" জামাত- শিবির " বাংলা বাংগালির হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃন্যতম শব্দ । মীরজাফরের বেঈমানীকে বুড়া আংগুল দেখাইয়া দিছে । বুঝায় দিছে যে মানুষ কত খারাপ হতে পারে । এই ব-দ্বীপে না মানব জাতীর ইতিহাসে এম ন নোংরা কাজ কেউ করেনি ।
এই ব-দ্বীপের মাটি নরম । নরম এই মাটির মানুষদের মন । ঈশ্বর ভক্তি এদের হাজার বছরের ঐতিহ্য । পরের কারনে নিজের স্বার্থ , জীবন বলি দেবার কাজ এরা খুব সহজেই করতে পারে । পর্যায় পরিক্রমায় প্রিথিবীর অনেকেই এই বাংগালীকে শোষন করেছে , কেউ কম কেউ বেশী । সব কালে যুগে সময়ে এই জাতীকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলে আসতেছে । যতদূর যাবে তুমি নির্যাতন নিস্পেশন আর হা হা কারের ইতিহাস । রক্তের ইতিহাস । তবে ঈশ্বর বিশ্বাশকে ক্যাশ করে জামাত-শিবিরের মত নির্যাতন - নিস্পেশন -গনহত্যা কেউ করেনি ।
গোলাম আযম, মুজাহিদ নিজামীদের বেঈমানী আর জিয়া পরিবারের টাউটারী মীরজাফরের বেঈমানীকেও হার মানায় । এক বন্ধুর কাছে কিছু লিষ্ট পাইলাম শিবিরের গত ১০ বছরের ইতিহাস । ওরা বলে ওরা নাকি ইসলাম কায়েম করে । প্রত্যেকটা ঘটনা পরতেছিলাম আর আমার মাথার মধ্যে এই কথা ভাইব্রেট করতেছিল -..- ওরা ইসলাম কায়েম করতেছে ( ! ).... আমার মাথার ভিতরের ভাইব্রেশন ছরিয়ে দিলাম আপনাদের মাথায় ..................
১৮ জানুয়ারি, ২০১০।
চট্টগ্রাম শহরের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় শিবির নিয়ন্ত্রিত একটি মেস থেকে অস্ত্র ও বোমা বানানোর সরঞ্জামসহ ১২ জন শিবির ক্যাডারকে পুলিশ আটক করে।
৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯।
কতৃপক্ষের বিরম্নদ্ধে অপরাধমূলক তৎপরতা সংগঠনের দায়ে একজন বহিরাগতসহ ৩ জন শিবিরকর্মীকে পুলিশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটক করে। কতৃপক্ষের উপস্থিতিতে পুলিশ শামসুজ্জোহা হলের দুটি শিবির নিয়ন্ত্রিত কক্ষ সিল করে দেয়।
২২ ডিসেম্বর, ২০০৯।
সরকারি আযীযুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ২০ ডিসেম্বরে সহিংসতা সৃষ্টির দায়ে পুলিশ এদিন ৪ শিবির ক্যাডারকে আটক করে।
১৫ ডিসেম্বর, ২০০৯।
চাঁদপুর থেকে আটক জেএমবি নেতাকে রিমান্ডে নেয়ার পর হাইমচর উপজেলা শিবিরের সভাপতি ইকবাল হোসেন হিসেবে তাকে শনাক্ত করে পুলিশ।
১৫ নবেম্বর, ২০০৯। রাবির ৩টি হলে অভিযান চালানোর সময় পুলিশ শিবির ক্যাডার হাসমত আলী ওরফে লিটনকে গান পাউডার ও বিভিন্ন জীবনহানিকর রাসায়নিক দ্রব্যসহ আটক করে।
২৬ অক্টোবর, ২০০৯। মতিহার থানাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক অস্ত্র, নারী নিপীড়ন ও অধ্যাপক ইউনুস হত্যা মামলার আসামি শিবির ক্যাডার জাফর বাবুকে পুলিশ রাজশাহী শহরের কাটাখালি মিউনিসিপ্যালিটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৯।
রাবির সৈয়দ আমীর আলী হল শাখার সভাপতি শিবির ক্যাডার একরামুল পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলায় জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের হাতে আটক হয়।
২৪ আগস্ট, ২০০৯।
ছাত্রলীগের ২ জন কমêীকে ২০ জুন ’০৯-এ ছুরিকাঘাতে আহত করার সঙ্গে যুত্ত্ন থাকার অভিযোগে রাবির ৯ শিবির ক্যাডারকে পুলিশ আটক করে।
২৮ মে, ২০০৯।
রাবি ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় সহিংসতায় নেতৃত্বদানকারী শিবির ক্যাডার সাঈদুর রহমান ওরফে সাঈদুরকে পুলিশ রাবি সংলগ্ন একটি শিবির নিয়ন্ত্রিত মেস থেকে আটক করে।
১৭ এপ্রিল, ২০০৯।
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতার দায়ে বানিয়ারগাতি মহিলা মাদ্রাসা থেকে শিবিরের যশোর জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ৯ শিবির ক্যাডারকে আটক করে পুলিশ।
১৩ মে, ২০০৮। চট্টগ্রামের আদালতে বিচারক একরামুল হক চৌধুরী শিবির ক্যাডার নাসিরকে একটি অস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ১৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৩৫।
২৬ মার্চ, ২০০৮। চট্টগ্রামের আদালতে ৪ শিবির ক্যাডারকে মৃত্যুদন্ড এবং ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। আসামিদের বিরম্নদ্ধে ২০০০ সালের ১২ জুলাই চট্টগ্রামের বহদ্দরহাটে ৬ ছাত্রলীগ নেতা ও তাদেরকে বহনকারী মাইক্রোবাসের ড্রাইভার এবং রাস্তয় থাকা রিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন।
৪ মার্চ, ২০০৮। শিবির ক্যাডারদের লালন-পালন ও তাদেরকে সহিংসতায় উস্কানি দেয়ার অপরাধে গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শে রংপুর কারমাইকেল কলেজের ৫ জন শিক্ষক এবং ৫ জন কর্মচারীকে বিভিন্ন কলেজে বদলি করা হয়।
৮ নবেম্বর, ২০০৭। জরুরি আইন ভঙ্গের দায়ে শিবিরের গোপালগঞ্জ জেলা সভাপতি মনিরুজ্জামান আলমগীর ও সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান সিদ্দিকসহ ১০ শিবির ক্যাডারকে পুলিশ আটক করে।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০০৭। প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস হত্যা মামলার চার্জশীট উপস্থাপনের সময় সিআইডি জানায় যে, জেএমবি নেতা আব্দুর রহমান এই হত্যাকাণ্ডে ৫ শিবির ক্যাডারের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
৮ আগস্ট, ২০০৭। রাবিতে ৪ সাংবাদিকের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অপরাধে র্যাব কতৃক আটক ব্যক্তিকে রাবি প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা শিবির ক্যাডার মোকাররম আব্দুলস্নাহ মনি হিসেবে শনাক্ত করেন।
৫ মে, ২০০৭। চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি আর্মি ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থাপনা ভিডিও করার সময় আর্মি সদস্যরা শিবিরের ২ নেতাকে ভিডিও ফুটেজসহ আটক করে।
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ পাথরঘাটা উপজেলা শিবিরের সভাপতি সোহাগ খান ও সাধারণ সম্পাদক মারফত উল্লাহকে জেএমবি তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাব সদস্যরা আটক করে।
৮ জানুয়ারি, ২০০৬। শিবির ক্যাডার আব্দুলস্নাহ আল মামুন ও তার পিতা জামায়াত নেতা ইউনুস আলীর বাড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা ২টি গ্রেনেড উদ্ধার করে।
২২ ডিসেম্বর, ২০০৫। কুষ্টিয়ার মাদ্রাসা ছাত্র, শিবিরের এক ক্যাডারের কাছ থেকে পুলিশ বোমা বানানোর সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে।
২৫ নবেম্বর, ২০০৫। জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য জাকারিয়া হোসেন রনি রাজশাহীতে গ্রেপ্তার হয়। সে আগে শিবিরের একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী ছিল বলে পুলিশ জানায়।
২০ জুলাই, ২০০৫। চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা থেকে শিবির ক্যাডার মাহমুদুল চৌধুরীকে পুলিশ সদস্যরা একে-৪৭ এর ৩৩টি বুলেটসহ গ্রেপ্তার করে। যার মধ্যে ১৭টি দেশীয় কোনো কারখানায় তৈরি হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মত প্রকাশ করে।
১৮ জুলাই, ২০০৫। চট্টগ্রামের ডিসি রোড থেকে র্যাব সদস্যরা শিবির ক্যাডার আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করে।
১২ জুলাই, ২০০৫। খুলনা মহানগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শেখ বেলালুদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিবির ক্যাডার এখলাসকে রূপসা ফেরিঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১০ জুন, ২০০৫। শিবিরের নাসির বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড দুলাল উদ্দিন ওরফে মুন্নাকে ১টি একে- ৪৭ রাইফেলসহ চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকা থেকে আটক করা হয়।
৬ জুন, ২০০৫। ঢাকা থেকে আগত শিবির ক্যাডার সাজ্জাদকে র্যাব সদস্যরা গ্রেপ্তার করে। সাজ্জাদ ছিল শিবিরের চট্টগ্রামের হাজারিকা বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড।
২ জুন, ২০০৫। শিবিরের হাজারিকা বাহিনীর প্রধান গিয়াসউদ্দিন হাজারিকা এনকাউন্টারে নিহত।
৭ মে, ২০০৫। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পুলিশের হাতে শিবির ক্যাডার দেলোয়ার ওরফে আজরাইল দেলোয়ার এনকাউন্টারে নিহত হয়।
৬ মাচê, ২০০৫। রায়গঞ্জে ছাত্রলীগের সমাবেশে যোগদানকালে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা পুঁতে রাখার দায়ে পুলিশ সদস্যরা শিবির ক্যাডার আকিলকে গ্রেপ্তার করে।
২৮ ফেব্রম্নয়ারি, ২০০৫। র্যাব সদস্যরা চট্টগ্রামের শিবির ক্যাডার গিট্টু নাসিরকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১ মার্চ চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে একটি একে- ৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়।
১৩ ফেব্রম্নয়ারি, ২০০৫। খুলনায় র্যাবের হাতে শিবির ক্যাডার হোসাইন আহমেদ ওরফে ফয়েজ মুন্না ক্রসফায়ারে নিহত হয়।
২৮ জানুয়ারি, ২০০৫। চট্টগ্রামের শাহনগর থেকে র্যাব সদস্যরা অস্ত্র স্মাগলিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ১ শিবির ক্যাডারসহ ৪ জনকে আটক করে।
১৭ জানুয়ারি, ২০০৫। শিবির ক্যাডার আফতাব হামিদকে র্যাব সদস্যরা ঢাকার কাকরাইল থেকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্যানুযায়ী অভিযান চালিয়ে র্যাব চট্টগ্রামের কেরুনতলি থেকে ৬টি অস্ত্র, রাইফেলের ১০টি বুলেট ও ৬টি কিরিচসহ ২টি ড্যাগার উদ্ধার করে।
১৫ জানুয়ারি, ২০০৫। চট্টগ্রামের গোধারপাড় থেকে ৪ শিবির ক্যডারকে ১টি এসবিবিএল গান, ৩টি এলজি গান ও ২৩ রাউন্ড গুলি এবং অনেকগুলো ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়।
১৫ ডিসেম্বর, ২০০৪। চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকা থেকে র্যাব সদস্যরা ৫ শিবির ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করে।
৯ এপ্রিল, ২০০৪। শিবির নিয়ন্ত্রিত ইয়াকুব বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আব্দুল হামিদ পুলিশ হেফাজতে মারা যায়। পুলিশ তাকে ইতোপূর্বে আরো ৭ শিবির ক্যাডারের সঙ্গে গ্রেপ্তার করে।
৭ এপ্রিল, ২০০৪। শিবির পরিচালিত ইয়াকুব বাহিনীর প্রধান ইয়াকুব চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে এনকাউন্টারে নিহত হয়।
২৬ ডিসেম্বর, ২০০৩। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকে পুলিশ সদস্যরা শিবির ক্যাডার এনামুল হক ওরফে এনাইম্যা এবং ফরিদুল আলম ওরফে ফরিদ্যাকে ১টি একে-৪৭সহ আটক করে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০০৩। কুমিল্লার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে শিবিরের ৪ নেতাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৩। বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী জামালউদ্দিনকে অপহরণের দায়ে শীর্ষ শিবির ক্যাডার কালা মাহবুব ও আলমগীরসহ ২৪ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
৬ আগস্ট, ২০০৩। বৌদ্ধ ভিক্ষু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৭ শিবির ক্যাডার গ্রেপ্তার।
২৯ জুন, ২০০৩। অস্ত্র মামলায় বগুড়ায় ১ শিবির ক্যাডারসহ ৩ জন গ্রেপ্তার।
১৭ এপ্রিল, ২০০৩। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ শিবির ক্যাডারকে পুলিশ বোমাসহ গ্রেপ্তার করে।
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩
চট্টগ্রামে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা মামলার শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে হত্যার দায়ে শিবির ক্যাডারদের অভিযুক্ত করা হয়।
১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩। সাতকানিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত- শিবিরের সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের হাতে ১ শিবির ক্যাডার নিহত হয়।
২৯ জুন, ২০০১
নারায়ণগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ শিবিরের ১ ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করে। ১৫ জুনের ঐ হামলায় আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মী নিহত ও শতাধিক গুরুতর আহত হয়।
১১ এপ্রিল, ২০০১। বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে রংপুরে জামায়াত ও শিবিরের ২ জন গ্রেপ্তার।
৯ এপ্রিল, ২০০১। সাতকানিয়ায় ৭ এপ্রিল ছাত্র যুবলীগের ২ জনকে হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৯ শিবির ক্যাডারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
৯ মাচê, ২০০১। যশোর উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলা করে ৮ জনকে হত্যার দায়ে পুলিশ কতৃক ৪৬ জামায়াত- শিবির কর্মী গ্রেপ্তার।
২১ জুলাই, ২০০০। গোপালগঞ্জে হাসিনার সমাবেশে বোমা পুঁতে রেখে তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালানোর দায়ে পুলিশ শিবিরের ৪ ক্যাডারকে আটক করে।
১৯৯৯ । রাবি ছাত্র শিবির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর পাকিস্তানে তৈরী রিভলবার, গুলি ও গান পাউডার সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



