somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাড়-প্রতিক্রিয়াশীল বাম রাজাকারদের স্বরূপ-(২)

০৩ রা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






চারু মজুমদারের দেউলিয়া তত্ত্বে নিমজ্জিত বাম রাজাকারেরা


বাম রাজাকারেরা ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধকে “দুই কুকুরের লড়াই” আখ্যায়িত করে, অর্থনীতিতে “সামন্তবাদ” প্রধান এই তত্ত্ব প্রদান করে। এবং একই সাথে “চীনের চেয়ারম্যান আমাদেরও চেয়ারম্যান/ চীনের পথ আমাদের পথ” এই দেউলিয়া নীতি গ্রহণ করে। অতঃপর বাম রাজাকারেরা জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম নয়; বরং কৃষি বিপ্লবকে প্রাধান্য দিয়ে “শ্রেণী শত্রু” খতমের লাইন গ্রহণ করে ট্রু ন্যাশনালিস্টদের হত্যাকাণ্ডে মেতে ওঠে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার্থে। একুকর্মে পৌরহিত্যকারীদের অন্যতম আবদুল হক এবং মোহাম্মদ তোয়াহা। আর তাদের মুখপত্র হিসেবে গণশক্তির অতীব ভারবাহী সম্পাদক বদ. উমর। কী উপায়ে তারা এই “কৃষি বিপ্লবের তত্ত্ব”টি অর্জন করেছিল? এই অবাস্তব তত্ত্বটি তারা অর্জন করে নি। এটি তারা আহরণ করেছিল চারু মজুমদারের কাছ থেকে। ১৮ই সেপ্টেম্বর ও ২রা অক্টোবর, ১৯৬৯-এ “দেশব্রতী” পত্রিকায় প্রকাশিত চারু মজুমদার রচিত “চীনের চেয়ারম্যান আমাদেরও চেয়ারম্যান/ চীনের পথ আমাদের পথ” এবং “চেয়ারম্যানের চীন আক্রান্ত হতে পারে” এদুটোর প্রথম লেখাতে চারু মজুমদার উপসংহার টেনে বলছেন, “আমাদের দেশের প্রধান অন্তর্বস্তু কৃষি বিপ্লব” আর শেষে বলছেন, “জয় আমাদের হবেই, কারণ চীনের চেয়ারম্যান আমাদেরও চেয়ারম্যান, চীনের পথ আমাদের পথ।” (চারু মজুমদারের সংগৃহীত রচনা সংকলন, পৃষ্ঠা-১৬২-১৬৪, জাগরণী প্রকাশনী)। এই সিদ্ধান্তসূচক মত এবং পুরো লেখাটির বিশ্লেষণ বক্ষ্যমাণ নিবন্ধে অপ্রাসঙ্গিক। তবে এ-মত যে কী পরিমাণে আত্মবিধ্বংসী, দেউলিয়াগ্রস্ত এবং বিলোপবাদী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ দেশে এই দেউলিয়া তত্ত্বের ধারক-বাহক হয়েছিলেন মূলত আবদুল হক এবং মোহাম্মদ তোয়াহা।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বাম রাজাকার মোহাম্মদ তোয়াহার ভূমিকা

এরা উভয়েই অর্থাৎ হক-তোয়াহা নেতৃত্বাধীন পার্টি ভারতকে আধিপত্যবাদী, আর সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী অভিহিত করে পাকিস্তান ও চীনের পক্ষে অবস্থান নেয়। এরই অংশ হিসেবে মোহাম্মদ তোয়াহা মার্চের ৩০ তারিখে প্রথম সুযোগে পাকিস্তানী জেনারেল টিক্কা খানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে চীনা কনসাল জেনারেলকে সাথে নিয়ে চলে যান পদ্মার দুর্গম চরে মাওলানা ভাসানীকে ঢাকায় আনতে। যা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। মোহাম্মদ তোয়াহার উদ্দেশ্য ছিল মাওলানা ভাসানীকে ঢাকায় এনে পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে ভাসানীর নেতৃত্বে একটি সরকার গঠন করা। কিন্তু গণসম্পৃক্ততায় অভ্যস্ত, বিচক্ষণ মাওলানা ভাসানী তার সহজাত উপলব্ধি থেকে এ কুকর্ম অংশগ্রহণে নিজকে বিরত রাখেন এবং তোয়াহাকে ভর্তসনা পূর্বক বিদায় করে দেন। ভাসানীর কাছ থেকে বিদায় হয়ে “জনাব তোয়াহা ঢাকায় এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের কথা বলে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করেন এবং সেগুলো নিয়ে রামগতি চলে যান। স্বাধীনতা যুদ্ধের ৯ মাস তিনি তার কার্যাবলী মূলতঃ বৃহত্তর নোয়াখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা সুধারামের চরমটুয়া, মাইজচরা, লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ, চরভূতা, চরমার্টিন, রামগতির তোরাবগঞ্জ, চর আলেকজান্ডার, খাসেরহাট ইত্যাদি এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখেন। তারা তখন হানাদার পাকিস্তানী সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করার পরিবর্তে জোতদার হত্যা শুরু করেন। তাদের এই তথাকথিত জোতদার নিধনকার্যে তোরাবগঞ্জের তোরাব আলী ও তার ২ পুত্র, মাইজার চরের মনা মেম্বার, রফিক চৌকিদার, সিকান্দার ফরাজীসহ ১৭/১৮ জন অসচ্ছল ভূমিহীন বর্গাচাষী হত্যাকাণ্ডের নির্মম শিকারে পরিণত হন। এরপর ৭১-এর সেপ্টেম্বর মাসে তোয়াহা সাহেব পশ্চিমবঙ্গের নকশাল নেতা চারু মজুমদারের সাথে দেখা করে বাংলাদেশে পাকিস্তানীদের তৎপরতার পক্ষ সমর্থনকারী একটি বিবৃতিও নিয়ে আসেন এবং এ বিবৃতিটি পাকিস্তান রেডিও থেকেও প্রচারিত হয়।” (একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলো, পৃষ্ঠা-৭২-৭৩, নাজিমুদ্দীন মানিক)। এটা বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, বিশিষ্ট বাম রাজাকার হিসেবে চীনপন্থী কমিউনিস্ট নেতা মোহাম্মদ তোয়াহা প্রথমে মাওলানা ভাসানীকে পাকিস্তানী জেনারেলদের খপ্পড়ে ফেলতে ব্যর্থ হন। এবং পরে ২য় দফায় পাকিস্তানীদের পক্ষে অভিযানে চারু মজুমদারের বিবৃতি সংগ্রহ করেন এবং তা সামরিক কর্তৃপক্ষের হস্তগত করান রেডিওতে সম্প্রচারের জন্য। সুতরাং, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের স্বপক্ষে মোহাম্মদ তোয়াহার এবংবিধ অবস্থান বিশিষ্ট রাজাকার গো. আজম-নিজামীর থেকে কতটুকু পৃথক। প্রিয় মাতৃভূমির মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে মোহাম্মদ তোয়াহার পাড়-প্রতিক্রিয়াশীল এই রাজনৈতিক অবস্থান অতি অবশ্যই বাম রাজাকার অবস্থান।


মহান মুক্তিযুদ্ধে বাম রাজাকার আবদুল হকের ভূমিকা


অপরদিকে কমিউনিস্ট আন্দোলনের চীনপন্থী অপরাংশ যারা আবদুল হকের নেতৃত্বাধীন ছিলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধকে শুধু “দুই কুকুরের লড়াই” বলেই থেমে থাকে নি। উপরন্তু তারা ঘোষণা দিলেন, “৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে পূর্ব পাকিস্তানে ভারতীয় আগ্রাসন।” ১৯৭০-এর শেষের দিকে ভাসানী ন্যাপের সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে আবদুল হক পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) নামে একটি দল গঠন করে। আবদুল হকের দলটি মাওবাদ, কৃষি বিপ্লব, শ্রেণী শত্রু খতম ইত্যাদি নামে বাঙালীর জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ করে এবং পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখা অবশ্য প্রয়োজন বলে দাবী করে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই মনি সিং নেতৃত্বাধীন কমিউনস্টি পার্টি ব্যতীত অন্য কমিউনিস্ট নামধারী উগ্রবাদীদের মধ্যে এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ প্রশ্নে তীব্র মতভেদ দেখা দেয়। “আবদুল হক ও তার অনুসারীরা দাবী করেন, পাকিস্তানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থনপুষ্ট ভারতীয় সম্প্রসারণবাদীরা এই সঙ্কট সৃষ্টি করেছে।” এরকম একটি বাম রাজাকারী থিসিস নাজেল করে আবদুল হক “পাকিস্তানী সামরিক শাসকদের সাথে যোগাযোগ করে আভাস দেয়, আসন্ন ভারতীয় আক্রমণ প্রতিহত করার ব্যাপারে তার দল সহায়তা করবে।” মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পুরো সময়টা জুড়ে পাক বহিনীকে পরম নিষ্ঠার সাথে এই সহায়তা করেছে আবদুল হক নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)।

ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে আবদুল হকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর সাথে সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ সত্ত্বেও স্বাধীন বাংলাদেশে আবদুল হকের পার্টি পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) নাম বজায় রেখে গোপনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং পাকিস্তানী শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে। এ প্রসঙ্গে “মুজিব বিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য অর্থ, অস্ত্রশস্ত্র ও বেতারযন্ত্র সরবরাহ সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য দলিলের কথা উল্লেখ করা হয়।” এই দলিলটি হচ্ছে ভুট্টোর কাছে প্রেরীত আবদুল হকের চিঠি। এ বিষয়ে “অধ্যাপক ঔলপার্ট তার গ্রন্থে লিখেছেন, দু’বছর যাবৎ ভুট্টো কয়েকটি মুজিব-বিরোধী দলকে তার গোপন “স্বেচ্ছাধীন তহবিল” থেকে অর্থ সাহায্য অব্যাহত রাখেন। অগাস্ট মাস (১৯৭৫) শেষ হওয়ার আগেই তিনি তার বিনিয়োগের ফল লাভ করেন। ...পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর জেনারেল সেক্রেটারী আবদুল হক “গভীর বেদনা ও মানসিক যন্ত্রণা” প্রকাশ করে “প্রিয় প্রধানমন্ত্রী” সম্বোধনে ভুট্টোকে ১৯৭৪-এর ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে লিখিত এক চিঠিতে “জনগণের সাথে সম্পূর্ণভাবে সম্পর্কচ্যুত মুজিবের পুতুল-সরকার”-এর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য “অর্থ, অস্ত্রশস্ত্র ও বেতারযন্ত্র সরবরাহের আবেদন জানান। উক্ত “সর্বোচ্চ গোপনীয় ও অত্যন্ত জরুরী” চিঠিখানি ১৯৭৫-এর ৬ই জানুয়ারি ভুট্টোর হাতে পৌঁছায়। তিনি চিঠির পাশে “জরুরী” শব্দটি লিখে এই “সৎ ব্যক্তি”কে “সাহায্য” দানের অনুমতি দেন। পত্র লেখককে ভুট্টো “স্পষ্টতঃ করিৎকর্মা” বলে মনে করেন।” (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবঃ কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল, পৃষ্ঠা- ৬৫-৬৬, আবদুল মতিন)। বাম রাজাকারদের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা আবদুল হক ’৭২ থেকে ’৭৫ কালপর্বে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম চালিয়ে বঙ্গবন্ধু মুজিবের সরকারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল। আর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ঢাকা ও যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাক সামরিক বাহিনীর কর্তা ব্যক্তিদের আস্থাভাজন হয়ে জামাই আদরে কাল কাটান।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বাম রাজাকার বদরুদ্দীন উমরের ভূমিকা

১৯৬৭ সনে মূল ইপিসিপি’র আনুষ্ঠানিক বিভক্তির পর ’৭০ সন অবধি হক-তোয়াহা এক পার্টিতে অবস্থান করেন পরে বিভক্তির দিকে যান। যতদিন এই দুই বাম রাজাকার একীভূত ছিলেন ততদিন তাদের প্রধান তত্ত্বকার ছিলেন বদ. উমর। চারু মজুমদারের কৃষি বিপ্লব তত্ত্বের মূল ফেরিওয়ালা বদ. উমর সাপ্তাহিক গণশক্তির সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে যে কীর্তিকলাপ চালান তা দাউদ হোসেন রচিত “মার্ক্সবাদের বঙ্গীয় স্বরূপ”-এ লিপিবদ্ধ হয়েছে এভাবে, “জনাব বদরুদ্দীন উমর সাপ্তাহিক গণশক্তির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে জ্বালাময়ী লেখনীর মাধ্যমে বিপ্লবের প্রজ্জ্বলিত যে অগ্নিশিখা তৎকালে তিনি প্রতিদিন পৌঁছে দিচ্ছিলেন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ঘরে ঘরে তাতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী পার্টির নির্দেশে পুঁথিগত বুর্জোয়া লেখাপড়ার মুখে পদাঘাত করে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল প্রমত্ত কীট-পতঙ্গের মতো। ...তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আমার গুরু জনাব উমর আওয়ামী লীগ, সিপিবি, ন্যাপ ও অন্য কিছু বাম নেতার মতো ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে হিন্দুস্থানে তসরীফ না নিয়ে “বিপ্লব” সংঘটনার্থে বরং ঢাকা শহরেই ছিলেন। রুশ মহাবিপ্লবের দুনিয়া কাঁপানো দিনগুলোতে প্রতিবিপ্লবের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় মহামতি লেনিন মাঝে মধ্যে নিতান্ত সাধারণ এক শ্রমিকের ছদ্মবেশে পেত্রোগ্রাদ শহরে চলাফেরা করতেন। কিন্তু আমার গুরু জনাব উমর শ্রমিকের রাজনীতি করলেও শ্রমিকের বেশ ধারণ না করে বরং পাজামা-পাঞ্জাবী পরে মাথায় গোল টুপি দিয়ে হাতে তসবি-বদনা ও লুঙ্গি গামছার পুটলি নিয়ে গ্রাম্য মৌলভীর সাজে চলাফেরা করতেন ঢাকা শহরে।” এসময়ে মুসলিম লীগ, জামাতী ইসলাম নেতৃবৃন্দ ও পাকিস্তানী সামরিক কর্তা ব্যক্তিদের সাথে যোগ সাজসের অভিযোগে স্বাধীন বাংলাদেশে বদ. উমরকে তার কৃতকর্মের অভিযোগে শাস্তি প্রদানের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বদ. উমরের পিতা কানা হাশিম বঙ্গবন্ধু মুজিবের কাছে এসে তার সন্তানকে ফেরৎ চাইলে বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রাক্তন গুরুর দিকে তাকিয়ে বদ. উমরের প্রাণভিক্ষা দেন। পাকবাহিনীর কুকর্মে সহায়তা প্রদানকারী বদ. উমর প্রাণ ফিরে পেয়ে মেতে উঠেন মুজিব বিষোদগারে। পুরো ’৭২ থেকে ’৭৫ কালপর্বে মুজিব বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে মুজিব এবং আওয়ামী লীগ বিরোধী প্রচার-প্রচারণায় লেগে থাকেন। অদ্যাবধি এ কুকর্মে বদ. উমর প্রধান মৌলভী। বাম রাজাকারদের মধ্যে বদ. উমর একজন শীর্ষস্থানীয় তাত্ত্বিক। এরপর আমরা বাম রাজাকারদের পালের গোদা ন্যাপ ভাসানীর জেনারেল সেক্রেটারী মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়ার ভূমিকা খতিয়ে দেখবো।

লেখাটি সংগ্রিহীত এবং লিখেছেন আবুল খায়ের ভাই ।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:২৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×