আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খাঁটি ভন্ড!

আমার সোনার বাংলা, ক্ষমা কর আমায়।

০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২১

শেয়ারঃ
0 0 0

http://www.youtube.com/watch?v=


১.
আমি খুবই ওল্ড-ফ্যাশান্‌ড। বিশেষ করে গানের দিকদিয়ে আমি এখনও উনবিংশ শতাব্দীতে বাস করি। ব্যান্ডের গান আমার ভাল লাগতনা বেশিরভাগই। কিছু নির্দিষ্ট গান মাঝে মাঝে ভাল লাগত। বেশিরভাগ গায়ক, সুরকার, গীতিকারদের নাম আমি জানিনা, চিনিওনা। (আচ্ছা সুরকার আর গায়কের মধ্যে পার্থক্য কি?) দেশে থাকতে আমি সব মিলিয়ে ২৫/৩০টা গান শুনতাম। এগুলো বারবার শুনতে থাকতাম। দিনের পর দিন।আরো ৫০টা মত গান মাঝে মাঝে শুনতাম। রোমান্টিক গানের সংগ্রহ ছিল সব মিলিয়ে দশটারও কম। কয়েকটা গান আমি প্রতিদিন ১০/১৫ বার শুনতাম। ঘুম থেকে উঠে শুনতাম, ঘুমানোর আগে শুনতাম।খাওয়ার আগে শূনতাম, খাওয়ার সময় শুনতাম, খাওয়ার পরে শুনতাম। আমার সোনার বাংলা আমি প্রতিদিনই শুনতাম। কমপক্ষে ৫ বার। কি যে ভাল লাগায় মন ছূঁয়ে যেত। মনটাই ভাল হয়ে যেত। ইচ্ছে হত বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষকে, প্রতিটা গাছকে, প্রতি ইন্ঞি মাটিকে ছুঁয়ে দিয়ে বলি আমি তোমাদেরকে ভালবাসি। ইচ্ছে হত চিৎকার দিয়ে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিই আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। আমি সোনার বাংলাকে ভালবাসি। মাহমুদুজ্জামানের আমি বাংলার গান গায় আমার ২য় ফেভারিট ছিল। এটাও খালি শুনতে থাকতাম। একনাগারে অনেক সময় সারাদিন শুনতাম। ক্লান্তি আসতনা। আমি একবার দেখি বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ। হেঁড়ে গলায় গাইতেও চেষ্টা করতাম। গানের গলা আমার কাকের চেয়েও খারাপ। তবুও তার সাথে গলা মিলিয়ে গাইতাম। EUPHORIA একটা শব্দ আছে। অত্যন্ত ভাল লাগা - দেহমন উভয়ই। সঠিক বাংলা কি কেউ জানেন? আমি বাংলার গান গায় শুনলে ঠিক এই euphoria-ই লাগত। দেহ-মনে কি যেন এক আজব ব্যাখ্যাতীত ভাল লাগা। কোন কারণ নেই। শুধু গান শুনলেই ভাল লাগে। এ যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি। মনে হত আমার বাংলায় কারো কোন কষ্ট নেই। সবাই সুখী। মনে হত আমার বাংলার সবকিছু সুন্দর। আমি বাংলায় কথা কই, আমি বাংলার কথা কই। আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার, আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার। আমি বাংলায় ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি, আমি তারই হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি। পরবর্তীতে যখন শুনলাম বাবু গানটা এক ভারতীয় বাংগালি প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে কোন অনুমতি না নিয়েই এলবাম বের করেছিল তখন এত খারাপ লেগেছিল। বাবুকে বড় হৃদয়ের মানুষ মনে হয়, কিন্তু বিবিসি থেকে পুরষ্কার নেওয়ার সময় তিনি প্রতুল মুখোপাধ্যায়কে কোন ক্রেডিট দেননি। তবে গানটা শুনতে এত ভাল লাগে না শুনে থাকতে পারিনা। এই একটা গান যতবারই আপনি শুনবেন ক্লান্তি আসবেনা। তারপরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাংগানো শুনতাম। সালাম, সালাম, হাজার সালাম শুনতাম। জয় বাংলা, বাংলার জয় শুনতাম। এগুলো কয়েকদিন পরেপরেই শুনতাম। আমার বন্ধুরা আমাকে টিটকারি মারত আমি তাদের মত হিপহপ গান শুনিনা, গানের আড্ডায় হা করে তাকিয়ে থাকি তারা কি বলে সেটা শুনি, নিজে কিছুই বলতে পারিনা। ইংরেজী গান তো কিছুই বুঝিনা। শুধু কিছু কান-ফাটানো চিৎকার মনে হত। জর্জ হ্যারিসনের "বাংলাদেশ" গানটা শুধু বুঝতাম, কারণ তার লিরিকস আমার কাছে ছিল। সেটাই শুনতাম। আমরা কি অকৃতজ্ঞ মানুষ, হ্যারিসনকে কোনদিন দেশে ডাকলামনা, তাকে কোন সম্মানই দিলামনা। অন্যান্য গানের মধ্যে আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা, আমি শুনেছি তোমরা নাকি এসব গান আর উত্তম কুমারের সিনেমার গানগুলো শুনতাম। উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেনকে ভাল লাগত।

২.
রবীন্দ্রসংগীত সবগুলো বুঝিনা, তবুও রবীন্দ্র-সংগীত শুনতাম। ভেংগে মোর ঘরের চাবি কেন বলেছে তালা না বলে সেই রহস্য আমি উদ্ধার করতে পারিনা। কিন্তু কেন জানি মনে হয় চাবি না বলে তালা বললে সুন্দর শুনাতনা। মনে হয় ওখানে চাবি বলাটায় যুক্তিযুক্ত, যেন চাবি না বললে ভাবটা এভাবে প্রকাশ পেতনা। যদি তোর ডাকে কেউ না আসে তবে একলা চলরে। ওখানে তোর না বলে তোমার বললে কি বিশ্রী শুনাতরে বাবা! এই বুড়াটা কিভাবে যে এসব বুঝত! তোরা যে যাই বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই। এই লোকটা কিভাবে এসব সৃষ্টি করেছে? কিরকম মেধাসম্পন্ন মানুষ হলে এরকম সৃষ্টি করতে পারে? আমি নিশ্চিত বিশ্বসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের মত মেধাবী আর কেউ আসেনি, আসবেনা। নজরুল সংগীত খুবই কঠিন লাগে্। নজরলের কবিতা পড়তাম মাঝে মাঝে। এই লোকটা কিভাবে এ্ত অল্পশিক্ষিত হয়ে এসব লিখেছে? কিভাবে সম্ভব? আমাদের মধ্যে প্রায়ই দেখা যায় আমরা নজরুলকে বড় দেখাতে গিয়ে কবিগুরুকে ছোট করে দেখি, আবার যারা রবীন্দ্রভক্ত তারা নজরুলকে দুচক্ষে দেখতে পারেনা। ব্যতিক্রম আছে, তবে এটাই কমন। কাউকে বড় করতে গিয়ে আমাদেরকে অন্য কাউকে ছোট করতেই হবে, নাহয় শান্তি পাইনা আমরা। আলোকিত মানুষ হওয়ার দৌড়ে যে আমরা কবে শামিল হব।


৩.
যা বলছিলাম, আমার ওল্ড-ফ্যাশান নিয়ে। আমি জানি আমি খুবই উদ্ভট। আধুনিক গান শুনেনা এরকম যুবক ছেলে পাওয়া মুশকিল। আমার বন্ধুরা তো আমাকে ছাগল বলে অনেকে এজন্য। আমার কম্পিউটারে এসব গান দেখে তারা হতাশ হয়। কিন্তু এরকম ওল্ড-ফ্যাশানড হতেই যে আমার ভাল লাগে। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি শুনলেই যে আমার মন ভাল থাকে। আমি বাংলার গান গায় শুনলেই যে আমার দেহমন অজানা অচেনা ভাল লাগায় ছুঁয়ে যায়। সালাম সালাম, হাজার সালাম শুনে আমি কেঁদে ফেলি। জেমসের "তুমি প্রতিটি পংগু মুক্তিযোদ্ধার অভিমানের সংসার " শুনে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করতে না পারার যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকি। চোখে ভেসে উঠে ছোটকালে নাটকে দেখা পংগু মুক্তিযোদ্ধা রিকসা চালাচ্ছেন একপায়ে। ভাড়া কম দেয়াতে যখন যে চড়ল তাকে আরো ১ টাকা দেওয়ার কথা বলল তখন টাস করে একটা চড় খেল। আমার সেই স্মৃতি মনে পড়ে যায়। ছোটকালের সেই নাটক দেখে আমি অনেকদিন কেঁদেছিলাম। মা এসে আমাকে জড়ি্যে ধরত, মাঝে মাঝে নিজেও কাঁদত। সেই মুক্তিযোদ্ধার চড় খাওয়ার স্মৃতি মনে ভেসে উঠে যখন আমি হায়দার আলীর গানটা শুনি। জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্য কিছুই করার নেই আমার, শুধু মাঝে মাঝে গান শুনে কান্নাকাটি করা ছাড়া। আমি দেখে যায় রাজাকাররা যখন পতাকা উড়িয়ে আমার ভাইয়ের রক্তেরাংগানো একুশে ফেব্রুয়ারীতে প্রধান অতিথি হয় তখন আমারই কোন মুক্তিযোদ্ধা ভাই ভিক্ষার থালা বাড়িয়ে দেয় পথচারীদের দিকে আর বিনিময়ে কোন গালি খায়। আমার সোনার বাংলা তুমি প্রতিটা পংগু মুক্তিযোদ্ধার অভিমানের সংসার।

৪.
বিথোভেন আর মোৎজার্টের ভক্তের অভাব নেই। বিথোভেনের নাইনথ সিম্ফনি তো লেজেন্ড। আমার কম্পিুটারের তাদের কম্পোজিশান ছিল। বিথোভেনের নাইনথ সিম্ফনী অনেকবার শুনেছি, এটার ব্যাখ্যা নেটে পড়েছি। কিন্তু কখনও আমার কাছে সেটা আমার সোনার বাংলার চেয়ে কখনও সুন্দর মনে হয়নি, শ্রুতিমধুর তো নয়ই। মাইক্রোসফট এনকার্টায় সবদেশের জাতীয় সংগীত ছিল। প্রায় সবদেশেরই জাতীয় সংগীত শুনার সুযোগ হয়েছে। আমাদের জাতীয় সংগীত বাই ফার অন্য যেকোন দেশের চেয়ে অনেক অনকে গুনে বেশী সুন্দর এবং আমাদের সারাদেশটাকেই ধারণ করে।

৫.
প্রিয় মুক্তিযোদ্ধারা, আমি তোমাদেরই উপহার দেয়া দেশের এক কুলাংগার সন্তান। তোমাদের স্বাধীনকৃত দেশেরই পেটের সাথে পিঠ লেগে যাওয়া দরিদ্র চাষীদের, গার্মেন্টসে ১৪ ঘন্টা কাজ করা বস্তিতে বাস করা আমার দেশের মেয়েদের আর মধ্যপ্রাচ্যে গায়ের রক্তকে পানি করা শ্রমের টাকার সরকারি ট্যাক্সে পড়ালেখা করেছি সেই ছোটকাল থেকে ঢাবি'তে পড়া পর্যন্ত। আমার প্রিয় মুক্তিযোদ্ধারা তোমাদেরই মুক্ত করা দেশে রাজাকারের বাচ্চারা আজ সবচেয়ে সুখে আছে। আমরা তোমাদের অযোগ্য, অথর্ব উত্তরসুরিরা তোমাদের এই অপমান দেখে কিছুই করিনা। নিজের আখের গোচানোর জন্য অন্যদেশে পাড়ি জমায়। অথবা আমার সোনার বাংলা গান শুনে মন ভাল হওয়ার ধান্ধায় থাকি। এই সোনার বাংলা পাওয়ার জন্য তোমাদের কত ত্যাগ করতে হয়েছে সেটা একবারেরর জন্যও মাথা ঘামায়না। ২৬শে মার্চ আর ১৬ই ডিসেম্বর এলে আমরা তোমাদেরকে কাংগালি ভোজ খাওয়ায়। আমাদের পেটভরে খাওয়ার স্বাধীনতা আনার জন্য তোমরা নিজের জীবনকে ত্যাগ করতে রাজি ছিলে আর আমরা বছরের ৩৬৩দিন তোমাদের কথা মনে করিনা একবারের জন্যও। প্রিয় মুক্তিযোদ্ধারা, তোমাদের সোনার বাংলার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল, আমরা তোমাদের স্বপ্নকে এখন ঠাট্টা করি। তোমাদের প্রাণের ভয় না করে যুদ্ধে যাওয়ার ইতিহাস আজ আমাদের কাছে অন্য যে কোন সাধারণ ঘটনার মত শুধুই এক অতীত, যে অতীতকে ভুলে গিয়ে সামনে তাকাতে আমাদেরকে আমাদের রাজনীতিবিদরা উপদেশ দেয়। প্রিয় মুক্তিযোদ্ধারা, আমাদেরকে ক্ষমা কর। আমি তোমাদের উত্তরসুরি হওয়ার যোগ্য নয়। বেশির থেকে বেশি হলে আমি শুধু তোমাদের দূর্দশা দেখে কিছুক্ষণের জন্য মনখারাপ করতে পারি, রাজাকারদের লাফানি দেখে রাগে কিছুক্ষণ দাঁত কিড়মিড় করে উঠে হয়ত। নিষ্ফল আক্রোশে সবাইকেই শত্রু মনে হয় হয়ত কিছুক্ষণের জন্য, এই পর্যন্তই আমার দৌড়। বড়জোড় সামহয়ারে একটা আবেগময় লেখা দিতে পারি। তোমাদের জানবাজি রাখার, বাপ-ভাইকে হারানোর, সারা জীবন পংগু থাকার, মা-বোনকে পাকিস্তানিদের হাতে হারানোর, নয়মাস প্রতিটা মুহুর্ত্য প্রাণের ভয়ে গুটিসুটি হয়ে থাকার জন্য এটাই তোমাদের জন্য আমার বিনিময়। নিজের প্রতি মাঝে মাঝে প্রচন্ড ঘেন্না হয়, সে পর্যন্তই। পরমুহুর্ত্যেই আবার নিজের ক্যারিয়ার গোচানোর জন্য কাজে নেমে পড়ি।

৬.
আজকে ইউ-টিউবে একটা বাংলা নাটক দেখলাম। আশা অপরাজেয়। দেখে মনটা এত খারাপ হয়ে গেল। তারপর থেকে "আমার সোনার বাংলা" শুনতেছি। আমার সোনার বাংলা এত বেশিবার শুনেছি এখানে আসার পর থেকে যে আমার ইন্ডিয়ান রুমমেটদেরও এখন মুখস্ত হয়ে গেছে। তাদেরকে অবশ্য আমি প্রায়ই স্মরণ করিয়ে দিই যে তাদের জাতীয় সংগীতও রবীন্দ্রনাথের লেখা। বন্দে মাতরম বংকিমের লেখা।

প্রিয় বাংলাদেশ, তোমার জন্য, তোমার মানুষের, জন্য তোমার বুকের সেরা সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য হয়ত কোনদিনই কিছুই করতে পারবনা। পারার সামর্থ্য থাকলেও হয়ত স্বার্থপরতার জন্য কিছুই করবনা। তবুও তোমাকে ভালবাসি প্রিয় বাংলাদেশ। তোমার প্রতিটা মানুষকে, তোমার প্রতিটা গাছ-পালা, নদী-খাল, তোমার প্রতি ইন্ঞি মাটি সবকিছুকে ভালবাসি।


http://www.youtube.com/watch?v=



সংযুক্তি: প্রথম ইউ-টিউব ভিডিওটা আমাদের জাতীয় সংগীত আর শেষেরটা "আমি বাংলায় গান গায়।"

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: কি বলতে এসেছিলাম , ভুলে গেছি । এক নিঃশ্বাসে পড়লাম। তোর আবেগটুকু অনুভব করলাম মন প্রাণ দিয়ে । লেখাটার জাত বিচারে নামবো না । ভালোবাসা তো ভালোবাসাই । তার আর রেটিং কি রে !

এত ভালোবাসা দেখে মনে আবার স্বপ্ন দেখার লোভ লাগে । ভাবতে ইচ্ছে হয় বর্তমান বাংলাদেশের একটা মুক্তির পথ কোন না কোন দিক দিয়ে অবশ্যই বের হবে । হয়ত অপেক্ষা করতে হবে ৫০ বছর কিংবা আরো বেশি । তবু , আসবেই !

একটা ব্যক্তিগত কথা বলি ? তোর আবেগ তোর চালিকা শক্তি , তোকে ঠেলে নিয়ে যাবে হয়ত সামনের দিকে , কিন্তু তুই ব্যটা জীবনেও একলা সামনে যাবি না । সবাইকে সাথে নিয়েই যাবি মনে হয় ।

ও হ্যাঁ , অনেক কষ্ট পাবি । জীবনে অনেক বেশি , অনেক অনেক বেশি কষ্ট পাবি । সমস্যা নাই, ভালোবাসাও পাবি পূর্ণ মাত্রায় । ঃ)
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: হবে অবশ্যই হবে আপু, বাংলাদেশ অবশ্যই মুক্তি পাবে। আমি আশাবাদী মানুষ, আশা করি, স্বপ্ন দেখি নিরন্তর। বাংলাদেশ অবশ্যই মুক্তি পাবে, মুক্তি না পেয়ে যে তার কোন উপায় নেই।


অনেক কষ্ট পাব? অনেক ভালবাসাও পাব বললে। তাহলে সমস্যা নেই, অনেক ভালবাসা পেলে অনেক কষ্ট পেতে রাজি আছি।


তোমার কমেন্টটা পেয়ে কি যে ভাল লাগল আপু।

২. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
বিটলা বলেছেন: ভাই, এত্ত বড় পোষ্ট!!মুই বিটলাতো কাহিল...
মুই আপনাকে গানের ভিডিওগুলোর জন্য থ্যঙ্কুস বলতে এসেছিলাম,এত সুন্দর একটা পোষ্টে মন্তব্য নিচ্ছেন না কেন?পিলাস+++
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: বিটলা, অনেক ধন্যবাদ। ওটা আসলে আমার নিজের জন্য রেখেছি। প্রতিদিন শুনব। তাই মন্তব্য নিচ্ছিনা।

৩. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
রুখসানা তাজীন বলেছেন: বাবু গানটা চুরি করেছে কথাটার মানে কী? উনি কি কখনো এমন দাবি করেছেন? একুশে টিভির গানের ভিডিওতে লেখাই থাকত গানটা কার।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: তাজীন, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। বাবু তার অরিজিনাল এলবামে গানটা যে তার না সেটা সম্পর্কে কিছু বলেনি। সেটা চুরিই ধরা হয়।

০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: চানাচুর, তোমার প্রাণ চানাচুর নিকটা কই গেল?

৫. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
রঙীন বলেছেন: গানের ভিডিওগুলোর জন্য থ্যঙ্কস । এরকম থাকলে শেয়ার করুন।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০১
বিটলা বলেছেন: বাংলা মা'গো তুমি ক্ষমা কর না আমায়...
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: বিটলা, অনেক ধন্যবাদ। আচ্ছা আমার মনে হয় আপনার আরো কোন পুরাতন নিক আছে! ঠিক?

৭. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৫
চানাচুর বলেছেন: ওইটাকে এখন রেখে দিয়েছি:)
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: ভাল করছ! শো-কেসে সাজিয়ে রাখ!

০৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: চানাচুর তোমার সম্পর্কে তো অনেক কিছুই জানলাম আউলা'র পোস্ট থিকা!

৮. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: চমৎকার লেখছো।কিন্তু বাবু গানটা কখনোই ভারতীয়দের কাছে চুরি আনে নাই।এই গানটা বিখ্যাত হইছে মিউজিক ভিডিওর কারনে।আর সেখানে লেখা ছিলো মুল গান সুর-প্রতুল মুখ্যপ্যাধ্যায়।আর বাবু যেখনেই এই গান গায় সেখানেই ও এই কথাটা বলে যে এই গানটা প্রতুলদার।আর আমরাতো হেমন্ত মান্নাদের গান গাই তাহলেই কি চুরি করা হইলো?আর আমার যতদুর মনে পড়ে ঐ এলবামের ভুমিকাতে প্রতুল মুখোপ্যাধায়ের নাম ছিলো।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: শান্ত, গানটা যে বাবুর না সেটা সবাই জানতে পারে বিবিসি'তে গানটা সেরা গান হিসেবে ভোট পাওয়ার পর। তখন পশ্চিমবংগের প্রতুল মুখোপাধ্যায় গানটা তার বলে দাবি করে। এর আগে কেউ জানতনা যে গানটা অরিজিনালি বাবু'র না। তার মানে এর আগে বাবু কোনদিনই সেটা বলেনি। তার অরিজিনালি যে এলবাম বের হয়েছিল সেটাতেও গানটা যে তার না সেটা বেমালুম চেপে গিয়েছিল। পরবর্তীতে এডিশানে হয়ত দিয়েছিল। গানটা যখন সবাই জানল যে প্রতুল সাহেবের তখন থেকেই বাবু তা স্বীকার করতেছে। আমার কাছে সেটা চুরি মনে হচ্ছে।

৯. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
হ্যারি সেলডন বলেছেন: হাসান নামে এক জামতি নর্দমার কীটকে অশ্লীল এবং অপ্রাসংগিক কমেন্টের জন্য ব্লক করা হল।
১০. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
রুখসানা তাজীন বলেছেন: " গানটা যে বাবুর না সেটা সবাই জানতে পারে বিবিসি'তে গানটা সেরা গান হিসেবে ভোট পাওয়ার পর।"
-----
এই উদ্ভট তথ্য কোথায় পেলেন? নিজে আর সবাই তো এক না।

"এর আগে কেউ জানতনা যে গানটা অরিজিনালি বাবু'র না"
-----
কে বলেছে আপনাকে জানতোনা?

"গানটা যখন সবাই জানল যে প্রতুল সাহেবের তখন থেকেই বাবু তা স্বীকার করতেছে। "
-----
মনগড়া তথ্য।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি কি আমাকে সেসময়ের প্রথম আলোর ডেটটা বলতে পারবেন? মানে যেসময়ে বাবুর এগানটা বিবিসি'তে সেরা হয়েছিল? ডেটটা বললেই আমি আপনাকে লিংকটা দিতে পারব। মনগড়া তথ্য আমি কোনদিন দিইনা। আমার সেসময়ের ডেটটা মনে নেই।

০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: আপনি এই লিংকের কমেন্টগুলো দেখুন। একটু ধারণা পাবেন। আমি আরো বিশ্বস্থ লিংক দেওয়ার চেষ্টা করতেছি।

http://www.youtube.com/watch?v=zmX1rnYh1vg

১১. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ওকে।তোমার কথাগুলো মাথায় থাকলো।শুক্রবার টিএসসিতে বাবু ভাই এর সাথে প্রায়ই কথা হয়।সামনে এই ব্যাপারে জিগেস করবো।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: মাহমুদুজ্জামান বাবু কি নিজে থেকে বলবে? আমি নিশ্চিত না। আমি বিশ্বস্থ সুত্রের সন্ধানে আছি অবশ্যই।

১২. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
রেটিং বলেছেন: কিমু কিচ্ছু কওয়ার নাই, সুধু আনলিমিটেড প্লাস দিয়া গেলাম।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: পজু, অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২৩
রুখসানা তাজীন বলেছেন: ২০০৬ এর ১৪ই এপ্রিল জরিপের ফল প্রকাশ হয়।

তথ্যসূত্রঃ Click This Link
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি অনেকক্ষন পর্যন্ত প্রথম আলোর আর্কাইভে চেষ্টা করতেছি, কিন্তু খালি প্রবলেম লোডিং পেজ দেখাচ্ছে। আমি পেলেই আপনাকে খবর দিব। আর না পেলে আমার পোস্ট থেকে তথ্যটা এডিট করে কেটে দিব। তবে আমার স্পষ্ট মনে এ ব্যাপারে।

১৪. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
রাগ ইমন বলেছেন: পছন্দের গান মিলে গেছে । আমার সোনার বাংলা আমি সুযোগ পেলেই গাইতে শুরু করি । ঃ) খুব মজা লাগে ।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: রাগাপু, অনেক ধন্যবাদ!

১৫. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
রুখসানা তাজীন বলেছেন: ইউটিউবের লিঙ্কে অনেক কমেন্ট। কোন পেজের কমেন্টগুলা দেখতে বলছেন, জানালে খুশি হতাম।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: কমেন্ট সবগুলো দেখলেই ভাল ধারণা পেতেন মনে হয়। ১১০টা কমেন্ট পড়তে ৩০ মিনিটের বেশি লাগবেনা। তবে যে পেজের লিংক দিয়েছি সে পেজের কমেন্ট পড়লেও কিছুটা ধারণা পাবেন।

১৬. ০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
রুখসানা তাজীন বলেছেন: হ্যারি, বাবু যদি কোথায় নিজে বলে থাকেন, গানটার সৃষ্টিকর্তা তিনি, তবেই শুধু আপনার এমন মন্তব্যের সার্থকতা পেতাম। অন্য সবাই কে কী ভাবল তা দেখে এমন দায়িত্বহীন মন্তব্য করা যায়না।

আমার ব্যক্তিগত অনুরোধ, তথ্যটা মুছে দিন।

ভালো থাকবেন।
০৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: তিনি যদি তার এলবামে প্রথমে যখন গানটা গেয়েছিলেন তখন প্রতুল সাহেবের কথা না বলে থাকেন তাহলে সেটাকে কি আপনি অনৈতিক বলবেন?

১৭. ০৫ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
রুখসানা তাজীন বলেছেন: প্রথম অ্যালবামটা আপনার কাছে থাকলে ফ্ল্যাপের একটা স্ন্যাপশট দেয়ার অনুরোধ রইলো। আপনাকে অবিশ্বাস করছি বলে নয়, নিজের বিশ্বাস যাচাই করতে চাচ্ছি বলে।

যদি উনি প্রতুলের নাম উল্লেখ না করেন অ্যালবামে, তবে কাজটা অনৈতিক। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন এ গানটি করেছিলেন ২০০২ বা ২০০৩ এ, তখন প্রতুলের নাম বলেছিলেন।
০৫ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। দেখুন আমার খুবই ভাল লাগবে যদি দেখি বাবু সেটা চুরি করেননি। আমার গানটা খুবই প্রিয় এবং তা বাবুর কন্ঠেই। কিন্তু আমার স্পষ্ট মনে আছে বিবিসি জরীপের পর প্রতুল সাহেব হইচই করেছিলেন অনেক। সেটা পেপারে এসেছিল এবং অনেকেই তখন বাবুকে ধিক্কার দিয়েছিল। আমি বাবুকে অতিরিক্ত পছন্দ করতাম বলেই সেটা আমার মনে গেঁথে গিয়েছিল। কিন্তু প্র.আ.-র আরকাইভটা এখন কাজ করতেছেনা। আমি যদি আমার দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি আমি অবশ্যই ডিলিট মারব এবং ক্ষমা চাইব। সেটা হলে আমার নিজেরই ভাল লাগবে। অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ০৫ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
আসম বলেছেন: যদিও মাহমুদুজ্জামান বাবু এর কন্ঠেই "আমি বাংলায় গান গাই" বেশি ভাল লাগে, এ্যালবাম বের করার সময় গানের স্রষ্টা প্রতুল মুখোপাধ্যায় এর কাছে যে কোন কারনেই হোক অনুমতি নেয়ার সৌজন্যটি রক্ষা করা হয়েছিলো না। পরে প্রতুল মুখোপাধ্যায় এই গানের স্বত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে, কলকাতায় নিযুক্ত তৎকালীন সহকারী রাষ্ট্রদূত জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন (বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব) এর মধ্যস্থতায় একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে এই বিতর্কের মধুর সমাপ্তি হয়। বাবু এই গানের অনুমতি চাইলে প্রতুল মুখোপাধ্যায় সানন্দে সম্মতি প্রদান করেন।

তাই আসুন, গানের স্রষ্টা (ও শিল্পী) এবং শিল্পী দু'জনকেই অভিবাদন জানিয়ে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলার" পরে নতুন প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে হৃদয়গ্রাহী ও মননশীল দেশাত্নবোধক গান "আমি বাংলায় গান গাই" আরেকবার শুনি এবং আশাবাদী হই, আমরা করবো জয়, বাংলাদেশ করবে জয়, একদিন। নিশ্চয়।

আবেগতাড়িত পোস্টের জন্য হ্যারিকেও অভিবাদন। ভালো থাকুন।
০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আসম, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এ ব্যাপারে কি আপনার কাছে কোন সূত্র আছে?

১৯. ০৫ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: মাহফুজ চমৎকার লিখেছো।
আগে বলেছি তোমার সাথে আমার অনেক মিল আছে। এখন একটি অমিল খুঁজে পেলাম। সেটা হলো গান। আমি খুবই গানপাগল মানুষ। আমার বন্ধুরা বলে গান শুনা ছাড়া নাকি কাউন্ট করার মতো আমার জীবনে কিছু নেই। বাবার কারণে পড়ছি সিএ। মনে প্রাণে হতে চাই কম্পোজার। গান প্রডিউসড করতে চাই। মিউজিক এর উপরে কোর্স খুব শীঘ্রই কোর্স করবো।
যাইহোক, এবার আসি আসল কথায়। তোমার সাথে আমি কোন তর্কে যাবার সাহস করিনা। তবে, গানের ব্যাপারে হয়তো করবো।:)
তুমি বাবু'র যে গানের কথা বলেছো সেই এ্যলবামের নাম 'চোখ ভেসে যায় জলে' এটাতে 'আমি বাংলায় গান গায়' গানটি তিনি গেয়েছিলেন। তিনি গানটি চুরি করেছে বলাতে আমি খুজে এ্যলবামের কাভারটি বের করলাম। সেখানে স্পষ্ট করে লেখা আছে 'আমিবাংলায় গান গাই' গানটির কথা ও সুর ' প্রতুল মুখোপাধ্যায়'। বাংলাদেশে আমার যতো সিডি/অডিও ক্যাসেট ছিল আমি এখানে নিয়ে এসেছি।:)

সো, যেটা বলবো সেটা হচ্ছে 'তিনি গানটি চুরি করেছেন' লাইনটি বাদ দিলে মনে হয় ভালো হয়। কারণ এ কথা বলে একটা মানুষকে ছোট করা হয়ে যাচ্ছে যেহেতু তিনি চুরি করেন নি।

অন্যান্য সবকিছুর সাথে বরাবরের মতই একমত।
লেখা ভালো হয়েছে। এখন পরীক্ষা তাই ব্লগে আসা হয় না। ভালো থেকো।:)
০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ইমন, তোমার অনুরোধে এডিট করলাম। খুব ভাল থেক। অনেক ধন্যবাদ।

০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: একটা ব্যাপার ভাল লাগতেছে যে তিনি তার এলবামে কথা ও সুর প্রতুল মুখোপাধ্যায়টা লিখেছেন বলেছ। তবে অনুমতি নেওয়া হয়নি এটা আমি নিশ্চিত।

২০. ০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
রুখসানা তাজীন বলেছেন: ইমন, সঠিক তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: তাজীন, আপনাকেও ধন্যবাদ উচ্চকিত থাকার জন্য। আপনি মনে হয় বাবু'র খুবই ভক্ত?

২১. ০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:১৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: হুমম প্রিয় একজন উনি। তবে প্রিয় না হলেও উপরের কথাগুলো বলতাম, কারণ আমি প্রত্যক্ষভাবে দেখেছি ব্যাপারটা ঠিক নয়।

ভালো থাকুন।
০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: আসম'র কথামতে তিনি প্রতুলের কাছ থেকে কোন অনুমতি নেননি, পরে ব্যাপারটা সুরাহা করা হয় এমবাসাডরের মাধ্যমে। আমিও জানি এটাই সত্যি, তাঁর কাছ থেকে সুত্রও চেয়েছি। এটা নিশ্চয়ই অন্যায় মনে করেন? বাবুকে খুবই বড় হৃদয়ের মানুষ মনে হয়েছে, তিনি কেন অনুমতি নেননি সেটা খুবই আশ্চর্য্যর বিষয়।

২২. ০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:১৮
স্বাপ্নিক বলেছেন: চোখ ভিজে আসা লেখা, অনেক ধন্যবাদ ...

বাবুর ব্যাপারে, বাবুর এই গানটা থেকেই আমি প্রথম প্রতুলের নাম জানি, তারপর প্রতুলের বেশ অনেক গানই শুনেছি, ভালোও লেগেছে। আমিও মোটামুটি গানপাগলই বলতে পারেন, না বুঝলেও প্রচুর গান শুনি। গানের ব্যাপারে আমি সর্বভূক প্রজাতির।
০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: স্বাপ্নিক, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। যদিও গানটা প্রতুলের কিন্তু গানটাকে আমাদের কাছএ এভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাবুর কৃতিত্ব অবশ্যাম্ভাবী, তাছাড়া আমার কাছে প্রতুলের গাওয়া গানটা থেকে বাবু'র গাওয়াটা অনেক বেশি ভাল লাগে।

২৩. ০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: প্রথমে বললেন অ্যালবামে নাম ছিলোনা, ইমন সেটা শোধরালেন। আপনি কিন্তু দুঃখপ্রকাশ করেননি ভুল তথ্যের জন্য। অনুমতি না নিলে অন্যায় করেছেন বাবু।
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: আমি অবশ্যই দুঃখ প্রকাশ করব, আমি আরেকটু নিশ্চিত হয়ে নিই। প্রথম আলোর আর্কাইভে খুঁজে দেখি, না পেলে অবশ্যই দুঃখ প্রকাশ করব।

২৪. ০৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৬
স্বাপ্নিক বলেছেন: এ ব্যাপারে একমত, বাবুর গায়কী প্রতুলের চেয়ে ভাল হয়েছে। তবে প্রতুলের আরও কিছু গান আছে, খুব ভাল। প্রতূলের কন্ঠ অতটা ভাল না লাগলেও তার আবেগটা ভাল লাগে ...
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: স্বাপ্নিক, অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫১
কোন একজন বলেছেন: "পারার সামর্থ্য থাকলেও হয়ত স্বার্থপরতার জন্য কিছুই করবনা।".........সবাই একই কাজ করলে কেমনে হবে?.....লেখাটা ভালো হয়েছে.....আপনার চিন্তা গুলি সুন্দর....
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: সবাই একই কাজ করা উচিৎ হবেনা, ডিভিশন অফ লেবার দরকার!



জাঝাবাদ!

২৬. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন একটা লেখা। সত্যি অসাধারণ। মানুষ অনুভুতিগুলো এইভাবে প্রকাশ করে কিভাবে!!
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: শামীম, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২১
কোন একজন বলেছেন: ডিভিশন অফ লেবার দরকার! ........

০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা............

২৮. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৪
মিয়াভাই সিলটী বলেছেন: আমি ক্ষমা চাইব না,যতদিন আছে এই দেহে নিঃশ্বাস,
আজ না হয় কাল, বদলাবে দিন আমার বিশ্বাস।
আমি এখনো আশাবাদী,নয় হতাশ,
পাপিষ্ঠরা হবেই হবে একদিন বিনাশ।
ক্ষমা চেয়ে কেমনে করি মা'গো তোমায় আমি নিরাশ,
তোমার বুকে জন্ম আমার,গায়ে তোমার মাটির সুবাস...

হ্যারি সেলডন ভাই,এত আবেগ আর ভালবাসা থাকতে হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই।জয় বাংলা মা।
ধন্যবাদ এই সুন্দর পোষ্টের জন্য।




০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: মিয়াভাই, অনেক ধন্যবাদ ভাই।

০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: আইজুদা, মাহমুদুজ্জামান বাবু'র কথা কন??

৩০. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৫২
কোন একজন বলেছেন: ডিভিশন অফ লেবার দরকার! ........
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: গুগলে আছেন?

৩১. ০৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ২০০৬ সালের এপ্রিল বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের নির্বাচনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ গান এর তালিকা ঘোষণা করা হয়। তার আগেই ২০০৪ সালের দিকে প্রথম আলোতে টুকটাক লেখার সুবাদে এবং বন্ধুসভার সাথে থাকার সুবাদে অনেকবার বাবু ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে।
মনে আছে ২০০৪ সালে বেশ কয়েকবার বাবু ভাইয়ের কন্ঠে সামনাসামনি বসে বাংলায় গান গাই ...শুনি। উনি তখন প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কথা বলেছেন। ২০০৪ সালেই আমরা একসাথে পিকনিকে গিয়েছিলাম। সেখানেও এই গানটা গাওয়ার সময় প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কথা বলেছিলেন মাহমুদুজ্জামান বাবু ভাই।
তার মানে বিবিসি বাংলার স্বীকৃতির আগেই প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কথা স্বীকার করেছেন বারবার। গানটা গাওয়ার আগে বলে নিয়েছেন তার নাম।

মাহফুজ ভাই, বিবিসি বাংলার জরিপে আমি বাংলায় গান গাই গানটি সেরা ৬ ঘোষণার সময় বলা হয়েছিল গানটির শিল্পী মাহমুদুজ্জামান বাবু।কথা ও সুর প্রতুল মুখ্যোপাধ্যায়।

এটাইতো দুজনের জন্য স্বীকৃতি। এইক্ষেত্রে মাহমুদুজ্জামান বাবু আলাদা করে কি স্বীকৃতি দিবেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়কে?
লক্ষ্য করুন বিবিসি বাংলার ফলাফল ঘোষণার ধরণ-
৬. আমি বাংলায় গান গাই : কথা ও সুর - প্রতুল মুখোপাধ্যায়; শিল্পী - মাহমুদুজ্জামান বাবু
লিংকটি দেখুন- Click This Link
০৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: হুমম........ঠিকাছে, তুমি তবুও আমার জন্য যাযাদি'র সংখ্যাগুলো যোগার করবে। ঠিকাছে?

৩৩. ০৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
আসম বলেছেন: সূত্র চেয়ে তো একটা বিপদেই ফেললেন। কিশোর বয়সে একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুবাদে আমি অনেক জুনিয়র হলেও তৌহিদ ভাই (জনাব তৌহিদ হোসেন, বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব) এর সাথে কিঞ্চিত পরিচিতি আছে। তার অফিসের বাইরে থেকে কারো গাওয়া বেসুরো গানটি শুনে তিনি অনেকদিন আগে ঘটনাটি বর্ণনা করেছিলেন। অনেক আগে শোনা ঘটনাটির পর্যায়ক্রম, সময়কাল বা কোন সূত্র সম্মন্ধে নিশ্চিত হবার জন্য গতকাল জনাব তারেক আহমেদ, পরিচালক, পররাষ্ট্র সচিবের কার্যালয় (ঢা. বি. সহপাঠী) কে কল করেছিলাম, বোধ করি, বসকে জিজ্ঞাসার সময় ও সুযোগ পায়নি এখনও। আলী আরাফাত শান্ত কি শিল্পীর ভাষ্য জানাবেন?

পূরনো বাংলা গানের তথাকথিত রিমিক্সের যুগে, অনুমতি তো দূরের কথা, যখন কোন গীতিকার এবং সুরকারই তাদের সৃষ্টির প্রাপ্য মর্যাদা পায়না শিল্পী মাহমুদুজ্জামান বাবু সবসময়ই গানটির স্রষ্টা হিসাবে প্রতুল মুখোপাধ্যায়কে স্মরণ করেছেন। বাবুর কন্ঠে “আমি বাংলায় গান গাই” এর তুমুল জনপ্রিয়তাই হয়ত এই বিতর্কের কারণ ছিল, যা কলকাতায় গীতিকারের সানন্দ সম্মতির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। ধন্যবাদ।

হ্যারির তুমুল আবেগতাড়িত পোস্টে আবেগতাড়িত না হয়ে বা তারিফ না করে আমরাও কি অহেতুক একটা বিতর্ক করছি না?

(কী-বোর্ড বিপর্যয় সংক্রান্ত মন্তব্যটি মুছে দিতে পারেন)।
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: প্রিয় আসম, আপনার কমেন্ট ভাল লাগল।অনেক ধন্যবাদ। বাবু'র প্রতি আমার আলাদা ভাললাগা আছেই, কিন্তু কাউকে ভাল লাগলে তার সব দোষকে ক্ষমার চোখে দেখার দৃষ্টিভংগির সাথে আমি একমত না।তাই তিনি যদি অনুমতি না নিয়েই প্রতুল সাহেবের গান এলবামে বের করেন সেটা অন্যায় হয়েছে। ন্যায়-অন্যায়ের স্ট্যান্ডার্ডটা মানুষভেদে ভিন্ন হয়। বাবু ন্যায়ের জন্য সবসময় উচ্চকিত এবং অনেক সামাজিক কাজে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। এ ধরণের মানুষ অনেকেরই আদর্শ, তাই তাদেরকে সবসময় ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার থাকতে হবে। তা যাই হোক, বাবু'র গানটা শুনলে যা ভাল লাগে শুধু তার জন্যই তিনি আমাদের মত ভক্তদের হৃদয়ে কাল্ট-ফিগার হিসেবে থাকবেন।

৩৪. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আবেগ ধরে যাওয়া লেখা । ধন্যবাদ হ্যারি ।
হ্যারি, তুমি কি মানসিকভাবে একটু বিপন্ন ?
আমার কেন জানি মনে হচ্ছে ।

তোমার পোস্টে বানান ভুল থাকেনা । এই পোস্টে বেশ ক'টি ভুল বানান চোখে পড়লো । 'গাণ' বানানটাতো গান হবে, তাই না ?

মাহমুদুজ্জামান বাবুর এই গান অনেক শুনতাম । ওই ঘটনা শোনার পর ওই গান শোনাও ছেড়েছি ।
০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, এই রে আমি "গাণ" লিখে বসে আছি!! মানসিকভাবে একটু সমস্যায় আছি, বদ্দা। তবে এই বানানটা অসাবধানতার জন্য হইছে।

আমি গানটা শুনা ছাড়িনাই। হাহাহাহা...........তোমার খবর কি?

০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: বানান ঠিক করলাম বদ্দা।

৩৫. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আমি ভালো হ্যারি । সব মিলিয়ে কাজ আগাচ্ছে না :(
০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, কাজ এগুতে হবে দ্রুত।

০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: কই??

৩৭. ০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭
সাইফুর বলেছেন: ভয়াবহ ভালো পোষ্ট
আনন্দের সাথে পোষ্টে : + দেওয়া হলো
০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: টার্টলকে ধইন্যাপাতা।

০৯ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: হাহাহহা.........আইচ্ছা!

৩৯. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৮
একজন ব্লগার বলেছেন: হায় খোদা, নারার এই পোস্ট আমি কিভাবে মিস কর্লাম! :(

আমি বাকরুদ্ধ নারু! সোজা প্রিয়তে! !!!
০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: কতবেল, অনেক ধন্যবাদ ব্রাদার।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কেন তুমি তরকারী বঁটি দিয়ে কুটবে
কেন তুমি দশটায় অফিসেতে ছুটবে
কেন তুমি ডালে দেবে আটখানা লংকাই
সব্বাই করে বলে সব্বাই করে তাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই