফোর্থ ইয়ারে উঠতে না উঠতেই হাতে হাতে সবার বিসিএস গাইড উঠে যায়। প্রাইভেটে কি এই তাড়না এত তীব্র? কি জানি!
---------
প্রাইভেটের ছেলেমেয়েরা কিন্তু পাবলিকের পূর্বেই পাশ করে চলে যায়। সেশনজট নামক কলঙ্কটা নেই।
লেখক বলেছেন: ঠিক। দেরী হয় বলেই হয়তো চাপটা দিন দিন বাড়তে থাকে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
পড়লাম.......একটা কথা বলি,আমি নিজে প্রাইভেটের ছাত্র,প্রাইভেটে ভর্তি হওয়ার কারন ছিলো পাবলিকের সেশনজটের ভয়.......প্রাইভেটে পরার পরেও কিন্তু আমার কে.এফ.সি তে যাওয়া হয় নাই,ভার্সিটিতে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরি নাই,আর টিউশন ফির টাকা যোগাড় করেছি ২টা জব করে.......আর দায়িত্ব ব্যাপারটা খুব তাড়াতাড়িই আসছে আমার কাঁধে।আর প্রাইভেটর ছাত্ররা স্মার্ট,পাব্লিকের ছাত্ররা ক্ষ্যাত এরকম ধারনা পুরাপুরি ভূল।ক্ষ্যাত সবখানেই আছে,সেটা প্রাইভেট হোক আর পাব্লিক হোক।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ তামিম। এই মন্তব্য আর দীর্ঘ করছিনা। আমার মনে হয় শিবলী আর আরিফকে দেয়া কমেন্টই এখানেও প্রযোজ্য হবে। আবারো লেখার অনুরোধ থাকলো।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আরও যেসব বিষয়ে বিতর্ক হতে পারে_১. কাদের চেহারা সুন্দর: প্রাইভেট, নাকি পাবলিক?
২. কার মাথায় চুল বেশি_ প্রাইভেট নাকি পাবলিক?
৩. কারা বেশি ভাত খায় ও পয়ঃনিষ্কাশন করে_ প্রাইভেট নাকি পাবলিক
৪. কার মুখে দুর্গন্ধ:প্রাইভেট নাকি পাবলিক?
৫. কারা ভাল ব্লগার: প্রাইভেট নাকি পাবলিক?
৬. কার বাড়িতে বেশি মুরগী আছে: প্রাইভেট নাকি পাবলিক
৭. ব্লগের সম্প্রীতি নষ্টের জন্য কারা দায়ী: প্রাইভেট নাকি পাবলিক?
আপাতত এই কয়টাই দিলাম।। এতেও মন না ভরলে পরে আরও দেয়া যাবে..............আগে পুরোদমে বিতর্ক চলুক। টাইপ করতে গিয়ে কী-বোর্ড ভেঙ্গে গেলে নিজ খরচে কী-বোর্ড কিনে দেয়ার অঙ্গীকার করছি।।।
লেখক বলেছেন:
হা হা হা ...! সেইরকম হয়েছে প্রস্তাবিত টপিকগুলো। “কার মুখে দুর্গন্ধ:প্রাইভেট নাকি পাবলিক?” - এই ব্যাপারে একটা কথা মনে পড়লো। একবার প্রেম সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে পড়েছিলাম, বালিকা তাহার বালকের সাথে কাট্টি দিয়েছে এই কারণে যে বালকের মুখে দুর্গন্ধ। ইয়ের সময় ডিস্টার্ব হয়!!! সেটা পাবলিক না প্রাইভেটের কথা, মনে নেই!!!
নিশিব্লগারু বলেছেন:
ব্যপক ক্যাচাল!!!
লেখক বলেছেন:
কৈ ক্যাচাল! একটু ইন্টার্যাকশানই তো!
লেখক বলেছেন: কথা তো চলবেই! ব্লগ না!
লেখক বলেছেন: হু তা তো সব জায়গাতেই কিছু না কিছু থাকবে।
বাফড়া বলেছেন:
এম এম আকাশের ঐ আনঅফিশিয়াল জরিপ এর রেজাল্ট কি কিছু জানেন... ডিটেলস জানা থাকলে বলবেন প্লিঝ
লেখক বলেছেন:
না বাফড়া, রেজাল্ট পাবলিশ হয়েছে বলে তো শুনিনি। প্রশ্নগুলো এইরকম হয় যে কতজন হলে থাকে আর কতজন বাইরে। যারা বাইরে থাকে তাদের মধ্যে কতজন পায়ে হেঁটে ক্লাসে আসে, কতজন রিকশায় আর কতজন গাড়িতে। স্টুডেন্টদের মধ্যে কতজন ঢাকার, কতজন মফস্বলের কতজন গ্রামের... এইসব প্রশ্ন।
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন:
আমার বড় ভাই পাবলিক থেকে পড়া শেষ করে এখন আমেরিকায় পেনসেলভেনিয়া ভার্সিটির লেকচারার। আর অন্য বোন এখন প্রাইভেট এ পড়ে। বেশী না, মাত্র ১০০ বছর। এর মধ্যে আশা করা যায় নির্মানগত কারনে পাবলিক ভার্সিটিগুলো ধসে পড়বে আর প্রাইভেট এর যুগ শুরু হবে।
লেখক বলেছেন:
১০০ বছর বেশি না?!! আমার কাছে তো অনেক বেশি! ১০০ বছর পর প্রথাগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকবে কি না সেটাই সন্দেহের বিষয় – সে হোক পাবলিক বা প্রাইভেট। এখন পর্যন্ত পাবলিক ভার্সিটি আমাদের সামাজিক কাঠামোতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভাইয়া আপুর কথা তো জানলাম। আপনি? পড়ার জন্য লেখার জন্য ধন্যবাদ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ব্যাপারটা নিয়ে বিতর্কের কি আছে বুঝি না।
লেখক বলেছেন:
বিতর্ক না ঠিক, হালকা বাৎচিত
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
মাইনাস দেয়াকেই শ্রেয় মনে করলাম!(নিজে প্রাইভেটে পড়েও)
লেখক বলেছেন:
"নিজে প্রাইভেটে পড়েও"
বুঝতে অসুবিধা হলো। যাহোক, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন:
এখন পর্যন্ত স্বপ্ন দেখি এই বছরের শেষের দিকে ঢাকা ভার্সিটি তে ভর্তি হবো। একজন সি.এ তো হতেই হবে।আমার পোষ্টটি পড়ার আমন্ত্রন থাকলো।
বাফড়া বলেছেন:
উনি এই জরিপ/ কোশ্চেনীয়ার কি কোন কাজে লাগাচ্ছেন? অর্থাত কোন অফিশিয়াল স্টাডি বা পেপার লিখার জন্য? নাকি স্রেফ নিজের আনন্দেই কাজটা করছেন?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















এখন কারণ যাই হোক, এই বেহুদা অহংটার আদতে কি কোন প্রয়োজন আছে???